বিষাদ

আমার ব্যথা করছে ভিষন! একটি সমুদ্র, একটি মাছ বস্তুত সে বিভিন্ন প্রণালি পার হয়ে পানি ছেড়ে অন্যকোথার খোঁজে হন্যে হয়ে খুঁজছে অন্য পৃথিবী। এবং তোমরা এবং তোমরা তাঁকে যতটা কাছে থেকে দেখো এবং সে অতঃপর হায় মাছ হয়ে গভীর সমুদ্রে তলিয়ে যায়। বিরামহীন বর্ণনা দেওয়া গেলে বোঝা যাবে একেক পৃথিবী…

বিস্তারিত পড়ুন...

গহনবাসী-বিষাদ আব্দুল্লাহ

মহল্লার গলিতে মুখ ভিতরের চিৎকারে কেঁপে ওঠে বুক ভাবছি অনেক কিছুই, অথচ, অবাক করে দিয়ে ফিরে পায় বাক গহনবাসী নির্বাক সে বললো কিছুই ভাবোনি…!! ৭.৯.১৬, ঢাকা।

বিস্তারিত পড়ুন...

একজন বেকুব এর উপাখ্যান পাণ্ডুলিপি থেকে কিছু টোটকা

এটি নিয়ে একটা ইবুক হইছে। বানাইয়া দিছেন শতাব্দি সেঁজুতি। আমি তাঁর কাছে ঋনী। ইবুকটা ডাউনলোড করতে এইখানে ক্লিক করেন। সাইজ ৭.৯৩ এমবি। পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৩১। নমুনা একেবারে নিচে দেওয়া হইছে। কবি প্রেমিকা কথা হইলো গিয়া কী আরাফাত ভাই; প্রেমিকার মতো বড়কবি আর দুইজন দেখিনাই! অপমান প্রতিদিন কয়েকটা জুতো গিলে ফেলার…

বিস্তারিত পড়ুন...

আমরা দেশদ্রোহী

বিস্তারিত পড়ুন...

অলৌকিক আগুন (শাজাহান বাচ্চু স্মরণে)

কিছুই থামেনি, কখনই থেমে ছিলো না ওসব, গোপন ভোঁজালিতে শাণ দেওয়ার স্ফুলিংগ কেবল আমাদের চোখে পৌছেনি। অভিশপ্ত নগরী জেগেই ছিলো, অলৌকিক আগুন নিভেনি কখনও আর, মিছিল পোড়ার শব্দ কেবল আমাদের কানে আসেনি। কুপমন্ডুকতা বেঁচেই আছে, অপদেবতা হতে কখনও হয়নি নির্বাণ লাভ, লালা ঝড়ানো তীব্র নখের হিসহিস শুধু টের পায়নি।

বিস্তারিত পড়ুন...

ম্যাচিউরিটি

ম্যাচিউরিটি মানে? -মনের বিপরীতের ব্যাপারগুলোও হাসিমুখে সামলে নেয়া…। 🙂

বিস্তারিত পড়ুন...

সপ্তগ্রাম !

সপ্তগ্রামের শুভদিপ ঢাকা নিজ ফ্লাটে থাকতো একাকি অনেকদিন থেকেই। স্ত্রী থাকতেই সন্তানরা সব চলে যায় আমেরিকা আর কানাডা। চাকুরি থেকে অবসরে যাওয়ার পর পাশের “নিঝুম” খাওয়ার হোটেলটিতে প্রতিদিন বিকেলে আড্ডা দিতো বিকেল থেকে রাত অবধি। ঐ হোটেলের মালিক কাম ম্যানেজার মোস্তফা আবার একই গাঁয়ের ছেলে মানে সপ্তগ্রামের। ঢাকাতে সপ্তগ্রামের অন্য…

বিস্তারিত পড়ুন...

বোকা

মাঝে মাঝে নিজেকে খুব বোকা মনে হয়। আমি মানুষ চিনি খুব দেরীতে, কিন্তু এখন চিনি। কিছুটা হলেও চিনি। প্রতিনিয়ত কাউকে না কাউকে চিনাচ্ছি। বড় হচ্ছি ধীরে ধীরে, খুব ধিরে…।।

বিস্তারিত পড়ুন...

তোমার অামার প্রেমকাব্য

প্রজাপতি বসেছে সন্ধ্যামালতীর ডালে। মাছরাঙ্গা উঁকি মারছে শুকনোপ্রায় খালে। মুকুলিকায় ভরে গেছে জারুলের ডাল, কাঠঠোকরা তুলে নিল চালতার ছাল। সোনালু ছড়াচ্ছে তার স্বর্ণ-অাভা, কোকিল শোনাচ্ছে তার সুরের বিভা। অশোকের মূল অবারিত করেছে তার ফুল। জুঁই, চামেলি, কাঠগোলাপ, হাসনাহেনা, কামিনী সবাই যেন প্রতিযোগ করছে – কে দেখাবে তার রঙের চ্ছটা, কে…

বিস্তারিত পড়ুন...

আমি কখনো রিস্ক নি ইনা !

বিস্তারিত পড়ুন...