সিটি নির্বাচনে সুবিধাবাদী বাম প্রার্থী ও বাংলার সাকি!

৫ জানুয়ারি নির্বাচন ছিলো একতরফা। এ কারণে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক দলগুলো ছাড়া অন্য কোন দল এ নির্বাচনে অংশ নেয়নি। এ সময় দেশের শীর্ষ দুই বাম দল সিপিবি বাসদও নির্বাচনে অংশ নেয়নি। তাদের যুক্তি ছিলো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করা যাবে না। তবে এটুকু বলে যদি তারা ক্ষান্ত দিতেন তাহলে বামপন্থা বা বামদর্শন কিছুটা হলেও রক্ষা পেত। সিপিবি বাসদ তখন বললেন, যেহেতু বিএনপি নির্বাচনে যাচ্ছে না, সে কারণে তারাও নির্বাচনে যাবে না। এই চিন্তার অন্তরালে কি ছি? তারা কী বিএনপির ১৮ দলীয় জোটের অর্ন্তভুক্ত দল যে বিএনপির নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার উপর নির্ভর করবে তাদের নির্বাচনে যাওয়ার? তখন কেউ কেউ প্রশ্ন করেছিল, গোপনে আসলে সিপিবি-বাসদ বিএনপি জামাতেরই পক্ষ নিয়েছে। এবার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেটা পরিস্কার হয়ে গেছে। কারণ এবার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি শত নাগরিক কমিটির ব্যানারে যাচ্ছে। প্রস্তুত জামাতের কাউন্সিলারও। তারাও নির্বাচন করবে। এ কারণেই কী এবার সিপিবি-বাসদ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যাচ্ছেন? এ কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘পাকা কমিউনিস্টরা আমার সাথে আছে।’

পরিস্থিতি কতখানি বদলালো যে বামেরা নির্বাচনে গেলেন?
৫ জানুয়ারির নির্বাচন হয়ে গেলো। আ.লীগ এর আগের সরকারের চেয়ে আরও চড়াও হলেন বিরোধী দলের ওপর। দেশে গুম-খুনসহ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বহুগুনে বেড়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলের আন্দোলন থামাতে সরকার ঢাকার উত্তর, দক্ষিণ ও চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলো। এটা নিশ্চিত করেই বলা যায় ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যদি বামরা যেতেন তাহলে আ.লীগ কম করেও হলেও ত্রিশটা সিট ছেড়ে দিতো। ওয়ার্কাস পার্টি ও জাসদের সিট মেলালে তারাই তখন লিডিং বিরোধী দল হতে পারতেন। তাহলে আজকের খুন-গুম নিয়ে বামেরা সরব থাকতে পারতেন। সেটাও যদি না হত তাহলে নিগৃহীত বামরা অন্তত কিছু করে খেতে পারতো। বিভিন্ন স্থান থেকে চাঁদা তোলার চেয়ে ক্ষমতার আশেপাশে বিচরণ করতে পারত। কিন্তু তারা সেটা না করে বিএনপি জামাতের পারপাস সার্ভ করলো।


সিপিবি-বাসদ থেকে ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ক্বাফী

আজকে যখন বামেরা নির্বাচনে যাচ্ছেন তখন পরিস্থিতি কতটা বদলেছে? পরিস্থিতির কোন ধরনের উন্নয়নতো হয়ইনি, বরং আগের চেয়ে অবনতি হয়েছে। তাহলে এই নির্বাচনে কেন যাওয়া?

দুনীতি মুক্ত হবে কিভাবে প্রিন্সকে দিয়ে?
বামেরা দুর্নীতিমুক্ত রাস্ট্র বানাতে চায়। অন্তত সিপিবি-বাসদ যেহেতু প্রকৃত সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদ চায় না, রাষ্ট্র ভেঙ্গে শ্রমিক কৃষক সর্বহারার একনায়কত্ব কায়েম করতে চায় না, সে কারণে তারা প্রচলিত রাষ্ট্রের মধ্যে যতটুকু কিছু করা যায় সেটার কথা বলে। কিন্তু আ.লীগ বিএনপি যা করে তার চেয়ে কি সিপিবি বাসদ ভিন্ন? মোটেই না। এই দলের কেন্দ্রীয় নেতা রাগীব আহসান মুন্না হলেন শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারির একজন। তার বিরুদ্ধে তদন্তে এটা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। ভাবুন একবার কমউনিস্ট নেতা আবার শেয়োর বাজার চুরির নেতা?! আর প্রিন্স? তিনি নিজেইতো একটা ফটকা প্রতিষ্ঠান ‘যুবক’ সাথে ছিলেন। যুবক এ দেশের মানুষের সাথে প্রতারণা করে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে বিলীন হয়ে গেছে। সেই যুবকের মালিকানা যার থাকে সেই প্রিন্সও আবার কমউনিস্ট নেতা। সমাজতন্ত্রের এমন নিদান কাল চলছে নাকি যে, লাল পতাকা হাতে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আপনার সাথে আছে আপনিও তাকে বিপ্লবী হিসেবে মেনে নিবেন? সম্ভবত এসব আগে ভাগে আন্দাজ করেছিলেন মার্কস। প্রিন্সদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছিলেন, ঈশ্বরের দোহাই আমি মার্কসবাদী নই।’

%3Fjadewits_media_id%3D312082&cfs=1&upscale=1&sx=0&sy=1&sw=1200&sh=628″ width=”400″ />
ঢাকা দক্ষিণে সিপিবি-বাসদের প্রার্থী প্রিন্স

বাংলার লেনিন, অতপর বিপ্লবের কী হইবে?
বাংলার বিপ্লবী জ্ঞানরাজ্যের বিশুদ্ধতম ব্যক্তি হলেন বদরউদ্দিন ওমর। তিনি ছাড়া বাকিরা সবাই ভ্যারেণ্ডাবাজি! মনে মনে এই ধরনের সন্দেশ খাওয়ার কারণে এই দুর্দান্ত তাত্বিক মার্কসবাদী ক্রমশই একা হতে থাকলেন। জনাব ওমরের সংগঠনের শেষ উন্নত সংগঠক ছিলেন জোনায়েদ সাকি। লম্বায় আর্য প্রভাব আছে। কথা ও চাল-চলনে সাবেক আমলার এই সন্তান কিছুটা ব্যাতিক্রমী। আগের দল ভেঙ্গে নতুন দল গড়লেন, নাম গণসংহতি আন্দোলন। যদিও এটা আদৌ পার্টি নাকি গণসংগঠন সে ব্যাপারে তারা পরিস্কার করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এরপর এই পার্টি বা গণসংগঠন বাম না ডান তাও পরিস্কার করলেন না। তারা কমিউনিস্ট হলে তাদের পার্টি দলিলে লিখতেন, রাষ্ট্র হবে সর্বহারা শ্রেনির একনায়কত্ব। সেসব তারা লেখেনি। বরঞ্চ তারা সব শ্রেনীর প্রতিনিধিত্বে (মাল্টিক্লাস) রাষ্ট্র বানানোর কথা বলতে থাকলেন। যেমনটি আ.লীগ বিএনপি বলেন। তারপরও জোনায়েদ সাকি’র দলের কর্মীরা তাদের দলকে বাম হিসেবেই জানে আর তাদের নেতাকে বাংলার লেনিন হিসেবেই মানেন। সামান্য কিছু আরবান মিডল ক্লাস তরুন তাদের সাথে আছে। তারা অন্যদের থেকে ভিন্ন এ কারণে মাঠের লড়াই করতে নেমে তারা পিছপা হয় না সিপিবি বাসদের মত। এখানে তাদের স্যালুট করতেই হবে। কিন্তু এই দল সব সময় শেখ হাসিনার উগ্র সমালোচক। যতটা না বিএনপির। সাবেক পিকিংপন্থী গুরু জনাব ওমরের সাথে থাকার কারণে এমনটা হতে পারে বলে অনেকে বলে থাকেন। কিন্তু সেটা আসলে কৌশল। কারণ এখন বিএনপি জামাতের সমালোচনা করে হালে পানি পাওয়া যাবে না বরং সরকারের সমালোচনা করলে সেখানে বাহাবা কুড়ানো যাবে। মানুষের নজরে আসা যাবে।


জোনায়েদ সাকি

এ দলের সাথে সমাজের অনেক এলিট ব্যবসায়ীর পরিচয় আছে। দেশের শক্তিশালী এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ী তাদের অন্যতম ডোনার। এ ছাড়া ভারত বিরোধী কিছু ব্যবসায়ীও তাদের সাথে আছেন। সেটা থাকতেই পারে। সেটা দোষের না। জোনায়েদ সাকি বক্তা হিসেবে ভাল। তিনি বাংলার কেজরিওয়াল হতে চান।

ল্যাতিন আমেরিকা থেকে শিক্ষা নিয়ে হালের গ্রীসের পাতি সমাজতন্ত্রীদের সরকার বানানোর পর তিনি খোয়াব দেখছেন যে ঢাকা সিটি করপোরেশনে জয় পেয়ে তিনি একটা শক্ত ভিত পাবেন। এ আশায় তিনি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রাথী হতে যাচ্ছেন। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার বাকি। এখন প্রশ্ন হইল, বাংলার লেনিন যদি সামান্য একটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যান তাহলে বাংলার বিপ্লবের কী হইবে?

তবে সিপিবি বাসদ থেকে জোনায়াদে সাকি অনেক ভালো প্রাথী। সিপিবি বাসদ যেহেতু মিথ্যাবাদী এ কারণে তাদেরকে বর্জন করুন। সব থেকে ভাল হয় ভোট বর্জন করলে। সেটা যারা পারবেন তাদেরকে আগাম স্যালুট। আর যারা ভোটকে উৎসব হিসেবে মেনে নিয়ে লাইনে দাড়াবেন তারা আর যাকেই ভোট দেন সিপিবি বাসদের মত মিথ্যাবাদীদের ভোট দিয়েন না।

আ.লীগ বিএনপির প্রার্থীরাও মিথ্যাবাদী। কিন্তু তারা সত্যবাদী যুধিষ্ঠিরের ভাব ধরেন না। বামদের সাথে এদের পার্থক্য এতটুকুই।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩১ thoughts on “সিটি নির্বাচনে সুবিধাবাদী বাম প্রার্থী ও বাংলার সাকি!

  1. জোনায়েদ সাকি নাকি বাংলার
    জোনায়েদ সাকি নাকি বাংলার লেলিন! কবে থেকে এই ভদ্রলোক বাংলার লেলিন হলেন? বাম মতাদর্শের ধারেকাছেও তার দল নাই। বাম দর্শনের এমন করুণ অবস্থা দেখে বড্ড কষ্ট পাই।

  2. ইকারাস ভাই, লেখাটা এমন পছন্দ
    ইকারাস ভাই, লেখাটা এমন পছন্দ হইছে যে, পড়া শেষ করেই ফ্রিজে বোতল ঢুকালাম। সন্ধ্যায় আনন্দে বসব। আপনারে চিনি না, চিনলে আড্ডায় ইনভাইট করতাম।

    এই ব্লগে এসে বানানের দুরবস্থা দেখে বানানের পিছনে এমন লাগা লাগছি যে, অন্য কোনদিকে নজর দেবার সময় পাচ্ছি না। সারাদিনে যতোটুকু সময় পাচ্ছি শুধু বানান বিষয়ক পোস্টে তৈরির পিছনে ব্যয় করছি।

    যে বিষয় নিয়ে, যা লেখার আগ্রহ ছিল তা আপনি লিখে দিয়েছেন। আমি লিখলে তা এতোভাল হতোনা, যদিও এ কথাগুলোই বলার ইচ্ছা ছিল।

    বামদেরকে বামাতি বলে কি খামোখা? আপনার লেখায় তা উঠে এসেছে।

    বানানগুলি এডিট করে পোস্ট দিতে পারলে আমার কষ্ট সার্থক হবে।

    অর্ন্তভুক্ত>অন্তর্ভুক্ত (প্রায়ই দেখি র-ফলা আগে চলে যায়, কেন? অনেকরেই দেখছি। কারণটা জানি না)
    পরিস্কার>পরিষ্কার (ষ+ক) (পুরস্কার – স+ক)
    বহুগুনে>বহুগুণে
    চট্রগ্রাম>চট্টগ্রাম (ট+ট, ট-য় র-ফলা নয়)
    রাস্ট্র>রাষ্ট্র
    কমউনিস্ট>কমিউনিস্ট
    শেয়োর>শেয়ার
    অতপর>অতঃপর
    তাত্বিক>তাত্ত্বিক
    ব্যাতিক্রমী>ব্যতিক্রমী
    শ্রেনির>শ্রেণির
    তরুন>তরুণ
    প্রাথী>প্রার্থী
    দাড়াবেন>দাঁড়াবেন

  3. বামরা এদেশে পঁচে গেছে।
    বামরা এদেশে পঁচে গেছে। মানুষের নুন্যতম আস্থা নেই বাংলাদেশের বামদের উপর। গণমানুষের জন্য তাদের কোন ভুমিকা অনেকদিন আমরা দেখছিনা।

  4. ভীষণ নেতিবাচক একটা লেখা। এই
    ভীষণ নেতিবাচক একটা লেখা। এই লেখায় কোন কিছুর প্রতিই আস্থার প্রকাশ পাওয়া গেল না। আওয়ামী-বিএনপি খারাপ, সিপিবি-বাসদ মিথ্যেবাদী, জোনায়েদ সাকি বিপ্লব বিচ্যুত তাহলে মানুষ যাবে কোথায়? আপনি কি এই লেখার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত জোনায়েদ সাকির পক্ষে ভোট চাইলেন? যদি তাই হয় তবে সরাসরি স্পষ্ট করে লিখলেন না কেন? যদি তা না হয় তাহলে মানুষ কাকে ভোট দেবে? যারা ভোট দেবে না অর্থাৎ, জেনে বুঝে ভোট বয়কট করবে তাদের সংখ্যা তো অনেক কম। এরকম জ্ঞানী মানুষের চেয়ে ভোট দিতে যাওয়া মানুষের সংখ্যা অনেক অ-নে-ক বেশি। এমন পরিস্থিতিতে ভোটাররা নাহয় সিপিবি-বাসদকে ভোট দিল না কিন্তু দেবে কাকে? লেখাটা পড়ে মনের মধ্যে বেশ কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, আশা করি প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে বাধিত করবেন।

    সিপিবি-বাসদ তখন বললেন, যেহেতু বিএনপি নির্বাচনে যাচ্ছে না, সে কারণে তারাও নির্বাচনে যাবে না।

    এই তথ্য আপনি কোথায় পেলেন? কে বা কারা এই কথা বললেন? কোথায় বললেন?

    অন্তত সিপিবি-বাসদ যেহেতু প্রকৃত সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদ চায় না, রাষ্ট্র ভেঙ্গে শ্রমিক কৃষক সর্বহারার একনায়কত্ব কায়েম করতে চায় না, সে কারণে তারা প্রচলিত রাষ্ট্রের মধ্যে যতটুকু কিছু করা যায় সেটার কথা বলে।

    এর মানে কি? সিপিবি-বাসদ কি হেতু সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদ চায় না? আপনার এমন মনে হওয়ার কারণ কি?

    সামান্য কিছু আরবান মিডল ক্লাস তরুন তাদের সাথে আছে। তারা অন্যদের থেকে ভিন্ন এ কারণে মাঠের লড়াই করতে নেমে তারা পিছপা হয় না সিপিবি বাসদের মত।

    জোনায়েদ সাকির প্রশংসা করছেন ভালো কথা। কিন্তু, সিপিবি বাসদ লড়াইয়ে নেমে পিছপা হয় আর জোনায়েদ সাকির দল হয় না এই দাবীর সত্যতা কি? কোন লড়াই থেকে সিপিবি-বাসদ পিছিয়ে আসলো আর জোনায়েদ সাকির গণ সংহতি আন্দোলন এগিয়ে গেল?

    এটা নিশ্চিত করেই বলা যায় ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যদি বামরা যেতেন তাহলে আ.লীগ কম করেও হলেও ত্রিশটা সিট ছেড়ে দিতো।

    এই নিশ্চয়তা আপনি পেলেন কোথায়? আর, কারো ছেড়ে দেওয়া সিট নিয়ে কি তার বিরুদ্ধে সত্যিকারের বিরোধী ভূমিকা পালন করা যায়?

    ওয়ার্কাস পার্টি ও জাসদের সিট মেলালে তারাই তখন লিডিং বিরোধী দল হতে পারতেন।

    ওয়ার্কার্স পার্টি আর জাসদের সিট কিভাবে মিলাবেন? তারা কি কোথাও বলেছেন অন্য বাম দলগুলো সংসদে আসলে তারা আওয়ামীলীগকে ছেড়ে অন্য বামদের নিয়ে বিরোধী জোট গঠন করবেন? লিডিং বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবেন?

    তাহলে আজকের খুন-গুম নিয়ে বামেরা সরব থাকতে পারতেন।

    ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ গ্রহন করার সাথে গুম খুন নিয়ে সরব হওয়ার বা নীরব থাকার সম্পর্ক কি? এখন কি বামেরা সরব নন? এখন কি তারা নীরব হয়ে আছেন?

    সেটাও যদি না হত তাহলে নিগৃহীত বামরা অন্তত কিছু করে খেতে পারতো। বিভিন্ন স্থান থেকে চাঁদা তোলার চেয়ে ক্ষমতার আশেপাশে বিচরণ করতে পারত।

    বামপন্থীদের সম্পর্কে এতো নিম্ন ধারণা পোষণ করার কারণ কি? কিছু করে খাওয়ার জন্য বামরা রাজনীতি করেন এই ধারণা আপনাকে কে দিয়েছে? ক্ষমতার আশেপাশে বিচরণ করার জন্য যে সমস্ত বামপন্থীরা রাজনীতি করেন তাদেরকে কি আপনি সমর্থন করেন? আর বিভিন্ন স্থান থেকে চাঁদা তুলে রাজনীতি করার চেয়ে গোটা কয়েক নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে রাজনীতি করাকে কি আপনি সমর্থন করেন?

    সর্বশেষ প্রশ্ন হচ্ছে, আপনার নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান কি? এই পরিস্থিতিতে জনগণ কি করবে না তা তো বলেই দিলেন কিন্তু কি করবে তা তো বললেন না। দয়া করে বলবেন।

  5. যৌনায়েদ suckই কে নাকি মেয়র
    যৌনায়েদ suckই কে নাকি মেয়র পদে খাড়া করায় দিসে শুনলাম। পরসংবাদ হইল- স্যার যৌনায়েদ ফরম জমা দিতে গেলে বিয়াদ্দপ রিটার্নিং অফিসার উনারে জিগাইসেন কোন ওয়ার্ডের ভুটার। স্যার যৌনায়েদ নাকি সেইটার উত্তর দিতে পারেন নাই। আপসুস… বাঁশখালি সরকার প্রতিদিন তিনবেলা ওয়ার্ডের নাম্বার বদলায়, যার কারনে ত্যাল-গিঁয়াস-খনি-বিদ্যুৎ নিয়া ব্যস্ত থাকা আল্লামা যৌনায়েদবাবুনগরী ছাহেব মদ্দাজিল্লুহুল আলী ওয়ার্ড নাম্বার মনে রাখতে পারেন নাই। তিনি যদি নগরের বাপ হন, তখন জনগণের কথা মনে রাখতে পারবেন তো? নাকি চিন-রাশিয়া-কিউবার রাস্তাঘাট নিয়া ব্যস্ত হয়ে পড়বেন- জাতি জান্তে চায়।
    হায় আমরা কি এমুন যৌনায়েদ চাইসিলাম????

    1. জোনায়েদ সাকিকে নিয়ে আমার কোন
      জোনায়েদ সাকিকে নিয়ে আমার কোন উচ্ছ্বাসও নেই, আবার এলার্জিও নেই। একজন নাগরিক হিসাবে চিত্রটা তুলে ধরেছি। তবে ঢাকার দুই অঞ্চলে যে ক’জন মেয়রপ্রার্থী হচ্ছেন তাদের চেয়ে সাকির প্রোফাইলটা বেশি স্বচ্ছ নয় কি? যদিও সাকি জামানত টিকাতে পারবে কিনা যথেষ্ঠ সন্দেহ পোষন করি। একইভাবে অন্য দুই বামপ্রার্থীর দূর্গতি এখনই টের পাচ্ছি। শেষ পর্যন্ত ভোটরযুদ্ধটা দুই পরিবারের মধ্যেই হবে।

  6. হা…হা…হা… ব্যাপক মজা
    হা…হা…হা… ব্যাপক মজা পেলাম লেখাটা পড়ে।
    এই জন্যেই আমি বলি ব্লগ হচ্ছে বারোয়ারী জায়গা। এখানে ঘন্টা খানেক সময় আর অনলাইনে থাকা একটা কম্পিউটার থাকলেই যে কেউ ব্লগার হতে পারে। তাই তো “লা ডলসে ভিটা” ছবির দর্শকেরাও ব্লগার আবার “টারজান” ছবির দর্শকেরাও ব্লগার…… বিনোদন !

    জোনায়েদ সাকি ভাইয়ের ভক্তের অবস্থা দেখে জোনায়েদ সাকি ভাইয়ের অবস্থাটাও বোঝা যাচ্ছে……
    ভাগ্যিস মানুষ ব্লগ পড়ে ভোট দেয়না……

    বেশকিছুদিন পরে ইস্টিশনে এসে ভালো লাগলো, উইকেন্ড এর বিনোদন টা হলো।

  7. লেখক উপ- শিরোনামে লিখলেন
    লেখক উপ- শিরোনামে লিখলেন “লেলিন” … আহা কি নিদারুন দারিদ্র… ! তিনি বামপন্থীদের সমালোচনা করছেন… সত্যিই বিনোদন !

    1. এই পোস্টটা লেখার সময়ও আমি বেশ
      এই পোস্টটা লেখার সময়ও আমি বেশ বিনোদিত হয়েছি। আপনাকে বিনোদন দিতে পেরে আমি পুলকিত। বামপন্থীদের সমালোচনা করতে হলে বামপন্থীদের থেকে সার্টিফিকেট নিতে হবে নাকি? এক নেতা এক দল, ইহাইতো দেশের বর্তমান বামপন্থী আন্দোলনের ছুরুত!

      1. বামপন্থীদের সমালোচনা করার আগে
        বামপন্থীদের সমালোচনা করার আগে অন্তত “লেলিন” কে “লেনিন” লিখতে শিখুন ভ্রাতা …… নইলে আপনার গালিগালাজ গুলো তো অন্যের ঘাড়ে চলে যাবে……

        1. আমার এই সামান্য টাইপোর কারণে
          আমার এই সামান্য টাইপোর কারণে বাংলার সমাজতন্ত্রী বিপ্লব হুমকির মুখে পড়বে না বলে মনে করছি।

          1. তা হবে না, কিন্তু রহিম কে
            তা হবে না, কিন্তু রহিম কে পচাতে হলে তো নাম টা রহিমই লিখতে হবে তাই না? করিম লিখলে তো অন্যের ঘাড়ে চলে গেলো? :ভেংচি:

          2. রহিমের আদর্শ নিয়ে আমার কোন
            রহিমের আদর্শ নিয়ে আমার কোন সমস্যা নাই। রহিমের সমালোচনা এখানে করি নাই। রহিমের নাম বিক্রি করা যদুমধুদের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে এখানে। যদুমধুদের রেখে আপনি রহিম নিয়ে এত পেরেসান কেন? রহিমের কথামত যদি যদুমধুরা চলত তাহলে এদেশে বাম মতাদর্শ পোঙামারা খাইত না।

  8. জোনায়েদ সাকিকে নিয়ে অনেকে
    জোনায়েদ সাকিকে নিয়ে অনেকে অনেক কিছুই লিখেছেন ! আমি কিছু কথা বলি- রানা প্লাজায় যখন মানুষ চাপা পড়েছে সাথে মানবতা তখন ছাত্র ফেডারেশন ( গণসংহতির ছাত্র সংগঠন ) এর ছেলে মেয়েরা ( কয়েকজনকে চিনে থাকবেন যদি সে সময় কাজ করে থাকেন – হিমু , লিয়ন , নির্ঝর , সহ আরো অনেকেই ) রাত দিন উদ্ধার কাজে ব্যাস্ত ছিল, তোবা তে যখন শ্রমিক আন্দলোন হয়েছে , সবাই ঈদ পালনে ব্যস্ত ছিল, সাথে কারা ছিল – গসংহতির সাকি আর ছাত্র ফেডারেশন এর ছেলেরা ! তেল-গ্যাস-বিদ্দুত রক্ষায় কে ছিল মাঠে ? সুন্দ্রবনে কাদের লংমারচ দেখে বিএনপি আর অন্যরা তডিঘডি করে লংমারচ করেছে ? বাম মোরচার সাকি আর অন্যদের দেখে ! কাকে পুলিশ টানা-হেচডা করেছে তোবার সামনে – যখন সেখানে আটকে পড়া শ্রমিক দের পুলিশ শ্লীলতাহানির হুমকি দিয়েছে বলে সাকি ভেতরে যেতে চেয়েছে ?
    প্রতিটি ছাত্র আন্দলোনে সরব ছিল কারা ? ছাত্র ফেডারেশন ! , কিছুদিন আগেও চবি তে শাটল চালু হয়েছে ফের বটতলি থেকে , কাদের আন্দলোনে ? ছাত্র ফেডারেশনের আন্দলোনে !

    আর লেখক আমরা জানি প্রতিটা কর্মী নিজের টাকায় সংগঠন করেন , পার্টি তে কেউ ডোনেশন দেয় আজ প্রথম শুনেছি ! একটু খবর নিলেই জানতে পারতেন – পার্টির নেতারা নিজেই কিছু একটা করেন।বসে বসে মেধা অপচয় করে অন্যের টাকায় পারটি চললে এতদিনে অনেক কিছুর মালিক হতেন গণসংহতির নেতারা ! জেনে লিখুন, সত্য লিখুন , সমস্যা নেই ! আমরা সত্ত্য শুনতে ভয় পাইনা ,কিন্তু অই যে বললেন – আমরা একটু অন্যরকম ? সত্যি সেজন্যই টিকে আছি ! 🙂
    আর ভোট দিতে নিরুৎসাহিত করে লাভ ? আবার একটি অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া তে কেউ না কেউ আসবেন । সেটাই কি চাই আমরা ?

  9. ‘কিন্তু আ.লীগ বিএনপি যা করে
    ‘কিন্তু আ.লীগ বিএনপি যা করে তার চেয়ে কি সিপিবি বাসদ ভিন্ন? মোটেই না। এই দলের কেন্দ্রীয় নেতা রাগীব আহসান মুন্না হলেন শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারির একজন। ‘
    রাগীব আহসান মুন্না সিপিবি বাসদের নেতা হইলো কবে জানতে মন চায়।

    1. মুন্না ভাই সিপিবিতে যোগ
      মুন্না ভাই সিপিবিতে যোগ দিয়েছেন গত বছরে। যোগদানের নিউজ
      http://www.manobkantha.com/2014/10/19/195572.html

      তার শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত ব্লগ
      http://www.istishon.com/node/10127

  10. ব্যাপক বিনোদনসমৃদ্ধ লেখা। তবে
    ব্যাপক বিনোদনসমৃদ্ধ লেখা। তবে সিপিবির পক্ষে সরোয়ার ভাই ছাড়া অন্য তুকীরা কই? সিপিবির বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগতো মারাত্ক। আর এটা নিশ্চয়ই সিপিবি বাসদের পরিস্কার করে বলা উচিত তারা কেন এখন নির্বাচনে যাচ্রেছ? কারণ তারাতো এই সরকারের অধিনে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যাননি। নিশ্চয় ভোটপন্থি বামেরা এটা বলবেন না যে এটা অরাজণৈতিক নির্বাচন? যদি তারা এটা বলেন, তাহলে বলবো রাজনীতিটা কি সেটা তাহলে নতুন করে শিখতে হবে।

    1. তুহিন, সিপিবি র বিরুদ্ধে আজ
      তুহিন, সিপিবি র বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোনও আলোচনা দেখলাম না যা কিনা সিপিবির রাজনৈতিক দলিল নিয়ে করা হয়েছে। আমি এবং আমাদের অনেক বন্ধু ১৯৯১ – ১৯৯৫ এই সময় টিতে সিপিবি সহ বাংলাদেশের বেশ কিছু রাজনৈতিক দলের প্রকাশনা, বিশেষ করে কংগ্রেস এর দলিল বা সম্মেলনের দলিল নিয়ে কিছু লিখিত গবেশনা করেছিলাম। আমি মনে করি, সেটাই বৈজ্ঞানিক পথ। মার্ক্সবাদী সাহিত্যে জাকে “পলেমিক্স” বলে। একথা প্রায় বিশ্বাস করতে যাচ্ছি যে, সিপিবি কে যারা দিনরাত গালিগালাজ করেন, এটা সম্ভবত তাদের খমতার বাইরে, সিপিবি কে পলেমিক্যালি চ্যালেঞ্জ করা, অর্থাৎ প্রকৃত মার্ক্সবাদী সমালোচনা করা। কমরেড ক পল্টনে কি বলেছেন, কমরেড খ ইত্তেফাকে কি লিখেছেন আর কমরেড গ ফেসবুকে কি স্টাটাস দিয়েছেন সেই সকল নিয়ে তো কোনও পলেমিক্যাল ডিসকাশন হয় না তাই না? আর এই ভ্রাতার লেখাটি তো ভাষাগত দিক থেকেও এত দুর্বল যে, সমালোচনা তো দুরের কথা, ঠিক মতো পাঠ করাটাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। বাই দা ওয়ে, আমার আগের কমেন্ট এর ঠিক কোন অংশ টা আপনার মনে হল যে আমি সিপিবির পক্ষে লিখেছি বলবেন? তাহলে আরেকটু ভেবে দেখবো। আমি সিপিবির সদস্য নই। তবে যারা সিপিবি কে দিনরাত গালাগাল করেন, তাদের লেখাগুলোর এমন কোনও ওজন আমার চোখে আজ পর্যন্ত পড়েনি, যা নিয়ে দ্বিতীয়বার চিন্তা করা যায়। দুঃখিত, বিনয়ের সাথে আমার বোধ এর কথা গুলো বললাম, আমি জানি তা আপনার সাথে মিলবে না।

      1. আপনার সাথে একমত। সিপিবি বা যে
        আপনার সাথে একমত। সিপিবি বা যে কোন পার্টিকে তার দলিল দিয়েই সমালোচনা বা আলোচনা করা উচিত। তবে এ লেখাটি সে ধাচের নয় এটা অবশ্যই স্বীকার করছি। কিন্তু কিছু অভিযোগ তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে এসেছে তা কিন্দু গুরুতর। এ ছাড়া ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যখন তারা গেলেন না তখন তারা তার যুক্তি দিয়েছিলেন। এখন তারা কেন নির্বাচনে যাচ্ছেন তারও যুক্তি থাকা দরকার।
        তবে একদমই যে সিপিবির দলীল নিয়ে কাজ হয়নি, তা নয়। আনু মুহাম্মদের ‘সিপিবির লেজুড়বাদ’ একটি লেখা পড়েছিলাম। থিউরিটিক্যালি সিপিবিকে নিয়ে এমন চমৎকার লেখা আর পড়িনি। ভালো থাকবেন সরোয়ার ভাই।

        1. তুহিন, আনু ভাইয়ের লেখাটিও
          তুহিন, আনু ভাইয়ের লেখাটিও কিন্তু প্রায় দুই দশক পুরোনো এবং ভালো লেখা। শুধু আনু মুহাম্মদ নয়, আরো কয়েকজন সিপিবির রাজনীতি নিয়ে লিখেছেন, মানে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ দের সময়কার রাজনিতিবিদেরা। কিন্তু আমি বলছি এখনকার যারা সারা দিনরাত সিপিবির রাজনীতি নিয়ে সমালোচনা করছেন, তাদের সমালোচনার ধরন টি পলেমিক্যাল নয়, বরং পল্টনের জনসভার মতই। আর নিরবাচনে যাবার যুক্তি টা আমি জানিনা, তবে আমি জানি, জাতিয় নিরবাচন আর স্থানীয় সরকার নিরবাচন চরিত্রগত ভাবে এক নয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় নির্বাচন নয় এবং স্থানীয় সরকার নিরবাচনের প্রতিনিধিরা আইন প্রনেতা নন, বরং তাঁরা স্থানীয় নেতা। দুই নির্বাচনের মাঝে মৌলিক পার্থক্য আছে। কে অংশ নিচ্ছে, এটার বাইরে, যদি এই দুই ধরনের নির্বাচনের মৌলিক চরিত্র টি বিশ্লেশন করেন, তাহলে হয়ত সিদ্ধান্তের পার্থক্য টা পাওয়া যেতে পারে। সর্বোপরি, আমি আপনার সাথে একমত, সিপিবি বাসদের উচিত তাদের অবস্থান টি ব্যাক্ষা করা।

          1. আমি আপনার সাথে একমত, সিপিবি

            আমি আপনার সাথে একমত, সিপিবি বাসদের উচিত তাদের অবস্থান টি ব্যাক্ষা করা।

            তাদের ব্যাখ্যা না করার কারণে যদি এই বিষয় নিয়ে সমালোচনা হয়, সেটা কি দোষের?

          2. কোনও সমালোচনাই দোষের নয় দুলাল
            কোনও সমালোচনাই দোষের নয় দুলাল ভাই, যদি আমরা সমালোচনাটির উদ্দেশ্য জানি এবং তা যদি হয় পদ্ধতিগত সমালোচনা, তাহলে সেই সমালোচনাটি কাজে আসে। এটাই বলতে চেয়েছি।

          3. এটা আলবৎ দলীয় নির্বাচন।
            এটা আলবৎ দলীয় নির্বাচন। প্রকাশ্য বলা হচেচ্ছ আ.লীগ সমর্থিত। আর বাংলাদেশে এখন মেম্বার ইলেকশনও আ.লীগ বিএনপি ভাগে ভাগ করে ভোট দেয় মানুষ। বিশ্বাস না নিজেদের আত্মিয়স্বজনকে জিজ্ঞেস করতে পারেন।
            হুম। এটা ঠিক। আনু স্যারের মূল্যায়ন আশির দশকের। সিপিবিকে নতুন করে মূল‌্যায়ন দেখিন। বলতে গেলে যা বলতে হয় তাহলে এই প্রজন্ম আসলে ব্যাসিক পড়ালেখাটি করেন কম অন্তত পূর্বসুরীদের তুলনায়।

          4. একমত। এবং এটা দুঃখজনক যে এই
            একমত। এবং এটা দুঃখজনক যে এই প্রজন্ম বেসিক পড়াশুনা টা কম করেন। অথচ এরাই বিপ্লব করবেন, তাই না? কিভাবে? তবুও আমি আশাবাদী। দেখা যাক।

    1. জোনায়েদ সাকি এই লেখা দেখলে কী
      জোনায়েদ সাকি এই লেখা দেখলে কী বিপ্লব অন্য পথে হয়ে যেত? জোনায়েদ সাকিরে কেউ গোনে না। ১০০ ভোটে পাবে নাকি? শেষ পর্যন্ত জামানত বাঁচাতে পারলে ইজ্জ্বত বাঁচবে।

  11. ইকারাস ভাই, আপনাকে অনেক
    ইকারাস ভাই, আপনাকে অনেক সন্মান করি। প্রায় এক মাস হতে চলল, একবারো কি পিসিতে বসার সময় পেলেননা? কান্ডারী হুশিয়ারের উত্তরগুলা দিলে শ্রদ্ধাটা বজায় রাখতে সুবিধা হত…

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

9 + 1 =