মুহাম্মদের ছবি

ইসলামের নবী মুহাম্মদ পৃথিবীর ইতিহাসে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের একজন। স্বাভাবিকভাবেই মুহাম্মদের পক্ষে ও বিপক্ষে তার বহু রকম চিত্রায়ন হাজার বছর ধরে হয়ে আসছে। ইউরোপিয়দের মধ্যে ইতালির কবি দান্তে তার ডিভাইন কমেডিতে (১৩০৮-১৩২১) মুহাম্মদকে একজন পাপী হিসাবে চিত্রাইয়ত করেছেন যাকে আল্লাহ নরকে শাস্তি দিচ্ছেন।


ছবিঃ দান্তের ডিভাইন কমেডির দৃশ্য, মুহাম্মদ ও আলী নরকে নির্যাতিত হচ্ছেন।

মধ্যযুগীয় ইউরোপে মুহাম্মদ ও খ্রিষ্ঠান সন্যাসী বহিরা (সারগিয়াস) সম্বন্ধে একটি গল্প প্রচলিত ছিল। মুসলমানদের ইতিহাস অনুযায়ী মুহাম্মদের বাল্য বয়সে বহিরা তার নবুয়াত সম্বন্ধে ভবিষ্যতবানী করেছিলেন। ইউরোপে মধ্যযুগে যে গল্পটি প্রচলিত হয়েছিল সেই গল্প অনুযায়ি একদিন সারগিয়াসের সাথে আড্ডা দেয়ার সময় মুহাম্মদ অতিরিক্ত মদ্যপান করে মাতাল হয়ে ঘুমিয়ে পরেছিলেন। এই সুযোগে একজন সৈনিক সারগিয়াস’কে হত্যা করে রক্তমাখা তলোয়ারটি মুহাম্মদের হতে ধরিয়ে দেয়। মুহাম্মদের ঘুম ভাঙার পর ঐ সৈন্য দাবি করে যে মুহাম্মদ মাতাল হয়ে সারগিয়াস (বহিরা)কে হত্যা করেছে। এরপর না কি মুহাম্মদ মদ নিষিদ্ধ করেছিলেন।


ছবিঃ মুহাম্মদ ও বহিরা(সারগিয়াস), ১৫০৮ শতকে একজন ইউরোপিয় শিল্পীর আঁকা ছবি

ইসলামের নবী মুহাম্মদ একজন আইকোনক্লাস্ট এবং একত্ববাদী আইডিয়ালিস্ট ছিলেন। এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদত তিনি সঠিক মনে করতেন না এবং মানুষের হতে তৈড়ি কোন ছবি বা মুর্তির পুজা করাকে কুসংস্কার গন্য করতেন। মুহাম্মদের ছবি আঁকলে অথবা মুর্তি বানালে মানুষ সেই ছবি বা মুর্তির পূজা করতে পারে এই আশংকায় তার ছবি অথবা মুর্তি তৈড়ি করার ক্ষেত্রে মধ্যযুগের মুসলমানদের মধ্যে অনাগ্রহ ছিল। কিন্তু মধ্যযুগের মুসলিম দুনিয়ায় মুহাম্মদের ছবি আঁকা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হয়েছে এই ধরণেরর ইতিহাস খুঁজে পাওয়া কঠিন। বরং মধ্যযুগ থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত মুসলমানদের হাতে মুহাম্মদের জীবনের বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার ছবি আঁকার প্রচলন ছিল। মুহাম্মদের ছবি আঁকা এই একবিংশ শতকে এসে মুসলমানদের মধ্যে যেধরণের ট্যাবুতে পরিণত হয়েছে অতীতে আর কখনোই তেমনটা ছিল না।

ছবি -আরারাত পর্বতে নিজের শুরুর দিকের অনুসারীদের শিক্ষা দিচ্ছেন মুহাম্মদ। আল-বিরুনির একটি মধ্যযুগিয় ম্যানুস্ক্রিক্ট থেকে।


ছবিঃ ফেরেশতা জিব্রাইলের সাথে নবী মুহাম্মদ। রাশিদ আল দিন’এর বই জামি আল তারিখ থেকে (১৩০৮ খ্রিষ্ঠাব্দ)


ছবিঃ সিরিয়ায় বালক মুহাম্মদকে দেখে ভবিষ্যতবানী করছেন বহিরা। রাশিদ আল দিন’এর বই জামি আল তারিখ থেকে (১৩০৮ খ্রিষ্ঠাব্দ)


ছবিঃ হেরা গুহায় জিব্রাইলের মাধ্যমে মুহাম্মদের প্রথম ওহী প্রাপ্তি। আফগানিস্তানে প্রকাশিত মাজমাক আল তারিখ কিতাব থেকে (১৪২৫ খ্রিষ্ঠাব্দ)


ছবিঃ বেহেশতে মুহাম্মদ, ১৮ শতকের অটোমান তুর্কিশ একটি ছবি, যা আট শতকের একটি ছবির কপি হিসাবে আঁকা হয়েছিল।


ছবিঃ আবু বকরকে সঙ্গে নিয়ে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত। গত শতকের ত্রিশের দশকের একটি আলজেরিয়ান পোস্ট কার্ড থেকে।


ছবিঃ বালক মুহাম্মদ, আধুনিক ইরানে প্রচলিত ও জনপ্রিয় একটি ছবি।

কমেডি সেন্ট্রালের কার্টুন সাউথ পার্কের বহু পর্বে পৃথিবীর বিখ্যাত সব ধর্মগুরুদেরকে বিশেষ করে ঈসা নবীকে কার্টুনটির চরিত্র হিসাবে চিত্রায়ন করা হয়েছে। ২০০১ সালের জুলাই মাসে সাউথ পার্কের একটি পর্ব প্রচারিত হয়েছিল। পর্বটির নাম ছিল ‘সুপার বেস্ট ফ্রেন্ডস’। সুপার বেস্ট ফ্রেন্ডস হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধর্মগুরুদের একটি সুপার হিরো সংগঠন। সুপার হিরো সংগঠনটির সুপার হিরো সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ঈসা, লাও জু, মুসা, কৃষ্ণ, বুদ্ধ এবং মুহাম্মদ। মুহাম্মদের সুপার পাওয়ার ছিল আগুন। তখনো পৃথিবীটা অন্যরকম ছিল।সাউথ পার্কের মতো একটি বিখ্যাত টিভি কার্টুনের একটি চরিত্র হিসাবে মুহাম্মদকে দেখানো হলেও তা নিয়ে দুনিয়ায় কোথাও কোন গোলযোগ দেখা যায় নাই। বলে নেয়া দরকার, সাউথ পার্ক ভক্ত হিসাবে সুপার বেস্ট ফ্রেন্ডস পর্বটি যথেষ্ঠ উপভোগ করেছিলাম। এই কার্টুনে মুহাম্মদকে কোন নেতীবাচক চরিত্র হিসাবে চিত্রায়ন করা হয়েছে অথবা কোন ধর্মীয় উস্কানি দেয়া হয়েছে বলে কখনোই মনে হয় নাই। কিন্তু ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার ঘটনা ঘটে। এরপর পৃথিবীটা পালটে গেছে অনেক। আফগানিস্তান, ইরাকে মার্কিন হামলার মধ্য দিয়ে এরপর জল অনেকদুর গড়িয়েছে। সাউথ পার্কে এরপর একাধিক পর্বে মুহাম্মদকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলেও কমেডি সেন্ট্রাল কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞার কারণে তা করা যায় নাই। সুপার বেস্ট ফ্রেন্ডসদের নিয়ে যেসব পর্ব করা হয়েছে তাতে কালো বক্সের মধ্যে মুহাম্মদ চরিত্রটি সেন্সর করে দেয়া হয়েছে। ২০১০ সালে ইসলামিস্টদের হুমকির ফলে সাউথ পার্ক কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইট থেকে সুপার বেস্ট ফ্রেন্ডস পর্বটিও সরিয়ে ফেলে।

?oh=14c554cc0d048337e079dea5936975bd&oe=5523BCA9&__gda__=1428946623_fd73a35aeefc3cf4896d4809986492bf” width=”500″ />
ছবিঃ সুপার বেস্ট ফ্রেন্ড – নাইন ইলেভেনের আগে

?oh=0b422a272504833c30f1d321c35cf366&oe=552F3091″ width=”500″ />
ছবিঃ সুপার বেস্ট ফ্রেন্ড – নাইন ইলেভেনের পরে

কয়েক বছর আগে ফেসবুকে ‘ড্র মুহাম্মদ ডে’ পালনের মাধ্যমে মুহাম্মদের ছবি আঁকতে উৎসাহিত করা হয়েছিল। মুসলমানরা যেহেতু এখন আর মুহাম্মদের কোন ছবি আঁকেন না, বরং তা ট্যাবু মনে করেন, তাই প্রায় সব ছবিই একেছিলেন মূলত অমুসলিম এবং মুহাম্মদ বিরোধীরা। ফলে প্রায় সব ছবিই ছিল ব্যাঙ্গাত্বক ও মুহাম্মদের নেতীবাচক চিত্রায়ন। মুসলমানরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রতিবাদ, দাঙ্গা, হাঙ্গামা এবং হুমকির মাধ্যমে এর জবাব দিয়েছিল। কিন্তু খোদ ‘ড্র মুহাম্মদ ডে’ ফেসবুক গ্রুপেই একজন মুসলিম একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন যেটা মনে দাগ কেটেছিল। কে এই ছবিটি একেছিলেন আমার আর খেয়াল নাই, কিন্তু ছবিটি সংগ্রহ করে রেখেছিলাম।


ছবিঃ ড্র মুহাম্মদ ডে তে ফেসবুকে অচেনা একজন শিল্পির আঁকা।

হাজার বছর ধরেই মানুষ মুহাম্মদের ইতিবাচক এবং নেতীবাচক দুই ধরণের ছবিই একেছে। নেতীবাচক ছবিতে মুহাম্মদ অথবা তার প্রচারিত ধর্মের কোন ক্ষতি হয়েছে বলে মনে হয় না। কোন ছবি অথবা মুর্তিকে ইশ্বর জ্ঞানে পুঁজা করা যেমন একধরণের কুসংস্কার, তেমনি কারো ছবি অথবা মুর্তি বানানো ট্যাবু মনে করাও একটি কুসংস্কার। মুসলমানদের মধ্যে এই ধরণের কুসংস্কার এই একবিংশ শতকে এতোটাই প্রবল আকার ধারণ করেছে যে তারা এই ভিজুয়াল মিডিয়ার যুগে মুহাম্মদের ইতিবাচক চিত্রায়নে ব্যর্থতার মাসুল দিচ্ছে কড়ায় গন্ডায়। যেহেতু মুহাম্মদের নেতীবাচক ছবিই আঁকা হচ্ছে, কোন ইতিবাচক ছবি নয়, তাই একবংশ শতকিয় মুহাম্মদের চিত্র মাত্রই ব্যাঙ্গাত্বক এবং নেতীবাচক। আর যারা মুহাম্মদের নেতীবাচক চিত্র আঁকেন, তাদের উপর হামলা করে অথবা তাদেরকে খুন করে যারা মুহাম্মদের ভাবমূর্তি রক্ষা করতে যান তাদের হাতেই মুহাম্মদ আরো বেশি নেতীবাচক চরিত্র হিসাবে চিত্রায়িত হচ্ছেন। মুহাম্মদের ছবি এবং ভাবমূর্তি বিষয়ে মুসলিম সমাজে প্রচলিত ট্যাবু, কুসংস্কার এবং অসহনশিলতা যতোদিন টিকে থাকবে এই দুষ্ট চক্র থেকে তারা বের হতে পারবে না। মুহাম্মদের নেতীবাচক ছবি আঁকাও বন্ধ হবে না। যতো কার্টুনিস্ট খুন হবেন, ততো বেশি নেতীবাচক ছবি আঁকা হবে। পাশাপাশি আলু পোড়া খাওয়া সালাফি সেকুলাররাও ‘সহি ইসলাম’ ও ‘সাচ্চা মুসলমানে’র নেতীবাচক চিত্রায়ন বন্ধ করবে না।

ফ্রান্সের শার্লি হেবদো পত্রিকায় হামলার বিরুদ্ধে ঘৃনা জানাই। সকল প্রকার সাম্প্রদায়িক গোড়ামি, কুসংস্কার এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ এই পোস্টটি করলাম। মুহাম্মদের ছবি আঁকা যাবে না এটি একটি কুসংস্কার। দুনিয়ায় কেউ মুহাম্মদের কোন বদনামও করতে পারবে না এটি একটি মামার বাড়ির আবদার। আর কেউ বদনাম করলে তাকে মরতে হবে এটি একটি শশুর বাড়ির আবদার। ইউরোপ যেহেতু মুসলমানদের মামা অথবা শশুরবাড়ি নয় তাই কিছু অসভ্য ও অসহিষ্ণু সন্ত্রাসীর সন্ত্রাসের ফলে সকল ইউরোপবাসী মুসলমানদের ভুগতে হলে তা একটি দুঃখজনক ব্যাপার হবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭৬ thoughts on “মুহাম্মদের ছবি

  1. পৃথিবীতে এতো ধর্ম থাকতে এই
    পৃথিবীতে এতো ধর্ম থাকতে এই লেখক কেন শুধু ইসলামের পিছনে লেগেছে আল্লা মালুম! যেখানে ইসলাম ধর্মে সবধরণের ছবি আঁকার বিষয়ে নিষেধ করা হয়েছে। সেখানে নবীর ছবি আঁকার মতো গর্হিত কাজ মুসলমানরা কেন করবে?

    1. পৃথিবীতে এতো ধর্ম থাকতে এই

      পৃথিবীতে এতো ধর্ম থাকতে এই লেখক কেন শুধু
      ইসলামের পিছনে লেগেছে আল্লা মালুম!

      সহমত প্রকাশক করছি।
      এগুলা হচ্ছে এয়াজীদ দের বংশধর।

      1. জ্বি ভাই,আমি নিজের ছবি তোলি
        জ্বি ভাই,আমি নিজের ছবি তোলি বিভিন্ন প্রয়োজনে। এবং এটা যে শরীয়ত বিরোধী কাজ সেটাও মানি। কিন্তু নবীর ছবি আঁকার পেছনে কী প্রয়োজনীয়তা থাকতে পারে এবং কেন নবীর ছবি আঁকতে হবে? একটু বোঝিয়ে বলবেন।

        1. যে কারণে হুজুররা অন্য ধর্ম
          যে কারণে হুজুররা অন্য ধর্ম সম্পর্কে আজেবাজে গালিগালাজ করে সেই কারণে মনে হয় ওরা ছবি আঁকে। যারা ছবি আঁকে তারা সবাই শয়তান। ঠিক বলেছি না ভাই?

          1. “যে কারণে হুজুররা অন্য ধর্ম
            “যে কারণে হুজুররা অন্য ধর্ম সম্পর্কে আজেবাজে গালিগালাজ করে সেই কারণে মনে হয় ওরা ছবি আঁকে।” কবে কোথায় কোন হুজুর অন্য ধর্ম সম্পর্কে আজেবাজে কথা বলেছে? একটা প্রমাণ দেখানতো দেখি। ইসলামে অন্য ধর্মকে হেয় করে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে। আর যারা ছবি আঁকে তারা পাপী।

          2. কবে কোথায় কোন হুজুর অন্য ধর্ম

            কবে কোথায় কোন হুজুর অন্য ধর্ম সম্পর্কে আজেবাজে কথা বলেছে? একটা প্রমাণ দেখানতো দেখি।

            দেখাতে পারলে কি করবেন? ইসলাম ছেড়ে দিবেন? নাকি নাড়ায়ে টাকবির… এটা পুটুশপ বলে কোপাকুপি উৎসব শুরু করবেন?

          3. কোনো হুজুর যদি অন্য ধর্ম নিয়ে
            কোনো হুজুর যদি অন্য ধর্ম নিয়ে আজেবাজে কথা বলে থাকে,তবে সে অপরাধ করেছে। ইসলামেতো গালিগালাজ করাও পাপ। সেখানে অন্য ধর্মকে গালি দেয়ার প্রশ্নই আসেনা।

          4. পিছলাইসেন মনে হয়? মুমিন্সদের
            পিছলাইসেন মনে হয়? মুমিন্সদের গায়ে লুব্রিকেন্ট লাগানো থাকে। ছাইয়ের গন্ধ পাইলেই পিছলায় যায়।

          5. যাদের প্রকৃত ইসলাম সম্পর্কে
            যাদের প্রকৃত ইসলাম সম্পর্কে ধারনা নাই।তারাই ওয়াজ মাহাফিল এই ধরনের ব্যবহার করেন।

          6. এ কথা বলেই তো খালাস। প্রকৃত
            এ কথা বলেই তো খালাস। প্রকৃত ধারনা তাহলে কার আছে? কাউরেই তো দেখি না প্রকৃত ধারনা ধারন করতে। যে ধারনা কেউ ধারনই করতে পারলো না, সেটা তো বাতিল জিনিস।

          7. কাউরেই
            তো দেখি না প্রকৃত

            কাউরেই
            তো দেখি না প্রকৃত ধারনা ধারন
            করতে।

            আপনি কার কার দেখেন নাই ভাই?

            শওকত খান ভাই আপনি কী বলছে চাচ্ছেন ইসলাম একটি বাতিল জিনিস?

          8. শুধু ইসলাম? সব ক’টা ধর্মই
            শুধু ইসলাম? সব ক’টা ধর্মই বাতিল মাল। তবে ইসলামের অনুসারীদের সাথে অন্যদের পার্থক্য হলো, অন্যরা বাতিল জিনিসটাকে উৎসব পালনের বিষয় হিসেবে দেখে, আর মহম্মদের অনুসারীরা এটাকে অক্সিজেনের বিকল্প হিসেবে দেখে। অক্সিজেনে শর্ট পড়ার সম্ভাবনা দেখলে অন্যের সিলিন্ডার কেড়ে নেয়।

          9. ইসলামের সঠিক ধারনা আছে এমন
            ইসলামের সঠিক ধারনা আছে এমন ২/১জন ওলামা-আলেম-পীরের নাম বলেন। কেউনা কেউতো সঠিক ধারনা অবশ্যই দেয়। নাকি আপনি ছাড়া সেইরকম বিশ্বাসযোগ্য কেউ নাই।

          10. ইসলামের সঠিক
            ধারনা আছে এমন

            ইসলামের সঠিক
            ধারনা আছে এমন ২/১জন ওলামা-
            আলেম-পীরের নাম বলেন।

            এর মানে আপনি বলতে চাচ্ছেন যে পৃথিবী তে ২/১জন আলেম নাই?

            সবাই আপনার মতো?

            হাসি পাইছে আমার 🙂 🙂 🙂

            আচ্ছা আপনি কি শুক্র বার নামাজ পড়তে যান?যদি যান আপনি কি দেখেছেন বা শুনেছেন আপনার হুজুর খুদবার সময়ে গালা গালি করেন………তার মানে কি………?

            আর যদি আপনি শুনেন আপনার হুজুর গালা গালি করেন,আপনি যদি তার পিছনে দাড়িয়ে নামাজ পড়েন তাহলে আপনি……. মুসলিম।

          11. আমার বাসার চারদিকেই কয়েকটি
            আমার বাসার চারদিকেই কয়েকটি মসজিদ আছে। যেগুলো থেকে শব্দ দূষণীয় মাত্রায় আমার কানে আসে। হুজুরদের অবৈজ্ঞানিক তত্ত্ব আর বেহুদা প্যাঁচাল যথেষ্টই শুনতে পাই।

          12. আল্লাহ নিজেই তো অন্য ধর্মের
            আল্লাহ নিজেই তো অন্য ধর্মের লোক দের গালাগালি দিছে জানেন না ? না জানলে সুরা লাহাব পড়েন

        2. @ সুজন:
          প্রোফাইলে আবার

          @ সুজন:
          প্রোফাইলে আবার মানুষের ছবি সম্বলিত কার্টুন ব্যবহার করি- এটা বাদ দিলেন কেন?
          ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, এখানে কোটি কোটি ছবি আসে চোখের সামনে, সেটা জানেন না? ইন্টারনেট ব্যবহার বন্ধ করতে পারবেন?

          ছবি আঁকার অধিকার রক্ষা করার ঠিকাদারি মুসলিমদেরকে দিয়েছে কে? এটার যৌক্তিক জবাব আছে আপনার কাছে? পোষ্ট না পড়ে ছবি দেখে মন্তব্য করাটা বন্ধ করেন। মুসলিম দেশগুলোতে মহম্মদের ছবি আঁকা হয়েছে শত শত বছর ধরে। তখন আইএস বা বাল কায়দা ছিলো না বলে কারো ধর্মানুুনুভূতিতে আঘাত লাগেনি। এখন সবার ধর্মানুনুভূতিতে আঘাত লাগা শুরু হয়েছে।

          ইসলামের পিছে লাগাটাকে এত ভয় কেন আপনাদের? জারিজুরি ফাঁস হওয়ার ভয় থাকলে না হয় চিন্তিত হওয়াটা মানায়।
          কুসংস্কার আর ধর্মীয় চুলকানি বাদ দেন। ভালো কিছু জানুন, শিখুন। ধর্ম নিয়ে গবেষণা কমিয়ে অন্তত বাঙলা বানানটাও ভালো করে শিখতে পারেন, যেটা দৈনন্দিন কাজে লাগবে।

          1. যারা প্রোফাইলে মানুষের ছবি
            যারা প্রোফাইলে মানুষের ছবি সম্বলিত কার্টুন ব্যবহার করে তারা কেউ এটাকে ছোয়াবের কাজ মনে করে ব্যবহার করেনা। ইসলামে শুধু প্রানির ছবি আঁকার ব্যাপারে নিষেধ করা হয়েছে। অন্য যে কোন কিছুর ছবি আঁকতে কোনো সমস্যা নাই। আর বানানের কতা কিছু কইলাম না ভাই,আমি আপনের মতো এতো শিক্ষীত মানুষ নাতো তাই এরমি অইবো।

          2. ইসলামে শুধু প্রানির ছবি আঁকার

            ইসলামে শুধু প্রানির ছবি আঁকার ব্যাপারে নিষেধ করা হয়েছে।

            জীব আর জড় পদার্থের ছবির মধ্যে পার্থক্য কি? এটাকে আবালীয় কর্মকান্ড মনে হয় না? হাস্যকর যুক্তি সব।

            ব্লগের বাচাল লিস্টের শীর্ষস্থান দখলকারী এতোটা ‘(অ)শিক্ষীত’ এটা ভাবতে পারিনি!

          3. জীবের প্রাণ আছে আর জড়ের প্রাণ
            জীবের প্রাণ আছে আর জড়ের প্রাণ নাই এটা বোঝার ক্ষমতা কী আপনার মতো “(কু)শিক্ষীতের” নাই। আল্লাহ ছাড়া যেহেতু কেও প্রাণীর জীবন দিতে পারেনা তাই প্রাণীর ছবি আঁকা হারাম। ইসলাম নিয়ে আপনাদের এতো চুলকানি কেন ভাই? কারো যদি ইসলাম ভালো না লাগে তবে সে ইসলাম ত্যাগ করুক কেউতো বাঁধা দিচ্ছেনা। আর সে তার ইসলামী নাম টাও চেঞ্জ করে যদু-মধু-কদু হয়ে যাক। ইসলাম ভালো লাগেনা তবে ইসলামের সুন্দর অর্থবোধক নামগুলা খুব ভালো লাগে তাইনা ভাই?

          4. যে জিনিসের জীবন দেয়া সম্ভব
            যে জিনিসের জীবন দেয়া সম্ভব না, সেটার ছবি আঁকা যাবে না- এটা কি একটা হাস্যকর যুক্তি নয়? জড় বস্তুর ছবি আঁকার ক্ষেত্রে এই নিয়ম নয় কেন? জড় বস্তু কি ছবি আঁকার মাধ্যমে সৃষ্টি করা যায়?
            কার নাম কি হবে, কেমন হবে, সেসব কি আপনার অনুমতি নিয়ে করতে হবে? আরবি থেকে নাম নিলেই কি ইসলামের ধ্বজাধারী হয়ে যায়? ১৪০০ বছর আগে কি আরবী ভাষা ছিলো না? তখন মানুষ কি চাইনিজ ভাষায় নাম রাখতো? ইহুদিদের নামের সাথেও মুসলিমদের নামের মিল আছে অনেক অঞ্চলে। ফাউল কথা বলার আগে তিনবার ভাইবা নিয়েন।

          5. কেন আপনাদের? জারিজুরি

            কেন আপনাদের? জারিজুরি ফাঁস
            হওয়ার ভয় থাকলে না হয় চিন্তিত
            হওয়াটা মানায়।

            লুল…. ভয়ে কি আছে? এতে করে মূর্খ দের ইসলাম সম্পর্কে সঠিক ধরনা হবে।আজে থেকে ১৪০০ বছর আগের কুরআনকে কি আজকের বিশ্ব কি ভূল প্রমাণ করতে পারেছে? আর পাড়বেও না।

          6. অনেকেই ‘পেড়ে’ দিয়েছেন, সেসব
            অনেকেই ‘পেড়ে’ দিয়েছেন, সেসব নিয়ে পড়ুন। মওদুদীর বইয়ের বাইরেও প্রচুর বই আছে পৃথিবীতে।

        3. কে কোন প্রয়োজনে আঁকবে সেটা
          কে কোন প্রয়োজনে আঁকবে সেটা তার ব্যাপার। জগতে প্রয়োজনের তো অভাব নাই। আঁকলে তাতে সমস্যা কোন জায়গায়? সেটাই হলো প্রশ্ন। ট্যাবুটা কোথায়?

          1. সাঈদ ইবনে আবুল হাসান (র) থেকে
            সাঈদ ইবনে আবুল হাসান (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনে আব্বাস (রা) এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমন সময়ে তাঁর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আবু আব্বাস! আমি এমন ব্যক্তি যে, আমার জীবিকা হস্তশিল্পে। আমি এসব ছবি তৈরি করি। ইবনে আব্বাস (রা) তাঁকে বলেন, (এ বিষয়ে) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি যা বলতে শুনেছি, তাই তোমাকে শোনাব।

            তাঁকে আমি বলতে শুনেছি,
            ‘‘যে ব্যক্তি কোন ছবি তৈরি করে আল্লাহ্ তা’আলা তাকে শাস্তি দিবেন, যতক্ষণ না সে তাতে প্রাণ সঞ্চার করে। আর তাতে সে কখনো প্রাণ সঞ্চার করতে পারবে না।”
            (এ কথা শুনে) লোকটি ভীষণভাবে ভয় পেয়ে গেল এবং তার চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে গেল। এরপর ইবনে আব্বাস (রা) বললেন, আক্ষেপ তোমার জন্য, তুমি যদি এ কাজ না-ই ছাড়তে পার, তবে গাছপালা এবং যে সকল জিনিসে প্রাণ নেই, তা তৈরি করতে পার।” [সহীহ বুখারী, চতুর্থ খণ্ড, হাদিস নং ২০৮৪ – ইফা]

            আশা করি এই হাদিসটা পড়ে আপনি বোঝতে পারবেন সমস্যাটা কোথায়।

          2. কেউ যদি এই হাদিস বিশ্বাস করে
            কেউ যদি এই হাদিস বিশ্বাস করে তবে সে ছবি না আঁকুক। আরেকজনে আঁকলে বাধা দিতে বলছে কে? ট্যাবু কেনো হবে? অপরাধই কেনো হবে? বিচার টা কি?

          3. জ্বী যারা বিশ্বাসী তাদের
            জ্বী যারা বিশ্বাসী তাদের জন্যই এই হাদিস। যারা অবিশ্বাসী তারা ছবি আঁকুক কোনো সমস্যা নাই। আপনি নিশ্চই আপনার মা-বাবাকে ভালোবাসেন তাদের নিয়ে কেউ যদি আপত্তিকর ছবি আঁকে সেটা কী আপনার ভালো লাগবে? মুসলিমরা তাদের নবীকে আপন মা-বাবার চেয়ে বেশী ভালোবাসে। তাই তাঁকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি আঁকা হলে মুসলমানদের গায়ে লাগাটাই স্বাভাবিক।

          4. ঠিক আছে আঁকবে।কিন্তুু
            কি দেখে

            ঠিক আছে আঁকবে।কিন্তুু
            কি দেখে আঁকবে।তার
            কি কোন প্রতিমা আছে?আর যার
            আঁকতে চাচ্ছে ন তারা কী নিজ
            চোখে দেখেছেন?যদিও
            বা আঁকে তা তাদের মন গড়া……..

          5. @ সুজন:
            তবে গাছপালা এবং যে

            @ সুজন:

            তবে গাছপালা এবং যে সকল জিনিসে প্রাণ নেই, তা তৈরি করতে পার।

            এ থেকেই কি প্রমাণ হয় না- ১৪০০+ বছর ধরে আবালীয় তথ্যের অনুসরণ করছে আবালরা? গাছপালার প্রাণ আছে এটা কি প্রমাণ হয়নি?

          6. “তুমি যদি এ কাজ না-ই ছাড়তে
            “তুমি যদি এ কাজ না-ই ছাড়তে পার, তবে গাছপালা এবং যে সকল জিনিসে প্রাণ নেই, তা তৈরি করতে পার।” [সহীহ বুখারী, চতুর্থ খণ্ড, হাদিস নং ২০৮৪ – ইফা]”

            শাহরীয়ার সুজন সাহেব, গাছপালার প্রাণ নাই? ১৪০০ বছর আগে মুহাম্মদ যদি না জেনে থাকে গাছপালার প্রাণ আছে সেটা তার অপরাধ না। কিন্তু ২০১৫ সালের বাস্তবতায় খাড়ায়ে আপনিও কি তাই মনে করেন যে গাছপালার প্রাণ নাই?

    2. আপনি তাস খেলা আর জুয়া খেলার
      আপনি তাস খেলা আর জুয়া খেলার পার্থক্য বোঝেন না। ইসলামে জুয়া খেলা নিষেধ করলে আপনি ভাবছেন তাস খেলা নিষেধ করছে।
      আপনি এখনো বুঝেছেন বলে মনে হচ্ছে না।লেখক স্পস্ট করেই বলেছেন নবীজী চান নি তার ছবি বা মুর্তির পুজা করে শিরক করুক। যারা ইসলাম বুঝে মানেন তারা নবীজীর মূর্তি বা ছবি দেখলে পুজা করবেন না, স্বাভাবিকভাবেই নিবেন, আর যারা না বুঝে ইসলাম মানেন তারাই নবীজীর মূর্তি বা ছবি দেখলে আতকে উঠবেন, ইহাকে পূজার বস্তু বলে মনে করবেন এবং শুধু ছবি তোলাকেই শিরক বলে মনে করবেন।

  2. খাইছে! এবার বাংলাদেশে আইএস এর
    খাইছে! এবার বাংলাদেশে আইএস এর এজেন্টরা এই কার্টুন দেখে বোমা হামলা করবে। আগুন লাগাইছেন পারভেজ ভাই। :চিন্তায়আছি:

    ফ্রান্সের সাপ্তাহিকে আইএস এর হামলায় ১২জন নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ফ্রান্সের সকল মিডিয়া এখন থেকে মুহাম্মদের বিভিন্ন ব্যাঙ্গাত্মক ছবি প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন কি মুসলমানরা সমগ্র ফ্রান্সে আক্রমণ চালাবে? মুসলমানদের মত বোকা জাতির ভুলের খেসারত সমগ্র মুসলিম জাতির দিতে হবে।

  3. ঠিক আছে আঁকবে।কিন্তুু কি দেখে
    ঠিক আছে আঁকবে।কিন্তুু কি দেখে আঁকবে।তার কি কোন প্রতিমা আছে?আর যার আঁকতে চাচ্ছে ন তারা কী নিজ চোখে দেখেছেন?যদিও বা আঁকে তা তাদের মন গড়া……..

    1. মুমিনদের দেখি ত্রাহি মধুসুদন
      মুমিনদের দেখি ত্রাহি মধুসুদন অবস্থা। এত ঠুনকো ঈমানী শক্তি নিয়ে এরা ধর্ম বাঁচাবে কেমনে? যদি শিল্পীর একটি কার্টুনের কাছে এদের ধর্ম হুমকিতে পড়ে যায়, সে ধর্ম টিকবে কেমনে। মুমিনদের অবস্থা দেখে হাসি পাচ্ছে খুব।

      1. ১৪০০ বছর ধরেই ইসলামকে নিয়ে
        ১৪০০ বছর ধরেই ইসলামকে নিয়ে উজবুকরা নানা ধরণের আজেবাজে কথা বলে আসছে। এইসব বলে তারা ইসলামের একটা হিন্দী চুলও ছিড়তে পারে নাই। ভবিষ্যতেও পারবেনা ইসলাম থাকবে ততোদিন,যতোদিন এই দুনীয়া থাকবে। তোমাদের যা ইচ্ছে হয় করতে পারো। “লাফাচ্ছো লাফাও তোমাদের আগে আরও অনেকেই লাফিয়েছে।” তোমাদের নাস্টিকি ঈমানে তোমরা আরও কামেল হও। আমিন!

  4. ভয়ে ভয়ে একটা প্রশ্ন করেই
    ভয়ে ভয়ে একটা প্রশ্ন করেই ফেলি। মুসলমানেরা হঠাৎ করে এতো অসহিস্নু হয়ে গেলো কেন? তাঁরাতো আগে বেশ ভালোই ছিল।

    1. মুসলমানরা বরাবরই অসহিষ্ণু
      মুসলমানরা বরাবরই অসহিষ্ণু জাতি। মাঝখানে কিছু দশক ঘাপটি মেরে ছিল। তবে বর্তমান অবস্থা বিশ্লেষন করলে উপলব্দি করা যায়, এজাতির ধ্বংস আসন্ন। পৃথিবীব্যাপি সবাই এদেরকে বয়কট করার কারনে আবার যাযাবর হয়ে যাবে।

    2. গড়পরতা মুসলমানদেরকে ভালো অথবা
      গড়পরতা মুসলমানদেরকে ভালো অথবা খারাপ বলার মতো স্টেরিওটিপিকাল কিছু কখনো আমি লেখি নাই। এই লেখাতেও অতীতের মুসলিমদের ভালো এবং এখনকার মুসলিমদের খারাপ বলি নাই। দুনিয়ার কোটি মানুষকে এইভাবে জেনারালাইজ করে আলাপ করা অন্যায় মনে করি। তাই কোন জবাব দিতে পারলাম না, দুঃখিত। এমনিতে বর্তমান দুনিয়ায় ইসলামকেন্দ্রীক সাম্প্রদায়িকতার পেছনকার কারণগুলা নিয়ে নিয়মিতই লিখে যাচ্ছি, গড়পরতা মুসলমানদের ভালো অথবা মন্দ বিবেচনা না করলে সেসব লেখা থেকে নিশ্চয় বর্তমান সময়কার অসহিষ্ণুতা ও সাম্প্রদায়িকতার কারণ গুলো পাওয়ার কথা। @সাবরিনা ফেরদৌস

      ইকারাস@ অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে যে আপনার এই মন্তব্যটি কিছুটা রেসিস্ট এবং বিশ্বজোরা মুসলমানদের বিষয়ে একটি স্টেরিওটিপিকাল মন্তব্য। আপনার এই কথা সিরিয়াসলি নিলে বাঙালি মুসলমানদেরও যাযাবর হয়ে যেতে হবে।

      1. বাঙালি বা এই অঞ্চলের মানুষ কি
        বাঙালি বা এই অঞ্চলের মানুষ কি আগে মুলমান ছিল? ইসলাম ধর্মের উৎপত্তি অঞ্চলের মানুষ আগে যাযাবর আছিলো। তারা যাযাবর হয়ে গেলে পুরো ধর্মটাই যাযাবর হয়ে যাবে।

      2. কিছুদিন আগেও যখন মহানবীর ছবি
        কিছুদিন আগেও যখন মহানবীর ছবি নিয়ে এতো তুলকালাম কান্ড ঘটতো না তখন কি ধরে নেয়া যায় না যে পূর্বে মুসলমান অন্তত মহানবীর ছবি প্রকাশের ব্যপারে অনেক্তাই সহিষ্ণু ছিল? অসহিষ্ণুতার কারণ জানতেই আমার প্রশ্ন করা। আপনার লেখাগুলো এব্যপারে সাহায্য করছে নিঃসন্দেহে।

  5. যিনি ছবি গুলো পোস্ট করেছেন
    যিনি ছবি গুলো পোস্ট করেছেন তিনি খুব বিশ্বাস নিয়েই পোস্ট করেছেন যে এতে কিছু মুসলমান ফুসলিয়ে উঠবে। হচ্ছেও তাই।
    ধর্ম নিয়ে (পড়ুন ইসলাম নিয়ে) কটাক্ষ করে আলোচনায় আশা নতুন কিছু নয়। এ পুরাতন ব্যাবসা।

    1. এই পোস্টে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কি
      এই পোস্টে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কি কটাক্ষ করা হয়েছে দেখাইয়া দেন। আর কিছু মানুষ যে ফুশে উঠবে সেটা জেনে শুনেই যে পোস্টটা দেয়া হয়েছে তা তো পোস্টেই বলা আছে, ইনফ্যাক্ট এই ফুশলে ওঠার কুসংস্কারের বিরুদ্ধেই এই পোস্ট।

  6. অসাধারন একটা পোস্ট দিয়েছেন
    অসাধারন একটা পোস্ট দিয়েছেন ,ভাই। মুহাম্মদের এই জাতীয় ছবি যে আছে এবং ছবি গুলো সুন্দর করে তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।

    পাশাপাশি আলু পোড়া খাওয়া সালাফি সেকুলাররাও ‘সহি ইসলাম’ ও ‘সাচ্চা মুসলমানে’র নেতীবাচক চিত্রায়ন বন্ধ করবে না।

    পোষ্টের শেষে এসে এই জাতীয় ব্যাক্তি আক্রমন না করলেও পারতেন।

  7. সুন্দর মনোজ্ঞ পোষ্ট। ভালো
    সুন্দর মনোজ্ঞ পোষ্ট। ভালো লাগলো। জনাব পারভেজ আলম কে অভিনন্দন।
    হাজার বছর আগের একটা বইতে একজন তাঁর হাজার বছর আগেকার অভিজ্ঞতা ও বুদ্ধি দিয়ে বিধান দিলেন যে “ছবি এঁকোনা”, আর কিছু মানুষ এখনও এই স্যাটেলাইট চালিত আধুনিক বিজ্ঞানের দুনিয়ায় বসে সেই কথাকেই ধ্রুব সত্য ধরে বসে আছেন দেখলে খারাপ লাগে, তাঁদের ইগনোরেন্সের প্রতি মমতা হয়, ভয় করে! প্রাচীন ধর্ম সংক্রান্ত রীতি রেওয়াজ গুলোকে প্রশ্ন না করলে চলবে কি করে, সমাজ এগোবে কি করে? আমাদের ভারতে যেমন আজকাল হিন্দু মৌলবাদ মাথা চারা দিতে শুরু করেছে, পৃথিবীর অন্যান্য প্রান্তে সেরকম ইসলামিক মৌলবাদের করাল ছায়া। এই সেদিন পেশোয়ারে যা হল, টিভিতে সেই দৃশ্য দেখে সেই মুসলিম মায়ের কান্না দেখে আমার হিন্দু মা বোনেদের যখন চোখ মুছতে দেখি তখন বুঝি ধর্ম আসলে কোথায়… কি তার মর্ম!
    এখানে একজন লিখেছেন যে ঈশ্বর ছাড়া কেউ প্রাণ সৃষ্টি করতে পারেন না, কিন্তু ঈশ্বরকে তো আমরা চোখে দেখিনা, দেখি একজন পুরুষ ও একজন নারী কে, একজন মা এবং বাবা কে। কারণ এই পুরুষ ও নারীই ঈশ্বরের অংশ, প্রতিটা মানুষ ঈশ্বরের অংশ, প্রতিটা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণ সমবায় সেই ঈশ্বরের অংশ… সে আপনি আল্লা নাম দিন বা অন্য কেউ ভগবান বা গড নাম দিন, আসলে জীবজগত নামক এই মহৎ অর্গানিসমের প্রতিটা অংশে তিনি বিরাজমান, তিনি কে তা কেউ জানেনা, মানুষ তো এই বিপুলা পৃথিবীর একটা ক্ষুদ্র কণা মাত্র, তার পক্ষে এতসব কথা জানা সম্ভব নাকি, তার নুন আনতে পান্তা ফুরিয়ে যায়, একটু জোরে হাওয়া দিলে তার সব তালগোল পাকিয়ে যায়, একটু বেশী বৃষ্টি পরলে তার সব খাবার দাবার ভেসে চলে যায়, সে জানবে ঈশ্বরকে, সৃষ্টি কে!! হাসালেন ভাই!!
    তিলতিল করে বহু মানুষের চিন্তা শ্রম বুদ্ধি মানবিকতা প্রেম দিয়ে গড়ে তোলা মানবসমাজ নামক এই অপূর্ব সমবায়কে আদিম অন্ধকারের ধ্বংসস্তুপে পরিণত করা থেকে বিরত থাকুন, তাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবুন… মানব কল্যানের ধর্মে বিশ্বাস রাখুন, কিন্তু তা নিজের ঘরের চৌহদ্দি তে, প্রানের অন্দরে, তাকে বাইরে প্রকাশ করবার দরকার নেই… কারণ আপনি হয়ত জানেন না কিন্তু তিনি সর্বত্র বিরাজমান! ঈশ্বর-আল্লা-বুদ্ধ-গড সকলকে সুপথে চালনা করুন, এই প্রার্থনা করি।

    1. অতিথি ভাইয়ের মন্তব্য অসাধারণ
      অতিথি ভাইয়ের মন্তব্য অসাধারণ লাগলো ! আপনি এইসব বিষয় নিয়ে আমাদের ইস্টিশনে নিয়মিত লিখলে আমরা অবশ্যই আপনাকে স্বাগত জানাবো ! 🙂

    2. বিশ্বাস যতদিন থাকবে
      বিশ্বাস যতদিন থাকবে ইশ্বর/আল্লাহ/ভগবান/গড কেউ আছেন ততদিন বিশ্বাসে রঙ মাখামাখি হবে। কারো বিশ্বাস দুর্বল বা কারো বিশ্বাস শক্তিশালী, কারো বিশ্বাস ভুল বা কারো বিশ্বাস সঠিক; এই বিরোধ থাকবেই। মানবতার পক্ষে কোন ধর্মই কাজ করে না। তাই ইশ্বর-আল্লাহ-বুদ্ধ-ভগবান এদের বিশ্বাস মনে রেখে মানবতার ধর্ম পালন করা কঠিন কারণ এরা বললেই মানবতার পশ্চাদ্দেশে লাথি চালাতে হয়।

      1. @সাবরিনা ফেরদৌস, দিদি,
        @সাবরিনা ফেরদৌস, দিদি, মানুষের মনের ভিতরে থাকা বদ্ধমূল বিশ্বাসকে এভাবে এতো সহজে, এক ঝটকায় উৎপাটন করা কি যায়? তার জন্য সময় দিতে হয়, শিক্ষা, আধুনিকতা, প্রগতি ও উন্নয়ন, অনেকগুলো ব্যাপার এক সঙ্গে কাজ করলে তবেই মানুষের মন থেকে অন্ধ বিশ্বাস সরতে পারে। সে জন্যই বলছি ধর্ম বিশ্বাস থাকুক, কিন্তু তা নিজের মনের ভেতরে থাকুক, বাইরে প্রকাশ করলেই যত সমস্যা! এসব নিয়ে পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ইসলামিক স্কলারদের উচিৎ আরও বেশী করে এগিয়ে আসা, ইসলামিক ফান্ডামেন্টালিসম এর বিরুদ্ধে সমগ্র শুভবুদ্ধি সম্পন্ন শিক্ষিত মুসলমান নাগরিক সমাজের গর্জে ওঠা দরকার আরও দ্বিগুণ সিংহনাদে। কমিউনিটির ভেতর থেকে আওয়াজ ওঠাটা সবচেয়ে জরুরী। যে কারণে এই সুন্দর সাইট ইস্টিশানের এই পোষ্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এই ইতিহাসগত ডায়লগগুলো আরও বেশী করে প্রকাশ্যে হওয়া দরকার। আপনারা শুরু করেতে পেরেছেন, আপনাদের অভিনন্দন।

        @শেহজাদ আমান, ভাই আপনার প্রস্তাবটি বেশ। সময় পেলে কখনও এখানে কিছু লেখবার বাসনা রইলো। 🙂

  8. ১৪শ বছর আগে মোহাম্মদ (স)কে
    ১৪শ বছর আগে মোহাম্মদ (স)কে নিয়ে চুলকানি ছিল এক শ্রেণীর মানুষের এখনো আছে! কেয়ামত পর্যন্ত থাকবে! কিন্তু তারা এর কোন কুল কিনার করতে পারবে না শুধুমাত্র সমালোচনা করেই যাবে! এই সমালোচনার ও বিশেষ কারণ আছে ১/২জন শয়তান মুসলমান! যাদের কারণে হাজার মুসলমান সমালোচিত হচ্ছে সাথে ধর্ম ও

      1. বাঘের মুখে পা দিলে বাঘ যদি
        বাঘের মুখে পা দিলে বাঘ যদি কামড় দেয় তাতে বাঘের কি দোষ ?? আগেও যারা নেতিবাচক ছবি এঁকেছিল তাদের অবস্থা দেখার পরেও এমন ছবি আঁকে যে, সে কি ভাল মানুষ ??

        সে কি নিজেই নিজের কবর খুঁড়ে রাখেনি ? তার কি লেখার বিষয়ের অভাব ছিল ?? তাহলে এই লেখার উদ্দেশ্য কি ??

    1. এই সমালোচনার ও বিশেষ কারণ আছে
      এই সমালোচনার ও বিশেষ কারণ আছে ১/২জন শয়তান মুসলমান! যাদের কারণে হাজার মুসলমান সমালোচিত হচ্ছে সাথে ধর্ম ও// এই শয়তান মুসলমানদের নিয়ে কি করা যায় বলুনতো ভাই?

  9. একজন বিধর্মী কিংবা নাস্তিক কি
    একজন বিধর্মী কিংবা নাস্তিক কি করবে সেটা নির্ধারন করে দিবে মুসলিমরা, আর সেটা না মানলে কল্লা কেটে নেওয়া হবে, এতে এত কথা বলার কি আছে। হাজার হোক ইসলামই একমাত্র ছান্তির ধর্ম।
    অদ্ভুত!!!!!!!!!!!!!!!!

    এই যুগে এসে ১৪০০ বছর আগের বিধান গুলো মেনে চলার দিবা স্বপ্নে যারা বিভোর হয়ে আছেন তাদের উচিত সব ছেড়ে বনে গিয়ে বাস করা।

    পোস্টটা ভালো লেগেছে
    :থাম্বসআপ:

  10. এত শত কার্টুন আর গালিগালাজ
    এত শত কার্টুন আর গালিগালাজ করে কি লাভ হয়েছে শুনি। মুহাম্মদ সাঃ কে তার অনুসারীরা কখনই ত্যাগ করবে না।
    মুহাম্মদ সাঃ কে তার অনুসারীরা এতটাই ভালবাসেন যে , মাঝে মধ্যে হিটলার হয়ে উঠতে বাধ্য হন। এই আর কি।

    কল্লা যার যায়, সে যেন একটু ভেবে দেখে – ইটটি মারলে কিন্তু পাটকেলটি খেতে হয়।

  11. মিথ্যাতথ্য, অঙ্হতা ও নীচতার বর্হিপ্রকাশ এই লেখনী।ঙ্নাণী মানুষের সাথে মূর্খ যখন তর্কে মাতে তখন সে অশালীন পথ বেছে নেয়।যেমনটি এই লেখক করেছেন। যার ধর্ম, তার কাছে।অন্যের ধর্মানুভূতিতে আঘাত করার কোন অধিকার আপনার নাই। এতে শুধু আপনার নীচতা,হীনতা এবং দীনতা প্রকাশ পেয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

25 − = 21