কোরআন-বেওউলফ-চর্যাপদঃ ভাষার ইতিহাস ও ভবিষ্যত

আধুনিক কালে এসে পৃথিবীর বহু ভাষার মানুষ নিজেদের ভাষার একটা ইতিহাস রচনা করেছে। এসব ইতিহাসে এসব ভাষার প্রাচীনতম সাহিত্যের সন্ধ্যান করা হয়েছে। যেমন ইংরেজি ভাষায় লিখিত সাহিত্যের প্রাচীনতম উদাহরণ ধরা হয় ‘বেওউলফ’, বাংলা ভাষায় ‘চর্যাপদ’ এবং আরবী ভাষায় ‘আল কোরআন’। এর মধ্যে কোরআন সবচাইতে প্রাচিন, সাত শতকের শুরুর ভাগে কোরআন সংকলিত হয়েছে। বেওউলফ লেখা হয়েছে আট থেকে এগার শতক পর্যন্ত সময়ের মাঝে এবং চর্যাপদ আট থেকে বারো শতক পর্যন্ত সময়কালে। সেই হিসাবে বেওউলফ এবং চর্যাপদ সমসাময়িক সাহিত্য। কোরআন তাদের চাইতে সামান্য প্রাচিন।

কোরআনের পূর্বে লিখিত আরবী ভাষার উদাহরণ হাতে গোনা যায়, ব্যপ্তিও যৎসামান্য। লিখিত আরবী ভাষা গড়ে উঠেছে কোরআনকে কেন্দ্র করেই। কোরআনের পূর্বে লিখিত আরবী ভাষার কোন কাঠামো ছিল না, ব্যাকরণ ছিল না। মূলত কথ্য ভাষার আরব সংস্কৃতিতে কোরআনের মতো এতো বড় আকারের একটি লিখিত গ্রন্থ আসমানি মর্যাদা তাই সহজেই লাভ করেছে। প্রাচীন আরবদের কাছে কোরআন ছিল এক বিষ্ময়। কোরআন কেন্দ্র করেই ক্লাসিক আরবী ভাষার কাঠামো এবং ব্যাকরণ গড়ে উঠেছে। কোরআন কেন্দ্র করে এবং কোরআন বুঝতে গিয়েই আরবী ভাষায় প্রাচীন সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা প্রশাখা গড়ে উঠেছিল। সুসংবদ্ধ আরবী ভাষায় দর্শন ও বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় মধ্যযুগের আরব-অনারব মুসলমান, খ্রিষ্ঠান ও ইহুদীরা মধ্যযুগের স্বর্ণযুগের জন্ম দিয়েছিল যা বিস্তৃত ছিল পারস্য থেকে স্পেন পর্যন্ত। এশিয়া ও ইউরোপের বিরাট অঞ্চলজুরে আরবী ভাষা লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কায় পরিণত হয়েছিল। রেনেসাপূর্ব ইউরোপের মানুষ আরবী থেকে অনুবাদ করেই গ্রিক, আরব, পারস্য ও ভারতের সাহিত্য, বিজ্ঞান ও দর্শনের জ্ঞান লাভ করেছে। এই কোরআন কেন্দ্র করেই আরবরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল এবং কোরআনের শ্রেষ্ঠত্বের দাবিতেই আরবরা পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের উপর সাম্রাজ্য বিস্তারের বৈধতা আদায় করে নিয়েছিল। উমাইয়া খেলাফতের পতনের পর মুসলিম দুনিয়ায় একচ্ছত্র আরব কর্তৃত্বের সমাপ্তি হলেও কোরআনের কর্তৃত্ব ও প্রভাব অনারবদের মধ্যে আজ অবধি বহমান এবং একবিংশ শতকের সবচাইতে আলোচিত ও সমালোচিত গ্রন্থ হলো কোরআন।

কোরআনের মতো চর্যাপদও মূলত ধর্মীয় সাহিত্য। অন্যদিকে বেওউলফ হলো মহাকাব্য। ইংরেজি ভাষার প্রাচিন সাহিত্যের উদাহরণ হলেও বেওউলফের নায়ক হলেন স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অধিবাসী একজন মহাবীর যিনি রাক্ষস খুন করে রাজা হয়ে ওঠেন এবং শেষ জীবনে ড্রাগন সংহার করে নিজেও বীরের মতো নিহত হন। পশ্চিম ইউরোপে রোম সাম্রাজ্যের আধিপত্যের যুগ শেষ হওয়ার পর পাঁচ শতকে ইংল্যান্ড দ্বীপে ইউরোপের মূল ভুখন্ড থেকে জার্মান জাতি হিসাবে পরিচিত এংলো-স্যাক্সোন’রা পাড়ি জমায়। এই জাতির নাম থেকেই ইংল্যান্ড (এংলোল্যান্ড তথা এংলোদেশ) দেশটি তার নাম লাভ করেছে। এই জার্মান জাতির সাথে উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অধিবাসীদের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ছিল। সেই যোগাযোগেই স্ক্যান্ডিনেভিয়ার বীরের কাহিনী প্রাচীন ইংরেজি সাহিত্যের বিষয়বস্তু হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তবে আরবী ভাষার ক্ষেত্রে কোরআনের যে অবদান, বেওউলফ সেই অবদান রাখার সুযোগ পায় নাই। বেওউলফ যে সময়কালে লেখা হয়েছে সেই সময়ের ইংল্যান্ডে সেল্টিক, এংলো-সেক্সন, স্কেন্ডিনেভিও নানা জাতিগোষ্ঠি ও ভাষার মানুষের বসবাস ছিল। কালক্রমে ইংল্যান্ডের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মুখের ভাষা হিসাবে ইংরেজি ভাষার বিকাশ লাভ করলেও শিক্ষিত সমাজের লেখালেখি অর্থাৎ সাহিত্য ও জ্ঞানচর্চার প্রধান ভাষা হয়ে উঠতে আরো অনেক সময় লেগেছে। রোম সাম্রাজ্যের উত্থানের পর থেকে প্রাচীন ইউরোপের লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা ছিল ল্যাটিন ভাষা। ইউরোপে রোম সাম্রাজ্যের পতনের হাজার বছর পরেও ল্যাটিন ভাষাই বিদ্যা শিক্ষার ভাষা হিসাবে টিকে ছিল। বেওউলফ যেই সময়ে লিখিতে হয়েছে সেই সময়ে ইংল্যান্ডে এংলো-স্যাক্সন, ড্যানিশ, নরম্যান বিভিন্ন ভাষাজাতির রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আধুনিক ব্রিটিশ রাজ পরিবারের অন্যতম আদীপুরুষ ছিলেন ফ্রান্সের নরম্যান্ডির অধিবাসী উইলিয়াম। তিনি ১১ শতকে ইংল্যান্ডের মসনদ দখল করেন। তার মুখের ভাষা ছিল নরম্যানি ফ্রেঞ্চ। তার পরিবারের শাসনামলে দীর্ঘদিন পর্যন্ত ইংল্যান্ডের দরবারী ভাষা ছিল ফ্রেঞ্চ এবং রেনেসাপূর্ব ইংল্যান্ডে ফ্রেঞ্চ ও ল্যাটিন ভাষার আধিপত্ব ছিল প্রবল। ইংরেজি তখন ছিল মূলত সাধারণ মূর্খ জনতার মুখের ভাষা, রাজা ও শিক্ষিত সমাজের ভাষা নয়। ১৪ শতকের কবি চস্যার এবং ষোল ও সতের শতকে রেনেসার লেখক ও কবি যেমন শেকসপিয়ার, জন ডোন প্রমুখের হাত ধরে ইংরেজি ভাষার মান মর্যাদা বেড়েছে এবং ক্রমাগত ইংল্যান্ডের মানুষের বিদ্যা শিক্ষা ও সাহিত্যের ভাষা হিসাবে মর্যাদা লাভ করেছিল। রেনেসা পরবর্তি ইউরোপে ইংরেজি ভাষায় বিপুল পরিমানে সাহিত্য ও জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চার সুবাদে এই ভাষা সমৃদ্ধ হয়েছে। আর দুনিয়া জোরা এককালের বিখ্যাত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সুবাদে এই ভাষা বর্তমান দুনিয়ার লিঙ্গুয়া ফ্রাংকায় পরিণত হয়েছে। এংলোদেশের মানুষের ভাষা এখন বর্তমান দুনিয়ায় বিদ্যা শিক্ষা ও সাহিত্যের সবচাইতে বড় ভান্ডার। আরবী ভাষায় কোরআনের মতো ইংরেজি ভাষায় বেওউলফ প্রভাববিস্তারী ভুমিকা পালন করতে না পারলেও ইংরেজি ভাষার প্রাচীনতম সাহিত্য হিসাবে এই মহাকাব্যটি আধুনিক ইংল্যান্ডের জাতীয় মহাকাব্যের (national epic) মর্যাদা লাভ করেছে। ইংরেজি সভ্যতার বর্তমান প্রতিনিধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হলিউডের বরাতে ইতিমধ্যে আমরা বেওউলফের কিংবদন্তি কেন্দ্র করে বিভিন্ন চলচ্চিত্রও দেখে ফেলেছি।

বাংলাদেশের চর্যাপদ এবং এংলোদেশের বেওউলফ সমসাময়িক সাহিত্য। বাংলা এবং ইংরেজি এই দুই ভাষার লিখিত রূপ হাজার বছর আগে পাওয়া গেলেও দুটি ভাষাই শিক্ষিত ও শাসক শ্রেণীর ভাষা হয়ে উঠতে সময় লেগেছে। গুপ্ত সাম্রাজ্যের সময় থেকে ভারতবর্ষ এবং বাঙলায় রাজভাষা হিসাবে সংস্কৃতের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা হয়। চর্যাপদের জন্ম বাঙলায় পাল সাম্রাজ্যের আমলে। পাল রাজারা যদিও বৌদ্ধ ছিলেন এবং বিভিন্ন প্রাকৃত ভাষার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন, কিন্তু তারাও সংস্কৃত ভাষাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিতেন। কিন্তু এই সময়টিতেই প্রাচীন বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে , লিখিত হয়েছে চর্যাপদ। বেওউলফ কে লিখেছেন এখন আর জানা যায় না, হয়তো একাধিক মানুষের অবদান এই সাহিত্য। কোরআন মুসলমানদের কাছে অপৌরষেও, অর্থাৎ কোন মানুষ এর লেখক নয়। চর্যাপদের লেখক একজন নয়, বহুজন। তবে তাদের নাম আমরা জানি। চর্যাপদে মোট বাইশজন কবির লেখা আছে। এরা প্রাচীন বাঙলার সাধক, তাদের টাইটেল মহাসিদ্ধা, অর্থাৎ তারা নির্বান তথা সিদ্ধি লাভ করেছিলেন। কিন্তু এই মহাসিদ্ধাদের ইতিহাস ও রচনা বাঙলা ভাষায় সংগ্রহ করে রাখা যায় নাই। বৌদ্ধ পাল সাম্রাজ্যের পতন ও হিন্দু সেন রাজতন্ত্রের উত্থানের সময় বাঙলার শিক্ষিত বৌদ্ধদের একটা বড় অংশ বাঙলা ত্যাগ করে তিব্বতে পাড়ি জমায়। তাদের হাত ধরে প্রাচীন বাঙলা সাহিত্যও বাঙলা ত্যাগ করে তিব্বতে চলে যায়। বৌদ্ধ ধর্ম কেন্দ্র করে বাঙলার সাথে তিব্বত ও চীনের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ছিল প্রাচীন কালে। তিব্বত ও চীনের পরিব্রাজকরা বাঙলা ভ্রমন করতেন, বিদ্যানরা বাঙলার বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে পড়াশোনা করতে আসতেন। পাল আমলে বাঙলার একজন মহাসিদ্ধা ছিলেন অতিশ দিপঙ্কর। বিক্রমপুরের এই পন্ডিত তিব্বতে বিখ্যাত ধর্মীয় নেতায় পরিণত হন। তিব্বত, চীন ও দূরপ্রাচ্যে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসারে যে কয়জন গুরুর নাম আসে অতিশ দিপঙ্কর তাদের অন্যতম। পরবর্তি যুগে তারানাথের মতো তিব্বতী বৌদ্ধ পন্ডিতদের লেখা ইতিহাস থেকে আমরা জানি যে বাঙলায় মোট চুরাশিজন মহাসিদ্ধা ছিলেন। এই চুরাশি সিদ্ধার মধ্যে বাইশজনের লেখা চর্যাপদটিও বাংলাদেশে রক্ষিত ছিল না, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মাত্র শখানেক বছর আগে বাঙলা সাহিত্যের এই প্রাচীন কির্তিটি নেপাল থেকে সংগ্রহ করে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। মুসলিমদের আগমনে সেন রাজবংশের পতনের পর থেকে সুলতানি বাঙলার দরবারি ভাষা ছিল ফারসি। অবশ্য মুসলিম শাসকদের অনেকেই বাঙলা ভাষার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন, এবং চর্যাপদ পরবর্তি ও আধুনিক যুগ পূর্ববর্তি বাঙলা ভাষার তাবৎ সাহিত্য এই সময়টিতেই লিখিত হয়েছে।

প্রাচীনকালে বেওউলফ লেখা এংলোদেশীরা যখন আধুনিক কালে বাঙলায় উপনিবেশ স্থাপন করলেন তখন থেকে বাংলাদেশের রাজভাষাও হলো ইংরেজি। পাকিস্তান আমলে রাষ্ট্রগঠনের পর শোনা গেলো রাষ্ট্রভাষা হবে ঊর্দু। চর্যাপদ লেখা বাঙালি প্রথমবারের মতো বাঙলা ভাষার দরদে দরদি হয়ে উঠলো। মধ্যযুগীয় কবি আবদুল হাকিমের মতো আধুনিক বাঙালি দেশী ভাষার গর্বে গর্বিত হয়ে ঘোষনা করলো, যেজন বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী সেজন কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি। বুকের রক্ত ঢেলে, জীবন দিয়ে বাঙালি রাষ্ট্রভাষা হিসাবে বাঙলার প্রতিষ্ঠা করলো। সেই যে বাঙালি নিজের জন্ম, জাতীয়তা ও ভাষা সম্বন্ধে সচেতন হয়ে উঠল তার প্রভাবেই আজকের বাংলাদেশ।

কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে বাংলা ভাষার মর্যাদা কতো? আজ অবধি শাসক শ্রেণীর ও শিক্ষার ভাষা হিসাবে বাংলার ব্যবহার কতোটুকু? লিখিত ভাষা হিসাবে বাংলা ও ইংরেজির বয়স প্রায় সমান। তাদের চাইতে কিঞ্চিত বয়স্ক আরবী ভাষা তার শ্রেষ্ঠত্বের যুগ শেষ করেছে, ইংরেজি ভাষার শ্রেষ্ঠত্ব গত কয়েক শতক যাবৎ সুপ্রতিষ্ঠিত। এই দুই ভাষাভাষির সাথে তাদের প্রাচীনতম সাহিত্যের যে নিবিড় যোগাযোগ বাঙালির সেই যোগাযোগ চর্যাপদের সাথে নাই। ধর্ম অথবা সাহিত্য, দুইদিক থেকেই যোগাযোগটা কম। বাঙালি জাতি হিসাবে কতোটুকু পরিণত হয়েছে এর থেকে আন্দাজ করা যায়।

বাঙলাও আরবী অথবা ইংরেজি ভাষার মতো কোন সাম্রাজ্যের ভাষা হিসাবে দুনিয়াজোরা লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা হয়ে উঠুক সেই কামনা করছি না। যে বাঙালি মাতৃভাষার মর্যাদার জন্যে জীবন দিয়েছে সেই বাঙালি অন্য জাতির মাতৃভাষার অধিকারের পক্ষে লড়াই করেই বাঙলা ভাষা ও সংস্কৃতির মর্যাদা বৃদ্ধি করুক, এই কামনা করি। এই ছাড়া তার আর কোন ভবিষ্যত আছে কি?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৯ thoughts on “কোরআন-বেওউলফ-চর্যাপদঃ ভাষার ইতিহাস ও ভবিষ্যত

  1. বাঙলাও আরবী অথবা ইংরেজি ভাষার

    বাঙলাও আরবী অথবা ইংরেজি ভাষার মতো কোন সাম্রাজ্যের ভাষা হিসাবে দুনিয়াজোরা লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা হয়ে উঠুক সেই কামনা করছি না। যে বাঙালি মাতৃভাষার মর্যাদার জন্যে জীবন দিয়েছে সেই বাঙালি অন্য জাতির মাতৃভাষার অধিকারের পক্ষে লড়াই করেই বাঙলা ভাষা ও সংস্কৃতির মর্যাদা বৃদ্ধি করুক, এই কামনা করি। এই ছাড়া তার আর কোন ভবিষ্যত আছে কি?

    সহমত।

    এ দেশের বিভিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠীর ভাষার ইতিহাস আছে। কিন্তু আমাদের রাষ্ট্র সেইসব ভাষার বিকাশ বন্ধের সব আয়োজন করে রেখেছে।

  2. বাংলাভাষার একজন নবীর আগমন ঘটা
    বাংলাভাষার একজন নবীর আগমন ঘটা উচিত ছিল। তাহলে ইসলাম ধর্মে বাংলাভাষার গুরুত্ব বেড়ে যেত। তবে আপনি আরবী ভাষার মহিমাম্বিত রূপের সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে কী উদ্দেশ্য হাসিল করতে চাচ্ছেন বোধগম্য হচ্ছে না।

    1. আরবি ভাষা থেকে তো ইংরেজি
      আরবি ভাষা থেকে তো ইংরেজি ভাষায় বেশি মানুষ কথা বলে।ইংরেজিতে তো কোন নবী আসেনি!!!

      আসলে এখানে আপনি আপনার অজ্ঞতারই পরিচয় দিলেন। @ইসলাম বিদ্বেষি(ইকারাস সাহেব)

    2. তিনটি ভাষার প্রাচীন গ্রন্থ ও
      তিনটি ভাষার প্রাচীন গ্রন্থ ও ঐ ভাষা জাতির সাথের সাথে গ্রন্থগুলোর সম্পর্কের তুলনামূলক ইতিহাস আলোচনা করেছি। আরবী ভাষার মহিমা দেখালাম কোথায়? @ইকারাস

      1. আরবী ভাষার মহিমা দেখালাম

        আরবী ভাষার মহিমা দেখালাম কোথায়?

        পোস্টের শুরুতেই কোরানের পৃষ্ঠার ছবি দেখে ইকারাস সাহেবের মাথা গরম হয়ে গেছে (এতে হয়ত আরবী ভাষার মহিমা কিছুটা হলেও বেড়েছে!!! 😀 )। তাই ঈষ্যত উত্তেজিত।
        চর্যাপদের ছবি উপরে তুলে দিয়ে, কোরানের পাতার ছবি নীচে নামিয়ে দিলে , উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা আছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 6 = 1