ফ্যাসিবাদের সাফল্য মানে বামপন্থার ব্যর্থতা – স্লাভয় জিজেক (সাক্ষাৎকার)

স্লাভয় জিজেক (Slavoj Zizek) বর্তমান দুনিয়ার বামপন্থী দার্শনিকদের অন্যতম। ফ্রান্সের শার্লে এবদোর অফিসে হামলার ঘটনা নিয়ে তার একটি বিশ্লেষনমূলক লেখা ইতিপূর্বে ইস্টিশন ব্লগে প্রকাশ করেছিলাম (নিকৃষ্টের তীব্র আবেগ)। দুই মাস আগে জিজেক জার্মানির বিখ্যাত ‘দার স্পিগল’ (Der spiegel) পত্রিকায় এই সাক্ষাৎকারটি দিয়েছিলেন। বর্তমান দুনিয়ার বামপন্থী চিন্তা ও রাজনীতি বিশেষ করে নয়া বাম (new left) চিন্তা ও চর্চা অনেকাংশেই জিওপলেটিকাল। ইউরোপের মানুষ হিসাবে জিজেক একধরণের ইউরোসেন্ট্রিক জায়গা থেকে বর্তমান দুনিয়ার সংকটকে দেখার চেষ্টা করেন এবং সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের এনলাইটেনমেন্ট প্রজেক্টে ফেরত যাওয়ার কথা বলে থাকেন। বাংলাদেশের বামপন্থীদের তাদের জিওপলেটিকাল অবস্থান অনুযায়িই বর্তমান দুনিয়ার সংকটকে দেখতে হবে এবং ইউরোসেন্ট্রিক ওরিয়েন্টালিস্ট প্রকল্পগুলোর সমালোচনা জারি রাখতে হবে। কিন্তু স্লাভোয় জিজেকের চিন্তা ভাবনা বিভিন্ন কারণে আমাদের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সাক্ষাৎকারে এমনকিছু গ্লোবাল সংকট (যেমনঃ গণতন্ত্র, উদারনৈতকতা, বাকস্বাধীনতা, ফ্যাসিবাদ ইত্যাদি) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে যা বাংলাদেশের বর্তমান সংকটগুলো খতিয়ে দেখার জন্যেও আমাদের জন্যে জরুরি হতে পারে। তাই অনুবাদ করলাম।
………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………..

স্পিগলঃ জনাব জিজেক, সাম্প্রতিক সময়ের আর্থিক ও অর্থনৈতিক সংকট আমাদের দেখিয়েছে মুক্তবাজার অর্থনীতি কতোটা দুর্বল হতে পারে। আজকের দুনিয়ার পুঁজিবাদের মধ্যকার স্ববিরোধীতাগুলো বিচার বিশ্লেষন করা আপনার একটি কাজ। আপনি কি নতুন কোন বিপ্লব হওয়ার আশা করছেন?

জিজেকঃ না। দুঃখজনকভাবে তেমন কোন আশা করতে পারছি না।

স্পিগলঃ কিন্তু আপনি তো একটা বিপ্লব দেখে যেতে চান। আপনি এখনো কমিউনিস্ট আছেন তো?

জিজেকঃ অনেকেই মনে করে আমি একজন পাগলা মার্ক্সবাদী যে এই জমানার সমাপ্তির অপেক্ষায় আছে। আমি একটু পাগলাটে হতে পারি, কিন্তু আমি কোন পাগল নই। আমি একজন কমিউনিস্ট কারন এর চেয়ে ভালো কিছু এই মুহুর্তে আমাদের হাতে নাই। ইউরোপজোরা বর্তমান হতাশার কারনেই আমি কমিউনিস্ট। ছয় মাস আগে আমি দক্ষিন কোরিয়ায় গিয়েছিলাম বৈশ্বিক পুঁজিবাদের সংকট নিয়ে বক্তৃতা দিতে। সাধারণ কথাবার্তা আর কি, ব্লা ব্লা ব্লা। কিন্তু সেখানে দর্শকরা হাসাহাসি শুরু করলো। তারা প্রশ্ন করলো – আপনি এগুলো কি বলছেন? আমাদেরকে দেখেন – চীন, দক্ষিন কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম – আমরাতো অর্থনৈতিকভাবে ভালো করছি। তো সংকটে পড়েছে কে? সংকটে পড়েছে আপনার পশ্চিম ইউরোপ, আরো বিশেষভাবে বলতে গেলে পশ্চিম ইউরোপের কিছু অংশ।

স্পিগলঃ কিন্তু বিষয়টাতো এতোটা সরল নয়?

জিজেকঃ সরল না হতে পারে, কিন্তু কিছুট সত্য অবশ্যই। ইউরোপিয়রা কেনো ভাবে যে আমাদের দূর্ভাগ্য পুরো দুনিয়ার সংকট? আমি মনে করি আমরা এখন যে প্রশ্নের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি তা পুঁজিবাদকে হ্যা অথবা না বলার প্রশ্ন নয়, বরং পশ্চিমা গণতন্ত্রের ভবিষ্যতের প্রশ্ন। দিগন্তে ঘোর কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে এবং তুফানের প্রথম ঝাপটা ইতিমধ্যে আমাদের গায়ে লাগা শুরু হয়েছে।

স্পিগলঃ আপনি কি বলতে চাচ্ছেন আমাদের অর্থনৈতিক সংকট রাজনৈতিক সংকটের রূপ ধারণ করতে পারে?

জিজেকঃ চীন, সিঙ্গাপুর, ইন্ডিয়া অথবা আমাদের কাছাকাছি দেশ তুর্কি, এদের দিকে তাকালে কিন্তু ভালো ভবিষ্যতের ইঙ্গিত পাওয়া যায় না। আমার বিশ্বাস, আধুনিক পুঁজিবাদ এমন এক দিকে আগাচ্ছে যে সহি এবং পরিণত গণতন্ত্রের উপস্থিতি ছাড়াই তা আরো ভালোভাবে টিকে থাকতে পারবে। যে তথাকথিত এশিয়ান মূল্যবোধের পুঁজিবাদের উত্থান আমরা গত দশ বছরে দেখেছি তাতে অন্তত এই প্রশ্নটি করাই যায় যে – চাইনিজ মডেলের স্বৈরাচারি পুঁজিবাদ এই ইঙ্গিত দেয় কি না যে উদারনৈতিক গণতন্ত্র এখন আর পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্যে প্রধান শর্ত নয়, এমন কি উন্নয়নের পথে একটি বাধা হিসাবেও গন্য হতে পারে?

স্পিগলঃ কিন্তু গণতন্ত্র তো কখনোই পুঁজিবাদের রাস্তা তৈরির কাজ করে না। বরং পুঁজিবাদের অন্তর্গত বিপদগুলাকে সামাল দেয়ার জন্যেই গণতন্ত্র আছে। মূলত এই কারনেই গণতন্ত্র এখন পর্যন্ত প্রতিস্থাপনযোগ্য নয়।

জিজেকঃ কিন্তু তেমন হওয়ার জন্যে গণতন্ত্রের মধ্যে ‘ফ্রি ইলেকশন’ নীতির চাইতেও বেশি কিছু থাকতে হবে। পছন্দ বা নির্বাচন করার স্বাধীনতা একটি সমাজকে যে কোনদিকে নিয়ে যেতে পারে। এই দিক থেকে আমি একজন লেনিনবাদী। লেনিন প্রায়ই বিদ্রুপ করে জিজ্ঞাস করতেন – ‘স্বাধীনতা, অবশ্যই। কিন্তু কার জন্যে? এবং কি করার জন্যে?

স্পিগলঃ আত্মনিয়ন্ত্রনের স্বাধীনতা। এবং অবশ্যই এরমধ্যে প্রথমত এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হলো বাকস্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা।

জিজেকঃ মেগনিফিসেন্ট! দেখুন আমি কোন স্ট্যালিনবাদী নই যে নাগরিক স্বাধীনতাকে উপহাস করে শুধুমাত্র পার্টি লাইনকেই একমাত্র সত্য ও প্রকৃত স্বাধীনতা বলে ঘোষনা করবো। ব্যক্তিগত (পারসোনাল এন্ড প্রাইভেট) এলাকাগুলাতে পছন্দ করার স্বাধীনতা বাড়ছে, এমনকি চীনেও। যেমন ধরেন যে যৌনতার স্বাধীনতা, ভ্রমনের স্বাধীনতা, বানিজ্য করার স্বাধীনতা এবং বড়লোক হওয়ার স্বাধীনতা, এগুলো বাড়ছে। কিন্তু আমি চিন্তা করি, এই স্বাধীনতা যথেষ্ট কি না অথবা এই ধরণের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা আসলে এক ধরণের ফাঁদ কি না। ব্যক্তি স্বাধীনতার ক্ষেত্রে এই অর্জন সামাজিক পরাধীনতাগুলোর মুখোশ হিসাবে কাজ করছে। ধ্রুপদী কল্যান রাষ্ট্র (ওয়েলফেয়ার স্টেট) ধ্বংস হয়ে গেছে। সামাজিক প্রক্রিয়াগুলো আমাদেরকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে এবং আমরা কি ধরণের সমাজে বসবাস করতে চাই, এই বিষয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী সীমাবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। ব্যক্তিগত স্বাধীনতাসহকারে বসবাস করার জন্যে আমাদের সামনে কি কি অপশন খোলা আছে তা নতুন করে ভাবতে হবে।

স্পিগলঃ অন্যভাবে বলতে গেলে, আমরা একটা বড় বিতর্ক এড়িয়ে যাচ্ছি। ১৯৬৮ সালের ছাত্র আন্দোলনে আমরা এইধরণের বিতর্ক দেখেছিলাম, কিন্তু তাতে কোন সত্যিকারের ফলাফল পাওয়া যায় নাই, কিছু উদারনৈতিক নাগরিক স্বাধীনতা অর্জন করা ছাড়া। কিন্তু ব্যক্তিগত স্বাধীনতা অর্জনের বিপরীতে জনগণের যৌথ আকাঙ্খাকে সংগঠিত করে বিবদমান পদ্ধতিকে ছুড়ে ফেলার টোটালিটারিয়ান লোভ কি কাজ করে না?

জিজেকঃ দেখুন, বিংশ শতাব্দি শেষ হয়ে গেছে। টোটালিটারিয়ান শাসন বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। পাশ্চাত্যে আমাদের যে ভাবমূর্তি আছে আমরা যদি তা টিকিয়ে রাখতে চাই তাহলে আমাদেরকে অবশ্যই গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার বিস্তার এবং ব্যক্তিগত বন্ধনমুক্তির গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোকে আবারো মোকাবেলা করতে হবে। এই জায়গাটাতেই ইউরোপ সবচাইতে বিপদাপন্ন। আমি একজন ইউরোসেন্ট্রিক বামপন্থী। বর্তমানে বামপন্থী সার্কেলগুলোতে মাল্টিকালচারালিজমের নামে ইউরোসেন্ট্রিজমের সমালোচনা করা একটি ফ্যাশন। কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমাদের এখন ইউরোপকে অতীতের যেকোন সময়ের চাইতে আরো বেশি দরকার। ইউরোপ ছাড়া একটি দুনিয়ার কথা চিন্তা করে দেখুন, আপনি শুধুমাত্র দুইটা মেরু পাবেন। একদিকে আছে পাশবিক নিওলিবারালিজমের ধ্বজাধারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং আরেকদিকে স্বৈরাচারী রাজনীতির প্রতিনিধীত্বকারী তথাকথিত এশিয়ান পুঁজিবাদ। এর মাঝখানে আপনি আধিপত্ববাদী আকাঙ্খাসহ পুতিনের রাশিয়াকে পাবেন। আপনি তো ইউরোপিয়ান লিগ্যাসির সবচাইতে মূল্যবান অংশটুকুই হাড়িয়ে ফেলবেন, যেখানে গণতন্ত্র আর স্বাধীনতা হলো একটি যৌথ প্রয়াস এবং যা ছাড়া সাম্য ও সততা অসম্ভব।

স্পিগলঃ এটাতো এনলাইটেনমেন্টেরই লিগ্যাসি – আত্মবিদ্ধংশী অপরিণত অবস্থা থেকে সার্বভৌম আত্মনিয়ন্ত্রনের অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়া।

জিজেকঃ ঠিক তাই। আমি ইয়ুরগেন হাবেরমাসের (Jurgen Habermas) কোন ঘনিষ্ট বন্ধু নই, কিন্তু আমি এইক্ষেত্রে পুরোপুরি তার সাথে একমত। অতীতের যেকোন সময়ের চাইতে আমাদের এখন আরো বেশি ইউরোপের এনলাইটেনমেন্ট প্রকল্পকে শক্তভাবে আকড়ে ধরা উচিৎ। সম্ভাব্যতার সীমারেখাগুলি পরিবর্তন করার জন্যে এটাই আমাদের একমাত্র উপায়।

স্পিগেলঃ কিন্তু এর মাধ্যমে কি উদারনৈতিক গণতন্ত্রের কাছে খুব বেশি চাওয়া হয়ে যায় না?

জিজেকঃ হ্যা। আমাদেরকে আসলে উদারনৈতিক গণতন্ত্রের চাইতে আরো বেশি কিছু দরকার। সাধারণ গণতন্ত্র যেভাবে কাজ করে তাতে আসলে অধিকাংশ ভোটার ‘নির্বাচন করার স্বাধীনতা’ নামক একটি ভন্ডামির মধ্যেই সন্তুষ্ট থাকে। কিন্তু আসলে তো তারা তাই করে যা তাদের করতে বলা হয়। খেয়াল করে দেখুন, জার্মানদের সবচাইতে পছন্দ হলো মহাজোট সরকার (একটি জোট সরকার যাতে দেশের সর্ববৃহত দুইটি পার্টি জোটবদ্ধ, একটি মধ্যবাম সোস্যাল ডেমোক্রেট এবং অপরটি রক্ষনশিল খ্রিষ্টান ডেমোক্রেট) সত্যিকারের কোন র্যা ডিকাল এবং প্রগতিশীল স্বিদ্ধান্ত নেয়ার ভয়ে জনগণ এমন ভাব করছে যেনো আনুসাঙ্গিক পরিস্থিতি এবং পূর্বনির্ধারিত কিছু শর্তের মাধ্যমে এমনি এমনি স্বিদ্ধান্ত নেয়া হয়ে যায়। কিন্তু কখনো কখনো কেবল বিশেষজ্ঞের মতো বিচার বিশ্লেষন করে বিভিন্ন জিনিসের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়াই যথেষ্ট নয়, আপনাকে অর্থের এলাকাগুলোও পরিবর্তন করতে হবে। রুশো volonté générale বলতে যা বুঝিয়েছেন, সেই ‘সাধারণ ইচ্ছা’র উন্নতি এইভাবে হয় না। ইচ্ছার উন্নয়ন এখন পর্যন্ত ব্যক্তিগত এবং অরাজনৈতিক একটা জিনিস হয়ে আছে। পুঁজিবাদের জন্যে এটা খুবি সহায়ক, পরিস্থিতি কারন উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদী হেদোনিজমকে কাজে লাগিয়ে জনগণকে শুধুমাত্র শ্রমশক্তি বানিয়ে রাখা যায়।

স্পিগলঃ আপনি এর বিকল্প কি দেখেন?

জিজেকঃ কমিউনিজমে ফেরত যাওয়ার কোন রাস্তাতো নাই। স্ট্যালিনবাদ কিছুক্ষেত্রে ফ্যাসিবাদের চাইতেও খারাপ ছিল, যেহেতু কমিউনিজমের আদর্শ এনলাইটেনমেন্টেরই আদর্শ যার ফলাফল হওয়ার কথা ছিল জনগণের আত্ম-স্বাধীনতা। কিন্তু এটা এনলাইটেনমেন্টের ডায়েলকটিকের একটি ট্রাজেডিও বটে। স্ট্যালিনবাদ আমার কাছে এখনো একটা ধাঁধার মতো। অন্যদিকে ফ্যাসিবাদতো এনলাইটেনমেন্টের কোন আদর্শ ধারণ করতো না। ফ্যাসিবাদ ক্রিমিনাল কায়দায় রক্ষনশীল আধুনিকায়নের চেষ্টা করতো। কিছুক্ষেত্রে, এমনকি হিটলারও অতোটা র‍্যাডিকাল অথবা সহিংস ছিল না।

স্পিগলঃ কি? আপনি সিরিয়াসলি তা মনে করেন না নিশ্চয়? করেন কি?

জিজেকঃ আমি আসলে যা বলতে চাচ্ছি তা হলো, ফ্যসিবাদ বুর্জোয়াদের গতানুগতিকতা ও আত্মতুষ্টির বিপরীতে একটি প্রতিক্রিয়া হিসাবে বিকাশ লাভ করলেও শেষ পর্যন্ত তা বুর্জোয়া সমাজের সীমানার মধ্যেই আটকা পরেছিল এবং বুর্জোয়া সমাজের আত্মতুষ্টিকেই চিরস্থায়ীভাবে আত্মস্থ করেছিল। আমি এইক্ষেত্রে ওয়াল্টার বেনিয়ামিনের (Walter Benjamin) সাথে একমত যে, প্রতিটি ফ্যাসিবাদের উত্থান হলো এক একটি ব্যর্থ বিপ্লবের ফলাফল। ফ্যাসিবাদের সাফল্য মানে হলো বামপন্থার ব্যর্থতা এবং কোন সমাজে ফ্যাসিবাদের উত্থানে প্রমানিত হয় যে সেই সমাজে একটা বৈপ্লবিক সম্ভাবনা ছিল এবং বামপন্থীরা কিভাবে তা ব্যবহার করবে তা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে। (চলবে)

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “ফ্যাসিবাদের সাফল্য মানে বামপন্থার ব্যর্থতা – স্লাভয় জিজেক (সাক্ষাৎকার)

  1. ফ্যাসিবাদের সাফল্য মানে
    ফ্যাসিবাদের সাফল্য মানে বামপন্থার ব্যর্থতা – এই কথাটি আমাদের বামপন্থীদের মধ্যে কয়টা দল বিশ্বাস করে? পৃথিবীর সকল অঞ্চলে বামপন্থার ব্যর্থতার কারণে ফ্যাসিবাদের উত্থান হয়েছে।

  2. আপনার লেখা বরাবরই ভালো লাগে।
    আপনার লেখা বরাবরই ভালো লাগে। স্লাভয় জিজেক সম্পর্কিত আগের লেখাটিও ( নিকৃষ্টের তীব্র আবেগ) পড়েছি। চালিয়ে যান শুভ কামনা রইলো।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 2 = 4