অসাধারণ প্রতিবাদ।

আমাদের সমাজে ভাইরাসের মতো কিছু নেতিবাচক আচরন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে থাকে আমরা জানি। যেমন একটি মানুষের খারাপদিক গুলো নিয়ে মানুষ যতটা আলোচনা সমালোচনা করে ঠিক সেই মানুষটির ভালো কোন দিক নিয়ে কিন্তু সবাই সেই পরিমান আলোচনা সমালোচনা করেনা। কারণ আমাদের সমাজে নেতিবাচক চিন্তা, ভাবনা প্রসারের একটি প্রভাব আছে যা ইতিবাচক…

বিস্তারিত পড়ুন...

ধর্মান্ধতার শিকলে বাধা নারী ও প্রগতীশীল সমাজ।

ধর্মান্ধতার ব্যাপারে আমাদের সমাজ কিছুটা সচেতন হলেও ধর্মভীরুতা এখনও অনেকের মাঝেই বিদ্যমান থাকার মূল কারণ হচ্ছে মিথ্যা ও বানোয়াট কল্পিত জগতের ভয়, ভীতি প্রদর্শন করে একশ্রেনীর মানুষ তাদের জীবন যাপন করছে। সবার আগে এই শ্রেনীকে যদি বোঝানো সম্ভব হয় ধর্ম ব্যাবহার করে ভয়, ভীতি প্রদর্শন করে সমাজের মানুষকে বোকা বানাবার…

বিস্তারিত পড়ুন...

সমালোচনা আর বিদ্বেষ এর পার্থক্য বুঝতে হবে।

সমালোচনা আর বিদ্বেষ এই বিষয়টি নিয়ে এপর্যন্ত বিভিন্ন ব্লগ ও সোস্যাল মিডিয়াতে অনেক অনেক আলোচনা হয়েছে। তারপরেও অনেক সময় মুক্তচিন্তকেরা সমালোচনা করতে গিয়ে নিজের অজান্তে বা অনেকেই দেখা যাচ্ছে এই বিষয়গুলো জানাবোঝার পরেও রাগ এবং ক্ষোভ থেকে কিছুটা বিদ্বেষপূর্ণ মানসিকতা পোষন করে ফেলছেন। বর্তমানে বহিঃবিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকেরাও…

বিস্তারিত পড়ুন...

বিবর্তনবাদ নিয়ে আলোচনার পূর্বে নিজেদের ভিত্তি মজবুত করুন।

বর্তমান স্কাই মিডিয়ার যুগে অনলাইন প্লাটফর্ম হচ্ছে মানব সভ্যতার অগ্রগতির জন্য একটি অন্যতম প্লাটফর্ম, আর এই অনলাইন প্লাটফর্মের মধ্যে সোস্যাল মিডিয়া হচ্ছে আরেকটি অন্যতম প্লাটফর্ম, যার মাধ্যমে তারা মানব সভ্যতার কল্যাণে একে অপরের সাথে তাদের মতবিনিময় করতে পারছে। আধুনিক বিশ্ব মানুষের এই অগ্রযাত্রাকে বিবর্তনের একটি ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখে থাকে। কিন্তু…

বিস্তারিত পড়ুন...

ধর্ম জিন বা পরিবেশের উপর নির্ভরশীল নয়, আসলেই কি তাই ?

আলোচনাটি একটু দীর্ঘ হয়ে যাওয়াতে পোস্ট আকারেই করা হলো। ছবিঃ আনবিক পর্যায়ের ডিএনএ কোডের কোন পরিবর্তন না ঘটিয়ে ন্যাচারাল একুরিয়াম নামের কৃত্রিম কাচের ঘরে পরিবেশ বদল করে রাখা গুহার পানিতে জন্মানো শ্যাওলা বা মস্ব। মানুষের জিনগত কারনে বংশানুক্রমিকভাবে প্রাপ্ত আচার, আচরন ও অনুভূতি সবই পরিবর্তন করা সম্ভব। যদি কেউ মনে…

বিস্তারিত পড়ুন...

ব্যাক্তির ধর্মীও অনুভূতি নির্ভর করে পরিবেশ এবং জিন’এর উপরে, ধর্মের উপরে নয়।

ধর্মীও অনুভূতি বা এরকম আরো কিছু স্পর্শকাতর অনুভূতির কথা আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। আসলে এই অনুভূতি গুলোর সুত্রপাত মানব মস্তিষ্কে কিভাবে তৈরি হয় তা নিয়ে আমরা খুব একটা ভাবিনা, যেকারনে ধরে নেওয়া হয় মানুষের আর দশটা স্বাভাবিক অনুভূতির মতোই একটি অনুভূতি হচ্ছে ধর্মীয় অনুভূতি। মানব মনের গতি ও প্রকৃতি বা…

বিস্তারিত পড়ুন...

একজন সংশয়বাদীর প্রশ্নঃ আমরা তো এমনি এমনি কিছু তৈরি হতে দেখিনা ?

এই প্রশ্নের ব্যাখ্যা হচ্ছে বিগ ব্যাং তত্ত্ব ও পৃথিবীর বিবর্তনবাদ তত্ত্ব মতে আমরা যা জানি তার কিছুই তো আমরা সচক্ষে দেখতে পারিনা। বা এসব কোন মানুষ তার চোখ দিয়ে দেখে বিশ্লেষন করেছেন এমন না। তাই এখানে আস্তিক ও সংশয়বাদীদের মধ্যে প্রশ্ন এসেছে “এসব তৈরি হলো কিভাবে ? আমরা তো এমনি…

বিস্তারিত পড়ুন...

একজন সংশয়বাদীর প্রশ্নঃ এসব নির্দিষ্ট নিয়মে এবং নির্দিষ্ট গতিতে কি করে চলে? নাকি কেউ নিয়ন্ত্রণ করে?

শুরুতেই সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ স্পর্শকাতর ও অত্যাধিক অনুভূতি সম্পন্ন মানুষের এই লেখাটি এড়িয়ে যাওয়ায় ভালো। কারণ কারো ঈমান বা আমল নষ্ট করা আমার উদ্দেশ্য নয়। উপরের প্রশ্নের ব্যাখ্যা এরকম হবে, আমাদের এই মহাবিশ্ব, মহাবিশ্বের প্রতিটি গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ, কৃষ্ণগহ্বর, উল্কা, ধুমকেতু সহ মহাবিশ্ব বা ইউনিভার্স এর ভেতরে যত উপাদান মজুদ আছে…

বিস্তারিত পড়ুন...

একজন সংশয়বাদীর প্রশ্নঃ কি ও কে আপনি ?

আপনি যদি কাউকে প্রশ্ন করেন আপনি কে ? তাহলে আমরা সাধারনত যে উত্তর পেয়ে থাকি তা হচ্ছে প্রথমে সেই ব্যাক্তির নাম যা থেকে কিছুটা ধর্ম, বর্ণ ও বংশের পরিচয় পাওয়া যেতে পারে। এরপরে সেই ব্যাক্তি হয়তো হেসে আপনাকে তার কর্মজীবনের কিছু তথ্য দিবে সে কোন কোম্পানীতে কাজ করছে তার পদবী…

বিস্তারিত পড়ুন...

একজন সংশয়বাদীর প্রশ্ন : এখানে কোন সূত্রে এলেন ?

এই প্রশ্নটির ব্যাখ্যা হবে, আমি, আপনি ও আমরা যেহেতু এই পৃথিবীর একেকজন মানুষ এবং এই পৃথিবীতেই আছি তাই এই প্রশ্নটি করা হচ্ছে এবং “এখানে” বলতে এই পৃথিবীতে বোঝানো হচ্ছে “এখানে কোন সুত্রে এলেন ?” বর্তমানে অনলাইন সোস্যাল মিডিয়া গুলিতে আস্তিক্যবাদ ও নাস্তিক্যবাদ নিয়ে একটি প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা আমরা এই…

বিস্তারিত পড়ুন...