টিপাইমুখ বাধে পরিবর্তন আসছে, সাথে কী দিল্লী ঢাকা কূটনীতিরও?

বাংলাদেশকে ভারত তার অঙ্গরাজ্য থেকেও কম গুরুত্ব দেয়। এর কারণ হিসেবে হাজার হাজার ঘটনা বলা যেতো, তবে এই মূহুর্তে শুধু টিপাইমুখের ব্যাপারে নেয়া সাম্প্রতিক একটি সিদ্ধান্তের বিষয়ে কথা বলবো।

আমাদের নিশ্চয় স্মরণে আছে এতো বোমা, পেট্রোল বোমা বিস্ফোরণ আর অভিজিৎ হত্যার মধ্যেও যে, ভারত আসামে টিপাইমুখ বহুমুখী প্রকল্প নামে একটি সর্বনাশা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এই প্রকল্পের বিষয়ে বাংলাদেশকে কোন তথ্য না দিয়েই ভারত আন্তর্জাতিক বেশ কিছু আইন ভেঙ্গে এ প্রকল্পটি করছে। আন্তর্জাতিক আইনে স্পষ্টই আছে যে, কোন আন্তর্জাতিক নদীর প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করতে হলে এর সুবিধাভোগী সব পক্ষের ঐক্যর ভিত্তিতেই তা করতে হবে। ভারত কোনদিনই তা করেনি। ফারাক্কা থেকে সেই শিক্ষা বাংলাদেশীদের হয়নি। আর কোনদিন হবে সে আশা করাটাই বাতুলতা।

সম্প্রতি ভারত টিপাইমুখ বাধের পরিকল্পনায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনছে। পরিবর্তন আনার কারণ জহলো ভারতের বনবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটি (ফ্যাক) টিপাইমুখ প্রকল্পের ছাড়পত্র দেয়নি। ছাড়পত্র পেতে এখন এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হবে। তবে এখন পর্যন্ত বহুমুখী এ প্রকল্পের কারণে কৃষি, মৎস্য, নৌ চলাচল ও পরিবেশের ওপর কি ধরনের প্রভাব পড়বে সে সংক্রান্ত কোন তথ্য বাংলাদেশের কাছে দেয়নি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। ফলে বহুল সমালোচিত এ বাধ নির্মাণে বাংলাদেশের শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। অথচ ভারত এ প্রকল্পে কী হচ্ছে তা জানাতে বাংলাদেশকে সাথে নিয়ে যৌথ সমীক্ষা দল গঠন করেছিল। সাব গ্রুপ নামে এ যৌথ সমীক্ষা দলটি ২০১২ সালে গঠন হবার পর তারা ইতোমধ্যে তিনটি বৈঠকও করেছে।

এ বিষয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ জানিয়েছেন, ‘যেহেতেু ভারত আমাদের কোন তথ্য দেয় না টিপাইমুখ বাধের ব্যাপারে সে কারণে বাংলাদেশ যৌথ সমীক্ষা দল থেকে বেরিয়ে এসেছে।’

অথচ গত বৃহস্পতিবারও এ সংক্রান্ত একটি বৈঠক বসে বাংলাদেশ সচিবালয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে। সেখানেও এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। তাহলে কী এমন ঘটনা হলো যে, হুট করে মন্ত্রী গতকাল শুক্রবার টেলিফোনে আমাদের জানালেন যে, বাংলাদেশ যৌথ সমীক্ষা দল থেকে বেরিয়ে গেছে?

জাতীয় পার্টির এ নেতা ও সরকারের প্রভাবশালী এ মন্ত্রীর এ বক্তব্য খুবই গুরুত্বপূর্ন। বিশেষ করে যখন আওয়ামী লীগকে অন্ধ সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ যখন ভারতের কাধে রয়েছে, তখন ভারতকে না জানিয়ে এরকম একটি স্পর্শকাতর বিষয়ের জন্য গঠিত যৌথ সমীক্ষা দল থেকে বেরিয়ে আসার পেছনে বহু রহস্য ও দিল্লীর ঢাকার রাজনীতিতে গুনগত পরিবর্তনের আভাষ দেয় কিনা তাও ভাবার বিষয়।

আর একটি তথ্য আপনাদের জানাই। এতোদিন বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে যে রাজনীতি চলছিলো সেখানে ভারত ও চীন একসাথে মিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ঠেকিয়ে রেখেছিলো বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করার ব্যাপারে। এ ব্যাপারে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস পার্টি মার্কিন বিরোধী অবস্থান নেওয়া ভয়ঙ্কর খারাপ সম্পর্ক পার হয় ভারতের সাথে মার্কিনীদের। এমন কী দুই দেশের কুটনৈতিক বহিস্কারের মত পর্যায় চলে গিয়েছিল শুধু বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে। যেদবজানিকে আটকও করেছিল মার্কিন পুলিশ।

আবার মনে করেন ভারতে টাইমস নাও একটি প্রতিবেদন করেছিল সেখানে বলা হয়েছিল মার্কিন সপ্তম নৌবহর বঙ্গোপসাগরের দিকে আসছে। প্রতিবেদনটি পড়ে দেখতে পারেন।
http://www.timesnow.tv/Debate-America-eyes-Bay-of-Bengal—1/videoshow/4403335.cms

এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর মার্কিন তৎকালিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা ঢাকায় কয়েকজন সাংবাদিককে জানিয়েছিলেন, জার্নালিজমের মাধ্যমে কিভাবে ডিপলোম্যাসি করতে হয় তা ভারতের কাছ থেকে শেখার আছে।’ কারণ ভারত জানতে পেরেছিল মার্কিনীরা চায় বঙ্গোপসাগর অবস্থান, তা ঠেকিয়ে দেবার জন্য এরকম গায়েবি নিউজ। তখন অবশ্য সাথে ছিলো। চীনের ভারতের পাশে থাকার নানান হিসাব আছে। বড় হিসাব দুইজনে মিলে ভাগাভাগি করা। কারণ পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় বড় ঘাটি গেড়েছে চীন। আর ভারত আন্দামার নিকোবর দীপে ঘাটি করেছে। এ কারণে শেখ হাসিনা ও আ.লীগ মার্কিন বিরোধী অবস্থান নেবার পরও টিকে গেছে, কারণ ভারতের আর্শিবাদ। যদি এখন চীনকে বিরোধী পক্ষে রেখে মোদী নিজেই মার্কিন ব্লকে চলে যায় তাহলে আ.লীগের কী হবে?

প্রশ্নটা এ কারণে যে, সম্প্রতি একটি নিউজ দেখুন এটা গত বৃহস্পতিবারের নিউজ। যেখানে বলা হচ্ছে, মোদী চান বঙ্গোপসাগর থেকে চীনকে উৎখাত। এটা যদি হয় তাহলে বঙ্গোপসাগরে আসছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাহলে শেখ হাসিনা ও আ.লীগের পররাষ্ট্রনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হবে। সেটাই এখন দেখার বিষয়। প্রশ্ন হলো, টিপাইমুখ বাধ নিয়ে সেই পরিবর্তন হলো কিনা সেটাই হলো কথা।

টিপাইমুখে কী হচ্ছে ?
জানা গেছে, গত ৫ মার্চ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় টিপাইমুখ জলবিদ্যুত প্রকল্পের সমীক্ষার অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য একটি বৈঠক হয়। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) মো. নজরুল ইসলাম বীরপ্রতিকসহ প্রমুখ।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে টিপাইমুখ প্রকল্পের ব্যাপারে বার বার উদ্বেগ জানানো হয়েছে ভারতের কাছে। দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে এ বিষয়ে একাধিকবার বৈঠকও হয়েছে। ভারতের শীর্ষ পর্যায় থেকে জানানো হয়েছে টিপাইমুখ প্রকল্পের কারণে বাংলাদেশের কোন ক্ষতি হবে না। এ পরিস্থিতিতে টিপাইমুখ প্রকল্পে কী হচ্ছে এ সংক্রান্ত তথ্য বাংলাদেশকে জানানোর জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ করা হয়। ভারত এ প্রকল্পে কী করা হচ্ছে তা বাংলাদেশকে জানানোর জন্য উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে সমীক্ষা করার জন্য দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের অধিনে একটি সাব গ্র“প গঠন করা হয়। ২০১২ সালে ভারতের দিল্লীতে অনুষ্ঠিত সাব গ্র“পের প্রথম বৈঠকে দু’পক্ষের সমীক্ষার কার্যপরিধি (ঞবৎসং ড়ভ জবভবৎবহপব) চূড়ান্ত করা হয়। সমীক্ষা চালানোর জন্য ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের পানি উন্নয়ন বোর্ডের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংকে (আইডব্লিইউএম) দায়িত্ব দেওয়া হয়। আইডব্লিইউএম এর মধ্যে দায়িত্ব দেয়া হয় প্রকল্পের ম্যাথেমেটিক্যাল মডেলিং ও সিইজিআইএসকে দায়িত্ব দেওয়া হয় এ প্রকল্পের কারণে কৃষি, নৌ চলাচল ও পরিবেশগত প্রভাবের ধরণ কি হবে তা পর্যালোচনা করতে।

জানা গেছে, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় সাব গ্রুপের দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে যৌথ সমীক্ষা পরিচালনার জন্য সাব গ্র“পের ভারতীয়দের কাছে টিপাইমুখ প্রকল্পের আরও কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত ও প্রতিবেদন সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়। তবে এখন পর্যন্ত ওইসব তথ্য উপাত্ত বাংলাদেশকে দেয়নি ভারত।

জানা গেছে, আইডব্লিইউএম ও সিইজিআইএস যৌথ সমীক্ষা দলের কাছে প্রথম ও দ্বিতীয় অন্তবর্তীকালিন প্রতিবেদন ভারতের সমীক্ষা দলের কাছে মতামতের জন্য পাঠানো হয় ২০১৪ এর ফেব্র“য়ারিতে। এরপর সর্বশেষ গত ১৯ জানুয়ারি কলকাতায় বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের আওতাধীন সাব গ্র“পের তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে আইডব্লিইউএম ও সিইজিআইএস এর করা প্রথম ও দ্বিতীয় অন্তবর্তীকালিন প্রতিবেদন সম্পর্কে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ জানায় যে, তাদের মতামত এই প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হয়নি। আর এ দুই প্রতিবেদনে হাইড্রোলোজিক্যাল (যুফৎড়ষড়মরপধষ) ও মরফোলোজিক্যাল (সড়ৎঢ়যড়ষড়মরপধষ সড়ফবষ) এর ওপর ভিত্তি করে করা হয়নি ফলে প্রতিবেদনে প্রকল্পের ফলে কী ধরনের প্রভাব পড়বে সে সম্পর্কে কোন তথ্য নেই।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষের এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের পক্ষে বলা হয়, ভারতের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়ার পরও তা দেয়া হয়নি।

বৈঠক সূত্রে আরো জানা যায়, সর্বশেষ কলকাতা বৈঠকে ভারতের পক্ষে জানানো হয় বর্তমান আঙ্গিকে টিপাইমুখ জলবিদ্যুত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন নাও করা হতে পারে। এ প্রকল্পের ছাড়পত্র পেতে এ প্রকল্পে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হতে পারে। পরিবর্তীত তথ্য উপাত্ত চূড়ান্ত হলে সাব-গ্র“পের বাংলাদেশের কাছে তা দেওয়া হবে বলেও ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বৈঠকে জানায়।

টিপাইমুখ প্রকল্পে কী হচ্ছে তা ভারতীয় কর্তপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় ও তথ্য আদান প্রদান শেষে প্রতিবেদন তৈরীর জন্য ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ নদী কমিশন ছাড়া বাংলাদেশের পানি পানি উন্নয়ন বোর্ডের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) ও ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংকে (আইডব্লিইউএম) দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই দুই গবেষণা সংস্থার টিপাইমুখ বিষয়ে আগামি জুনে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা থাকলেও ভারতের পক্ষ থেকে তথ্য না দিয়ে সহযোগিতা না করায় প্রতিষ্ঠান দুটি সময়মত প্রতিবেদন দিতে পারবে না।

উল্লেখ্য, ভারতের বনবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটি (ফ্যাক) টিপাইমুখ প্রকল্পের ছাড়পত্র দেয়নি। ২০১৩ সালের জুলাই মাসের শেষের দিকে ভারতের বনবিয়ষক ছয় সদস্যর উপদেষ্টা কমিটি (ফ্যাক) টিপাইমুখ প্রকল্পের প্রস্তাবকে পর্যালোচনা না করে ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এ কমিটি পরিবেশ ও বন ধ্বংসকারী বড় পরিকল্পনা না নিয়ে ছোট ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য ভারত সরকারকে তখন পরামর্শ দিয়েছিলো। ফ্যাকের কমিটির সদস্যদের সুপারিশে বলা হয়েছিলো, টিপাইমুখ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তা ভারতের মণিপুর ও মিজোরাম রাজ্যের টিপাইমুখ বনভূমির ৭৮ লাখ গাছ ও ২৭ হাজার বাঁশগাছ কাটা পড়বে। এর ফলে ওই এলাকার ১২টি গ্রামের ৫৫৭ আদিবাসী পরিবার উচ্ছেদ হবে। টিপাইমুখ এলাকায় এমন একটি আদিবাসী গোষ্ঠীর বসবাস, যেটি আর কোথাও নেই।

২০১০ সালের ২৮ এপ্রিল মণিপুর রাজ্য সরকারের সঙ্গে হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার করপোরেশন (এনএইচপিসি), সুটলেজ বিদ্যুৎ নিঘম লিমিটেড (এসজেভিএনএল) এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি স্থাপনের ব্যাপারে চুক্তি করে। পরে ২০১১ সালের ২২ অক্টোবর চুক্তিটি নবায়ন হয়।

এ প্রকল্পে সম্পর্কে বাংলাদেশ ও ভারতের পরিবেশবাদীরা পরিবেশ ও প্রতিবেশ বিধ্বংসী হিসেবে চিহ্নিত করে আন্দোলন করে আসছিলেন। পরিবেশবাদীদের উদ্বেগ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চল সিলেট ও সংলগ্ন হাওড় এলাকার ওপর এর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এ প্রকল্পের বিদ্যুৎকেন্দ্রের জণ্য যে জলাধার নির্মাণ করা হবে তার কারণে বর্ষা মৌসুমে বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের হাওড় ও নদীতে পানি কমে যাবে। আর যদি ভারত বর্ষা মৌসুমে এ প্রকল্পের পানি ছেড়ে দেয় তাহলে সিলেট অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেবে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬ thoughts on “টিপাইমুখ বাধে পরিবর্তন আসছে, সাথে কী দিল্লী ঢাকা কূটনীতিরও?

  1. দেশের মানুষ যখন বৃষ্টির আশায়
    দেশের মানুষ যখন বৃষ্টির আশায় উপরে তাকিয়ে আছে, এই ফাঁকে নিচ দিকে লাঠিয়ালরা আবাদী জমিই দখল করেছে/চেষ্টা করছে লক্ষ্যই করেনি মানুষগুলো৤ গুরুত্বপূণ‍র্ লেখা তুহিন ভাই৤

  2. ভারতকে সঠিকভাবে বুঝতে হবে।
    ভারতকে সঠিকভাবে বুঝতে হবে। ভারতরাষ্ট্র ও তার শাসকরা সারা দুনিয়ার নিপীড়িত মানুষের শত্রু। তাদের উচ্ছেদ ঘটাতে হবে।

  3. এই আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় টিকে
    এই আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্যে ভারতের উপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল । এই ঘটনা তারই উদাহরন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

6 + 2 =