উন্মোচিত স্যাম হ্যারিস – থিওডোর সাঈদ (পর্ব-২)

হ্যারিস এসব ইতিহাস জানেন না তা নয়, তিনি ভালোমতোই জানেন। বইয়ের মূল বক্তব্যে এসব ইতিহাস উল্লেখ না থাকলেও ফুটনোটের মধ্যে তার স্বীকৃতি আছে। কিন্তু এসব ইতিহাস যুক্তিবাদের এই নিষ্ঠাবান প্রচারকের মুসলিম-বিরোধী জিহাদের ইচ্ছা দমন করতে পারে নাই। এটা তার ব্যক্তিগত যুক্তি প্রয়োগের পদ্ধতি, নিজের পছন্দ মতো উত্তর দাঁড় করানোর জন্যে প্রয়োজনীয় কাটছাট করতে তিনি দ্বিধা করেন না। যেমন, ইসলাম ধর্মে আত্মহত্যা নিষেধ থাকলেও কেনো কিছু জঙ্গী ইসলামি সংগঠন এই নিষেধ অমান্য করে? এই প্রশ্নের উত্তর তিনি কিভাবে দিয়েছেন দেখা যাক। তিনি একবার অবশ্য স্বিকার করেছেন যে কুরান নির্দেশ দিয়েছে, “আত্মহত্যা করো না”(৪:২৯)। কিন্তু স্যাম হ্যারিস বলছেন যে এই নির্দেশে ছিদ্র আছে। কিন্তু ছিদ্রটা কোথায় তা ইসলামের সদা ছিদ্রান্বেষী স্যাম হ্যারিস একবারও উল্লেখ করেন নাই। হাদিস শাস্ত্রে মুহাম্মদের অসংখ্য বানী অনুযায়ী আত্মহত্যা একটি দোযখে যাওয়ার উপযুক্ত অপরাধ হিসাবে উল্লেখ আছে, তাও তিনি এড়িয়ে গেছেন। যেমন বুখারি শরিফে আছে –

“এই দুনিয়ায় যে পদ্ধতিতে কেউ আত্মহত্যা করবে, পুনরুত্থানের দিনে সেই পদ্ধতিতেই তাকে শাস্তি দেয়া হবে”। (সহি বুখারি)

যুদ্ধের সময়ও এর কোন অন্যথা নাই। যেমনঃ

“মহানবী বলেছেনঃ একজন ব্যক্তি যুদ্ধে আহত হয়েছিলেন এবং তারপর আত্মহত্যা করেছিলেন। আল্লাহ বলেছেন, আমার বান্দা তরিঘরি করে নিজের উপর মৃত্যু ডেকে এনেছে, সুতরাং আমি তাকে বেহেশতে প্রবেশ করতে দেবো না”। (সহি বুখারি)

আত্মহত্যা এবং শাহাদাত, এই দুই ধারণার মধ্যে রাত দিন ফারাক আছে। কিন্তু হ্যারিস তার পাঠকদের বিভ্রান্ত করার জন্যে এই দুই ভিন্ন শব্দের অর্থ সম্বন্ধে ধোয়াশা তৈরি করেছেন। ইসলামে শহীদ হওয়া মানে হলো যুদ্ধে নিহত হওয়া, আত্মহত্যা নয়। মূলত এই কারনেই, আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যান্ড ইমাম মুহাম্মদ সাইদ তানতাওয়ি ৯/১১এর হামলাকে ইসলামের দৃষ্টিতে একটি অপরাধ এবং ওসামা বিন লাদেনকে ‘ইসলামের শত্রু’ আখ্যা দিয়ে একটি ফতোয়া প্রকাশ করেছিলেন। একি কারনে ইরানের ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি এই হামলার বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন। এই কারনেই ছয় হাজার মুসলিম উলামা একযোগে আল-কায়েদাকে অনৈসলামিক বলে রায় দিয়েছে এবং গণভোটেও দেখা গেছে যে আমেরিকানদের চাইতে মুসলমানরা (ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ ইত্যাদি দেশের) নিরস্ত্র জনতাকে হত্যা করার ক্ষেত্রে কম সমর্থন করে।

কিন্তু এইসব ইসলামী নেতা ও প্রতিনিধীরা হ্যারিসের চোখে পরেন না, তার ‘মুসলিম দুনিয়া’র সদস্য হলো তোরাবোরা’র গুহামানবেরা। হ্যারিসের আলাপে এদের কোন অস্তিত্বই নাই, তিনি লিখেছেনঃ

মুসলমানদের সাথে আমাদের যতোটুকু লেনদেন হয়েছে, তাতে স্বিকার করতে হবে যে ‘হামলাকারীরা ইহুদী ছিল’ এই গুজবের চাইতে ১১ সেপ্টেম্বরের বিমান ছিনতাইকারীদের বিপক্ষে শক্ত কিছু বলার ভাষা তারা খুঁজে পায় নাই। (বিশ্বাসের সমাপ্তি, পৃষ্ঠাঃ ১৩৪)

হ্যারিস কৌশল করে জিজ্ঞস করেন, যদি ভিনদেশী দখলদারিত্বই সন্ত্রাস বাড়িয়ে তুলবে, তাহলে তিব্বতে কোন আদমবোমারু নাই কেনো? তিব্বতের মানুষ কি দখলদারিত্বের মধ্যে বসবাস করে না? সতর্ক পাঠক মাত্রই খেয়াল করবেন যে হ্যারিস এখন ধর্মের বদলে জাতীয়তার প্রসঙ্গে সরে এসেছেন। সেই হিসাবে ডাচ উপনিবেশের বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ার আত্মঘাতি সন্ত্রাসী কিংবা ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে ভারতবর্ষের আদমবোমারুদের প্রসঙ্গেও জিজ্ঞাস করা যেতো। আসল তুলনাটি তিব্বত এবং ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকদের সাথে নয়, বরং ইসলাম ধর্ম ও বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে। আর সেই তুলনা করতে গেলে অতীতের বিভিন্ন যুদ্ধে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী আত্মঘাতি বৈমানিকদের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করতেই হবে।

হ্যারিসের গপ্প অনুযায়ি, তিব্বতের জনতা ইসা মসিহের মতো অহিংসার পথ বেছে নিয়ে চাইনিজ জান্তার বুটের তলায় আত্মসমর্পন করেছে, অন্যদিকে ফিলিস্তিনের জনতা অবিবেচনাপ্রসূত সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে, এবং এতেই প্রমানিত হয় যে সন্ত্রাসের জন্যে ‘ইসলাম’ই দায়ি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি নয়। হ্যারিসের এই গপ্প শুনলে কেউ কল্পনাও করতে পারবে না যে বাস্তবে তিব্বতীরা চীনের বিরুদ্ধে কঠিন যুদ্ধ করেছে। তিব্বতী জনতার যে অহিংসার গপ্প হ্যারিস আমাদেরকে শোনাতে চান, তার সাথে তিব্বতের জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের ইতিহাস খাপ খায় না। তাই তিব্বতীদের সহিংস সংগ্রাম হ্যারিসের নথিতে অনুপস্থিত।

কিন্তু দখলদারের বিরুদ্ধে হ্যারিস অহিংস নীতির প্রচার করছেন কেনো? ঈসা মসিহের মতো এক গালে থাপ্পর খেয়ে আরেক গাল এগিয়ে দেয়ার নীতিতে কি স্যাম হ্যারিস বিশ্বাস করেন? তিনি তার বইয়ের শেষদিকের কিছু অধ্যায়ে লিখেছেন যে ‘অহিংসা’র কোন মূল্য নাই, এটা অসম্ভব একটা আদর্শ এবং একটা খুবি খারাপ আদর্শ যেই আদর্শ খুনিদেরকে পর্যন্ত বেঁচে যেতে সহায়তা করে। তাহলে দখলদারদের বিরুদ্ধে তিনি অহিংসার প্রচার করছেন কেনো? বিষয়টা সন্দেহজনক। দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে আরবদের কোন অহিংস সংগ্রামও তার চোখে পরে না। আরব দেশগুলোর সাধারণ জনগণ বিভিন্ন সময়ে দখলদারদের বিরুদ্ধে যেসব অহিংস অসহযোগ আন্দোলন করেছে তার কোন বর্ণনা হ্যারিসের লেখায় খুঁজে পাওয়া যায় না। প্রথম ইন্তিফাদায় অহিংস আন্দোলনকারী সাধারণ জনতার আইডিএফএর গুলিতে রক্তাক্ত হওয়া কিংবা সাম্প্রতিক সময়কার গণ-অনসনের ঘটনাগুলো তার লেখায় পাওয়া যাবে না।

এইরকম নির্বিচার তুলনা হ্যারিস আরো করেছেন। তিনি ভারতবর্ষের জৈন ধর্মাবলম্বীদের টেনে এনেছেন। তিনি জানতে চান, কেনো জৈনদের মধ্যে কোন আদমবোমারু নাই? কেনো শুধু ঐ আরব বর্বরদের মধ্যে আছে? হ্যারিস প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন শাস্ত্রের একজন গ্র্যাজুয়েট। তার প্রথম বর্ষেই নিশ্চয় তিনি যুক্তিবিদ্যায় সাধারণ জ্ঞান লাভ করেছেন। তাকে যদি স্মরণ করিয়ে দিতে হয় যে, জৈনরা কোন আগ্রাসী বিদেশী শক্তির পদানত নয়, তাদেরকে তাদের ভিটামাটি থেকে উচ্ছেদ করা হয় নাই, এবং তাদেরকে গণহারে একটা বিরাট জেলখানায় বিনা বিচারে আটকে রেখে নিয়মিত নির্যাতন করাও হচ্ছে না, তবে তা অত্যন্ত বেদনার।

বিমান থেকে বোমা ফেলে হাজার হাজার মানুষ হত্যা করার চাইতে আদমবোমা কেনো বড় অপরাধ তা আলোচনার উপযুক্ত বলে স্যাম হ্যারিস মনে করেন না। কেনো করেন না, তা পরিস্কার হয় যখন দেখা যায় যে লেবানন এবং গাজায় ২০০৬ সালে ইসরায়েল যে নিশ্ছিদ্র (carpet) বোমা হামলা চালিয়েছিল, হ্যারিস তার একজন সমর্থক। কারণ তার মতে –

এই ব্যাপারে কোন প্রশ্ন থাকা উচিৎ না যে হামাস এবং হিজবুল্লহার বিপরীতে ইসরায়েলই নৈতিকভাবে উচু অবস্থানে আছে, যদিও যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের লিবারালরা প্রায়ই এর উল্টোটা প্রচার করেন।

এইসব বিভ্রান্ত শান্তিপ্রিয় লিবারালরা যারা কি না এখনো জিহাদী ইসলামের শয়তানির গভিরতা সম্বন্ধে ধারণা রাখে না, তাদের উদ্দেশ্যে স্যাম হ্যারিস বলতে চান যে, নারী ও শিশুদেরকে আরব’রা সেচ্ছায় এবং ইসরায়েলিরা দুর্ঘটনাক্রমে হত্যা করছে। এই দাবি অবাস্তব। বাস্তব হলো, ‘অপারেশন কাস্ট লিড’এর সময়ে ইসরায়েলের বোমা হামলায় নিহত হয়েছে ১৩০০ ফিলিস্তিনি, বিপরীতে ইসরায়েলের ১৩ জন। আর আনুষঙ্গিক ক্ষয়ক্ষতির (collateral damage) যুক্তি যে ছলনা ছাড়া ভিন্ন কিছু নয় তা এখন প্রমানিত। যেমন মরহুম ইতিহাসবীদ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একজন যুদ্ধ বৈমানিক হাওয়ার্ড জিন লিখেছেনঃ

“এই শব্দগুলো বিভ্রান্তিকর, কারন এতে ধরে নেয়া হয় যে কোন কাজ হয় ‘ইচ্ছাকৃত’ অথবা ‘অনিচ্ছাকৃত’ হতে পারে। এই দুইয়ের মঝখানে আরেকটা শব্দ আছে, আর তা হলো ‘অবশ্যম্ভাবি’। আপনি যদি আকাশ থেকে বোমাবর্ষনের মতো একটা কাজ করেন, তাহলে যোদ্ধা এবং নিরস্ত্র জনতার মধ্যে পার্থক্য করা সম্ভব না (একজন সাবেক এয়ারফোর্স পাইলট হিসাবে আমি এই দাবি করছি)। এইক্ষেত্রে নিরস্ত্র জনতার মৃত্যু হলো অবশ্যম্ভাবি একটা ঘটনা, যদিও ‘ইচ্ছাকৃত’ নয়। এই শব্দগত পার্থক্য কি আপনাকে নৈতিক দায়মুক্তি দেবে? আদমবোমারুর সন্ত্রাস আর বিমান হামলাকারীর সন্ত্রাসের মধ্যে কোন নৈতিক পার্থক্য নাই। পার্থক্য করার মানে হচ্ছে, এক পক্ষের সন্ত্রাসকে নৈতিকভাবে উচু মর্যাদা দেয়া। এমন কাজ করার মানে হলো আমাদের সময়কার নৃশংসতার পক্ষেই কাজ করা”।

হ্যারিস অবশ্য নিজেও স্বিকার করে নিয়েছেন যে, অনুষঙ্গিক ক্ষয়ক্ষতি (collateral damage) বলতে যা বুঝানো হয় তা আসলে দূর্ঘটনা নয়, বরং ইন্ডাস্ট্রিয়াল যুগের যুদ্ধের ক্ষেত্রে অবশ্যম্ভাবী ঘটনা। তিনি স্বীকার করেন যে – “ যুদ্ধের সময় ‘অনুষঙ্গিক ক্ষয়ক্ষতি’ বলতে আমরা যা বুঝাই তা মূলত ক্ষমতা ও সঠিকতার দিক থেকে আমাদের প্রযুক্তির সিমাবদ্ধতা থেকে সৃষ্ঠ”। জো রিগানে’র সাথে সাক্ষাৎকারেও এই কথা তিনি আরেকবার স্বিকার করেছেন –

“বাস্তবতা হলো যখনি আপনি স্থলে নেভি সিলদের পাঠাবেন গোলাগুলি করার জন্যে এবং আকাশ থেকে শিকারী ড্রোনের মাধ্যমে বোমা বর্ষন করবেন, তখন আপনার হাতে কিছু নিরপরাধ মানুষও মারা পরবে। এটা খুবি ভয়ানক, এবং ভয়ানক হলেও সত্য যে এর কোন বিকল্প নাই। আপনি যদি অহিংশায় বিশ্বাসী না হন, তাহলে যুদ্ধের সময় আপনাকে কিছু নিরপরাধ মানুষ হত্যা করতেই হবে”।

আধুনিক যুদ্ধের এইরকম গণবিরোধী চরিত্রের পক্ষে খোলামেলা সমর্থন দেয়ার পর যখন তিনি আফগানিস্তানে ন্যাটোর ধ্বংসযজ্ঞের পক্ষে কথা বলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পাশবিকতার বিভিন্ন তথ্য উন্মোচনের জন্যে জুলিয়ান এসেঞ্জকে গালিগালাজ করেন, তখন স্যাম হ্যারিস আমাদের সামনে বেশ খোলামেলাভাবেই উন্মোচিত হন।

(চলবে)
(২০১২ সালে থিওডোর সাঈদ লিখিত এই প্রবন্ধটি বেশকিছুদিন যাবৎ অনুবাদ করা জরুরি মনে করছিলাম এর সাম্প্রতিক গুরুত্বের কারনে। হারজিত সিরিজ এবং এই অনুবাদ দুইটাই ধারাবাহিকভাবে চলবে)

প্রথম পর্ব

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪ thoughts on “উন্মোচিত স্যাম হ্যারিস – থিওডোর সাঈদ (পর্ব-২)

  1. খুবই তথ্যবহুল এবং বিশ্লেষণী
    খুবই তথ্যবহুল এবং বিশ্লেষণী লেখা। খুব মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। বেশ কতগুলো বানান চোখে পড়ল, মনে হল এগুলো ভুল। শুদ্ধরূপ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ব্যাখ্যাসহ উল্লেখ করলাম। আশাকরি সহজভাবে নেবেন। আমারও বানান ভুল হয়, প্রত্যাশা করি আমাকেও সে ব্যাপারে সাহায্য করবেন। খুশী হব।

    কাটছাট>কাটছাঁট
    কেনো>কেন
    জঙ্গী>জঙ্গি
    স্বিকার>স্বীকার
    যেমনঃ>যেমন: (বিসর্গ একটি অক্ষর, এখানে কোলন হবে। এভাবে যতো যায়গায় বিসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে সকল ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য।)
    তরিঘরি>তড়িঘড়ি
    ধোয়াশা>ধোঁয়াশা
    কারনেই>কারণেই (ব্যতিক্রম ছাড়া ঋ, র, ষ, ক্ষ, গ, ঋ-কার, র-ফলা, রেফ এর পরে ণ বসে।)
    প্রতিনিধীরা>প্রতিনিধিরা
    পরেন না>পড়েন না
    জিজ্ঞস>জিজ্ঞেস
    আত্মঘাতি>আত্মঘাতী
    অনুযায়ি>অনুযায়ী
    আত্মসমর্পন>আত্মসমর্পণ
    প্রমানিত>প্রমাণিত
    দায়ি>দায়ী
    তিব্বতীরা>তিব্বতিরা
    তিব্বতী>তিব্বতি
    থাপ্পর>থাপ্পড়
    অনসনের>অনশনের
    আরো>আরও
    পরিস্কার>পরিষ্কার
    উচু>উঁচু
    জিহাদী>জিহাদি
    গভিরতা>গভীরতা
    সেচ্ছায়>স্বেচ্ছায়
    ইতিহাসবীদ>ইতিহাসবিদ
    কারন>কারণ
    মঝখানে>মাঝখানে
    অবশ্যম্ভাবি>অবশ্যম্ভাবী
    বোমাবর্ষনের>বোমাবর্ষণের
    এইক্ষেত্রে>এক্ষেত্রে>এই-ক্ষেত্রে
    উচু>উঁচু
    অনুষঙ্গিক>আনুষঙ্গিক
    দূর্ঘটনা>দুর্ঘটনা
    সিমাবদ্ধতা>সীমাবদ্ধতা
    সৃষ্ঠ>সৃষ্ট
    শিকারী>শিকারি
    বর্ষন>বর্ষণ
    অহিংশায়>অহিংসায়
    বেশকিছুদিন>বেশ-কিছুদিন>বেশ কিছুদিন
    যাবৎ>যাবত

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 79 = 84