মাদকবিরোধী কনসার্ট (গল্প-৩৫)

শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে ঢাকার ফাঁকা রাস্তায় ছুটছে একটি ব্যান্ডদলের মাইক্রোবাস। মধ্য চল্লিশের দলপ্রধান ও ভোকালিস্ট বসেছে ড্রাইভারের পাশের সিটে। তার চোখে কালো সানগ্লাস, গায়ে কালো শার্ট, মাথায় কাঁধ-সমান লম্বা কালো চুল। জ্যোতিষ প্রদত্ত নানান রকম পাথরসমৃদ্ধ আংটি পরা দুই হাতের ছয় আঙুলে, ডান হাতের জলের বোতলে হুইস্কি। কয়েক চুমুক…

বিস্তারিত পড়ুন...

“হিরো” হওয়ার সাধ গল্প : পর্ব-৩ (শেষ পর্ব)

আমার জন্যে ফ্রিয়া নামের উপুলু দ্বীপের এ সুন্দরী পরীকন্যা বসবাস করবে এ কালোজলের অমান দিঘিতে ঐ কুৎসিত রাক্ষুসে মাছের সাথে। তা কোনভাবেই মানতে পারছিলাম না আমি। তাই তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্ত নিলাম পুরনো ইরানি জাহাজে যাবো এই জলদেবতার প্রতিদ্বন্দ্বিকে তুলে আনতে। নৌকোসহ বন্ধুদের নিয়ে উপস্থিত হলাম ইরানির মাস্তল বরাবর। কিন্তু হায়! আমাকে…

বিস্তারিত পড়ুন...

বনলতা

        ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়টা। বাংলা মাস হিসেব করে দেখলাম পৌষ মাস। আমাদের নিয়মিত জীবনে বাংলা মাসের প্রয়োজন নেই। কিন্তু, অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে, আমরা আবহাওয়া বা ঋতু পরিবর্তনের হিসেবটা এখনো বাংলাতেই করি। গরম পরলেই মনে করতে চেষ্টা করি চৈত্র মাস শুরু হয়ে গেছে। বৃষ্টি বেশি হলেই বলি, বৃষ্টি…

বিস্তারিত পড়ুন...

“হিরো” হওয়ার সাধ গল্প : পর্ব-২

এর মধ্যে প্রবল বৃষ্টি নামলো নদীর তীরে। সবাই ভিজে যাচ্ছে প্রচন্ড বৃষ্টিতে কিন্তু আমার গায়ে এক ফোঁটা জলও পড়ছে না। বন্ধুরা সবাই এসে আমার গা-ঘেষে দাঁড়ালো বৃষ্টি থেকে বাঁচতে। এ দৃশ্য দেখে বন্ধু নিরঞ্জন বললো, একটা কাজ করা যায়। বাজারের কাছে প্যান্ডেল করে সার্কাস দেখানো হচ্ছে। সেখানে বিল্টুকে দেখিয়ে টাকা…

বিস্তারিত পড়ুন...

শূন্য (গল্প-৩৪)

ফিতা দিয়ে মাপজোখ করে টেবিলে রাখা কাপড়ে দাগ দেবার ফাঁকে ফাঁকে চায়ে চুমুক দিচ্ছেন পারুল আক্তার। আদা, লেবু, লবঙ্গের চা; চিনি কম। মেঘলা আর জাহানারা চায়ে চিনি বেশি খায় বলে মেঘলা বাসা থেকে ছোট্ট একটা কাঁচের বয়ামে চিনি এনে রেখেছে দোকানে, ওরা ওদের স্বাদ মতো চায়ে চিনি মিশিয়ে খায়। চার…

বিস্তারিত পড়ুন...

কিরণ। ধারাবাহিক উপন্যাস পর্ব – ৪।

মোবাইলটা বেজে উঠতেই কিরণের সারিন্দার সুর থেকে মনটা সরে গেলো। বেশ ছিল সুরটি। সুরের স্রোতে কিরণ ভেসে গেছিলো তার সাত বছর বয়সে, সৌম্যর সাথে প্রথম আলাপের দিনটিতে। – রাত আটটা। – এসময় আবার কে ফোন করলো! – মোবাইলটি হাতে নিয়ে স্ক্রিনের দিকে তাকাতেই মালতি নামটি ভেসে উঠলো। – এসময় মালতি!…

বিস্তারিত পড়ুন...

ফেরা (গল্প-৩৩)

অন্ধকার ফুঁড়ে উল্টোদিক থেকে অল্প গতিতে আসা ট্রেনের জায়গা ছেড়ে দিয়ে রেললাইনের পাশের পায়ে চলা পথ ধরে হাঁটতে লাগলো ফরিদ। স্টেশন থেকে অনেকটা দূরে থাকতেই ট্রেনের গতি প্রয়োজনের তুলনায় একটু বেশিই কমে যায়। এসময় কুষ্টিয়া থেকে আসা ভারতীয় চোরাই মালের বস্তা ধপাস ধপাস করে পড়তে থাকে রেললাইনের পাশে। আগে থেকেই…

বিস্তারিত পড়ুন...

কিরণ। ধারাবাহিক উপন্যাস পর্ব – ২।

পর্ব ২। কিরণ পড়েছিল হিরোশিমা – নাগাসাকির ভয়াবহতা। শুধু তো পড়ে নি, অনুভব করেছিল সেই ভয়াবহতার গভীরতা। তখন ১৯৪৫ সাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চূড়ান্ত পরিণতি হতে চলেছে। জাপান, জার্মান, ইতালি মিলে গড়ে উঠেছে এক অক্ষশক্তি। যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থামাতে এক চূড়ান্ত ও ভয়ঙ্কর পদক্ষেপ নেয়। ৬ই আগস্ট সকালবেলাটা আর সব দিনের মতোই…

বিস্তারিত পড়ুন...

অপরাধী জবানবন্দী (পর্ব ১)

আমি সমকামী। নারীর প্রতি আমি আকর্ষণ অনুভব করিনা। পুরুষের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করি। কথাগুলো বেশ নীচু কন্ঠে বললো অনিরুদ্ধ। তারপর, ভীত দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো আমার দিকে। সম্ভবত, দেখতে চাচ্ছিলো আমার মুখের কোন পরিবর্তন হয় কিনা! আমি হাসিমুখেই ওর দিকে তাকিয়ে বললাম, সমকামী বলে কি অপরাধী মনে হয়? অনিরুদ্ধ বললো, মনে…

বিস্তারিত পড়ুন...

দেশ (গল্প-৩২)

লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে ১৯৩৪ সালের ১৩ জানুয়ারি বিকেলবেলা ক্ষুধার তাড়নায় গুলিস্তানের রাস্তায় বসে পথ চলতি মানুষের দিকে ভিক্ষার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন কেদারনাথ, দিনটি তিনি ভোলেননি এজন্য যে আগের রাতে চট্টগ্রাম কারাগারে ব্রিটিশরা সূর্যসেন এবং তারকেশ্বর দস্তিদারের ফাঁসি কার্যকর করে; আর রাত পোহালেই শোকের গাঢ় ছায়া পড়ে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান নির্বিশেষে অধিকাংশ ভারতবাসীর…

বিস্তারিত পড়ুন...