নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সিয়ামুজ্জামান মাহিন
  • মৃত কালপুরুষ
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সলিম সাহা
  • নির্যাতিতের দীর...
  • সুখ নাই

নতুন যাত্রী

  • মোঃ হাইয়ুম সরকার
  • জয় বনিক
  • মুক্তি হোসেন মুক্তি
  • সোফি ব্রাউন
  • মুঃ ইসমাইল মুয়াজ
  • পাগোল
  • কাহলীল জিব্রান
  • আদিত সূর্য
  • শাহীনুল হক
  • সবুজ শেখর বেপারী

আপনি এখানে

ধর্ম-অধর্ম

(৩১) বানু আল-মুসতালিক হামলা - কোন্দলের শুরু!


পৃথিবীর প্রায় সকল মুহাম্মদ অনুসারী মুমিন মনস্তত্বের এক সাধারণ বৈশিষ্ট্য এই যে, অন্য প্রায় সকল মুহাম্মদ অনুসারী যারা তাঁদের ধর্মীয় নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা ও ধ্যান-ধারণার সাথে দ্বিমত পোষণ করেন, তাঁদেরকেই তাঁরা একক বা সমষ্টিগতভাবে 'সহি ইসলামের অনুসারী নয়, মুনাফিক কিংবা ইসলামের শত্রু' রূপে আখ্যায়িত করতে কদাচিৎ দ্বিধা করেন। এমন প্রতিপক্ষকে তাঁরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন, তাঁদের সাথে বিবাদে লিপ্ত হোন ও এই বিবাদে তাঁরা সহিংসতার আশ্রয়ে একে অপরকে শারীরিক আক্রমণ ও হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করতেও দ্বিধা বোধ করেন না। ইসলামের ইতিহাসের ঊষালগ্ন থেকে আজ একবিংশ শতাব্দীর এই পৃথিবীর এ

যীশুর মা মেরি এবং হারুনের বোন মারিয়ামকে নিয়ে কোরআনের ইতিহাস বিকৃতি


কোরআনের বক্তা যীশুর মা মেরিকে এবং হারুন ও মূসার বোন মরিয়মকে একি মানুষ মনে করতেন। যা ছিলো কোরআনের বক্তার একটি ভুল ধারনা। কারণ মেরি এবং মরিয়ম আলাদা দুইজন মানুষ এবং মরিয়ম মেরির চেয়ে হাজার বছর আগে জন্ম নেওয়া একজন মানুষ। বাস্তবতা হলো, মুহাম্মদ জানতেন না যে মরিয়ম এবং মেরি দুইজন এক নন। তবে আরবিতে দুজনের নামই 'মরিয়ম' (ﻣﺮﻳﻢ)।

উৎস

কোরআন

কোরআনের সূরা মারইয়ামে যীশুর মা মেরিকে হারুনের বোন বলা হয়েছে :

19:27

সবকিছু জোড়ায় জোড়ায় বিদ্যমান?


এ আর্টিকেলটি কোরআনের দাবি 'সবকিছু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্ট' ভুল প্রমাণ করাসহ এ বিষয়ে মুসলিমদের দাবি সমূহ খন্ডন করে।

ইসলামের এপোলোজিস্টগণের দাবি

জোড়ায় জোড়ায় জীবন্ত বস্তু

সাম্প্রতিক সকল বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের একটি আবিষ্কার হলো, আমাদের মহাবিশ্বের অস্তিত্বশীল সবকিছুই জোড়ায় জোড়ায় বিদ্যমান, যেমন : জীবন্ত জিনিসে নারী ও পুরুষ জোড়া।

কোরআনে আল্লাহ্‌ বলেছেন : আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা হৃদয়ঙ্গম কর। [ সূরা যারিয়াত : আয়াত ৪৯ ]

আমার মত তরুণ এবং নতুনদের প্রতি ছোট একটা অনুরোধ।


আপনারা অনেকেই বড় ভাই বা বোনদের দুই একটা ব্লগ পড়ে বা ভিডিও দেখে হয়তো বুঝে গেছেন 'ধর্ম ভুল'। অনেকেই আপনাদের তিরস্কার করে বলবে, " ঐ দেখো, দুই একটা ভিডিও আর ব্লগ পড়ে নাস্তিক হয়ে গেছে, আহারে! নাস্তিকতা এখন কেজির ধরে বিক্রি হয়।"

এইসব শুনে মন খারাপের কিছু নাই। সবার কথা শুনতে হবে এমন কোনো কথা তো নেই। তবে হ্যাঁ, কারও কথা ফেলে দিবেন না। সে যাই বলুক, মাথায় রাখবেন। ভাববেন, লোকটা কেনো এ কথা বললো।

কোরআনে আলোর গতি?


মূল দাবি

Islami City তে পাবলিশ হওয়া একটি আর্টিকেলে [1] ড. মানসুর হাসাব দাবি করেছেন যে, কোরআনের আয়াত ৩২:৫ প্রকাশ করে যে, আলো একদিনে ১২০০০ চন্দ্র কক্ষপথ সমান দূরত্ব অতিক্রম করে এবং সেই দূরত্ব হিসাব করে আমরা একেবারে নির্ভুল আলোর গতি পাই।

32:5

يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مِنَ السَّمَآءِ إِلَى الْأَرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِى يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُۥٓ أَلْفَ سَنَةٍ مِّمَّا تَعُدُّونَ

(৩০) বানু কুরাইজা গণহত্যা!


কুরআন, সিরাত ও হাদিস-গ্রন্থের আলোকে স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর মদিনার নবী জীবনের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণে যে প্যাটার্ন-টি লক্ষণীয় তা হলো, লক্ষ্য অর্জনে যখনই মুহাম্মদ তার প্রতিপক্ষের দ্বারা প্রত্যক্ষ বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন তখনই তিনি অত্যন্ত হিংস্র ও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিলেন।

https://drive.google.com/file/d/0BwbIXqxRzoBOT3l5NmpOR3VwWEE/view

শয়তান (এক্সটেন্ডেড ভার্শন)



শয়তান (এক্সটেন্ডেড ভার্শন)
====================

মূল কোরআন চিনতে প্রচলিত কোরআন জানুন= পর্ব-দশ


ওসমান ইবনে আফফানের খলীফা গ্রহণকালে প্রাদেশিক ক্ষমতায় ছিলেন-

১। মক্কা- নাফি ইবনে আব্দুল্লাহ হারাস ২। তায়িফ- সুফিয়ান ইবনে আব্দুল্লাহ সাকাবি ৩। ইয়ামেন- ইয়ালা ইবনে উমাইয়া ৪। আম্মান- হুযাইফা ইবনে মুহসিন ৫। দামেশক- মুয়াবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান ৬। মিসর- আমর ইবনে আস ৭। হিমস- উমর ইবনে সায়াদ ৮। জরদান- উমর ইবনে উতবা ৯। বসরা- আবু মুসা আশয়ারি ১০। কুফা- মুগিরা ইবনে শু’বা ১১। বাহরাইন- উসমান ইবনে আবুল আস

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর