সোস্যাল নেটওয়ার্কে ‘ব্রো কালচার’ নারী নির্যাতকদের রক্ষক

মাইকেল শারমার (michael shermer) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেলিব্রেটি নাস্তিকদের অন্যতম। বিজ্ঞান লেখক হিসাবে তার খ্যাতি আছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ‘দা স্কেপটিক সোসাইটি’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তুলেছেন এবং স্কেপটিক নামে একটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন। এই সংগঠনের সদস্য সংখ্যা পঞ্চাশ হাজারের অধিক। মূলত পশ্চিমবঙ্গের প্রবির ঘোষে’র মতো অতিকপ্রাকৃতিক এবং অপবৈজ্ঞানিক বিভিন্ন দাবি দাওয়া অপ্রমান করাই তার ও তার সংগঠনের কাজ। সমস্যা হলো মাইকেল শারমার যেমন নাস্তিক ও বিজ্ঞান লেখক হিসাবে বিখ্যাত তেমনি সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদীদের কাছে তিনি একজন যৌন নির্যাতক হিসাবে কুখ্যাতও বটে। তার গণহারে লাম্পট্য বা লুলামি সম্বন্ধে ইতিমধ্যে অনেকেই অবগত হয়েছেন। তিন বা তার অধিক নারী তার বিরুদ্ধে সেক্সুয়াল হেরাজমেন্টের অভিযোগ এনেছে বিভিন্ন সময়ে। এরমধ্যে একটি অভিযোগ গত বছর বেশ সারা জাগিয়েছিল। এমনিতে যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদীদের সাথে নও-নাস্তিকদের সম্পর্ক ভালো নয়, নারীবাদীরা প্রায়ই পুরুষ নাস্তিক নেতাদের বিরুদ্ধে মিসোজিনির অভিযোগ এনে থাকেন, আর নও-নাস্তিকদের মধ্যে এইসব অভিযোগ নিয়ে সাধারণত ঠাট্টা মস্করা করতে দেখা যায়। কিন্তু মাইকেল শারমারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগকারী নারীর পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন অপর বিখ্যাত নাস্তিক, জীববিজ্ঞানী ও ব্লগার পিজে মায়ারস (PZ Myers)।

মূল ঘটনাটি ঘটেছিল ২০০৮ সালে। এলিসন স্মিথ নামে একজন তরুণী ভক্তকে প্রথম পরিচয়ের দিনই মাইকেল শারমার মদ খাইয়ে মাতাল করেন (এলিসনের অভিযোগ অনুযায়ী, মাইকেল শারমার নিজে মদ খাওয়ার ভান করেছেন মাত্র), এবং তারপর এলিসনের রুমে পৌছে দেয়ার কথা বলে তিনি তাকে নিজ রুমে নিয়ে যান (একটা কনফারেন্সের কারনে দুইজন একি হোটেলে অবস্থান করছিলেন)। এলিসন স্মিথ এইসময় এতোটাই মাতাল ছিলেন যে যৌন সম্পর্কে সম্মতি অথবা বাধা দেয়ার মতো অবস্থা তার ছিল না। এই অবস্থাতেই মাইকেল শারমার তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। এটি একধরণের ধর্ষন। নিজে সজ্ঞানে মাতাল হয়েছেন বিধায় পুরুষতান্ত্রিক বাস্তবতায় এলিসন হয়তো পুলিশ কেইস করতে যান নাই। কিন্তু কনফারেন্স আয়োজকদের তিনি বিভিন্ন সময়ে এই অভিযোগ জানিয়ে এসেছেন যাতে তারা শারমার’কে বক্তা হিসাবে কখনো না ডাকে। এই অভিযোগ কোন কাজে আসে নাই। ২০১৩ সালে পিজে মায়ারস এই অভিযোগটি জনগণের সামনে আনার পর সবাই নরেচরে বসে। অন্য নারীদের সচেতন করার জন্যেই এলিসন স্মিথ ও পিজে মায়ারস নতুন করে অভিযোগটি সামনে আনেন, পিজে মায়ারসের ভাষায় – “আমি এই ঘটনাটি সবার কাছে শেয়ার করছি সাবধান করার জন্যে, যাতে এই ধরণের পরিস্থিতিতে আর কারো না পরতে হয়”। ২০১৪ সালে অপর জনপ্রিয় মার্কিন লেখক মার্ক ওপেনহেইমার তিনজন নারীর নাম উল্লেখ করে মাইকেল শারমারের এসব কূকির্তি সম্বন্ধে বিস্তারিত লেখেন বাজফিডডটকমে। তবে সব নাস্তিক যে পিজে মায়ারসের ভুমিকা নিয়েছেন তা নয়, আর এইখানেই আমাদের এই গল্পের আসল প্রসঙ্গের অবতারণা করবো। এই সোসাল নেটওয়ার্কিংএর যুগে মাইকেল শারমারের ভক্ত ও ভাই বেরাদারের অভাব নাই। এই ভাই বেরাদাররা মাইকেল শারমারের পক্ষেই দাঁড়িয়েছিলেন। এরমধ্যে সবচাইতে লজ্জাজনক কাজ করেছেন নও-নাস্তিকদের প্রধান গুরুদের মধ্যে সবচাইতে বিখ্যাত যিনি, সেই রিচার্ড ডকিন্স। মার্ক ওপেনহেইমারের আর্টিকেলটির প্রতিক্রিয়ায় তিনি টুইটারে লিখলেন – “অফিসার, আমি মাতাল হয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলাম ইহা আমার দোষ নয়। আমাকে অন্য একজন মাতাল করেছে”। অর্থাৎ ডকিন্স মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানো আর মাতাল অবস্থায় যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়াকে এক পাল্লায় মাপলেন। স্বাভাবিকভাবেই এই টুইটের বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ হয়েছে অনেক। প্রতিবাদের জবাবে তিনি এরপর টুইট করলেন, “যদি তুমি কোন পুরুষের বিরুদ্ধে জবানবন্দী দিতে ও তাকে জেলে পাঠানোর অবস্থায় থাকতে চাও, তাইলে মাতাল হইও না”। অর্থাৎ, তখন পর্যন্ত ডকিন্সের মাথা ব্যাথা যৌন নির্যাতন নয়, বরং ভাতৃপ্রতিম নাস্তিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ খন্ডন করা। তার টুইট পড়লে মনে হবে অভিযোগকারী নারীই আসল অপরাধী, পুরুষকে জেলে পাঠানোই তার প্রধান উদ্দেশ্য, নির্যাতনকারী পুরুষই এইখানে ভিক্টিম। এইসব ঘটনার কারনে, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদীদের অনেকেই এই অভিযোগ তুলেছেন যে, আমেরিকান নাস্তিক সমাজ যথেষ্ট পুরুষতান্ত্রিক, এবং এই সমাজ সেক্সুয়াল প্রিডেটরদের রক্ষা করে চলেছে।

উপরের ঘটনাটি উল্লেখ করলাম নও-নাস্তিকদের বদনাম করার জন্যে নয়। আমি যে বিভিন্ন সময়ে নও-নাস্তিকদের সমালোচনা করে লেখি এই লেখার সাথে তার কোন সম্পর্কও নাই। যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদীদের মতো আমি আলাদাভাবে নাস্তিক সমাজকে পুরুষতান্ত্রিকতা ও সেক্সুয়াল অফেন্ডারদের রক্ষাকারী বলে মনে করি না। আমাদের পুরো সমাজটাই পুরুষতান্ত্রিক এবং বিভিন্নভাবে সেক্সুয়াল অফেন্ডারদের রক্ষা করতে সদা প্রস্তুত। পহেলা বৈশাখের গণ নারী নির্যাতনের ঘটনা যেভাবে পুলিশ, প্রশাসন ও সরকার মিলে ধামা চাপা দেয়ার চেষ্টা করছে তাতে বুঝা যায় এই সমস্যার শেকড় কতো গভিরে। মাইকেল শারমারের ঘটনাটি উল্লেখ করলাম এই বিষয়টি বুঝানোর জন্যে যে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি দেশে, সমাজের সবচাইতে প্রগতিশীল অংশের মানুষদের মধ্যেও সেক্সুয়াল প্রিডেটররা আছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রগতিশীল সমাজের অনেক নেতারাও পুরুষতান্ত্রিকতা এবং ‘ব্রো বিফোর হো’ মেন্টালিটির ঊর্ধে উঠে নারী নির্যাতনের বিপক্ষে শক্ত অবস্থান গ্রহন করতে সক্ষম হয় নাই, বরং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নারী নির্যাতকদের রক্ষা করে যাচ্ছে। সমাজের সবচাইতে প্রগতিশীল ও মুক্তমনা হিসাবে যারা পরিচিত, তাদের নেতাদেরই যদি এই অবস্থা হয় তাহলে সমাজের বাকি অংশের কি অবস্থা হতে পারে পাঠক চিন্তা করে দেখবেন। পিজে মায়ারস যেমন অন্যদেরকে সচেতন ও সাবধান করার জন্যে এলিসন স্মিথএর অভিযোগটি সামনে এনেছিলেন আমিও তেমনি অন্যদেরকে সচেতন করার উদ্দেশ্যেই এই লেখাটি লিখছি। নাস্তিকদের বদনাম ধরে নিয়ে কেউ অপ্রাসঙ্গিক বিতর্কের অবতারণ না করলে খুশি হবো। বাংলাদেশে বরং নাস্তিক বিরোধী ও গলাবাজ মুসলমান হিসাবে পরিচিতদের বিরুদ্ধেই সেক্সুয়াল হেরাজমেন্টের অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন সময়ে।

আসলে মাইকেল শারমারের কূকির্তির ঘটনা ফাস হওয়ার পর রিচার্ড ডকিন্সের সাফাই আমাদের এই সোস্যাল নেটওয়ার্কিংএর যুগে পুরুষতান্ত্রিক ব্রো মেন্টালিটির একটি উদাহরণ। সোসাল নেটওয়ার্কিংএর যুগে অনলাইনের মাধ্যমে নিত্য নতুন কমিউনিটি গড়ে উঠেছে। এরমধ্যে নানা ধরণের নাস্তিক কমিউনিটি, ইসলামিস্ট কমিউনিটি, জাতীয়তাবাদী কমিউনিটি, সামাজিক ও রাজনৈতিক একটিভিস্ট কমিউনিটি, সাহিত্যিক কমিউনিটি এবং একেবারেই ‘আড্ডাবাজ কমিউনিটি’ও আছে। এইসব কমিউনিটির সেলিব্রেটিরা অধিকাংশই পুরুষ, সদস্যদের মধ্যেও পুরুষের সংখ্যাই বেশি। এই পুরুষদের অনেকেই বাহ্যিকভাবে প্রগতিশীলতার অথবা নারীদেরকে সম্মান দেয়ার ভান করলেও ভেতরে ভেতরে চরম সেক্সিস্ট। নিজেদের গ্রুপের মেয়েদেরকে নিয়ে বাজে কথা বলতেও এদের মুখে আটকায় না, কারন নারীদেরকে এখনো এরা মূলত ‘অবজেক্ট’ হিসাবেই চিন্তা করে থাকে। এইসব গ্রুপের পুরুষদের ‘ব্রো বিফোর হো’ মেন্টালিটির কারনে সেক্সুয়াল প্রিডেটররা এইসব গ্রুপে বহাল তবিয়তে বিদ্যমান থাকে, বড় ভাইদের প্রোমোশন ও আস্কারায় এরা বিখ্যাত হয় এবং খ্যাতির সুযোগ নিয়ে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটাতে সক্ষম হয়। সামহোয়ারইনব্লগে একসময় ‘জিশান শা ইকরাম’ নামে একজন সেলিব্রিটি ব্লগার ছিলেন, তাকে কেন্দ্র করে সামহোয়ারইনের আড্ডাবাজ ব্লগারদের বড় একটা কমিউনিটি গড়ে উঠেছিল। কিছুদিন পর জিশান শা ইকরামসহ এই গ্রুপের বিরুদ্ধে নানারকম অভিযোগ আশা শুরু করলো। এসব অভিযোগের মধ্যে অনলাইনে নারী ব্লগারদেরকে হয়রানীসহ ভাই বেরাদারদের আড্ডায় বিভিন্ন নারী ব্লগারদের নিয়ে আজেবাজে মন্তব্য ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগ ছিল অন্যতম। প্রবল প্রতিবাদের মুখে অভিযুক্তরা অনেকেই সেই সময় ব্লগ ছেড়েছিলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে কাজী নিপু নামক জনৈক ফেসবুক সেলিব্রেটির বিরুদ্ধে ভয়াবহ যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ হলো যে, বাংলাদশের সবচাইতে বড় ফেসবুক সেলিব্রিটি ‘আরিফ আর হোসেইনে’র ব্রো হওয়ার সুযোগ নিয়ে নিজেকে জাহির করে এবং ভুলিয়ে ভালিয়ে একটি মেয়েকে রুম ডেটে ডেকে নিয়ে সে জোর করে ও ব্লাকমেইল করে নির্যাতন করেছে। এই নির্যাতকের ভাই বেরাদারদের কাছে অভিযোগ জানিয়ে মেয়েটি মনে হচ্ছে কোন বিচার পায় নাই। বরং দেখলাম যে, কাজী নিপুর কিছু ভাই বেরাদার এখন এই মেয়েটির চরিত্রহানী করার চেষ্টা করছে। কেউ কেউতো রিতিমত কিবোর্ড দিয়ে ধর্ষন চালাচ্ছে। কেউ আবার মেয়েটির পক্ষে দাঁড়ানোর নামে উলটা মেয়েটির বোকামিকে সামনে আনছেন এবং পরিবারের অনিচ্ছা সত্ত্বেও এই বিষয়টি অনলাইনে ফাস করে সে কেনো নিজের সম্মান নষ্ট করলো সেই বিষয়ে জ্ঞান বিলিয়ে যাচ্ছেন। এই হইল আমাদের সোস্যাল নেটওয়ার্কিং যুগের ব্রো কালচারের অবস্থা। বহু জানা-অজানা ঘটনার মধ্যে এগুলি কিছু উদাহরণ মাত্র। মাঝে মাঝেই ইদানিং এমন ঘটনা সামনে আসছে। এমন বহু ঘটনা হয়তো ব্রো কালচারের পুরুষতান্ত্রিক ডমিনেশনের ভয়ে ভিকটিমরা প্রকাশ করতেই পারে নাই।

এই ধরণের ‘ব্রো কমিউনিটি ও কালচার’ থেকে নারীদেরকে একশ হাত দূরে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। আপনার পছন্দের কোন সেলিব্রেটি সে নাস্তিক হউক বা ইসলামিস্ট, কবি অথবা কমেডিয়ান, প্রগতিশীল বা রক্ষনশীল, শ্রেফ সমমনা বলেই তার কাছে নিজেকে নিরাপদ ভাবা থেকে বিরত থাকুন। সম্প্রতি যারা নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে অনলাইন ও রাজপথে সোচ্চার হয়েছেন তাদের কাছে অনুরোধ- এই ধরণের পুরুষতান্ত্রিক ব্রো কালচারের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিন এবং নির্যাতিত নারীদের পাশে দাঁড়ান। আর সেলিব্রেটিদের প্রতি অনুরোধ – ভাই বেরাদারদের কূকির্তির দায় নিতে না চাইলে যাকে তাকে প্রোমোট করার পিঠ চাপড়াচাপড়ির কালচার পরিহার করুন। পাপ কিন্তু বাপেরেও ছাড়ে না, মনে রাখবেন। সুতরাং, সময় থাকতে প্রায়শ্চিত্য করুন এবং দায়মুক্ত থাকুন।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬ thoughts on “সোস্যাল নেটওয়ার্কে ‘ব্রো কালচার’ নারী নির্যাতকদের রক্ষক

  1. বাংলাদেশের কোন অখ্যাত লুল
    বাংলাদেশের কোন অখ্যাত লুল ফেসবুক সেলিব্রেটির কুকর্মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে রিচার্ড ডকিন্স পর্যন্ত টান মারলেন!

    এই ধরনের লুল সম্প্রদায় সকল সময়ে সকল সমাজে ছিল, আছে, থাকবে। এদের দৌরত্য নিয়ন্ত্রণ করতে হলে সচেতন হতে হবে। সচেতন করতে হবে। আপনার এই পোস্টটার কারণে আশাকরি ফেসবুকের তথাকথিত লুল সেলিব্রেটিদের থেকে অনেকেই সতর্ক থাকবে।

    1. পুরুষতান্ত্রিক ব্রো কালচার
      পুরুষতান্ত্রিক ব্রো কালচার কতোদূর পর্যন্ত বিস্তৃত সেটা বুঝানোর জন্যে টানলাম আর কি। সোস্যাল নেটওয়ার্কিংএর যুগে দুনিয়ার সব দেশেই নারী নির্যাতন আর নির্যাতকদের প্রশ্রয়ের এইসব ঘটনা ঘটছে, নারীরা যুক্তরাষ্ট্রে ফাইট দিচ্ছে, আমাদের দেশেও দেয়া শুরু করেছে। আমাদের কাজের তাদের সাপোর্ট দেয়া আর কি।

  2. ফেইসবুকের ম্যক্সিমাম
    ফেইসবুকের ম্যক্সিমাম সেলিব্রেটি হয় ফেইম সিকার। কাজী নিপু ছাড়াও সম্প্রতি ওয়ারিশ আজাদ নাফি নামক উঠতি সেলিব্রেটি(পড়ূন নুলিব্রিটি)এর কতিপয় যৌন হ্যারাশমেন্ট এ র স্ক্রিনশট প্রকাশ হয়েছে। এদের প্রতি মনোযোগ দেবার কারন এদের ফলোয়ার সঙ্গখ্যা।কয়েক হাজার ফলয়ারের জোরে নিজেদের এরা সাকিবাল হাসানের সমককক্ষ ভাবা শুরু করে।এদের অনেক কথা পাবলিকের মনে ব্যাড ইমপ্যাক্ট তৈরী করে। তাই এদের অতি পাত্তা দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

  3. পাপ কিন্তু বাপেরেও ছাড়ে না,

    পাপ কিন্তু বাপেরেও ছাড়ে না, মনে রাখবেন। সুতরাং, সময় থাকতে প্রায়শ্চিত্য করুন এবং দায়মুক্ত থাকুন।

    কিছুটা ধর্মের গন্ধ পেলাম যেন। একটু বুঝে-শুনে লিখুন । আপনার সহযোদ্ধা নাস্তিক-স্যেকুলাররা মাইন্ড করতে পারেন।

    আসলে মাইকেল শারমারের কূকির্তির ঘটনা ফাস হওয়ার পর রিচার্ড ডকিন্সের সাফাই আমাদের এই সোস্যাল নেটওয়ার্কিংএর যুগে পুরুষতান্ত্রিক ব্রো মেন্টালিটির একটি উদাহরণ।

    ডকিন্সের মত মুক্তমনাকে নিয়ে এরকম সমালচনা করা কি ঠিক হল।

  4. মুহাম্মদ্রে যে সমালোচনা করতে
    মুহাম্মদ্রে যে সমালোচনা করতে পারে, ডকিন্স তো কোন ছাড় 😉
    কিন্তু মানীরে নিয়া কিছু বললেই (পক্ষে বা বিপক্ষের যাই হোক) ব্যাক্তিপূজারীদের এতো লাগে কেন? গোড়ায় টান পড়ে??

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

85 − = 84