বাঁশের কেল্লার অ্যাডমিনের পক্ষে প্রথম আলোর সাফাই!

?oh=79871bd35fa22b3867650210e4e4858a&oe=558B1A0D” width=”400″ />
বাঁশের কেল্লা পেইজের প্রধান এডমিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে অভিজিৎ হত্যা মামলার সন্দেহভাজন হিসেবে ভাবছে পুলিশ। নাম তার কে এম জিয়াউদ্দিন ফাহাদ।

ফাহাদের চেহারা সুরত দেখে বোঝা যায় যে, সে একজন শিবির কর্মী। সাধারণত শিবিরের কর্মীরা যে ধরনের খোঁচা খোঁচা দাঁড়ি রাখে, এই লোকের চেহারাও তেমন। পুলিশ তথ্য দিয়েছে যে, ”তথ্যপ্রযুক্তির ওপর বিশেষ দক্ষতার কারণে ফাহাদ ছাত্রশিবিরের প্রচার বিভাগের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পান। তিনি ‘ট্রুথ ফাইটার’ ও ‘বিপ্লব দহন’ ছদ্মনামে ফেসবুক ব্যবহার করতেন। এসব ফেসবুক পাতা পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁর সঙ্গে আরও অন্তত ৫০ জন জড়িত আছেন।” অথচ এই শিবিরকর্মীর পক্ষেই কিনা সাফাই গাইল প্রথম আলো গং!

আজ প্রথম আলোর তৃতীয় পাতায় খুব গুরুত্ব দিয়ে শিবির নেতা ফাহাদকে গ্রেপ্তার বিষয়ক একটি খবর ছেপেছে প্রথম আলো। খবরের ধরন দেখে মনে হবে যেন, নিরপরাধ একজনকে পুলিশ সন্ত্রাসী সাজিয়ে দিচ্ছে। এই ধারণা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রথমেই বলা হয়েছে গ্রেপ্তারকৃত ফাহাদের বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং ইউপি চেয়ারম্যান। বলা হয়েছে, ফাহাদ একজন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র। সে বেড়াতে গিয়েছিল, পুলিশ তাকে তুলে এনেছে। বেশ কিছুদিন লুকিয়ে রাখার পর তার খোঁজ পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে পুলিশ তাকে সন্ত্রাসী বানিয়ে দিয়েছে।

পত্রিকাটি লিখেছে, ”রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে গত বুধবার ঘোরাঘুরি করছিলেন সত্তরোর্ধ্ব খন্দকার ছমিউদ্দিন। কারণ জানতে চাইলে বললেন, তাঁর ছেলে কে এম জিয়াউদ্দিন ফাহাদকে (২৩) ৯ মার্চ কুমিল্লা থেকে ঢাকার ডিবি পরিচয়ে কয়েক ব্যক্তি ধরে এনেছেন। ছেলের খোঁজে তিনি গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছেন। ডিবির কর্মকর্তারা বিষয়টি অস্বীকার করছেন। হাল ছাড়েননি ছমিউদ্দিন। চার দিন পর ছেলের খোঁজ জেনেছেন তিনি। গতকাল শুক্রবার ডিবি সংবাদ সম্মেলন করে ফাহাদকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে।”

?oh=71b4b83693323bf60de55b53e50ef2dd&oe=55B9E64A&__gda__=1433649915_0357773e778f5da043baaec9ad95df55″ width=”400″ />
প্রথম আলোর খবরের কাটিং!

এরপর এই ধারনাকে শক্তিশালী করতে পত্রিকাটি আরও লিখেছে, ”ফাহাদের গ্রেপ্তারের খবর গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর গতকাল দুপুরে বাঁশের কেল্লার ফেসবুক পাতায় দাবি করা হয়, তাদের কোনো অ্যাডমিন গ্রেপ্তার হননি। ফাহাদের বাবা ছমিউদ্দিন চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তিনি মুক্তিযোদ্ধা। ফাহাদ চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র। ফাহাদ মাকে নিয়ে কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজের শিক্ষকদের আবাসিক এলাকায় বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ৯ মার্চ বিকেলে তাঁকে ধরে আনে ঢাকার ডিবি পরিচয়ধারীরা। কিন্তু তিনি খোঁজ নিতে ডিবি কার্যালয়ে গেলে কর্মকর্তারা গ্রেপ্তারের বিষয়টি অস্বীকার করেন, তথ্যও দিচ্ছিলেন না। এতে তাঁরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। এ কয়দিন ডিবি কার্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহে আসা সাংবাদিকদেরও তিনি ছেলের খোঁজ জেনে দিতে অনুরোধ করেন।”

বাস্তবে ফাহাদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার সম্পর্কে পরিচিত অনেকেই তথ্য দিয়েছেন যে, পুলিশের অভিযোগ সঠিক। পুলিশ জানায়, সম্প্রতি ফেসবুকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে বিভিন্ন মানহানিকর বক্তব্যের অভিযোগে ঢাকা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির রফিকুল ইসলাম খানের ছেলে রিফাত আবদুল্লাহ খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তে পাওয়া তথ্য ও রিফাতের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়ে ফাহাদকে কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজের শিক্ষকদের আবাসিক এলাকা থেকে আটক করা হয়। শুক্রবার ফাহাদকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন ডিবি পুলিশের এসআই মিজানুর রহমান। ঢাকা মহানগর হাকিম (সিএমএম) মোল্লা সাইফুল আলম শুনানি শেষে অভিযোগ আমলে নিয়ে ফাহাদের ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

?oh=b61bf88b36331031ec34b3520e5ac6a0&oe=5573FD29&__gda__=1434334872_4ef973be623c72553bbc6e5832023b29″ width=”400″ />
বাঁশের কেল্লার খবরের কাটিং!

কিন্তু জামাতি পেইজ বাঁশের কেল্লা এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত টুডেব্লগ, বিডি-টুডে ডট নেট, বিডি মনিটর, নয়াদিগন্ত, আমারদেশ অনলাইন যে খবর প্রচার করেছে, প্রথম আলোর প্রকাশিত খবরের সঙ্গে তার কোনো পার্থক্য নেই। জামাতি পেইজগুলো এবং প্রথম আলোর ভাষা মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। মতিউর রহমান আর কতকাল তার মিত্রদের রক্ষা করে চলবেন? সুশীলরা আর কতদিন মতি মিয়ার সঙ্গে নিরাপদ বোধ করবেন?

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬ thoughts on “বাঁশের কেল্লার অ্যাডমিনের পক্ষে প্রথম আলোর সাফাই!

  1. এই আইওয়াশ আর কত দিন??রাজীব
    এই আইওয়াশ আর কত দিন??রাজীব হায়দারের পর এক নাটক,এখন অভিজিৎ হত্যার পর আরেক নাটক।আসল খুনিরা সবসময়ই বাইরেই রয়ে যায়।

    1. এখানে নাটকের কি আছে? কান
      এখানে নাটকের কি আছে? কান টানলে মাথা আসে জানেন না? বালের ক্যালার না হলেও শ’খানেক এডমিন আছে। একটারে ধরতারলে বাকিগুলাও ধরা পড়বে। ডিম থেরাপি দিলে কত ধরনের ক্লু বেরিয়ে আসবে, সেটা সাধারনের ধারনারও বাইরে। অপেক্ষায় থাকেন।

  2. আপনার লেখা পড়ে বেশ কিছু সংশয়
    আপনার লেখা পড়ে বেশ কিছু সংশয় জন্মেছে। প্রথমত ফেসবুক পেইজের কোন সম্পাদক হয় না । হয় এডমিন। আমাদের অত্যাধুনিক মিডিয়া অতি আবেগের ঠেলায় ভুলভাল বলে বেড়াচ্ছে। আর দ্বিতীয়তা শিবির কর্মীদের লক্ষন খোঁচা-খোঁচা দাঁড়ি রাখা । আমি নিজেও খোঁচা দাঁড়ি রাখি । কিন্তু আমি শিবিরের কর্মী নই । অন্তত আমার নাম এর স্বীকৃতি দেয় না । এবার প্রথম আলো সম্পর্কে একটা মন্তব্য না করে পারছি না প্রথম আলো একটা চু**য়া ছাড়া আর কিছুই না। বিড়ম্বনার কথা হচ্ছে এই ধাড়িবাজ পত্রিকাটাই নাকি বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে ।

  3. প্রথম আলো জামাতীদের থেকে
    প্রথম আলো জামাতীদের থেকে বিরাট অংকের মাসিক মাসোহারা পায়। জামাতীদের সার্ভিস না দিলে কেমনে হয়?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

22 − 18 =