সেই সন্ত্রাস, এই সন্ত্রাস

শার্লি হেবদোর হামলাকারী দুই সন্ত্রাসী ইতিমধ্যে ফ্রেঞ্চ পুলিশদের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছে। সন্ত্রাসী দুইজন শরিফ কোয়াচি এবং সাইদ কোয়াচি নামে দুই ভাই। তারা ফ্রেঞ্চ নাগরিক এবং আলজেরিয়ান বংশদ্ভুত। ফ্রান্স এবং আলজেরিয়া, এই দুই দেশের নাম উপনিবেশের কিছু স্মৃতি সজাগ করে দেয়। গত শতকের পশ্চিমা উপনিবেশ বিরোধী সংগ্রাম আর বর্তমানের ইসলামি সন্ত্রাসবাদের তুলনামূলক একটা চিত্র মাথায় চলে আসে। মাথায় না এসে উপায়ও নাই। পশ্চিমা উপনিবেশ বিরোধী সংগ্রামের ময়দান কিভাবে মৌলবাদী সন্ত্রাসের দখলে চলে গেলো আর সংগ্রামের প্রতিকগুলো কিভাবে সন্ত্রাসের প্রতিকে পরিণত হলো তা নিয়া প্রাক্তন উপনিবেশের দাস এবং বর্তমানে একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ও স্বাধীন সেকুলার রাষ্ট্রের নাগরিক হিসাবে আমাদের চিন্তা করে দেখা দরকার।

 


ছবিঃ শরিফ কোয়াচি এবং সাইদ কোয়াচি

গত শতকের মাঝামাঝি সময়ে ফ্রান্সের উপনিবেশ ছিল আলজেরিয়া। ফ্রেঞ্চ উপনিবেশের বিরুদ্ধে আলজেরিয়ার মুক্তি সংগ্রাম সেই সময় আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি সারা দুনিয়ায় পশ্চিমা উপনিবেশের হাতে নির্যাতিত ও লাঞ্ছিত জনগণের কাছে অনুপ্রেরণার নাম হয়ে উঠেছিল। যে মুজাহিদরা ফ্রেঞ্চ উপনিবেশের বিরুদ্ধে এই স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিল তাদের সংগঠনের নাম ছিল এফএলএন (ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট)। তাদেরকে মুজাহিদ বলছি কারণ তাদের মুখপত্র পত্রিকার নাম ছিল আল মুজাহিদ (El Moudjahid)। এই আল মুজাহিদ পত্রিকাতেই লিখতেন পোস্ট কলোনিয়ালিজমের অন্যতম তাত্ত্বিক গুরু ফ্রানৎস ফাঁনো। এফএলএন কোন ইসলামি সংগঠন ছিল না। খাতা কলমে সমাজতান্ত্রিক এই সংগঠনটি ছিল আলজেরিয়ান জাতীয়তাবাদী সংগঠন। সেই সময় সারা দুনিয়াতেই উপনিবেশ বিরোধী জাতীয় সংগ্রামে সমাজতান্ত্রিক আইডিওলজি যুক্ত করে নেয়ার একটি বাস্তব ও কৌশলগত প্রবনতা জাতীয়তাবাদী সংগঠনগুলার মধ্যে ছিল। মার্কিন বলয়ের ইউরোপিয় কলোনিয়াল শক্তিগুলোর বিপরীতে সোভিয়েত সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা পাওয়ার ক্ষেত্রে এই সমাজতন্ত্রঘেসা জাতীয়তাবাদ সেই সময় গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আলজেরিয়ার মতোই ইরাক, সিরিয়ার বাথ পার্টি কিংবা বাংলাদেশের আওয়ামীলীগ এভাবেই সমাজতন্ত্রকে নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয়ে যুক্ত করে নিয়েছিল। আলজেরিয়ার মুক্তিসংগ্রামে নেতৃত্ব দিলেও এফএলএনকে তৎকালিন ফ্রান্স এবং তার বন্ধু রাষ্ট্রগুলো সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসাবে আখ্যায়িত করেছিল। এফএলএন বাস্তবিকই গেরিলা হামলা ও সন্ত্রাসবাদী তৎপরতার মধ্য দিয়ে তাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম পরিচালনা করেছে। ফ্রান্সের কাছে যা সন্ত্রাস, এফএলএন ও স্বাধীনতাকামী আলজেরিয়ানদের কাছে তাই ছিল সংগ্রাম। এফএলএনএর উপনিবেশ বিরোধী সংগ্রামে ভায়োলেন্স ব্যবহারের ইন্টেলেকচুয়াল বৈধতা এবং যৌক্তিকতা তুলে ধরার কাজটা সেই সময় করে গেছেন ফ্রানৎস ফাঁনো। উপনিবেশের সাইকো এনালিসিস সেই কারণেই করেছিলেন। উপনিবেশ যে অর্থনীতির পাশাপাশি ক্রমাগত দৈহিক ও মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে গোটা একটি জাতিকেই মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন করে তুলতে পারে এবং সেই জাতির বহু মানুষের নানাবিধ মনবৈকল্যের পেছনে যে উপনিবেশ সরাসরি ভুমিকা রাখতে পারে এই বিষয়টি প্রথম তুলে ধরেছিলেন ফ্রানৎস ফাঁনো। উপনিবেশ যেহেতু একটি সহিংস প্রকল্প তাই উপনিবেশ থেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে মুক্ত হওয়ার প্রকল্পটিও সহিংস হওয়াই স্বাভাবিক, মোটামুটি এই ছিল ফাঁনোর সহিংসতা বিষয়ক তাত্ত্বিক অনুমোদন। আলজেরিয়ার মতোই বাঙালি জাতিও সহিংস সংগ্রামের মধ্য দিয়েই স্বাধীনতা লাভ করেছিল একাত্ত্বরে। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান ও তাদের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো বাংলাদশের মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সন্ত্রাসী, দুস্কৃতিকারী যাই বলেই আখ্যা দিক না কেনো, আমাদের কাছে তারা কেবলি মুক্তিযোদ্ধা।

বোরকার ভেতরে বোমা লুকিয়ে আত্মঘাতি হামলার ঘটনা প্রথম ঘটেছিল খুব সম্ভবত আলজেরিয়াতেই। এফএলএনএর নারী সদস্যরা বোরকার ভেতরে লুকিয়েই অস্ত্র পাচার করতেন, বোরখার নিচে বোমা বেধে তারা বহু আত্মঘাতি হামলাও চালিয়েছে। এফএলএন ইসলামী সংগঠন না হলেও আলজেরিয়ার আলেম উলামাদের সংগঠন ‘উলামা’ এফএলএনএর অধিনেই স্বাধীনতা সংগ্রামে যুক্ত ছিল। ফলে বামপন্থী জাতীয়তাবাদী এফএলএন আলজেরিয়ার মুসলিম মানসকেও তাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মস্থ করে নিয়েছিল। কিন্তু এফএলএনকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আখ্যা দিলেও ফ্রান্স কিংবা পশ্চিমা বিশ্ব এই সন্ত্রাসকে কখনোই ইসলামী সন্ত্রাস হিসাবে চিহ্নিত করে নাই। আল মুজাহিদ পত্রিকা, বোরকার ভেতরে বোমা লুকানো আত্মঘাতি হামলাকারী কিংবা উলামা নামক ধর্মীয় ফ্যাকশন এর কোনকিছুই সেই সময় ‘ইসলামিজম’ অথবা ‘ইসলামী সন্ত্রাস’ বলে চিহ্নিত হতো না। কারণ তৎকালিন দুনিয়ায় পশ্চিমের প্রধান উদ্বেগের বিষয় ছিল কমিউনিজম, ইসলাম নয়। সব সংগ্রাম অথবা সন্ত্রাসের পেছনে সেই সময় কমিউনিজমকে চিহ্নিত করা হতো, ইসলামিজমকে নয়। এখন যেহেতু কমিউনিজম নাই, তাই ফিলিস্তিনের মুক্তির জন্যে বোরকার নিচে বোমা বাধা আত্মঘাতি হামলাকারি এমনকি ইরাকের বাথিস্ট সাদ্দাম হোসেইনও ইসলামিস্ট হয়ে যান।

বর্তমান পৃথিবীতে ইসলামী সন্ত্রাসবাদের উত্থানের পেছনে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর নয়া উপনিবেশি রাজনৈতিক প্রকল্পের দায় অস্বিকার করার কোন উপায় নাই। আফগানিস্তানের তালিবান কিংবা ইরাক-সিরিয়ার আইসিস পশ্চিমা রাজনৈতিক প্রকল্পের কারণেই জন্ম হয়েছে। তালিবানদের জন্ম হয়েছিল আফগানিস্তানে সোভিয়েত বিরোধী প্রকল্প হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও অর্থ সাহায্যের বদৌলতে। আইসিসের জন্ম হয়েছে ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বে পশ্চিমা শক্তিগুলোর দখলদারিত্ব এবং সিরিয়ায় বাশার আল আসাদ বিরোধী ইসলামিস্টদেরকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর অর্থ, অস্ত্র ও ট্রেইনিং সহায়তার ফলে। মার্কিন ও ন্যাটোর সহজোগিতা পেয়েই সিরিয়ায় আইসিস এবং জাবাত আল নুসরার উত্থান ঘটেছে। এসব কোন কন্সপায়রেসি তত্ত্ব না, ওপেন সিক্রেটও না, বরং বাস্তবতা। জ্বালানী সম্পদসহ অন্যান্য বিভিন্ন লোভের কারণে পশ্চিমা রাজনৈতিক শক্তিগুলো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মুসলিম প্রধান রাষ্ট্রগুলোতে নয়া ঔপনিবেশিক কর্তৃত্ব বহাল রাখতে গিয়ে যেসব গোপন এবং প্রকাশ্য রাজনৈতিক প্রকল্প গ্রহণ করেছে তার বদৌলতেই এধরণের বহু দেশে ইসলামী সন্ত্রাসবাদ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি হিসাবে আবির্ভুত হয়েছে। এই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পশ্চিমা শক্তিগুলোকে নতুন আগ্রাসনের বৈধতা যুগিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের রাজনৈতিক প্রকল্পের ফলে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে লাখ লাখ জনতা নিহত হয়েছে গত এক দশকে। এই নিহতদের অধিকাংশই সাধারণ মানুষ ছিলেন, তারা কার্টুনও আঁকে নাই, কার্টুনিস্টদের মারতেও যায় নাই। আমরা এখন ইউরোপের মানুষদের বাকস্বাধীনতার কথা বলছি, তখন মধ্যপ্রাচ্যের ঐ লাখো মানুষের বেঁচে থাকার স্বাধীনতা যেমন আমরা দিতে পারি নাই, তেমনি যারা এখন বেঁচে আছে তাদের জাতিগত স্বাধীনতাও একটি সূদুরপরাহত বিষয়।


ছবিঃ গতমাসে আইএস কর্তৃক প্রকাশিত আইএস ব্যবহৃত এন্টি ট্যাংক মিসাইলের ছবি। এই এন্টি ট্যাংক মিসাইল ইউএস নির্মিত যা সিরিয়ান বিদ্রোহীদের দেয়া হয়েছিল।

কিন্তু উপনিবেশ যে নিজের খোড়া গর্তে নিজেই পরতে যাচ্ছে ফ্রান্সের শার্লি হাবদোর অফিসে হামলার ঘটনায় তা আবারো পরিস্কার হলো। ইউরোপের বিভিন্ন উপনিবেশের উপনিবেশিত জনতার একটা বড় অংশ নিজ দেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশিলতা থেকে বাঁচতে এবং একটু ভালো জীবন যাপনের উদ্দেশ্যে উপনিবেশক প্রভুদের দেশে পাড়ি জমিয়েছে গত এক শতক ধরেই। এদের অনেকেই ইউরোপের মূল ধারার সাথে মিশে যেতে পারলেও একটা বড় অংশই পশ্চিমা বিশ্বের অপেক্ষাকৃত দরীদ্র ও বঞ্চিত জনগণের অংশ। এই জনতার একটা বড় অংশ মুসলমান, যারা মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপ-আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছে। ইউরোপে সবচাইতে বেশি মুসলিম সংখ্যালঘুর দেশ হলো ফ্রান্স। মোট জনসংখ্যার ১২ শতাংসই মুসলমান। সংখ্যালঘু হিসাবে এটা খুবি বড় একটি পার্সেন্টিজ। এই বারো শতাংসের মধ্যে যেমন কোয়াচি ভাইদের মতো সন্ত্রাসীরা আছে তেমনি আহমেদ মেরাবেতের (যেই মুসলিম পুলিশ এই দুই সন্ত্রাসীকে বাধা দিতে গিয়ে নিহত হয়েছেন) মতো অনুগত ফ্রেঞ্চ নাগরিকরাও আছেন। বারো শতাংসের খুব ছোট একটা অংশকেই ইসলামিস্ট অথবা জিহাদী বলা যাবে। কিন্তু যেই বিষয়টি লক্ষ্যনিয় তা হলো ফ্রান্সের কারাগারে ৭০ শতাংস অপরাধীই হলো মুসলমান। এই পরিসংখ্যানটির অর্থ এই না যে মুসলমানদের মধ্যে ধর্মগত কারণে অপরাধ প্রবনতা বেশি, সেই উদ্দেশ্যে পরিসংখ্যানটি উল্লেখও করছি না। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশেই এমন লোকের অভাব নাই যারা এই পরিসংখ্যানটি মুসলমানদের অপরাধ প্রবনতার প্রমান হিসাবে হাজির করতে পারে। তাই আমাদের আলোচনা পরিস্কার করার জন্যে উল্লেখ করা দরকার যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান আমেরিকান নাগরিকরাও মূল জনসংখ্যার ১২-১৩ শতাংস, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেলখানায় আফ্রিকান আমেরিকান জনসংখ্যা ৪০ শতাংস, অতীতে এই পার্সেন্টেজ আরো বেশি ছিল।। এর মানে এই না যে আমেরিকার আফ্রিকান বংশদ্ভুত কালো চামড়ার নাগরিকরা তাদের গায়ের রঙ অথবা ঐতিহ্যের কারণে তাদের মধ্যে অপরাধ প্রবনতা বেশি, এবং অতীতে আরো বেশি ছিল। আমেরিকার কালো জনগণ এবং ফ্রান্সের মুসলিম জনগণের মধ্যে মিল একটা জায়গাতেই, এরা সমাজের অপেক্ষাকৃত দরিদ্র, বঞ্চিত এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠির অংশ। আর্থ সামাজিক বাস্তবতার কারনেই এই শ্রেণীর জনগণ অপরাধে বেশি জড়ায়।

ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোর পরিস্থিতি ফ্রান্সের মতো এতো গুরুতর না হলেও সেসব জায়গার সামাজিক প্রেক্ষাপটও কাছাকাছি। ইউরোপের প্রায় সব দেশেই মুসলমানরা এখন অন্যতম ধর্মীয় সংখ্যালঘু। আর্থ সামাজিক দিক থেকেও তাদের বড় অংশই পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠির অংশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দরীদ্র আফ্রিকান আমেরিকানরা হয় গ্যাংস্টার, আর ইউরোপের পিছিয়ে থাকা মুসলমানরা হয় জিহাদী। তবে ফ্রান্স এইক্ষেত্রে এগিয়ে আছে। ইরাক-সিরিয়ায় ইউরোপ থেকে যে পরিমান জিহাদী যোগ দিয়েছে, তার মধ্যে ফ্রান্সের জিহাদীদের সংখ্যাই সবচাইতে বেশি। সিরিয়ার বাশার আল আসাদ সরকারকে উৎখাত করার জন্যে ন্যাটোভুক্ত দেশ হিসাবে ফ্রান্সও এই বিষয়ে একরকম চোখ বন্ধ করেই ছিল। ফলে সাতশর বেশি ফ্রেঞ্চ নাগরিক ইরাক-সিরিয়ায় যুদ্ধ করতে গেছে। শার্লি হেবদোর হামলার ঘটনার পর পিটার বার্গম্যান এবং এমিলি শ্নাইডার লিখিত একটি সিএনএন প্রবন্ধে ফ্রান্সের মুসলিম জনগোষ্ঠির আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রবন্ধ অনুযায়ি, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একজকন গবেষকের মতে, ফ্রান্সের মুসলিমদেরকে চাকড়ির ইন্টারভিউতে ডাকার চাইতে সমযোগ্যতার একজন খ্রিষ্ঠানকে ডাকার সম্ভাবনা আড়াই গুন বেশি এবং মুসলমানদের আয় সমযোগ্যতার খ্রিষ্ঠানদের চাইতে পনের শতাংস কম। একি প্রবন্ধে বলা হয়েছে, অধিকাংশ মুসলমানরা বসবাস করে এমনসব বস্তি জাতীয় এলাকায় যেসব এলাকার মুসলিম জনগণ মূলত ফ্রান্সের সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন, সিএনএনের ভাষায় এরা ‘মূল ধারার ফ্রেঞ্চ সমাজ থেকে তালাকপ্রাপ্ত’। এসব এলাকা ফ্রান্সে ‘স্পর্শকাতর শহুরে মহল্লা’ হিসাবে পরিচিত, যেখানে বেকারত্বের হার ৪৫ শতাংসের বেশি। কার্ল মার্ক্স যেমন বলেছিলেন “ধর্ম হলো জনগণের আফিম” তেমনি বলেছিলেন “ধর্ম হলো শোষিতের দীর্ঘশ্বাস”। ইউরোপিয় কলোনাইজেশন যে নতুন পৃথিবীর জন্ম দিয়েছে এবং সেই পৃথিবীর শোষিত উপনিবেশিত জনগণ যখন জাতীয়তাবাদী ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সেকুলার সংগ্রামে ব্যর্থ হয়েছে (এর পেছনেও পশ্চিমের দায় এবং হস্তক্ষেপ বেশি দায়ি), তখন শ্রেণী সচেতন সংগ্রামের বদলে অচেতন ধর্মীয় সন্ত্রাসের দীর্ঘশ্বাস পরছে সভ্যতার ঘাড়ে। স্বাভাবিক ভাবেই। তবে অচেতন সহিংস সন্ত্রাস বৈষম্য কমাতে কোন ভুমিকা রাখবে না, বরং বৈষম্য, সাম্প্রদায়িকতা ও ঘৃনা বাড়িয়েই তুলবে। ইউরোপের মুসলিম জনগণও বঞ্চিত ও লাঞ্ছিতই হতে থাকবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৯ thoughts on “সেই সন্ত্রাস, এই সন্ত্রাস

  1. সমাজতন্ত্র এমনিতেই আমার মাথার
    সমাজতন্ত্র এমনিতেই আমার মাথার উপর দিয়ে যায়। কিছুই বুঝলাম না। ঘটনাটা কি এরকম , আলজেরিয়া একসময় ফ্রান্সের উপনিবেশ ছিল, উপনিবেশ থেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে মুক্ত হওয়ার জন্য কোয়াচি ভাইদ্বয় আল্লাহু আকবর বলে একটা পত্রিকা অফিসে যেয়ে ধুপধাপ করে বার জনকে মেরে ফেললো? আলজেরিয়া জিন্দাবাদ বা ফ্রান্স মুর্দাবাদ টাইপের কিছু বলে তাঁরা যদি গুলি আরম্ভ করতো তাহলেও একটা কথা ছিল। তাঁরাতো আল্লাহু আকবর বলেছে। আচ্ছা, এটা তাহলে তাঁদের দীর্ঘশ্বাস!
    আমার মনে হয় আলজেরিয়ার কোয়াচি ভাইয়েরা শারীরিক ও মানসিকভাবে মুক্ত হবার মন্ত্র কোরআন ও হাদিসে খুঁজে পেয়েছিলো আর সে অনুযায়ী কাজ করেছে। মুসলমানের কাছে নিশ্চই তাঁরা বীর যোদ্ধা, শহীদ। বিশাল ভারত একসময় ব্রিটিশের উপনিবেশ ছিল। তিতুমির ব্রিটিশদের ভাগাতে কাজ করেছিলো আমরা এটাই জানতাম। সেই হিরো তিতুমির এখন জিরো হয়ে গেছে কারণ সে স্বাধীনতা নয় ইসলামী খেলাফতের জন্য কাজ করেছিলো। কোয়াচিরাও তাই চায়। তাঁদের কাছে অন্যকোন স্বাধীনতা বা শাসক অর্থহীন। মূল টার্গেট একজন খলিফার শাসন আর দারুল ইসলাম। মুসলমানের এই স্বপ্নকে কেউ যদি কাজে লাগায় তাঁর জন্য দায়ী পিছনে পড়ে থাকতে চাওয়া মুসলমানের ইসলাম।

    1. জ্বি না, আপনি প্রথম প্যারায়
      জ্বি না, আপনি প্রথম প্যারায় যা বলেছেন মোটেই তা বলা হয় নাই বরং আপনি দ্বিতীয় প্যারায় যা বলেছেন পোস্টে মোটামুটি তাই বলা আছে।

      1. দ্বিতীয় প্যারায় বলেছি
        দ্বিতীয় প্যারায় বলেছি কোয়াচিরা দারুল ইসলাম চায়। আর আপনার প্রথম এবং দ্বিতীয় প্যারা পড়ে আমার উপলব্ধিটা ছিল আমার প্রথম প্যারাতে। কি জানি! আমার জ্ঞান বুদ্ধি একেবারেই নিম্নস্তরের আগেই স্বীকার করে নিচ্ছি।

        1. শার্লি হেব্দোর সব থেকে
          শার্লি হেব্দোর সব থেকে গাজাখুরি দৃশ্যটি ছিলো যখন কথিত টেরোরিস্টরা নিচ দিক দিয়ে হেটে যাচ্ছিল তখন অনেক নিরাপত্তা কর্মী বিল্ডিং এর ছাদ থেকে তাদের পর্যবেক্ষণ করছিলো। তারা কিন্তু তখন ইচ্ছা করলেই তাদের থামিয়ে দিতে পারত। এরপর কথিত টেরোরিস্টদের দুই জন এক দিকে চলে গেল আর বাকি দুইজন আরেক দিকে গেলো। তারপর হত্যাকাণ্ডটি সংগঠিত হল। চলে যাওয়ার সময় তারা আবার তাদের আইডি কার্ডও রেখে গেলো । এ থেকেই প্রমানিত হয় যে পুরো ঘটনাটি 9/11 এর মত একটি সাজানো ঘটনা ছিলো। আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল ফ্রান্স সরকার যেই ভিডিওটা ছাড়ছে সেখানে এক টেরোরিস্টরা আহমেদ মারাবাটের মাথায় গুলি করছে কিন্তু আহমেদ মারাবাটের মাথা থেকে কোন রক্ত বের হয় নি। আর পত্রিকা অফিসের ভিতরেও তো সিসি ক্যামেরা ছিল। তো সাহস থাকলে ফ্রান্স সরকার শার্লী হেব্দোর অফিসের ভিতরে কিভাবে হত্যাকান্ড ঘটেছে এর ভিডিও টা প্রকাশ করুক। এই ঘটনাটা যে ইসরাঈল করেছে এর সব প্রমান এখানে https://www.youtube.com/watch?v=zriVAbO040c

        2. শার্লি হেব্দোর সব থেকে
          শার্লি হেব্দোর সব থেকে গাজাখুরি দৃশ্যটি ছিলো যখন কথিত টেরোরিস্টরা নিচ দিক দিয়ে হেটে যাচ্ছিল তখন অনেক নিরাপত্তা কর্মী বিল্ডিং এর ছাদ থেকে তাদের পর্যবেক্ষণ করছিলো। তারা কিন্তু তখন ইচ্ছা করলেই তাদের থামিয়ে দিতে পারত। এরপর কথিত টেরোরিস্টদের দুই জন এক দিকে চলে গেল আর বাকি দুইজন আরেক দিকে গেলো। তারপর হত্যাকাণ্ডটি সংগঠিত হল। চলে যাওয়ার সময় তারা আবার তাদের আইডি কার্ডও রেখে গেলো । এ থেকেই প্রমানিত হয় যে পুরো ঘটনাটি 9/11 এর মত একটি সাজানো ঘটনা ছিলো। আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল ফ্রান্স সরকার যেই ভিডিওটা ছাড়ছে সেখানে এক টেরোরিস্টরা আহমেদ মারাবাটের মাথায় গুলি করছে কিন্তু আহমেদ মারাবাটের মাথা থেকে কোন রক্ত বের হয় নি। আর পত্রিকা অফিসের ভিতরেও তো সিসি ক্যামেরা ছিল। তো সাহস থাকলে ফ্রান্স সরকার শার্লী হেব্দোর অফিসের ভিতরে কিভাবে হত্যাকান্ড ঘটেছে এর ভিডিও টা প্রকাশ করুক। এই ঘটনাটা যে ইসরাঈল করেছে এর সব প্রমান এখানে https://www.youtube.com/watch?v=zriVAbO040c

      2. ভাই, আপনার পোস্ট আমিও
        ভাই, আপনার পোস্ট আমিও সাবরিনার মতই বুঝেছি। হয়ত আরো অনেকেই এরকম বুঝেছে। যখনই কোন জিহাদী ইউরোপে জিহাদ চালায় তখনই সেইসব খুনিদের ইউনিবেশিক শাসনের ক্ষত-জ্বালা-অপমান ইত্যাদি বলে বুঝানো হয়- এগুলো আসলে ইউনিবেশিক শক্তির শোষনের প্রতিক্রিয়া- এর মধ্যে ইসলামের কোন নামগন্ধ নাই! আমরা তো পড়ে তাই বুঝলাম।

        1. আমিও একই জিনিস বুঝলাম। এটা কি
          আমিও একই জিনিস বুঝলাম। এটা কি পাঠকের নাকি লেখকের ব্যর্থতা? মৌলিক ও বিতর্কিত বিষয়গুলোর আলোচনা স্পষ্টভাবেই আসা উচিত।

          1. পশ্চিমা উপনিবেশ বিরোধী

            পশ্চিমা উপনিবেশ বিরোধী সংগ্রামের ময়দান কিভাবে মৌলবাদী সন্ত্রাসের দখলে চলে গেলো আর সংগ্রামের প্রতিকগুলো কিভাবে সন্ত্রাসের প্রতিকে পরিণত হলো তা নিয়া প্রাক্তন উপনিবেশের দাস এবং বর্তমানে একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ও স্বাধীন সেকুলার রাষ্ট্রের নাগরিক হিসাবে আমাদের চিন্তা করে দেখা দরকার।

            উপনিবেশ বিরোধী সংগ্রাম আর মৌলবাদী সন্ত্রাস যে এক জিনিস না বরং একটির জায়গা আরেকটি দখল করে নিয়েছে সেই বিষয়টি লেখায় পরিস্কারভাবে বলেছি উপরের লাইনগুলোতে।

            পৃথিবীর শোষিত উপনিবেশিত জনগণ যখন জাতীয়তাবাদী ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সেকুলার সংগ্রামে ব্যর্থ হয়েছে (এর পেছনেও পশ্চিমের দায় এবং হস্তক্ষেপ বেশি দায়ি), তখন শ্রেণী সচেতন সংগ্রামের বদলে অচেতন ধর্মীয় সন্ত্রাসের দীর্ঘশ্বাস পরছে সভ্যতার ঘাড়ে।

            সাম্রাজ্যবাদবিরোধী জাতীয়তাবাদী, সেকুলার এবং বামপন্থী শ্রেণী সচেতন সংগ্রামের ব্যর্থতার ফলেই যে কুয়াজি ভাইদের মতো সন্ত্রাসীদের অচেতন ধর্মীয় সন্ত্রাসের সৃষ্ঠি হয়েছে তা স্পষ্টভাষাতেই উল্লেখ করেছি। সচেতন সংগ্রাম আর অচেতন সন্ত্রাসের পার্থক্য স্পষ্ট ভাষায় দেখানোর পরও কি কারণে আপনারা ভুল বুঝছেন আমি বুঝতে পারছি না।

            শার্লি হেবদোর হামলাকারী দুই সন্ত্রাসী ইতিমধ্যে ফ্রেঞ্চ পুলিশদের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছে। সন্ত্রাসী দুইজন শরিফ কোয়াচি এবং সাইদ কোয়াচি নামে দুই ভাই। তারা ফ্রেঞ্চ নাগরিক এবং আলজেরিয়ান বংশদ্ভুত।

            এফএলএন কোন ইসলামি সংগঠন ছিল না। খাতা কলমে সমাজতান্ত্রিক এই সংগঠনটি ছিল আলজেরিয়ান জাতীয়তাবাদী সংগঠন।

            ফ্রান্সের কাছে যা সন্ত্রাস, এফএলএন ও স্বাধীনতাকামী আলজেরিয়ানদের কাছে তাই ছিল সংগ্রাম।

            উপরের লাইনগুলাতেই কারা সন্ত্রাসী আর কারা জাতীয়তাবাদী সংগ্রামের সংগঠন সেটাও পরিস্কার ভাষায় বলা হয়েছে। কোয়াচি ভাইদের মতো ইসলামিস্টদের সন্ত্রাসকে কি এই লেখায় একটিবারও ‘সংগ্রাম’ বলা হয়েছে? হয় নাই। তাহলে দুইটা এক মনে হচ্ছে কোন জায়গায়?

            ব্যর্থতা লেখক এবং পাঠক যে কারো হতে পারে, দুই পক্ষেরও হতে পারে। যদিও আমার পোস্টের কোথাও জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম এবং ইসলামী সন্ত্রাসকে এক করা হয় নাই তাও আপনাদের প্রশ্নের জবাবে লেখকের দায় মেটাতে এই লাইনগুলো কোট করে তুলে দিলাম। এরপরেও যদি স্পেসিফিকলি বলেন যে কোন জায়গাগুলা আপনাদের ধারণার পেছনে শক্তি জুগিয়েছে তাহলে সেসব জায়গায় শোধরানো অথবা ব্যখ্যা করার সুযোগ থাকলো। @ দুলাল ভাই এবং সাবরিনা আপা

  2. ইউরোপে ধর্মীয় সংখ্যা লঘু মসুল
    ইউরোপে ধর্মীয় সংখ্যা লঘু মসুল মানরা চাকরী সহ নানা সামজিক ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। কিছু কিছু দেশে মুসলিম বিদ্বেষ বাড়ছে। তারই প্রতিক্রিয়া হিসেবে মুসলমানদের মধ্যেও পশ্চিমা সমাজ ব্যাবস্থার প্রুতি ক্ষোভ বাড়া টাও অস্বাভাবিক নয়। সবই ঠিক আছে। কিন্ত বরাবরের মত একটি বিষয়কে আবারো পাশ কাটিয়ে গিয়েছেন। সম্ভবত ইসলাম হল পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে কট্টর পন্থী ধর্ম এবং মুসলমানরা তাদের ধর্ম ও ধর্ম গুরুর ব্যাপারে সবচেয়ে স্পর্শ কাতর। তারা তাদের নবির ছবি , কার্টুন , সমালোচনা কোণ কিছুই গ্রহন করতে রাজী নয়। অবস্থা দৃষ্টিতে মনে হয় মুসলমানরা আল্লাহ কে নিয়ে যত মাথা ঘামায় তার চেয়ে অনেক বেশী ঘামায় তাদের নবীকে নিয়ে । হুমায়ুন আজাদ যথার্থই বলেছিলেন ” হিন্দুরা মূর্তি পুজারি, আর মুসলমানরা ভাব মূর্তি পূজারী।” ইউরোপের উদার গণতান্তিক দেশ গুলো তে ইহুদি , খ্রিষ্টাণ ধর্ম গুলোর প্রকাশ্য সমালোচনা হয় কিন্ত তাতে তেমন কোন প্রুতিক্রিয়া হয় না । কিন্ত নিজ ধর্ম নিয়ে মুসলমানদের অতি মাত্রায় স্পর্শ কাতরতাই এই জাতীয় সন্ত্রাসী হামলার প্রতি মুল প্রেরনা হিসেবে কাজ করে।

    1. সমগ্র পৃথিবীতে ধর্ম নিয়ে
      সমগ্র পৃথিবীতে ধর্ম নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত সন্ত্রাসী কার্মকান্ড মুসলমানরাই করে। পৃথিবীটাকে অস্থির করে তুলছে। পৃথিবী ব্যাপি শান্তির জন্য এসব ধর্মীয় মুভমেন্টের বিরুদ্ধে সবাই একজোট হওয়া উচিত।

      1. ইসলাম ধর্ম হল সবচেয়ে কম বয়সী
        ইসলাম ধর্ম হল সবচেয়ে কম বয়সী ধর্ম । একারনেই কিনা জানি না ধর্ম বিষয়ে মুসল মান দের স্পর্শ কাতরাতা একটু বেশীই । তারই রিএকশন এই সব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড । এই স্পর্শ কাতরতার কারনে শুধু মুসলমানদের মধ্যেও এক জোট হওয়া কঠিন ।

        1. তারই রিএকশন এই সব সন্ত্রাসী

          তারই রিএকশন এই সব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ।

          এসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ডকে আপনি সমর্থন করেন না বলেই জানি। আমরা এসব কর্মকান্ডকে সমর্থন যেহেতু করিনা, প্রতিবাদটা হওয়া উচিত স্পষ্ট ও কার্যকরী। আমরা কি সবাই সেই কার্যকরী ভুমিকা রাখছি?

          এই স্পর্শ কাতরতার কারনে শুধু মুসলমানদের মধ্যেও এক জোট হওয়া কঠিন ।

          হাহাহা…. কার্যকরী ও মানুষের উপকারার্থে এই মুলমানরা এক হবে স্বপ্নেও ভাবিনা। এক হলে অবস্থা যে আরো ম্যাচাকার হবে সেটা কি বুঝেন পারভেজ ভাই? এক নবীর এক ধর্মে কত হাজার রকমের ভেদাভেদ…….!!!

    2. বরাবরের মতো এড়িয়ে গেছি এটা
      বরাবরের মতো এড়িয়ে গেছি এটা ভুল অভিযোগ হয়ে গেলো না? গত পোস্টেই তো মুসলমানদের স্পর্শকাতরতার সমালোচনা করে মুহাম্মদের ছবি পোস্ট করলাম। সব পোস্টে কি সবকিছু নিয়ে লেখা যায়? ঐ পোস্টেতো মুসলমানদের ট্যাবু বিরোধীতার বাইরে আর কিছুই ক্রি নাই।

  3. ধর্ম নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত
    ধর্ম নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত সন্ত্রাসী কর্মকান্ড হিন্দুরাও করে।এখনও প্রতিনিয়ত ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে সংখ্যালঘুদের উপর সন্ত্রাসী কর্মকান্ড অব্যাহত আছে।প্রায়ই সব ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড সাধিত হয় সেই সমস্ত সংখ্যালঘুদের উপর।খুন,বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট, ধর্ষন সহ লোকসম্মুখে উলঙ্গ করার মত ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ডের শিকার সংখ্যালঘুরা।এইসব সাম্প্রদায়িক ধর্মান্ধতার নামে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড আমাদের সকলকে একসাথে রুখে দাঁড়াতে হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

1 + 1 =