নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • ড. লজিক্যাল বাঙালি
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী

    নতুন যাত্রী

    • মোঃ হাইয়ুম সরকার
    • জয় বনিক
    • মুক্তি হোসেন মুক্তি
    • সোফি ব্রাউন
    • মুঃ ইসমাইল মুয়াজ
    • পাগোল
    • কাহলীল জিব্রান
    • আদিত সূর্য
    • শাহীনুল হক
    • সবুজ শেখর বেপারী

    যীশুর মা মেরি এবং হারুনের বোন মারিয়ামকে নিয়ে কোরআনের ইতিহাস বিকৃতি


    কোরআনের বক্তা যীশুর মা মেরিকে এবং হারুন ও মূসার বোন মরিয়মকে একি মানুষ মনে করতেন। যা ছিলো কোরআনের বক্তার একটি ভুল ধারনা। কারণ মেরি এবং মরিয়ম আলাদা দুইজন মানুষ এবং মরিয়ম মেরির চেয়ে হাজার বছর আগে জন্ম নেওয়া একজন মানুষ। বাস্তবতা হলো, মুহাম্মদ জানতেন না যে মরিয়ম এবং মেরি দুইজন এক নন। তবে আরবিতে দুজনের নামই 'মরিয়ম' (ﻣﺮﻳﻢ)।

    উৎস

    কোরআন

    কোরআনের সূরা মারইয়ামে যীশুর মা মেরিকে হারুনের বোন বলা হয়েছে :

    19:27

    দুধে জৈব পদার্থ (যেমন প্রোটিন একটি জৈব জড়) থাকে কিন্তু সেটা জীব নয়। তাই মানুষ কোনো জীব কে না হত্যা করে তথা প্রাণী না হত্যা করে বেঁচে থাকতে পারে।


    বেঁচে থাকতে হলে মানুষকে খেতে হয়! মানুষ যেকোনো কিছু খেয়েই বেঁচে থাকতে পারে! যেমন ভাত, রুটি, ফল, ডিম, দুধ, এগুলোর কোনটিই কিন্তু কোন প্রাণীকে হত্যা করে খেতে হয়না! ধান ও গম গাছ জন্মে, বড় হয়, ফল দেয়, আর সেই গাছ যখন জীবনের শেষ সময়ে চলে যায় তখনই ধান ও গম সংগ্রহ করা হয়! ধান গাছ মৃত্যুর কাছাকাছি বা মৃত অবস্থায় থাকে আর ধান ও গম হলো গাছের ফল যেটা আর জীবিত থাকে না! আর আমরা সেই ধান গম থেকে খাদ্য পাই! গাছ ব্যাথা উপলব্ধি করে না! আবার তাদের মৃত বা মৃত্যুর কাছাকাছি অবস্থা থেকে সংগ্রহ করা হয়! তাই কোন প্রাণ বা প্রাণী হত্যা না করেই আমরা খাদ্য পাচ্ছি খুব সহজেই!

    ধর্ম জিন বা পরিবেশের উপর নির্ভরশীল নয়, আসলেই কি তাই ?


    আলোচনাটি একটু দীর্ঘ হয়ে যাওয়াতে পোস্ট আকারেই করা হলো।

    ছবিঃ আনবিক পর্যায়ের ডিএনএ কোডের কোন পরিবর্তন না ঘটিয়ে ন্যাচারাল একুরিয়াম নামের কৃত্রিম কাচের ঘরে পরিবেশ বদল করে রাখা গুহার পানিতে জন্মানো শ্যাওলা বা মস্ব।

    মেয়েরা অদ্ভুত!


    আমি শীতকাল ছাড়া বাকি বছর খালি গায়ে থাকি, ওকে কিন্তু ওর মা পারতপক্ষেও খালি গায়ে রাখে না।

    মসজিদের এইসব ইমামকে ‘মানুষ’ বলা মহাপাপ



    মসজিদে ঢুকলেই দেখা যায়, ইমাম-নামধারী একেকটা নরপশু কুরআন-হাদিসের প্রয়োজনীয় আলোচনা বাদ দিয়ে গগণবিদারীকণ্ঠে সরাসরি রাজনৈতিক ওয়াজে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ছে। এরা বর্তমান-বিশ্বে মুসলমানদের সকলপ্রকার অধঃপতনের জন্য একমাত্র দায়ী করে থাকে ইহুদী-খ্রিস্টানদের।

    নারীর যুদ্ধ


    ডান হাতে লাঠি আর বাম হাতে বেশ লম্বা একটি ছাতা হাতে একদম কচ্ছপের গতিতে তিনি ধীরে ধীরে চলেন। কোনো কোনো দিন বাম হাতে হয়তোবা বাজার করার ছোট্ট কালো রঙের শপিং ট্রলি থাকে। তিনি হাঁটেন সামনে আর বাম হাতে হালকা শপিং ট্রলিকে পেছনে পেছনে টেনে নিয়ে যান। অত্যন্ত ধীর লয়ে। ওই হাতে টানা শপিংব্যাগেই একটি ছাতা গুঁজা থাকে। মহিলা সামনে হাঁটেন আর তার লাঠিটিও টুকটুক করে সামনে হাঁটে। হিসেব করে হাঁটা। ডান হাতে সোজাকৃতির একটি লাঠি। মাঝারি সাইজের। তার মতোই যেনো বয়সের ভারে লাঠিটি প্রায় বিবর্ণ। হাঁটেন আর ভারি কাঁচের অনুজ্জ্বল সোনালি ফ্রেমের চশমা পরা চোখে চারপাশ খুব শান্তভাবে অবলোকন করেন। কোথাও থামলে পরে প্রায় বুজে আসা বিবর্ণ চোখে অনেক্ষণ তাকিয়ে দেখেন। কী দেখেন কে জানে!

    ফেরা


    অন্ধকার ফুঁড়ে উল্টোদিক থেকে অল্প গতিতে আসা ট্রেনের জায়গা ছেড়ে দিয়ে রেললাইনের পাশের পায়ে চলা পথ ধরে হাঁটতে লাগলো ফরিদ। স্টেশন থেকে অনেকটা দূরে থাকতেই ট্রেনের গতি প্রয়োজনের তুলনায় একটু বেশিই কমে যায়। এসময় কুষ্টিয়া থেকে আসা ভারতীয় চোরাই মালের বস্তা ধপাস ধপাস করে পড়তে থাকে রেললাইনের পাশে। আগে থেকেই ওঁত পেতে থাকা চোরাকারবারীদের সহযোগীরা এসব বস্তা কুড়োয়। ফলে স্টেশনে ঢুকে চোরা কারবারীরা ভদ্রলোকের মতো ট্রেন থেকে নেমে নিরাপদে বেরিয়ে যায়। লোকে বলাবলি করে যে ট্রেনচালকদের সঙ্গে চোরাকারবারিদের হাত আছে, নইলে নির্দিষ্ট স্থানে এসে ট্রেনের গতি এতোটা কমে যায় কেন?

    আমদানীর জন্য তেলের পাইপলাইন এবং ভারতকে বন্দর ব্যবহার করতে দেয়া প্রসঙ্গে



    ভারত থেকে তেল আমদানির পাইপলাইন নিয়ে নিউজ পড়তে পড়তে শুরুতেই মাথায় আসলো, ভারতের তো নিজের মাটির নিচেইতেল নাই। তারা নিজেরাই পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল আমদানী করে। চুক্তি মোতাবেক শিলিগুড়ির যে রিফাইনারী থেকে তেল আসবে, তাতে অশোধিতি তেল নিতে ভারত নিজের বন্দর থেকে যে দূরত্ব পার করে পাঠায়, সেটা চট্টগ্রাম থেকে নর্থ বেঙ্গলে অপরিশোধিত তেল নেয়ার চেয়ে কম হবার কথা না। তাহলে নিজের জন্য আরেকটা রিফাইনারী না করে কেন এই পাইপলাইন আর তাতে লাভটাই আসলে কতটুকু হবে? নিজের রিফাইনারী করা মানে দেশের ভিতর বিনিয়োগ, হাজারখানেক মানুষের স্থায়ী কর্মসংস্থান সহ আরও অনেককিছু। সরকার দেশের মানুষের জন্য স্থায়ী কিছু করবার কথা ভাববে না?

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর