ইসলাম হলো পুরোটাই স্ববিরোধী ধর্ম!

ইসলামে দুই ধরনের কাজ – ফরজ ও সুন্নত। ফরজ কাজ হলো – যা আল্লাহর নির্দেশ যেমন – ইমান , নামাজ , রোজা , যাকাত ও হজ্জ। এই পাঁচটা নির্দেশ যে মানবে না সে আদৌ মুসলমান না। মুস্কিল হচ্ছে , এই ফরজ কাজগুলো কেমনে মানুষ অনুসরন করবে , সেটা কিন্তু কোরানে বলা নেই। এগুলো অনুসরন করতে যেতে হবে সুন্নতে যা বর্নিত আছে হাদিসে। সুন্নত হলো – যেসব কাজ নবী মুহাম্মদ করতে নির্দেশ ও উপদেশ দিয়েছে। কোরান দাবী করে –


ইসলামে দুই ধরনের কাজ – ফরজ ও সুন্নত। ফরজ কাজ হলো – যা আল্লাহর নির্দেশ যেমন – ইমান , নামাজ , রোজা , যাকাত ও হজ্জ। এই পাঁচটা নির্দেশ যে মানবে না সে আদৌ মুসলমান না। মুস্কিল হচ্ছে , এই ফরজ কাজগুলো কেমনে মানুষ অনুসরন করবে , সেটা কিন্তু কোরানে বলা নেই। এগুলো অনুসরন করতে যেতে হবে সুন্নতে যা বর্নিত আছে হাদিসে। সুন্নত হলো – যেসব কাজ নবী মুহাম্মদ করতে নির্দেশ ও উপদেশ দিয়েছে। কোরান দাবী করে –

সুরা নাহল-১৬: ৮৯: আমি আপনার প্রতি গ্রন্থ নাযিল করেছি যেটি এমন যে তা প্রত্যেক বস্তুর সুস্পষ্ট বর্ণনা, হেদায়েত, রহমত এবং মুসলমানদের জন্যে সুসংবাদ।

অর্থাৎ কোরানে প্রতিটা বিষয়ের সুস্পষ্ট বর্ননা বিদ্যমান। এখন প্রশ্ন হলো – মুমিন কয় ওয়াক্ত নামাজ পড়বে , সেটা কি কোরানে বলা আছে ? মুমিন তার আয়ের কত অংশ যাকাত দিবে , সেটা কি কোরানে বলা আছে ? মুমিন কিভাবে নামাজ পড়বে , সেটা কি কোরানে বর্নিত আছে ? মুমিন কিভাবে হজ্জ করবে , সেটা কি কোরানে বর্নিত আছে ? নাই। তাহলে আল্লাহর ফরজ কাজ মুমিন কিভাবে করবে ? যদি ফরজ কাজের পরিস্কার বর্ননা কোরানে বিস্তারিত না থাকে , তাহলে কোরান কিভাবে দাবী করে তার মধ্যে প্রতিটা বিষয়ের সুস্পষ্ট বর্ননা আছে ? তার পরিস্কার অর্থ – কোরান খুব পরিস্কারভাবেই স্ববিরোধী কথা বলছে। এখন উক্ত বিষয়গুলো ভালভাবে জানতে যেতে হবে হাদিসে। কিন্তু নিচের হাদিসগুলো পড়ুন —

সহিহ মুসলিম(ইসলামিক ফাউন্ডেশন), হাদিস নং- ৭২৩৮। হাদ্দাব ইবনু খালিদ আযদী (রহঃ) … আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমার বাণী তোমরা লিপিবদ্ধ করোনা। কুরআন ব্যাতিত কেউ যদি আমার বানী লিপিবদ্ধ করে থাকে তবে সে যেন তা মুছে ফেলে।

মুসনাদে আহমাদ , হাদিস নং -১০৬১১:: আবু সাইদ খুদরি থেকে বর্নিত , ইসহাক ইবনে ইসা থেকে আব্দুল রহমান বলেছেন , আল্লাহর কিতাব কোরান ছাড়া আর কোন কিছু লিখো না। তাই আমরা নবী সম্পর্কে যা লিখেছিলাম , সব পুড়িয়ে ফেললাম।

মুহাম্মদের পরিস্কার নির্দেশ , হাদিস সংকলন করা যাবে না। শুধুমাত্র কোরান সংরক্ষন বা সংকলন করতে হবে। তাই যদি হয় , তাহলে মানুষ কিভাবে ফরজ কাজগুলো করবে ? তার মানে কেউ সেসব করতে পারবে না। ফলে কারও পক্ষেই সম্ভব না একজন খাটি মুসলমান তো দুরের কথা , সাধারন কথিত মডারেট মুসলমানও হওয়া সম্ভব না।

এসব উল্টোপাল্টা স্ববিরোধী কথাবার্তাই প্রমান করে , ইসলাম একটা সম্পূর্ন ভুয়া ধর্ম বা মতবাদ।

239 total views, 1 views today

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of