রাজনৈতিক অস্থিরতার ফাঁকে শীর্ষ চোরেরা পুরস্কৃত!

?oh=758d73533814cb6ce5e68c8c0dd883a4&oe=55942663&__gda__=1432151771_3c05a10864b1ea6d94e40c1d5412b43d” width=”400″ />

রাজনৈতিক অস্থিরতা ইতোপূর্বের সব সীমা অতিক্রম করে গেছে। সারা দেশের মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা। বিপাকে আছেন ব্যবসায়ীরাও। ইতোমধ্যে তারা সভা-সমাবেশ, সেমিনার, স্মারকলিপি ও লবিংয়ের মাধ্যমে দুই জোটের নেত্রীকে আলোচনার টেবিলে বসে সঙ্কট সমাধান করতে বলছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে তাদের কত ক্ষতি হচ্ছে, তা আবার এসব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত-বিযুক্ত গণমাধ্যমগুলো প্রতিদিন জানান দিচ্ছে।

রাজনৈতিক সমাধানের কোনো পথ না দেখাতে পারলেও ব্যবসায়ীদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে সরকার এগিয়ে এসেছে। তবে এ সুবিধা পাচ্ছে কেবল শীর্ষ ঋণখেলাপিরা বা বলা যায় শীর্ষ চোরেরা। যাদের ৫০০ কোটি টাকার ওপর খেলাপি ঋণ আছে, তারাই কেবল সরকারি প্রণোদনার সুবিধা পাচ্ছে। খেলাপি হওয়ার ফলে এসব বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মালিকেরা ব্যাংক থেকে আর নতুন করে ঋণ নিতে পারছিল না। অন্তত তেমন কোনো বৈধ উপায় ছিল না। অর্থাৎ নতুন করে ঋণখেলাপি হওয়ার পথটা তাদের বন্ধ ছিল। সম্প্রতি সরকার সেই বাধা উঠয়ে নিল।

গত ২৯ জানুয়ারি রাতে এক সার্কুলারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক বড় ব্যাংকের টাকা চোর বা ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ পুনর্গঠনের এক নীতিমালা প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, যেসব কোম্পানি ৫০০ কোটি টাকার ওপরে ঋণখেলাপি হয়ে গেছে, ঋণ আর কোনোভাবেই শোধ করতে পারছে না, নিয়ম অনুযায়ী আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে যাদের সম্পত্তি নিলামে তুলে ব্যাংক তার লগ্নিকৃত অর্থ তুলে নেয়ার কথা, তাদের আবার ১২ বছরের জন্য নতুন করে সুযোগ দেয়া হবে। যদি খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকার বেশি হয় তাহলে ডাউন পেমেন্টের হার হবে এক শতাংশ। এক হাজার কোটি টাকার কম হলে পুনর্গঠিত ঋণের ডাউন পেমেন্টের হার হবে সর্বোচ্চ দুই শতাংশ। ঋণ পুনর্গঠনের পর এক বছর গ্রেস পিরিয়ড পাওয়া যাবে। ওই এক বছর কোনো কিস্তি শোধ করতে হবে না। আবার ঋণ পুনর্গঠনের পর এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর থেকে খেলাপির তকমা উঠে যাবে। নতুন ঋণ নেয়ার সুযোগও তৈরি হবে তখন। পুরষ্কারটা ভালোই।

ঋণ পুনর্গঠনের একটি সাধারণ নেতিবাচক দিক হচ্ছে নতুন উদ্যোক্তারা এতে ঋণ থেকে বঞ্চিত হন। কারণ ব্যাংকগুলো পুরনো ঋণকে নতুন করে দেখায় এবং ঋণদানের সীমা পেরোনোর কথা বলে আর নতুন উদ্যোক্তাদের ঋণ দেয় না। ঋণ পুনর্গঠনের সুবিধা যেহেতু বড় ব্যবসায়ীরা পাচ্ছেন, তাই বলা চলে এর মাধ্যমে রাষ্ট্র নিজে উদ্যোগ নিয়ে বড় ধনীদের সুবিধা করে দিচ্ছে, যার ফলে আবার বিপদে পড়ছেন অপেক্ষাকৃত কম পুঁজির ব্যবসায়ীরা। ব্যাংকগুলোও ওই ঋণকে নিয়মিত হিসেবে চিহ্নিত করে এবং নিজেদের অর্থ রয়েছে দেখিয়ে উচ্চ মুনাফা হাতিয়ে নিতে পারে। আর পুনর্গঠন সুবিধা না দিলে এগুলো মন্দ ঋণ হতো। তাতে ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকে এর বিপরীতে অর্থ জমা রাখতে হতো। এতে ব্যাংকের মুনাফার পরিমাণ কমে যেত। অর্থাৎ পুনর্গঠন সুবিধা বড় ধনী ও ব্যাংক মালিকদের স্বার্থই রক্ষা করছে।

গত বছরের অভিজ্ঞতাই বলছে পুনঃতফসিলি করিয়েও ঋণখেলাপি কমানো যাচ্ছে না।এ অবস্থায় স্বল্পমেয়াদে ব্যাংকগুলো আয় বাড়ানোর সুযোগ পেলেও দীর্ঘমেয়াদে সংকট থেকেই যাচ্ছে। ২০১৪ সালের শুরুতে মোট ঋণের ৮.৯৩ ভাগ ছিল খেলাপি। পুনঃতফসিলির পর বছর শেষে দেখা যায় মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১১.৬০ ভাগ। অর্থাৎ ঋণ পুনঃতফসিলির ফলে খেলাপির পরিমাণ বেড়ে যায়! বর্তমান শীর্ষ ঋণখেলাপিদের অধিকাংশই বহুবার ঋণ তফসিলিকরণ করেছে এবং আইন ভঙ্গ করে আবারও ঋণ নিয়েছে। এদের কেউ কেউ অভ্যাসগত ঋণখেলাপি। ঋণ পুনর্গঠনের সুবিধা সম্পর্কে যদিও বলা হয়েছে, কোনো উদ্যোক্তা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে দেউলিয়া আইনে মামলা করে সমুদয় পাওনা আদায়ের ক্ষমতা থাকবে ব্যাংকের হাতে। যদিও ইতিপূর্বে দেখা গেছে, বড় কোম্পানিগুলোর করা রিটজালে বন্দী হয়ে বসে থাকে ব্যাংকগুলো।

এ থেকে প্রমাণ হয় যে, এইসব চোর তথা খেলাপিদের শাস্তি দেয়া দরকার ছিল। কিন্তু সরকার তাদের নতুন করে আবার পুরস্কার দিল। এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যই প্রধান বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। দলঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করা এবং ব্যবসায়ী সমাজ যেন সরকারের ওপর প্রসন্ন থাকে, ধারণা করা হচ্ছে তার জন্যই এ ব্যবস্থা! পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যে ঘটা নানা ঘটনা এই আশঙ্কাকে আরও দৃঢ় করেছে।

গত সপ্তাহে এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রীর দেয়া বয়ানে এসেছে, ‘১৯৮২ সালে মাত্র চারটি বড় খেলাপি গ্রুপ ছিল। সেগুলো হচ্ছে, ইসলাম ব্রাদার্স, বেক্সিমকো, বেঙ্গল ও প্যাসিফিক। এদের জন্য তখন চারটি লিড ব্যাংক নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়।’ এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে ৫০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ রয়েছে বর্তমানে এমন গ্রুপের সংখ্যা প্রায় ৫০টি। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সেই ৮২ সালেও শীর্ষ ঋনখেলাপি ছিল বেক্সিমকো, এখনও তাই। আরও মজার বিষয় হচ্ছে, বেক্সিমকো গ্রুপের মালিক সালমান এফ রহমান বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা। তার কোম্পানির উদ্যোগেই, তাদের প্রস্তাবের ভিত্তিতেই এবার খেলাপি ঋণ পুনর্গঠনের পথে হাঁটল সরকার।

বর্তমান অবরোধ-হরতালে সব ধরনের ব্যবসায়ীই সংকটে পড়েছেন। এমন কোনো খাত নেই যা চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। বড় পুঁজি যাদের, তারা তবু কাটিয়ে উঠতে পারেন। কিন্তু খুদে মালিকদের অবস্থা বেশি কঠিন। এরা প্রত্যেকে ভয়াবহ লোকসানের মুখে পড়েছেন। এ অবস্থায় শুধু বড় ঋণখেলাপি গোষ্ঠীকে কেন বিশেষ সুবিধা দেয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিল?

কোনো কোনো উদ্যোক্তা রয়েছেন যারা কষ্ট করে হলেও ঋণের কিস্তি দিয়ে যাচ্ছেন খেলাপি হওয়ার ভয়ে। তারা এই সুবিধা পাচ্ছেন না। ঋণ পরিশোধ করাটাই তাদের অপরাধ। যারা কম টাকা ঋণ নিয়েছেন, যারা ৫০০ নয়, মাত্র ৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন তারাই আজ বেশি সংকটে আছেন। কিন্তু রাষ্ট্র তাদের পক্ষে দাঁড়াল না। সরকারের তেলে মাথায় তেল দেয়ার এই নীতি কোথা থেকে আসছে, তা বুঝতে সময় লাগে না। সরকার ক্রমশ আরও বেশি দলবাজ, অন্ধ এবং স্বৈরতান্ত্রিক পথে এগুচ্ছে। ছোট ব্যবসায়ীদের বিপদে রেখে নিজের দলের ঘনিষ্ঠ চোরদের পুরস্কার দেয়াটা তাই প্রমাণ করে।

পুনর্গঠন নীতিমালা ৫০০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বের ঋণগ্রস্ত কোম্পানিগুলোর জন্য প্রযোজ্য হলেও এর একটি ধারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে এটা বোঝাই যাচ্ছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, ইতিপূর্বে যেসব গ্রুপ ঋণ বিষয়ে জালিয়াতি বা প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত, তারা এ সুবিধা পাবে না। বাস্তবে এটাই হচ্ছে একদলকে ঠেকানোর অস্ত্র। অধিকাংশ বড় ব্যবসায়ী গ্রুপের বিরুদ্ধেই জালিয়াতির অভিযোগ নানাভাবে আছে। কিন্তু উচ্চ আদালতে মামলা করে, তা দীর্ঘসূত্রতার জটে ফেলে বা স্থগিতাদেশ নিয়ে বড় ব্যবসায়ীরা এ সমস্যা মোকাবেলা করে থাকেন। এখানেই ফাঁকটা রয়ে গেছে। সরকার চাইলেই পছন্দের কোম্পানির সমস্যাটিকে বিচারাধীন বলে এড়িয়ে গিয়ে তাদের সুবিধা দিতে পারে। আবার চাইলেই অপছন্দের কোম্পানিকে এ ধরনের জটিলতার মধ্যে ফেলে বাতিল করে দিতে পারে। অর্থাৎ ঋণ পুনর্গঠনের সুবিধা রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।

কারা সুবিধা পেতে যাচ্ছেন, তার কোনো তালিকা কেউই প্রকাশ করেনি। তবে কয়েকটি সূত্র সুবিধা পেতে যাচ্ছে এমন কিছু কোম্পানির নাম নিশ্চিত করেছে। ইতোমধ্যে এই সুবিধা পেয়েছে বেক্সিমকো। তাদের সুবিধা দেয়ার নিমিত্তেই নীতিমালা এলো। এর পরেই সুবিধা পেয়েছে ওরিয়ন গ্রুপ। এছাড়া এইচআর গ্রুপ, মোস্তফা গ্রুপ, নুরজাহান গ্রুপ, টিআর ট্রাভেলস, সিলভিয়া গ্রুপ ও ইয়াছির গ্রুপও সুবিধা পাওয়ার তালিকায় আছে। পর্যায়ক্রমে বড় ঋণখেলাপিদের মধ্যে মেসার্স ইলিয়াস অ্যান্ড ব্রাদার্স, ইমাম গ্রুপ, এসএ গ্রুপ, থার্মেক্স গ্রুপ, আল-আমিন গ্রুপ ও বিসমিল্লাহ গ্রুপও এ সুবিধা পাওয়ার তালিকায় আছে।

———-

দ্রুতই এই ঋণ খেলাপি সিরিজে আরও দুটি লেখা দিব-
১) চট্টগ্রামের শীর্ষ চোরদের চুরির নমুনা
২) ওরিয়নের তেলেসমাতি

বি. দ্র. – উল্লেখিত সকল তথ্যের সূত্রই মজুদ আছে। চাইলেই সরবরাহ করা যাবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭ thoughts on “রাজনৈতিক অস্থিরতার ফাঁকে শীর্ষ চোরেরা পুরস্কৃত!

  1. পুনর্গঠন নীতিমালা ৫০০ কোটি

    পুনর্গঠন নীতিমালা ৫০০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বের ঋণগ্রস্ত কোম্পানিগুলোর জন্য প্রযোজ্য হলেও এর একটি ধারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতে পারে এটা বোঝাই যাচ্ছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, ইতিপূর্বে যেসব গ্রুপ ঋণ বিষয়ে জালিয়াতি বা প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত, তারা এ সুবিধা পাবে না। বাস্তবে এটাই হচ্ছে একদলকে ঠেকানোর অস্ত্র। অধিকাংশ বড় ব্যবসায়ী গ্রুপের বিরুদ্ধেই জালিয়াতির অভিযোগ নানাভাবে আছে। কিন্তু উচ্চ আদালতে মামলা করে, তা দীর্ঘসূত্রতার জটে ফেলে বা স্থগিতাদেশ নিয়ে বড় ব্যবসায়ীরা এ সমস্যা মোকাবেলা করে থাকেন। এখানেই ফাঁকটা রয়ে গেছে। সরকার চাইলেই পছন্দের কোম্পানির সমস্যাটিকে বিচারাধীন বলে এড়িয়ে গিয়ে তাদের সুবিধা দিতে পারে। আবার চাইলেই অপছন্দের কোম্পানিকে এ ধরনের জটিলতার মধ্যে ফেলে বাতিল করে দিতে পারে। অর্থাৎ ঋণ পুনর্গঠনের সুবিধা রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।

    আপনার কাছে বিনয়ের সাথে একটি উত্তর জানতে চাই, বিগত সরকারগুলোর আমলে এই একই প্রক্রিয়ায় কি রাজনৈতিক সুবিধা কেউ কাজে লাগাইনি? যদি আমার প্রশ্নটি সত্য হয় তবে প্রত্যাশা করছি, অতীতের কিছু তথ্য প্রমান এই পোস্টের সাথে সঙযুক্ত করে দেবেন। না হলে এ পোস্টের কিছু বিষয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠতেই পারে।

    1. বিগত সরকারগুলোর আমলে এই একই

      বিগত সরকারগুলোর আমলে এই একই প্রক্রিয়ায় কি রাজনৈতিক সুবিধা কেউ কাজে লাগাইনি?

      বিগত সরকার দুর্ণীতি করেছে বলে এই সরকারের করতে হবে নাকি? তাহলে পার্থক্য কি থাকলো? কিছুদিন পর বলবেন বিগত সরকারের যুবরাজ ডাকাতি করেছে, তাই বর্তমান সরকারের যুবরাজও ডাকাতি করবে। বিগত সরকার এসব করেছে বলেই ঐ সরকার বিগত। বর্তমনান ও বিগতের মধ্যে যদি কোন পার্থক্য না থাকে, তাহলে সরকার বদলের দরকার কি? বিগত নিয়ে সবাই ভাল থাকার চেষ্টা করবে। আপনার কথাতেই বুঝা যাচ্ছে বিএনপি আর আওয়ামীলীগের মধ্যে কোন পার্থক্য নাই।

      1. সম্ভবত আমার কথার ভুল ব্যাখ্যা
        সম্ভবত আমার কথার ভুল ব্যাখ্যা করলেন।
        আমি কারো দুর্নীতির পক্ষে সাফাই গাইছি না এমনকি এই পোস্টের কোন কথার সাথে এখন পর্যন্ত দ্বিমত করিনি। তবে, আমার শেষ বাক্যটি লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন আমি পোস্ট সম্পর্কে যেন পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ না ওঠে সেজন্য নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণের আহবান জানিয়ে উভয়ের বিষয়েই তথ্য প্রদানের অনুরোধ করেছি।

        আশা করি আমার অবস্থান পরিষ্কার করতে পেরেছি।

        1. আমি জানিনা আপনার প্রশ্নের
          আমি জানিনা আপনার প্রশ্নের বিষয়ে লেখকের অভিমত কি? তবে বিগত সরকারের দুর্ণীতি, স্বজনপ্রীতি ছিল মাত্রাতিরিক্ত। এটা সবাই জানে। শুধু রাষ্ট্রীয় লুটপাট চালানোর জন্য এবং লুটপাটের সমন্বয় করার জন্য ‘হাওয়া ভবন’ নামে আলাদা কার্যালয় খোলা হয়েছিল। এই পোস্টের বিষয় হচ্ছে বর্তমান সরকারের সময়ে দেশের শীর্ষ ঋণ খেলাপীদের সুযোগ-সুবিধা করে দেওয়া নিয়ে। সঙ্গতকারণেই বিগত সরকারের দুর্ণীতি নিয়ে নয়, এ সরকারের দুর্ণীতি নিয়ে পোস্টে আলোকপাত হয়েছে। বিগত সরকারের দুর্ণীতি নিয়ে হয়ত অন্য কোন পোস্টে আলোচনা হতে পারে। লেখককে আমিও অনুরোধ জানাইলাম, বিগত সরকাররের দুর্ণীতি নিয়ে ভিন্ন কোন পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য।

  2. একমাত্র শরিয়া আইনই পারে
    একমাত্র শরিয়া আইনই পারে যাবতীয় দূর্নীতির মূলোৎপাটন করতে। তাই আসুন সবাই শরিয়া আইন কায়েমের পক্ষে স্লোগান দিই।

  3. রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে
    রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে ‘সরকার ও সরকারের বিভিন্ন শ্রেণীর তাবেদারদের পৌষ মাস, রাষ্ট্র ও জনগণের সর্বনাশ’। শেখ মুজিবের সোনার বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়িত এভাবেই হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

51 − 45 =