পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা ও নেতিবাচক প্রভাব বিষয়ে কিছু প্রশ্ন।

আমরা নিশ্চয় সবাই কমবেশি জানি এক ভদ্র মহিলার একটি ভিডিও ফেসবুকে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছিলো দুইদিন আগে। ভিডিওটি দেখার পরে ঘটনার সাথে জড়িত পুলিশের সদস্যকে তার এই ঘটানাটির ভিডিও ভাইরাল করে এমন প্রতিবাদ জানানোকে সমর্থন করে একটি লেখা দিয়েছিলাম। আমার কাছে মনে হয়েছিলো ঘটনার বিষয়টি একটি নেতিবাচক ব্যাপার যা আমাদের সমাজে এভাবেই ভাইরাসের মতো একজনের মস্তিষ্ক থেকে আরেকজনের মস্তিষ্কে ছড়াচ্ছে এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যেও তা বিদ্যামান থাকছে। এই বিষয়টি হতে পারে এমন ঘটনাগুলির বিপক্ষে একটি অসাধারণ প্রতিবাদ। শেখানে আমি এই জাতীয় মানসিকতা একটি মানুষের ভেতরে কিভাবে তৈরি হতে পারে তার কিছু কারণ উল্লেখ করেছিলাম যা থেকে কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছিলো পাঠকদের মধ্যে। প্রশ্ন গুলির উত্তর দিতে গিয়ে দেখলাম বিষয়গুলি শুধুই প্রশ্নকর্তা নয় বরং আরো অনেকেরই জানার দরকার আছে যে কারনেই লেখাটি প্রকাশ করার ইচ্ছা তৈরি হলো।

১) এই ঘটনায় যেখানে একটা নারীর ঔদ্ধত্ত আচরন, সেখানে “পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থা” র প্রসঙ্গ আনার কি হল?

পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থা যে শুধুই নারীদেরকে পুরুষের নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে থাকে তা কিন্তু নয়। এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যাবস্থা নারী, পুরুষ উভয়কেই নিয়ন্ত্রণ করার মানসিকতা প্রদান করে থাকে। পুজিবাদী আর বুর্জয়ারা হচ্ছে তার প্রমাণ। আজ বিশ্বের কোথাও যদি নারী পুরুষকে আলাদা চোখে দেখা না হতো, লিঙ্গ বৈষম্য না থাকতো তাহলে এই পুজিবাদীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ এর মানসিকতা তৈরি হতে পারতো না। কারণ মানুষকে যে মানুষ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এমন ধারনায় যেখানে থাকবে না শেখানে পুজীবাদী থাকার কথা নয় সবাই সমান এই নীতি হবে সেখানে মুখ্য। পুজীবাদ হবে সেখানে গৌন বিষয়।

আলোচিত এই নারী ব্যাক্তিত্ব সেই পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থার মধ্যে জন্ম নিয়েছে তাই তার মস্তিষ্কের গঠনও সেভাবেই হয়েছে। এই মানসিকতা নিজের ভেতরে লালন করেই সে বড় হতে শিখেছে। পিতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থা তাকে নিজের পরিচয় ভুলিয়ে দিয়েছে যেই কারনে সে নিজের পরিচয় না দিয়ে এখানে তার পিতার পরিচয়ে নিজের অবস্থান বোঝাতে চেয়েছে এটাই হচ্ছে পুজীবাদী মানসিকতা যা পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যাস্থার ফলাফল। অতএব, এই ঘটনার জন্য শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দায়ী করা যায় এই নারীর পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা, পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থা আর পুরুষতান্ত্রিক ধর্মব্যাবস্থা বা ধর্মীও গোড়ামী যা পরিবর্তিতে সরাসরি ধর্ম হতে পারে।

২) এই মহিলা যে মানষিক অসুস্থ, কি করে বুঝলেন ? না সে বলছে ? নাকি বলতে চেয়েছেন, তার মস্তিস্ক ধর্ম দোষে দুষ্ট বিধায় “অসুস্থ মস্তিস্ক”? তাই যদি হয় তাহলে সে যে ক্ষমতার জোর দেখিয়েছে, তা হল ইসলাম বিরোধী কথা(যেহেতু সে মুসলিম ঘরে জন্ম), অর্থাৎ ধর্মহীন কথা, আপনাদের কথা। তাহলে ধর্ম দোষে দুষ্ট হল কি করে?

যেসমস্ত নারীরা নিজের ব্যাক্তি পরিচয় ব্যাতিত পিতার পরিচয় (পিতৃতান্ত্রিক) অথবা স্বামীর পরিচয় (পুরুষতান্ত্রিক) পরিচয় দিয়ে নিজেদের ক্ষমতা বা অবস্থান প্রকাশ করতে চাই তারা প্রত্যেকেই পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যাবস্থার উপরে নির্ভরশীল। মনোবিজ্ঞানীদের মতে ব্যাক্তি যখন নিজের পরিচয় সনাক্ত করতে ব্যার্থ হয় তখন তার এই সমস্যাকে তারা “আইডেন্টিফিকেশন ক্রাইসিস” বলে থাকে। আর এধরনের সমস্যার কারনে ব্যাক্তি তার নিজের পরিচয় ভূলে যায়। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থায় বেড়ে উঠা নারীরাও ঠিক এভাবেই নিজেদের অজান্তাতেই তাদের ব্যাক্তি পরিচয় ভুলে যেতে থাকে এবং পিতা বা স্বামীর পরিচয়ে নিজেদের পরিচয় দিতে থাকে, এমনকি দেখা যায় তারা নিজেদের নামের সাথেও পিতা বা স্বামীর নাম যোগ করে থাকেন। এই সমস্যাকে যদি আমরা মনোবিজ্ঞানীদের “আইডেন্টিফিকেশন ক্রাইসিস” সমস্যা হিসাবে দেখি তাহলে অবশ্যয় এই নারীকে আমরা মানসিক সমস্যাগ্রস্থ বলতে পারি। যদিও তার এই ভিডিও ভাইরাল হবার পরে তার কোন এক রিলেটিভ তার মানসিক কিছু সমস্যার কথা উল্লেখ করে একটি পোস্ট দিয়েছেন এবং ঘটনার জন্য বিব্রত জানিয়েছেন।

উপোরোক্ত বিষয়টি একটি ফ্যাক্ট বা প্রমাণিত বিষয় যা প্রশ্নটি করার কারনে আমি এখানে উপস্থাপন করেছি। আসলে আমি আমার লেখাতে এই নারীকে কোথাও মানসিক রোগী বলি নাই তবে আমি তাকে ভাইরাসে আক্রান্ত বলেছি। ধর্ম যেভাবে মানুষের মাঝে বিশ্বাসের মাধ্যমে ছড়াতে থাকে এবং তাকে “বিশ্বাসের ভাইরাস” বলা হয়ে থাকে ঠিক তেমনি এই পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতাও সেই বিশ্বাসের ভাইরাসের মতো এক মস্তিষ্ক থেকে আরেক মস্তিষ্কে ছড়াতে থাকে যে কারনেই আমি বেশ কয়েকবার ভাইরাস আক্রান্ত কথা উল্লেখ করেছি। মানসিক অসুস্থ টা প্রশ্নকর্তার তৈরি করা কথা। তবে উপরের আলোচনাতে আমি এটাও বুঝেয়েছি যে তাকে মানসিক সমস্যাগ্রস্থ বলাতেও আপনার কোন ভুল হবার কথা নয়।

৩) বিবর্তনবাদ যদি সত্যই হয় ও নারী পুরুষ যদি সত্যই সমান হয় তাহলে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ তৈরী হয় কি করে ? নারীরাও তো নারীতান্ত্রিক সমাজ তৈরী করে ফেলতে পারত, কেন পারল না ?

বিবর্তনবাদ একটি সঠিক তত্ত্ব এবং তা আর বর্তমান সময়ে কেউ প্রমাণ করে দেখাবার প্রয়োজন মনে করেনা বরং বিজ্ঞানীরা এখন এই তত্ত্ব অনুসরন করে বিবর্তনের মাধ্যমে কোন কোন প্রজাতি কিভাবে লক্ষ লক্ষ বছরের ব্যাবধানে আজকের এই রুপে ফিরেছেন তাই নিয়েই গবেষণা করে থাকেন। মানুষ কে আমরা মানুষই বলবো, লিঙ্গভেদে একজনকে আমরা কোন পশু আর আরেকজনকে আমরা মানুষ এটা নিশ্চয় বলতে যাবে না। তাহলে বোঝা যাচ্ছে নারী, পুরুষ সবাই মিলেই মানব জাতি বা সবাই মানুষ। এখানে নারী আর পুরুষ যে সমান তা আর অন্যভাবে প্রমাণ করার প্রয়োজন পড়েনা। তবে প্রশ্ন যদি হয় শারীরিক ভাবে নারী পুরুষ সমান কিনা তাহলে বলা যায় প্রকৃতিগতভাবে নারীদের শারীরিক গঠন যেমন পুরুষের থেকে আলাদা তেমনি তাদের শারীরিকভাবে পুরুষের থেকে ক্ষমতার পার্থক্য থাকতে পারে তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যাতিক্রমও দেখা যায়।

পুরুষতান্ত্রিক সমাজ কেনো তৈরি হলো, মানব সভ্যতার শুরুতে মানুষ যখন সামাজিক হতে শুরু করেছিলো, তখন নারীদের হাতেই ছিলো সমাজের নিয়ন্ত্রণ। অজ্ঞতার কারনে অনেক স্থানেই নারীদের ঈশ্বর বা স্রষ্টা ভেবে পূজাও করা হতো, কারণ নারীর ছিলো এক মহান ক্ষমতা। একটি নারীর শরীর থেকে আরেকটি শরীর সৃষ্টি করার ক্ষমতা শুধু নারীদেরই আছে। শুরুতে এই নারীদের হাত ধরেই এসেছিলো কৃষি বিপ্লব। পুরুষ তখন শিকার ছেড়ে ঘরে ফিরতে শুরু করেছিলো এবং নারীদের হাত থেকে কৃষিকাজ ছিনিয়ে নিয়েছিলো। আস্তে আস্তে নারী ঘরোয়া কাজের জন্য নির্ধারিত হয়ে গেলো। এই সুযোগে তৈরি হলো বিভিন্ন ধরনের ধর্ম আর যুগে যুগে সেই ধর্মের দোহায় দিয়ে নারীকে করা হলো পন্য। এই থেকে নারীকে অপমান, অবমাননা ও পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যাবস্থার যাত্রা শুরু হয়েছিলো। সেই সভ্যতার শুরুতেই এই মানব জাতির মধ্যে নারী এবং পুরুষের ভেদাভেদ তৈরি করা হয়েছিলো পুরুষতান্ত্রিক ধর্মব্যাবস্থা দিয়ে।

নারীরা নারীতান্ত্রিক সমাজ গঠন করে ফেলতে পারতো কেনো পারলোনা তার উওর আগেও একবার বলেছি। নারী এবং পুরুষের মধ্যে আমরা তাদের শারীরিক গঠনগত পার্থক্য থেকে চিহ্নিত করতে পারি কে নারী আর কে পুরুষ, অর্থাৎ একজন নারী এবং একজন পুরুষের শারীরিক কিছু বৈশিষ্ট আছে যা একজনের থেকে আরেকজনের একেবারেই ভিন্ন। নারীকে বাচ্চার জন্ম দিতে হয় তাই বাচ্চা গর্ভে রাখা সহ তার প্রাথমিক লালন পালনের জন্য একটা দীর্ঘ সময় তাকে এই কাজে ব্যয় করতে হয় যে কারনে এই সময়টি তারা পুরুষের থেকে পিছিয়ে পড়ে। হাজার হাজার বছরের ব্যাবধানে তারা এই কারনে পিছিয়ে পড়তে পড়তে পুরুষেরা অনেক আগে চলে গিয়েছে। নারীকে মাতৃত্বজনিত কিছু কারণে প্রায় অসুস্থ হতে হয় এবং শারীরিক গঠনের কারনে পুরুষের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হয়না যেসমস্থ কারনে সেই সভ্যতার শুরুতে যখন তারা পিছিয়ে পড়েছিলো তখন পুরুষতান্ত্রিক ধর্মীয় রীতিনীতি তাদেরকে আরো বাধ্য করেছিলো পিছিয়ে যেতে যেসমস্ত কারনে নারীরা নারীতান্ত্রিক সমাজব্যাবস্থা গড়ে তুলতে পারেনি। আর সর্বোপরি কথা হচ্ছে পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যাবস্থা যেমন নারী, পুরুষ উভয়ের জন্য ক্ষতিকর তেমনি নারীতান্ত্রিক সমাজব্যাবস্থা নারী, পুরুষ উভয়ের জন্য ক্ষতিকর তাই লক্ষ্য থাকতে হবে সমতার।

৪) আপনার কি মনে হয়, নারীতান্ত্রিক সমাজ ব্যাবস্থা বর্তমান পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার চেয়ে ভাল হত? মেয়েরা কি তাদের ক্ষমতার সুযোগ নিত না? রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষ্য অনুযায়ী, নারীতান্ত্রিক শাসন আরো ভয়ংকর হত। রবিন্দ্রনাথ যা বলেছেন, তার মূল কথা হল, নারীরা দুর্বল জাতি, দুর্বলের শাসন অত্যন্ত ভয়ংকর হয়”।

এখানে পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যাবস্থা আর নারীতান্ত্রিক সমাজব্যাবস্থার কোন পার্থক্য আছে কিনা সেটা আগে দেখতে হবে। যেহেতু একনায়কতন্ত্র বিষয়টি সঠিক নয় সেখানে নারীতন্ত্র বা পুরুষতন্ত্র কোনটায় সঠিক হবার কথা নয়। সমাজব্যাবস্থা হতে হবে এমন যেখানে সকলের অধিকার থাকবে সমান। লিঙ্গ বৈষম্য থাকা চলবেনা। উপরের প্রশ্নটির উওরের শেষের অংশে সেই একই কথা বলা আছে। যখন বিষয়টি নারীতান্ত্রিকতা হবে তখন নারীরা যে তাদের ক্ষমতার সুযোগ নিতো না এমন কথাও বলা হয়না। সমঅধিকার ব্যাপারটি একনায়কতন্ত্র’র সাথে কখনই যায়না।

প্রশ্নকর্তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর একটি উক্তি বা তার একটি মতবাদ এখানে উল্লেখ করেছেন। আমি জানি রবীন্দ্রনাথ তার হাতের কাছে পেয়েছেন মনস্তত্ত্বের দীপশিখা, তার সাহায্যে তিনি নারী জীবনের প্রতিটি প্রকোষ্ঠকে তন্ন তন্ন করে দেখেছেন। যা পেয়েছেন তা তিনি পাঠকদেরকে উপহার দিয়ে গিয়েছেন তার গান, কবিতা, গল্প আর উপন্যাসের মাধ্যমে। আমার কাছে তার এসব সৃষ্টি মানব সভ্যতায় কোনদিন পুরাতন হবেনা বলে মনে হয়েছে। আমরা জানি নারী মুক্তি, নারী স্বাধীনতার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে যুগ যুগ আগে৷ আর এক্ষেত্রে যাঁরা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর৷তবে নারীতান্ত্রিক বা শুধুই নারীদের দ্বারা সমাজ নিয়ন্ত্রন এই বিষয়টিকে তিনি বলতেই পারেন খারাপ হতো। তবে নারী মুক্তিকে তিনি সব সময় ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী থেকে দেখেছেন বলে জানি। তিনি চেয়েছেন সমাজে নারী এবং পুরুষের সমান অধিকার বাস্তবায়ন হোক। এক্ষেত্রে আমার ভুলও থাকতে পারে পাঠকদের কাছে অনুরোধ রইলো যারা রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে আমার থেকেও ভালো বোঝেন বিষয়টি শুধরে দেবার জন্য।

৫) পুলিশ এখানে সাহসের কি দেখাল (দু একটা প্রশ্ন করেছে মাত্র) ? এটা তো তার জব। বরং তার যা কর্তব্য, তার চেয়ে অনেক কম করেছে। তার আরো অনেক কিছু করার কথা ছিল আইনানুযায়ী। তার উপর পুলিশ প্রশাসনকে যেই ছোট করে কথা বলেছে, সে আরো কিছু করতে পারত। এবং সে অন্যের বেলা হলে করত। সুতরাং সে তার কর্তব্যই এখানে পুরো করে নাই, সাহসের কি দেখাল ?

প্রশ্নকর্তা যথা সম্ভব বাংলাদেশের আইনব্যাবস্থা সম্পর্কে যথাযথ অবগত নয় তা না হলে এখানে একজন পুলিশ যে কি সাহসিকতার প্রমাণ দেখালো তা নিশ্চয় তিনি বুঝতে পারতেন। আলোচনার নারী চরিত্রটি যদি আজ সত্যিই কোন না কোন এম পি বা মন্ত্রীর কন্যা হয়ে থাকতো তাহলে হয়তো এই পুলিশ সদস্যের এই বিষয়টি ভিডিও করে সোস্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল করার জন্য অনেক কিছুই হতে পারতো এমনকি দেখা যাচ্ছে তার চাকরীও চলে যেতে পারতো। এটাযে বাংলাদেশ এখানে অনেক কিছুই সম্ভব যা আর নতুন করে বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনা।

-মৃত কালপুরুষ
২৭/০৯/২০১৮

29 total views, 1 views today

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of