দালালী না রাজপথ, আপোষ না সংগ্রাম।

শিরোনামটা খুব চেনা বর্তমান সময়ের সকলের। সারাদেশেই এই শ্লোগানগুলো অন্যান্য শ্লোগানের সাথে ভালোই চলছে। আর সেখানে তাল মেলাচ্ছেন সকলেই। কিন্তু বাস্তবে তার চিত্র দেখছি সম্পূর্ণ উল্টো। শ্লোগানে যখন বলা হয় “দালালী না রাজপথ” তখন সকলেই সমস্বরে প্রতিউত্তরে বলে উঠেন “রাজপথ, রাজপথ“, যখন বলা হয় “আপোষ না সংগ্রাম” তখন বলা হয় “সংগ্রাম সংগ্রাম” অথচ আমরা দেখতে পারছি ঠিক তার উল্টো।

এই আন্দোলন থামাতে শুরু থেকেই জামাত উঠে পড়েছিল। নানা রকমভাবেই তারা চাইছিলো সেখানে একটা বাঁধা তৈরী করতে। কিন্তু কিছুতেই পেরে উঠছিলো না আর এদিকে গণজাগরন একের পর এক তাদের মেরেই যাচ্ছিলো। কিন্তু তারা আর চুপ করে থাকতে পারে নাই, চাপ দিলো বিএনপিকে আর তাতে বিএনপিও কথা বলে উঠলো। এতেও ঠিক দমানো যাচ্ছে না তাদের আর তখনই তারা সেঁটে দিলো ধর্মের অবমাননা। রাজীবকে হত্যার মধ্য দিয়ে শুরু। একের পর এক, একের পর এক তারা সেঁটে দিতে শুরু করলো। স্বনামে, ভিন্ননামে শুরু হলো তাদের একটা কর্ম প্রক্রিয়া। ট্যাগ ছুটে এলো অনলাইন এক্টিভিস্ট ও ব্লগারদের গায়ে। দেশের বিভিন্ন স্থানেই প্রচারিত হয়ে গেলো ব্লগার মানে সেইমাপের নাস্তিক। এরপর গণজাগরন মঞ্চও একটু ঢিলা দিল আন্দোলনে। আর সেই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে দিল তারা ঠিক পরদিনেই। সারাদেশে একযোগে হামলা হল গণজাগরনে, হামলা হলো কর্মীদের উপর। আর এইদেখে শাহবাগ জেগে উঠলেও জেগে ওঠেনি অনেক মঞ্চ। যে একটা প্রবল স্রোত ছিলো সেটা মুহুর্তেই একটা বড় মাপের বাঁধা পেয়ে গেলো। এরপর ঐ জামাতীদের থেকেই জোর গলায়, বড় গলায় সবার সন্মুখেই বলা হলো ব্লগাররা “নাস্তিক“, “মুরতাদ” চট্টগ্রামের মাটিতে তাদের ঠাঁই নাই কিন্তু ব্লগার কিনবা অনলাইন এক্টিভিস্টদের পক্ষ থেকে প্রতিউত্তরে কোন কিছুই আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় নাই। উল্টো একপ্রকার “দালালী“, “আপোষ” তৈরী করার জন্য ব্যবস্থা করা হলো সর্ব মহল থেকে। সেইসময়ে দরকার ছিলো প্রতিবাদ করা, যাদের নামে নাস্তিকতার অভিযোগ তোলা হয়েছিল তাদের মধ্য থেকে যারা নাস্তিক নন তাদের জন্য হলেও প্রতিবাদ করা দরকার ছিলো, দরকার ছিলো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়া। হয় প্রমান করো না হয় জরিমানা খাও, কিন্তু চরম সত্যি হলো সেটি হয়নি।

সারাদেশের মানুষ জেগেছিলো, যুদ্ধাপরাধীদের দাবীতে। স্বাক্ষর দিয়েছিল ছয় দফার স্বপক্ষে। কয়েকলাখ স্বাক্ষর জমা পড়েছে প্রায় প্রতিটি জেলা থেকে আর সেই হিসাবে সেটির মোট পরিমান দাঁড়ায় কয়েক কোটিতে। আল্টিমেটাম জানানো হয় সাথে বেঁধে দেওয়া হয় সময়সীমা। কিন্তু উপেক্ষিত হলো সবকিছুই। আন্দোলনকারীরা ভেবে বসেছিলো নিশ্চয়ই কঠোর কর্মসুচি এবার অন্তত আসবেই, ঠিক যেমনটা কাদের মোল্লার রায়ের সময় হয়েছিল। কত আশা কত আকাঙ্খা কিন্তু সব নিমিষেই উবে গেলো। শুরুতে চরম সমালোচনা করে, পরে পদযাত্রা আর স্মারকলিপিতেই সীমাবদ্ধ করে দেয়া হলো সেটিকে। ফুঁসে উঠলো সেই জনতা যেটি ফুসেছিলো পাঁচ ফেব্রুয়ারী। সেখানেই প্রতিবাদ জানালো তারা। তারাই ঘোষণা করলো অনশণ করবার। কিন্তু তারা কোনভাবেই “গণজাগরন মঞ্চ“-এর বিপক্ষে যায় নাই। অথবা মঞ্চ-এর বিপক্ষে আওয়াজ তুলে নাই, তারা শুধু তাদের দাবী আদায়ে নেমেছে। অথচ একটি মহল শুরু করে দিলো তারা আন্দোলন ব্যাঘাত করতে চাইছে, তারা ক্যু করবে, তারা চীনা…. তারা এই তারা সেই। একদম উড়িয়ে দিচ্ছি না তাদের এই কথাগুলো, হয়তো সেইরকম মনমানসিকতা নিয়ে তাদের মধ্যে দু’একজন চলতেই পারে। কিন্তু আপনারা তাদের সহযোগিতা না করে ঠেলে দিচ্ছেন উল্টো পথে। দরকার ছিলো তাদের পাশে থেকে তাদেরকে সতর্ক করা কিনবা তাদের দেখভাল করা। অথচ সেটি না হয় হচ্ছে তার উল্টো। একটা পরিষ্কার কথা অনেকের কাছে জানতে চেয়েও পাইনি। এই যে গণজাগরন আর এই জনতার ঢল তা কিন্তু বিশেষ কোন নেতার ডাকে আসে নাই, তারা কেউ দৈনিক টাকার চুক্তিতে আসে নাই, সকলেই এসেছে নিজ তাগিদে নিজ দাবী নিয়ে। তাহলে কেন আপনাদের এতো আপত্তি? নাকি মঞ্চটা কেবল আপনাদেরই তৈরী? হয়তো তারা প্রতিবিপ্লব করবে কিন্তু তাদের করবার সুযোগ কেন দিচ্ছেন? যে আপনারা জনগনের পালস নিয়ে কথা বলেন সেই আপনারাই কেন এখন এমন করছেন? আফসোস হয় ভীষণ যখন এসব ভাবি। আজকের দিনে এসেও যতই মুক্তমত আর মুক্তচিন্তার কথা বলি ততই আমরা বেশী ডিক্টেটর হয়ে যাচ্ছি একে অন্যের প্রতি।

এরই মধ্যে নতুন করে বোঝা এসে চেপেছে অনলাইন নিয়ন্ত্রন। প্রথম দিনেই স্পষ্ট করে প্রতিবাদ জানিয়ে দিয়েছে “আমারব্লগ” অথচ তার বিপরীতে “সামু” নির্দেশ মোতাবেক কাজ করে নিজেদের বাঁচিয়ে রেখেছে। মুছে ফেলা হয়েছে সবকিছু। হয়তো তারা ভালো বুঝে করতেই পারে, কিন্তু একজনের ব্লগার অনেক পড়ে সেটি নিয়ে নিজের মধ্যে আলোচনা করে গুছিয়ে অনেক ভেবে চিন্তে লেখে, সেটি লিখতে যতই সময় লাগুক না কেন “সামু” কর্তৃপক্ষের তা সরিয়ে দিতে লেগেছে কয়েক মিনিট। এই কয়েক মিনিটে গুঁড়িয়ে গেলো কয়েকজন ব্লগারের সকল ইতিহাস, সকল রেকর্ড। এরই মধ্যে আবার ঘোষণা হলো কমিটি করা হয়েছে আর সেই কমিটি ডেকে পাঠাবে সকল ব্লগের কর্তৃপক্ষদের জানিনা কি হবে সেই আলোচনাতে তবে নিশ্চয়ই শুভ কিছু নয় ব্লগারদের জন্য। কেননা যে আভাস দেখেছি তাতে শুভ কিছুর লক্ষন দেখছি না এই মুহুর্তে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এইমুহুর্তেও এটি নিয়েও কোনরকম প্রতিবাদ নেই। ব্যাপক বিনোদন পেলাম এইখানেও।

এক হেফাজতীর কাছে কি তোমরা এতোটাই ভয় পেয়ে গেলে? ভুরি ভুরি প্রমানাদি থাকার পরেও এতো ভয় কিসের ঠিক বুঝি না হঠাৎ করে গজে ওঠা এই সংগঠনের। একের পর এক তারা তাদের শর্ত দিয়েই যাচ্ছে আর আমরা “গণজাগরন মঞ্চ” থেকে তার কোন শক্ত প্রতিবাদ জানাচ্ছিই না। ফলে অনেকটা বাধ্য হয়ে সরকার তাদেরটা মেনে নিচ্ছে। কিন্তু যদি প্রতিবাদ হতো তাহলে হয়তো হতো না। চট্টগ্রামে হেফাজতীরা হুমকি দিয়েছে, নাস্তিকদের ঠাঁই হবে না বলে। তাদের হুমকিতে কাজ হলো কিন্তু আশুলিয়াতে কাজ হলো না সেই হুমকি। কিন্তু কেন? দুই স্থানে দুইরকম কেনো? নিজের মাঝেই ভাবুন উত্তর সহজভাবেই পেয়ে যাবেন।

অবশেষে বলি আমরা যারা অনলাইনে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে কথা বলি, যারা মনে প্রানে বিশ্বাস করি; আমরা কেউই আলাদাভাবে আন্দোলন করতে চাই না কিনবা প্রতিবিপ্লব ঘটাতে চাই না। অন্য কেউ চাইতে পারে তবে সেক্ষেত্রে সেটি দমনে সকলের সহযোগিতা চাই। যেই শ্লোগানগুলো দেই সেগুলোর প্রতিফলন ঘটাতে হবে কাজে। দেখাতে হবে ঐক্য, একক কোন সিদ্ধান্ত নয়, সিদ্ধান্ত হতে হবে সবার সম্মতিক্রমে। জনতার মঞ্চে জনতার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হিসেবে নিতে হবে।

অনলাইন এক্টিভিস্টদের বিরুদ্ধে আজ যেই শক্তি তৈরী হতে যাচ্ছে তা নিঃসন্দেহে একটি প্রগতিতে বাঁধা হিসেবে দাঁড়াবেই। সকলের উচিত সম্মিলিতভাবে সেটির মোকাবেলা করা। যদি বিচার করতে হয় তাহলে সমানে সমানে করতে হবে। এক্টিভিস্টদের যদি ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত হানার জন্য শাস্তি দেওয়া হয় ঠিক তেমনি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ভাঙাসহ জ্বালাও পোড়াও যারা করেছে তারাও অন্যের ধর্মীয় অনুভুতিতে চরম আঘাত হেনেছে। যদি এক্টিভিস্টদের শাস্তি হয় এক কোটি টাকা তাদের হতে হবে দুই কোটি টাকা। এক্টিভিস্টরা লিখেছে আঘাত করেনি শারীরিকভাবে, ভাঙ্গেনি কিছু আর সেইসকল এক্টিভিস্টদেরও আইনের আওতায় আনতেই হবে যারা অন্য ধর্মানুভুতিতে আঘাত হেনেছে।

গণজাগরণ মঞ্চ যদি অনলাইন এক্টিভিস্ট তথা ব্লগারদের দ্বারা তৈরী হয় তাহলে আগে তাদের সকলের সুরক্ষা গণজাগরন মঞ্চ থেকে তৈরী করতে হবে। গণজাগরণ মঞ্চের উচিত স্পষ্টভাবে সেসকল ব্লগারদের পাশে দাঁড়ানো যাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে।

পরিশেষে কয়েকটি স্পষ্ট ঠোঁটকাটা কথাঃ-

১) এই আন্দোলন কারো একক নেতৃত্বে তৈরী নয়, এটি জনতার আন্দোলন। সকলে এসেছে প্রাণের দাবীর তাগিদে।
২) ডঃ ইমরান এইচ সরকার মুখপাত্র ছিলেন, আছেন আশা করি থাকবেন। আমরা তার পাশেই আছি।
৩) এই আন্দোলন থেকে কোন রাজনৈতিক বিকল্প শক্তি গড়ে ওঠা সম্ভব নয়, যারা ভাবছে তাদের স্বপ্নদোষের সমস্যা আছে।
৪) যে দল সত্যিকার মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করবে গণজাগরনের সাথে সেই দলের পক্ষে তরুণরা আগামীতে এগোবে।
৫) এই তরুণরাই কিন্তু হতে পারে আগামী দিনের সুস্থ রাজনীতি চর্চার ধারক-বাহক, এদের যত্ন নেওয়া দরকার।
৬) শপথ করেছেন সেটির মান রাখবেন।
৭) বাংলার কোটি কোটি জনতা সাথেই আছে কোথাও যায় নাই, শুধু একটু অভিমান করে আছে, ডাক দিলেই ছুটে আসবে।

(*** একটি সত্যিকারের ঘটনাঃ- সন্ধ্যা ৭ টার দিকে আগ্রাবাদ শিশু পার্কের অপরদিকের মাঠে বসেছিলাম আর সেখানে ৮-১০ বছরের ২০-২২ জন ছেলে মেয়ে খুব হৈ-চৈ করে ছুটে আসছিলো মাঠের এককোণ থেকে। তারা যতই কাছে আসছিলো ততই শুনতে পারছিলাম যে তারা শ্লোগান দিচ্ছিলো। অন্যকোন শ্লোগান না গণজাগরন মঞ্চের শ্লোগানগুলোই দিচ্ছিলো। তারা আবার নিজেদের মধ্যে অভিনয় করছিলো কাউকে জামায়াত বানিয়ে ধোলাই, কাউকে শিবির বানিয়ে ধাওয়া। এক সময় একজন আরেকজনকে “রাজাকার” ডাকাতে সে খুব চেতে গিয়ে বললো “ঐ আমি রাজাকার নাকি?” আবারো তারা শ্লোগান। একবার ভেবে দেখুন ২১ বছর পর শহীদ জননী জাহানারা ইমামের স্বপ্ন পূরণ করতে এই প্রজন্মের লাখো তরুণ এক হয়েছে হয়তো হবে না এইবারেই সবকিছু কিন্তু আগামী প্রজন্ম…………)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৯ thoughts on “দালালী না রাজপথ, আপোষ না সংগ্রাম।

  1. অসাধারন লিখেছো সুমিত। সবাই
    অসাধারন লিখেছো সুমিত। সবাই যদি এভাবে একটু ভেবে দেখতো তাইলে করুন দশা হইতো না গনজাগরনের। কিছু মানুষের সুবিধাভোগিতার জন্য একটা প্রজন্ম মনে হয় পিছিয়েই গেলো

  2. অনলাইন এক্টিভিস্টদের বিরুদ্ধে

    অনলাইন এক্টিভিস্টদের বিরুদ্ধে আজ যেই শক্তি তৈরী হতে যাচ্ছে তা নিঃসন্দেহে একটি প্রগতিতে বাঁধা হিসেবে দাঁড়াবেই। সকলের উচিত সম্মিলিতভাবে সেটির মোকাবেলা করা। যদি বিচার করতে হয় তাহলে সমানে সমানে করতে হবে। এক্টিভিস্টদের যদি ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত হানার জন্য শাস্তি দেওয়া হয় ঠিক তেমনি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ভাঙাসহ জ্বালাও পোড়াও যারা করেছে তারাও অন্যের ধর্মীয় অনুভুতিতে চরম আঘাত হেনেছে। যদি এক্টিভিস্টদের শাস্তি হয় এক কোটি টাকা তাদের হতে হবে দুই কোটি টাকা। এক্টিভিস্টরা লিখেছে আঘাত করেনি শারীরিকভাবে, ভাঙ্গেনি কিছু আর সেইসকল এক্টিভিস্টদেরও আইনের আওতায় আনতেই হবে যারা অন্য ধর্মানুভুতিতে আঘাত হেনেছে।

    :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

  3. সবাই দেখতেছি হেডম দেখাইতেই
    সবাই দেখতেছি হেডম দেখাইতেই বিজি। কে কতো বড় বলগার, কে কতো বড় ফেসবুকার সেইটা প্রমানেই জান কয়লা কইরা ফালাইতেছে। ভাগ্যিস নিজেকে কখনও ব্লগার বা ফেসবুকার দাবী করিনি। লজ্জাই লাগতেছে ফেসবুকে অনেকের কর্মকান্ড দেইখা। :মাথাঠুকি:

    1. এককালে বলা হইত কাউয়া থেকে কবি
      এককালে বলা হইত কাউয়া থেকে কবি বেশি এখন বলা হয় কবি থেকে ব্লগার বেশি। তবে এই নিয়ন্ত্রন থাকে আর কিছু না পাই অন্তত যারা নিজেদের ব্লগার দাবী করছিলো তারা এখন নিশ্চিতভাবেই চুপসাইয়া যাইবে।

  4. ব্লগে আমরা কি বিষয়ে লেখা-লেখি
    ব্লগে আমরা কি বিষয়ে লেখা-লেখি করি বা ব্লগাররা কি বিষয়ে লেখা-লেখি করে তা কি আমরা কর্মস্থল বা পাড়া মহল্লায় আড্ডায়, চায়ের টেবিলে, আত্মীয় স্বজনের বাসায় বসে আলোচনা করি? আমি তথ্যবহুল লেখা-লেখি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করি। আমি একজন ক্ষুদ্র ব্লগার এবং মোটামুটি নিয়মিতভাবে ব্লগের পোস্টগুলি পড়ি, মতামত দিয়ে থাকি এটা আমার পরিচিত মহলের সকলেই মোটামুটিভাবে জানে। সুতরাং ব্লগে যারা তথ্যবহুল ভাল লেখা-লেখি করেন বা মতামত দেন তাদেরকে আমি আমার তরফ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ জনাচ্ছি। সেসাথে ব্লগের লেখা-লেখি সম্পর্কে পরিচিতজন তথা দৈনন্দিন চলার পথে সম্ভাব্য জায়গায় আলোচনার জন্য আমি সকল ব্লগার ভাইদের বিশেষভাবে আহবান রাখবো। আমার বিশ্বাস এতে ব্লগার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ভ্রান্ত ধারণা দূর হবে। পরিশেষে বলবো আসুন আমরা এ চর্চা আরম্ভ করি…

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 81 = 83