দূর্নীতি নামা এবং মাইঙ্কা চিপা

গল্প একঃ-
জনাব এবং জনাবা আনিসের ছোট্ট সংসার, চার বছরের আম্বিয়াকে নিয়ে তাদের মোটামুটি ভালোই সংসার চলছে। জনাব আনিস পেশায় একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট অফিসার। আগ্রাবাদের সিডিএতে ভাড়া বাসায় থাকেন। মেয়েকে এরই মধ্যে পাশের একটি স্বনামধন্য স্কুলে দিয়েছেন, স্কুলে সামনে শিশু দিবসের বিশাল অনুষ্ঠান হবে আর তাই রাজকন্যাকে ভালো একটি জামা পড়িয়ে নিতে না পারলে মিসেস আনিসের মান-সন্মানটাই যেন থাকবে না। বিভিন্ন মার্কেটগুলো ঘুরে ঘুরে পছন্দ করে এসেছে রাজকন্যাকে ঐদিন কি পড়াবেন, সব মিলিয়ে পাঁচহাজার টাকার উপরে লাগবে।
সকালে ডিউটিতে বের হবেন আনিস সাহেব তখনও মনে করিয়ে দিলেন মিসেস আনিস, শুধু মাথা নাড়িয়ে সরকারের দেয়া বাইক হাকিয়ে কর্মস্থলে চলে গেলেন।
জনাব আনিস ডিউটিতে যেতে যেতে ভাবছেন আর অস্থির হয়ে উঠছেন, মাসের প্রায় অর্ধেক এখন কোথা থেকে এতো টাকা ধুম করে পাওয়া যায়, দ্রব্যমূল্যের চড়া বাজার, বাড়তি ঘর ভাড়া এসব মিলিয়ে দিশেহারা অবস্থা।
আজ তার ডিউটি পড়েছে লাকী প্লাজার মোড়ে এক্সেস রোডে ঢোকার মুখটাতে। রাগে গজগজ করতে থাকলেন এমন একটা এলাকায় ডিউটি পড়াতে, পুরাই বাজে অবস্থা এখানকার। কেননা যা হবার তা বাদামতল মোড়েই হয়ে যায় অথবা ঐদিকে হালিশহর মোড়ে এখানে কিছুই পাবার আশা না করাই ভালো, কিন্তু সকালে তো বৌ বারবার করে বলে দিয়েছে কম করে হলেও পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে।
একদিকে ভাবনা অন্যদিকে কাজ এমন করতে করতে সন্ধ্যা হয়ে এলো, তাই রাস্তার উপর টং দোকানে বসে একটু আলসেমি ছাড়ার জন্য চা-সিগারেট ফুঁকতে লাগলেন, কিন্তু সময়টাতে রাস্তায় জ্যাম থাকে। তাও আলসেমি ছাড়াতেই একটু বিশ্রাম। এমন সময় তার এক অধঃস্তন ট্রাফিক পুলিশ এসে বললো “স্যার আইয়ের, আমনে ধইরবেন না অ্যাঁই ধইরতাম?”
একটু বিরক্ত হয়েই উত্তর দিলেন “ঐ ব্যাডা এইডা কি আমার কাজ?”
হেসেই এগিয়ে গেলেন ট্রাফিক পুলিশটি।

গল্প দুইঃ-
কনস্ট্রাকশন লাইনে বেশ ভালোই সুনাম আছে নুর কন্ট্রাকটারের, পুরো চট্টগ্রামের অর্ধেক এরিয়া জুড়েই তার নাম ডাক। সময়ের কাজ সময়ে শেষ করে দেওয়া সহ অন্যান্য অনেক কিছু কাজে তার বেশ ভালো দক্ষতা। বিভিন্ন স্থানে তার আবার বেশ ভালো খাতির থাকাতেও তার কাজের অভাব হয় না। এমনি একটা কাজে হাত দিয়েছেন নুর সাহেব প্রবাসী মাহফুজ সাহেবের একতলা একটা বাড়ী নির্মানের কাজ শান্তিবাগ আবাসিক এলাকাতে। মাহফুজ সাহেব লোকটাও একটু বিদঘুটে স্বভাবের, সব কিছুতেই লোকটার কন্ট্রাক্ট বা টেন্ডার টাইপ। নুর সাহেবের বেলাতেও একই। মাহফুজ সাহেব আসবেন তাই এই বাড়ীটা বানাতে হবে। নুর সাহেব সব কাগজপত্র সরকারী অফিস থেকে ছাড়িয়ে নিলেন তার খাতিরদারীর প্রভাবে। বাড়ী বানানো চলছে কিন্তু কাজ এগুতে পারছেন রাজনৈতিক ঝামেলার কারণে। ইদানিং বেড়ালের মুত্র বিসর্জন নিয়েও হরতাল,অবরোধ ইত্যাদি ডেকে বসে থাকে রাজনৈতিক দলগুলো তাই তার কাজ এগুতে পারছে না। কিন্তু এদিকে মাহফুজ সাহেবেরও আসার সময় হয়ে গেলো, তাই নুর সাহেব খুব তড়িঘড়ি করতে লাগলেন এই কাজে, সাধারনত তিনি নিজে থেকে খুব একটা কাজ করেন না। যা করার উনার সহকারীরা করেন কিন্তু এখানে উনি নিজেই কাজটি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সকালে উঠেই জানতে পারলেন সামনের সপ্তাহে টানা হরতাল। শুনেই মাথায় বাজ পড়ার দশা। দেরী না করেই বালু মহালে ফোন দিলেন দু ট্রাক বালু যেন আর্জেন্ট পাঠানো হয়। বালুমহালের ম্যানেজার দেরী করলেন না, আরেকজনের জন্য বোঝাই করা বালু পাঠিয়ে দিলেন নূর সাহেবের জন্য, কেননা নুর সাহেবের সাথে ভালোই খাতির আছে ম্যানেজারের। অনেকক্ষন পর মনে পড়লো ম্যানেজারের যে কোন চালান বা কিছুই দেয়া হয় নাই ড্রাইভারকে, একটু ভড়কে গেলেন যদিও কিন্তু পরমুহুর্তেই হেসে উঠলেন এই ভেবে যে নুর সাহেবের জিনিস ঠিকই ম্যানেজ করে নিবেন।

গল্প তিনঃ-
তরুণ সাংবাদিক আতিক সাহেব। অনেকদিন থেকেই তার ইচ্ছা ছিলো সাংবাদিক হবেন। তাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে উচ্চতর ডিগ্রী নিয়ে যোগ দিলেন দেশের খ্যাতনামা সংবাদ প্রতিষ্ঠান মতিকন্ঠে। শুরুতেই তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলো ক্রাইম রিপোর্টিং-এর। শুরুতেই এমন দায়িত্ব পেয়ে খুব খেটে খুটে কাজ করছেন তিনি। সকালে তার উর্ধ্বতন তাকে বেপারীপাড়া এলাকা সন্ত্রাস,মাদক ইত্যাদি নিয়ে একটা রিপোর্ট তৈরী করতে এসাইনমেন্ট দিলেন। এসাইনমেন্ট নিয়ে পুরোদিন গোয়ান্দাদের মতই খেটেখুটে কাজ করেছেন ঐ এলাকাতে। সন্ধ্যার দিকে কাজ থামিয়ে অফিসের উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন পথিমধ্যে এক্সেস রোডের মুখে জয়নালের দোকানে বসলেন নাস্তা করবার জন্য।

গল্প চারঃ-
তরুণ রাজনীতিবিদ সুমিত। অল্পবয়সেই রাজনীতিতে নেমে ভালোই নাম কামিয়েছেন তিনি। গেল নির্বাচনে পর পর চারবার নির্বাচিত আশফাক সাহেবকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন প্রথমবারেই। এলাকার সকলেই তাকে খুব পছন্দ করেন, সবসময় এলাকাবাসীর ডাকে এগিয়ে যান। কিন্তু আশফাক সাহেব কিনবা তার সমর্থকরা কিছুতেই সুমিত সাহেবকে মানতে পারছেন না। সবসময়ই বসে থাকেন সুমিত সাহেবের খুঁত বের করতে মাঝে মধ্যে মিলেও যায়। গত তিনটি বছর এরকমভাবে অনেক খুঁত পেয়েছেন আশফাক সাহেব ও তার দল আর তা প্রতিহত করেই আসছে সুমিত সাহেব।
সুমিত সাহেব এলাকার কাউন্সিলর হওয়াতে তার সাথে সকলেরই কম বেশী সম্পর্ক রাখতে হয়।

বালুমহাল হলো সেই কতদুরে… সেখান থেকে ট্রাক চালিয়ে আসছে মানিক। রাস্তায় জ্যাম-ট্যাম পেরিয়ে আসতে আসতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গেলো। পথে কোনই আপদ হয় নাই আর তার পিছেই রমিজের গাড়ীটা। বাদামতল মোড় থেকে একটু তাড়াতাড়িই ঢুকল এক্সেস রোড বরাবর, একে সন্ধ্যার জ্যাম তার উপর কাগজপাতি নেই তার। সজোরে যখন চালিয়ে আসছে তখনই ট্রাফিক মফিজ মিয়া হাত উঁচায়ে সিগন্যাল দিলো থামাতে। হাত দেখেই ট্রাক থামালো মানিক।
“কি রে ব্যাডা হাত দেখরে না? এইচ্চা করি টেরাক চালরে কিল্যাই? ডলি দিবিনি কোনো? চাই কাগজ দেয়া!”
(কিরে ব্যাটা হাত দেখছিস না? এরকম করে ট্রাক চালাচ্ছিস কেন? পিসে দিবি নাকি কোনো? দেখি কাগজ দেখা!)

মানিক একটু মৃদু হেসে বললো “ ছার কজ তো আইজো হাতত ন ফাই, আর ম্যানেজারে কোনো কজ ন দে”
(স্যার কাগজতো এখনো হাতে পাই নাই, আর ম্যানেজার তো কোন কাগজ দেয় নাই)

মফিজ মিয়া রীতিমতো জ্বিন দেখার মতো চোখমুখের অবস্থা করে বলে উঠলেন
“কিয়া ক’রে তুই? কাগজ আনচ ছ? ওমা তুই লাইচেঞ্চ ছাড়া টেরাক চালরে? চাই গাড়ী খাড়া কর অম্মে! চিবাত ল, চিবাত ল….আহহহহ কথা কইচ্যা তুই টেরাক চিব্যাত ল”
(কি বলছিস তুই? কাগজ আনিস নাই? ওমা তুই লাইসেন্স ছাড়া ট্রাক চালাচ্ছিস? দেখি গাড়ী দাড় করা ঐদিকে! কোণায় নে, কোণায় নে….আহহহ কথা বলিস না তুই ট্রাক কোণায় নে)

ট্রাক যখন এমন করে বাক নিয়ে কোণার দিকে যাচ্ছিলো কিঞ্চিত খুশি মনেই আনিস সাহেব উঠে দাড়ালেন। তার উপর দুই দুই খানা ট্রাক, সুবিধামত হলে তো কথাই নেই। এদিকে আনিস সাহেবের সামনাসামনি বসেই নাস্তা করতে বসেছিলেন আতিক সাহেব আনিস সাহেব আর মফিজ মিয়ার কথা শুনেই নিজেকে প্রস্তুত করে নিলেন। মেঘ না চাইতেই বৃষ্টির মত এমন একটা রিপোর্ট করার সুযোগ তার হাতে এসে যখন পৌছেছে তখন কি ছাড়া যায়? পাগলেও তো ছাড়বে না। আনিস সাহেব এগিয়ে গেলেন আর তার পিছে পিছে আতিক সাহেব কিছুটা দুরত্বে। ক্যামেরা রেডী করে একটা নিরাপদ স্থানেই বসে পড়লেন।
আনিস সাহেব পৌছাতেই মানিক তার পা’ধরে কান্না জুড়ে দিলো, কিন্তু আনিস সাহেব একটু রাগান্বিত ভাব করে বললেন
“ঐ ব্যাডা তুই কান্দিস ক্যান? মাল কি তর? নাকি গাড়ী তর? দেহি তর মালিকের নাম্বার দে ব্যাডা”

নাম্বারের কাগজটা এগিয়ে দেয় মানিক যেখানে বালুমহালের ম্যানেজারের নাম্বার।
খানিক কথার পর আনিস সাহেব একটু তেঁতে গিয়েই বলে উঠলেন
“আরে ধুর মিয়া আপনে কথা বুঝেন না? কোন নুর-ফুর চেনার টাইম নাই! বুঝছেন, অহন তাড়াতাড়ি আসতে পারলে আসেন নাইলে গাড়ীসহ মাল পাডাইয়া দিতাছি থানাতে।”

এদিকে ম্যানেজার দেরী না করেই নুর সাহেবকে ফোন দিয়ে সব জানালেন, নুর সাহেব এরকম কেস আগেও অনেক ডিল করেছেন তাই দেরী না করেই ছুটলেন জায়গা বরাবর আর পুরনো অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি যা যা দরকার সাথে করেই নিয়ে গেলেন। পৌছেই আনিস সাহেবের সাথে হাসিমুখে কথা বার্তা সেরে নিলেন। তারপর দরদামে ব্যস্ত হলেন উভয়পক্ষেই। একপর্যায়ে এসে আনিস সাহেব বলে উঠলেন “শুনেন অত প্যাচাল করতে পারুম না,ম্যালা টাইম গ্যাছে গা, সাফ সাফ কইয়া দিতাছি দুই গাড়ী বাবদ আট হাজার হইলে তিনদিনের পারমিশন স্লিপ দিতাছি নাইলে গাড়ী সহ মাল থানায় যাইতাছে”
উপায়ন্ত না দেখে নুর সাহেব সাত হাজারে রাজী হতে অনুরোধ করলেন,
আনিস সাহেব বললেন “ঠিকাছে দেন দেন দেরী কইরেন না”

টাকা যখন হাত বদল হচ্ছে আতিক সাহেবও তখন ক্লিক করাতে ব্যস্ত।

এদিকে সুমিত সাহেব কর্ণফুলী শিশু পার্কের পাশেই একটা নতুন দোকান উদ্বোধন করে ফিরছিলেন পথেই নুর সাহেবকে দেখে দাঁড়িয়ে গেলেন। কুশল বিনিময় চলাকালে নুর সাহেব আর আনিস সাহেবকে সাথে করে আনা উদ্বোধনী দোকানের নাস্তার প্যাকেট থেকে দুটো মোজো দিলেন।

এমন সময় নুর সাহেবকে সুমিত সাহেব বললেন “কি নুর সাহেব আমার কিছু পাওনা ছিলো মনে হয় সেটা কি ভুলে গেছেন?”
লজ্জা পাওয়ার মতো করে জিহ্বাতে দাঁত কেটে নুর সাহেব বললেন “সুমিত ভাই বড্ড বেশী ভুল অই গ্যাছে কিছু মনে কইরেন না” বলেই সুমিত সাহেবের হাতে করমর্দনের ভান করে গুজে দিলেন পাওনা টাকা। আতিক সাহেব দূরে দাঁড়িয়ে ক্লিক করতে ভুলছেন না।
সব কিছু শেষ করে নুর সাহেবকে নিয়েই সামনে এগিয়ে চললেন সুমিত সাহেব। আনিস সাহেব খুশি মনে বাসার দিকে গেলেন। আতিক সাহেব সব কিছু নিয়ে অফিসে ছুটলেন।

সকালে পত্রিকাতে বড় বড় হেডিং এ ছবি সমেত সব ছাপা হলো, আশফাক সাহেব সবকিছু পেয়ে তার দলবলসহ নেমে পড়লেন। চারিদিকে সুমিত সাহেবের বিরুদ্ধে ছি ছি রব উঠলো। আনিস সাহেবকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো যদিও কিন্তু তিনি জানেন কিভাবে ম্যানেজ করে নিতে হবে। আর নুর সাহেব তো ব্যস্ত তার কাজ নিয়ে এসব নিয়ে ভাববার সময় নাই তার। এদিকে পুরো অফিস জুড়ে আতিক সাহেব এখন হিরো।

(ডিস্ক্লেইমারঃ- সকল চরিত্র কাল্পনিক, কেউ যদি কোন মিল খুঁজে পান তাহলে লেখক বা ইস্টিশন দায়ী থাকবে না। ইহা একটি শিক্ষামূলক পোস্ট)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১২ thoughts on “দূর্নীতি নামা এবং মাইঙ্কা চিপা

  1. একটা ট্রাফিক পুলিশরে ধরার
    একটা ট্রাফিক পুলিশরে ধরার জন্য তোমার এত আয়োজন? আমি তো ভাবছিলাম, শেষ পর্যন্ত কন্ট্রাক্টরই সাইজ হইব। 😀 😀 😀

    গফ ভালা অইছে 😀 😀 😀

  2. তরুণ রাজনীতিবিদ সুমিত।

    তরুণ রাজনীতিবিদ সুমিত। অল্পবয়সেই রাজনীতিতে নেমে ভালোই নাম কামিয়েছেন তিনি।

    :বিষয়ডাকী: :বিষয়ডাকী: :বিষয়ডাকী: :বিষয়ডাকী:

  3. প্রথম কথা হইল দুই ট্রাক বালির
    প্রথম কথা হইল দুই ট্রাক বালির দাম কত? বালির দামের সমান ঘুষের ট্যাকা হয়ে গেল না? গল্পের টুইস্ট বড়ই ভজঘটে টাইপের হয়ে গেছে। তবে নিজেকে ক্লিক করার পদ্ধতিটা ব্লগস্ফিয়ারে বড়ই সেকেলে। নতুন কোন পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত ছিল। গল্পে টুইস্ট উপস্থাপন করার পদ্ধতিটা ভাল ছিল, আরো দক্ষ হতে হবে। চর্চা করলে এসে যাবে। গল্পে ব্যবসায়ীকে বড় অপরাধী বানানোর প্রবণতা সাকিব খানের মুভির জন্য মানায়।

    সর্বপরি ইহা একটি রাজনৈতিক প্রচেষ্টা টাইপের গল্প লিখার প্রয়াস। ধীরে ধীরে সব কিছুতেই সুমিতরা দক্ষ হয়ে উঠবেই। 😀

    1. প্রথম কথা হইল দুই ট্রাক বালির

      প্রথম কথা হইল দুই ট্রাক বালির দাম কত? বালির দামের সমান ঘুষের ট্যাকা হয়ে গেল না?

      ভাই যখন কোন অবৈধ কামে ধরা পড়ে কিনবা ধরা হয় তখন কি আর জিনিসের হিসাবে জরিমানা হয়?

      নিজেরে ক্লিক করতাম চাই নাই, কিন্তু এখানে আমার মত ইন্নোসেন্ট কাউরেই পাইলাম না তাই না পারতে নিজের নাম ব্যবহার। তবে নাম ব্যবহার করে নিজেরে জাহির করতে চাই নাই, কিন্তু আপনারা সকলেই মিলে আবারো প্রমান করে দিলেন আমি আসলেই ইন্নোসেন্ট।

      ধাক্কা খাইতে খাইতে পাক্কা হমু আপনেরা আছেন না :মুগ্ধৈছি: :মুগ্ধৈছি: :মুগ্ধৈছি:

      কি আর করা গল্প মার্কেটে খাওয়াতেই সাকিব খান ইস্টাইল করা লাগলো, জানেন তো ট্রাশ সেলস।

      জীবনটাই যেখানে রাজনীতি সেখানেতো গল্প লেখার সময় সেই প্রয়াসটা হইবে।

  4. হায় আপসোস সবাই এইটারে তামাশা
    হায় আপসোস সবাই এইটারে তামাশা গল্প ভাইবা নিলো, কিন্তু আসলে আমি গল্পের ছলে বুঝাইতাম চাইছি যে দূর্নীতির জন্য এককভাবে মন্ত্রী/কামলারা দায়ী নয়। তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু হয় সেটি সুযোগ করে দেওয়ার কারণে।
    আমরা যদি আমাদের কাজগুলো নিয়মমাফিক করি তাহলে কি দূর্নীতি করা যায়?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

8 + 1 =