শেষ নিমন্ত্রণ (১ বছর পর) # ১ম পর্ব

চিবুকে হাত দিয়ে ফয়সাল বসে আছে তার চেয়ারে। উত্তরা থানায় কর্মরত বাংলাদেশ পুলিশের এই সাব-ইন্সপেক্টর এই মুহূর্তে বেশ চিন্তিত। তার সামনে আজকের দৈনিক পত্রিকা খোলা। প্রথম পাতায় হেডলাইনের নিচেই বেশ বড় করে একটা খবর ছাপা হয়েছে। একবার পড়া হয়েছে। তারপরও আরেকবার সেটা পড়বার জন্য পত্রিকাটা হাতে নিল ফয়সাল।

১ বছরেও সুরাহা হয় নি ৪ সাইকিয়াট্রিস্টের নিখোঁজ রহস্য। পুলিশ নির্বিকার।

নিজস্ব প্রতিবেদক

এক বছর পার হয়ে গেছে কিন্তু এখনও আমরা জানি না দেশের সেরা ৪ সাইকিয়াট্রিস্ট বেঁচে আছেন কি না। যদি বেঁচেই থাকেন তবে কোথায় আছেন তারা। গত ১ বছরে নিখোঁজ হয়েছেন ডাঃ রিপন মজুমদার, ডাঃ নওশাদ হক, ডাঃ নূর নবী দুলাল এবং ডাঃ আশফাক রুমন। কোন সূত্র না রেখেই স্রেফ হাওয়া হয়ে গেছেন তারা। কারও কাছ থেকেই তাঁদের কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ডাঃ রিপন, ডাঃ নওশাদ এবং ডাঃ দুলালের নিকটাত্মীয় কাউকেই পাওয়া যায় নি। স্ত্রীদের মৃত্যুর পর তারা একা একাই থাকতেন। ডাঃ আশফাক এর স্ত্রী এবং সন্তানরা দেশের বাইরে থাকেন তাই তিনি ঢাকায় একাই থাকতেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এদের কাউকেই গত এক বছরে দেশের বাইরেও দেখা যায় নি। বিমান কত্রিপক্ষও সেটা নিশ্চিত করেছে। এতে জনমনে যেমন অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে তেমনি সাইকিয়াট্রিস্ট মহলেও সৃষ্টি হয়েছে আতংকের। এই নিখোঁজ রহস্য ভেদ করে জনমনে সৃষ্ট আতঙ্ক দূর করার দায়িত্ব যাদের, সেই পুলিশ বাহিনী কিন্তু এ ব্যাপারে একদমই নির্বিকার। নিখোঁজ ৪ ডাক্তারের ৩ জনই যেহেতু উত্তরায় থাকতেন তাই আমরা এ ব্যাপারে কথা বলেছিলাম এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা থানার সাব-ইন্সপেক্টর জনাব আলিমুল ফয়সাল এর সাথে। কিন্তু তিনি মুখ খুলেননি এ ব্যাপারে। শুধু বলেছেন তদন্তের স্বার্থে কিছুই বলা যাবে না। আমরা জানতে চাই যে আর কতদিন পার হলে, আর কতজন সাইকিয়াট্রিস্ট নিখোঁজ হলে তাঁদের তদন্ত শেষ হবে? তার আগে চলুন আমরা জেনে নেই নিখোঁজ ৪ ডাক্তারের ব্যাপারে…………

এরপর ৪ ডাক্তারের জীবনবৃত্তান্ত দেওয়া আছে। ফয়সাল পত্রিকাটা রেখে দিল। পত্রিকার সাংবাদিকদের নিয়ে এই এক ঝামেলা। কোন একটা ইস্যু পেলে হয়, একদম ঝাপিয়ে পড়ে। আর সেই ইস্যুতে যদি পুলিশের কোন সম্পৃক্ততা থাকে তাহলে তো সোনায় সোহাগা। পত্রিকার কাটতি বাড়াতে হলে পুলিশদেরকে গালি দেওয়া ছাড়া যেন আর কোন উপায় নেই। যত্তসব হলুদ সাংবাদিকতা।

সিগারেটটা ধরিয়ে দুইটা টান দিতেই বিরক্তিতে মুখটা কুঁচকে গেল ফয়সালের। সে কখনও বেনসন লাইট খায় না এটা তো জামানের জানবার কথা। তারপরেও যে কেন একই ভুল করে বারবার। এই কনস্টেবলকে নিয়ে হয়েছে যত যন্ত্রণা। নতুন জয়েন করেছে এই থানায় তাই সিস্টেম এখনও শিখে উঠতে পারে নি। এমনিতে তাঁকে সিগারেট খুব একটা কিনতে হয় না। থানায় পুলিশের শুভাকাঙ্ক্ষীদের কোন অভাব নেই। যারাই আসে নিদেনপক্ষে এক প্যাকেট বেনসন নিয়েই আসে।
ভাবতে ভাবতেই জামান এসে উপস্থিত।

“স্যার, মিডিয়া থেকে লোক এসেছে। আপনার সাথে কথা বলতে চায়।“
“কোন চ্যানেল আর কি বিষয়ে কথা বলতে চায়?”
“চ্যানেল ৭৭। সওই যে ডাক্তারদের ব্যাপারে আজকে পত্রিকায় যেই রিপোর্ট বেরিয়েছে সেটা নিয়ে কথা বলতে চায়।“
“কি সব ঝামেলা বল তো? এখন যদি কথা না বলি তাহলেও বিপদ। রঙ চড়িয়ে উপস্থাপন করবে। কথা বললেও বিপদ। কেন নিখোঁজ রহস্য উদঘাটন করতে পারছি না সেটা নিয়ে ধরবে। বুঝলে জামান, পুলিশের জীবনটা আসলেও একটা দিল্লীকা লাড্ডু। খেলেও পস্তাবে, না খেলেও পস্তাবে। যাও, নিয়ে এস সাংবাদিককে। দাঁড়াও ৫ মিনিট পর ডাক। আমি একটু ফ্রেশ হয়ে আসি। আর শোন, তুমি জান যে আমি বেনসন লাইট খাই না তারপরেও কিন্তু সেটাই এনেছ। নেক্সট টাইম এই ভুলটা করবে না। ওকে?“

*****
ফয়সাল যখন খুব মনোযোগ দিয়ে কিছু ভাবে তখন নাকি তাঁকে দেখতে সত্যজিৎ রায়ের মত লাগে। এটা নিসার কথা। সত্যজিৎ রায় নিসার ফেভারিট মুভি ডিরেক্টর। এত মুভি দেখতে পারে মেয়েটা। দুই মাস হল নিসার সাথে ফয়সালের বিয়ে হয়েছে। আগে থেকে তাঁদের পরিচয় ছিল না। নিসাকে প্রথম দেখে ফয়সাল মাস তিনেক আগে। ডাঃ আশফাক রুমন নিখোঁজ হওয়ার পর কেসটার দায়িত্ব আসে ফয়সালের কাছে। উত্তরায় ডাঃ আশফাকের বাসায় গিয়েছিল সে তদন্ত করতে। সেখানেই সে প্রথমবারের মত নিসাকে দেখে। নিসা ছিল ডাঃ আশফাকের সহকারী। Love at first sight যাকে বলে, নিসাকে দেখে ফয়সালের ঠিক তাই হয়েছিল। বেচারির মা–বাবা নেই। ডাঃ আশফাকের বাসায়ই থাকতো। ডাঃ আশফাক চেম্বার করতেন বাসায়। যেদিন ঘটনা ঘটে সেদিন নিসা ঢাকার বাইরে ছিল। ডাঃ আশফাকই তাঁকে একদিনের জন্য বগুড়া পাঠিয়েছিলেন। আসার পর থেকে আর ডাঃ আশফাককে সে দেখে নি। খুব মুষড়ে পড়েছিল। ফয়সালের সাথে পরিচয় হওয়াতে মেয়েটা যেন বেঁচে যায়। ১ মাসের মাথায়ই পরিচয়টা পরিণয়ে রুপ নেয়। ফয়সালের নিজেরও কেউ নেই এই দুনিয়াতে। ভীষণ একাকী জীবনে নিসা এসেছে আশীর্বাদ হয়ে। কারও অতীত নিয়ে ঘাটাঘাটি করা ফয়সালের স্বভাবে নেই। তাই নিসার সাথে সংসার করতে তার কোন সমস্যা হচ্ছে না। মেয়েটা তাঁকে খুব ভালোবাসে। এই পরিমান ভালবাসার জন্য খুব সহজেই একটা জীবন বিসর্জন দিয়ে দেয়া যায়।

ধুর, শুধু বউ এর চিন্তা। মাথা ঝাঁকিয়ে আবার কাজে মনোনিবেশ করল ফয়সাল। এই কেসটা তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোন কাজে হাল ছাড়ার অভ্যাস তার নেই। গত তিনমাস ধরে এই কেইস নিয়ে সে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছে। কিছু ক্লুও যে পায় নি তা নয়। আচ্ছা ঘটনাগুলো এক এক করে সাজানো যাক।

ঠিক এক বছর আগে ডাঃ রিপন মজুমদার নিখোঁজ হন। তার ৩ মাস পর নিখোঁজ হন ডাঃ নওশাদ হক। তার তিন মাস পর ডাঃ নূর নবী দুলাল এবং তারও তিন মাস পর সর্বশেষ নিখোঁজ হন ডাঃ আশফাক রুমন। ফয়সাল নিশ্চিত প্রতিটা নিখোঁজের ঘটনাই পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। প্রতি ৩ মাস পরপর একজন ডাক্তার নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজের প্যাটার্ন দেখেই বোঝা যায় এর পিছনে কোন একটা দলের হাত আছে যারা নির্দিষ্ট কাউকে টার্গেট করে সময় নিয়ে প্ল্যান করে তাঁকে গায়েব করে দেয় এবং সেটা করে ঠিক ৩ মাস পর পর। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে ফয়সাল জানে এই ধরণের দলগুলোকে ধরা খুব কঠিন। এদেরকে ধরতে হলে পরবর্তী ঘটনা ঘটানোর আগে ধরতে হবে। ক্যালকুলেশন অনুযায়ী পরবর্তী নিখোঁজের ঘটনা ঘটবে এই মাসেই। কারণ ডাঃ আশফাক নিখোঁজ হওয়ার পর ৩ মাস পার হয়েছে সম্প্রতি। যারাই এই নিখোঁজের ঘটনার সাথে জড়িত তারা ইতোমধ্যেই নতুন টার্গেট ঠিক করে প্রস্তুতিও নিয়ে নিয়েছে নিশ্চই।

এখন আসা যাক পরবর্তী টার্গেট কোথায় হতে পারে। ডাঃ রিপন, ডাঃ দুলাল এবং ডাঃ আশফাক নিখোঁজ হয়েছেন উত্তরা থেকে। তাঁদের বাসা এবং চেম্বার উত্তরায়। ডাঃ নওশাদ ব্যাতিক্রম। বিপত্নিক এই ডাক্তারের বাসা ইস্কাটনে কিন্তু তাঁকে শেষবার যখন দেখা যায় তখন তিনি সিএনজি করে উত্তরায় যাচ্ছিলেন। ইস্কাটনে নিজের বাসার নিচে যখন তিনি সিএনজি ঠিক করেন তখন সেটা পাশের দোকানের ছেলেটা শুনতে পায়। নিজের গাড়ি থাকা সত্ত্বেও কেন তিনি সেদিন সিএনজি ভাড়া করেছিলেন সেটা একটা রহস্য। এরপর থেকেই আর তাঁকে দেখা যায় নি। স্রেফ হাওয়ায় উড়ে গিয়েছেন। সবগুলো নিখোঁজের ঘটনাই উত্তরায় ঘটেছে। তার মানে পরবর্তী ঘটনাও উত্তরায় ঘটার সম্ভাবনাই সবথেকে বেশি।

এবার আসা যাক পরবর্তী টার্গেট কে হতে পারে?

মোবাইলের রিংটোনের শব্দে ফয়সালের মনোযোগ কেটে গেল। খুব গভীরভাবে চিন্তা করার সময় কেউ যদি তাঁকে ফোন করে তাহলে সে খুব বিরক্ত হয়। কেবল একজনের ক্ষেত্রেই বিরক্তি আসে না বরং মনটা আরও ভালো হয়ে যায়। ফোনটা হাতে নিয়েই ফয়সালের মনটা ভাল হয়ে গেল। সেই বিশেষ ব্যক্তিই ফোন করেছে,

“টুলটুলি কি খবর?”
“টুশটুশ, তুমি কি আজ একটু দ্রুত আসতে পারবে বাসায়? তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে।“
“কি সারপ্রাইজ বলে ফেল। খুব ব্যস্ত আছি ডাক্তারদের কেসটা নিয়ে। আজকে ইনভেস্টিগেশনে বের হব।“
“আচ্ছা, যেখানেই যাও একটু দ্রুত চলে আসবে। তুমি ভাবতেই পারবে না তোমার জন্য কত চমৎকার একটা খবর নিয়ে আমি বসে আছি।“
“দেখ, তুমি জান এই ব্যাপারগুলোতে আমি বিরক্ত হই। বলতে না চাইলে একবারেই বলবে না। এইরকম রহস্য করার তো কোন মানে হয় না।“
“তুমি বিরক্ত হও বলেই তো আমি বিরক্ত করি। আচ্ছা যাও, তোমার আসার দরকার নাই। আজ বাসায়ই এসো না। কাজ নিয়ে পড়ে থাক। বাই।“

ওইপাশ থেকে ফোনটা কেটে গেল। নিসার সবই ভালো, মেজাজটা একটু হট এই যা। হুট করে রেগে যায় আবার রাগ ঠাণ্ডা হতেও সময় লাগে না। ফয়সালের খারাপ লাগে না। এই ব্যাপারগুলো আছে বলেই মনে হয় সংসার জীবনটা এত আনন্দময়। এই যেমন নিসা তাঁকে ডাকে টুশটুশ আর সে নিসাকে ডাকে টুলটুলি। এই ধরণের ছেলেমানুষি মনে হয় সব স্বামী-স্ত্রী ই করে। নাহ, জীবনটা সত্যিই সুন্দর যদি এমন একটা বউ জুটে কপালে। ফয়সাল জানে নিসার রাগ কিভাবে ভাঙ্গাতে হবে। হুমায়ূন আহমেদের একটা বই, ক্রিস্টোফার নোলানের একটা মুভির ডিভিডি আর একগুচ্ছ হলুদ গাঁদা ফুল নিয়ে গেলেই হবে। রাগ পানি। এতো ফুল থাকতে মেয়েটা যে এত গাঁদা ফুল পছন্দ করে কেন কে জানে?

আবার আগের চিন্তায় মন দিল ফয়সাল। যেই ৪ জন ডাক্তার নিখোঁজ হয়েছেন তারা সবাই ছিলেন সাইকিয়াট্রিস্ট। অপরাধী ব্যক্তি বা দল যদি তার স্ট্র্যাটেজি না বদলায় তাহলে পরবর্তী টার্গেটও একজন সাইকিয়াট্রিস্টই হবেন। আবার যে কোন সাইকিয়াট্রিস্ট টার্গেট হবেন না। টার্গেট হতে হলে তাঁকে অবশ্যই একা একা থাকতে হবে। কারণ এর আগে যেই ৪ জন নিখোঁজ হয়েছেন তারা হয় বিপত্নীক ছিলেন অথবা তাঁদের পরিবারের সদস্যরা দেশের বাইরে থাকতেন।

সবকিছু বিবেচনা করে এই এই উপসংহারে পৌঁছান যায় –

১. পরবর্তী নিখোঁজের ঘটনা ঘটবে উত্তরায়।
২. টার্গেট একজন সাইকিয়াট্রিস্টই হবেন।
৩. ব্যক্তি জীবনে ওই সাইকিয়াট্রিস্ট ঢাকায় একা একাই বসবাস করবেন।
৪. এবং নিখোঁজের ঘটনাটা ঘটবে এই মাসেই।

চিরকুটটা অনেকক্ষণ ধরেই টেবিলে পড়ে আছে। এতক্ষণ সেটা দেখার সময় পায় নি ফয়সাল। জামানকে সে একটা কাজ দিয়েছিল। উপরের ৪ টা পয়েন্ট এর সাথে যায় এমন কোন ডাক্তার এই মুহূর্তে উত্তরায় আছেন কি না। সহজ কথায় নেক্সট টার্গেট কে সেটা বের করা। জামানের চিরকুটে একটা নামই লেখা।

ডাঃ আতিকুল হক
প্রফেসর
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ
উইমেনস মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল
উত্তরা, ঢাকা

বাসার ঠিকানাঃ
বাড়ি নং-৩২, রোড নং-১১
সেক্টর-৪
উত্তরা, ঢাকা

হুম, তার মানে ইনিই নেক্সট টার্গেট। নজর রাখতে হবে। আজকেই একবার যাবে বলে সিদ্ধান্ত নিল ফয়সাল। বেশি দেরী করলে ডাঃ আতিকও যে কোন দিন হাওয়া হয়ে যেতে পারেন। চেয়ার থেকে উঠল ফয়সাল। যেই কাজ এখনই করে ফেলা যায় সেটা ফেলে রাখার কোন মানে হয় না।

“জামান, গাড়ি বের কর। চল, ডাক্তার সাহেবের চেম্বার থেকে একটা চক্কর দিয়ে আসি।“
(…….চলবে)

শেষ নিমন্ত্রণ (মূল গল্প)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৯ thoughts on “শেষ নিমন্ত্রণ (১ বছর পর) # ১ম পর্ব

  1. চরম একটা সাইকো গল্প। শেষ
    চরম একটা সাইকো গল্প। শেষ নিমন্ত্রনের প্রথম অংশ পড়ে এতই অভিভুত হয়েছিলাম, তাৎক্ষণিকভাবে গল্পটি নিয়ে একটা টেলিফ্লিম করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু সময়াভাবে আর কাজটি করা হয়নি। এই গল্পটি আরো চমৎকার হয়েছে। বাংলা সাহিত্যে সাইকো গল্প বা উপন্যাসের দারিদ্রতা লক্ষনীয়। গল্পটি ঘাটতি কিছুটা পুরণ করেছে বলেই মনে করছি।

  2. প্রথম কথা হিট লিস্টে নাম দেখে
    প্রথম কথা হিট লিস্টে নাম দেখে ডরাইছি। :চিন্তায়আছি:
    বাকী মন্তব্য পরে দিবো, আগে শক হজম করে নেই। :ভালাপাইছি:

    1. হে হে, কাহিনীতে যে কি
      হে হে, কাহিনীতে যে কি ক্লাইম্যাক্স আছে সেটা কল্পনাও করতে পারবেন না এই মুহূর্তে। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নাই। আমি আপনার পাশে আছি না? :চোখমারা:

  3. অসাধারন!!! বাকী অংশ পড়ার জন্য
    অসাধারন!!! বাকী অংশ পড়ার জন্য আকুপাকু করছে মন। আমার আবার এই এক সমস্যা, কিছু পড়তে ধরলে মাঝপথে থামতে হলে অস্থির লাগে। শীঘ্রই বাকি অংশ পড়ার অপেক্ষায়… (শেষ নিমন্ত্রনের প্রথম অংশ পড়া নেই। লিঙ্ক প্লীজ)
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

    1. এই গল্পের নিচে মূল গল্পের
      এই গল্পের নিচে মূল গল্পের লিঙ্ক দেওয়া আছে। মূল গল্পটা আগে পড়ে নিন। তাহলেই বুঝতে পারবেন এই গল্পে সাইকো আর সাইকিয়াট্রিস্ট দুই ধরণের লোকই আছে। এই গল্পেও আছে। একটু ওয়েট করেন। এইটা তো মোটে ফার্স্ট পার্ট।

  4. ভাই সবই তো বুঝলাম।বাট নিসা
    ভাই সবই তো বুঝলাম।বাট নিসা নামে তো কাউরে চিনি না?নাম নিছেন,এখন যেমনে পারেন খুইজা দিবেন কইলাম।

    গল্প সুখাদ্য হইছে।ঝাল,লবন সব ঠিক আছে 😀

    1. হে হে, নায়ক বানায়া দিলাম
      হে হে, নায়ক বানায়া দিলাম এইটাই তো বেশি আবার নায়িকাও খুইজা দিতে কয়? বাঙালী আসলেও খ্রাফ, লাই দিলেই মাথায় উঠে। খুইজা দিতে পারুম না। মাজার জোর থাকলে নিজে খুইজ্জা লও। :মাথাঠুকি:

  5. হুম, তার মানে ইনিই নেক্সট

    হুম, তার মানে ইনিই নেক্সট টার্গেট। নজর রাখতে হবে। আজকেই একবার যাবে বলে সিদ্ধান্ত নিল ফয়সাল। বেশি দেরী করলে ডাঃ আতিকও যে কোন দিন হাওয়া হয়ে যেতে পারেন। চেয়ার থেকে উঠল ফয়সাল। যেই কাজ এখনই করে ফেলা যায় সেটা ফেলে রাখার কোন মানে হয় না।
    “জামান, গাড়ি বের করুন। চলুন, ডাক্তার সাহেবের চেম্বার থেকে একটা চক্কর দিয়ে আসি।

    অপেক্ষাতে রইলাম

  6. আপনার নন্দিনী আগেই পড়া ছিল ।
    আপনার নন্দিনী আগেই পড়া ছিল । তখন থেকে আপনার সাইকো গল্পের প্রমে পড়েছিলাম 🙂 পরের পর্বের জন্য লোভাতুর মুখে বসে আছি ।

  7. মন্তব্যগুলো পড়লাম। এখন ত অনেক
    মন্তব্যগুলো পড়লাম। এখন ত অনেক রাত তাই আর পড়লাম না। কালকে অফিসে গিয়ে পড়ে মন্তব্য করবোনে। আমি থ্রিলার আর সাইকো মুভির ফ্যান। সাইকো গল্প তাই আরাম করে পড়তে হবে। :নৃত্য:

  8. গল্প যে জমজমাট হচ্ছে সেটা
    গল্প যে জমজমাট হচ্ছে সেটা উপরের সবার মন্তব্য দেখেই বুঝা যায়। আমি ছোট্ট একটা অসঙ্গতি ধরিয়ে দেই। পুলিশের একজন এসআই একজন কনস্টেবলকে সাধারনত “আপনি” করে সম্বোধন করে না। আর এর আগের সবাই সাইকিয়াট্রিস্ট ছিলেন, কিন্তু ডাঃ আতিকুল হক নিউরো সার্জন হয়েও ফাঁইসা যাচ্ছেন কেন বুঝলাম না। :ভাবতেছি:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

70 − 63 =