কলম বেশ্যা কলাম লেখক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী!

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কলম বেশ্যা কলাম লেখক আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীকে আপনার সবাই চিনেন ও জানেন। তিনি মরা মানুষের রেফারেন্স ছাড়া কোন কলাম লেখেন না। আর যাওবা জীবিতদের রেফারেন্স দেন তাদের নাম বলেন না। রেফারেন্সের সবাই ঢাকা, নিউইয়ার্ক, মিউনিক, লন্ডন, ব্রাসেলস থেকে তাকে ফোন করে আজগুবি সব তথ্য দেন, তার ওপর ভিত্তি করে তিনি গাঁজার নৌকা পাহাড়তলী পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান। তিনি যে টাকার বিনিময়ে লেখেন এটা পুরানো খবর হলেও অভিযুক্ত খুনির টাকায় খুনির প্রসংশা করে লেখেন এটা একটা নতুন খবর বৈকি!

আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর বহু পরিচয় আছে। তবে ভাষা আন্দোলনের ওপর লেখা অমর গান ‌‘আমার ভাইয়ের রক্তের রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ লেখার কারণে তিনি ইতিহাসে স্থায়ী জায়গা পেয়েছেন। তার চরিত্রের বাকি অংশগুলো কুৎসিত এবং অধিকাংশক্ষেত্রেই মিথ্যা তথ্যর মাধ্যমে আ.লীগের অন্ধ সমর্থন করা। একজন স্বার্থক দলান্ধ হিসেবে তার নাম বলা যেতে পারে। সারা পৃথিবীতে দলীয় কলাম লেখক আছেন। তাদেরকে বুদ্ধিজীবী না বলে বরং বলা হয়ে থাকে ‘পেইড রাইটার’। মানে মালের বিনিময়ে কলম লেখেন। আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী সেরকম একজন হলে কোন সমস্যা ছিলো না। মালের বিনিময়ে, মানে নগদ টাকার বিনিময়ে অনেকেই অনেক কিছু করেন। কেউ কলাম লিখলে দোষ কেন হবে? আমাদের এই চৌধুরী সাহেবের সমস্যা হচ্ছে তিনি সামান্য কিছু টাকার বিনিময়েও কলাম লেখেন, তাও আবার যার তার জন্য। শুধু তাই নয়, প্রবল আ.লীগ সমর্থিত চৌধুরী সাব এক সময় জামাতের অর্থেও প্রতিপালন হয়েছেন। তাদের জন্যও কলাম ধরেছেন।

তবে ১ হাজার ডলার বা পাউন্ডে তিনি যে কলাম লেখেন এ অভিযোগ বহু পুরানো। অর্থ্যাৎ আপনি তাকে ১ হাজার ডলার দিলেন, আর সে ফটাফট একটা কলাম লিখে দিলেন। আর সেই কলাম দেশের শীর্ষ পত্রিকাগুলোও ফটাফট ছেপে দিলো।

তিনি লন্ডনে থাকেন। শেখ হাসিনার কাছের মানুষ। এই পরিচয় তিনি যত্রতত্র ব্যবহার করেন এবং বেশ সুবিধাও পান। বলা যেতে পারে বিদেশে তিনি আ.লীগের সব থেকে প্রভাবশালী মুরব্বি। এ কারণে ইউরোপের দেশগুলো, অস্ট্রেলিয়া কিম্বা যুক্তরাষ্ট্র যেখানে আ.লীগ কোন কর্মসূচী করে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। কারণ হলো তিনি ফিরে এসে সেই নেতাদেরকে শেখ মুজিব বানিয়ে একটা কলাম লিখে ফেলবেন। এ কাজ তিনি কৃতিত্বের সাথেই করছেন। বলা যেতে পারে এটা তার রুটি রুজি। প্লেনে যাওয়া-আসা আর ফ্রি থাকা-খাওয়া, ঘোরাঘুরি, বাজার সদাইতো আছেই; আছে নানানরকম উপহার। আর যদি কলামের কারণে বাড়তি হাজার ডলার বা পাউন্ড জুটে যায় মন্দ কী।

এরকম প্রমোশনাল কলামগুলোর যদি শুধু লিংক দেই তাহলে আলাদা করে এ ব্যপারে আর লেখার দরকার হবে না। এই পোস্টে এই মূহুর্তে সেটা না করে বরং সাম্প্রতিক তিনি একজন খুনি ছাত্রলীগ নেতার টাকায় ডেনমার্ক ঘুরে এসে তার পক্ষে যে কলাম লিখেছেন সেটা নিয়েই কথা বলি।

এছাড়াও আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী যে শেখ মুজিব বেঁচে থাকতেই যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে লিখেছিলেন সে সম্পর্কেও দু চার কলাম বলা যেতে পারে।

খুনির টাকায় সুইডেন ভ্রমন অতপর খুনির প্রসংসা:
ডেনমার্ক থেকে ফিরে আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী কালেরকণ্ঠের উপ-সম্পাদকীয় পাতায় লিখলেন একটি কলাম। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে কালেরকন্ঠের লিংকটি দেখা না গেলে ই-কালেরকণ্ঠ থেকে দেখতে পারেন।

এই লেখায় তিনি স্বীকার করেছেন যে ঢাকার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বিদ্যুৎ বড়ুয়ার আমন্ত্রণে তিনি ডেনমার্কে গিয়েছেন আ.লীগের একাংশের অনুষ্ঠানে। বিদ্যুৎ বড়ুয়ার বর্ণনা দিতে গিয়ে আগাচৌ লিখেছেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর আর্দশের অনুসারী। শিক্ষিত ও মার্জিত। আর কতসব প্রশংসামূলক কথাবার্তা।

বিদ্যুৎ বড়ুয়া হলেন ঢাকা মেডিকেল কলেছ ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি। তার বিরুদ্ধে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের নেতা ও মেডিকেল চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আসাদ হত্যার ইন্ধন দাতা। ২০০৯ সালের মার্চে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আসাদ ওরফে রাজীবকে হত্যা করা হয় ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে। এই হত্যার জন্য তার সহপাঠিরা সরাসরি অভিযোগ করেন বিদ্যুৎ বড়ুয়ার দিকে। এ সংক্রান্ত খবর জানতে প্রথম আলোর এই লিংকটিতে যেতে পারেন।

তাহলে এরকম বিতর্কীত একজন লোকের আমন্ত্রণ ও অর্থায়নে সুইডেন ভ্রমন শেষে তার গুণকীর্তন লেখার কারণ কী? সোজা উত্তর হলো নগদ নারায়ণ অর্থ প্রাপ্তি। অর্থ পেলে তিনি যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষেও লিখতে পারেন। কথায় কথায় যেসব সুশীলদের গালি দেন, গালি দেন পাকিস্তানীদের তাদের সাথে সখ্যতা তৈরী হতে পারে। এককথায় এরকম একজন নীতিভ্রষ্ট মানুষ তার মত বয়সে পাওয়া কঠিন।

তিনি কথায় কথায় এদেশের সুশীলদের গালি দেন। বলেন এরা ওয়ান ইলেভানের কুশীলব। এরা কিসের সুশীল? যদি প্রশ্ন করা হয় ওয়ান ইলেভেনের সময় আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী কী করেছিলেন? এক কথায় উত্তর দেওয়া যায়, তিনি সে সময় সেনাবাহিনীকে তেলের সাগরে ভাসিয়েছেন। একেই বলে হাওয়া বুঝে ছাতা ধরা। সে সময় তিনি তার কলমে মঈনউদ্দীন-ফখরুদ্দীনকে এতোই তেল মেরেছেনে যে এক স্থানে লিখেছিলেন , ‘এই প্রথম বাংলাদেশের একজন সরকারপ্রধান জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে কবিগুরুর উদ্ধৃতি দিয়েছেন’। অর্থ্যাৎ শাসক যদি স্বৈরাচার সেনা শাসক হন তাতে সমস্যা নেই, যদি তিনি রবীন্দ্রনাথের কথা বলেন। কী রকম নির্লজ্জ ভাড় কল্পনা করতে পারেন?

১৯৬১ সালে ছিল রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী। এ উপলক্ষে তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তানে বিপুল উত্সাহে নানান কর্মসূচি পালিত হওয়ার পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথের পক্ষে-বিপক্ষে বিতর্কের ঝড় ওঠে। সে সময় আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী একদিন দৈনিক ইত্তেফাকে রবীন্দ্রনাথের পক্ষে এবং পরদিন দৈনিক আজাদে রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে কলাম লিখতেন। শুধু তাই নয় স্বাধীনতার পরও তিনি পাকিস্তানের কাছ থেকে সংবর্ধনা নিয়েছেন।

যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে তার কলাম সচল ছিলো সেই ৭৩-এ:
২২ মে ১৯৭৩ সালে ‘দৈনিক জনপদ’ পত্রিকার কলামে আবদুল গাফফার চৌধুরী লিখেছিলেন,

আমার দুর্ভাগ্য আওয়ামী লীগ সরকারের সমর্থক, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আস্থাশীল হয়েও আজ আমাকে এই সরকারের কোনো কোনো নীতি ও কাজের সমালোচনা করতে হচ্ছে। কোলাবরেটর আইনের অপপ্রয়োগ বাংলার ঘরের ঘরে হাহাকার তুলেছে। ভাইয়ে ভাইয়ে, বাপে ছেলেতে সন্দেহ ও শত্রুতা সৃষ্টি করেছে এবং স্বাধীনতার পর যখন অনড় জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন, তাকে ভেঙ্গে শতধা বিভক্ত করেছে। কোলাবরেটর আইনকে হাতিয়ার করে ক্ষমতাসীন দলের এক শ্রেনীর লোক রাতারাতি ভাগ্য গড়েছে। …. কোলাবরেটর আইনের অপপ্রয়োগ দেশের জাতীয় ঐক্য ধ্বংস করেছে। কোলাবরেটর আইনের অপপ্রয়োগ বাংলার ঘরে ঘরে হাহাকার তুলছে।

আর এখন তিনি হয়েছেন সব থেকে বড় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সমর্থক।

৭০ ও ’৭১ – এ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী বিজয়কে ভন্ডুল করার জন্যে আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী কলম চালিয়েছিলেন হামিদুল হক চৌধুরীর পত্রিকায়। আহাজারি করেছিলেন ‘মোনায়েম খানের পতনে লাভ কি হলো’ বলে? হামিদুল হক ছিলেন স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সব থেকে বড় কোলাবরেটর।

গাফফার চৌধুরী ’৭৪ সালের ১৮ জুন লিখেছেন,

১৯৭২ সালের মাঝমাঝি সময়ে কোলাবরেটরদের প্রতি সাধারণ ক্ষমা প্রদর্শনের জন্যে বঙ্গবন্ধুকে আহবান জানিয়ে আমি ঢাকার একটি দৈনিকে প্রবন্ধ লিখেছিলাম ‘…জাতীয়্ ঐকের জন্যে এই মুহূর্তেই প্রয়োজন সাধারণ ক্ষমা’। এই লেখাটি পাঠ করার পর আমার সঙ্গ দেখা হতেই বঙ্গবন্ধু হেসে বলেছিলেন চৌধুরী তোমার লেখা আমি পড়েছি। সাধারণ ক্ষমা আমি ঘোষণা করবো, তবে এখন নয়। …প্যাঁচা যেমন অন্ধকারে থাকতে ভালোবাসে, এরাও তেমনি অন্ধ মানসিকতার মধ্যে বাস করতে ভালোবাসে। আজ এদের ছেড়ে দাও দেখবে এরা পুরনো অভ্যাস অনুযায়ী পুরনো কাজ শুরু করে দিয়েছে।…… চৌধূরী, সেদিন বুঝবে তোমরা যতো সহজে এদের ক্ষমা করতে পেরেছো এরা তা পারেনি এবং কোনদিন পারবে না। বঙ্গবন্ধর এই কথা কতো নির্মম তা আজ হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করছি……।

সেই সময় তিনি যুদ্ধাপরীদের বিচারের আইনটি বাতিলের জন্য লিখেছিলেন আর এখন তিনি টাকার জন্য জার্মানির হলোকাস্টের আদলে আইন করতে বলছেন। তারককে পাগল বলছেন। দৈনিক জনকণ্ঠে এ সংক্রান্ত খবরে চোখ বুলাতে পারেন।

আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর কলম বেশ্যাবৃত্তির উপর দুর্দান্ত দুই কিস্তির একটা লেখা লিখেছিলেন বন্ধ হয়ে যাওয়া আজকের কাগজের মালিক কাজী শাহেদ ‘আব্দুল’ শিরোনামে। নীতিহীন এই ভদ্রলোকের পত্রিকার কলামে নীতিকথা হাস্যকর। যার কাছে নীতির চেয়ে টাকার মূল্য বেশি, তার এসব নীতিকথায় বিভ্রান্ত না হওয়া উচিত। এরা ইতিহাসের খলনায়ক হিসাবে একদিন পরিচিত হবেই।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৫ thoughts on “কলম বেশ্যা কলাম লেখক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী!

  1. শব্দপ্রয়োগে আরেকটু রাগ
    শব্দপ্রয়োগে আরেকটু রাগ ক্ষোভের ঊর্ধ্বে উঠে আরও কিছু ঘটনার ভেতর যেতে পারলে এটা একটা চমৎকার স্বয়ংসম্পূর্ণ লেখা হতে পারত। আফসুস!

    1. বাঙালীর মেধার চেয়ে ক্ষোভের
      বাঙালীর মেধার চেয়ে ক্ষোভের পরিমাণ বেশি। মেধাহীনতার কারণে পোস্টে ক্ষোভের আধিক্য। মেধা নাই বলে কি মনের ঝাল মিটাব না! 😀

  2. আমাদের দেশে একেবারে নিরপেক্ষ
    আমাদের দেশে একেবারে নিরপেক্ষ লেখক কোথায় পাবেন? সবাই কারো না কারো লেজুড়বৃত্তির সাথে জড়িত। তবে গাফফার চৌধুরীকে বলা যায় কলাম লেখার যাদুকর। সে পেশাদার লেখক। তার কোন আদর্শ আছে বলে মনে করি না।

  3. ভুতের মুখে রাম নাম ***** তার
    ভুতের মুখে রাম নাম ***** তার চরিত্রের বাকি অংশগুলো কুৎসিত এবং অধিকাংশক্ষেত্রেই মিথ্যা তথ্যর মাধ্যমে আ.লীগের অন্ধ সমর্থন করা। একজন স্বার্থক দলান্ধ হিসেবে তার নাম বলা যেতে পারে।

  4. খুব মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। আমি
    খুব মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। আমি আব্দুল গফফার চৌধুরীর লেখা পেলেই পড়ি। তার সম্পর্কে এখানে যা লেখা হয়েছে সেগুলি আমার অজানা ছিল। আজ জানার পরেও মনে হচ্ছে, তার লেখাগুলি স্বাধীনতার স্বপক্ষে যে ভূমিকা রেখেছে সেটি কোনভাবেই অস্বীকার করার উপায় নাই, করলেও তা কতোটা সুবিবেচনাপ্রসূত হবে তাও ভেবে দেখার দাবী রাখে। সে প্রচণ্ডরকম আওয়ামী লেখক তাতে কোনও সন্দেহ নেই, লুকোচুরিরও কিছু নেই। লেখক নিজেই ঘোষণা দিয়েই কাজটি করছেন।

    স্বাধীনতার স্বপক্ষের একজন মানুষ স্বেচ্ছায় বা না জেনে এমনকি ব্যক্তিগত লাভজনক ব্যবসার তাগিদে ক্ষতিকর কোন কিছু করে ফেললেই হৈ হৈ রৈ রৈ করে তার বিরুদ্ধচারণে নেমে যাবো সেটি হয়ত অনেকে মনে করতে পারেন। এমন বিরুদ্ধচারণ দিনশেষে কতোটা নিজের হয় সেটাও বিবেচনায় রাখা দরকার।

    নিজেদেরকে বিশুদ্ধ ভাবতে ভাবতে অন্য সকলের পাইকারি বিরোধিতা করে আমাদের বামপন্থীদের অবস্থান আজকে কোথায়! নিজেরা তো বহুবিভক্ত হয়েছিই- যাদের জন্য কথা বলি সেই জনগণও আমাদের পিছে নাই। আমরা বিশুদ্ধ আছি, সে গর্বে আমারা গর্বীয়ান- এই একটা সান্ত্বনা অন্তত আমাদের আছে!

    দিনশেষে আমাদের মেধা, শ্রম সবই আমাদের বিপক্ষে চলে যায়, আমরা ভেঙ্গে যাই- এর কারণ আমরা অসহিষ্ণু।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

96 − = 91