নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নরসুন্দর মানুষ
    • সিয়ামুজ্জামান মাহিন
    • সলিম সাহা
    • নির্যাতিতের দীর...
    • সুখ নাই

    নতুন যাত্রী

    • মোঃ হাইয়ুম সরকার
    • জয় বনিক
    • মুক্তি হোসেন মুক্তি
    • সোফি ব্রাউন
    • মুঃ ইসমাইল মুয়াজ
    • পাগোল
    • কাহলীল জিব্রান
    • আদিত সূর্য
    • শাহীনুল হক
    • সবুজ শেখর বেপারী

    কাব্যকথা


    অনেক খোজাখুজি পর ছেলেটি যখন মেয়েটিকে পেয়ে একটা টেক্সট করতে চাইল,
    মেয়েটি অন্তত তার মাস তিনেক আগেই ছেলেটিকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে আদার বক্সে ছোট্ট করে একটা ম্যাসেজ পাঠিয়েছিল,
    " শুভ্র! আমি অনামিকা " Smile

    -কাব্যকথা

    সমকামীতার বৈধতাঃ ভারতীর সুপ্রীমকোর্ট প্রদান করতে পারলে, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট পারবে না কেন?


    প্রাপ্ত বয়স্ক দু’জন ছেলে মেয়ের স্বেচ্ছায়, সজ্ঞানে, জন সম্মুখের আড়ালে মিলিত হওয়ার অধিকারকে ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক বৈধতা প্রদান কয়ায় বাংলাদেশের সমকামী সম্প্রদায় খুবই আনন্দিত। অচিরে বাংলাদেশের সমকামী সম্রদায়ও এমন একটি শুখবর পাবে বলে স্বপন দেখতে শুরু করেছে।

    উক্ত রায়ের ফলে ভারতে সমকামিতা আর অপরাধ নয় এবং প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ বা নারীর মধ্যে সম্মতির ভিত্তিতে যৌন সম্পর্ক স্থাপন আর অপরাধ বলে গণ্য হবে না। এমনকি কারও যৌন পছন্দ আর বিচার বিভাগের বিবেচনাযোগ্য হবে না।

    দেশ (গল্প-৩২)


    লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে ১৯৩৪ সালের ১৩ জানুয়ারি বিকেলবেলা ক্ষুধার তাড়নায় গুলিস্তানের রাস্তায় বসে পথ চলতি মানুষের দিকে ভিক্ষার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন কেদারনাথ, দিনটি তিনি ভোলেননি এজন্য যে আগের রাতে চট্টগ্রাম কারাগারে ব্রিটিশরা সূর্যসেন এবং তারকেশ্বর দস্তিদারের ফাঁসি কার্যকর করে; আর রাত পোহালেই শোকের গাঢ় ছায়া পড়ে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান নির্বিশেষে অধিকাংশ ভারতবাসীর মুখে, হৃদয়ে ঝড় ওঠে, চোখে বৃষ্টি নামে। সেই থেকে গত বারো বছর যাবৎ গুলিস্তানের রাস্তায় ভিক্ষা করছেন কেদারনাথ। কেদারনাথ ছাড়াও ফজলু, জুলেখা, তাইজাল ওরফে তাজু সহ আরও অনেকেই আছে রাস্তার এপাশে-ওপাশে। তবে তাদের চারজনের ভিক্ষাবৃত্তির স্থান

    কোরআনে আলোর গতি?


    মূল দাবি

    Islami City তে পাবলিশ হওয়া একটি আর্টিকেলে [1] ড. মানসুর হাসাব দাবি করেছেন যে, কোরআনের আয়াত ৩২:৫ প্রকাশ করে যে, আলো একদিনে ১২০০০ চন্দ্র কক্ষপথ সমান দূরত্ব অতিক্রম করে এবং সেই দূরত্ব হিসাব করে আমরা একেবারে নির্ভুল আলোর গতি পাই।

    32:5

    يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مِنَ السَّمَآءِ إِلَى الْأَرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِى يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُۥٓ أَلْفَ سَنَةٍ مِّمَّا تَعُدُّونَ

    ধর্মনিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা


    সামাজিক ন্যায়বিচার ও আধুনিক বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায়, ধর্মনিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার বিকল্প নেই। একটি সমাজ বা রাষ্টে বিভিন্ন ধর্ম, পেশা, বিশ্বাস ও প্রথার মানুষ বাস করে। তারা আশা করে সংখ্যাগুরু এবং সংখ্যালুগু তত্ত্বের উর্ধে গিয়ে ন্যায়বিচার পাবার। পঁচনধরা গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থায় গণতন্ত্র ও ধর্ম উদ্ধারের নামে ব্যাহত হচ্ছে ন্যায়বিচার । ধর্মনিরেপেক্ষ গণতন্ত্র, ধর্মনিরেপেক্ষ বিচার বাবস্থা ও ধর্মনিরেপেক্ষ মিডিয়া আলোকিত করতে পারে একটি রাষ্ট্রকে। আমার জ্ঞানের গভীরতা খুবই কম। ভাবনা থেকে লেখা , তবে প্রাসঙ্গিক। বিচার ব্যাবস্থায় ধর্মের প্রভাব আমরা অস্বীকার করতে পারিনা। বিশ্বজুড়ে অন

    মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ধারাবাহিক উপন্যাস: মুক্তিযুদ্ধ এখনও শেষ হয় নাই (প্রথম খণ্ড—দ্বিতীয় পর্ব)



    একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীরা কোনোভাবেই মুসলমান ছিল না এবং তারা আজও মুসলমান নয়। আর তারা মানুষও নয়। তার কারণ, মানুষ হওয়ার জন্য যে-সব বৈশিষ্ট্যের তথা যে-সব মানবিক গুণের প্রয়োজন তা এদের কারও মধ্যে ছিল না। এরা আদিমপশুদের সরাসরি উত্তরাধিকারী—এরা ছিল কোনো প্রাগৈতিহাসিক জীব, এবং আজও তা-ই।

    প্রথম পর্বের লিংক: http://istishon.blog/?q=node/29620

    ‘উমা’র ঝলকানি ও চলচ্চিত্রে বাঁকবদলের পথ-বিষাদ আব্দুল্লাহ


    মনে আছে ! সেই ‘ছুটির ঘন্টা’ সিনেমাটির কথা ! মনেপড়ে! মনেহয় না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে যে চলচ্চিত্র নির্মাতা আজিজুর রহমানের রচনা ও পরিচালনায় কালজয়ী এ সিনেমা দেখে নি। স্কুল ছুটির পর আটকা পড়া এক বালকের তীব্র হৃদয়পোড়া গল্পে মোড়া সেই সিনেমা, বুকের ভিতরে এখনো তো ‘ছুটির ঘন্টা’ বাজে। যে কোন পাষাণ হৃদয়ও অনর্গল হাউমাউ করে কেঁদে ওঠবে ছুটির ঘন্টা বালকের কথা মনে করে। এরপরেও হয়তো বহু সিনেমা দেখে চোখের জল ফেলেছি, বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছি কিন্তু ভুলে গিয়েছি অথচ এখনও কেন ছুটির ঘন্টার কথা মনে পড়ে! কারণ তো একটাই, যে সিনেমা বুকের ভিতর আছড় কাটে না, সে সিনেমা মনের ভিতর তার নিজস্ব জায়গা তৈরি করবে কি করে!

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর