এদেশ জারজের

মনে পড়ছে,
বিগত দিনগুলির কথা খুব মনে পড়ছে।
সাগর রুনি, মেঘের কথা খুব মনে পড়ছে,
মনে পড়ছে ভয়ার্ত বিশ্বজিতের এলোপাথারি ছোটাছোটি,
তখন কিচ্ছুটি বলিনি, চুপ করে ছিলাম।
কামড় খেয়ে পরেছিলাম।

আশায় আশায় ছিলাম
মায়েদের শরীর পবিত্র হবে
পবিত্র হবে মাটি, মা, দেশ, বাংলাদেশ।
চোখে স্বপ্ন নিয়ে বসেছিলাম ,
ঘাতকেরা মুছে যাবে মাটি থেকে।
মুছে যাবে রাজাকারের গাড়িতে ওড়ানো
লাল সবুজের পতাকার ছবিটুকু।

মনে পড়ছে,
ঘাতকের হাসি দেখে,
সেদিন আকাশ থেকে হটাত
যেন ছিটকে গেছিলাম।
নিজেকে প্রবোধ দিতে
নাওয়া খাওয়া ভুলে
এর কাছে ওর কাছে ছূটে গেছি,
ভাই এমন হল কেন?
এতগুলো লাশ, এতগুলো মায়ের রক্তাক্ত শরীর ?

মনে পড়ছে,
বিগত দিনগুলির কথা খুব মনে পড়ছে।
সাগর রুনি, মেঘের কথা খুব মনে পড়ছে,
মনে পড়ছে ভয়ার্ত বিশ্বজিতের এলোপাথারি ছোটাছোটি,
তখন কিচ্ছুটি বলিনি, চুপ করে ছিলাম।
কামড় খেয়ে পরেছিলাম।

আশায় আশায় ছিলাম
মায়েদের শরীর পবিত্র হবে
পবিত্র হবে মাটি, মা, দেশ, বাংলাদেশ।
চোখে স্বপ্ন নিয়ে বসেছিলাম ,
ঘাতকেরা মুছে যাবে মাটি থেকে।
মুছে যাবে রাজাকারের গাড়িতে ওড়ানো
লাল সবুজের পতাকার ছবিটুকু।

মনে পড়ছে,
ঘাতকের হাসি দেখে,
সেদিন আকাশ থেকে হটাত
যেন ছিটকে গেছিলাম।
নিজেকে প্রবোধ দিতে
নাওয়া খাওয়া ভুলে
এর কাছে ওর কাছে ছূটে গেছি,
ভাই এমন হল কেন?
এতগুলো লাশ, এতগুলো মায়ের রক্তাক্ত শরীর ?
আর ফাসি না দিয়ে হাসি?

হাল না ছেড়ে ছুটে গেছি রাস্তায়।
চিতকার করে বলেছি,
ফাসি চাই, ফাসি চাই।
জোয়ারে জোয়ারে কাপিয়েছি রাজপথ।

মনে পড়ছে,
সেদিন সারাবাংলায় জ্বালিয়েছি আলো,
থেমে গেছি এক, দু, তিন মিনিট।
মনে পড়ছে,
হাজার হাজার যুদ্ধা পিতাদের দিয়েছি আশ্বাস,
আকাশের ঠিকানায়।

আর
ঘাতকের কাছে জমা দিয়েছি পাসপোর্ট।
তবু আশা ছিল
বাংলা তবু মুক্ত হবে।

আর আজ?
বড় ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলছি
থাক ধর্ষিতা মায়ের লাশ,
থাক হাজার যুদ্ধার আশ,
তবু বিদায়, বাংলাদেশ বিদায়।
এদেশ মানুষের নয়,
এদেশ আরবের, পাকিদের,

এদেশ জারজের।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৫ thoughts on “এদেশ জারজের

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 + 2 =