নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নরসুন্দর মানুষ
  • সিয়ামুজ্জামান মাহিন
  • সলিম সাহা
  • নির্যাতিতের দীর...
  • সুখ নাই

নতুন যাত্রী

  • মোঃ হাইয়ুম সরকার
  • জয় বনিক
  • মুক্তি হোসেন মুক্তি
  • সোফি ব্রাউন
  • মুঃ ইসমাইল মুয়াজ
  • পাগোল
  • কাহলীল জিব্রান
  • আদিত সূর্য
  • শাহীনুল হক
  • সবুজ শেখর বেপারী

আপনি এখানে

কবিতা

যমুনাপাড়ের ইস্টিশন


যমুনাপাড়ের ইস্টিশন
কীর্তিবতী মনান্তরের ইশতেহার,
যুগান্তরের সাক্ষ্য
যেন নৃতত্ত্বের বধ্যভূমি,
হাওয়া খেতে খেতে স্কুল শার্ট খুলে
যমুনাপাড়ের ইস্টিশন তোমায় ভালবেসে।

হুইশেল ভেঙ্গে ফেলে, আসর যেখানে
সমান্তরাল পথ অতিদূরে চোখ ফেলে;
বয়েসি লোকের স্মৃতিমেদুর
আসাম-বেঙ্গল মালগাড়ী,
কালের দেয়ালে স্তব্ধ থাকে পুরনো
কালো কাটার ঘড়ি।
তবে বর্তমানে নিয়ম করে মানুষের শেষ ঘটে
যমুনাপাড়ের ইস্টিশন এখনো তোমায় ভালবেসে।

অলিক মুক্তি


ভিড় বেড়েছে মানুষের
শত শত যুগের সঙ্গমে মানুষ বাধ ভেঙ্গেছে
সংসারের আবদ্ধ বৃত্ত ভেঙ্গে পৃথিবী এখন ব্যাস্ত-তটস্থ
লাল মাংসের উপর গোপন প্রণয় যেন ঢেউ খেলে বাড়িয়েছে
মানুষ, দিগন্তের এক দিকে যেন সে জোয়ার শুধু ফেটে উঠে
মানুষের ভিড় বেড়েছে

গোলার্ধদুটিতে বোহেমিয়ান! অবিক্রীত জীবনে মূল্যে
সুফলা তরল বিলিয়েছে, বলেছে তোমার পথ তো এটাই
আমাদের ভিড় ঠেলে ভিড়ের ভেতরে নিরীক্ষা চালিয়ে
সে পথ এখন শেষ অতীতের মতো
নতুন মিছিলে পুনর্বার নতুন সময়ে
ভিড় বেড়েছে মানুষের।

বিষাদ


আমার ব্যথা করছে ভিষন!
একটি সমুদ্র, একটি মাছ
বস্তুত সে বিভিন্ন প্রণালি পার হয়ে
পানি ছেড়ে অন্যকোথার খোঁজে
হন্যে হয়ে খুঁজছে অন্য পৃথিবী।
এবং তোমরা
এবং তোমরা তাঁকে
যতটা কাছে থেকে দেখো
এবং সে অতঃপর হায়
মাছ হয়ে গভীর সমুদ্রে তলিয়ে যায়।
বিরামহীন বর্ণনা দেওয়া গেলে
বোঝা যাবে একেক পৃথিবী কতটা কষ্ট বহন করে;
কতটা বিষাদ জমে দিনে সন্ধে রাতে আর সকালের ঘাসে।
গোলাপের কাঁটা ভাঙে -
অপর প্রান্তে ডাকে কাক
ও কাক তুই ডাকতে থাক।
লুফে নেয়া এক কোটি বিষাদ
আমাকে চিবিয়ে খাক।
যে যার মতো চলে যায়
বলে যায়

বিলম্বিত ভোরে একদিন


বিলম্বিত ভোর, দাঁত খিঁচোতে খিঁচোতে চামচিকা উড়ে গেল সরাইখানা হতে
পয়সা দিল কি দিলনা, কেউ তার রাখেনি খবর, সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলেছে কেউ গত সন্ধ্যায় ।

একজন বেকুব এর উপাখ্যান পাণ্ডুলিপি থেকে কিছু টোটকা



এটি নিয়ে একটা ইবুক হইছে। বানাইয়া দিছেন শতাব্দি সেঁজুতি। আমি তাঁর কাছে ঋনী। ইবুকটা ডাউনলোড করতে এইখানে ক্লিক করেন। সাইজ ৭.৯৩ এমবি। পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৩১। নমুনা একেবারে নিচে দেওয়া হইছে।

তোমার চুমু


তুমি যে পথেই হেঁটে যাও সে পথেই তোমার মানবতাবাদী ঠোঁট থেকে ত্রাণের মত
ঝরে পড়তে শুরু করে অজস্র চুমু।
আর সেই চুমুর লোভে শহরের সকল তরুণ তোমার পিছু পিছু হাঁটে শরণার্থীর ছিন্ন বস্ত্র গায়ে ছদ্মবেশে।
তাদের জিহ্বা থেকে হিংস্র লোভ কুকুরের জিহ্বার লালার মত ঝরতে থাকে।
তারা সেটা আটকে রাখতে পারে না।
কুড়িয়ে পাওয়া চুমুগুলো তারা হাঁ করে হিংস্র কুমীরের মত গিলে ফেলে।
পকেটে ভরে ঘুষের টাকার মত!
বুকে আগলে রাখে বেশ্যার স্তন যেভাবে রাখে।

এই বঙ্গে দানিয়ালা বিয়ানছির প্রেমিক-বিষাদ আব্দুল্লাহ


তাঁর সমস্ত অবয়ব অজস্র চাঁদের আগুনে মোড়া
ভেবেছিলাম এশিয়ার আলো। কি অদ্ভুত !
ইতালির আগুন এই বঙ্গে !
কী অসহ্য সুতীব্র কী জোরালো
হয়ে আমাকে ছুঁলো
আগুন কি করে আগুন রুখে !

এযাবৎ বিষাদের বুকে ধুপ করা কাঠি জ্বলেনি
অবশ্য সাহস কোন যুবতীর কি ছিলো
আমারও কি ! দ্বন্দ্ব তা চির অনাবিষ্কৃত

শরীরে আজন্ম বাহিত আগুন
আর আগত আগুন

অগ্নিজিহ্বার পাতলা পর্দার ওপর
দাঁড় করিয়ে দূর থেকে সে
কাঁপনের বাতাস ছাড়ছে

স্বৈরাচারী


তোমার সরকার একটা স্বৈরাচারী সরকার।
যাকে তাকে ধরে নিয়ে যায় হাজতে বিভিন্ন অজুহাতে।
ইচ্ছেমত পেটায়।
অভিযোগ গুরুতর হলে পিটিয়ে মেরেও ফেলে।
চারদিকে সমালোচনা ডানা মেললে
তখন মিথ্যা মামলা সাজিয়ে সত্য দড়িতে ঝুলিয়ে দেয়া হয়।
ন্যায়বিচারের বাণী তখন সরকারী পত্রিকা-চ্যানেলে ডানা মেলে উড়ে বেড়ায়।

তারপরও আমি তোমার প্রেমে পড়লাম।
লোকে আমাকে পাগল বলল।
যেহেতু দেশটাই পাগলের কারখানা
যেহেতু পাগলের বিরুদ্ধে কখনো কথা বলতে হয় না
তাই আমি সবকিছু ভদ্রলোকের মত মেনে নিলাম।
কিন্তু তুমি আমাকে মেনে নিলে না!

গোপনে রাখা পর্বত-বিষাদ আব্দুল্লাহ


ফোঁটা ফোঁটা অন্ধকারের রঙ
সারা শরীরে মলমের মত মাখি
আঁখির আলমারিতে আকাশটা
ভাঁজ করে রাখি
উলঙ্গ হ'য়ে প্রতি রাত্তিরে
নেমে পড়ি জোস্নাপুকুরে
এ মুহূর্তে যেমন শশীজলে
গাঁ ভিজিয়ে কবিতা লেখি

লেখি,
নারী আমার বুকের গন্ধ নেয় নি
আঙুল ছোঁয়নি ঠোঁট ছোঁয়নি
দু’বাহুর কম্পিত স্পন্দনে কাঁপেনি
ওঠেনি গোপনে রাখা পর্বতে
ফলে আমি কবি আমি নিখুঁদ প্রেমিক

১৬.০৮.২০১৮, ঢাকা

নিঃসঙ্গের অনুপস্থিতি-বিষাদ আব্দুল্লাহ


রোজ গভীর রাতে নিঃসঙ্গের সাথে জম্পেশ আলাপ চলে
বুকের ভিতর এক কফি হাউজ আছে নাহ ! সেখানে,
আমরা আড্ডা দেই, বলি তাকে দ্যাখ ভাই !
আমার কলম জেল হাজত ভয় পেয়ে কালি বন্ধ রেখেছে !
আর বাক নেই বলেই তো তোর সাথে খাতির জমে ভালো
তারপর থেকে নিঃসঙ্গ আর কফি হাউজে আসে নি,
আসে নি বলে লোকালয়ে এসে দেখি
আমার কণ্ঠ ছিঁড়ে বাক কারাগারের দিকে ছুটছে
আর কলম খোঁজছে কালো রঙ !

১০.০৮.২০১৮, ঢাকা।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর