নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মৃত কালপুরুষ
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সিয়ামুজ্জামান মাহিন
  • সলিম সাহা
  • নির্যাতিতের দীর...
  • সুখ নাই

নতুন যাত্রী

  • মোঃ হাইয়ুম সরকার
  • জয় বনিক
  • মুক্তি হোসেন মুক্তি
  • সোফি ব্রাউন
  • মুঃ ইসমাইল মুয়াজ
  • পাগোল
  • কাহলীল জিব্রান
  • আদিত সূর্য
  • শাহীনুল হক
  • সবুজ শেখর বেপারী

আপনি এখানে

রক্তিম বিপ্লবী এর ব্লগ

বিষাক্ত রাজনীতি:- একাদশ পর্ব-



দিনটি ছিল 27 শে ফেব্রুয়ারি সালটি ছিল 2002 অর্থাৎ 27 শে ফেব্রুয়ারি, 2002। এই দিনটি ভারতবর্ষের ইতিহাসে এক কলঙ্কিত দিন; এই দিন যা ঘটেছিল তা ভারতবর্ষের ইতিহাস চিরতরে বদলে দিয়েছিল। ওই দিনের নৃশংসতা আজও আমাদের সভ্য সমাজকে কাঁপিয়ে দেয় এবং তার প্রতিক্রিয়া হিসাবে আমরা যা পায় তা সভ্য সমাজের জন্য কলঙ্ক! আমরা সর্বদা আশাকরি ওইরকম ঘটনা ইতিহাসের কালো অধ্যায় হিসাবেই থাকুক, এরূপ ঘটনার আর যেন কখনও পুনরাবৃত্তি না ঘটে! কি হয়েছিল সেদিন?

বিষাক্ত রাজনীতি:- দশম পর্ব-



মুম্বাই বিস্ফোরণের এই তদন্ত প্রক্রিয়া চলতে থাকে দাউদ ইব্রাহিম, টাইগার মেমন ও ডি কোম্পানির সঙ্গে তদন্ত প্রক্রিয়ায় আর একটি নাম উঠে আসে; আর এই নামটি নিয়েই পরবর্তীকালে দেশ জোড়া বিতর্ক শুরু হয়। বিতর্ক শুরু হয় আদেও এই মানুষটি মুম্বাই বিস্ফোরণে যুক্ত ছিলেন কি না? মুম্বাই বিস্ফোরণের অন্যতম বহু চর্চিত সেই ব্যাক্তিত্বটি হলেন- ইয়াকুব মেমন।

বিষাক্ত রাজনীতি:- নবম পর্ব-


মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে দেশের অবস্থা বহু পরিবর্তিত হয়। বাবরি ধ্বংসের পর মুম্বাইয়ে দাঙ্গা এবং দাঙ্গার প্রতিক্রিয়া হিসাবে মুম্বাই বিস্ফোরণ হয়। সরকারি হিসাবে 257 জনের মৃত্যু হলেও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে শুধুমাত্র মুম্বাই স্টক এক্সচেঞ্জের হামলায় পাঁচশো থেকে হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। তাহলে ওই হামলায় মোট কত মানুষের মৃত্যু হয়েছিল ও কতজন আহত হয়েছিল তা সহজেই অনুমান করা যায়। চারিদিকে শুধু লাশ আর লাশ ও ছিন্নভিন্ন দেহ, শহরে যেন রক্তের বন্যা বয়ে চলেছিল! চারিদিকে শুধু মানুষের হাহাকার ও আর্তনাদ! তবে কেউ কল্পনাও করতে পারেনি এই রকম হামলা হতে পারে?

বিষাক্ত রাজনীতি:- সপ্তম পর্ব-


1992 সালের 6 ই ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়! এটি শুধু মাত্র কোন একটি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনা ছিল না; এর সঙ্গে আরও অনেক কিছু জড়িত ছিল। ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ বর্হিবিশ্বের কাছে তীব্র আঘাত প্রাপ্ত হয় ও ভারতের মর্যাদা ভূলুন্ঠিত হয়। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর দেশ ও বিদেশে এর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সারা দেশে বিভিন্ন জায়গায় ছোট বড় দাঙ্গা শুরু হয়, গোটা দেশে কার্ফিউ জারি করা হয়। এই ঘটনার পর গোটা দেশ প্রায় দু মাস সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাতে জ্বলতে থাকে; দাঙ্গার প্রভাবে গুজরাটে 246, মধ্যপ্রদেশে 120, আসামে 100, উওরপ্রদেশে 201, এবং শুধুমাত্র মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ে 900 জনের অধিক মানুষ এই হিংসার বলি হয়। গোটা দেশে প্রায় দু হাজারের ও অধিক মানুষ এই হিংসায় প্রাণ হারান (বেসরকারি সূত্রে মৃতের সংখ্যা ছিল আরও অধিক); তবে এর মধ্যে মুম্বাই হিংসা ছিল সর্বাধিক ভয়ংকর যা বিশেষ আলোচনার দাবি রাখে, পরবর্তী সময়ে এটি বিস্তারিত আলোচিত হবে।

বিষাক্ত রাজনীতি:- চতুর্থ পর্ব-


যে সমস্যাটি ভারতীয় রাজনীতি ও সমাজ জীবন চিরতরে পাল্টে দিয়েছিল সেই ঘটনাটি ছিল এইরকম- মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর শহরের নামজাদা উকিল মহম্মদ আহমদ খান দুটি বিবাহ করেন। বড় স্ত্রী ছিলেন সাহাবানু। বাষট্টি বছর বয়সী ও পাঁচ সন্তানের জননী সাহাবানু যখন তার স্বামী মহম্মদ আহমদ খানের কাছে ভরণপোষণ সংক্রান্ত অর্থ চাইতে যায় তখন তার স্বামী প্রচন্ড রাগে তালাক, তালাক, তালাক বলে তিন তালাক দেয়, 6 ই নভেম্বর 1978। অর্থাৎ এরপর থেকে তাদের মধ্যে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক শেষ। এরফলে ইসলামি আইন অনুযায়ী শুধু বিয়ের সময় দেনমোহর ও বিচ্ছেদের 90 দিন পর্যন্ত অর্থাৎ ইদ্দতের সময় পর্যন্ত স্বামীর স্ত্রীকে অর্থ প্রদান করা অর্থাৎ 'নাফকা' ওয়াজিব

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রক্তিম বিপ্লবী
রক্তিম বিপ্লবী এর ছবি
Offline
Last seen: 2 দিন 23 ঘন্টা ago
Joined: মঙ্গলবার, আগস্ট 29, 2017 - 3:02অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর