সাম্যপাঠ

মানুষ সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু। বিবর্তনের ধারায় অসংখ্য ধাপ পেরিয়ে যারা প্রকৃতিতে প্রতিষ্ঠিত ‘Homo Sapiens Sapiens’ পরিচয়ে। সেই গুহাবাসী আদিম অরণ্যচারীর দল আজ যান্ত্রিক ও নাগরিক সভ্যতার চুড়ান্ত স্তরের কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে। এই বিকাশ ঘটেছে ধাপে-ধাপে, স্তরে-স্তরে। এই ধাপ বা স্তরের পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় সমাজে এসেছে শ্রেণীবিন্যাস।

সাম্য থেকে শুরু যে সমাজের, মানুষ সেখানে বনে গেছে মানুষের মালিক। একদল চাবুক চালিয়েছে, আরেক দল দিয়েছে শ্রম। ধীরে ধীরে প্রকট হয়ে উঠেছে বৈষম্যের কুৎসিত চেহারা। মেহনতীর রক্তে ঘামে ভেসেছে ধরণী। সভ্যতা হয়ে উঠেছে উর্বর। ধনীর ধন আকাশ ছুঁয়েছে। মানুষ মানুষের শত্রু আজ।


মানুষ সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু। বিবর্তনের ধারায় অসংখ্য ধাপ পেরিয়ে যারা প্রকৃতিতে প্রতিষ্ঠিত ‘Homo Sapiens Sapiens’ পরিচয়ে। সেই গুহাবাসী আদিম অরণ্যচারীর দল আজ যান্ত্রিক ও নাগরিক সভ্যতার চুড়ান্ত স্তরের কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে। এই বিকাশ ঘটেছে ধাপে-ধাপে, স্তরে-স্তরে। এই ধাপ বা স্তরের পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় সমাজে এসেছে শ্রেণীবিন্যাস।

সাম্য থেকে শুরু যে সমাজের, মানুষ সেখানে বনে গেছে মানুষের মালিক। একদল চাবুক চালিয়েছে, আরেক দল দিয়েছে শ্রম। ধীরে ধীরে প্রকট হয়ে উঠেছে বৈষম্যের কুৎসিত চেহারা। মেহনতীর রক্তে ঘামে ভেসেছে ধরণী। সভ্যতা হয়ে উঠেছে উর্বর। ধনীর ধন আকাশ ছুঁয়েছে। মানুষ মানুষের শত্রু আজ।

শুরুটা ভুলিনি আমরা। সাম্যের স্বপ্নকে বাস্তবতার রক্তমাংস দিতে এখনো স্বপ্ন দেখে যাই। বৈষম্যের কফিনে পেরেক ঠুকে চলা কিছু মানুষ সেই পথে আমাদের পথ দেখিয়েছেন, দেখাচ্ছেন। নতুন সমাজ গড়তে গেলে তাদের চিন্তার সঙ্গে পরিচিত হওয়াটা জরুরী। সাম্যপাঠ –এ থাকছে তাদের লেখা, তাদেরই কথা।