কাল শুভর জন্মদিন

আজ বৃষ্টিটা কেমন যেন বেয়াড়া প্রকৃতির । থামার কোন লক্ষন দেখা যাচ্ছে না ।
তবে সুন্দর লাগছে সবই । নতুন করে-নতুন স্নিগ্ধতায় পৃথিবীটা যেন আজ নতুন করে সৃষ্টি হল । বৃষ্টির প্রত্যেকটি ফোঁটা এক একটি ধুম্রজাল সৃষ্টি করছে।
দূরে ছাদ এ অনেকক্ষণ হল একটি মেয়ে ভিজছে । দু হাত মেলে সে মেয়েটা যেন বৃষ্টির সাথে সখ্যতা করছে । আলিঙ্গন করছে মেঘলা আকাশকে ।অপরিচিত কোন দৃশ্য নয় । তবুও শুভ নিস্পলক দৃষ্টি তে তাকিয়ে আছে জানালার গ্রিল এ মুখ লুকিয়ে । কেমন যেন বৃষ্টি তে ভেজার মোহে আকুল হয়ে আছে ওঁর মনটা । কিন্তু না টিউশনি আছে। বের হতে হবে ওকে । রাজধানি ঢাকার আজিমপুর এ ছোট ২ টি রুম এর একটি ভাড়া করা জীর্ণ ফ্ল্যাট এ থাকে ২ টি প্রাণী- শুভ আর তার মা । খুব ছোটবেলায় বাবা কে হারিয়েছে সে। মায়ের ছোট্ট চাকরি আর তার টিউশনি দিয়ে কোনমতে জীবন পার করছে তারা । ঢাকা ভার্সিটির তৃতীয় বর্ষের বাংলার ছাত্র শুভ ।

”মা ছাতাটা কোথায় ?” –
”বাবা তোর তো অনেক জ্বর , বাইরে বৃষ্টিও হচ্ছে খুব , আজ থাক কাল যাস ”
”না মা , আজ যেতে হবে, তরকারি কিছু কেনা লাগবে মা? লাগলে বল আমি নিয়ে আসব ফেরার পথে ” – ”নাহ আজ লাগবে না, লাউ আছে,সবুজ শাকপাতা আছে , ওগুলাতে হয়ে যাবে আজ ” …। ”আচ্ছা মা তাহলে আসি ” – এই বলে এক কোনা ভাঙ্গা পুরাতন ছাতাটা নিয়ে বেরিয়ে পড়ল শুভ । এখন ও হাঁটবে । কলাবাগান যেতে হবে । মাথার ভেতর কালবৈশাখী হচ্ছে যেন । জ্বর টা ওঁর আজ একটু বেশি । পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে জলন্ত কাঁঠির এক চিলতে আঁচড়ে ধরাল । ও হাঁটছে , ধুয়া ওঁর সঙ্গী। । তিথি নেই । কখনো ছিল না। আসবেও না । ফোন টা বের করল শুভ । কলিং – তিথি ্‌্‌ ।

*****
>” ”হ্যালো শুভ , দোস্ত কেমন আছিস , খোঁজ নিস না কেন রে ? … ……ও তাই নাকি , দোস্ত জানিস … ” কথা শেষ হল না বেজে উঠল আর একটি ফোন । ”দোস্ত মা ডাকছে , পরে কথা বলছি ” …।।
”এই এতক্ষন পর ফোন দেওয়ার কথা মনে পড়ল তোমার, সারাদিন তোমার কথা ভাবছি , তোমার ফোন এর জন্য অপেক্ষা করছি আমি , !!! ”
বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে , বৃষ্টির ঘ্রান আবছা , তিথি ফোন এ গল্পরত । জানালা বন্ধ , বৃষ্টির এক দু ফোটাও ঘর এ ঢুকছে নাহ । অনুভুতি তাই বাইরে , শুন্যের পানে হারিয়ে যাচ্ছে ।- এমনি করে তোমাকে দিন এর. পর দিন কাদিয়েছি আমি তাই না শুভ !! আমার জন্য ছন্নছাড়া তুমি , আমার জন্য ক্ষতবিক্ষত একজন অর্ধমৃত মানুষ হয়ে বেচে আছো তুমি !! আমি জানি শুভ । ”<

লেখার মাঝে
পৃষ্ঠা ছেড়ার শব্দ ! ঢুকরে কেদে ওঠে তিথি। অশ্রুর কয়েক ফোটার আচ্ছন্নে সিক্ত হয় ডায়েরির সাদা পাতাটি । ফোন বাজছে । শুভ…………

*****
কবিতার বিষয় অনির্দিষ্ট । লেখাও হচ্ছে না। ডায়েরি টা শুন্য । একটি লাইন দুইটি লাইন , পুনরায় পৃষ্ঠা ছেঁড়া । অনেকক্ষণ ধরে এমনি করছে শারমিন । জানালার ধার এ বসে বৃষ্টির ছিটকে আসা এক দু ফোঁটা ডায়েরির পাতা ভিজিয়ে দিচ্ছে । অনুভুতি গুলা ছন্নছাড়া । নাহ এখন আর লিখবে না কিছু । কাল শুভর জন্মদিন । শারমিন গত একমাস ধরে প্লান করছে, কি গিফট দিবে এটা নিয়ে । অনেক ভেবে ঠিক করল একটি বড় দেখে সৌপিচ ধরনের একটি বড় মগ দিবে, যার এক পাশে শুভর একটি ছবি আকিয়ে নিবে আর এক পার্শে ওঁর লেখা স্বল্প পরিসর এর একটি কবিতা লেখা থাকবে । আর একটি লাল গোলাপ । অনেক দিন হয়ে গেল পাগলের মত ভালবাসে ও শুভ কে । এমনকি শুভর কথা ভাবার আতিশয্যে কয়েকবার সুইসাইড অ্যাঁটেম্পট করেছে ও । এমন পাগলামির কোন মানে নেই , তবুও শুভ বিহিন একটি জীবন সে কল্পনা করতে পারে না । বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে শারমিন । এইচ এস সি ২য় বর্ষের ছাত্রী সে । অনেক রক্ষনশীল স্বভাবের মেয়ে ও । কোনো ছেলের সাথে ও কথা বলতে পারে না । শুভ ছাড়া অন্য কোন ছেলের গলার আওয়াজ ও শুনতে চাই না । প্রতিনিয়ত শুভর জন্য কবিতা লেখে ও । নানান ছন্দের বর্ণীল সব ভালবাসার কবিতা । কিন্তু আজ অবধি শুভকে বলতে পারেনি – ওর ভাললাগার কথা , ওর লেখা অসম্পুর্ণ সব কবিতার কথা , শুভকে ভেবে অপরিনামদর্শী সব পাগলামীর কথা , একটুকরো অনুভুতির দুইটুকরো চির অম্লান ওর ভালবাসার কথা ।। চেষ্টা ,সংযম্ , সুদৃঢ় প্রত্যয়ী মনোভাব সত্বেও বলা হয়ে ওঠে নি অব্যক্ত কিছু কথা । ভাবনার জগতে ছেদ পড়ল মায়ের গলার আওয়াজ এ, ”এই শারমিন কই তুই? তোর টিচার এসেছে , রেডি হয়ে রিডিং রুম এ আয় । ”
মুহূর্তে সজাগ হয়ে ওঠে শারমিন , শুভ এসেছে । !!!

*****
অনেকক্ষণ থেকে ফোন এ চেষ্টা করছে রিতু । শুভ ফোন ধরছে নাহ । শুভর ক্লাসমেট রিতু । সাদমান, সাকি্‌ব , রিতু বর্ষা আর শুভ ৫ বন্ধু সর্বদা আড্ডা দেই একসাথে । আজ শুভ বিকাল এর আড্ডায় থাকবে না ওরা জানে । তবুও বৃষ্টি হচ্ছে বিধায় ফোন দিচ্ছে , যদি শুভ আজ টিউশনিতে না যায় এই আশায় । শুভর গান শুনবে সাথে চা এর আড্ডা ।। কাল শুভর জন্মদিন । ওরা প্লান করছে এই উপলক্ষে কিছু করবে তাই । কিন্তু পাচ্ছে না । ”এই সাকিব বল না দোস্ত কি দেওয়া যায় শুভ কে ”
”মাথায় আসছে না রে ”- ”ঐ দোস্ত এক কাজ করি চল ওকে সবাই মিলে একটা গিটার কিনে দি । ওর গিটারটা তো ভেঙ্গে গেছে গত মাস এ ।
হুম সকলেই সহমত । আবার ফোন দেওয়া হল । নাহ ফোন ধরল না শুভ । আড্ডা মলিন হতে লাগল ।

*****
মিসেস রহমান সেলাই করছেন । আর শুভর বাসায় ফেরার অপেক্ষা করছেন । তিনি জানেন এখন শুভ ফিরবে না , তবুও প্রতিটা দিনই এমন অর্থহীন অপেক্ষা করেন এই মা । আজ তিনি পাঁশের বাসার আরিফ এর আম্মার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার করেছেন , সেটা দিয়ে একটি ধুসর রঙ এর পাঞ্জাবি , আর একটি স্যান্ডেল কিনেছেন। কাল শুভর জন্মদিন। অনেক দিন হয়ে গেল ছেলে টা জোড়াতালি দেওয়া স্যান্ডেল পরছে ।শুভ কখনো কিছুই চাই না মা এর কাছে । একমাত্র অবলম্বন যাকে বুকে নিয়ে বেচে আছে মিসেস রহমান । চোখ দুটি হটাত অশ্রুসজল হয়ে গেল । একটি দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে এল অজান্তে ।

*****
শারমিন কে পড়িয়ে বের হয়ে রাস্তায় নামলো শুভ । বৃষ্টি থেমে গেছে । রাস্তায় আজ মানুষের আনাগোনা অনেক কম। চিগারেট ধরাল । হাঁটছে আনমনে । তিথিকে ও নিজের জীবন এর থেকে বেশি ভালবাসে । ৬ বছর পেরিয়ে গেছে । আজ ও সেই আগের মত তিথিকে ভালবাসে , আগের থেকে বেশি ভালবাসে । একবার নয় দুই বার নয় , এই ৬ টি বছর এর প্রতি ভালবাসা দিবসে ও প্রপোজ করেছে তিথিকে । কখনো একটি লাল গোলাপ , কখনো তিথির প্রিয় সেই সাদা গোলাপ নিয়ে । প্রত্যুত্তরে শুন্যতা ছাড়া কিছুই পায় নি শুভ । তিথির জীবনে যখন কোন সঙ্গী ছিল না তখনও ছিল শুভ , আজ তিথির জীবনে ৪ জন সঙ্গী রদবদল হয়েছে , এখন ও আছে
সেই শুভ । শুভ তিথির বন্ধু । অনেক পুরানো এক বন্ধু!!!! তিথির জীবনে যখন তার প্রথম সঙ্গির আবির্ভাব ঘটেছিল , সেই সম্পর্ক চলাকালিন তিথি একদিন বলেছিল – ” আমি আসলে উভয় সঙ্কটে পরেছি , না পারছি সৌরভ কে ছাড়তে , না পারছি তোমাকে গ্রহণ করতে”। ” প্রত্যুত্তরে এক চিলতে হাসি দিয়ে শুভ বলেছিল কবিতার সুর এ ছোট্ট একটা মেসেজ এর প্রতিউত্তরে –

”হয়ত করিবে গ্রহণ এই ভগ্ন হতচ্ছাড়াকে-
নয়ত নাই বা করিলে , থাকিব সারটিজীবন তোমারি পাশেতে ,
তোমার ভালবাসায় নিজেকে নিজের মাঝেতে লুকিয়ে ”

তিথি নির্বিকার ভঙ্গিতে অট্টহাসিতে ফেটে পড়েছিল । শুভ অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল ওর হাসির ভঙ্গিমাতে । আজ ও শুভর হৃদয়ে লেখা আছে সেই হাসি ।
কম করে হলেও ৩০০ এরও অধিক কবিতা এবং গান লিখেছে শুভ তিথির জন্য ।এখন ও লিখছে । ভবিষ্যতেও লিখবে ।
তিথির সেই উভয় সঙ্কট কাটে নি হয়ত আজও । শুভ সব ই বোঝে , অনেক কিছুই করেছে শুভ ওর জন্য , শুভ নিজেও বুঝতো , ওকে ব্যাবহার করেছে তিথি নাম এর মেয়েটি , কিন্তু তবুও আজ ও তিথির একফোঁটা উপকার করতে পারলেও খুব ভাগ্যবান মনে করে শুভ নিজেকে । অদ্ভুত এক প্রশান্তি যেন ।
কাল শুভর জন্মদিন ।
সিগারেট শেষ । আর একটা ধরিয়েছে ও ।
সেদিন এর কথা মনে পড়ছে যেদিন এইচ এস সি পরীক্ষার আগের রাত ১১ টাই তিথি হটাত কান্না করে বলেছিল ,” এক্সাম খুব খারাপ হবে আমার , আমি আমার নোট বইটা হারিয়ে ফেলেছি ” । শুভ্র সেই রাত এই মায়ের বাধা অতিক্রম করে ১৫ কিমি হেটে চলে গিয়েছিল তিথির বাড়ির সামনে , গিয়ে গ্রিল বেয়ে তিথির জানালা দিয়ে ফেলে এসেছিল ওর নিজের নোটবই টা । । এমনি অসংখ্য সব পাগলামি ।

শুভ জানে শারমিন ওকে ভালবাসে । কিন্তু শারমিন বলতে পারে না। প্রতিদিন ওর নিস্পলক দৃষ্টির দিকে তাকিয়ে শুভ কেমন জানি হটাত হটাত অনুভুতিপ্রবণ হয়ে ওঠে। ওর ভাবতে ভাললাগে কেও একজন ওকে ভালবাসে , ওর ভাবতে ভাললাগে কেও একজন ওকে হৃদয় দিয়ে অনুভব করে । কিন্তু ও কষ্ট পায়, শারমিন এর লুকিয়ে থাকা কষ্ট কে অনুভব করে । শুভ কি করবে ! ও অপারগ !!
দিন এর পর দিন তিথির প্রতি অপরিমেয় এক ভালবাসাকে নিজের প্রত্যকটি রক্ত বিন্দুতে লালন করছে ও ।
আজ ও শুভ ভালবাসে তিথিকে । অসাধারন অনুভুতির জোরাল এক ভালবাসা । যা কখনো এক ফোঁটা কমবে না , কখনো এক বিন্দু পরিমান ক্ষীণ হবে না ।

*****
শুভ !! কি দোষ ছিল ছেলেটার !! আজও ভালবাসে শুভ তিথিকে । এমন ভাবনায় নতুন ক্রন্দন ওঠে । তিথি আবার কাঁদছে ।
চিৎকার করে ওঠে সহসা তিথি – ”শুভ আমাকে মাফ করে দাও !! আমি তোমাকে ভালবাসি শুধুই তোমাকে !!! ”
আজ বেশ কয়েকদিন খুব লজ্জিত তিথি । শুভ বুদ্ধির উদয় হয়েছে সহসা ।। তিথি এখন শুভ ছাড়া কিছু ভাবতে পারে নাহ । কিন্তু কেন!!! সহসা কেমনে পরিবর্তিত হল তিথি !!
প্রশ্নের উত্তর তিথি খোঁজে নাহ । শুধু জানে ও শুভকে ভালবাসে এখন । কাল শুভর জন্মদিন । কালকেই তিথি তার ভালবাসার কথাটা জানাবে শুভকে । এখন শুভকে অগ্রিম উইশ করবে তিথি । নিশ্চয় শুভ অনেক খুশি হবে । ফোন হাত এ নিয়ে ডায়াল করল তিথি ……। ডায়ালিং…শুভ ।

*****
প্রায় চলে এসছে বাসার কাছে । বেশি দূর নয় বাসা আর । প্রতি পদের সুনিপুন হন্টন প্রকৌশল এর সাথে ভাবনার জগত উন্মুক্ত !! শুভ ওর মাকে অতিরিক্ত ভালবাসে । ওর পৃথিবী বলতে ঐ একমাত্র মা । এই ২২ বছর বয়সে এখন ও শুভ্র ওর মা এর হাত এ খাই , সময়ে অসময়ে মা কে জড়িয়ে ধরে সেই ছোট্ট বেলার মত শুয়ে থাকে । এই মা এর মুখের হাসির জন্যই শুভ্র এখনও তার মিথ্যা হাসির আড়ালে , কষ্ট লুকিয়ে রাখে ।তিথিকে ভালবেসে ছন্নছাড়া হলেও মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে শুভ সদা উতফুল্ল । মিথ্যা সব মিথ্যা । বাচতে হবে তাই মিত্থার আড়ালে আজ সত্যের অবস্থান ।
ফোন এর আওয়াজ এ ভাবনাতে ছেদ পড়ল । একটুখানি বিস্ময় ,সাথে একটু খানি বাধ ভাঙ্গা নির্জীব আনন্দ – তিথি !!!!! । ফোন বাজছে …… । !!!!! হটাত তীব্র হর্ন আর মোবাইল এর রিংটোন একাকার হয়ে গেল । ধাপ করে একটা সজোরে ধাক্কার শব্দ । মানুষের চিৎকার , পথচারীদের কোলাহল , সাথে আর্তনাদ !!! রক্ত !!

*****
পিচ ধালা রাস্তার বুকে ফোন এর রিংটোন এর আওয়াজ। তিথি ইজ কলিং …।

কাল শুভর জন্মদিন ।

_________________________
_________________________
উৎসর্গঃ মাস্তুরা ইয়াসমিন মিথিলা

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১১ thoughts on “কাল শুভর জন্মদিন

  1. চমৎকার গল্প।
    ইস্টিশন’র

    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    চমৎকার গল্প।
    ইস্টিশন’র গল্পকারদের গল্প নিয়ে ই-বুক তৈরী করার প্রস্তাব থাকল ইস্টিশন মাস্টারের কাছে।

  2. ভালো লাগল। প্লীজ ডোন্ট
    ভালো লাগল। প্লীজ ডোন্ট মাইন্ড। আপনার লেখায় বানানে একটা কমন ব্যাকরণগত ভুল হয়। “ই” এবং “য়” এর ব্যবহারে। যেমন, আমি খাই। সে খায়। কিন্তু আপনি লিখছেন- সে খাই। যেমন-

    কোনো ছেলের সাথে ও

    কথা বলতে পারে না । শুভ ছাড়া অন্য কোন ছেলের গলার আওয়াজ ও শুনতে চাই না ।

    এখানে হবে “শুনতে চায় না”। এই ধরনের ভুলগুলো দৃষ্টিকটু লাগে। এরপর থেকে একটু এইদিকে নজর দিয়েন। আপনার লেখার হাত খুব স্বচ্ছন্দ। বানানগত ভুলগুলো শুধরে নিলে ভালো হয়। শুভকামনা। :ফুল:

    1. আতিক ভাই ধন্যবাদ । এই ভুল
      আতিক ভাই ধন্যবাদ । এই ভুল গুলা অনিচ্ছাকৃত । এবার থেকে লক্ষ রাখব 🙂 :খুশি: :খুশি:

  3. ঘটনাগুলো প্রথমে মাথায় জট
    ঘটনাগুলো প্রথমে মাথায় জট পাকিয়ে গিয়েছিল। পরে খুলেছে। জীবনটাকে খুব সুন্দরভাবে তুলে এনেছেন।

    যাহা চাই তাহা ভুল করে চাই
    যাহা পাই তাহা চাই না।

    আর কালবৈশাখি বানানের ভুলটা কি আমার নিক দেখে হওয়া??? আসল বানান কিন্তু, কালবৈশাখী। আর সংরক্ষণশীল শব্দটার মানে বুঝলাম না। এটা কি রক্ষণশীল এর বিবর্ধিত রূপ???

    1. বাই দ্য ওয়ে, লেখাটা পড়ে আমার
      বাই দ্য ওয়ে, লেখাটা পড়ে আমার মাথায়ও একটা সাইকো থ্রিলার এর আইডিয়া চলে এসেছে। সে জন্য আপনাকে ধন্যবাদ…

  4. আচ্ছা একটা সাহায্য করতে
    আচ্ছা একটা সাহায্য করতে পারবেন? আপনি তো অনেক দিন ধরে ইস্টিশনের ট্রেনে চড়েন। এখানকার গল্পকারদের একটা লিস্টি দিতে পারবেন???

  5. আমি অনেকদিন ট্রেন এ চড়ছি সঠিক
    আমি অনেকদিন ট্রেন এ চড়ছি সঠিক । কিন্তু মাঝে দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত ছিলাম । আর আমি তেমন কোন গল্পকার আগে খুব একটা দেখি নি।অধিকাংশ আগে ছিল সাম্প্রতিক বিষয়ের পোস্ট । আপনি এ ব্যাপার এ সুমিত ভাই , আতিক ভাই , নুর নবী দুলাল ভাই , শামিমা মিতু , অবাস্তব স্বপ্নচারী এদের সাহায্য নিতে পারেন । 🙂

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 + 6 =