দাউদ বনাম গোলিয়াথ ও কঙ্করবোমা


ইহুদী ও খ্রিষ্টানদের ধর্ম পুস্তক হিসাবে পরিচিত নবী শামুয়েলের কিতাবে দাউদ ও গোলিয়াথের দ্বন্দযুদ্ধের যে কাহিনী বর্ণিত আছে তা অনেকেই অবগত আছেন। এই কাহিনী মোতাবেক, মুসলমানদের নবী ও ইহুদীদের বাদশাহ দাউদ বাল্যকালে রাখাল ছিলেন। ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যকার এক যুদ্ধের ময়দানে গোলিয়াথ নামক এক বিশালদেহী ফিলিস্তিনি দ্বন্দ যুদ্ধে বহু ইসরায়েলিকে হত্যা করেছিলেন। আনুমানিক ৭ অথবা ৯ ফিট উচ্চতার এই মহাবীরের দেহ ছিল অত্যাধুনিক বর্মে সুসজ্জিত, হাতে ছিল বিশাল এক ব্রোঞ্জের বর্শা। অথচ রাখালের পোশাক পরিহিত দাউদের গুলতিতে ছোড়া পাথরের আঘাতে গোলিয়াথ কুপোকাত হয়েছিলেন। ধর্ম পুস্তকের এই মিথ কোন বাস্তব ঘটনার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে কি না আমরা জানি না। কিন্তু আজকের দিনের ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যকার যুদ্ধে পত্রপত্রিকায় যে দাউদ ও গোলিয়াথের চিত্র আমরা কিছুদিন পর পর দেখি, তা মিথলজি নয়। বাস্তবের এই যুদ্ধে গোলিয়াথের অত্যাধুনিক বর্ম অধিকাংশ সময় ফিলিস্তিনিদের ছুড়ে দেয়া রকেটেও ভেদ করা সম্ভব হয় না। আর ফিলিস্তিনের শিশুরা যখন দাউদের ভুমিকায় অবতির্ণ হয়ে ইসরায়েলি ট্যাংকের দিকে পাথর ছুড়ে মারে, তখন তার পরিচয় হয় সন্ত্রাসী। শিশু অথবা নারীর ছুড়ে মারা পাথরও কোন কোন সময় সন্ত্রাসবাদীর ছুড়ে মারা বোমার সাথে তুল্য হতে পারে। সলিমুল্লাহ খান এই পাথরের নাম দিয়েছিলেন ‘কঙ্করবোমা’।

পাথর ছুড়তে গিয়ে আইডিএফ-এর গুলিতে এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনের বহু শিশু নিহত হয়েছে। গত পঞ্চাশ বছর ধরে ফিলিস্তিনের ওয়েস্ট ব্যাংকের শিশুদেরকে পাথর ছোড়ার অপরাধে বারবার গ্রেফতার করে হাজির করা হয়েছে সামরিক আদালতে। গতবছর ইসরায়েলের সামরিক আদালতের মুখোমুখি করা হয়েছে ছয় হাজার ফিলিস্তিনি শিশুকে। এই বছরের শুরুতেই ইসরায়েলি সামরিক আদালত ১৪ বছরের একটি মেয়েকে পাথর ছোড়ার অপরাধে দুই মাসের স্বশ্রম কারাদন্ড প্রদান সহ দেড় হাজার ডলার জরিমান করেছে। অবশ্য এতেও ইসরায়েল খুশি নয়, সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহু সরকার পাথর ছোড়ার অপরাধে সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদন্ড দেয়ার আইন পাস করার চেষ্টাও করেছে। কিন্তু এতোকিছুর পরও ফিলিস্তিনি শিশু সন্ত্রাসবাদীরা পাথর ছুড়ে মারে। কেনো মারে?

সেই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে এডওয়ার্ড সাইদ একদা কেনো পাথর ছুড়ে মেরেছিলেন সেই গল্পে যাওয়া যাক। এডওয়ার্ড সাইদ পাথর ছূড়ে মারছেন, এইরকম একটি ছবি ২০০০ সালে বিভিন্ন ইসরায়েলি ও পশ্চিমা মিডিয়ায় বহুল প্রচারিত ও আলোচিত হয়। খবর ছড়িয়ে পরে যে তিনি আইডিএফএর দুইজন সৈনিক ও তাদের গার্ড হাউস লক্ষ্য করে আরো ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসীদের সাথে মিলে পাথর ছুড়ে মেরেছেন। বাস্তব ঘটনা হলো ২০০০ সালের জুন-জুলাই মাসে এডওয়ার্ড সাইদ তার পরিবার সমেত লেবাননে বেড়াতে গিয়েছিলেন। লেবাননের খিয়াম নামক জায়গায় একটি ইসরায়েলি বন্দিশালা ছিল। এই বন্দিশালায় কয়েক হাজার রাজনৈতিক বন্দিকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছিল। ২০০০ সালের যুদ্ধের কারনে এই বন্দিশালা উঠিয়ে দেয়া হয়েছিল, বন্দিশালার জায়গাটি তখন ছিল শূন্যস্থান। মুসলমানেরা যেমন হজ্জ্বের সময় শয়তানের উদ্দেশ্যে প্রতিকি পাথর ছুড়ে মারে, সাইদ ও তার সঙ্গীরাও তেমন ঐ সাবেক বন্দিশালার অবস্থানের দিকে প্রতিকি পাথর ছুড়ে মারেন। কিন্তু ইসরায়েল ও তার বন্ধুদের চোখে পাথর ছূড়ে মারা ফিলিস্তিনি মানেই সন্ত্রাসী। তারউপর আগে থেকেই এডওয়ার্ডের সাইদের কপালে ‘সন্ত্রাসের অধ্যাপক’ পরিচয় জুটেছিল। সাবেক বন্দিশালার শূন্যস্থানে পাথর ছোড়ার পরে তিনি হয়ে গেলেন ‘প্রস্তর নিক্ষেপরত ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসবাদী’। (কঙ্করবোমা; ফ্রয়েড, এডোয়ার্ড সায়িদ ও এয়ুরোপের বিজাতি – সলিমুল্লাহ খান)

এডওয়ার্ড সাইদ যুক্তরাষ্ট্রের কলোম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। প্রস্তরনিক্ষেপরত সন্ত্রাসবাদীর তকমা জোটার পর তিনি ইসরায়েলি ও রক্ষনশীল মার্কিন মিডিয়াতো বটেই খোদ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের রক্ষনশীল ও ইহুদী ছাত্র সংগঠনগুলোর তোপের মুখেও পরেন। তবে এই দূর্দিনে সাইদের পক্ষে যে ছাত্র শিক্ষকরা আগায়া আসেন, তাদের দাবি ছিল যে সাইদ কাউকে পাথর ছুড়ে আহত করে নাই, এবং এই পাথর ছুড়ে মারা সাইদের ‘রাজনৈতিক বাক স্বাধীনতা’র অন্তর্ভুক্ত ব্যাপার। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে পাথর ছুড়ে মারা কারো কাছে সন্ত্রাসবাদী কর্মকান্ড হলেও কারো ক্ষেত্রে তা রাজনৈতিক মত প্রকাশের একটি বৈধ এবং কোন ক্ষেত্রে একমাত্র পদ্ধতি হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু বুদ্ধিজীবী এডওয়ার্ড সাইদের পাথর ছুড়ে মারা যেমন একটি রাজনৈতিক স্টেটমেন্ট, শিশুর ছুড়ে মারা পাথর একটি রাজনৈতিক স্টেটমেন্টের চাইতে বেশি কিছু। একজন শিশু, একজন বৃদ্ধ, একজন নারী অথবা একজন পুরুষ কখন একটি ট্যাঙ্কের দিকে পাথর ছুড়ে মারতে পারে? কোন পরিস্থিতিতে এমন নিস্ফল অথচ ঝুকিপূর্ণ একটি কাজ একজন মানুষ করে? যখন ট্যাংক দিয়ে আপনার ঘর বাড়ি গুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে, বন্ধু বান্ধব স্বজনদের খুন করা হচ্ছে, জীবন মৃত্যুর মাঝে যেখানে আপনি বসবাস করছেন, সেখানে আর কিছু করার উপায় না থাকলে অন্তত পাথর তো আপনি মারবেন। হাতের কাছে যা পাবেন তা দিয়েই তো প্রতিরোধ করবেন। যদি এন্টি ট্যাংক মিসাইল থাকতো তাহলে তা দিয়ে প্রতিরোধ করা যেতো। কিন্তু হাতের কাছে পাথর ছাড়া আর কিছু না থাকলে তো পাথরই মারবেন? শয়তানের বিরুদ্ধে এই পাথর ছুড়ে মারার জন্যে কোন বিশেষ ধর্মের অনুসারী হওয়া লাগে না, এডওয়ার্ড সাইদের মতো রাজনীতি সচেতন বুদ্ধিজীবীও হওয়া লাগে না। মানুষ হলেই চলে। এই পরিস্থিতিতে তাই নারী, শিশু, বৃদ্ধ, যুবক সবাই পাথর ছোড়ে। ধর্মপুস্তকের পাতা ছেড়ে আধুনিক যুগের গোলিয়াথের বিরুদ্ধে দাউদের আবির্ভাব ঘটে। কিন্তু দাউদের ছুড়ে মারা কঙ্কর বোমা গোলিয়াথের বর্মভেদ করতে পারে না। এইখানে দাউদের পরাজয় নিশ্চিত। তারপরও কঙ্করবোমায় ইসরায়েলের ভয় খুব বেশি। কেনো বেশি? তার ভয় কঙ্কর বোমার রাজনৈতিক স্টেটমেন্টে। তার ভয় প্রতীকে। ঐ দাউদ বনাম গোলিয়াথের প্রতীক। আগ্রাসন বনাম প্রতিরোধের প্রতীক। অন্যায় বনাম ন্যায়ের প্রতীক। এই কঙ্করবোমা তাই যতোটা নিস্ফল মনে হয় আসলে অতোটা নয়। তাই সন্ত্রাসবাদ আখ্যা দিয়ে, আইন করে, গ্রেফতার করে, জেলে পাঠিয়ে এই কঙ্করবোমা বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়।

বাংলাদেশে কিছুদিন আগে আমরা পেট্ট্রল বোমার প্রাদুর্ভাব দেখেছি। পেট্টল বোমার ব্যবহার আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে নাই, কেবল নিরিহ মানুষ হত্যা করেছে। পেট্টল বোমার আন্দোলন তাই স্বাভাবিকভাবেই জনসমর্থন পায় নাই। পেট্টল বোমার উদ্দেশ্যও তা নয়। তার উদ্দেশ্য ত্রাস সৃষ্টি করা। এই সন্ত্রাস বরং আওয়ামী লীগের শাসনের বৈধতা যুগিয়েছে। মেয়র নির্বাচন কেন্দ্র করে কিছুদিন আগে বাংলাদেশে সংঘাতের বদলে সুস্থ্য রাজনীতির পথে ফেরার একটা সম্ভাবনা অনেকে দেখেছেন। অথবা বাধ্য হয়ে সংঘাতের রাস্তা পরিহার করেছেন। এমন একটা সময়ে পহেলা বৈশাখের নারী নিপীড়নের ঘটনা বাংলাদেশের বহু মানুষকে হতবাক করে দিয়েছিল। এর বিচারের দাবিতে জনমত তৈরি হতে তাই সময় লাগে নাই। এই নিপীড়কদের বিচারের মুখোমুখি করার জন্যে প্রথম থেকেই ছাত্র ইউনিয়ন আন্দোলন জারি রেখেছে, তাদের সাথে যুক্ত হয়েছে অন্যান্য প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন এবং তারপর সমাজের বহু শ্রেনী পেশার মানুষ। এরপর মেয়র নির্বাচনে আন্দোলনে ভাটা পরেছে। নিন্দিত একটি মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠান করে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সংঘাতময় রাজনীতিকে সুস্থ্য ধারায় ফিরিয়ে নেয়ার একটি সুযোগ নষ্ট করেছে নগ্ন দলীয় দখলদারিত্বের স্বার্থে। সেই নির্বাচনের পর আমরা অনেকেই পহেলা বৈশাখের কথা ভুলে গেছি। কিন্তু ছাত্র ইউনিয়ন ও আরো কিছু ছাত্র সংগঠন এই আন্দোলন আবার চাঙ্গা করেছে। আমরা তো ঘরে ফিরে এসেছি। কিন্তু ছাত্র ইউনিয়ন এই বিচার আদায় করার পন করেই মাঠে নেমেছে বুঝা যাচ্ছে। তাই মাঠ ছাড়ে নাই। যে মেয়েটি গত এক মাস যাবৎ নববর্ষের দিন নারীদের উপর সন্ত্রাসী হামলার বিচারের দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছে, আজকে যার সংগঠনের শান্তিপূর্ণ মিছিল বারবার ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয়া হয়েছে, যার সংগঠনের শান্তিপূর্ণ অবস্থানের মধ্যে পুলিশ রায়ট কার ঢুকিয়ে দিয়েছে, লাঠি বন্দুক নিয়ে সহযোদ্ধাদের উপর ঝাপিয়ে পরেছে, রায়ট কারের দিকে ফুলের টব ছুড়ে মারা ছাড়া তার আর কিইবা করার ছিল? হাতের কাছে যা পেয়েছে তাই ছুড়ে মেরেছে। অন্য কিছু থাকলে তাই মারতো। কিন্তু ফুলের টবের আঘাতে রায়ট কারের সামান্য ক্ষতি হয় নাই। কোন পুলিশও আহত হয় নাই। মেয়েটাই বরং পুলিশের হাতে নির্যাতিত হয়েছে। অথচ এই ছুড়ে মারা টবটিও আজকে কারো কারো কাছে বোমা হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। টব ছুড়ে মারার ছবি প্রচার করে তারা মেয়েটিকে পুলিশের হাতে মার খাওয়ার উপযুক্ত সন্ত্রাসী হিসাবে চিহ্নিত করতে চাচ্ছেন। তারা এমনো বলছেন যে, আজকে কাউকে পাথর মারার জন্যে ছাড় দিলে কালকে এইভাবে মিছিল নিয়ে এসে কেউ পেট্টল বোমা মেরে যাবে। ইসরায়েলের ভাষার সাথে তাদের ভাষার মিল আছে। স্বৈরাচারদের ভাষা সবসময়ই এইরকম হয়। কিন্তু সন্ত্রাসী বানাতে গিয়ে তারা কঙ্করবোমার রাজনৈতিক স্টেটমেন্টকে সামনে নিয়ে এসেছেন। নিজেদের অজান্তেই দাউদ বনাম গোলিয়াথের প্রতীকটাকে হাজির করেছেন। এটা অবশ্য ভালো হয়েছে।

দাউদ হিসাবে আবির্ভুত ছাত্র ইউনিয়ন ফুলের টব ছুড়ে গোলিয়াথ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কতোটুকু কি করতে পারবে তা এখনি বলা কঠিন। কিন্তু কঙ্করবোমা যে পেট্টলবোমার চাইতে অনেক বেশি শক্তিশালী তাতে কোন সন্দেহ নাই।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৯ thoughts on “দাউদ বনাম গোলিয়াথ ও কঙ্করবোমা

  1. অসাধারন লিখেছেন। আমার পড়া
    অসাধারন লিখেছেন। আমার পড়া আপনার সেরা লেখা এটি। পুলিশের রায়ট কারে টব ছুড়ে মারার এই দৃশ্যটি অন্যায় বনাম ন্যায়ের এক অসম লড়াইয়ের প্রতীক হয়ে থাকবে।

  2. অসাধারণ লিখেছেন। পৃথিবীর সকল
    অসাধারণ লিখেছেন। পৃথিবীর সকল স্বৈরাচারের ভাষা একই। স্বৈরাচারের চেয়ে বেশি ক্ষতিকর হচ্ছে স্বৈরাচারের দালালী যারা করে তারা। এক পাথর ছোড়ার ছবি দিয়ে তারা ধর্ষণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। পুলিশের অনৈতিক অবস্থান নির্লজ্বতার সাথে সমর্থন জানাচ্ছে এসব দালাল চক্র। পহেলা বৈশাখের নারী নিপীড়নকারীরা সরকার সমর্থিত ছাত্রসংগঠনের কর্মী বলেই পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র আজ নিপীড়নকারীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

  3. খুবই গোছানো ও চমৎকার উপমা
    খুবই গোছানো ও চমৎকার উপমা দিয়ে লিখেছেন। সরকার যেভাবে সকল ক্ষেত্রে স্বৈরাচার হয়ে উঠছে, এটা ভাল লক্ষন নয়। সরকারকে বুঝতে হবে, যারা সরকারের খারাপ কাজের সমালোচনা করছেন, সবাই কিন্তু সরকারের বিপক্ষের নয়। প্রগতিশীল মধ্যমপন্থী এই অংশ সরকারের বিপক্ষে চলে গেলে ক্ষতিটা ক্ষমতাসীনদের হবে।

    ধন্যবাদ চমৎকার লেখাটির জন্য।

  4. খুবই সুন্দর এবং গুরুত্বপূর্ন
    খুবই সুন্দর এবং গুরুত্বপূর্ন একটি লেখা কিন্তু আমরাতো জানি ঐতিহাসিকভাবে সিপিবি ইউনিয়ন আওয়ামিলিগ ঘেষা দল।

  5. পুলিশের রায়ট কারে টব ছুড়ে
    পুলিশের রায়ট কারে টব ছুড়ে মারার
    এই দৃশ্যটি অন্যায় বনাম ন্যায়ের এক অসম
    লড়াইয়ের প্রতীক হয়ে থাকবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 2 = 3