নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মৃত কালপুরুষ
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সিয়ামুজ্জামান মাহিন
  • সলিম সাহা
  • নির্যাতিতের দীর...
  • সুখ নাই

নতুন যাত্রী

  • মোঃ হাইয়ুম সরকার
  • জয় বনিক
  • মুক্তি হোসেন মুক্তি
  • সোফি ব্রাউন
  • মুঃ ইসমাইল মুয়াজ
  • পাগোল
  • কাহলীল জিব্রান
  • আদিত সূর্য
  • শাহীনুল হক
  • সবুজ শেখর বেপারী

আপনি এখানে

ফুটপাতের মানুষ এর ব্লগ

গহনবাসী-বিষাদ আব্দুল্লাহ


মহল্লার গলিতে মুখ
ভিতরের চিৎকারে কেঁপে ওঠে বুক

ভাবছি অনেক কিছুই,
অথচ, অবাক করে দিয়ে
ফিরে পায় বাক গহনবাসী নির্বাক
সে বললো কিছুই ভাবোনি...!!

৭.৯.১৬, ঢাকা।

‘উমা’র ঝলকানি ও চলচ্চিত্রে বাঁকবদলের পথ-বিষাদ আব্দুল্লাহ


মনে আছে ! সেই ‘ছুটির ঘন্টা’ সিনেমাটির কথা ! মনেপড়ে! মনেহয় না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে যে চলচ্চিত্র নির্মাতা আজিজুর রহমানের রচনা ও পরিচালনায় কালজয়ী এ সিনেমা দেখে নি। স্কুল ছুটির পর আটকা পড়া এক বালকের তীব্র হৃদয়পোড়া গল্পে মোড়া সেই সিনেমা, বুকের ভিতরে এখনো তো ‘ছুটির ঘন্টা’ বাজে। যে কোন পাষাণ হৃদয়ও অনর্গল হাউমাউ করে কেঁদে ওঠবে ছুটির ঘন্টা বালকের কথা মনে করে। এরপরেও হয়তো বহু সিনেমা দেখে চোখের জল ফেলেছি, বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছি কিন্তু ভুলে গিয়েছি অথচ এখনও কেন ছুটির ঘন্টার কথা মনে পড়ে! কারণ তো একটাই, যে সিনেমা বুকের ভিতর আছড় কাটে না, সে সিনেমা মনের ভিতর তার নিজস্ব জায়গা তৈরি করবে কি করে!

এই বঙ্গে দানিয়ালা বিয়ানছির প্রেমিক-বিষাদ আব্দুল্লাহ


তাঁর সমস্ত অবয়ব অজস্র চাঁদের আগুনে মোড়া
ভেবেছিলাম এশিয়ার আলো। কি অদ্ভুত !
ইতালির আগুন এই বঙ্গে !
কী অসহ্য সুতীব্র কী জোরালো
হয়ে আমাকে ছুঁলো
আগুন কি করে আগুন রুখে !

এযাবৎ বিষাদের বুকে ধুপ করা কাঠি জ্বলেনি
অবশ্য সাহস কোন যুবতীর কি ছিলো
আমারও কি ! দ্বন্দ্ব তা চির অনাবিষ্কৃত

শরীরে আজন্ম বাহিত আগুন
আর আগত আগুন

অগ্নিজিহ্বার পাতলা পর্দার ওপর
দাঁড় করিয়ে দূর থেকে সে
কাঁপনের বাতাস ছাড়ছে

সড়কে সড়কে ফুল (পর্ব ১)- বিষাদ আব্দুল্লাহ


রাস্তা দিয়ে যখন হেঁটে যাই যখন মুখে শ্লোগান হাতে পোস্টার নিয়ে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের রাজপথে হাঁটতে দেখি তখন মনে হচ্ছিল শুধু এককানে শুনছি সুকান্ত আর অন্যকানে নজরুলের কবিতা। কি ভাস্বর ! কি উজ্জ্বল ! কি দীপ্ত আর সতেজ দেখায় নিষ্পাপ মুখগুলো। সমগ্র দেশের কিশোর কিশোরী শিক্ষার্থীরা সড়কে খুনিদের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠছে, হয়েছে সোচ্চার। তাদের কাণ্ডারি কে!

গোপনে রাখা পর্বত-বিষাদ আব্দুল্লাহ


ফোঁটা ফোঁটা অন্ধকারের রঙ
সারা শরীরে মলমের মত মাখি
আঁখির আলমারিতে আকাশটা
ভাঁজ করে রাখি
উলঙ্গ হ'য়ে প্রতি রাত্তিরে
নেমে পড়ি জোস্নাপুকুরে
এ মুহূর্তে যেমন শশীজলে
গাঁ ভিজিয়ে কবিতা লেখি

লেখি,
নারী আমার বুকের গন্ধ নেয় নি
আঙুল ছোঁয়নি ঠোঁট ছোঁয়নি
দু’বাহুর কম্পিত স্পন্দনে কাঁপেনি
ওঠেনি গোপনে রাখা পর্বতে
ফলে আমি কবি আমি নিখুঁদ প্রেমিক

১৬.০৮.২০১৮, ঢাকা

নিঃসঙ্গের অনুপস্থিতি-বিষাদ আব্দুল্লাহ


রোজ গভীর রাতে নিঃসঙ্গের সাথে জম্পেশ আলাপ চলে
বুকের ভিতর এক কফি হাউজ আছে নাহ ! সেখানে,
আমরা আড্ডা দেই, বলি তাকে দ্যাখ ভাই !
আমার কলম জেল হাজত ভয় পেয়ে কালি বন্ধ রেখেছে !
আর বাক নেই বলেই তো তোর সাথে খাতির জমে ভালো
তারপর থেকে নিঃসঙ্গ আর কফি হাউজে আসে নি,
আসে নি বলে লোকালয়ে এসে দেখি
আমার কণ্ঠ ছিঁড়ে বাক কারাগারের দিকে ছুটছে
আর কলম খোঁজছে কালো রঙ !

১০.০৮.২০১৮, ঢাকা।

জ্বররুপে দীর্ঘস্থায়ী প্রেমিকা-বিষাদ আব্দুল্লাহ


সে কবি, যাকে প্রেমিকা বলে দাবি করি
ফেসবুকে সার্চ করে দেখার পরে
ঐ নিখুঁত ঠোঁট মুঠোফোন স্ক্রিনে ডুবে থাকা
তাজা মাছের মত লাফ দিয়ে স্বঠোঁটে ডুব মারে
আর চোখ থেকে কলিজার ক্ষতে মলম লাগাই
বিচ্ছুরিত গুচ্ছ গুচ্ছ দ্যুতিময় রশ্মি এ শরীর পুড়ায়

অস্বীকার করলেও তার যোগ্য প্রেমিক আমি
অবশ্য, সে কোনদিন জানবে না
হোক বিবাহিতা, আমার চে দীর্ঘাকায়
কিংবা এক মেয়ে সন্তানের মা

জেনেছি অধুনা ফের সংসারী হলো
যদি পুনরায় ঘর বাধে এ ফাঁকে
যেনো জানতে পারে
আর না জানলে কি-ই-বা আসে যায়!

শাহবাগ মোড়ের বিজ্ঞাপনবোর্ড ও অর্থ অপচয়


শাহবাগ শুধু একটি নাম নয়। শাহবাগ নামক শব্দটি আন্দোলন সংগ্রামের সমার্থক শব্দ। যে কোন প্রগতিশীল আন্দোলন, মুক্তির প্রশ্নে, অধিকার আদায়, বাকরুদ্ধ মানুষের বাক উদ্ধারের একটি পবিত্র ভূমি। শাহবাগ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এদেশের মুখপত্র বললে বেশি বলা হবে না। শাহবাগ হলো সাংস্কৃতিক রাজধানী। নানা শ্রেণি পেশার মানুষদের শ্বাস নেয়া দেয়ার মুক্তস্থান, বুক ভরে কথা বলা, আলাপ আলোচনার প্রধানতম ভালো লাগার জায়গা। কবি, সাহিত্যিক, প্রগতিশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পদচারণায় মুখরিত থাকার তীর্থস্থান। একজন রিকশাওয়ালা, একজন চা বিক্রেতা একটু ঝিরিয়ে নেয়, ভূমিহীনদের নিকুঞ্জ। সেই পবিত্রতম ভূমিকে কুৎসিত, বিবস্ত্র, উলঙ্গ করার অধিকা

পাঠক তাঁর প্রিয় লেখকের সাথে দেখা না করাই শ্রেয়-বিষাদ আব্দুল্লাহ


পাঠক-লেখকের মধ্যে যখন পারস্পরিক মেলামেশা হয়ে যায়। তখন পাঠক তাঁর প্রিয় লেখককে খুঁজতে থাকে, দেখার করার জন্য মন ছুটতে থাকে উসাইন বোল্টের গতিতে। তা স্বাভাবিক। যখন পাঠক তাঁর প্রিয় লেখকের দেখা পেয়ে যায় ,তখন পাঠক কি ভাবে? অথবা পাঠকের তৎক্ষণাৎ কি চিন্তার উদয় হয় তাঁর মন-মগজে? সে কি আনন্দে মাতোয়ারা? সে কি মর্মান্তিকভাবে হতাশ?

বাংলা একাডেমির সাথে নিষিদ্ধ শব্দটি বেমানান


যখন শ্রাবণ প্রকাশনীর নিষিদ্ধের খবর শুনেছিলাম তখন খুবই অবাক হয়েছি। সেই সঙ্গে স্নায়ুচাপও হু হু করে বেড়ে গিয়েছিলো। কারণ, যখন মাথা রাগে ক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে তখন তাৎক্ষণিক ক্ষেত্রে কিছু বলতে গেলে ভুল-বাল অনেক কিছু বের হয়ে আসতে পারে। যেমনটা অনেকের ক্ষেত্রে দেখেছি। তাই নিজেকে সংযত রেখে ফেসবুকে বন্ধুদের ক্ষোভ রাগ প্রতিবাদ সংবলিত কথাগুলো পড়ছিলাম। ভাষা সংস্কৃতি ঐতিহ্য মুক্তিযুদ্ধ চারটি রুপেই আমার কাছে সবসময় আবির্ভূত হয়ে এসেছে বাংলা একাডেমি। বাংলা একাডেমির এহেন বাহ্যিক কর্মকান্ডে লেখক-প্রকাশকদের মনে যে ভীষণ আঘাত দিচ্ছে যা আসলে মুক্তপথের, মুক্তমতের ও বাংলা একাডেমির চরিত্রের পরিপন্থী। একবিংশ শতাব্দীর

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

ফুটপাতের মানুষ
ফুটপাতের মানুষ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 5 দিন ago
Joined: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর 29, 2015 - 3:20অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর