নির্বাচন ঘিরে শেখ হাসিনা কী ছক কষছেন?

বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সব পক্ষই সরব। সরকারের প্রধান বিরোধী পক্ষ বিএনপি চাইছে বামপন্থি, উদারপন্থিদের সমন্বয়ে বৃহত্তর নির্বাচনী ঐক্য গড়ে সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। এক্ষেত্রে এমনকি বিদেশি বন্ধুদের সমর্থনের জন্যও ছুটছে তারা। কিন্তু সরকারি দল আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা কী? এটা সবার জানা যে, আওয়ামী লীগে শেখ হাসিনাই সর্বেসর্বা। লীগের যেকোনো পদক্ষেপ তার সম্মতিতেই গৃহীত হয়। তাই সবার জানতে চাওয়া যে, হাসিনা আসলে নির্বাচন ঘিরে কী ভাবছেন, কোন ছকে নির্বাচন করার পরিকল্পনা তার!

সরকারি দলের বিভিন্ন সূত্র, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নানা তৎপরতা, জাতীয় পত্র-পত্রিকার বিশ্লেষণ এবং শেখ হাসিনার ভাষণ-বিবৃতি থেকে নির্বাচন ঘিরে গৃহীত পরিকল্পনা সম্পর্কে আঁচ পাওয়া যাচ্ছে। সরকারের পরিকল্পনার মধ্যে প্রথমত রয়েছে গত ১০ বছরের উন্নয়নের ব্যাপক প্রচার ও এর মাধ্যমে ভোটারদের আস্থা অর্জন। পাশাপাশি দেশজুড়ে প্রশাসনে রদবদল, আস্থাভাজনদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো, এগুলো সরকারের প্রকাশ্য নির্বাচনী তৎপরতার অংশ। কিন্তু এই শুভ কর্মসূচি দিয়ে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করার পরিকল্পনাও শেখ হাসিনা করে রেখেছেন। কী সেসব পরিকল্পনা?

১.
বিরোধীদের যেকোনো ঐক্যকে বাধাগ্রস্ত করতে চায় সরকার। এজন্য বিভিন্ন দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের কিনে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আপাতত তাদের রোল হবে ডাবল এজেন্ট, কিন্তু আন্দোলনের সময় এলেই তারা আওয়ামী লীগের সপক্ষে কাজ করবেন এবং নানা মতভেদ তৈরি করে ভেস্তে দেবেন কর্মসূচি। এই লক্ষ্যে সরকারের পক্ষে গোয়েন্দা সংস্থার কিছু কর্মকর্তা কাজ করে যাচ্ছেন। সরকার ইতোমধ্যে সক্ষম হয়েছে লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি’র (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট কর্নেল অলি আহমেদকে বিএনপির কাঙ্ক্ষিত ঐক্য প্রক্রিয়া থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে। সরকারের প্রবল সমালোচক কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কাদের সিদ্দিকীও এখন একেবারে নীরব। আপন ভাই আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ সিদ্দিকীর আসন তাকে দেয়া হবে, সঙ্গে আরও যা কিছু প্রয়োজন। এদিকে বিকল্প ধারার অন্যতম নেতা মাহী বি চৌধুরীও সরকারের পরিকল্পনার অংশ। মাহী বি সরাসরি তারেককে বিরোধিতা করেন, এটা সবার জানা। তার মাধ্যমে ঐক্য প্রক্রিয়ার ভেতর থেকে তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও প্রস্তাবনাকে বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে শেখ হাসিনার নিয়োগকৃত এজেন্টরা।
পাশাপাশি সরকার চাইছে বামপন্থিদের বড় অংশটিকে একটি জোটের মধ্যে নিয়ে নির্বাচনে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। এজন্য তাদের কিছু আসনে জয়ের নিশ্চয়তা দেয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তার প্রস্তাবও দেয়া হচ্ছে। শেখ হাসিনা চাইছেন আগামী নির্বাচনে তার দলের বিজয়ের পাশাপাশি একক শক্তিশালী কোনো বিরোধী দল না রাখতে। বরং ইসলামী শক্তিগুলোর জোট কিছু আসন পাক, বামপন্থিরা কিছু আসন, জাতীয় পার্টি কিছু আসন এবং বিএনপির কিছু আসন। এরা হবে একে অপরের বিরোধী, ফলে সংসদে বা আন্দোলনের মাঠে আগামী ৫ বছর সরকারকে শক্ত কোনো প্রতিরোধ মোকাবিলা করতে হবে না।

২.
সরকারের সব পরিকল্পনার মূলে অবশ্য বিএনপি। তাদের পরিকল্পনা হলো ভিন্ন অর্থে ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলা বাস্তবায়ন। আর এই দুইজন হলেন খালেদা ও তারেক। হাসিনা চাইছেন বিএনপি নির্বাচনে আসুক, কিন্তু সেটা হবে খালেদা-তারেকবিহীন নির্বাচন। চিকিৎসার জন্য খালেদার বিদেশ যাত্রার পথ সরকার সব সময় খোলা রেখেছে। তিনি বাইরে গেলে আর তাকে দেশে ঢুকতে দেয়া হবে না, এটা জেনে বিএনপি বিদেশে চিকিৎসার দাবি থেকে বিরত আছে। তাই হাসিনা এখন পাল্টা চাল দিচ্ছেন।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও হত্যা মামলার বিচারকাজ শেষ। রায় ঘোষণা হবে ১০ অক্টোবর। এই রায়ে তারেককে দোষী সাব্যস্ত করে তাদের সর্বোচ্চ সাজা দেবে আদালত। রায় দিয়ে দিয়েছে, তারেকের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে, এটা ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট। খালেদা জেলে থাকায় দলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান ছিলেন তারেক। এখন তাকে দলের প্রধান রাখার পথ বন্ধ হলো। রায়ের পরেই শুরু হবে নীল নকশা বাস্তবায়ন। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আদালতে রীট মামলা দায়ের করে জানতে চাওয়া হবে, কোনো দলের প্রধান যদি সর্বোচ্চ সাজা পান, সেক্ষেত্রে তারা দলের প্রধান থাকলে ওই দলের নিবন্ধন থাকবে কিনা? এই রীটের রায়ও সরকারের পক্ষে যাবে। আদালতের নির্দেশনা হবে, খালেদা-তারেককে বহিস্কার না করলে বিএনপি নির্বাচনে দাঁড়ানোর যোগ্যতা হারাবে। এভাবে এত দিন ধরে নির্যাতন নিপীড়নের শিকার বিএনপির সমর্থক, নেতা ও ব্যবসায়ীদের বাধ্য করা হবে খালেদা-তারেককে বাদ দিয়ে নির্বাচনে আসতে। যারা এর বিরুদ্ধে বেশি উচ্চবাচ্য করবে বা জনগণকে সংগঠিত করতে চাইবে তাদের জন্য আছে মামলা ও কারাগার। ইতোমধ্যে সরকার অনেক মামলা করে রাখছে, যেখানে আসামীর নাম উহ্য, এসব মামলায় বিএনপির ওই নেতাকর্মীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

৩.
ইভিএম দিয়ে নির্বাচন করাও সরকারের পরিকল্পনার আরেকটি দিক। যেসব আসনে জয়ের সম্ভাবনা কম, এরকম আসনগুলোর কয়েকটিতে ইভিএম ব্যবহার করে ফলাফল পালটে দেয়া, আর যেসব আসনে জয়ের সম্ভাবনা সমান সমান, সেসব আসনে শক্তিপ্রয়োগের মধ্য দিয়ে বিরোধীদের ভোট থেকে দূরে রাখা, নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে আওয়ামী লীগ।
নির্বাচনকে লক্ষ্য করে সাংসদদের তহবিল দেয়া, নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা প্রেরণ এবং গোপন তহবিল গঠনের পরিকল্পনাও করেছে সরকার। যেসব শিল্পপতি বিদেশে টাকা পাচার করেছেন, সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা নানা উন্নয়ন পরিকল্পনা থেকে বিরাট পুঁজি গড়েছেন, যে পুলিশ কর্মকর্তারা বিপুল পরিমাণ অর্থের পাহাড় গড়েছেন, তাদের কাছে কমিশন দাবি করেছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনী তহবিলে মোটা অঙ্কের অর্থ প্রদানের বিনিময়ে আগামী মেয়াদে ক্ষমতায় এলে আবারও তাদের বিপুল অর্থের মালিক হওয়ার সুযোগ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দেয়া হচ্ছে। যারা এসব প্রস্তাব গ্রহণ করছেন না বা নগদ মজুদ সরিয়ে ফেলছেন, তাদের বিপদে ফেলা হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এসপি হারুনের যুক্তরাষ্ট্রে টাকা পাচারের ঘটনাটি প্রচারের আলোয় আসাটা এরই অংশ।
গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা ও সুবিধাভোগী বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব দেশের বাইরে চলে গিয়েছিলেন, এবার যেন সেরকম কিছু না ঘটে সে ব্যাপারেও সচেতন শেখ হাসিনা। এরকম দলীয় নেতা ও বিশিষ্টজনদের তালিকা করেছে গোয়েন্দা বিভাগ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি গোয়েন্দা শাখা এদের পাসপোর্ট সংগ্রহ করে জমা রাখছে, যেন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এরা কোনোভাবেই কেটে পড়তে না পারে। নিজেদের অস্তিত্ত্বের স্বার্থেই তারা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়ের ব্যাপারে যেন কাজ করে, তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা।

সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসব সংস্থার উচ্চপদস্থদের নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা ও অফার দিচ্ছে হাসিনার নিয়োগকৃত এজেন্টরা। কেউ অফার গ্রহণ করতে না চাইলে তার জন্যও দাওয়াই আছে। এসব কর্মকর্তার দুর্নীতি ও যৌন অপরাধের নানা তথ্যও সংগ্রহের দায়িত্বে আছে বিশেষ একটা গোয়েন্দা শাখা। এসব ডকুমেন্ট দেখিয়ে চাপে রেখে হলেও তাদের সমর্থন আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে হাসিনার।

৪.
সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসব সংস্থার উচ্চপদস্থদের নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা ও অফার দিচ্ছে হাসিনার নিয়োগকৃত এজেন্টরা। কেউ অফার গ্রহণ করতে না চাইলে তার জন্যও দাওয়াই আছে। এসব কর্মকর্তার দুর্নীতি ও যৌন অপরাধের নানা তথ্যও সংগ্রহের দায়িত্বে আছে বিশেষ একটা গোয়েন্দা শাখা। এসব ডকুমেন্ট দেখিয়ে চাপে রেখে হলেও তাদের সমর্থন আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে হাসিনার।
ভারত-চীনকে ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক চাপ মোকাবিলা করার পরিকল্পনাও করেছেন শেখ হাসিনা। ভারত তার নিজস্ব স্বার্থেই হাসিনাকে সমর্থন দেবে, নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের ব্যাপারে সব ধরনের ভূমিকা পালন করবে, এটা হাসিনার জানা। কিন্তু নির্বাচন ঘিরে বড় কোনো বিতর্ক তৈরি হলে সেক্ষেত্রে উদ্ভূত আন্তর্জাতিক চাপ সামাল দিতে ভারতকে পাশে পেতে চাইছেন তিনি। এজন্য ভারতের সব ধরনের চাওয়া পাওয়াকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন হাসিনা। জঙ্গি ইস্যুও শেখ হাসিনা সরকারের অন্যতম অস্ত্র। নির্বাচনের আগে গোয়েন্দা সংস্থার মদদে জঙ্গি তৎপরতার বাড় বাড়ন্ত দেখা যাবে। এর মাধ্যমে ভারতে হাসিনা সরকারের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করেন শেখ হাসিনার কাছের লোকজন।
পাশাপাশি চীনকেও হাতে রাখতে চাইছেন তিনি। সম্প্রতি চীনের পরম আকাঙ্ক্ষিত একটি দাবি পূরণ করেছেন হাসিনা। সেটা হলো, এতদিন চীনা মুদ্রায় বাংলাদেশ কোনো লেনদেন করত না। ব্যবসায়ীরা এক্ষেত্রে পাউন্ড, ইউরো বা ডলার ব্যবহার করতেন। কিন্তু এখন এলসি খোলার ক্ষেত্রে চীনা মুদ্রা ব্যবহার করা যাবে, সম্প্রতি এমন ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এটা চীনের জন্য খুবই দরকারি ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও চলমান বাণিজ্যযুদ্ধের প্রেক্ষিতে ডলার ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে ব্যবসা করার সকল বিকল্পকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে চীন। শেখ হাসিনা সরকার চীনকে এক্ষেত্রে সহযোগিতা দিতে এগিয়ে এসেছে। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রোধ প্রশমিত করতে হাসিনা ভারতকে ব্যবহার করবেন, আর এই প্রাপ্তির বিনিময়ে সম্ভাব্য মার্কিন সমর্থিত হাসিনাবিরোধী জাতিসংঘের যেকোনো উদ্যোগে ভেটো প্রদান করবে চীন।

৫.
পত্র-পত্রিকাগুলো যেন নির্বাচনী পর্বে সরকারের মন্ত্রীদের নিয়ে দুর্নীতির ব্যাপক তথ্য প্রচার করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করেছে। এই আইনে বলা আছে যে, সরকার প্রচার করেনি এমন কোনো সরকারি দলিল পত্রিকায় প্রকাশ করা যাবে না। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ বা তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ করতে গেলে জেলে যাবেন পত্রিকার রিপোর্টাররা, পাশাপাশি পত্রিকার সার্ভার জব্দ করার ক্ষমতাও দেয়া হয়েছে পুলিশকে। এভাবে ছাপা মাধ্যমের তথ্যপ্রবাহের ওপরও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার ব্যবস্থা করেছে সরকার।
পাশাপাশি অনলাইনের বিভিন্ন কন্টেন্ট মুছে দেয়ার জন্য বিশেষ যন্ত্রপাতি আমদানি করেছে সরকার। ফেসবুক, ব্লগ, ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাইট, ইউটিউবের নানা কন্টেন্ট থাকবে নজরদারির মধ্যে। সরকারবিরোধী কোনো প্রচারণা দখলেই তা ব্লক করা হবে, দেশের কোথাও এগুলো আর দেখা যাবে না। এই পরিকল্পনার পাশাপাশি ‘গুজব’-এর শক্তিকে ব্যবহার করা নিয়েও কাজ করছে সরকার সমর্থক একটি আইটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। সরকারের পক্ষে থেকে বিরোধীদের নিয়ে নানা গুজব সৃষ্টি করে অনলাইনে তা ছড়িয়ে দিতেও সক্রিয় থাকবে তারা।

9,933 total views, 12 views today

7
Leave a Reply

avatar
4 Comment threads
3 Thread replies
0 Followers
 
Most reacted comment
Hottest comment thread
7 Comment authors
আবীর সমুদ্রmarziakintuHassan BiswasJashim Recent comment authors
  Subscribe  
newest oldest most voted
Notify of
নুর নবী দুলাল
ব্লগার

শেখ হাসিনার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য পাগলা কুকুরের মত হয়ে গেছে। আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা বলে বেড়াচ্ছে এবার ক্ষমতায় আসতে না পারলে ৫ লক্ষ আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী খুন হবে। এত এত উন্নয়নের পর এদের এত ভয় কিসের?

Jashim
পথচারী
Jashim

তারপরও আওয়ামীলীগের পেট ভরা আছে,বি এন পি খমতায় গেলে দেশটাই খাবে, নিশ্চিত থাকেন।

Hassan Biswas
পথচারী
Hassan Biswas

দঃকর্মকারীরা যেখানে তৎপর সেখানে ভয়তো একটু থাকবেই ভায়া। যারা ২০১৪ সালে বিনা কারণে সাধারন লোকজন পুড়িয়ে মারতে পারে, তাদের কোনও বিশ্বাস নেই। কারণ জামাত শিবওরের ছত্রছায়ায় অনেক কিছুই করা সম্ভব।

kintu
পথচারী
kintu

darun

marzia
পথচারী
marzia

অসাধাণ। এই কাহিনী নিয়ে দারুণ সিনেমাও হবে

আবীর সমুদ্র
ব্লগার

দারুণ বিশ্লেষ!