মানুষের গলা কেটে মুনাফা করছে সরকার!

সারা দুনিয়ায় তেলের দাম কমেছে। পার্শ্ববর্তী দেশে তেলের দাম বেশি, বিদ্যুতের দাম বেশি বলে বারবার এদেশে তেল-বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু গত কয়েক মাসের ব্যবধানে ভারতে সাত দফা তেলের দাম কমলেও এদেশে তেলের দাম কমছে না। বরং এ বিষয়ক সংস্থা বিপিসি বলছে, পুরনো ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তারা মূল্যহার অপরিবর্তিত রাখছে। এর ওপর আবার তেলে তৈরি বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির জন্য শুনানী করেছে সরকার। আপাতত সেই উদ্যোগ নানা রাজনৈতিক কারণে চাপা থাকলেও তা নিয়ে সরকাড় যে কোনো সময় আবার অগ্রসর হবে। দাম বাড়ানোর আশা সরকার ছাড়েনি।

নাগরিক সমাজ, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ, রাজনৈতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন মহল থেকে বরাবরই গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ হয়। কিন্তু এবার তা ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। কারণ গত ৬ বছরের মধ্যে রেকর্ড করা হয়েছে তেলের সর্বনিম্ন মূল্য। সরকার সমর্থক পত্রিকা হিসাবে পরিচিত দৈনিক জনকণ্ঠের ৪ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখের খবরে বলা হয়েছে, ‘প্রতিবেশী দেশ ভারত গত আগস্ট থেকে পেট্রলের দাম ৭ বার আর ডিজেলের দাম তিনবার কমিয়েছে। নভেম্বরের শুরুতেই পেট্রলের দাম কমেছে ২ দশমিক ৪১ রুপি আর ডিজেলের দাম কমেছে দুই দশমিক ২৩ রুপি। আগস্ট থেকে ভারতের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে গড়ে ৯ দশমিক ৩৬ রুপি।’ ডিসেম্বরের শুরুতে প্রকাশিত ওই খবরের পর ভারতে আবারও তেলের দাম কমেছে। কিন্তু সরকারপক্ষকে এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে দেখা যায়নি।

আন্তর্জাতিক বাজারে যখন এক ব্যারেল তেলের দাম ১২২ ডলারে উঠেছিল, তখন সমন্বয় করে বাংলাদেশে এক লিটার পেট্রলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৯৬ টাকা। এখন এক ব্যারেল তেলের দাম ৫০ ডলারেরও নিচে, ৪৫/৪৭ ডলার। অথচ বাংলাদেশে দাম এখনও ৯৯ টাকা। এক টাকাও কমানো হয়নি। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী দিল্লিতে এক লিটার পেট্রলের দাম ৬১.৩৩ রুপি থেকে কমিয়ে ৫৮.৯১ রুপি নির্ধারণ করা হয়েছে। কলকাতায় হয়েছে ৬৮.৬৬ থেকে কমে ৬৬.৬৪ রুপি। বর্তমানে বাংলাদেশি ১০০ টাকা = ৮০ রুপি। ভারতে এক ডলার = ৬৩ রুপি। বর্তমানে এক লিটার পেট্রল ৯৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সে হিসাবে বাংলাদেশের তুলনায় ভারতে এক লিটার পেট্রলের দাম প্রায় ১৫ থেকে ২০ টাকা কম। আমেরিকা, কানাডায়ও এখন বাংলাদেশের তুলনায় তেলের দাম অনেক কম। আমেরিকায় এক গ্যালন (৪.৫৪ লিটার) তেলের দাম আগে ছিল ৫ ডলারের উপরে। এখন তা কমে নিউইয়র্কে দাম হয়েছে ২.৪৯ ডলার। ওকলাহোমায় ১.৭৯ ডলার। সারা পৃথিবীতেই এখন তেলের দামের এ অবস্থা।

এ অবস্থায়ও কেন সরকার তেলের দাম কমাচ্ছে না, এই প্রশ্ন সবার মুখে। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বিপিসি চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান বলেন, ‘আমরা বিপিসি দীর্ঘদিন ধরে লোকসান দিয়ে আসছি। তাই এখন কিছুটা মুনাফা করে পুঞ্জীভূত লোকসান কমিয়ে আনা হচ্ছে। জ্বালানি তেলের কোনো পণ্য বিক্রয়েই এখন লোকসান হচ্ছে না। তবে কোন পণ্যে কত লাভ হচ্ছে, তা হিসাব না করে বলা কঠিন। আগের ঘাটতির কারণে বিপিসির প্রচুর পরিমাণ বকেয়া দায়-দেনা রয়ে গেছে। এখন যেটুকু লাভ হচ্ছে তা থেকে সেই বকেয়া দায়-দেনা কমাতে ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। গত অক্টোবর থেকে বিপিসি লাভের ধারায় ফিরেছে। এ কারণে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া ভর্তুকিও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এভাবে ৬-৭ মাস চলতে থাকলে বিপিসি অতীতের সব দায়-দেনা পরিশোধ করে লাভ করতে পারবে।’

বিপিসির লোকসানের হিসাব জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতি বছরই আমরা লোকসান দিই। তাই এক বছরের হিসাব দেখে সিদ্ধান্তে আসা যাবে না। আর তেলের দাম কমা বা বাড়ার বিষয়টা সরকারি সিদ্ধান্তের বিষয়। আমরা এটা নিয়ন্ত্রণ করি না। এটা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ঠিক হয়। দাম কমালে তারাই কমাবে। আমরা নির্দেশনা অনুসরণ করছি।’

কিন্তু অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত অর্থবছরে বিপিসির ঘাটতি ছিল দুই হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা। তবে একই সময়ে সরকারকে তারা ভ্যাট-ট্যাক্স দিয়েছে চার হাজার ৫২৫ কোটি টাকা। কেনা-বেচার হিসাবে বিপিসি লোকসান করলেও এ থেকে রাষ্ট্রের মুনাফা হয়েছে দুই হাজার ৪৭ কোটি টাকা।

ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সরকারের উচিত তেলের দাম কমানো। তা না করে তারা নানা হিসাব দিচ্ছেন। আমরা সরকারি এসব হিসাবে অস্বচ্ছতা দেখতে পাচ্ছি। যে লোকসানের কথা বিপিসি বলছে, তা তো সরকারের অতিরিক্ত রাজস্ব দেয়ার ফল। বাস্তবে কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি লাভেই আছে। এখন তারা বা সরকার যদি অর্থ উদ্বৃত্ত রাখতে চায়, তবে সেখানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, ভর্তুকি বা যেভাবেই তেলের মূল্য স্থিতিশীল রাখা হোক না কেন, সেই অর্থ ভোক্তারাই দিচ্ছে। আবার সরকার ভোক্তাদের অর্থ থেকেই উদ্ধৃত্ত বানাচ্ছে। জনগণের এ সমস্ত অর্থ সরকার কীভাবে ব্যবহার করছে তার কোনো স্বচ্ছতা বা স্পষ্টতা নেই। আমরা এ ধরনের অর্থ ব্যবহারের নীতিমালা চাই এবং জনস্বার্থসম্মত ব্যবহারের নিশ্চয়তা চাই।’

অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদের মতে, ‘সরকার গণবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। মুনাফার লক্ষ্যে ছুটছে। যদিও সরকারের কাজ তা নয়। সরকারের কাজ ছিল মানুষকে সাহায্য করা। কিন্তু তারা এখন মানুষ মারছে।’

বিশ্ববাজারে দরপতন অব্যাহত থাকলেও দেশে সরকার তেলের দাম কমায়নি, উল্টো বাড়াচ্ছে বিদ্যুতের দাম। বিভিন্ন মহল এতে হতভম্ব হয়েছে। বিইআরসির গণশুনানিতে হাজির হয়ে দেখা গেছে, একটি প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব দেয়া এবং এর বিপরীতে অন্যদের বক্তব্য নেয়াসহ শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ হয়েছে মাত্র তিন ঘণ্টা। সংশ্লিষ্টরা অনেকেই অভিযোগ করেছেন, এরকম জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে মীমাংসার চেষ্টা ঠিক নয়। এজন্য আরও সময় নেয়ার দরকার ছিল। তবে এই তিন ঘণ্টার মধ্যেই বেরিয়ে আসছে নানা অজানা তথ্য।

নিজেদের লোকসানি প্রতিষ্ঠান হিসেবে তুলে ধরে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদন করেছিল ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি)। যদিও প্রতিষ্ঠানটির এ দাবির সঙ্গে একমত হতে পারেনি বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি। তারা বলেছেন, বর্তমানে মুনাফায় রয়েছে ডিপিডিসি। এমনকি পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ানোর পরও মুনাফার ধারায়ই থাকবে কোম্পানিটি।

গণশুনানিতে অংশ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেন, ২০১২ সালে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। তখন বলা হয়েছিল, ২০১৪ সালে গিয়ে দাম কমানো হবে। এখন জ্বালানি তেলের দাম ৭০ শতাংশ কমে গেছে। এখন দাম বাড়ানো নয়, কমানোর সময় এসেছে। বিদ্যুতের দাম সামান্য বাড়লে প্রভাব অনেক বেশি পড়ে। বাড়ির মালিক দ্বিগুণ বিল আদায় করেন। সব পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এমনকি বাসভাড়া পর্যন্ত বেড়ে যায়। হয় তেলের দাম কমানো হোক, না হয় তেলের মুনাফা থেকে টাকা এনে বিদ্যুতে ভর্তুকি দেয়া হোক। তারা আরও বলেন, সরকার জনগণকে বোঝাচ্ছে, তারা বিদ্যুতে ভর্তুকি দিচ্ছে। কিন্তু পিডিবির দেয়া তথ্য থেকে জানলাম, সরকার এ পর্যন্ত কোনো ভর্তুকি দেয়নি। যা দিয়েছে সবই ৩ শতাংশ হারে ঋণ।

এ প্রসঙ্গে পাওয়ার সেলের সাবেক মহাপরিচালক, প্রকৌশলী বিডি রহমতউল্লাহ বলেন, ‘আমাদের বিদ্যুতের ৩০ ভাগ এখনও রেন্টাল খাতে আছে। সরকার যখন আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৭৭ টাকা লিটার দরে ডিজেল কিনেছে তখন রেন্টালে তারা ৬৮ টাকা দরে তা সরবরাহ করেছে। একই সময় ফার্নেস তেল কেনা হয় ৬৯ টাকা দরে, আর রেন্টালে তা দেয়া হয় ৬১ টাকায়। হিসাব করে দেখা গেছে, তখন উৎপাদন কোম্পানিগুলোর গড়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ডিজেলে খরচ পড়ত ৯ টাকা এবং ফার্নেসে ৭ টাকা। যদিও সরকার তাদের কাছ থেকে কিনতো ডিজেলে ১৬.৮০ টাকা এর ফার্নেসে ১৪.৮০ টাকা। অর্থাৎ তখনই কিন্তু দামটা অনেক বেশি ধরা হয়েছিল। এর ফলে আমরা কেউ যাতে আদালতে না যেতে পারি, তার ব্যবস্থাও তারা করেছে। বিদ্যুৎ খাতের দায়মুক্তি আইন করে এসব দুর্নীতির রাস্তা প্রশস্ত করা হয়েছে।’

বিদ্যুৎ খাতের দীর্ঘদিনের মনোযোগী এ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘তেলের দাম এখন বিশ্ববাজারে ব্যারেলপ্রতি ৪৮ ডলার। সে হিসাবে ডিজেলে এক ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় পড়বে চার টাকা আর ফার্নেসে পড়বে সর্বোচ্চ ৩.৫ টাকা। এর সঙ্গে যোগ হবে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যয় তথা ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট কস্ট। এটাকে দ্বিগুণ করেও যদি ধরি, তাহলে ইউনিটপ্রতি এক টাকা করে বাড়তে পারে। সে হিসাবে বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ডিজেলে এক ইউনিটে পাঁচ টাকার বেশি এক পয়সাও খরচ পড়বে না। ওদিকে গ্যাস দিয়ে উৎপাদিত বাকি ৭০ ভাগ বিদ্যুতের ইউনিটপ্রতি ব্যয় হয় ১.৮১ টাকা। বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে সরকারি হিসাবমতে, ২২ হাজার গিগাওয়াট/ঘণ্টা। এর মধ্যে গ্যাসে উৎপাদন হয় ১৫ হাজার ৪০০ গিগাওয়াট/ঘণ্টা। আর তেলে উৎপাদন হয় ৬ হাজার ৬০০ গিগাওয়াট/ঘণ্টা। ডিজেলে পাঁচ টাকা, ফার্নেসে ৪.৫ টাকা এবং গ্যাসে ১.৮১ টাকা করে উৎপাদন ব্যয় পড়লে এতে মোট ব্যয় হয় ৬২৮৫৪০০০০০০ টাকা! সে হিসাবে প্রতি ইউনিটে গড়ে খরচ হয় ২.৮৬ টাকা। সরকার যে দামে বিদ্যুৎ বিক্রি করছে, তার চেয়েও কম। এ হিসাব দেখায় যে, সরকার আসলে বিদ্যুতের মূল্য বাড়াচ্ছে না। তারা নিজেদের পকেট ভরার জন্য মানুষের পকেট কাটছে।’

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সময় প্রতিবারই সরকারের ভূমিকা, পরিকল্পনা এবং সংশ্লিষ্ট তদারকি সংস্থা বিইআরসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিইআরসির এ যাবৎকালের ভূমিকা প্রমাণ করে যে, তারা সরকারের তল্পিবাহী প্রতিষ্ঠানের তকমাটি এখনও গা থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারেনি। স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা তার নেই বলেই মনে করেন অধিকাংশ মানুষ।

সংস্থা হিসেবে বিইআরসির কাজ হচ্ছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ন্ত্রণ করা। দেশ ও জনগণের চাহিদা ও স্বার্থের কথা মাথায় রেখে নীতি প্রণয়ন করা। কিন্তু দফায় দফায় সরকারি ফরমায়েশ অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ছাড়া তারা এক্ষেত্রে বিশেষ কোনো ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। সংস্থাটির কর্তারা এবার চাপের মুখে পড়ে বিদ্যুতের মূল্য না বাড়ালেও চলে বলার পরও বলছেন যে, পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়ালে গ্রাহক পর্যায়ে অল্প কিছু বাড়াতে হবে।

সব মহলেই ধারণা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক সংকট ও তীব্র বিরোধিতার মুখে সরকার হয়তো এ দফায় দাম খুব একটা বেশি বাড়াবে না, অথবা কিছুদিনের জন্য মূল্যবৃদ্ধি প্রক্রিয়া স্থগিত রাখাও হতে পারে। কিন্তু অযৌক্তিকভাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর চেষ্টা সরকারের গণবিরোধী নীতিকে প্রকাশ করে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের অধিক মুনাফার জন্য দেশবাসির ওপর বর্ধিত মূল্যহার চাপিয়ে দেয়াটা একেবারেই অন্যায়। এটা দেখায় যে, সরকার ও সরকারি প্রতিষ্ঠানও আর মানুষের স্বার্থ রক্ষা করছে না। শর্ষের মধ্যেই যে ভূত, এটা সবার কাছেই পরিষ্কার হওয়া দরকার।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৫ thoughts on “মানুষের গলা কেটে মুনাফা করছে সরকার!

  1. এ দেশে যে সবের দাম একবার বাড়ে
    এ দেশে যে সবের দাম একবার বাড়ে তা আর জীবনেও কমার নাম গন্ধ থায়ে না। ইডা আমগো বাংলাদেশ। :থাম্বসডাউন: :থাম্বসডাউন: :থাম্বসডাউন:

  2. তেলের দাম কমাবেনা। রাষ্ট্র
    তেলের দাম কমাবেনা। রাষ্ট্র এখন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। এদিকে সাধারণ ভোক্তা লেভেলে গ্যাসের মুল্য দ্বিগুন করা হচ্ছে।

  3. জাপানে নভেম্বরে তেল ১৫৬
    জাপানে নভেম্বরে তেল ১৫৬ ইয়েন/লিটার, এরপর থেকে দাম কমা শুরু হয়েছে, আজকে ১১৯ ইয়েন প্রতি লিটার। গত তিন মাসে বিভিন্ন ধাপে জাপানে তেলের দাম কমেছে লিটার প্রতি ৩৭ ইয়েন।

  4. এদেশে কোন কিছুর দাম একবার
    এদেশে কোন কিছুর দাম একবার বাড়লে আর কমে না। এটাই এখন অলিখিত নীতি। একদল গণতন্ত্রের নামে মানুষ পুড়িয়ে মারছে। সরকারে বসে আরেকদল গণতস্ত্র রক্ষায় রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যের ফাঁপড়ে মানুষকে শোষন করছে।

  5. রাষ্ট্র জনগণের সেবার কথা ভুলে
    রাষ্ট্র জনগণের সেবার কথা ভুলে গিয়ে যখন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসাবে ভুমিকা রাখার কথা চিন্তা করে তখন লাভ-ক্ষতির হিসাব কষবেই। জ্বালানীখাত পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রেই জনগণের সেবাখাত হিসাবে স্বীকৃত।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 5 = 2