রোহিঙ্গাপ্রেমিক পাকিস্তানপন্থী মসজিদের ইমামদের অশ্লীল বয়ান

নিজের বউকে তালাক দিয়ে আরেকজনকে দিতে হবে! আরেকজনের সঙ্গে তাকে বিয়ে দিতে হবে! এটা কোনো মানুষের কথা? এটা কোনো আইনকানুন? আর এটা মানবতা না শয়তানী? নিশ্চয়ই শয়তানী। কোনো মানুষ এসব ভাবতে পারে না। কিন্তু আজকাল বাংলাদেশের ইমাম-নামধারী একশ্রেণীর রোহিঙ্গাপ্রেমিক শূয়রের বাচ্চা এখন মসজিদের ভিতরে বসে-বসে এসবই বলছে।

বিস্তারিত পড়ুন...

রোহিঙ্গাসন্ত্রাসীদের সঙ্গে আমাদের দেশপ্রেমিক-মুক্তিযোদ্ধাদের তুলনা!

কিন্তু আমাদের দেশের জঙ্গিমুসলমানচক্রটি এগুলো কখনও বিশ্বাস করে না। রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে তারা সবসময় এদের সমর্থন করে, আর এদের নাশকতার পক্ষে কথা বলে। আর সবসময় শুধু মিয়ানমার-সরকারের দমননীতির বিরুদ্ধে (যা তারা করে নাই তারচেয়ে বেশি) বলে থাকে। আমাদের দেশে এই মোল্লাচক্রটি সবসময় রোহিঙ্গাদের নিষ্পাপ প্রমাণের চেষ্টা করে যাচ্ছে। আর এইব্যাপারে তারা…

বিস্তারিত পড়ুন...

‘শূয়রের বাচ্চা কখনও মানুষ হয় না’ (পর্ব—২)

বাজারের মসজিদের কাছ দিয়ে মতিনকে নিয়ে যাওয়ার সময় তা দেখে ফেলে নামাজের মোল্লা। সে তখন ছেলেদের উদ্দেশ্যে হাঁক দিয়ে কয়, “বাবারা, অনেক হইছে! এবার উনারে ছেড়ে দেন। উনি আলেম মানুষ! উনারে এমন করলে আপনাগরে গোনাহ হইতে পারে!” মোল্লার কথা শুনে ছেলেগুলো হাসে। এরমধ্যে তোজাম্মেল আরও বেশি হাসে। সে মিয়াপাড়ার কাছে…

বিস্তারিত পড়ুন...

ইসলামের নামে মাদ্রাসাশিক্ষায় ভণ্ডামির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস (প্রথম পর্ব)

ইসলামের দেশ বলে খ্যাত সৌদিআরবেও মাদ্রাসা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। সেখানে, রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে গড়ে উঠেছে সব আধুনিক ধাঁচের ও ছাঁচের ঝকঝকে-তকতকে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। আর মাদ্রাসাশিক্ষার বাড়াবাড়ি শুধু এশিয়ার হাতেগোনা কয়েকটি দেশে (ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে)। বর্তমানে এশিয়ার অধিকাংশ মাদ্রাসাই পরিচালিত হচ্ছে ইসলামবিরোধী ওহাবী ও জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণাধীনে।

বিস্তারিত পড়ুন...

শারদীয় দুর্গাপূজা এবং দেশের সাম্প্রদায়িক মাদ্রাসাশিক্ষা ও তার পাতিহুজুরগণ

দেশে হিন্দুসম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ প্রতিবছর শারদীয় দুর্গাপূজাউপলক্ষে ৩ দিনের সরকারি-ছুটির আবেদন করে থাকে। কিন্তু এতে সরকার কোনোপ্রকার কর্ণপাত করে না। দেশের বহু মাদ্রাসায় বাংলা, ইংরেজি, বিজ্ঞান ও গণিত বিষয়ে হিন্দুধর্মাবলম্বী শিক্ষকও রয়েছেন। তা সত্ত্বেও দেশের সরকার অন্ধ হয়ে মাদ্রাসার পাতিহুজুরদের মতোই আচরণ করে চলেছে। সরকারের অদূরদর্শীসিদ্ধান্তেই মাদ্রাসাগুলো আজ ভিন্নধর্মের মানুষদের প্রতি…

বিস্তারিত পড়ুন...

‘শূয়রের বাচ্চা কখনও মানুষ হয় না’ (পর্ব—১)

শোভনের মনে হলো: মতিন হয়তো আর পড়ালেখা করে না। হয়তো সে কখনও-কোনোদিন ফাজিলশ্রেণীতে ভর্তি হয়েছিলো এই আরকি। কারণ, এখন তার বয়স কমপক্ষে চল্লিশ-বিয়াল্লিশের কোঠায়! সে কীভাবে এখনও ফাজিলশ্রেণীতে পড়তে পারে? সে নিজের মান বাঁচাতে একেবারে মিথ্যা বলেছে। আর এরা তো জন্ম থেকেই মিথ্যা বলে আসছে। এদের শেখানোই হয়েছে মিথ্যাশিক্ষা। আর…

বিস্তারিত পড়ুন...

রোহিঙ্গাইস্যু এবং বাঙালি-মডারেট-মুসলমানদের কতিপয় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও তাদের স্বরূপ

নামধারীমুসলমানশ্রেণীটির সঙ্গে আধুনিক চিন্তাভাবনার অধিকারী মডারেট-মুসলমানদের খুব একটা পার্থক্য নাই। তবে এরা সবসময় ইনিয়েবিনিয়ে ইসলামের নামে শয়তানী করতে ভালোবাসে। আর এদের অধিকাংশই সমাজের ধনিকশ্রেণী তথা আত্মস্বীকৃত-অভিজাতশ্রেণী। এদের অনেকেই আবার সমাজের ও রাষ্ট্রের পাওয়ার এলিট। কিন্তু চিন্তাচেতনায় ও মন্যুষত্বের পরিচয়ে এরা সাধারণ, মূর্খ, গোমরাহ ও ধর্মান্ধ মুসলমানদেরই প্রতিনিধি। তবে এরা সরাসরি…

বিস্তারিত পড়ুন...

বাংলাদেশের মুসলমানদের একটা বিরাট অংশ যে এখনও হিংস্র-জানোয়ার তার একটি উপযুক্ত প্রমাণ

আমরা পৃথিবীর যেকোনো নির্যাতিত মানুষের পক্ষে। আর এর বিরুদ্ধে পরিচালিত সর্বপ্রকার আগ্রাসন, বর্বরোচিত হত্যা, খুন, ধর্ষণ, গণধর্ষণসহ যেকোনো গণহত্যার বিরুদ্ধে। কিন্তু আমাদের দেশে একটি অমানুষের দল রয়েছে—এরা হিন্দুদের মন্দির ভাঙ্গবে, মন্দিরে আগুন দিবে, হিন্দুরমণীদের ধর্ষণ করবে, গণধর্ষণ করবে, হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের জায়গাজমি মুসলমানীকায়দায় দখল করে নিবে, রামুতে বৌদ্ধদের উপাসনালয়ে হামলা করবে,…

বিস্তারিত পড়ুন...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘একরাত্রি’ গল্পের নায়ক ভাঙ্গা-স্কুলের সেকেন্ড মাস্টার

একজন স্বপ্নাতুর তরুণের কাহিনী এখানে করুণভাবে বিধৃত হয়েছে। একেবারেই গ্রামের ছেলে সে। কিন্তু তার স্বপ্ন ছিল বড়। সে কালেক্টর সাহেবের নাজির হতে চেয়েছিলো, সেরেস্তাদার হতে চেয়েছিলো, আর তা না পারলে সে আদালতের হেডক্লার্ক হতে চেয়েছিলো। একসময় সে ইতালির জাতির জনক মাটসিনি গারিবালডির মতো নেতাও হতে চেয়েছিলো। কিন্তু সে কিছুই হতে…

বিস্তারিত পড়ুন...

একাত্তরে বাংলাদেশে কোনো মুসলমান দেখি নাই। এখন হঠাৎ এতো মুসলমানিত্ব!

১৯৭১ সালে, পাকিস্তানীহানাদারবাহিনী জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-নির্বিশেষে মানুষহত্যা করেছিলো। পাকিস্তান ওদের বাপ হয়। ওরা ওদের বাপের পক্ষে ছিল। আর তা এখনও-তখনও। তাই, ইসলামের ধ্বজাধারীদালালগুলো সেদিন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো কথা তো বলেইনি বরং পাকিস্তানের পক্ষে এরা লড়াই করেছিলো। আজ মিয়ানমারে ‘বার্মিজ-আর্মি’ কর্তৃক রোহিঙ্গামুসলমানরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে এদের বুকটা একেবারে ফেটে যাচ্ছে। পারলে এরা…

বিস্তারিত পড়ুন...