সমকাম ও ইসলাম। পর্ব -১

মুসলিম উম্মাহর খেলাফতের দাবিদার জঙ্গী সংগঠন আইসিস সম্প্রতি কয়েকজন ব্যক্তিকে সমকামিতার অপরাধে হত্যা করেছে। ইসলামী শরিয়াসম্মত উপায়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার জন্যে তারা সমকামীদের উঁচু বিল্ডিংএর উপর থেকে নিচে ছুড়ে ফেলছে। এরমধ্যে একজন ছাদ থেকে পরে গিয়েও বেঁচে ছিলেন, পাথর ছুড়ে মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত করা হয়েছে। হত্যা করাটাই এখানে মূখ্য, শাস্তির পদ্ধতি অথবা বর্বরতা বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে মাত্র। এমনিতেও সমকামীদের কি উপায়ে শাস্তি দেয়া যেতে পারে এই বিষয়ে ইসলামী আইনে ঐক্যমত খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোরান শরীফে সমকামীদের জন্যে কোন শাস্তির বিধান দেয়া নাই। তাই হাদিস থেকে মুহাম্মদ, আবু বকর, ওমর, আলী প্রমুখের বরাত দিয়ে বিভিন্ন ইসলামী আইন বিশেষজ্ঞরা পাথর ছুড়ে হত্যা করা, আগুনে পুড়িয়ে মারা, উঁচু জায়গা থেকে ফেলে দেয়া, গায়ের উপর দেয়াল ধ্বসিয়ে দেয়া ইত্যাদি বিভিন্ন রকম বিচারের পক্ষে বিভিন্ন সময়ে মতামত দিয়েছেন।

কেউ আবার অপেক্ষাকৃত কম শাস্তি এমনকি একেবারেই কোন শাস্তি না দেয়ার পক্ষেও বলেছেন। আইসিস এসবের মধ্যে উঁচু জায়গা থেকে ছুড়ে ফেলার শাস্তিটি কেনো পছন্দ করেছে জানি না। আইসিসের পূর্বসূরী সৌদি আরবে সমকামিতার অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড হলেও সাধারণত জেল জরিমানাতেই শাস্তি সীমাবদ্ধ রাখার প্রচলন রয়েছে, শুধুমাত্র রাজ্যের আইন চ্যালেঞ্জ করে সমকামিতার অধিকারের পক্ষে কথা বললেই সেখানে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়।

তবে শাস্তির বিষয়ে মতামত দেয়া আর শাস্তি দেয়া এক কথা নয়। ইসলামী আইন গড়ে উঠেছে মধ্যযুগে। মধ্যযুগের ধর্মীয় আইনের কাজ ছিল রাজতন্ত্রের বৈধতা দেয়া এবং রাজতন্ত্রের শক্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। মধ্যযুগীয় রাজা বাদশাহ অথবা উচ্চবিত্ত্ব মুসলমানের জীবনে সমকামিতা অপরিচিত কিছু ছিল না, বরং বহুল প্রচলিত ছিল বলেই ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়। সমকামিতার অপরাধে মৃত্যুদন্ড অথবা যে শাস্তির কথাই মুসলিম উলামারা বলুক না কেনো, সেই বিচার যে প্রজার উপর শাসনেই ব্যবহৃত হতো এবং রাজপুরুষরা যে বিচারের আওতায় বাইরেই থাকতেন, মুসলিম স্পেনের খলিফা দ্বিতীয় আল হাকাম (৯১৫-৯৭৬) তার একটি উদাহরণ। খলিফা আল হাকাম স্পেনের উমাইয়া খলিফাদের মধ্যে সবচাইতে বিখ্যাত ও সফলদের একজন। রাজনৈতিক সাফল্যের পাশাপাশি বিদ্যানুরাগী হিসাবে তিনি খ্যাতিমান ছিলেন। তৎকালিন দুনিয়ার বিদ্যা শিক্ষার জন্যে বিখ্যাত সকল কেন্দ্র থেকেই বই পত্র সংগ্রহ করে তিনি কর্ডোবায় জমা করেছেন। তার নিজের ব্যক্তিগত পাঠাগারেই না কি ছয় লাখের উপর বই ছিল। জ্ঞান বিজ্ঞান ও জ্ঞানী ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষক হিসাবে আব্বাসিয় খেলাফত শাসিত সূদুর পারস্যেও তাকে উৎসর্গ করে বই লেখা হতো। আল হাকাম নিজেও একজন বিদ্যান ব্যক্তি ছিলেন, বিশেষ করে ইতিহাস শাস্ত্রে। তিনি মুসলিম স্পেন তথা আল আন্দালুসের ইতিহাসের উপর একটি বইও লিখেছেন। এই ক্ষমতাধর ও খ্যাতিমান খলিফা ব্যক্তিগত জীবনে ছিলেন সমকামী, এবং এইক্ষেত্রে কোন লুকাছাপা করেন নাই। তার হারেমে কোন নারী ছিল না, শুধুমাত্র পুরুষদের নিয়ে তিনি হারেম বানিয়েছেন। কিন্তু রাজপুরুষ হিসাবে তার উত্তরাধিকার রেখে যাওয়ার দরকার ছিল। এই প্রয়োজন মেটাতে তিনি সুবহ নামে একজন উপস্ত্রী গ্রহণ করেন। সুলতানা সুবহ পুরুষদের মতো পোষাক পড়তেন এবং খলিফা হাকাম তাকে ডাকতেন জাফর নামে। আল হাকাম এবং সুবহের সন্তানদের মধ্যে ছিলেন পরবর্তি খলিফা দ্বিতীয় হিশাম এবং কবি, ব্যকরণবীদ ও গানিতিক লুবনা যিনি মদিনা আজহারা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখেন। আসল কথা হলো, খলিফা দ্বিতীয় আল হাকামকে সমকামিতার অপরাধে বিচার করা দূরে থাক তার বিরুদ্ধে কোন মুসলিম উলামা বিচারের দাবি তুলেছেন সেইরকম কোন ইতিহাস পাওয়া যায় না। এখানে উল্লেখ করা দরকার যে, স্পেনে মালেকি শরিয়া প্রচলিত ছিল এবং ইমাম মালিকের মতে সমকামিতার শাস্তি ছিল মৃত্যুদন্ড।

ছবিঃ খলিফা দ্বিতীয় আল হাকামের একটি মুর্তি

দ্বিতীয় আল হাকামের পুত্র দ্বিতীয় হিশামেরও একটি পুরুষ হারেম ছিল বলে জানা যায়। তবে সমকামী প্রেমের জন্যে মুসলিম স্পেনে সবচাইতে বিখ্যাত ছিলেন আল মুতামিদ-ইবনে আম্মার জুটি। মুহাম্মদ ইবনে আব্বাদ আল মুতামিদ (১০৪০-১০৯৫) আল আন্দালুসের রাজ্য সেভিলের সর্বশেষ স্বাধীন রাজা ছিলেন। সেই সময় স্পেনের খেলাফত ধ্বসে পরেছে এবং আল আন্দালুস তথা স্পেন ও পর্তুগাল জুরে বেশ কিছু স্বাধীন মুসলিম রাজ্য জন্ম নিয়েছিল যার মধ্যে সেভিল ছিল অন্যতম। আল মুতামিদ ছিলেন আব্বাদিয় বংশের এবং আল আন্দালুসে খ্রিষ্ঠান আগ্রাসন ঠেকাতে তিনি মরোক্কোর আল মোরাভিদদেরকে আমন্ত্রন জানিয়েছিলেন। আল মোরাভিদরা খ্রিষ্ঠান রাজ্য ক্যাস্টিলের আগ্রাসন ঠেকিয়ে দিলেও আল মুতামিদকে ক্ষমতাচ্যুত করে নিজেরাই স্পেনের শাসক হয়ে বসেছিল। আল মোরাভিদরা ছিলেন কট্টর ঘড়ানার মুসলমান এবং স্পেনে ঘাটি গাড়তে পারলে তারা যে নিজেরাই রাজা হয়ে উঠতে চাইবে তা আল মুতামিদ জানতেন। জানা সত্ত্বেও যে তিনি খ্রিষ্ঠানদের বিরুদ্ধে আল মোরাভিদদের সমর্থন দিয়েছিলেন তার কারণ তার ভাষায় –

আমি আমার ভবিষ্যত বংশধরদের হাতে এমন একজন ব্যক্তি হিসাবে চিহ্নিত হতে চাই না যে কাফেরদের হাতে আল আন্দালুসকে তুলে দিয়েছে। আমি চাই না আমার নামে মুসলমানরা অভিশাপ দিক। ক্যাস্টিলের একজন শুকর পালক হওয়ার চাইতে আমি আফ্রিকার একজন উটের রাখাল হওয়া বেশি পছন্দ করি।


ছবিঃ আল মুতামিদ

ধর্মীয় আত্মপরিচয় এবং জাত ভাবনার দিক থেকে যে আল মুতামিদ যে একজন অনুরাগি মুসলমান ও গর্বিত আরব ছিলেন এই উক্তিতে তা বুঝা যায়। ধর্ম সম্প্রদায়গত আত্মপরিচয় ও রাজনৈতিক ক্ষমতার মধ্যে যে গভির সম্পর্ক ছিল মধ্যযুগে, তার বক্তব্যে তার ছাপ পাওয়া যায়। আল মুতামিদের সামনে দুইটা রাস্তা খোলা ছিল, হয় কট্টর খ্রিষ্ঠান ক্যাস্টিলের অধিনস্ত হওয়া অথবা কট্টর মুসলিম আল মোরাভিদদের হাতে রাজ্যচ্যুত হওয়া, এবং ধর্ম সম্প্রদায়গত কারণে তিনি দ্বিতীয়টাকেই বেছে নিয়েছেন। তবে ধর্ম সম্প্রদায়গত পরিচয়বোধ যতোই টনটনে হোক না কেনো, প্রেমের ক্ষেত্রে ধর্মীয় আইনের তিনি তোয়াক্কা করেন নাই। মাত্র তেরো বছর বয়সে তার পিতা তাকে সেভিলের শাসক নিযুক্ত করেছিলেন। তার কাজে সহযোগিতা করার জন্যে নিযুক্ত করা হয়েছিল তার চাইতে নয় বছরের বড় ইবনে আম্মারকে। আল মুতামিদ এবং ইবনে আম্মার দুইজনই ছিলেন কবি। আল মুতামিদের নাম তো সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আল আন্দালুসিয়ান কবিদের তালিকাতেই রাখা হয়। এই দুই কবি ও রাজনীতিক একে অপরের প্রেমে পড়েছিলেন। প্রথম একসাথে রাত কাটানোর পর ইবনে আম্মার একটি কবিতা লিখে পাঠিয়ে দিলেন মুতামিদের পিতা দ্বিতীয় আবদ আল মুতামিদের কাছে। কবিতায় লেখা ছিল –

মিলনের রাতে, তার বাহুডোরে, পেয়েছি ভোরের ঘ্রান,
তার দুই গালে আমার অশ্রু শিক্ত হয়ে
মেহেদী আর লিলিফুলের সাজানো বাগানে চিৎকার করেছিল।

মুতামিদের পিতা এই সম্পর্কের কথা জেনে ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। তবে ঠিক ধর্মীয় কারনে নয়, মূল কারণ ছিল ইবনে আম্মারের সামাজিক অবসথান। আল মুতামিদ ছিলেন আব্বাদিয় রাজবংশের, অন্যদিকে ইবনে আম্মার ছিলেন পর্তুগালের এক সাধারণ মুসলিম পরিবারের সন্তান। ইবনে আম্মারকে তাই দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দিয়ে নির্বাসনে পাঠানো হয়। পিতার মৃত্যুর পর আল মুতামিদ নিজেই সর্বময় কর্তা হয়ে ওঠেন এবং নিজ প্রেমিককে উজিরের দায়িত্বসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দায়িত্ব দিয়েছেন। তবে এই দুইজনের প্রেমের ট্রাজিক সমাপ্তি হয়েছিল। ইবনে আম্মার খোদ আল মুতামিদের হাতেই নিহত হয়েছিলেন। এই প্রেম এবং ইবনে আম্মারের মৃত্যু নিয়ে কিংবদন্তি রচিত হয়েছে। কিংবদন্তি অনুসারে ইবনে আম্মারের দেখা একটি স্বপ্ন কেন্দ্র করে ভুল বুঝাবুঝির কারনে তাদের প্রেমের এই করুণ সমাপ্তি হয়েছিল। তবে মূল কারণটি ছিল সম্ভবত রাজনৈতিক। ইবনে আম্মার ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছিলেন এবং খুব সম্ভবত আল মুতামিদের প্রতি তার আনুগত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল। দুঃখ ও ক্রোধে অন্ধ হয়ে আল মুতামিদ নিজ হাতে তার প্রেমিককে হত্যা করেছিলেন। (চলবে)

প্রাশঙ্গিক পাঠঃ
The History of Islam by Akbar Najeebabadi
Homosexuality and Civilization By Louis Crompton

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৮৮ thoughts on “সমকাম ও ইসলাম। পর্ব -১

  1. চমৎকার আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ
    চমৎকার আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ শুরু করলেন। :থাম্বসআপ:
    ইতিহাসের অজানা অনেক অধ্যায় আপনার মাধ্যমে জানতে পারছি। আগ্রহ নিয়ে আপনার ইতিহাস সমৃদ্ধ সিরিজগুলো পড়ি। এই সিরিজটিও আগ্রহ নিয়ে পড়ব।

  2. কোরান শরীফে সমকামীদের জন্যে
    কোরান শরীফে সমকামীদের জন্যে কোন শাস্তির বিধান দেয়া নাই।
    — আপনার এ কথাটি সম্ভবত সঠিক নয়। সূরা আরাফের ৮০, ৮২,৮৩ আয়াতে সমকামিতার শাস্তি উল্লেখ আছে।

    তোমরা তো কামবশতঃ পুরুষদের কাছে গমন কর নারীদেরকে ছেড়ে। বরং তোমরা সীমা অতিক্রম করেছ। তাঁর সম্প্রদায় এ ছাড়া কোন উত্তর দিল না যে, বের করে দাও এদেরকে শহর থেকে। এরা খুব সাধু থাকতে চায়।
    অতঃপর আমি তাকে ও তাঁর পরিবার পরিজনকে বাঁচিয়ে দিলাম, কিন্তু তার স্ত্রী। সে তাদের মধ্যেই রয়ে গেল, যারা রয়ে গিয়েছিল। আমি তাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করলাম। [সুরা আরাফ: ৮২-৮৩]

    — এখানে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে আল্লাহ স্বয়ং সমকামী লূত সম্প্রদায়কে প্রস্তর তথা পাথর ছূড়ে হত্যা করেছেন।
    সমকামী লূত সম্প্রদায়ের কথা কোরানে অনেক জায়গায় আলোচনা করা হয়েছে। তাই ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী সমকামীদের হত্যা করতে হবে , এ বিষয়ে কারো কোন সন্দেহ থাকার কথা নয়। তবে কিভাবে হত্যা করা হবে সেটি নিয়ে মত ভিন্নতা থাকতে পারে।

        1. আমি তাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি

          আমি তাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করলাম।

          এটা ঈশ্বরের শাস্তি। এটিকে আইন হিসাবে নেওয়ার কোন স্পষ্ট নির্দেশনা নাই।

    1. কোরানের এই আয়াতকে শাস্তির
      কোরানের এই আয়াতকে শাস্তির বিধান মনে করলে তো আল্লাহর কাছে প্রস্তর বৃষ্টি কামনা করতে হবে শাস্তি হিসাবে। বিধান শব্দটির অর্থ নিশ্চয় জানেন? @হাবশী গোলাম

    2. আল্লাহ্ তালা আরও বলেন, অবশেষে
      আল্লাহ্ তালা আরও বলেন, অবশেষে যখন আমার আদেশ পৌছাল, তখন আমি উক্ত জনপদকে উপুড় করে নিচে করে দিলাম এবং তার উপর স্তরে স্তরে কাঁকর-পাথর বর্ষণ করলাম। যার প্রতিটি তোমার রবের কাছে চিহিন্নিত ছিল। আর সেই পাপিষ্ঠদের থেকে অনেক দুরেও নয়। (সুরাহ-হুদ : আয়াত ৮২-৮৩)

  3. ইসলামের রাজা, বাদশা, খলিফাদের
    ইসলামের রাজা, বাদশা, খলিফাদের জন্য সমকামিতা পাপ নয়। কারণ তারা ইসলামের খেদমতের কারণে বেহেস্তের টিকেট আগেই পেয়ে গেছেন। বেহেস্তে মুমিনদের জন্য সুদর্শন বালক বরাদ্ধের কথা কোরানে ঘোষনা দেওয়া হয়েছে। খেলাফতের রাজা-বাদশা-খলিফাদের জন্য দুনিয়াতেই বরাদ্ধ রাখা হয়েছে।

  4. ঘৃ্ণার মহামারির এই সময়ে আপনিই
    ঘৃ্ণার মহামারির এই সময়ে আপনিই একজন দেখলাম যে এখনো ঘৃণা নয় বরং ভালবাসাকেই মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে বিশবাস করেছে।এ কারণে আপনাকে শাখের করাতে কাটতে হচ্ছে জানি।কিন্তু দিনশেষে যে ভালবাসারই জয় তা আমার চেয়ে আপনি ভালো জানেন।ভালবাসা রইল আপনার পথ চলার সঙ্গি হয়ে।

    1. ঘৃ্ণার মহামারির এই সময়ে আপনিই

      ঘৃ্ণার মহামারির এই সময়ে আপনিই একজন দেখলাম যে এখনো ঘৃণা নয় বরং ভালবাসাকেই মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে বিশবাস করেছে

      আপনার ধারণা পুরোটা ঠিক নয়। সমকামীরাও ক্ষেত্র বিশেষে যথেষ্ট উগ্র এবং জিঘাংসা তাদের মধ্যেও রয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রেই তারা ঘৃণার ফেরিওয়ালা।
      তবে, আপনার ধারনা দেখে বোঝা যাচ্ছে, আপনি হয় সমকামী নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া ও প্রচার প্রচারনা দ্বারা ব্রেন ওয়াশড একজন মানুষ; নয়তো নিজেই…!

      1. উনি আমার উদ্দেশ্যে বলেছেন,
        উনি আমার উদ্দেশ্যে বলেছেন, সমকামীদের উদ্দেশ্যে না। আর উনি নিজেও সমকামী হলে আপনার কি সমস্যা? কে সমকামী আর কে না, সেটা নিয়া আপনি এতো আগ্রহী কেনো?

        1. কে সমকামী আর কে না, সেটা নিয়া

          কে সমকামী আর কে না, সেটা নিয়া আপনি এতো আগ্রহী কেনো?

          মাতাডা মনে লয় ফাডাইয়ালাই।
          :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

        2. @ পারভেজ আলম
          কে সমকামী আর কে

          @ পারভেজ আলম

          কে সমকামী আর কে না, সেটা নিয়া আপনি এতো আগ্রহী কেনো?

          ভাইজান, প্রশ্নটা আগে নিজেকে করেন। থুতু উপরের দিকে ছুড়ছেন কেন?

          1. ভাইজান, প্রশ্নটা আগে নিজেকে

            ভাইজান, প্রশ্নটা আগে নিজেকে করেন। থুতু উপরের দিকে ছুড়ছেন কেন?

            ওটা যে নিজের গায়েই পড়বে, সেটা মনে হয় উনি বুঝতে ব্যর্থ !

            আর, বাংলাদেশের সমকামী ও উভয়কামী সম্প্রদায়ের লোকদের শুধু অভিজিত রায়, গেমর ফারুক লুক্স আর রেইনার এবারট দিয়া মনে হয় চলতেছিলোনা। তাই, কি পারভেজ ভাইরেও শেষ পর্যন্ত…??? :O

          2. মিঃ শেহজাদ আমান,
            কেউ সমকামী

            মিঃ শেহজাদ আমান,
            কেউ সমকামী বিষয়ে লিখলে সে সমকামী হয়ে যাবে নাকি? এসব যুক্তিহীন থিয়োরী আপনি কোথা থেকে আবিষ্কার করেন? আপনার এসব আলোচনা কি এই পোস্টের সাথে রিলেটেড? ইদানিং দেখা যাচ্ছে আপনি আলোচনাকে ভিন্ন দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য অপ্রাসাঙ্গিক বিষয় নিয়ে বিতর্ক জুড়ে দেন। আপনার যদি সত্যিই আলোচনা করার ইচ্ছে থাকে পোস্টের উপস্থাপিত বক্তব্য নিয়ে আলোচনা করুন। নাকি মুসলিম শাসকদের সমকামিতা নিয়ে আলোচনায় আপনি বিব্রত? পোস্টে একবারও বলা হয় নাই মুসলিম শাসকরা সমকামিতার জন্য দোষী।

          3. নাকি মুসলিম শাসকদের সমকামিতা

            নাকি মুসলিম শাসকদের সমকামিতা নিয়ে আলোচনায় আপনি বিব্রত?

            একজন প্রায় নাস্তিক মানুষ কি মুসলমানদের এসব নিয়ে বিব্রত হতে পারে? আমার বেহেস্তের টিকিট দেখি ভাই আপনারাই কনফার্ম কইরা দিবেন ! আপনাদের কথাবার্তায় অনুপ্রাণিত হয়ে ভাবছি, আমি নিজেকে কি টাইটেল দেবো? “নাস্তিক মুসলমান’ না কি অন্য কিছু? 😀

            আর পারভেজ ভাইয়ের পোস্ট সম্পরকে বলা যায়, কিছু মুসলমান শাসক সমকামী হলে সেটার সাথে ইসলামের সম্পরক্টা কি, সেটা উনি ক্লিয়ার করতে পারেননি।
            কারণ, ইসলামে তো কখনোই সমকামিতাকে সমর্থন করে নাই। মুসলমানদের সমকামিতা, ইসলামের সমকামিতা — দূটোই আলাদা বিষয়। লেখাটার নাম ‘সমকামীতা ও মুসলমান’ পর্ব ১ হলে আরও মানানসই হতো !

          4. লেখাটার নাম ‘সমকামীতা ও

            লেখাটার নাম ‘সমকামীতা ও মুসলমান’ পর্ব ১ হলে আরও মানানসই হতো !

            ইসলামের সৈনিক শেহজা ভাইয়ার দিলে চোট লাগছে। চোটটা বেশি লাগাতে হেডিং এলার্জিতে ভুগছে। ইসলামিস্টরা অল্পতেই আক্রান্ত হয়ে পড়ছে ইদানিং!

          5. ইসলামের সৈনিক শেহজা ভাইয়ার

            ইসলামের সৈনিক শেহজা ভাইয়ার দিলে চোট লাগছে। চোটটা বেশি লাগাতে হেডিং এলার্জিতে ভুগছে।

            ব্যাটাভাই, আমি ইসলামের সৈনিক হইলে গেকারাস হইলো পুরাই শিবির! কি এবার খুশিতো ???

        3. আমার কাছে ব্যাপারটাকে কেমন

          আমার কাছে ব্যাপারটাকে কেমন জানি রুচিবিকৃতি বলেই মনে হয়।

          …… কিন্তু তারপরেও কিছু ব্লগে সমকামীতাকে প্রমোট করাকে ‘মুক্তচিন্তার প্রসার’ (!) বলে মনে করা হয় ! 😀

        4. কে সমকামী আর কে না, সেটা নিয়া

          কে সমকামী আর কে না, সেটা নিয়া আপনি এতো আগ্রহী কেনো?

          সেটা বয়েজ অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট তানভীর আলীম বা রেইনার এবারট বা রুপবান পত্রিকার সম্পাদক রাসেল আহমেদকে জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবেন!

          আর আমার আগের কমেন্টে এখানে আপনাকে আমি ইনডিকেট করিনি । সমকামী ও উভয়কামী সম্প্রদায়কে ইনডিকেট করেছি। ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকলে আমি সেজন্য দুঃখিত।

  5. সমকামীতার ইসলামী তরিকা কি
    সমকামীতার ইসলামী তরিকা কি সেটা নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নাই। তবে একটা কথা বলতে চাই, সমাকামীতা কিছুতেই স্বাভাবিক আচরন না। সমকামী পুরুষ তার শিশ্নু আরেক পুরুষের গুহ্যদ্বারে/পোদে (Anus) ঢুকিয়ে কি মজা পায় তা আমার বোধগম্য নয়!!
    এটা একটা বিকৃত আনন্দ।

    1. তার শিশ্নু আরেক পুরুষের

      তার শিশ্নু আরেক পুরুষের গুহ্যদ্বারে/পোদে (Anus) ঢুকিয়ে কি মজা পায় তা আমার বোধগম্য নয়!!

      ওয়াক! থুথু! এই বিষয়টার কথা শুনলেই তো ঘেন্না লাগে! বমি আসে! বমি কই করি ?

    2. সমকামী ও উভয়কামীদের এভাবে
      সমকামী ও উভয়কামীদের এভাবে হত্যা করে নয়, বরং এদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে এর প্রকোপ ও প্রচলন অনেকটাই কমিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে।

      1. এ বিষয়ে একটা এনজিও করা যায়।
        এ বিষয়ে একটা এনজিও করা যায়। মিডলইস্টের দেশগুলো থেকে ভাল ফান্ড পাওয়া যেতে পারে। কি বলেন শেহজাদ আমান ভাই?

        1. ফান্ডিং এর ব্যাবস্তা থাকলে
          ফান্ডিং এর ব্যাবস্তা থাকলে আমি কিন্তুক এইরাম একটা ইঞ্জিও করতে চাই, দুলাল ভাই কি একটু হেলেপ করতে পারবেন?

        2. ভাইয়ু, এনজিও না হলেও এই বিষয়ে
          ভাইয়ু, এনজিও না হলেও এই বিষয়ে সংগঠন তো আছেই আমাদের। এমনি এমনিতো বাংলাদেশের সমকামী ও উভয়কামী সম্প্রদায়ের লোকেরা আমাকে এক নম্বর প্রতিপক্ষ বলে মনে করেনা… ! তানভীর আলীম ও রাসেল আহমেদ গং আমারে হাড়ে হাড়ে চিনে। এদের অনুসারীদের দ্বারা ফেসবুকে আর অনলাইনে যে সাইবার আক্রমণের স্বীকার হয়েছি, তা বলার বাইরে ! কবে দেখবেন এরা আমাকে সরাসরি বলতেছে, “এই, এই চেহজাদ, তু এরকম করিছ কেনো? তোকে কিন্তু, বুজেছিস, আমরা ইকদম মেএরে ফেলমু…!” 😀

          1. জ্বি, জ্বি! আপনি বিশাল এক
            জ্বি, জ্বি! আপনি বিশাল এক চ্যাটের বাল হইয়া গেছেন। আপনারে নিয়া সবাই টেনসিত!

            নিজেরে হনু ভাবতে দারুণ মজা। তাইনা শেজা হনু?

          2. ঘেটুপুত্র গেকারাস হাজির !

            ঘেটুপুত্র গেকারাস হাজির ! 😀

            আমি চ্যাটের বাল হই নাই! হইছি আপনাদের সমকামী ও উভয়কামী সম্প্রদায়ের জন্য আতঙ্ক! যার কারণে আমারে নিয়া আফনাদের এত মাথাব্যাথা !

  6. আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস
    আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ)
    থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ
    ﻳُﻨﻈَﺮُ ﺃَﻋﻠَﻰ ﺑِﻨَﺎﺀٍﻓِﻲ ﺍﻟﻘَﺮﻳَﺔِ،
    ﻓَﻴُﺮﻣَﻰ ﺍﻟﻠُّﻮﻃِﻲُّ ﻣِﻨﻬَﺎ ﻣُﻨَﻜَّﺴًﺎ، ﺛُﻢَّ
    ﻳُﺘﺒَﻊُ ﺑِﻠﺤِﺠَﺎﺭَﺓِ
    “ সমকামীকে মহল্লার সর্বোচ্চ
    প্রাসাদের ছাদ থেকে উপুড়
    করে নিক্ষেপ করা হবে। অতঃপর তার
    উপর পাথর মারা হবে । (ইবনু
    আবী শাইবাহ, হাদীস ২৮৩২৮
    বায়হাক্বী ৮/২৩২)

    1. পাথর কি সাথে করে বয়ে নিয়ে
      পাথর কি সাথে করে বয়ে নিয়ে যেতে হবে? নাকি পাথর আছে এমন পাহাড়/ছাদ থেকে ফেলতে হবে? আর যদি নিচে পড়ে থাকা ডেডবডির উপ্রে পাথর ছুঁড়ে মারাতে টার্গেট মিস হয়, তখন কি করতে হবে আকাশ ভাই?

  7. চমৎকার পোষ্ট। পরবর্তী পর্বের
    চমৎকার পোষ্ট। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। বাদশা সুলতানেরা চিরকালই মডারেট(!!!) । নিজেদেরকে ইসলামী উগ্র আইন কানুনের বাইরে রাখতেই তারা ভালবাসে।

  8. দারুণ পোষ্ট। সমকামিতা একটা
    দারুণ পোষ্ট। সমকামিতা একটা স্বাভাবিক বিষয়। সমলিঙ্গের প্রতি আকর্ষণটাকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোন থেকে ব্যাখ্যা করা যায়। এটা হাজার বছর ধরে চলে আসছে। কিন্তু মুসলিমরা এটাকে কোরান লিখিত হওয়ার পর থেকেই অর্থাৎ ১৪০০+ বছর ধরে এটাকে বিকৃতি হিসেবে আবিষ্কার করে! যেহেতু মুহম্মদ কোরানে লিখে গেছে এটা, সেহেতু এটা খ্রাপ। আর কোন ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের প্রয়োজন বোধ করে না তারা। এবং এটাকে নিষিদ্ধ আচরণ হিসেবে দেখার কারনে, এখনো অনেক মুসলিম এই চর্চা গোপনে চালিয়ে যায়। মাদ্রাসাগুলোতে এই চর্চার গোপন খবর মাঝে মাঝেই প্রকাশ পায়।
    মানুষকে ধর্মীয় বৈশিষ্ট্যের কারনে শ্রেণীভেদ করার কোন যুক্তি নাই। যেমন খাদ্যাভ্যাস, পোষাক, সংস্কৃতির মতো ধর্মও একটা জীবন যাপনের বৈশিষ্ট্য মাত্র। সমকামিতাও একটা সাধারণ আচরণগত বৈশিষ্ট্য। এটা অনেক মানুষের মধ্যেই থাকতে পারে। মুসলিম জনগোষ্ঠীর কেউ সমকামিতায় অভ্যস্ত হলে অন্য মুসলিমরা সেটা ঢেকে ফেলায় যে বাড়াবাড়ি দেখায়, এতেই বিষয়টাকে নিষিদ্ধ বস্তুর পর্যায়ে নিয়ে ফেলে তারা। এটার পেছনে দায়ি বিজ্ঞান বহির্ভূত ধর্মীয় গোঁড়ামিপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থা। অন্যদিকে মুসলিম ছাড়া অন্যরা এটাকে খুবই স্বাভাবিক একটা বিষয় হিসেবেই দেখে।
    পারভেজ ভাইর পরবর্তী পোষ্টের অপেক্ষায়…

    1. অন্যদিকে মুসলিম ছাড়া অন্যরা

      অন্যদিকে মুসলিম ছাড়া অন্যরা এটাকে খুবই স্বাভাবিক একটা বিষয় হিসেবেই দেখে।

      জোক অফ দ্য ইয়ার ! পাপ্পাপ্পাপ…! 😀

        1. বিরাট জ্ঞান ভান্ডার কুঁচকির

          বিরাট জ্ঞান ভান্ডার কুঁচকির চিপায় নিয়ে বসে আছেন মনে হয়?

          ছেলেদের কুচকির চিপা নিয়ে মেয়েদের আগ্রহ থাকে। আপনারও যে সমান আগ্রহ সেটা আবারও প্রমাণ করলেন। হাজার হলেও আপনেতো “শওকত ২১” ! 😀

  9. সমকামী ও উভয়কামীদের এভাবে
    সমকামী ও উভয়কামীদের এভাবে হত্যা করে নয়, বরং এদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে এর প্রকোপ ও প্রচলন অনেকটাই কমিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে।

    সেলিব্রেটি ব্লগার পারভেজ ভাইকে আমার এই লেখাটা পড়ে দেখার আমন্ত্রণ রইলোঃ

    https://istishon.blog/node/8907

  10. কয়েক জনের মন্তব্য পড়ে
    কয়েক জনের মন্তব্য পড়ে বুঝলাম,ইস্টিশনে গে ব্লগার তাহলে সত্যিই আছে! শেহজাদ ভাই সেদিন বলেছিলো ঠিক বিশ্বাস হয়নি। আজ ক্লিয়ার হলো। লু….ল

    1. কয়েক জনের মন্তব্য পড়ে

      কয়েক জনের মন্তব্য পড়ে বুঝলাম,ইস্টিশনে গে ব্লগার তাহলে সত্যিই আছে!

      হুম আছেই তো! হুজুর গেলমানের সম্পর্ক তো ঐ………
      তা আপনার হুজুর কেবলাকে দেখছি না যে!

          1. লুব জিনিসটা কী শাওয়াকাত

            লুব জিনিসটা কী শাওয়াকাত ছাহেপ?

            লুব মানে লুব্রিকেন্ট ! মাশাআল্লাহ, আওয়ামী ব্লগারদের সৌজন্যে ঘরে ঘরে এর ব্যবহার ছড়িয়ে পরতেছে ! 😀

          2. লুব জিনিসটা কী শাওয়াকাত

            লুব জিনিসটা কী শাওয়াকাত ছাহেপ?

            দেখছেন? আপনার পীর কেবলা কিন্তু ঠিক চিনতে পারছে!
            হুজুরের সাথে থাকেন, আপনিও চিনতে পারবেন।

            রতনে রতন চেনে, হুজুরে চেনে লুব,
            বাহ, বহুত খুব, বহুত খুব!

    2. কয়েক জনের মন্তব্য পড়ে

      কয়েক জনের মন্তব্য পড়ে বুঝলাম,ইস্টিশনে গে ব্লগার তাহলে সত্যিই আছে! শেহজাদ ভাই সেদিন বলেছিলো ঠিক বিশ্বাস হয়নি। আজ ক্লিয়ার হলো। লু….ল

      আছে মানে, ব্যাপক আছে! “শওকত ২১” ও “ঘেটুপুত্র গেকারাস” থাকতে কি গে ব্লগারের অভাব হয় ? 😀 😀

  11. সেদিন আমাকে একজন খুব আগ্রহ
    সেদিন আমাকে একজন খুব আগ্রহ করে বোঝাতে চাইল- সমকামিতা একটা স্বাভাবিক আচরন। তার যুক্তি – যেহেতু প্রানী জগতে সমকামিতার অনেক উদাহরন আছে, তাই মানুষের জন্যেও এটা কোন অস্বাভাবিক আচরন হতে পারে না।

    আমি তাকে বললাম- পিরনাহা মাছ , তার গোত্রের অন্য মাছকে জ্যান্ত চিবিয়ে খায়, তেলাপোকা মাঝে মাঝে গু খায়, পৃথিবীতে সব পশুই সম্পুর্ন নগ্ন থাকে — তাহলে কি মানুষের পক্ষেও অন্য মানুষকে জ্যান্ত খাওয়া, গু খাওয়া বা নগ্ন হয়ে জীবন-জাপন করা কি কোন সুস্থ আচরনের পরিচয় হবে?– দেখলাম কথা না বাড়িয়ে গাই গুই করে পাশ কাটিয়ে চলে গেল।
    মানুষের আচরনের সাথে পশু-পাখির আচরনের তুলনা করা স্রেফ ছাগলামী ছাড়া আর কিছু না।

      1. বাপরে !!!! বিরাট যুক্তিবাদী

        বাপরে !!!! বিরাট যুক্তিবাদী মানুষ আপনি !!!

        নাস্তিক হইয়া যুক্তিবাদী মানুষরে ডরায়! ওরে কেউ আমারে ধর! এই ভন্ড নাস্তিক লইয়া আমি কই যাই ? 😀

      1. হ। সমকামিতা পশুদের কাজ। আর

        হ। সমকামিতা পশুদের কাজ। আর কুত্তার মত মানুষদের পাথর মাইরা মারা মানবিক।

        অপরাধ যত বড় , তার শাস্তিও বড় হবে এটাই স্বাভাবিক।

        1. হ। গে’রা একজন আরেকজনরে
          হ। গে’রা একজন আরেকজনরে লাগাইলে অগো মাইরা ফালাইতে হইব। তুমি বইসা ভিডিও দেইখা তালি দিবা।
          তুমি বৌরে পরাবা বস্তা, আর গুগল সার্চে তোমার দেশ হইব এক নাম্বার পর্ন কাস্টমার।
          আর বিনপি জামাত পেট্রল বোমা দিয়া তোমার পুটকি মারব, আর তুমি তাদের পুটকি চাটবা।
          তুমি হইলা মানবতা, আর কুত্তা হইল পশু।

    1. পৃথিবীর অন্য সব প্রাণীদের
      পৃথিবীর অন্য সব প্রাণীদের সাথে মানুষের পার্থক্য শুধু একটি জায়গায়। তা হল বুদ্ধিমত্তা। এই বুদ্ধিমত্তা থেকে গড়ে ওঠে মূল্যবোধ । এই মূল্যবোধ আবার এক সমাজ থেকে অন্য সমাজে ভিন্ন হয়। যেমন আমাদের সভ্য সমাজে নগ্ন হয়ে চলাফেরা অসভ্যতার লক্ষণ কিন্ত আফ্রিকা কিংবা আমাজনের অনেক উপজাতির কাছে নগ্ন হয়ে চলাফেরা যেন কিছুই না, খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। মানুষখোর অনেক উপজাতির খোজও পাওয়া যায় আফ্রিকাতে। অন্য পশুদের মত মানুষও যৌনতার মাধ্যমে নগ্ন হয়ে পৃথিবীতে জন্মায়। কিন্ত যুগ যুগ ধরে গড়ে ওঠা আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ আমাদের শেখায় নগ্ন হয়ে চলাফেরা অসভ্যতা। তাইতো এই অসভ্যতা থেকে মুক্তির প্রয়োজনে আবিষ্কৃত হয় বস্ত্র। আমরা পোশাক পরি। সামাজিক মুল্য বোধের আবার কোন বৈশ্বিক মানদণ্ড নেই এবং এটি সদা পরিবর্তনশীল । আজ যা অসভ্য কাল তা সভ্য বলে পরিগনিত হতে পারে। এটাকে পুরোপুরি একটা আপেক্ষিক ব্যাপার হিসেবে চিহ্নিত করা যায় । সমকামিতাও ঠিক তাই। আপনার কাছে হয়তো কোন নারীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ককে অসভ্যতা বা নোংরা কোন কাজ বলে মনে হয় না তেমনি একজন সমকামীর কাছেও সম লিঙ্গের কারো সাথে যৌন সম্পর্ককে অস্বাভাবিক কিংবা নোংরা বলে মনে হয়না। প্রকৃতিতে অনেক মানুষ ন্যাচারালি বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ বোধ করে না অর্থাৎ সমকামী হয়ে জন্মায় । আবার কেউ কেউ হয়তো স্রেফ ভ্যারিয়েশনের খোজে সমকামী সম্পর্কে জড়িয়ে থাকতে পারে । কে ন্যাচারালি আর কে ভ্যারইয়েশনের খোজে এই ধরনের সম্পর্কে জড়ায় তা বুঝার সুনির্দিষ্ট কোন উপায় নেই। কাজেই এই বিষয়টিকে যার যার ব্যক্তিগত রুচির উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত।

      1. আবার কেউ কেউ হয়তো স্রেফ

        আবার কেউ কেউ হয়তো স্রেফ ভ্যারিয়েশনের খোজে সমকামী সম্পর্কে জড়িয়ে থাকতে পারে । কে ন্যাচারালি আর কে ভ্যারইয়েশনের খোজে এই ধরনের সম্পর্কে জড়ায় তা বুঝার সুনির্দিষ্ট কোন উপায় নেই। কাজেই এই বিষয়টিকে যার যার ব্যক্তিগত রুচির উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত।

        আসেন আমরা রুচির বৈচিত্র আনি। সমকামী, উভয়কামী, হিজরাকামী হই বেশি করে! আরও আছে বোনকামিতা, ভাইকামিতা, মাকামিতা, পশুকামিতা …… ব্যাপার না। আমরা এভাবে চালায়ে গেলে একসময় জ্বীন-পরী, এলিয়েনদের সাথেও সম্পর্ক তৈরি করে আরও বেশি বৈচিত্র আনতে পারবো ! কে ন্যাচারালি আর কে ভ্যারইয়েশনের খোজে এই ধরনের সম্পর্কে জড়ায় তা বুঝার সুনির্দিষ্ট কোন উপায় নেই। কাজেই এই বিষয়টিকে যার যার ব্যক্তিগত রুচির উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। 😀 😀

        1. রুচির বৈচিত্র্য আনা কিংবা না
          রুচির বৈচিত্র্য আনা কিংবা না আনাও যে কারো ব্যাক্তিগত রুচির উপর নির্ভর করে। কারো ব্যাক্তি গত রুচি কিংবা মূল্যবোধ যদি সমকামীতা , মাকামিতা , বোনকামিতা, জীন কামিতাকে জায়েয বলে মনে করে তাহলে সে তা করতে পারে। আমাদের বর্তমান সামাজিক মূল্যবোধের সাপেক্ষে এটাকে অসুস্থ প্রবণতা হিসেবে চিহ্নিত করার অধিকার রয়েছে আপনার। আপনি এর সমালোচনা করতেই পারেন। কিন্ত যতক্ষন দুই পক্ষের সমর্থন আছে ততক্ষন আসলে কিছু করার নেই।

          1. কারো ব্যাক্তি গত রুচি কিংবা

            কারো ব্যাক্তি গত রুচি কিংবা মূল্যবোধ যদি মাকামিতা , বোনকামিতা, জীন কামিতাকে জায়েয বলে মনে করে তাহলে সে তা করতে পারে। আমাদের বর্তমান সামাজিক মূল্যবোধের সাপেক্ষে এটাকে অসুস্থ প্রবণতা হিসেবে চিহ্নিত করার অধিকার রয়েছে আপনার। আপনি এর সমালোচনা করতেই পারেন। কিন্ত যতক্ষন দুই পক্ষের সমর্থন আছে ততক্ষন আসলে কিছু করার নেই।

            নিজের নামটা অপার্থিব না রেখে অসুস্থ রাখেন! বেশি মানানসই হবে !

          2. আপনার ক্রম বর্ধমান ঝগড়াটে
            আপনার ক্রম বর্ধমান ঝগড়াটে মানসিকতা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। দীর্ঘ দিন ধরে ব্লগিং করা কারো কাছে যা কখনোই আশা করা যায় না । যাই হোক ব্যাক্তিগত জীবনে অশান্তিতে থাকলে এরকমটি হতেই পারে। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো। :ফুল:

          3. ওরে আমার নিরুপদ্রব ভাই,
            ওরে আমার নিরুপদ্রব ভাই, আপনিতো বেশ কমেন্ট দিতে জানেন! আমার নিচেরএই লেখাটায় আপনার মূল্যবান মন্তব্য দিয়েন :

            http://www.istishon.com/node/8907

          4. ঠিক আছে। পরে কোন এক সময় পড়ে
            ঠিক আছে। পরে কোন এক সময় পড়ে মন্তব্য দেয়ার চেষ্টা করব যদিও এই অধমের সামান্য মন্তব্যে আপনার মত জ্ঞানীদের কিছুই যায় আসে না …

          5. যাই হোক ব্যাক্তিগত জীবনে

            যাই হোক ব্যাক্তিগত জীবনে অশান্তিতে থাকলে এরকমটি হতেই পারে। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।
            রোগীর রোগ আপনি ধরতে পারছেন। :থাম্বসআপ:

  12. ব্যক্তিগতভাবে আমি সমকামিতাকে
    ব্যক্তিগতভাবে আমি সমকামিতাকে পছন্দ করি না। আমার কাছে ব্যাপারটাকে কেমন জানি রুচিবিকৃতি বলেই মনে হয়। ধর্মও সমকামিতাকে সমর্থন করে না বলেই জানি। তবে মুসলিম বিভিন্ন রাজা-বাদশাহের সমকামী হওয়ার ব্যাপারটা নিঃসন্দেহে কৌতূহল উদ্দীপক। মানি কিংবা নাই মানি, জানতে তো পারছি। পারভেজ ভাই এর পোস্টগুলো এই জন্যই ভাল লাগে।

  13. কোরানের বিভিন্ন আয়াত মানুষ
    কোরানের বিভিন্ন আয়াত মানুষ পড়ে তারপর নিজের বুদ্ধিমত বুঝে নেয়। হুজুররাও যুগে যুগে তাদের বুঝ অনুসারে অন্যকে বোঝায়। সমকামী অথচ বিশ্বাসী এবং মুসলিম – এমন মানুষ তো আছে। তারা অনেকে মনে করে লুত(আঃ) সংক্রান্ত আয়াতগুলি একইরকম সীমিত চিন্তার শিকার হতে পারে। ঐখানে যাদের ধ্বংস করা হয়েছিল তারা ছিল ডাকাত এবং ধর্ষক। তাদের তো ধ্বংস করাই উচিত। তাই বলে সাধারণ ভালোবাসার বা ব্যাক্তিগত সম্পর্কের বাঁধনে জড়ানোটা অন্যায় হবে কেন? দুটা কি এক জিনিস হলো? ধর্ষণ কোথায় আর প্রেম কোথায়!
    পুনঃ আপনার কাছে সমকামী সম্পর্কের চিন্তা ঘিন্নাকর লাগতেই পারে। কারো কারো কাছে শারিরীক সম্পর্ক মাত্রই বাজে, এবং শারিরীক সম্পর্কের সাথে প্রেম বা ভালোবাসার কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু আপনার কাছে আপনার ও আপনার স্ত্রীর বা প্রেমিকার সম্পর্ক যতখানি মূল্যবান এবং সুন্দর, দুজন সমকামী নারী বা পুরুষের কাছে তাদের সম্পর্কও তেমনি সুন্দর, আনন্দময়। নিজের খারাপলাগা অন্যের উপর চাপিয়ে দেবার দরকার নেই।

    1. ঐখানে যাদের ধ্বংস করা হয়েছিল

      ঐখানে যাদের ধ্বংস করা হয়েছিল তারা ছিল ডাকাত এবং ধর্ষক। তাদের তো ধ্বংস করাই উচিত।

      সমকামী ধর্ষক ! নতুন একটা টার্ম পাইলাম হুজুর পাখি ভাই! কিন্তু ভাইজান, কোরানে স্পষ্ট বলা আছে,

      “তোমরা তো কামবশতঃ পুরুষদের কাছে গমন কর নারীদেরকে ছেড়ে। বরং তোমরা সীমা অতিক্রম করেছ। তাঁর সম্প্রদায় এ ছাড়া কোন উত্তর দিল না যে, বের করে দাও এদেরকে শহর থেকে। এরা খুব সাধু থাকতে চায়।
      অতঃপর আমি তাকে ও তাঁর পরিবার পরিজনকে বাঁচিয়ে দিলাম, কিন্তু তার স্ত্রী। সে তাদের মধ্যেই রয়ে গেল, যারা রয়ে গিয়েছিল। আমি তাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করলাম। [সুরা আরাফ: ৮২-৮৩]

      তারপরও আপনি কি আপনার নিজের মুসলমান আইডেনটিটিকে ইনট্যাক্ট রাখার জন্য ভেবে নিচ্ছেন ইসলাম সমকামীদের উপর নিষ্ঠুর নয়? আর কত কি যে দেখবো ?!?!

      1. আপনি যা লিখেছেন তা অনুবাদ।
        আপনি যা লিখেছেন তা অনুবাদ। কেউ একজন নিজের বুঝমত অনুবাদ করেছে, কেউ একজন আরবীটা নিজের বুঝমত পড়েছে। কোরানের আয়াতগুলিতে শব্দ ব্যবহার, শব্দের নানাবিধ অর্থ ইত্যাদি নিয়ে যথেষ্ট আলাপ আলোচনা আছে, প্রাচীনপন্থী স্কলাররা তাদের গোঁড়ামিসহ একে পড়েছেন, যারা প্রাচীনপন্থী নন তাঁরা হয় বিশ্বাস হারিয়েছেন অথবা বুঝবার আগ্রহ ও বিশাস থেকে পড়ে ভিন্ন অর্থের ইঙ্গিত পেয়েছেন। আপনার সাথে আমি এইখানে ঐ তর্কে যেতে চাইনা। শুধু এইটুকু জানিয়ে বিদায় নিচ্ছি যে কোরানে কোথায়ওই সমকামী বিয়ে বা প্রেমের সম্পর্কের জন্য পাথর ছোঁড়া বা অন্য কোন শাস্তির কথা নেই। ধর্ষণ (তা সমকাম বা বিষমকাম যাই হোক না কেন) থেকে এটা আলাদা। ঐ সুরাটা আদতে সমকাম প্রসঙ্গেই নয়, বরং আল্লাহর আদেশ অমান্য করা প্রসঙ্গে অবতীর্ণ হয়েছিল। মহানবীর উম্মতদের ক্ষেত্রে নারী ব্যতীত পুরুষের কাছে যাওয়া নিষেধ করার জন্য ঐ আয়াত নয়। যাই হোক ঐ তর্ক করেও লাভ নেই। যার যার বিশ্বাস নিয়ে সে সে আল্লাহর কাছে যাবে, আল্লাহ শাস্তি দেবার বা মাফ করার মালিক। সমকামী মুসলিম আছেন, এমনকি ইমামও আছেন। তাঁরা নিজের বিশ্বাসের সাথে নিজের জীবনের বাস্তবতার সমন্বয়ের চেষ্টা করছেন। আপনি আমি আমরা সবাই আসলে সারা জীবন সেই চেষ্টাই করি।

    2. @পাখি (পথচারী)
      কিন্তু আপনার

      @পাখি (পথচারী)

      কিন্তু আপনার কাছে আপনার ও আপনার স্ত্রীর বা প্রেমিকার সম্পর্ক যতখানি মূল্যবান এবং সুন্দর, দুজন সমকামী নারী বা পুরুষের কাছে তাদের সম্পর্কও তেমনি সুন্দর, আনন্দময়।

      না , সুন্দর আর আনন্দময় হলেও সব সম্পর্ক গ্রহনযোগ্য নয়।
      বাড়ির কর্তা তার কাজের মেয়ের সাথে আনন্দময় সম্পর্ক তৈরী করতে পারে, আপনার মা পাশের বাসার পুরুষের সাথে রাত্রি যাপন করে আনন্দ লাভ করতে পারেন, বোন তার ভাইয়ের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে আনন্দ লাভ করতে পারে। — কিন্তু এই ধরনের সম্পর্ক নৈতিক নয়। সম্পর্ক আনন্দপুর্ন হলেও নৈতিক নাও হতে পারে।
      পৃথিবীতে কোন মা – বাবা চাইবেনা যে তাদের সন্তান গে অথবা লেসবিয়ান হয়ে বড় হোক।

      1. আমি আপনার সাথে একমত যে সব
        আমি আপনার সাথে একমত যে সব সম্পর্ক গ্রহণযোগ্য নয়। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, পরিবারের মানুষের সাথে সম্পর্ক সমকামী/বিষমকামী যাই হোক না কেন, অনৈতিক। ভাই-বোনের সম্পর্ক নারী-পুরুষের সম্পর্ক হলেও আমরা একে সামাজকতার বাঁধনে শাসন করি, কারণ এর পেছনে একটা যুক্তি আছে- তা হলো পরিবারের বন্ধনকে কার্যকর রাখার যুক্তি। তাছাড়া, ঐধরণের কামনা নিয়ে কেউ জন্মায় না। কিন্তু পরিবারবহির্ভূত দুজন প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষ, যারা কেবলমাত্র সমলিঙ্গের মানুষের প্রতিই সত্যিকারের আকর্ষণ ও আকাঙ্খা অনুভব করে, তাদেরকে এইধরণের সামাজিক শাসনে রাখার কোন নৈতিক ভিত্তি নেই। বরং শিশু নির্যাতন, গোপন সম্পর্ক, বিবাহবহির্ভূত ব্যভিচার ইত্যাদিকে ঠেকানোর জন্য সমকামী সম্পর্ককে সামাজিক নিয়মকানুনের মধ্যে জায়গা করে দেয়াটাই নৈতিক। এর ফলে কিন্তু বিষমকামী মানুষ সমকামে বাধ্য হচ্ছেন না, কেবলমাত্র যারা ইতিমধ্যে গোপনে বা প্রকাশ্যে লাঞ্ছনায় সমকামী, তারা একটা সুস্থ জীবনের সুযোগ পাচ্ছেন।

  14. যৌনতা নিয়ে তথাকথিত ধর্ম
    যৌনতা নিয়ে তথাকথিত ধর্ম প্রচারকদের তথাকথিত পবিত্র বানী শুনলে হাসি পায়।
    নিজেদের ফ্যান্টাসিকে বৈধতা দেওয়ার জন্যই তারা ফতোয়া দেয়।

  15. আমার একটা প্রশ্ন আছে ।
    অজু

    আমার একটা প্রশ্ন আছে ।
    অজু ভঙ্গের কারণসমূহের ফার্সি স্ক্রিপ্টে তবে কেন লেখা ‘কোনো বালকের সঙ্গে সহবাস করিলে অজু ভঙ্গ হবে?’

  16. প্রসঙ ১:পারভেজ ভাইয়ের লেখাটা
    প্রসঙ ১:পারভেজ ভাইয়ের লেখাটা মনোযোগ দিয়ে পড়লাম।যদ্দুর মনে হয়েছে,তিনি ইতিহাসের একটা নির্দিষ্ট অংশ তুলে ধরেছেন।ভাল খারাপের জাস্টিফাই করেন নাই।লেখাটা চলুক।

    প্রসঙ ২: পোস্টের মন্তব্যগুলো পড়লাম।গঠনমূলক আলোচনা চলতে পারত,কিন্ত ব্যক্তিগত কাদা ছুড়াছুঁড়ি চোখে লাগল।সমকামিতা,উভকামিতা যে কামিতাই হোক সেটা ব্যক্তিগত বিষয়।সেটা আপনার ভাল লাগতে পারে,আবার খারাপ লাগতে পারে।কিন্ত আপনি সেটাকে নিষিদ্ধ বলতে পারবেন না যদিনা তা সমাজের উপর ব্যাড ইম্পেক্ট তৈরী করে।যেমন সেক্স স্বাভাবিক ব্যাপার,কিন্ত ধর্ষন শাস্তিযোগ্য অপরাধ।ব্যক্তিগতভাবে সমকামিত আমার পছন্দ নয়।কারন যৌণ সংগমের অন্যতম উদ্দেশ্য প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষা যা সমকামিতায় অনুপস্থিত।

  17. বাংলাদেশেও কিন্তু সমকামিতা
    বাংলাদেশেও কিন্তু সমকামিতা নিয়ে অনেক কাহিনী আছে। সিলেট অঞ্চলের জমিদাররা একসময় বিরাট হাওর এলাকায় বজরা নিয়ে ঘুরতেন। তাদের মনোরঞ্জনের জন্য থাকতো অল্পবয়সী সুন্দর বালকরা। এ নিয়ে তাদের স্ত্রীদের সাথেও মনোমলিন্য হতো। এইসব বালককে জমিদারদের স্ত্রীরা ভাবতো সতীন হিসেবে। হূমায়ূন আহমেদ এদের নিয়েই তৈরি করেছিলেন ‘ঘেটুপুত্র কমলা’। সেসময় জমিদারদের এই সমকামিতা নিয়ে কিন্তু কোন উচ্চবাচ্য হয়েছে বলো কোথাও প্রমাণ পাওয়া যায় না।

  18. প্রসঙ ১:পোস্ট টা ভাল।লেখক
    প্রসঙ ১:পোস্ট টা ভাল।লেখক বোধহয় সমকামিতা নিয়ে ইতিহাসের একটি ওপেন সিক্রেট টাইপ জিনিস তুলে ধরার চেস্টা করেছেন।ভাল খারাপের জাস্টিফাই করেন নাই।লেখাটা চলুক

    প্রসঙ ২:সুন্দর আলোচনার বদলে ব্যক্তিগত কাদা ছুড়াছুড়ি চলতে থাকল।যাই হোক,সমকামিতা,বিপরীতকামিতা, তা সে যে কামিতাই হোক,সেটা একান্তই কারো ব্যক্তিগত বিষয়।এটাকে নিষিদ্ধ কিংবা এই টাইপ কিছু করা /বলা যাবে না যদিনা সেটা সমাজের বিরুদ্ধে(মিন ক্ষতিকারক) যায়।যেমন সেক্স নরমাল বিহেবিয়ার, কিন্ত রেপ এবনরমাল এন্ড পানিশেবল।ব্যক্তিগত ভাবে সমকাম আমার পছন্দ নয়,কারন সেক্সের প্রধানতম উদ্দেশ্য প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষা যা সমকামে অনুপস্থিত।।

  19. somokamiter kotha utla , soby
    somokamiter kotha utla , soby kuraner lut jatir kotha tene anen, amr akta question, somokamiter jnno e ki lut jatike dongso kore deya hoisilo naki aro kisu karon silo. dorjon, bavichar soho aro onk karon silo . ra pase …
    bortoman somoy a somokamiter kotha utle e satsir kotha ase ? ok manlum , ata kharap .. kintu somajer aro kharap dik gulo ….(ja age e silo , akhon ase ) koi ter jnno to kono kisu hoi na …

    somokamita kharap ami mani ,, kintu sex ar jnno na ,, kao jodi ,, 2 jon manus k valobase…. sei valobasa to kharap na . jer modda thake ,2 jon niya sumne aganor rasta … onno kharap chinta noi ,, tobe somoprem aar somoy upnaka ki bolben..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

37 − = 35