ভু-খন্ডের সংগ্রামঃ রংপুর কৃষক বিদ্রোহ

বছরখানেক আগে আইভিএস বিডি-র উদ্যোগে অধিকার ভিত্তিক একটি পাঁচদিনের কর্মশালায় অংশ নিয়েছিলাম। যেটিতে শুধুমাত্র এন.জি.ও-র প্রশিক্ষকগণ প্রশিক্ষন নিবেন আর এটির নাম টট- ট্রেইনিং অফ ট্রেইনার।

সেখানে অনেকগুলো আন্দোলন নিয়ে পাঁচদিন ব্যাপক পড়া পড়েছিলাম। অনেকদিন থেকেই ভাবছিলাম সেইসকল আন্দোলন,সংগ্রামের ইতিহাসগুলো একটু ঝালিয়ে নিবো পোস্ট দেওয়ার মাধ্যমে। দিব দিব করে দেওয়া হয়ে উঠে না, তবে আজ দিবই আর আশা করছি প্রত্যেক বৃহস্পতিবার রাতেই লিখব শুক্রবারের জন্য।

সেখানে পড়ে যতদুর এই গোবর মস্তিষ্কে ধারন করেছিলাম সেখান থেকে বলতে পারি এই উপমহাদেশের প্রথম দিককার বাসিন্দারা হলো সাঁওতালী আদিবাসীরা। পর্যায়ক্রমে আর্য আর অনার্যরা মিলে এখানে এসে দখল করে নেয় তাদের। এটি নিয়েও সাঁওতালীরা বিদ্রোহ করেছিল। তবে সেটি আগামী পর্বে লিখবো। এই পর্বে এই ভুখন্ডের সম্ভবত প্রথম আন্দোলন রংপুর কৃষক বিদ্রোহ নিয়ে লিখবো।
আমরা যেই নুরুলদীনের কথা বলি কবিতায় কিনবা সংগ্রামী বক্তব্যে সেই নুরুলদীন কিন্তু এই কৃষক বিদ্রোহের বিদ্রোহী।

এই উপমহাদেশ কৃষি নির্ভর একটি উপমহাদেশ। সাঁওতালীদের থেকেই এই উপমহাদেশে কৃষি ব্যবস্থা প্রচলিত, মূলতঃ তাদের থেকেই এই কৃষি ধারনা পাওয়া গিয়েছে।

ভারতবর্ষে মোঘলদের জয়-পরাজয় এবং শাসন এ ভু-খন্ডে বসবাসকারী মানুষের জীবন ব্যবস্থাকে সরাসরি প্রভাবিত করেছে। সেই আমল থেকেই এই উপমহাদেশে কর প্রথা চালু হয়ে আসছে। বাংলাদেশের কৃষকরা মোঘল শাসন আমলে কিনবা তার পূর্বে পাঠান,মারাঠি,তুর্কীদের সময়ে অপশাসন-শোষণ-উৎপীড়নের শিকার হয়নি তা কিন্তু না। তবে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর কাছে মোঘলরা পরাজিত হওয়ার পর শুরু হয় বহিরাগত ইংরেজদের শাসন। কৃষক-কারিগরদের উপর অন্যায্যতা-অত্যাচার-শোষন-উৎপীড়নে যোগ হয় নতুন মাত্রা। জমিদারী এবং সামন্তপ্রথা এ বাংলায় সবসময়েই ছিলো। কিন্তু ইংরেজদের আমলে পরিচালিত আইন দ্বারা জমিদারী প্রথাকে এমনভাবে সুরক্ষিত করা হয়েছিল যে তারা কৃষকদের রক্ত চোষার সুযোগ পেয়ে যায় আর যার ফলেই পরবর্তীতে এই জমিদারী প্রথা মানুষের নির্যাতনের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যায়।

১৭৭২ সালে লর্ড হেস্টিংস নিপীড়নের গোড়াপত্তন করেন একসালা বাঁ সুর্যাস্ত বিধানের মাধ্যমে ইজারা প্রতহা দিয়ে আর তার উত্তরসুরি লর্ড কর্ণওয়ালিশ ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথার মাধ্যমে কৃষকদের ভুমিদাসে পরিণত করেন।
দেখা গেছে যখনই অত্যাচার-শোষন-উৎপীড়ন সহ্যের মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছে তখনই মানুষ উপায়ন্ত না দেখে সংগ্রাম-বিদ্রোহের পথ বেছে নিয়েছে এক্ষেত্রে বাংলার কৃষকদের ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম ঘটেনি।
এই ভু-খন্ডে মুলত দুইটি কৃষক বিদ্রোহ বেশ উল্লেখযোগ্য, ১৭৮২-৮৩ এর বৃহত্তর রংপুর-দিনাজপুর জেলার “রংপুর কৃষক বিদ্রোহ” এবং তার নব্বই বছর পর ১৮৭২-৭৩ সালে সেসময়ের পাবনা জেলার “সিরাজগঞ্জ কৃষক বিদ্রোহ”

সেইসময়ের ইংরেজ শাসকদের লুন্ঠনের অংশীদার এবং গভর্ণর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসের প্রিয়পাত্র দেবী সিংহের অবর্ণনীয় শোষণ-উৎপীড়নের ফলে ১৭৮৩ সালে “রংপুর কৃষক বিদ্রোহ” হয়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৭৬৫ সালে মোঘল বাদশা শাহ্‌ আলমের কাছ থেকে বাংলা ও বিহারের দেওয়ানী গ্রহণ করার পর সমগ্র বঙ্গদেশ ও বিহারে এক অবর্ণনীয় অরাজকতা দেখা দেয়, আর এ নাশকতার ইন্ধন যোগায় ইংরেজ চাটুকার দেবী সিংহ।

বৈশ্য বংশে জন্মগ্রহনকারী এই দেবী সিংহ ছিলো চরম অত্যাচারী এক মানুষ। ভাগ্যান্বেষণে মুর্শিদাবাদ থেকে এসে ইংরেজ নায়েব দেওয়ান রেজা খাঁর কৃপায় প্রথমে পূর্ণিয়া পরগণার ইজারা এবং ঐ প্রদেশের শাসনভার গ্রহন করে। ক্ষমতা পেয়েই শুরু করে দেয় সে তার নির্যাতন, নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে অনেকেই সেসময়ে গ্রাম ছেড়ে জঙ্গলে পালিয়ে যেতে থাকলো এভাবে এক পর্যায়ে গ্রাম জনমানবশুন্য হয়ে পড়লো। যেখানে পূর্বে নয় লক্ষ টাকায় পূর্ণিয়ার ইজারা বন্দোবস্ত হত সেখানে সুফলার বছরেও ছয় লক্ষ টাকার অধিক টাকা রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়নি। অথচ সেই সময়েই ষোল লক্ষ টাকায় ইজারা নিয়েছিল দেবী সিংহ, যখন এভাবে কমতে থাকলো দেবীর অত্যাচার বাড়তেই লাগলো ফলে সেখানে শুরু হলো বিদ্রোহের হাওয়া। এই যখন অবস্থা তখন ইংরেজ সরকার ১৭৭২ সালে দেবী সিংহকে পদচ্যুত করা হয় কিন্তু দেবী সিংহ আবারো হেস্টিংসকে বশীভুত করে ফেলে এবং হেস্টিংস কয়েকজন অনভিজ্ঞ যুবককে দিয়ে একটি রেভিনিউ বোর্ড বানিয়ে সেই বোর্ডের সহকারী কোষাধক্ষ্য বানিয়ে দেয় দেবী সিংহকে। এখানেও দেবী এদের বশীভুত করে ফেলে নর্তকী দল দিয়ে। আর আবারো ক্ষমতা হাতে নিয়ে দেবী সিংহ নিজ নামে বেনামে বিভিন্ন স্থানের জমিদারীর ইজারা বন্দোবস্তের মাধ্যমে নিজের সম্পত্তি বাড়িয়ে নিতে থাকে। ইংরেজ সরকার আবারো ব্যবস্থা নেয় তার বিরুদ্ধে কিন্তু হেস্টিংসের দয়াতে বেঁচে গিয়ে দিনাজপুর অঞ্চলের নাবালক জমিদারের দেওয়ান নিযুক্ত হয় মাসিক এক হাজার টাকা বেতনে। এখানে এসে আবারো শুরু করে দেয় দেবী সিংহ। দেওয়ানী লাভের পরের বছরই রংপুর-দিনাজপুর পরগনার ইজারা বন্দোবস্ত করে নেয় এবং সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেয় “হরেরাম” নামক আরেক পিশাচকে। শুরু হয় দ্বৈত অত্যাচার আর নাশকতা, যেখান থেকে বাদ পড়েনি জমিদার,প্রজা,নারী,পুরুষ প্রভৃতি। ইজারা নিয়েই চাপিয়ে দেয় অবিশ্বাস্য রকমের কর, যে কর পরিশোধ সকলেরই শক্তি,সামর্থ্যের বাইরে। যার ফলে নামমাত্র মূল্যে জমি দখলে রত থাকে দেবী সিংহ। আর চাষীদের অবস্থা সম্পর্কে দেবী সিংহ নিজেই লিখেছেঃ-

“ ইহা অত্যন্ত বিড়ম্বনার বিষয় যে, বাংলার অন্যান্য স্থান অপেক্ষা রংপুর পরগনার কৃষকদের মধ্যেই অধিক অন্নকষ্ট দেখা যায়। শস্য কাটার সময় ব্যাতীত অন্য কোন সময়ে তাদের ঘরে কোনরুপ সম্পদ পাওয়া যায় না। কাজেই তাদেরকে অন্য সময়ে অতিকষ্টে আহারের উপায় করতে হয় এবং এই জন্য দুর্ভিক্ষে বহু সংখ্যক লোক কালকবলে পতিত হচ্ছে। মাটির পাত্র ও এক একখানি জীর্ণ কুটীর মাত্র তাদের সম্বল, এদের সহস্রখানি বিক্রয় করলেও দশটি টাকা পাওয়া যায় কিনা সন্দেহ।”

এভাবে অত্যাচার যখন সহ্যের মাত্রা ছাড়িয়ে অনেকদূর পৌঁছে গেছে, জর্জরিত শোষিতরা তখন দলবদ্ধভাবে জেগে উঠলো। দেবী সিংহের ভয়াবহ শোষণের বিরুদ্ধে কৃষক নেতা নুরুলউদ্দীনের নেতৃত্বে ১৭৮৩ সালে সশস্ত্র অভ্যুত্থান ঘটে যা “রংপুর কৃষক” বিদ্রোহ নামে পরিচিত। ১৭৮২ সালের শেষভাগে সমগ্র উত্তরবঙ্গব্যাপী কৃষকদের সভা-সমিতি হতে থাকে। বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকরা মিলে নুরুলউদ্দীনকে তাদের পরিচালক নির্বাচন করে “নবাব” উপাধি দেয়।

১৭৮৩ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম ভাগে সমগ্র রংপুর পরগণায় বিদ্রোহ আরম্ভ হয়। বিদ্রোহীরা দেবী সিংহের কর আদায়কারীদের বিতাড়ন করা শুরু করে। টেপা ও ফতেপুর চাকলায় বিদ্রোহ ভয়াবহ রুপ ধারণ করে। টেপা জমিদারীর নায়েব বিদ্রোহী দমনে বরকন্দাজ নিয়ে আসলে স্বয়ং নায়েব নিজেই নিহত হয়েছিল। ধীরে ধীরে তা পুরো ছড়িয়ে পড়ে, বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকরা নুরুলউদ্দীনের বাহিনীতে যোগ দিয়ে নিজ নিজ অঞ্চলে বিদ্রোহ শুরু করে দেয়। বিদ্রোহের ফলে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে দেবী সিংহ তৎকালীন রংপুরের কালেক্টর গুডল্যাডের স্মরণাপন্ন হয় আর বন্ধুত্বের খাতিরে দেবী সিংহকে বাঁচাতে গুডল্যাড অবিলম্বে কয়েকদল সিপাহী প্রেরণ করে। পরবর্তীতে লেফট্যানেন্ট ম্যাকডোনাল্ড উত্তর দিক থেকে এবং একজন সুবেদার দক্ষিন দিক থেকে সিপাহী বাহিনী নিয়ে হামলা শুরু করে কৃষকদের উপর। বিদ্রোহীরা শাসকের প্রধানঘাটি মোগলহাট বন্দরে আক্রমণ চালালে ঐ স্থানে উভয় পক্ষে ভীষণ যুদ্ধ হয়। আর সেই যুদ্ধে আহত অবস্থায় ইংরেজ বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে নুরুলউদ্দীন। নুরুলউদ্দীনকে নিয়ে বিদ্রোহীদের প্রধান ঘাঁটি পাটগ্রামে হামলা চালায় ম্যাকডোনাল্ড ১৭৮৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী ভোরে। আকস্মিক এই আক্রমনে দলে দলে নিহত এবং আহত হতে থাকে বিপ্লবীরা কেউ কেউ জীবন বাঁচাতে পালিয়ে যেতে থাকে আর এভাবেই “রংপুর কৃষক” বিদ্রোহের ইতি ঘটে।

এরপরপরই ইংরেজ শাসকদের পৈশাচিক তান্ডব শুরু হয় বাংলার কৃষকদের উপর।

(আজ চট্টলার বীর সন্তান, মাস্টারদা সূর্যসেনের ১১৯ তম জন্মদিন। এই লেখাটি তার স্মরণেই)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২৭ thoughts on “ভু-খন্ডের সংগ্রামঃ রংপুর কৃষক বিদ্রোহ

  1. চমৎকার একটা সিরিজ শুরু করলেন।
    চমৎকার একটা সিরিজ শুরু করলেন। নিজ ভূখণ্ডের সংগ্রামের ইতিহাস জানা প্রতিটি সচেতন নাগরিকের কর্তব্য। এক্ষেত্রে আপনার এই সিরিজ দারুন সহায়ক হবে। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    …… জাগো বাহে… কুনঠে সবাই……???

  2. চেষ্টা পরিপূর্ণতা নাও পেতে
    চেষ্টা পরিপূর্ণতা নাও পেতে পারে কিন্তু সফলতার দিকে তার গতিমুখ।একটা সংগ্রামী সিরিজ পেতে যাচ্ছি।
    ধন্যবাদ সুমিত ভাই।

  3. মতিন ভাইদের করা এই TOT
    মতিন ভাইদের করা এই TOT প্রোগ্রামের আমি একজন ট্রেইনার ছিলাম। চট্টগ্রাম বিভাগে নন্দিতা আপা এই কর্মসূচীর কো-অর্ডিনেটর ছিল। এই ট্রেনিংটি নিজেকে একজন প্রকৃত বাঙালী হিসাবে তৈরী করার জন্য দারুন একটা কর্মসূচী। এটা ইস্টিশনের যাত্রীদের জন্য ইচ্ছে করলে চালু করা যায়।

    প্রথম দিকে এটি ছিল ১০ দিনের ট্রেনিং। পরে সাতদিনে শর্ট করা হয়েছিল। এরপর ফান্ডের অভাবে পুরো ট্রেনিংটাকে পাঁচদিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস করা হয়েছিল। পুরো বাংলার সংগ্রামের ইতিহাসের উপর দক্ষতা অর্জন করা যায় এই ট্রেনিংটা করলে।

    যাক, চট্টগ্রামে আমার জানামতে প্রায় ৬০টি TOT হয়েছিল। প্রতি ব্যাচে ছিল ৩০ জন। এতদিন পর এটি কাজে আসল সুমিতের মাধ্যমে। সিরিজ চালিয়ে যাও। আমরা আমাদের ইতিহাস কতটুকুইবা জানি।

    1. সবচেয়ে মজার কথা ১২৩ তম
      সবচেয়ে মজার কথা ১২৩ তম ব্যাচের একজন ছিলাম আর সেখানে প্রশিক্ষক হিসেবে পেয়েছিলাম সিলেটের একটি এন.জি.ও এর পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আযাদ স্যারকে।
      উনাকে কখনোই ভুলবার নয়, যেমন বন্ধুসুলভ আচরন তেমনি তার ব্যবহার। সবথেকে বেশি ইন্সপায়ারিং যে বিষয়টা উনার মধ্যে ছিলো সেটি হলো “জয় বাংলা” বলার সময় উনার ভেতরে কেমন জানি একটা যৌবন ভাব এসে যেতো। উনি যতটা জোরে দিতে পারতেন অত জোরে ক্লাশের অনেকেই দিতে পারতো না।
      তবে শহীদুল ইসলাম (আই.ভি.এস) এর তথ্য মতে উনারা ২০০১ এর পরবর্তীতে এই কোর্স তেমন একটা চালু রাখতে পারেন নাই এবং এক পর্যায়ে গিয়ে সরকারী অসহযোগিতার কারণে বন্ধই করে দিতে হয়েছিল।
      হয়তো এখনো আমার কথা তাদের মনে থাকবে কেননা ১২৩ তম ব্যাচে এসেই তারা পুরো পাঁচদিন প্রোগ্রামের একটি স্লাইড শো প্রথমবারের মত আমার থেকেই পেয়েছিলেন এবং তারা সকলেই সেটি নিয়েছিলেন, সেই দৃষ্টি থেকেই আশা করছি তাদের সকলের কাছে হয়তো আজো পরিচিত থাকবো।

  4. ইশ জামাত-শিবির কেন
    ইশ :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: জামাত-শিবির কেন যে পদার্থ,রসায়ন নিয়ে মিথ্যা কথা বলে না :কানতেছি: :কানতেছি: :কানতেছি: আজকে যেইভাবে ইতিহাস পরি ঐ ভাবে এগুলাও পড়তে পাড়তাম। :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: আমার বিনীত অনুরোধ সাইদিকে যাতে সালফিউরিক এসিড এবং চৌম্বুক বা তড়িৎ মাঝে খুব তারা তারি দেখা যায়…প্লিস………

      1. মানেটা হল আগে আমরা ছিলাম
        মানেটা হল আগে আমরা ছিলাম প্রেম বিশ্বাসী।। আর এখন চেতনা…

        আমার মুল আগ্রহ শুরু হয় কিন্তু ওদের কমেডি কথা শুনার মাধ্যমে। এখন ৭১ আর ইসলাম ধর্ম নিয়ে যে কোন প্রশ্নের জবাব দিতে পারব…তাই যদি :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই:

  5. ধন্যবাদ পোস্টটির জন্য।
    ধন্যবাদ পোস্টটির জন্য। ‘রংপুরের চ্যাংড়া’ হিসেবে এই পোস্ট আমার জন্য অনেকটা শেকড় হাতড়ানোর মতো। চলুক।

  6. আমাদের পূর্ব পুরুষদের
    আমাদের পূর্ব পুরুষদের সংগ্রামী চেতনা আমাদের মাঝে সঞ্চারিত করতে এই সিরিজ অনন্য ভূমিকা পালন করুক।পোস্টদাতাকে ধন্যবাদ।পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

  7. ইস্টিশনে এসে দেশের অনেক অজানা
    ইস্টিশনে এসে দেশের অনেক অজানা ইতিহাস জানার সুয়োগ করে দেয়ার জন্য প্রথমে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ইস্টিশন মাষ্টারকে, অতঃপর এসব ঐতিহাসিক ঘটনাবলী পোস্ট লেখক ব্লগার ভাইদেরকে, বিশেষ করে সুমিত চৌধুরীর মত ব্লগারকে। আমি চৌধুরী সাহেবের সকল পোস্ট পড়ার চেষ্টা করে থাকি। অনেক ভাল লেখেন চালিয়ে যান আছি আপনার সাথে……থাকবো… জয় বাংলা……….

    1. ইস্টিশন মাষ্টারকে আমার
      ইস্টিশন মাষ্টারকে আমার ব্যক্তিপক্ষ থেকেও ধন্যবাদ এইরকম একটি প্ল্যাটফরম তৈরী করে দেবার জন্য। যাদের থেকে দেখে শিখেছি তাদেরকেও জানাই শ্রদ্ধা। জেনে অনেক ভালোলাগছে যে আপনি এই অধমের লেখা পড়েন।
      তবে চৌধুরী সাহেব বলে যে ট্যাগ দিলেন তাতে তো নিজেরে বাংলা সিনেমার চৌধুরী সাহেব ঠেকতাছে :হাসি: :হাসি: :হাসি:

  8. গিরামের মাইলতে শহরে যাইয়া হয়
    গিরামের মাইলতে শহরে যাইয়া হয় চৌধুরী। আমাগো সুমিত চৌধুরী কিন্তু রিয়েল চৌধুরী সাহেব :আমিকিন্তুচুপচাপ: :আমিকিন্তুচুপচাপ: :আমিকিন্তুচুপচাপ:

    1. আপনি কি আমারে বাংলা সিনেমার
      আপনি কি আমারে বাংলা সিনেমার চৌধুরী বানাইয়াই ছাড়বেন? তাইলে কইলাম আমিও পদক্ষেপ লইয়াম।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 40 = 43