নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নরসুন্দর মানুষ
  • সিয়ামুজ্জামান মাহিন
  • সলিম সাহা
  • নির্যাতিতের দীর...
  • সুখ নাই

নতুন যাত্রী

  • মোঃ হাইয়ুম সরকার
  • জয় বনিক
  • মুক্তি হোসেন মুক্তি
  • সোফি ব্রাউন
  • মুঃ ইসমাইল মুয়াজ
  • পাগোল
  • কাহলীল জিব্রান
  • আদিত সূর্য
  • শাহীনুল হক
  • সবুজ শেখর বেপারী

আপনি এখানে

রাজনীতি

যে হত্যার বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে:


ব্লগার হত্যার আনুষ্ঠানিক বিচার কোনােদিনও ওপার বাংলার মাটিতে হবে বলে আমার মনে হয়না । এর এক এবং একমাত্র কারণ হলো, সেটা হলে ফাঁসির দড়ি ঝুলবে শেখ হাসিনার গলায়, সজীব ওয়াজেদ জয়, শফি, কাসেমি, বাবুনগরী, আনাস মাদানি, চরমােনাই পির রেজাউল করীম, ইনু, মেনন, আনােয়ার হােসেন, হারুন-অর-রশিদ, মেজবাহ কামাল, আবুল বারাকাত, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবসায়ী পিয়াল-আরিফ গ্রূপ, শাহবাগ বিপ্লবী ইমরান, হাসনাত শাহরিয়ার প্রান্ত, আইজিপি শহীদুল হক, কাউন্টার টেরােরিজমের মনিরুল ইসলাম, র্যাবের বেনজির আহমেদ এমনকি হয়তো বা সকলের প্রিয় মুক্ত মনের শাহরিয়ার 'সাহেব' দের গলাতেও । কি আজগুবি শোনাচ্ছে পাঠক ? আকাশ থেকে পরছেন ?

প্রসংগঃ বাংলাদেশে রাজনৈতিক মতবিরোধ, মুক্তচিন্তা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সঠিক ইতিহাস



দেশে এখন যেমন নির্বাচিত সরকার, যদিও ক্ষমতাশীল দলের অর্ধেকের বেশি সাংসদ বিনাভোটে নির্বাচিত, কিন্তু নির্বাচিতই তো। আর সেখানে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হচ্ছেন দেশের বাকীসব দলের স্বীকৃত স্বৈরাচার, জেঃ হুমু এরশাদ। জেঃ জিয়া ফারুক রশীদের রক্তগংগার সুফল নিয়ে ক্ষমতায় আসেন, আবার ফারুক রশীদ জিয়ার বিরুদ্ধেও ক্যু করলে তাদের দেশে ঢুকবার পথ জিয়াই বন্ধ করে দেন। আবার এই এরশাদ জিয়া হত্যার পর ফারুক রশীদকে দেশে নিয়ে আসেন, এবং এরশাদের মদদে গড়ে ওঠে ফ্রিডম পার্টি। এই ফ্রিডম পার্টি থেকে নির্বাচন করে তারা সংসদেও বসে যান। প্রধানমন্ত্রী যে কেন এসব ইতিহাসও ভুলে যান কে জানে! অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের পর এখন প্রকৃত শোক অনুভব করেন, এমনটা নিশ্চিতভাবে ধরে নেয়া যায়, তেমন একমাত্র ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী নিজে। বাকিদের কাছে বঙ্গবন্ধু, ১৫-ই আগস্ট, মুক্তিযুদ্ধ, এসব কেবলমাত্র ব্যবসা। নিজেদের অবস্থান সুসংহত করবার উপাদান।

গুজবমানা


বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ভয়ংকর কিছু গুজবঃ

-যখন কেউ শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অফ এডুকেশন’ উপাধিতে অভিহিত করে।
-যখন কেউ শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অফ হিউম্যানিটি’ উপাধিতে সম্বোধন করে।
-যখন কেউ শেখ হাসিনাকে ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’ বলে থাকে।
-যখন কেউ শেখ হাসিনাকে ‘বিপন্ন মানবতার বাতিঘর’ বলে থাকে।
-যখন কেউ শেখ হাসিনাকে ‘বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত’ বলে থাকে।

ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা জনগণের জরিপ করা জরুরী


ভারতের আসাম রাজ্যে জাতীয় নাগরিক নিবন্ধনের (এনআরসি) পরে, এবার হরিয়ানা রাজ্য চাই জাতীয় নাগরিক নিবন্ধনের (এনআরসি) আওতায় আসতে। তারাও চাই তার রাজ্যে অন্য দেশ থেকে আসা লোক বাছায় করে তাঁদের গায়ে বিদেশীর তকমা ঝুলিয়ে দিতে। যাতে করে মায়ানমারের মতো যে কোন এক সময়, সুযোগ বুঝে বিদেশী লোকের তকমা লাগানো জনগণকে দেশ ছাড়া করতে পারে। তাই আমি মনে করি যে, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য উচিৎ হবে, তারাও যেন, জাতীয় নাগরিক নিবন্ধনের (এনআরসি) কাজ শুরু করে।

হাসিনাকে ক্ষমতায় ধরে রাখার দায় কি মুক্তনারা নিয়েছে?.. আরো কিছু প্রশ্ন


সেই ২০১৩ সাল থেকে ব্লগারদে আন্দোলনের উপর ভর করে তাদের ত্রুটিপূর্ণ আইনের মেরুদন্ড ঠিক করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নিবার্চনী অঙ্গিকারকে বাস্তবায়ণ করতে পেরেছে আওয়ামী লীগ। সেইদিন কাদের মোল্লার মামলার রায়ের পরে যদি আমরা ব্লগাররা মোম হাতে শাহাবাগের রাস্তায় না বসতাম তবে বিচার চলমান কোনো একটি ইস্যুতে, উদ্দেশ্য প্রোণোদিত ভাবে, আইন পাশ করা ওতো সহজ হতো না। কিন্তু সেই আন্দোলন-এর পরে আমরা ব্লগাররা কি পেয়েছি।একে একে দেশের সব নেতৃত্বস্থানীয় ব্লগ মুখ থুবড়ে পড়েছে। জঙ্গীরা ব্লগারদের হিটলিষ্ট করেছে। একে-একে প্রশাষনের নাকের ডগায় থেকে খুন হয়েছে ব্লগাররা। বিচার চেয়ে লাঞ্চিত হয়েছে ব্লগারদের পরিবার গুলো। বেঁচে থাকার জন্য দেশছেড়ে দেশের ব্লগার, মুক্তমনা, বৈচিত্রময় লৈঙ্গিক পরিচয়ের মানুষ গুলো। শুধু তাই নয় ৫৭-ধারা দিয়ে লেখার অধিকার কেড়ে নিয়েছে। মামলা দিয়ে গ্রেফতার করেছে, করছে। এতো কিছুর পরেও যখন দেখি কোনো মুক্তমনা, কোনো নাস্তিক, কোনো ব্লগার এই আওয়ামী লীগ সরকারে সাফাই গাইছে তখন মনে হয় ওই বেজন্মার বাচ্চার মুখে আলকাত্রা লেপে দেই। এই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় অনেক নাস্তিককে দেখেছি আন্দোলন নিয়ে নেতিবাচক সব পোষ্ট দিয়েছে।

ব্যঙ্গাল সাংবাদিকের মন ৩ নম্বর পর্ব আর বিচিয়াল শাসকের গু জব



চাইর তারিখে নিউইয়র্ক টাইমসে এপির (এসোসিয়েটেড প্রেস) একখান নিউজ দিছিলো, ঐহানে আমাগো অতীত আর বর্তমান শাসকরে মিস্টার মিস্টার কইয়া বিচিয়াল বানাইয়া দিছে। হেইডার শোধ নিলো এপির সাংবাদিকের উপর। এইডা কিছু হইলো? গু জব।

আমাদের ফার্মের মুরগিগুলো


পোস্ট মিলেনিয়ালস বা যাদেরকে অবজ্ঞার্থে আমরা বলি ইয়ো জেনারেশন - এদের সাথে আমার প্রথম পরিচয় মাত্র কয়েক বছর আগে। সারাজীবন সরকারি স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া এই আমি বিলেতি ডিগ্রি নিয়ে তখন সবে দেশে ফিরেছি। ক্যারিয়ার নিয়ে একটু দোলচালে ভুগছি, তাই জাস্ট টু টেস্ট দ্যা ওয়াটার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক হিসাবে যোদ দিয়েছি। রবীন্দ্রনাথের অমিট রয় উরফে অমিত রায়ের সাথে পরিচয় থাকলে নিশ্চয়ই অনুধাবন করতে পারছেন সেই সময়ের আমার চিন্তাভাবনা আর নাক-উঁচু স্বভাব, বিলেতে যাকে বলে স্নবিস। তখনকার সহকর্মীদের মাঝে সব্বাই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভয়ঙ্কর রকমের রেজাল্ট নিয়ে পাশ

এ সরকারের আয়ু কি শেষ হয়ে আসছে?



এই ছাত্রদের আন্দোলন শান্ত করা হয়ত খুব সহজসাধ্য ছিল। এক মাফিয়া মন্ত্রীকে পদত্যাগের নির্দেশ দিলে সেই মাফিয়ার আর যাই হোক, হাসিনার বিরুদ্ধে কাজ করবার শক্তি থাকবার কথা না। পরিবহণ শ্রমিকরা গন্ডগোল করলে তা ঠান্ডা করবার মত কৌশল আর শক্তি দুটাই প্রশাসনের ছিল ও আছে। কিন্তু জানি না কেন, প্রধানমন্ত্রী একদম অস্ট্রিচ পাখির মত চোখমুখমাথা বুজে এই মাফিয়াদের মন্ত্রী এমপি পদে বহাল তবিয়তে রাখছেন। উনার অজানা থাকবার কথা নয়, এই শাহজাহান খান, শামীম ওসমান কিংবা বদিরা কেমন লোক। এক পদ্মাসেতুর টাকা কেবল ব্যাংকিং সেক্টর থেকেই হাওয়া হয়ে গেছে। বছরের পর বছর প্রশ্ন ফাঁস হয়েও স্ব স্ব মন্ত্রণালয়ে দুজন ব্যর্থ মন্ত্রীদের একজন রাবিশ, ননসেন্স, বাস্টার্ড বলে যাচ্ছেন, আরেকজন আউলা হাসি দিচ্ছেন। এত গুরুত্বপুর্ণ পদে কিংবা সরকারের এত খাতির পাওয়ার পিছনে তাদের যোগ্যতা কী?

ছাত্ররা আশ্বাসে ভরসা পায়নি, অনেককিছু ভেবে তাও তো ঠিকই মনে হচ্ছে। আশ্বাস দেবার পর মন্ত্রীরা নিজেই ধরা খেয়েছেন, পুলিশ ধরা খেয়েছে। আশ্বাস প্রদানের পর যারা বাস্তবায়ন করবে, তারাই তো বদলায়নি। বাস্তবায়নের সম্ভাবনা তবে কতটুকু? উল্টো নতুন আইনে তাদের হাতে আরও টাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। আগে লাইসেন্সের জন্য হাজার টাকার মামলার জায়গায় এখন লাখ টাকা জরিমানা হবে। আগে ২০০-৫০০ তে ছুটে যেতো, এখন ১০-২০ হাজারে ছুটবার চান্স বেশি যাদের থাকবে না। আমার এইদেশের পুলিশ ফোর্সের উপর ভরসার চিন্তা করতেও ভয় লাগে। সামান্য ব্যতিক্রম মঙ্গলেও আছে, মাটির তলে ওখানে নাকি পানির সন্ধান মিলেছে। সামান্য কয়জন সৎ পুলিশ, এইদেশের পুলিশের বর্তমান ইমেজকে আকাশে তুলে দেয় না। এক ভালোমানুষ প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদ পুরো আওয়ামী লীগ নয়।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর