নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সিয়ামুজ্জামান মাহিন
  • মৃত কালপুরুষ
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সলিম সাহা
  • নির্যাতিতের দীর...
  • সুখ নাই

নতুন যাত্রী

  • মোঃ হাইয়ুম সরকার
  • জয় বনিক
  • মুক্তি হোসেন মুক্তি
  • সোফি ব্রাউন
  • মুঃ ইসমাইল মুয়াজ
  • পাগোল
  • কাহলীল জিব্রান
  • আদিত সূর্য
  • শাহীনুল হক
  • সবুজ শেখর বেপারী

আপনি এখানে

ইউরোপ জুড়ে ডানপন্থীদের উত্থান


দূর থেকে ইউরোপকে যতটা সুন্দর, শান্তিময়, ঝামেলামুক্ত, উদার বলে মনে হয় তা কি আদৌ সত্য? এটা বলা যেতেই পারে যে অন্য মহাদেশ থেকে ইউরোপ হয়তো তুলনামূলক নিরাপদ। কিন্তু এখানে যে একদমই উগ্রতা নেই তা এক বাক্যে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। ডানপন্থীদের উত্থান যে শুধু এশিয়া বা আফ্রিকা বা আমেরিকাতেই হচ্ছে তা নয়, ইউরোপের বাতাসও সেই দিকেই প্রবাহমাণ।

আমেরিকার ট্রাম্প সরকার ফ্যাসিজমের প্রথম ধাপে পা দিয়ে দিয়েছে। আমেরিকা উন্নত ও শক্তিশালী দেশ হতে পারে কিন্তু সেখানে রাষ্ট্রব্যবস্থা গণতান্ত্রিক নিয়মে চলছে না। মাঝে মাঝেই আমেরিকা বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার নিয়ে খুব হৈ হুল্লোড় করে, অথচ সেখানে রাষ্ট্র কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্ঘন যথেষ্ট পরিমাণে হয়। এটাও এক ধরণের রাজনৈতিক খেলা। অনুন্নত, স্বল্পোন্নত দেশ, অল্পতর অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশ, স্বল্প উন্নয়নশীল, উন্নয়নশীল দেশগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর কঠোর নজরদারি। এই নজরদারির মানে এই না যে শক্তিশালী দেশগুলো নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে উন্নত করার জন্য ব্যতিব্যস্ত, বরং সূক্ষ্মভাবে সুবিধা আদায়ের ফন্দী।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটা মুখোশ পড়ে আছে। তারা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ। এই ব্যর্থতার পেছনে থাকতে পারে দূর্নীতি, সুবিধাবাদ ও কোন ষড়যন্ত্র। সেই মুখোশে ইউরোপ মানেই গণতন্ত্র, ইউরোপ মানেই মানবাধিকার, ইউরোপ মানেই বর্ণবিদ্বেষহীন, ইমিগ্রেন্ট, রিফিউজিকে স্বাগতম।

বাস্তবে কি ইউরোপের দেশগুলি এমন? ইউরোপের প্রতিটি দেশ কি গণতান্ত্রিক নিয়মে চলছে? একদমই নয়। ডানপন্থা কি ইউরোপে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে নেই? অবশ্যই আছে। জাতীয়তাবাদের বাদে, ধর্মের নামে, চামড়ার কারণে, ভাষার কারণে এখানেও চলছে নিপীড়ন। হাঙ্গেরি, অষ্ট্রিয়া, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, ইতালির রাজনৈতিক চিত্র ভয়ংকর বটে।

হাঙ্গেরি রীতিমতো রিজিউজিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। ভিক্টর ওরবান সরকার ঘোষণা দিয়েছে, ‘রিজিউজিদের খাদ্য দিয়ে কেউ সাহায্য করলে তা ক্রিমিনাল অফেন্সের মধ্যে পরবে’। হিটলারের মতাদর্শের অনুসারীরা এই প্রতিটি দেশের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

জার্মানির নিষিদ্ধ ঘোষিত ন্যাসীবাহিনী প্রকাশ্যে কিছু করতে না পারলেও তাদের উত্তরসূরিরা ইতিমধ্যেই ভিন্ন নামে রাজনীতির মাঠ দখল করা শুরু করেছে। এএফডির মতো ভয়ংকর একটি রাজনৈতিক দল বর্তমানে জার্মানিতে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেছে। ডেনমার্ক বহু পূর্বেই ইমিগ্রেন্ট, রিফিউজি, মুসলিম গ্রহণে অস্বীকার করেছে।

ডেনমার্কের অরহুস শহরের বিশ্ববিদ্যালয়ে শুকরের মাংস ছাড়া আর কোন মাংস পরিবেশনা করা হবে না বলে বহুপূর্বেই ঘোষণা দিয়েছিল।

জাতীয়তাবাদের নামে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেমন অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, ইতালি, রোমানিয়া ইত্যাদি দেশগুলিতে যা যা ঘটছে তা কি কাম্য? গ্রহণযোগ্য?
ভাষার আগ্রাসনে জার্মান ও ফ্রেঞ্চরা কি পেছনে?
দীর্ঘদিন ধরেই ইতালির রাজনৈতিক অবস্থা ভালো নয়।
এটা খুবই দুঃখজনক যে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বর্তমানে তীব্রভাবে খৃষ্টানিটিকে প্রাধান্য দেওয়া, জাতীয়তাবাদী ডানপন্থী, ইমিগ্রেন্ট, রিজিউজি বিদ্বেষ এবং বর্ণবিদ্বেষী সরকারেরা ক্ষমতায় বসে অমানবিক কর্মকান্ডে লিপ্ত এবং এ-ক্ষেত্রে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন নিশ্চুপ।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

অনন্য আজাদ
অনন্য আজাদ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 6 দিন ago
Joined: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর 4, 2015 - 10:56অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর