ফিদেল ক্যাস্ট্রোর প্রবন্ধ : জৈবজ্বালানী

মাত্র পাঁচ শ বছর আগের কথা। ক্রিস্টোফার কলম্বাসের সময়। আজকের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু নগর ছিলই না তখন। আর, কয়েকটি নগরের জনসংখ্যা কয়েক লাখের বেশী হবে না। কারো বাড়িতেই তখন আলো জ্বালাতে এক কিলোওয়াট বিদ্যুৎও খরচ হতো না। তখন পৃথিবীর জনসংখ্যা সম্ভবত ৫০ কোটির বেশী ছিল না।

বিশ্বের জনসংখ্যা শত কোটির কোঠায় প্রথমবারের মত পৌঁছালো ১৮৩০ সালে। এর এক শ ত্রিশ বছর পরে সেই সংখ্যা তিন গুণ বেড়ে গেলো। এর ছেচল্লিশ বছর পরে এই গ্রহে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ালো সাড়ে ছয় শ কোটিতে। এই জনসংখ্যার বিপুল অংশ গরিব। এদেরকে পশুর সাথে খাদ্য ভাগ করে নিতে হয়। আর এখন ভাগ বসাতে হচ্ছে জৈব-জ্বালানীতে বা বায়োফুয়েলে।

আজ কম্পিউটার আর যোগাযোগ মাধ্যম ক্ষেত্রে যেসব অগ্রগতি ঘটেছে, সেদিন মানুষ জাতির সেসব হয় নি। তবে দুটি বিশাল মানব বসতির ওপর ততদিনে প্রথমবারের মত আণবিক বোমা ফেলা হয়ে গেছে। সেটা ছিল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাহীন বেসামরিক জনসাধারণের বিরুদ্ধে এক নির্মম সন্ত্রাসবাদী কাজ। যে কারণে এমন কাজ করা হলো, তা একেবারেই রাজনৈতিক।

আজ, পৃথিবীতে আছে হাজার হাজার পারমাণবিক বোমা। এসব বোমা প্রথমবারের মত ফেলা আণবিক বোমার চেয়ে পঞ্চাশ গুণ শক্তিশালী। এসব বোমা বহনের যে ব্যবস্থা, সে বাহনগুলোর গতি শব্দের গতির চেয়ে কয়েক গুণ বেশী। এগুলো নিশানায় একেবারে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে পারে। এগুলো দিয়ে অগ্রসর প্রজাতি নিজেকেই ধ্বংস করতে পারে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনগণ লড়াই করেছেন। সেই বিশ্বযুদ্ধশেষে উত্থান হলো এক নতুন শক্তির। সেই শক্তি গোটা দুনিয়ার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিলো। আর চাপিয়ে দিলো নিরঙ্কুশ পদ্ধতির নিষ্ঠুর এক ব্যবস্থা। আজো জনগণ সেই ব্যবস্থার মধ্যেই বাস করছেন।

বুশের ব্রাজিল সফরের আগেই এই সাম্রাজ্যের নেতা সিদ্ধান্ত নিলেন যে, জৈবজ্বালানী তৈরীর জন্য শস্য ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যই হবে উপযুক্ত কাঁচামাল। ব্রাজিলের নেতা লুলা বললেন যে, আখ থেকে তৈরী জৈবজ্বালানীর যতটুকু দরকার, তার সবটুকুই ব্রাজিল যোগাতে পারবে। তিনি এই ফর্মুলার মধ্যে তৃতীয় বিশ্বের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা দেখলেন। সমস্যা কেবল থাকলো আখ ক্ষেতের মজুরদের জীবনমান উন্নত করার। তিনি একটি বিষয়ে ভালভাবেই সজাগ ছিলেন। তিনি বললেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে ইথানল রফতানিতে বাধা দিচ্ছে যেসব শুল্ক বিধিনিষেধ ও ভর্তুকি, সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে তুলে নিতে হবে।

বুশ জবাবে জানালেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের মত দেশে শুল্ক বিধিনিষেধ ও উৎপাদকদের দেয়া ভর্তুকি এমনই বিষয়, যেগুলোতে হাত দেয়া যায় না। শস্য থেকে ইথানল উৎপাদক দেশ ত’ যুক্তরাষ্ট্রও।

হাজার হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করে বিপুল গতিতে এই জৈবজ্বালানী তৈরী করে যেসব বিশাল আমেরিকান ট্রান্সন্যাশনাল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, তারা মার্কিন বাজারে প্রতি বছর তিন হাজার পাঁচ শ কোটি গ্যালন জৈবজ্বালানী বিপণন করতে দেয়ার জন্য সাম্রাজ্যের নেতার কাছে দাবী জানালো। সংরণমূলক শুল্ক সুবিধা ও ভর্তুকি মিললে এই পরিমাণ দাঁড়াবে প্রতি বছর প্রায় ১০ হাজার কোটি গ্যালনে।

এ সাম্রাজ্যের চাহিদার শেষ নেই। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জ্বালানী-ভোক্তা এই সাম্রাজ্য হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এই সাম্রাজ্যকে তেল-গ্যাসের জন্য অন্যান্য দেশের ওপর নির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করতে সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে দিল জৈবজ্বালানী তৈরীর স্লোগান।

ইতিহাস থেকে দেখা যায় যে, একক ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে আখের সাথে আফ্রিকানদের দাসত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। আফ্রিকার মানুষদেরকে নিজ বসত থেকে বলপূর্বক তুলে নিয়ে আসা হয়েছে কিউবায়, হাইতিতে, ক্যারিবীয় সাগরের অন্যান্য দ্বীপে। আখ আবাদের ক্ষেত্রে ব্রাজিলেও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে।

আজ, সে দেশে আশি ভাগ আখ কাটা হয় হাত দিয়ে। ব্রাজিলের গবেষকদের বিভিন্ন সমীক্ষা এবং অন্যান্য সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য জানাচ্ছে যে, একজন আখ কাটুরেকে খাদ্য বস্ত্রসহ মৌলিক চাহিদাগুলো মেটাতে ১২ টনের কম আখ কাটলে চলবে না। এ পরিমাণ কাজ করতে গিয়ে এই মজুরকে পা নাড়াতে হয় ৩৬,৬৩০ বার, দু হাতে ১৫ কিলোগ্রাম করে আখ নিয়ে ৮০০ বার এখান থেকে ওখানে হাঁটতে হয়, যার মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৮,৮০০ মিটার। এ কাজ করতে গিয়ে তার শরীর থেকে প্রতি দিন বেরিয়ে যায় গড়ে ৮ লিটার পানি। সেই সাথে, আখের পাতা পুড়িয়েই কেবল মানুষের কাছ থেকে এই পরিমাণ উৎপাদনশীলতা আশা করা যায়। আখ মানুষ হাতে কাটুক বা যন্ত্রে কাটুক, তা কাটার সময় পোকামাকড়ের কামড় থেকে রক্ষা পেতে এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে সচরাচর আখের কাটা পাতা পোড়াতে হয়। কাজের সময় সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বলে নিয়ম থাকলেও ফুরনে কাজ করলে কাজ করতে হয় দিনে ১২ ঘণ্টা। এ সময় দুপুরে তাপমাত্রা কখনো কখনো পৌঁছায় ৪৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে।

যুক্তরাষ্ট্রে কৃষির ফলন বিপুল মাত্রায় বেড়েছে দানা শস্য, ওট বা জই, জোয়ার, ভুট্টা, ইত্যাদি এবং সয়া, আলফালফা, সীম, ইত্যাদি ফসল ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আবাদ করার ফলে। এভাবে এসব শস্য একের পর এক আবাদ করলে জমিতে নাইট্রোজেন এবং অন্যান্য জৈব সামগ্রী যোগ হয়। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) হিসাব অনুসারে ২০০৫ সালে দানা শস্যের ফলন ছিল প্রতি হেক্টরে ৯.৩ টন।

অথচ, ব্রাজিলে একই পরিমাণ জমিতে ঐ ফসলই ফলে মাত্র তিন টন। এই ভ্রাতৃপ্রতীম দেশটিতে ২০০৫ সালে মোট ফসল উৎপাদন হয়েছিল তিন কোটি ছেচল্লিশ লাখ টন। এর পুরোটাই লেগেছে নিজস্ব চাহিদা মেটাতে। বিশ্ববাজারে শস্য বিক্রি করতে পারে নি।

এই অঞ্চলের অনেক দেশে প্রধান খাদ্যশস্যের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। লাখ লাখ টন শস্য না ফলিয়ে যদি জৈবজ্বালানী আবাদ করা হয়, তাহলে কি ঘটবে? শিল্পায়িত দেশগুলো তাদের কলকব্জা চালানোর জন্য জ্বালানীর উৎস হিসেবে যখন গম, ভুট্টা, ওট, বার্লি, সরগম ও অন্যান্য দানাশস্য ব্যবহার করবে, তখন যা ঘটবে সেটা উল্লেখ না করাই আপাতত স্বস্তিদায়ক।

এর সাথে এ কথাটিও উল্লেখ করা দরকার হয়, ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে শস্য আবাদ করা ব্রাজিলের জন্য খুব কষ্টসাধ্য। ব্রাজিলের যে অঙ্গরাজ্যগুলোতে এতদিন ধরে শস্য আবাদ হয়, সেগুলো মধ্যে আটটি অঙ্গরাজ্যে উৎপাদিত হয় ফসলের নব্বই শতাংশ। এর পাশাপাশি, আখের ষাট শতাংশ উৎপাদিত হয় চারটি অঙ্গরাজ্যে। আখ এমনই ফসল, যা অন্যান্য ফসলের সাথে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আবাদ করা যায় না।

যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ফসল তোলার জন্য যে ভারি যন্ত্র দরকার হয়, সেগুলো আর ট্রাক্টর, ইত্যাদি যন্ত্র চালাতে অনেক তেল লাগবে। যন্ত্রের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি রোধ করার ক্ষেত্রে সাহায্য করবে না। আর, পৃথিবী যে গরম হচ্ছে, সেটা ত’ বিশেষজ্ঞরা প্রমাণ করেছেন। তারা গত দেড় শ বছরের বার্ষিক তাপমাত্রার হিসেব বের করেছেন।

অথচ, ব্রাজিলে উৎপাদিত হয় চমৎকার একটি খাদ্যশস্য, যেটিতে প্রোটিন প্রচুর, ফসলটি হচ্ছে সয়। উৎপাদিত সয়ের পরিমাণ ছিল ৫ কোটি ১ লাখ ১৫ হাজার টন। ব্রাজিলে ভোগে লেগেছে প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ টন। বাকিটুকু হয়েছিল রফতানি। এই বিপুল পরিমাণ সয় কি জৈবজ্বালানীতে রূপান্তরিত হবে?

মাংস উৎপাদনের জন্য গবাদিপশুর মালিকরা অভিযোগ করতে শুরু করেছেন যে, গো-চারণ জমিগুলোকে আখ ক্ষেত বানানো হচ্ছে।

ব্রাজিল সরকারের বর্তমান মত-অবস্থানের গুরুত্বপূর্ণ সমর্থক সে দেশের সাবেক কৃষিমন্ত্রী রবার্টো রডরিগুয়েজ। তিনি আন্তঃআমেরিকা ইথানল কমিশনের যুগ্ম-সভাপতি। কমিশনটি গঠিত হয়েছে ২০০৬ সালে। আমেরিকা মহাদেশে জৈবজ্বালানী ব্যবহার প্রসারে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য এবং আন্তঃআমেরিকান উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) মধ্যে এক চুক্তির পরে এই কমিশন গঠিত হয়। সেই রবার্টো রডরিগুয়েজ জানিয়েছেন যে, আখ আবাদ যান্ত্রিক করার কর্মসূচী অতিরিক্ত কর্মসংস্থান করবে না। বরং, এর ফলে অদক্ষ জনশক্তি উদ্বৃত্ত হয়ে পড়বে।

ব্রাজিলের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের সবচেয়ে গরীব মজুররা পেটের দায়ে আখ কাটার কাজ করেন। এ কাজ করতে গিয়ে কখনো কখনো তাদেরকে পরিবার-পরিজন ফেলে দূরে থাকতে হয় অনেক মাস। বিপ্লবী বিজয়ের আগে কিউবাতেও এমনই হতো। সে সময় কিউবাতেও আখ কাটা হতো হাতে, গাট বেঁধে টেনে নিয়ে গাড়ীতে তোলা হতো হাতে, যান্ত্রিক আবাদ ও পরিবহণ বলতে গেলে ছিলই না। কিউবার সমাজের ওপর চাপিয়ে-দেয়া নির্মম ব্যবস্থাটির মৃত্যুর সাথে সাথে আখ-কাটুরেদের লিখতে-পড়তে শেখানো হলো জোরেসোরে; তারা কয়েক বছরের মধ্যে আখ খেতে হেঁটে বেড়ানোর কাজটি ছেড়ে দিলেন। ফলে, দরকার পড়লো হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবী।

এবার, জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে জাতিসংঘের সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করি। পৃথিবী গরম হতে থাকলে হিমবাহ গলে যাওয়া জল আর আমাজনের জল মিলে দক্ষিণ আমেরিকায় যা ঘটবে, সে কথা এ প্রতিবেদনে আবার উল্লেখ করা হয়েছে।

জৈবজ্বালানী তৈরীর পেছনে অর্থ যোগানোর কাজে মার্কিন ও ইউরোপীয় পুঁজিকে ঠেকাতে পারবে না কোনো কিছুই। বরং, এ পুঁজি ব্রাজিল এবং লাতিন আমেরিকায় উপহার হিসেবে তহবিল পাঠাবে। জলবায়ু পরিবর্তনের পরিণতি আর ক্ষুধা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে মার্কিন, ইউরোপীয় এবং অন্যান্য শিল্পায়িত দেশ বছরে ১৪ হাজার কোটি ডলার বাঁচাতে পারবে। ক্ষুধা ত’ সবার আগে ছোবল দেবে তৃতীয় বিশ্বে। আর, জৈবজ্বালানী এবং বিশ্ববাজারে থাকা সামান্য খাদ্য যে কোনো দামে কেনার মত অর্থ ঐসব শিল্পায়িত দেশের হাতে থাকবে।

তাই, এখনই একটি জ্বালানী বিপ্লব দরকার। যে ঘটনার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ বেশী খরচ হয়, এমন বাল্বগুলোই কেবল বদলে ফেলা নয়, সেই সাথে পুরনো প্রযুক্তি ব্যবহার করার দরুন দুই তিন গুণ বেশী জ্বালানী লাগে, এমন সব গৃহস্থালী, বাণিজ্যিক, শিল্প, পরিবহণ ও সামাজিক কাজে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যাপকভাবে পাল্টে ফেলতে হবে।

প্রতি বছর এক হাজার টন জীবাশ্ম জ্বালানী খরচ করা হয়, এ কথা মনে পড়লে যন্ত্রণা হয়। এমন খরচের অর্থ দাঁড়ায় : যা তৈরী করতে প্রকৃতির লেগেছিল লাখ লাখ বছর, সেটাই লোকেরা শেষ করে ফেলছে প্রতি বছরে। এমন প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দেশের কলকারখানা বিপুল সব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এমনই একটি চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বেকারত্ব হ্রাস।

আজ পৃথিবী আরেক ধরনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সে ঝুঁকি হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক মন্দা। সামপ্রতিককালে ডলারের দাম হ্রাসের ধারা অব্যাহত রয়েছে। কখনো তা ন্বিগামিতার রেকর্ড ছুঁয়েছে। অথচ, প্রত্যেক দেশের অধিকাংশ বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ এই কাগুজে মুদ্রায় আর মার্কিন বন্ডে।

[নোট : ফিদেল ক্যাস্ট্রো নিয়মিত লিখছেন। তাঁর এসব লেখায় স্থান পায় সমকালীন নানা সমস্যা, যা এ পৃথিবীর অগণিত মানুষের অস্তিত্বের সাথে জড়িত। পরিবেশ, জ্বালানী ব্যবহার, আন্তর্জাতিক রাজনীতি, ইত্যাদি বিষয় থাকে তাঁর লেখা সব প্রবন্ধে। এখানে এমন একটি প্রবন্ধের বাংলা অনুবাদ দেয়া হলো। বিষয় হিসেবে জৈবজ্বালানী অনেকের কাছে নতুন। এমন বিষয়ের সাথে জড়িত কয়েকটি দিক স্থান পেয়েছে এই প্রবন্ধটিতে। ক্যাস্ট্রোর এ প্রবন্ধটি পরিবেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী অনুধাবনে আগ্রহীদের কাজে লাগতে পারে। ২০০৭ সালের মে দিবসের প্রাক্কালে এ প্রবন্ধের মাধ্যমে আসন্ন জৈবজ্বালানী বিপ্লব এবং সেই প্রেক্ষিতে জৈবজ্বালানী সম্পদের ওপর মার্কিন একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিজ ভাবনা প্রকাশ করেন ক্যাস্ট্রো। এর অংশবিশেষ মুদ্রিত হয় কলকাতার ইংরেজী সাপ্তাহিক ফ্রন্টিয়ারের জুন ১৭-২৩, ২০০৭ সংখ্যায়। সেখান থেকে অনুবাদ করেছেন ফারুক চৌধুরী।]

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

২ thoughts on “ফিদেল ক্যাস্ট্রোর প্রবন্ধ : জৈবজ্বালানী

  1. ভালই লাগলো , কিছু জানান্তে
    ভালই লাগলো , কিছু জানান্তে পারার মত। আন্তর্জাতিক বিষয়। তবুও ভালই জানার ধরকার আছে। ধন্যবাদ ভাই, আমার ভালই লাগলো।

  2. কোলকাতার একটা বাংলা
    কোলকাতার একটা বাংলা সাপ্তাহিকে ও পড়েছিলাম।ধন্যবাদ ইস্টিশন এর পাঠকদের পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

32 − = 28