নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • প্রত্যয় প্রকাশ
    • মারুফুর রহমান খান
    • দ্বিতীয়নাম
    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • কৌশিক মজুমদার শুভ

    নতুন যাত্রী

    • নীল মুহাম্মদ জা...
    • ইতাম পরদেশী
    • মুহম্মদ ইকরামুল হক
    • রাজন আলী
    • প্রশান্ত ভৌমিক
    • শঙ্খচূড় ইমাম
    • ডার্ক টু লাইট
    • সৌম্যজিৎ দত্ত
    • হিমু মিয়া
    • এস এম শাওন

    বাঙালী মডারেট ধার্মিক ও লোকদেখানো বাহ্যিক প্রগতিশীলতা


    "খালি কলসি বাজে বেশী"-এই অলংকারটি হয়ত বাঙালী মডারেট ও তথাকথিত ধার্মিকদের পাশে নির্দ্বিধায় বসিয়ে দেয়া যেতে পারে এবং এই অলংকার তাদের বাহ্যিক রুপবৈচিত্রের সাথে একান্ত না গেলেও অন্তরের ভাবনাচিন্তার সাথে একান্তই বেমানন নয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে সুশোভন অথবা ভালোভাবে বলতে গেলে "সোনায় সোহাগা" বলতে পারেন।এটা বাংলাদেশী ধার্মিকদের একটি বড় সমস্যা, কেউ হিন্দুদের সমালোচনা করলে বলে পাকি দালাল,কেউ মুসলিমদের সমালোচনা করলে তখন ভারতের উদাহরণ টানেন।আর ভারতের কথা যদি বলেনই প্রতিবেশী দেশ হিসেবে তবে আমি বলবো-তুমি অধম হইলে আমি উত্তম হইবো না কেন?তাঁরা যদি অন্যায় করেওবা আমাদের ও তাই করতে হবে!ব্যাপারটা আমার কাছে বালসুলভ ম

    কুরআন অনলি রেফারেন্স: (২৪) হুমকি ও ভীতি প্রদর্শন!


    বর্তমান 'কুরআনের' পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনায় আমরা জানতে পারি, স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তার সুদীর্ঘ ২৩ বছরের নবী জীবনে 'আল্লাহর নামে' অবিশ্বাসীদের উদ্দেশে যে সর্বমোট ৬২৩৬টি বানী বর্ষণ করেছিলেন, তার কমপক্ষে ৫২১টি শুধুই হুমকি, শাসানী, ভীতি-প্রদর্শন, অসম্মান, দোষারোপ ও সম্পর্কচ্ছেদের আদেশ সম্পর্কিত! এ ছাড়াও আছে তার ত্রাস, হত্যা, হামলার আদেশ সংক্রান্ত কমপক্ষে আরও ১৫১টি বানী। মোট ৬৭২টি আয়াত! যা সমগ্র কুরানের মোট আয়াত সংখ্যার ১০.৭৮ শতাংশ! [1]

    রমজান সংযম, সংগম, নাকি ধর্ষণ আর সংঘর্ষের মাস!?


    নারীবাদ আর নাস্তিক্যবাদ চর্চাকারীদের প্রতি প্রতিটি ধর্মপ্রাণ প্রাণীর বিদ্বেষ আছে, আছে অহরহ অভিযোগ৷ মানুষ না বলে প্রাণী কেন বলছি? মানুষ বলতে ইচ্ছে করেনা কারণ আছে তার অনেক৷ যাই হোক, এত অভিযোগের পরও তারা দেখাতে পারেনা কোন এক নাস্তিক কিংবা নারীবাদী কাউকে ধর্ষণ করেছে, করার পর মেরে ফেলেছে৷ কোথাও দেখাতে পারেনা শিশুদের জোর পূর্বক ধর্ষণ করেছে৷ কিন্তু প্রতিদিনের পত্রিকা রমরমা ধর্ম প্রাণীদের অত্যাচারে৷ দেখা যায় মাদ্রাসার শিক্ষক ছাত্রকে বলাৎকার করছে, যৌন হয়রানি করছে, নয়তো শিশুর পেটে শিশু আসার পর প্রমাণ করে দিচ্ছে এ কাজ মাদ্রাসা শিক্ষকের৷ কি করবে শিশুরা!!

    ইসলামই মুসলমানদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাত তৈরী করে তাদেরকে বর্বর বানায়


    ইসলাম নিজেই মুসলমানদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাত সংঘর্ষ তৈরী করে , তাদেরকে অসভ্য বর্বর বানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্য, মুসলমানরা ইমানের আধিক্যে সেটা বুঝতে পারে না। যদি তারা কোরান হাদিস সিরাত তাফসির পড়ত , তাহলে বুঝতে পারত। কিন্তু তারা পণ করেছে , কখনই কোরান হাদিস সিরাত ইত্যাদি নিজের মাতৃভাষায় পড়বে না। কোরান হাদিসের কিছু মাত্র না জেনেই তারা ইসলাম পালনে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। যাইহোক , এবার দেখা যাক , কিভাবে ইসলাম নিজেই মুসলমানদেরকে অসভ্য ও বর্বর বানায়।

    রমজান সংযমের মাস। কিন্তু এদের সংযম কোথায়?


    দীর্ঘদিন যাবৎ মসজিদে যাতায়াত করছি। কিন্তু যোগ্য ও ধর্মভীরু ইমামের দেখা আজও পাইনি। সবখানে কেমন যেন একটা ফাঁক আর সম্পূর্ণ ফাঁকিবাজি। ১০০০টা ইমামের ওপর কেস স্ট্যাডি করলে দেখা যাবে সেখানে ৯৯৯টা ইমামই ভেজাল। আর তারা ধর্মসাধনা বাদ দিয়ে নিজেদের লোভের ও লাভের তথাকথিত ইসলামী-রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়(?)


    গ্রাম বাংলায় একটা প্রবাদ আছে 'খাইবো পোলাহানে, চিড়ায় জল না দিয়ে হিসু দিলেই কী!' জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দিয়ে দেশের ২১ লক্ষাধিক ছেলে-মেয়েকে সরকার শিক্ষার নামে হিসু খাওয়াচ্ছেন বলেই আমার বিশ্বাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌলিক সংজ্ঞা যদি হয় হাজার বছরের জ্ঞান সংরক্ষণ, জ্ঞান বিতরণ ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টির কর্তব্য পালন করা তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংজ্ঞা অনুযায়ী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আদৌ কি বিশ্ববিদ্যালয়?

    রোযা রাখার কি আসলেই কোন মানে আছে?


    ধর্মমতে প্রতিটি মুসলমানের উচিৎ রোযা রাখা। অর্থাৎ সূর্য উঠার পরে থেকে সূর্য অস্ত যাওয়ার আগে পর্যন্ত নিজেকে সকল প্রকার লোভ-ক্ষোভ-লালসা-নেশা-সকল প্রকার ধর্মবিরোধী কাজ থেকে মুক্ত রাখতে হবে।
    কিন্তু আমরা কি সেটা পারছি? দোকানের খোলা খাব দেখলেই আমাদের মুখে পানি চলে আসে, মেয়ে দেখলে অনেকেরই লালসা উপচে পড়ে। কিন্তু তারপরও আমরা নিজেদেরকে রোযাদার দাবী করি। এটা কি হাস্যকর নয়?
    আমরা লোভ নিবারনের চেষ্টা করি না, বরং দোকানে পর্দা দেয়ার জন্য পাগল হয়ে যাই। আমরা মেয়েদের প্রতি নিজের লালসার দৃষ্টি না দিয়ে পারি না তাই তাদেরকে পর্দা করতে বলি। আহা আমাদের ধর্ম!!

    মুসলিমদের কিছু খুচরো দোষ


    অন্য কোনো ধর্মের লোকজন উপাসনা(নামাজ) বা উপবাস(রোজা) ভাঙার জন্যে পাবলিক বাসে, বাস-সুদ্ধ লোকের সময় নষ্ট করে বলে আমার জানা নেই।

    যদিও এরা গাড়ির কারো কথা না ভেবেই এই অন্যায় আবদার করে এবং গাড়ির ড্রাইভার অন্যদের অনুমতি না নিয়েই অথবা কখনো কখনো বাধ্য হয়েই গাড়ি থামিয়ে রেখে অন্যদের সময়নষ্ট ও বিরক্তির উদ্রেক করে।অনেকের কাছে ব্যাপারটা অনৈতিক মনে হলেও মুখ ফুটে কিছু বলতে পারেন না,কেননা এই উন্নতশ্রেণীর দৃশ্যত দ্বিপদ( আচরনে চতুষ্পদ)'দের ধর্মানুনুভূতি অতি মাত্রায় প্রবল এবং তাদের প্রতিরোধ কিংবা প্রতিরোধের ভাষা তাদের ধর্মানুরাগের মতোই প্রবল ও বিকৃত।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর