একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম শহরের নির্যাতন কেন্দ্র ও বধ্যভূমি সমূহ

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাক বাহিনী অন্যান্য শহর গুলির মত দখল করে নেয় চট্টগ্রাম শহরও। তারা তাদের সৈন্যবাহিনী ও বাঙ্গালী দোসরদের সাথে হাত মিলিয়ে গড়ে তোলে বধ্যভুমি ও অত্যাচার কেন্দ্র। এখানে তেমনি খুজে পাওয়া বধ্যভুমি ও অত্যাচার কেন্দ্রগুলির তালিকা দেওয়া হল :
১। মহামায়া ডালিম ভবন(ডালিম হোটেল)
২। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ
৩। চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম
৪। চট্টগ্রাম সেনানিবাস
৫। গুডস হিল
৬। রেডিও ট্রান্সমিশন কালুরঘাট
৭। টাইগারপাস নৌহাঁটি
৮। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ
৯। নৌবিহার সদর দপ্তর পতেঙ্গা
১০। সার্সন রোডের পাহাড়ের বাংলো
১১। হোটেল টাওয়ার(জামাল খানের মোড়ে)
১২। হোটেল দেওয়ান(দেওয়ানহাটের মোড়ে ছিলো বর্তমানে নেই)
১৩।দেওয়ানহাট ফায়ার বিগ্রেড
১৪।আগ্রাবাদ ঢেবা ওয়াটার পাম্প
১৫। হালিশহর ই.পি.আর ক্যাম্পের উত্তর পূর্ব কোণেরওয়াপদা অফিস(বর্তমান শিশু পল্লীর পূর্ব পাশে)
১৬। মদুনাঘাট পাওয়ার স্টেশন
১৭। চন্দনপুরা রাজাকার ক্যাম্প
১৮। আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা বিদ্যুত্‍ সাব স্টেশন(পাইন ভিউর পাশে)
১৯। পাহাড়তলী সি.ডি.এ মার্কেট
২০। পাহাড়তলী হাজী ক্যাম্প
২১। বন্দর থানা সম্মুখস্থ আর্মি ক্যাম্প
২২। সীম্যানস হোস্টেল
২৩। বন্দরটিলা ক্রসিং
২৪। এক নম্বর জেটি বুকিং অফিস
২৫।সদরঘাট রাজাকার ক্যাম্প
২৬। পাকিস্তান বাজার(বর্তমানে বাংলা বাজার)
২৭। দক্ষিণ বাকলিয়া মিয়াখান নগর মোজাহের উলুম মাদ্রাসা
২৮।চর চাক্তাই নদী ও খালের পাড়
২৯।চট্টগ্রাম জেনারেল পোষ্ট অফিস
৩০।ওয়াজেদিয়া মাদ্রাসা
৩১।অক্সিজেন মোড় রাজাকার ক্যাম্প
৩২।ঈদগা রেডিও ষ্টোর ক্যাম্প
৩৩।আমবাগান রেলওয়ে ওয়ার্কসপ
৩৪। ঝাউতলা বিহারী কলোনী
৩৫। শের শাহ বিহারী কলোনী
৩৬। ফিরোজ শাহ কলোনী
৩৭। হালিশহর বিহারী কলোনী
৩৮। এয়ারপোর্ট সেনা ক্যাম্প
৩৯।হালিশহর সিভিল সাপ্লাই গোডাউন
৪০।দেওয়ানহাট সিভিল সাপ্লাই গোডাউন
৪১। বন্দর কলোনী স্টেডিয়াম ও ফায়ার স্টেশন
৪২।গোসাইলডাঙ্গা পেট্রোল পাম্প
৪৩। ডবলমুরিং নৌ বাহিনী ক্লাব
৪৪। ইস্টার্ণ রিফাইনারী ক্যাম্প
৪৫।চট্টগ্রাম ড্রাইডক ইয়ার্ডের পাশে পাকসেনা ক্যাম্প(কর্ণফুলি নদী সংলগ্ন)
৪৬।প্রবর্তক সংঘের বধ্যভুমি
৪৭।ফয়েস লেক(বর্তমান পশুখামার)
৪৮।লালখান বাজার পাহাড়
৪৯। দামপাড়া পুলিশ লাইন
৫০। ফিরোজ শাহ কলোনীর পাশের পাহাড়
৫১। কাট্টলী বঙ্গোপসাগরের পাড়
৫২। হালিশহর চৌধুরীপাড়া সাগরপাড়
৫৩। বর্তমান সীবিচের সামান্যউত্তরে
৫৪। পাকিস্তান বাজার কর্ণফুলির পাড়(বর্তমান বাংলাবাজার)
৫৫।ইষ্টার্ন কেবলস এর অভ্যন্তরে
৫৬।ড্রাইডক ইয়ার্ডের অভ্যন্তরে
৫৭।পতেঙ্গা বিমান বন্দরের সর্ব দক্ষিণে সাগর পাড়
৫৮।কাঠগড় নৌ বাহিনীর চেক পোষ্ট
৫৯। বন্দর টিলার সাগর পাড়ের পোড়া বাড়ি(বর্তমান ই.পি.জেড)
৬০। চট্টগ্রাম বন্দরের ১ থেকে ১৫নং জেটি
৬১। সদরঘাট ও মাঝির ঘাটের মাঝামাঝি লবণ ঘাটা
৬২। বাটালি পাহাড়ের রেলওয়ের বাংলো
৬৩।জেনারেল হাসপাতালের মর্গ
৬৪। হযরত গরীব উল্লাহ শাহের মাজার
৬৫। কালুরঘাট ব্রীজ সংলগ্ন স্থান
৬৬। পোর্ট কলোণীর পাশে রেল লাইন সংলগ্ন(বর্তমান রেলওয়ে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র)
৬৭। নাসিরাবাদের পাহাড়ী এলাকা
৬৮।শেরশাহ কলোণীর পূর্ব দিকের পাহাড়
৬৯।তুলসি ধাম
৭০।চৌচালা হালিশহর সাগর পাড়ের বধ্যভূমি
৭১। গোল্ডেন টোবাকোর পাহাড়ী বধ্যভুমি
৭২। কাট্টলী জাইল্যা পাড়া(বর্তমান বিভাগীয় স্টেডিয়াম)
৭৩।সি আর বি বধ্যভূমি
৭৪।মদুনাঘাট গৌরাঙ্গবাড়ী
৭৫।বর্তমান মহসিন কলেজ সংলগ্ন পাহাড়
৭৬। চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিংএর বধ্যভুমি
৭৭। আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ(সি এন্ড বি কলোনী)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭ thoughts on “একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম শহরের নির্যাতন কেন্দ্র ও বধ্যভূমি সমূহ

  1. ধন্যবাদ। এগুলির প্রায়
    ধন্যবাদ। এগুলির প্রায় সবগুলিরই বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। জানলে আশা করি পাবেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 7 = 3