বিদ্যুতে আওয়ামী সরকারের যত দুর্নীতি

পূর্ববর্তী বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের বিরুদ্ধে এই খাতে দুর্নীতির অভিযোগ ছিল বিপুল পরিমাণে। মানুষ তাই প্রত্যাশা করেছিল, আওয়ামী লীগ সরকার বিদ্যুৎ খাত নিয়ে সচেতন থাকবে। কিন্তু জনপ্রত্যাশাকে আমলে না নিয়ে আগের ধারাবাহিকতাই রক্ষা করেছে আওয়ামী লীগ। মেয়াদের পুরো সময়ে অসংখ্যবার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগ ছিল তথ্যভিত্তিক, কিছু ক্ষেত্রে আনুমানিক। এই খাত এত বড় যে, এর সাধারণ-ছোট দুর্নীতির তথ্য সঙ্কলিত করাটা অসম্ভব প্রায়। বর্তমান সরকারের এই মেয়াদে বিদ্যুৎ খাতের আলোচিত দুর্নীতির অভিযোগগুলোই শুধু এখানে তুলে ধরছি।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী ২০০৯ সালে বিদ্যুতের গড় উৎপাদন ব্যয় ছিল ২ টাকা ৪০ পয়সা। অথচ গড়ে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ এখন সাড়ে ৭ টাকারও বেশি। কোনো কোনো বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রতি ইউনিটের উৎপাদন ব্যয় ১৫ টাকারও বেশি। বর্তমানে গড়ে বিদ্যুতের দাম সাড়ে পাঁচ টাকা। যদিও সরকারের মেয়াদের শুরুতে এটা ছিল ২ টাকা ৩৬ পয়সা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এক ইউনিটের দাম ১৫ টাকা।

এভাবে ক্ষমতার এক মেয়াদে বিদ্যুতের ব্যয় তিনগুণ বাড়াটা অস্বাভাবিক। এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা দায়ী করছেন দুর্নীতিকে। সরকারের সঙ্গে জড়িত উচ্চ থেকে নিম্ন পর্যন্ত বিশেষ ব্যক্তিবর্গকে সুবিধা দিতে গিয়ে, তাদের লাভের ব্যবস্থা করতে গিয়ে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় এত বেশি বেড়ে গেছে। যার দায় বইতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিদ্যুতে সরকারের দুর্নীতির মূল ঘটনাগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।

বাতিল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন
বিদ্যুৎ খাতে এই সরকারের দুর্নীতির মূল কাজ হচ্ছে রেন্টাল-কুইক রেন্টাল। বাতিল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়ে তার মাধ্যমে টাকা হাতানো হয়েছে রেন্টালে। বিদেশের ব্যবহৃত, অতি পুরনো বিদ্যুৎ কেন্দ্র এনে বসিয়ে দেয়া হয়েছে। পুরনো বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সমস্যা হচ্ছে এগুলো তেল টানে বেশি তুলনায় বিদ্যুৎ দেয় অনেক কম। খুবই খরুচে এবং এ কারণেই ক্ষতিকর। রেন্টালে যে পুরনো যন্ত্রপাতি আসছে এটা সরকারের কর্তাব্যক্তিরা স্বীকার করেছে বেশ কয়েকবার।

পিডিবির দেয়া তথ্য মতেই, কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর জন্য আমদানি করা যন্ত্রপাতির শতকরা ৮০ ভাগই হচ্ছে পুরনো। বিশেষজ্ঞরা জানান, যেখানে নতুন একটি যন্ত্রের দাম এক হাজার কোটি টাকা, আমাদের দেশের উদ্যোক্তারা সেটা এনেছেন মাত্র ২০০ কোটি টাকায়। ফলে ব্যয় তাদের কমেছে। লাভও হয়েছে। যারা যন্ত্রের কাগজপত্র থেকে নীতিগত অনুমোদনের সঙ্গে জড়িত সবাই এর অংশীদার।
রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয় পুরনো যন্ত্রপাতি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করায় নির্ধারিত বরাদ্দের চেয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল ব্যবহার হচ্ছিল। ১৩টি রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল ব্যবহার করার কারণে ১২৭ কোটি টাকা জরিমানাও করেছিল পিডিবি। আবার তাদের মুক্ত করার জন্য তেলের ‘দাহ্য ক্ষমতা কম’ প্রমাণের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে।

তাই বলে সরকার পিছিয়ে যায়নি। ক্রমাগত এই খাতের ভর্তুকির সব টাকা পছন্দের মালিকদের পকেটে ঢোকানোর ব্যবস্থা করেছে। যার অংশীদার তারা নিজেরাও। কিছু কোম্পানি পুরনো যন্ত্র এনে কিছুটা মেরামত করে শুরুটা ভালো দেখায়। আদতে তা পুরনোই। এগ্রিকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার প্রজেক্টের হিসাবও তাই প্রমাণ দেয়। এদের খুলনা ৪০ মেগাওয়াট কেন্দ্রের সঙ্গে তিন বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আরও এক বছর তিন মাস বিদ্যুৎ কেনার জন্য ২৩ অক্টোবর, ২০১১ নতুন চুক্তি করে পিডিবি। তিন বছরে পিডিবি ওই কেন্দ্রটির জন্য জ্বালানির মূল্য বাবদ ১৪৮ কোটি ৪৭ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছিল। যা অবশ্যই বিশাল ব্যয়। কিন্তু নতুন চুক্তিপত্রে এক বছর ৩ মাসের ব্যয় ধরা হয় ৫০০ কোটি টাকা। যা কিনা দ্বিগুণেরও বেশি। এর কারণ হচ্ছে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির যন্ত্রপাতি প্রথমে যে মানের দেখানো হয়েছিল বাস্তবে তা ছিল না। হিসাবের চেয়ে বেশি তেল টেনেছে এটি। ফলে সরকারের ব্যয় বেড়েছে দ্বিগুণ।

তেল ক্রয়-বিক্রয়ে অস্বচ্ছতা
রেন্টাল দুর্নীতির প্রধান অনুষঙ্গটা হচ্ছে এই তেল। চুক্তি অনুযায়ী সরকার রেন্টালগুলোতে তেল সরবরাহ করে ভর্তুকি মূল্যে। কিন্তু কী পরিমাণ তেল একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দেয়া হয় তার হিসাব সরকার দেয় না। কোনো বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সমস্যা হলে বা উৎপাদন হ্রাস পেলে কী ব্যবস্থা নেয়া হয় তাও জানা যায়নি। কত তেল প্রয়োজন আর তার প্রেক্ষিতে কত দেয়া হচ্ছে এই তথ্যটা লুকাতেই এই গোপনীয়তা। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রেন্টালগুলোতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল দেয়া হয়। যা বিক্রি হয় খোলা বাজারে।

বিপিসির পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে বিপিসিকে সরকার ভর্তুকি দিয়েছিল দেড় হাজার কোটি টাকা। ২০১১-১২ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৫৫০ কোটি টাকায়। মাঝের দুই অর্থবছরে অর্থাৎ ২০০৯-১০ অর্থবছরে ভর্তুকির পরিমাণ ছিল ৯০০ কোটি টাকা এবং ২০১০-১১ অর্থবছরে ভর্তুকি দেয়া হয়েছিল ৪ হাজার কোটি টাকা।

বিপিসির ভর্তুকির পরিমাণ এ অস্বাভাবিক পরিমাণ বেড়ে যাওয়া ও ওঠা নামার কারণ হিসেবে বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, রেন্টালে অতিরিক্ত তেল দেয়াটাই এর জন্য দায়ী। এই বিপুল পরিমাণ তেল কিনে আনতে গিয়ে এবং তা কম মূল্যে রেন্টালে সরবরাহ করতে গিয়ে সরকার বিরাট এই ক্ষতির মুখে পড়ছে।

পিডিবির ওয়েবসাইটে গড়ে জানানো হয়, ২০টি রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রতিদিন ২৫ কোটি টাকার জ্বালানি দেয়া হয়। অভিযোগ আছে, কেন্দ্র বন্ধ রাখাসহ নানা রকম কৌশল করে এই জ্বালানি তেলের অনেকটাই লুটপাট করা হয়। এতে খোদ বিদ্যুৎ বিভাগেরও হাত রয়েছে।

এই লুটপাট আরেক প্রস্থ বাড়ানোর জন্য সরকার একটি কমিটি করে। সেই কমিটির প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে, রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে জ্বালানি তেল আরও বেশি করে দেয়া হোক। কারণ হিসেবে তারা বলছে তেলের দাহ্য ক্ষমতা কম তাই তেল বেশি দিতে হবে। যদিও পাওয়ারসেলের একটি কারিগরি টিম তদন্ত করে জানিয়েছে, দাহ্য ক্ষমতা কম- এ অভিযোগ অসত্য।

পাওয়ারসেল উপকমিটির দেয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, ফার্নেস অয়েলে চুক্তি অনুযায়ী ১৯,২০০ বিটিইউ থাকার কথা থাকলেও সরবরাহকৃত তেলে বিটিইউ আছে ১৯,৮০০। তাই তেলের গুণগত মান নিয়ে ব্যবসায়ীদের তোলা অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। আরও বলা হয়, এক ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সর্বোচ্চ ১৮ শতাংশ বাড়তি জ্বালানি তেল ব্যবহার হয়েছে রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয়। অর্থাৎ তেল ক্রয়বিক্রয়ের মধ্য দিয়ে অনেকের পকেট ফুলেছে এটা খুবই পরিষ্কার।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অরাজকতা
সরকারের এই মেয়াদে সংস্থা হিসেবে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ছিল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। এর সঙ্গে একেবারে কেন্দ্রের উচ্চপদস্থরাও ছিল। উভয়ের যোগসাজশে এখানে বড় ধরনের লুটপাট চলেছে পাঁচ বছর জুড়ে।

জানা গেছে, ঢাকার বাইরে গাজীপুর, নবীনগর, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ-৩, সিলেট-১, চাঁদপুর, টাঙ্গাইলসহ অধিকাংশ পবিসে বিদ্যুৎ সংযোগে চলছে এক ধরনের হরিলুট। রীতিমতো চলেছে সংযোগ বাণিজ্য। পবিসগুলোর কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার একটি সিন্ডিকেট স্থানীয় বিদ্যুৎ গ্রাহক আর শিল্প মালিকদের ব্ল্যাকমেইল করে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। টাকা ছাড়া কোনো সংযোগ লাগছে না। লোড বাড়াতে গেলে পকেট ভরে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে লাইন কাটা, লোড কমিয়ে দিয়ে, ভৌতিক বিল তৈরি করে নানাভাবে হয়রানি করছে। আর মাসে মাসে টাকা দিলে লাখ লাখ টাকার বিদ্যুৎ খরচ করেও বিল দিচ্ছে হাজার টাকা। আরইবির অনুমোদন ছাড়াও গোপনে সংযোগ দিচ্ছে।

আরইবির অধীনে মোট ৭০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস) গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। এর সাতটি লাভজনক। বাকি ৬৩টিই লোকসানি। নিয়ম অনুযায়ী পবিসগুলো তাদের সংযোগের মাত্রা নিয়মিত খুব কম করে হলেও বাড়াতে থাকে। কিন্তু এবার দুর্নীতি আর অনিয়মের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই এই সাধারণ নিয়মটিও ব্যাহত হয়েছে।

শেরপুরে সেন্ট্রাল জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন প্রকল্পে বিশেষ ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই এলাকায় ২ হাজার হেভি পুল বা খাম্বা আসে। কাজ শুরুর পর থেকেই প্রকল্পের লোকজন স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসের ঠিকাদারদের সঙ্গে মিলে এলাকায় দালাল সৃষ্টি করে নতুন বিদ্যুৎ লাইন দেয়ার নামে বিশাল এক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অথচ খাম্বাগুলোর বরাদ্দ ছিল বিদ্যমান লাইনের খাম্বা সরিয়ে মেরামত করা। নতুন বিদ্যুৎ দেয়া নয়। এসবের ফলে দুর্নীতিতে বিদ্যুৎ খাতে এবার সবচেয়ে বড় সংস্থা এই পবিস।

টেন্ডারবিহীন দরপত্রের ভয়ঙ্কর খেলা
সব ধরনের আইন ও বিধিবিধান ভঙ্গ করে সরকার রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অনুমোদনের পাশাপাশি শত শত কোটি টাকার যন্ত্রপাতি আমদানি করা হয়েছে কোনো ধরনের টেন্ডার ছাড়াই। এসব দুর্নীতি নিয়ে যাতে ভবিষ্যতে কেউ কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করতে না পারে সেজন্যই একটি বিশেষ আইন করা হয়। এই আইনের মেয়াদ শেষ হলেও তা আবার বাড়ানো হয়েছে।

এই আইনে বলা হয়েছে, এই আইন কার্যকর থাকা অবস্থায় সরকার বিদ্যুৎ খাতে যেসব প্রকল্প গ্রহণ ও কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে তা নিয়ে ভবিষ্যতে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবে না। এমনকি সরকারের এসব কর্মকাণ্ডে কোনো দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়ে থাকলেও সেই বিষয়ে কেউ ভবিষ্যতে দেশের কোনো আদালতে প্রতিকার চেয়ে মামলা করতে পারবে না। কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান এ অনিয়ম বা দুর্নীতির বিষয়ে কোনোরূপ অনুসন্ধান কিংবা তদন্তও করতে পারবে না।

ফলে রেন্টালের কেনাকাটায়, চুক্তিতে বা রক্ষণাবেক্ষণে কোনো টেন্ডার হয়নি। কাজ পেয়েছে সব পছন্দের লোকেরাই। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি দামে, বেশি খরচেই হয়েছে সব কাজ। লাভবান হয়েছে ব্যক্তিবিশেষ।
কিছুদিন আগে গ্যাসভিত্তিক ৯টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বিদেশ থেকে যন্ত্রপাতি কেনার জন্য সর্বমোট ৫৬০ কোটি ২০ লাখ টাকা ছাড় করিয়ে নিয়েছে পিডিবি। কোনো ধরনের টেন্ডার ছাড়াই একত্রে ৫শ’ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি সরাসরি কেনার নজির এটাই প্রথম। গত ৪০ বছরেও পিডিবিতে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি বলে জানা যায়।

রেন্টালের তুঘলকি বিল পরিশোধ
রেন্টালে একটা কথা খুব চালু। চললে লাভ, না চললে বেশি লাভ। রেন্টালের সঙ্গে সরকারের চুক্তিগুলো এমনই। রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র চললে সরকার তার কাছ থেকে চড়া দামে বিদ্যুৎ কিনবে। চড়া দামটা কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১৬ টাকা প্রতি ইউনিট। যেখানে আমরা কিনি ৪ টাকা দরে। আর যদি কোনো বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ থাকে তাহলে ওই একই দাম তাকে পরিশোধ করতে হয়।

পরিসংখ্যান বলে, বর্তমান উত্তর মেয়র আনিসুল হকের দেশ এনার্জি লিমিটেডের ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গত বছরের এপ্রিলে ২৮ দিন পুরোপুরি বন্ধ ছিল। ওই মাসে উৎপাদন চালু থাকা দুই দিনের মধ্যে ২২ এপ্রিল সন্ধ্যার পর ৫১ মেগাওয়াট ও ২৬ এপ্রিল দিনে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় কেন্দ্রটিতে। এ সময় পিডিবি বিদ্যুৎ কিনেছে ৪ লাখ ৩২ হাজার ৪৮০ ইউনিট। আর দেশ এনার্জিকে মাসিক বিল পরিশোধ করেছে ১৬ কোটি ১৪ লাখ ৮৪ হাজার ৮৫৫ টাকা।

অর্থাৎ কেন্দ্রটি থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কিনতে পিডিবির ব্যয় হয়েছে ৩৭৩ টাকা ৩৯ পয়সা। চুক্তি অনুযায়ী এর মূল্য ১৩ টাকা ৩৩ পয়সা। গত বছরের নভেম্বরেও প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পড়েছে ৯৮ টাকা ৬২ এবং ডিসেম্বরে ৬৩ টাকা ২০ পয়সা। এ বছরের জানুয়ারিতে পড়েছে ৫০ টাকা ৮৬ পয়সা। এই দেশ এনার্জি লিমিটেডের মালিক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনিসুল হক। বিদ্যুতে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকির টাকা কোথায় যায় তা এ থেকে খুব পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়।

এছাড়া রেন্টালের অধিকাংশই তেলভিত্তিক হওয়ায় এগুলো শীতকালে বিদ্যুৎ চাহিদা কম থাকাকালে বা গ্রীষ্মে তেলের চাহিদা খুব বেড়ে গেলে তেল দিতে না পারার কারণে, এরকম অনেক সময়ই বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু সরকারের সঙ্গে চুক্তিতে বলা আছে, বন্ধ থাকলেও উৎপাদন ক্ষমতার সমান টাকা তাদের দিতে হবে। অথচ এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুল সরকারি হলে শুধু কর্মকর্তাদের বেতন ছাড়া আলাদা কোনো খরচের দরকার পড়ত না। বর্তমানে বিদ্যুতের ৫২ শতাংশ উৎপাদনই বেসরকারি খাতে হয়। ১০ বছর আগে বেসরকারি খাত ছিল ২৫ ভাগের কম। ১৯৯৬ সালে ছিল শূণ্য।

পক্ষান্তরে প্রতিবেশী দেশ ভারতে বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় মাত্র ৯ শতাংশ। শ্রীলংকায় এটা ২৭ দশমিক ০৬ এবং পাকিস্তানে ৩৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ। বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (আইপিপি) ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধির কারণে এর ঝুঁকি টের পেয়ে কয়েক বছর ধরে পাকিস্তান ক্রমান্বয়ে সরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশে বেসরকারি বিদ্যুতের পরিমাণ বেড়েই চলেছে। আগামী তিন বছরে ৭৬টি ছোট-বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা আছে। এর মধ্যে ৪১টিই বেসরকারি। এগুলো চালু হলে বেসরকারি খাতের আধিপত্য আরও বাড়বে। এই বেসরকারিকরণের মূলে আছে লুটপাট!

পছন্দের রেন্টালের মেয়াদ বৃদ্ধি
মেয়াদ খুব অল্প দিনের। শুধু সঙ্কট কাটাতে জরুরি এই ব্যবস্থা রেন্টাল সম্পর্কে গোড়ায় এসব কথা বলা হলেও কোনো কোনো রেন্টালের মেয়াদ ১৫ বছর হতেও দেখা গেছে। মেয়াদ শেষ হলে নতুন করে মেয়াদ বেড়েছে অনেকের। আগের দামের চেয়ে বিদ্যুৎ কেনার দামও বেড়েছে। যদিও তা কমার কথা। কারণ প্রথমে স্থাপন ব্যয় ছিল পরে যা নেই। এভাবেই রেন্টালের মেয়াদের সঙ্গে বেড়েছে দুর্নীতি। শুধু তা না। কোনো নিয়মের তোয়াক্কা না করে পছন্দের রেন্টালের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ইচ্ছেমতো। মেয়াদ না বাড়িয়েও চালু রাখা হয়েছে।

বর্তমানে সরকারের সঙ্গে চুক্তিতে আবদ্ধ আছে রেন্টাল ৩ বছর মেয়াদি ১০টি, ৫ বছর মেয়াদি ২টি এবং ১৫ বছর মেয়াদি ৩টি। অন্যদিকে কুইক রেন্টাল ১৪টি ৩ বছর মেয়াদি ও ৩টি ৫ বছর মেয়াদি। এই মোট ৩২টি কেন্দ্রের মধ্যে বর্তমানে চালুর তারিখ ধরে হিসাব করলে ৬টি কেন্দ্রের মেয়াদ শেষ। যার মধ্যে মাত্র ১টি কেন্দ্রকে বন্ধ দেখানো হচ্ছে মেয়াদোত্তীর্ণ বলে।

আশুগঞ্জ ৫৫ মেগাওয়াট ৩ বছর মেয়াদি রেন্টাল কেন্দ্রটি চালু হয় ০৭ এপ্রিল, ২০১০। হিসাব অনুযায়ী এই কেন্দ্রটির মেয়াদ শেষ। কিন্তু ২৭ জুন এর হিসাবে দেখা যায় কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। কেন্দ্রটি প্রিসিশন এনার্জি লিমিটেডের। অন্যদিকে শিকলবাহা ৫৫ মেগাওয়াট ৩ বছর মেয়াদি রেন্টাল কেন্দ্রটি চালু হয় ৬ মে, ২০১০। এই কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ কেনা হচ্ছে না। চুক্তি শেষ হয়ে গেছে বলা হচ্ছে। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এনার্জিস পাওয়ার করপোরেশনের। এটা কেন হচ্ছে, তার কোনো উত্তর থাকলেও তা সদুত্তর হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। স্পষ্টতই এটা বেআইনি।

খাম্বার ব্যবসা
খাম্বার ব্যবসায় বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে বর্তমান সরকারের নামও। সরকার এই মেয়াদে ইতোমধ্যে প্রায় ১০ লাখ খাম্বা কিনেছে। গত ১৪ আগস্ট আবার অনুমোদন দিয়েছে ৬০ হাজার ৬২৫টি এসপিসি খাম্বা কেনার। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে ৬১ হাজার ৬৫০টি, জুলাইয়ে ১২ হাজার ৫০টি খাম্বা কিনেছে সরকার। ৬ মাসের ব্যবধানে তৃতীয়বারের মতো খাম্বা কিনতে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। কিন্তু এর আগের কেনা খাম্বাগুলোই এখনও কাজে লাগানো হয়নি। ১৮ লাখ গ্রাহককে নতুন করে সংযোগ দেয়ার নামে খাম্বা কেনা সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, খাম্বা কিনে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছিল। একইভাবে মহাজোট সরকারও মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছে।

খাম্বা কিনে একবার এলাকা পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারলে দুর্নীতির বহরটা বেড়ে যাচ্ছে আরও কয়েক গুণ। এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। আইনে পৌর এলাকা বা উপশহরের খুঁটিগুলো স্থাপনে অগ্রাধিকার দেয়ার কথা বলা হলেও টাকার বিনিময়ে গ্রাম বা দুর্গম এলাকাতে খুঁঁটি স্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সেচ কাজের জন্য অসংখ্য কৃষক তাদের লাখ লাখ টাকা দিয়েছে এবং সাধারণ আবাসিক সংযোগের জন্যও টাকা আদায় করা হচ্ছে। অন্তত ২৬টি জেলায় এ ধরনের তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, এ সিন্ডিকেট সাধারণ মানুষের কাছ থেকে খাম্বাপ্রতি ৬ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে। অভিযোগ রয়েছে, সেচ কাজের জন্য যাদের বিদ্যুৎ প্রয়োজন তাদের ক্ষেত্রে আরও বেশি টাকা আদায় করা হয়েছে। অনেক এলাকাতেই টাকা নিয়ে তাড়াতাড়ি খাম্বা বসানো শেষ হলেও এখন পর্যন্ত তার লাগানো হয়নি। ফলে কৃষক ধান বিক্রি করে ঘুষের টাকা দিলেও বিদ্যুতের দেখা পায়নি।

রোড শো পিকনিক
মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পরই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে কোটি টাকা খরচ করে আমেরিকা, লন্ডন ও সিঙ্গাপুরে রোড শো করে। কোটি টাকার রোড শো’র পর প্রায় তিন বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত প্রতিশ্রুতি দেয়া আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর একটিও বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা তো দূরের কথা, বিন্দুমাত্র আগ্রহও দেখায়নি।

প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আর কোনো যোগাযোগও করা হয়নি বলে জানা যায়। প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ করে পরিচালিত এ রোড শো সম্পর্কে ওই সময়ই কড়া সমালোচনা করেছিলেন বিদ্যুৎ ও জালানি বিশেষজ্ঞরা। রোড শো’কে পিকনিক হিসেবে উল্লেখ করে তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ ওই সময় বলেছিলেন, রোড শো থেকে কিছু লোকের মানসিক প্রশান্তি অর্জন ছাড়া রাষ্ট্রের কোনো উপকার হয়নি। অনেকের বিদেশ ভ্রমণের আশা মিটেছে। বা সরকারের মধ্যে তো অনেকেই আছেন যারা কান পরিষ্কার করতে বিদেশ যান, তাদের উপকার হয়েছে।

সংযোগ নিয়ে কায়কারবার
সরকারি হিসেবে আগে দেশে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর হার ছিল ৫০ ভাগ। এখন সেটা ৬০ ভাগে উন্নীত হয়েছে। বর্তমান সরকারের সময়ে শিল্পে সংযোগ দেয়া হয়েছে মাত্র ২৯ হাজার ৬৬৪টি। একই সময়ে আবাসিকে সংযোগ হয়েছে ২৪ লাখ ৯৬ হাজার ৩৩৩ ও বাণিজ্যিক ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৯৮টি। বিপুল পরিমাণ এই বিদ্যুৎ সংযোগের মধ্যে দুর্নীতি নেই এমন একটিও হয়ত পাওয়া যাবে না। ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ লাখ টাকায়ও দফা রফা হয়েছে। কোথাও কোথাও ব্যত্যয় ঘটলেও সংযোগ গেছে নিয়ম মেনেই। কিন্তু সংযোগ নিতে নিয়মের বাইরে টাকা গুনতে হয়েছে প্রায় প্রত্যেককে। সংযোগের সময় এলেই প্রায় প্রতিদিন এ সমস্ত দুর্নীতির খবর দখল করে রেখেছিল জাতীয় পত্রিকার পাতা।

পরিত্যক্ত কয়লার ব্যবসা
বিদ্যুতের দুর্নীতিতে এই সরকারের আমলে সবচেয়ে ইউনিক আইডিয়াটা এসেছে বড়পুকুরিয়া থেকে। দেশের এই একমাত্র কয়লাভিত্তিক দিনাজপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অনিয়ম আর দুর্নীতি বাসা বেঁধেছে। ২৫০ মেগাওয়াটের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিত্যক্ত কয়লা দরপত্রের মাধ্যমে বিক্রির নামে চলেছে কোটি টাকার ঘাপলাবাজি। মোটা অঙ্কের উৎকোচের বিনিময়ে পরিত্যক্ত কয়লার পরিবর্তে ভালো কয়লা নিয়ে গেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এতে টনপ্রতি সরকারের প্রায় ৮ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে।

পরিত্যক্ত কয়লার নামে ভালো কয়লা ট্রাকে ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় তা কেন্দ্রের কর্মচারীরা আটক করে। এ ঘটনা থেকে ফাঁস হয় ব্যাপারটি। পরে জানা যায় এর সঙ্গে অনেক রাঘব বোয়াল জড়িত। এদের সবার যোগসাজশে নিম্নমানের মালামাল সরবরাহ করায় প্রায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি। এছাড়াও মালামাল চুরির ঘটনা তো আছেই। দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক এ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ উত্তরাঞ্চলে সেচ সুবিধাসহ বিভিন্ন সুফল বয়ে আনলেও এখন তা বিপর্যয়ের মুখোমুখি। দুর্নীতি আর অনিয়মের রাহুগ্রাসে এখন নিমজ্জিত এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি। কিন্তু এত সব মারাত্মক দুর্নীতির খবর বের হলেও এখানে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি কেউ।

মূলকথা হচ্ছে, বিদ্যুৎ সব সরকারেরই চাঁদা আদায়ের খাত। দল চালানোর অর্থটা তারা এখান থেকেই নেয়। বিভিন্ন জনকে সুবিধা দিয়ে কমিশন নেয়। মন্ত্রণালয়টি যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণাধীন সুতরাং দায়ভার তার কাঁধেই বর্তায়।

বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি দেশের জন্য খুবই হতাশার। এই খাতে এভাবে দুর্নীতি চললে দেশের অগ্রগতি রুদ্ধ হয়। জাতীয় পুঁজি চলে যায় ব্যক্তিবিশেষের পকেটে। লাভবান হয় কিছু ব্যক্তি। ভোগান্তি বাড়ে জনগণের। সরকার ২ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৬টি বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা যোগাড় করতে পারছে না। এজন্যই বড়পুকুরিয়া ২৫০ মেগাওয়াট, ঘোড়াশাল ৩০০-৪৫০ মেগাওয়াট, বিবিয়ানা ৪৫০ মেগাওয়াট, শাহজীবাজার ৩০০ মেগাওয়াট, আশুগঞ্জ ৪৫০ মেগাওয়াট এবং সিরাজগঞ্জ ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালকে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে নির্ধারণ করলেও এখনও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কিন্তু বছর বছর হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে এই খাতে।

টাকা যাচ্ছে কোথায়? এ বছর প্রথম প্রান্তিকে সরকার পিডিবিকে ভর্তুকির যে টাকা দিয়েছিল সরকার তার পুরোটা রেন্টালে দিতে নির্দেশ দিয়ে দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়কে। ৫০৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ছাড়ের শর্ত ছিল, ১৫টি রেন্টাল ও ১৭টি কুইক রেন্টালের বিল পরিশোধ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এ অর্থ ব্যবহার করা যাবে না।

বিদ্যুৎ খাতে কি পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছি আমরা? পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ খাতে প্রতিবছর ভর্তুকির প্রায় শতভাগই যাচ্ছে রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। গত অর্থবছরে (২০১২-১৩) রেন্টালে ব্যয় হয়েছে ভর্তুকির ৯৯ দশমিক ৮২ শতাংশ অর্থ। ৫ হাজার ১৭২ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হয় গত বছর। আর ১৫ হাজার ২৩০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হয় জ্বালানির জন্য। স্বাভাবিকভাবেই অর্ধেকের বেশি টাকা গেছে রেন্টালে। এ থেকে দেখা যায় শুধু গত বছরেই বিদ্যুৎ ক্রয় ও তেলে ভর্তুকি বাবদ সরকার রেন্টালে গচ্চা দিয়েছে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা।

এই বিপুল অর্থ উপরোল্লিখিত পথগুলো ধরেই চলে যাচ্ছে ব্যক্তিবিশেষের পকেটে। আগের বিএনপি সরকার যেমন বিদ্যুৎ নিয়ে দুর্নীতি করেছিল, এই সরকারও সেই পথেই পার করল তার পুরো মেয়াদ। দেখা যাক তাদের ভাগ্যে কি জোটে।

রেন্টাল দুর্নীতির ইতিবৃত্ত জানতে দেখুন এই লেখাটি : রেন্টালের সাতকাহন

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৭৫ thoughts on “বিদ্যুতে আওয়ামী সরকারের যত দুর্নীতি

  1. ভাল লিখেছেন॥ দূর্নীতি কোন
    ভাল লিখেছেন॥ দূর্নীতি কোন ভাবে কাম্য নয়।
    দেশ পরিচালনা করার জন্য এমন কোন ব্যক্তি বা দল আছে কি, যারা সঠিক ভাবে নিয়ম মেনে কাজ করবেন?

  2. প্রথম প্যারার কথায় পরে
    প্রথম প্যারার কথায় পরে আসব,

    বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী ২০০৯ সালে বিদ্যুতের গড় উৎপাদন ব্যয় ছিল ২ টাকা ৪০ পয়সা। অথচ গড়ে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ এখন সাড়ে ৭ টাকারও বেশি। কোনো কোনো বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রতি ইউনিটের উৎপাদন ব্যয় ১৫ টাকারও বেশি। বর্তমানে গড়ে বিদ্যুতের দাম সাড়ে পাঁচ টাকা। যদিও সরকারের মেয়াদের শুরুতে এটা ছিল ২ টাকা ৩৬ পয়সা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এক ইউনিটের দাম ১৫ টাকা।

    ক) ২০০৯ সালে প্রতি বর্গফুট ফ্ল্যাট বাড়ি নির্মাণ ব্যয় ছিল ৯০০-১১০০ টাকা (মান ভিন্নতার কারণে…); আজ তা ১৮০০ থেকে ২২০০ টাকা!! আপনার এমন একচেটিয়া মন্তব্য তাই অন্ধের হাতি দর্শনের মত হয়ে গেল আনিস ভাই…
    খ) ২০০৯ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন হত মান্দাতা আমলের সকল পূর্বে নির্মিত সকল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যেখানে ইনিশিয়াল ইনভেস্টমেন্ট ছিল অনেক অনেক কম!! আর সেই সকল কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৩২০০ মেগাওয়াট+, বর্তমানে নতুন-পুরাতন মিলে উৎপাদন ক্ষমতা ৮০০০ মেগাওয়াট+… যুক্তিসঙ্গত কারণেই বর্তমানে উৎপাদন খরচ বেশী হবে! উন্নয়নে কাজ করলে আপনি এমন ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গত কারণ উপলন্ধি করতে পারেতেন!!

    এভাবে ক্ষমতার এক মেয়াদে বিদ্যুতের ব্যয় তিনগুণ বাড়াটা অস্বাভাবিক। এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা দায়ী করছেন দুর্নীতিকে। সরকারের সঙ্গে জড়িত উচ্চ থেকে নিম্ন পর্যন্ত বিশেষ ব্যক্তিবর্গকে সুবিধা দিতে গিয়ে, তাদের লাভের ব্যবস্থা করতে গিয়ে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় এত বেশি বেড়ে গেছে। যার দায় বইতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিদ্যুতে সরকারের দুর্নীতির মূল ঘটনাগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।

    — ক) আনিস ভাই এমন বিশেষজ্ঞ মতামতের রেফারেন্সটা একটু দেখতে চাই… অসাধারণ সেই বিশেষজ্ঞ!! কে সেই বিশেষজ্ঞ? উন্নয়ন খাতে কাজ করে বা অন্তত কোন প্রকার উৎপাদনশীলতার সাথে জরিত আছে তাদের কেউ যদি এমন দাবী করতে পারে তবে আমার কিছু বলার নাই!!
    খ) আসলেই আনিস ভাই আপনি অন্ধ হয়ে হাতি চিনতে চাচ্ছেন!! দেখেন কি কি প্যারামিটার বিদ্যমান এই বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রতি ইউনিট খরচ বৃদ্ধির জন্যে? এইখানে পোস্টের অন্তঃসারশূন্যতা.. আমিও আপনার পয়েন্ট গুলোর একটু ব্যাখ্যা করতে চাই!!

    1. সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের
      সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ব্যয় ২০০৯ এ যা ছিল, এখন তার থেকে মাত্র ২০ পয়সা বাড়ছে।

      হুদাই কতক্ষণ গ্যাজাইলেন। আওামী লীগের পক্ষে ঢোল বাজান ছাড়া আর কোনো কাম পান না। যা জানেন না তাই নিয়া হাদিস লেখা শুরু করে দিলেন! পাবলিকরে আর কতকাল হাইকোর্ট দেখাইবেন!

      বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির পেছনের কারসাজি এবং বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ক্ষতি লিখে সার্চ দেন। অন্তত ১০০ টা নিউজ পাবেন। অসংখ্য বিশেষজ্ঞের মন্তব্য পাবেন।

      1. দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের
        দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় ৭৫% হয় গ্যাস ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে!!
        আপনি বলছেন আগের আমলে প্রতি মেগাওয়াট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ ছিল ২.৪ টাকা, এখন ২০ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে তাহলে দাঁড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে ৮.৩৩%!!

        আচ্ছা আনিস ভাই, বলেন তো গ্যাসের দাম গত ৬.৫ বছরে কত % বেড়েছে?
        এখনও হিসেব করে দেখুন হাইকোর্ট কে দেখাল… একটা পোস্ট লিখবেন একজন শিক্ষিত আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন মানুষ হিসেবে আমাদের সত্যের উপস্থাপনই করা উচিৎ… যে দেশের ৭০% মানুষ নিজের কৃতকর্মের জন্যে বৃদ্ধ বয়সে ক্ষমা চাইতে তীর্থযাত্রায় যায়, সে দেশের মানুষের নৈতিক মূল্যবোধ পরিবর্তন না করে আপনি কল্পনা করবেন ৫ বছরেই সাধু-সন্ন্যাসী বা একেবারেই নৈতিক হয়ে যাবে!! তবে ব্যাপারটা কেমন দাঁড়ায়? আর অসংখ্য বিশেষজ্ঞ খুঁজতে চাই না, একজন বিশেষজ্ঞের বরাত দিন যিনি গবেষণা করে বলেছেন দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ ৩ গুন হয়েছে কেবল এবং কেবল মাত্র চুরির কারণে… আপনার কথাটি আবারও কোট করছিঃ
        “এভাবে ক্ষমতার এক মেয়াদে বিদ্যুতের ব্যয় তিনগুণ বাড়াটা অস্বাভাবিক। এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা দায়ী করছেন দুর্নীতিকে। সরকারের সঙ্গে জড়িত উচ্চ থেকে নিম্ন পর্যন্ত বিশেষ ব্যক্তিবর্গকে সুবিধা দিতে গিয়ে, তাদের লাভের ব্যবস্থা করতে গিয়ে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় এত বেশি বেড়ে গেছে।”

        একবার দেখুন আপনার এই বিশেষজ্ঞের দেখা পাবেন কিনা!! ভালইতো বিশেষজ্ঞের ঘাড়ে দোষ চাপায় একটা হিট পোস্ট লিখে ফেললেন! এখন এই বিশেষজ্ঞের খোঁজ কে দিবে?

        1. এটা বলেন, গ্যাসের দাম গত ৬.৫
          এটা বলেন, গ্যাসের দাম গত ৬.৫ বছরে কত % বেড়েছে??????

          প্রফেসর এম শামসুল আলমের সঙ্গে কথা বলেন।

          ছাগলামির কোনো উত্তর দেয়া যায় না।

          1. যেসব মানুষ নিজের কাজে
            যেসব মানুষ নিজের কাজে আত্মবিশ্বাসী না আমার ধারণা কেবল মাত্র তারাই ডাঃ, প্রকৌশলী, ডঃ, প্রফেসর, অধ্যক্ষ, গবেষক এরূপ নানান উপাধি এবং অলঙ্কার দিয়ে নিজেকে ছোট করে… এদের মানসিক দৈন্যদশা বা দারিদ্র্যতা সানি লিওন থেকে কোন দিক দিয়ে কম না!
            তো ভাই, এই প্রফেসরটা কে? তিনি কি দেশের একমাত্র প্রফেসর?
            অনেক ডঃ, অনেক ব্যারিস্টার, অনেক ডাঃ, আর অনেক অনেক প্রকৌশলী-গবেষকের দেখা আমরা পাই, তবে জীন-বিজ্ঞানী মাকসুদ আর আবেদ চৌধুরীর মত লোক খুব কম দেখি, যে কথার থেকে কাজে বেশী বিশ্বাসী? যে কোন কাজ করে নাই তার আরেকজনের ভুল ধরার যোগ্যতা নাই…
            সোজা হিসেব; গাছে উঠা কঠিন এবং শ্রমসাধ্য ব্যাপার কিন্তু নিচ থেকে বসে সমালোচনা করাটা খুব সহজ আর জনপ্রিয় এক পেশা!
            আর হ্যাঁ ‘ বিদ্যুৎ, সার, ক্যাপটিভ পাওয়ার, শিল্প, চা বাগান, বাণিজ্যিক ও সিএনজি এই সাত খাতে বিদ্যুতের কত% বাড়ছে গত ৬.৫ বছরে আপনিই বলুন না অথবা প্রফেসর শামসুল স্যার কি বলেছে তাই বলুন, আমি ভাই তুচ্ছ মানুষ এমন মহান মহান ব্যাক্তিদের দেখা কই পামু? বাড়ানো ধন্যবাদ…
            আপনার নিচের অতি-রুচিকর মন্তব্যের উত্তর দেয়ার রুচি আমার নেই বলে দুঃখিত!! ভাল থাকবেন…

  3. প্রথমে একটা তথ্য দিতে
    প্রথমে একটা তথ্য দিতে চাই-
    ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি-জামাত জোটের সময় ৫ বছরে বাজেটে মোট বরাদ্ধকৃত অর্থের পরিমাণ ৫*৪০০০ কোটি টাকা = ২০,০০০ কোটি টাকা!! (প্রায়…)
    বিগত ২০০১ সালে সরকার ৪ হাজার ২০০ মেগাওয়াট+ বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে কমিয়ে করেছিল ৩ হাজার ২৬৮ মেগাওয়াটে…

    ২০০৯ থেকে ২০১৪ সালের ৫ বছরে মহাজোট সরকারের মোট বরাদ্ধকৃত অর্থের পরিমাণ ৬০০০*৫=৩০,০০০ কোটি টাকা! (প্রায়…)!
    বিদ্যুতের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ৮ হাজার ৫২৫ মেগাওয়াটে উন্নীত করেছে, গড় উৎপাদন হয়েছে ৬০০০ মেগাওয়াট+! যা আগের সরকারের প্রায় দ্বিগুণ… ৫ হাজার ২৮৭ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরো ২৬টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণাধীন আছে।

    এখন পাঠকেরাই বিবেচনা করুণ ২০,০০০ কোটি টাকা দিয়ে যদি কোন সরকার ৯০০ মেগাওয়াট+ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমায় আর আরেক সরকার ৭-১০% মুদ্রাস্ফীতির পর ৩০,০০০ কোটি (প্রায়…) টাকা দিয়ে এমন বিশাল কর্মযজ্ঞ করে থাকে, তবে দুটি সরকারের মধ্যে বিবেকসম্মত বা ন্যায়সঙ্গত গঠনমূলক বিশ্লেষণ কেমন হতে পারে? হওয়া উচিৎ?
    এর সুনির্দিষ্ট জবাব চাই, আনিস ভাই!! আপনি আগের সরকারের দুর্নীতির শ্বেতপত্র পড়েছেন? এখন একটা বের করুন, সবাই মিলে!! তবে যে – (ঋণাত্মক…) মার্ক পাই আর যে ৭০%+ মার্ক পাই তার সাথে একই পাল্লায় মাপবেন এইটা প্রত্যাশিত না!! ভাল থাকবেন…

    1. আপনি আগের সরকারের দুর্নীতির

      আপনি আগের সরকারের দুর্নীতির শ্বেতপত্র পড়েছেন? এখন একটা বের করুন, সবাই মিলে!! তবে যে – (ঋণাত্মক…) মার্ক পাই আর যে ৭০%+ মার্ক পাই তার সাথে একই পাল্লায় মাপবেন এইটা প্রত্যাশিত না!!

      :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল:

    2. দুর্নীতির শ্বেতপত্র কি এই
      দুর্নীতির শ্বেতপত্র কি এই ব্যাখ্যায় জায়েজ হয় মিয়া ভাই? ধান ভানতে শীবের গীত নাকি শ্মশান ঘাটে বিয়ের বাদ্য- কি দিয়ে বুঝাইব! 😀

      সরকার দেশের টাকার গোয়া মাইরা দুর্নীতি কইরা, বিদ্যুৎ খাতরে বেসরকারিকরণের মুখে ঠেইলা দিতাছে আর আপনি এর সাপোর্ট করতাছেন! আর্মিতে কি এইগুলাও শিখায় নাকি?

      1. আনিস ভাই আমি একজন কে ঋণাত্মক
        আনিস ভাই আমি একজন কে ঋণাত্মক মার্ক দিতে বলেছি আরেকজন কে ৭০%+!!
        আমি সচেতন নাগরিক হতে বলেছি!! আপনি যখন বিচারকের যায়গায় বসে গনিত পরীক্ষার খাতায় উত্তর বিহীন উত্তরপত্র জমা দেয়া বা খাতার পৃষ্ঠা চুরি করে নিয়ে যাওয়া ছাত্রের সাথে ১০০ মার্কের মধ্যে ৭০ মার্ক পাওয়া ছাত্রকে একই পাল্লায় মেপে ক্লাস থেকে উত্তীর্ণ করতে চাইবেন না তখন আপনার সচেতনতা বা গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে…
        হয়ত আমি ৭০ মার্ক পাওয়াটাকে ছাত্র বলে জ্ঞান করছি বলে আপনার খারাপ লাগতে পারে কেননা আপনি ১০০/১০০ পাওয়া ছাত্র পাওয়াস স্বপ্ন দেখেন!! আমি তা দেখি না… আর আমি এও চাই না যে আমার অবমূল্যায়নের জন্য গনিত পরীক্ষায় খালি খাতা জমা দেয়া ছাত্রটি উপরের ক্লাসে উত্তীর্ণ হোক, আর ৭০ পাওয়া ছাত্রটি বলিরপাঁঠা হয়ে যাক…
        হয়ত নিজ দোষেয় আপনাকে বুঝাতে ব্যর্থ হলাম!! দুঃখিত…

      2. আনিস ভাই,
        আমি রাজনীতি তেমন

        আনিস ভাই,
        আমি রাজনীতি তেমন ভালো বুঝিনা।তাই যতটা সম্ভব রাজনৈতিক পোস্টে মন্তব্য এড়িয়ে চলি।কিন্তু আপনার উপরোক্ত মন্তব্য দেখে ভাই মর্মাহত হলাম।আপনার মতো সিনিয়র ব্লগার এমন কথা বলতে পারে?

      3. আনিস ভাই, দেখেন আমি ব্লগিয় বা
        আনিস ভাই, দেখেন আমি ব্লগিয় বা অনলাইন রাজনীতি সম্পর্কে কিছুই জানতাম না… অনেক কাঁদা ছুড়াছুড়ি দেখেছি, কখনও আগ্রহ নিয়েও পড়ে দেখি নি! অনেক তরকেই কিছু অযাচিত নাম এসে যেতে দেখেছি! আমি জানিনা কেন আসে!! আমি জানি না আপনি আমাকে কি মনে করছেন, আমি একান্তই ঘরোয়া আলোচনার মত করে নিজের মতামত প্রকাশ করে যাচ্ছিলাম! আপনি আমার পূর্বের প্রফেশন নিয়ে উপহাস করছেন… জানিনা আপনার বিবেক কীভাবে এইসবে সাঁয় দেয়? আমি এইসব নোংরামিতে নাই, সহব্লগার হিসেবেই আপনার সাথে তর্ক করছি!! আশাকরি আগামীতে ব্যক্তিগত আক্রমন করবেন না…

        1. ব্লগার আনিস রায়হান ইতোপূর্বেও
          ব্লগার আনিস রায়হান ইতোপূর্বেও অনেক ব্লগার কে নোংরা মন্তব্য করেছেন, যুক্তির ধার না ঘেঁষে আক্রমন করেছেন। উনার উদ্দেশ্য হল, ব্লগে ক্যাচাল লাগিয়ে পোস্টে হিট খাওয়া। ধিক্কার জানাই

        2. অনেক স্টুপিড ফালতু ভাষায় কথা
          অনেক স্টুপিড ফালতু ভাষায় কথা বলে খুব পার্ট নিতে চায়, অথচ যুক্তি তর্কে আসতে চায় না। গালি গালাজ সব গাধাই জানে দেখতে পাচ্ছি।
          ব্যক্তিগত আক্রমণ পরিত্যাজ্য।

      4. আনিস ভাই, এতো ইনফরমেশন এর
        আনিস ভাই, এতো ইনফরমেশন এর ভাণ্ডার নিয়ে হিট পোস্ট বানায়লেন। এটা আপ্রিসিয়েত করার মত, কিন্তু সেই তথ্য বহুল পোস্টের বিপরীতে স্বাভাবিক ভাবেই যে কেউ যুক্তি দাড় করাইতে পারে। প্রথম কথা আপনি এটা স্বাভাবিক ভাবে নেন নি।
        তারিক ভাই এখানে যে যুক্তি গুলো আনছে, সে গুলোর উত্তর আপনি দিতে সম্পূর্ণ ভাবে বার্থ তো দুরের কথা, সেটার প্রেক্ষিতে তাকে বাক্তিগত আক্রমনেই বাস্ত আপনি। আজব রে ভাই !!!
        মন গড়া হউক আর গবেষণা মুলক এটা আপনার লেখা। সকল যুক্তি তর্কের উত্তর টাও আপনাকে দিতে হবে। এবং অবশ্যই সেটা ভদ্রতার সাথে। ভদ্রতা শব্দটি এই জন্যই আনতে হোল কারণ আপনার প্রত্যেকটি উত্তর এর ভিতর আমি কোন ভদ্রতার লেশমাত্র খুঁজে পাই নি।
        আপনার এইটা পড়ার পর ভেবেছিলাম ভাল কিছু যুক্তি তর্ক দেখব। তারিক ভাই শুরু ওঁ করেছিল। কিন্তু আপনি তাল গাছ টা নিজের করতে গিয়ে তার তথ্য বহুল কমেন্ট এর প্রতি উত্তরে এক দুই লাইনে কি যে উত্তর দিছেন একবার রিভিউ কইরেন। এটা নিশ্চয় বড় বড় ব্লগার এর নমুনা নয়!!!! ভাল থাকবেন

    3. দুর্নীতি যেহেতু সব সেক্টরেই
      দুর্নীতি যেহেতু সব সেক্টরেই আছে তাই বিদ্যুত সেক্টরেও থাকবে এটাই এখন স্বাভাবিক। সুষ্ঠ এবং আন্তরিক ভাবে যদি সরকার চেষ্টা করে তবে তা অবশ্যই কমিয়ে আনতে পারে।

      মানুষ যেহেতু সবাই সৎ না তাই নতুন কোন মডেল উপস্থাপনার ক্ষেত্র কিছু দুর্নীতি হবে এটা ধরেই নেয়া হয়।এবঙ কাজ করতে গেলে কিছু সমস্যা তো থাকবেই। এই সরকারের আমলে বিদ্যুত সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়েছে। তাই যে কোন আলোচনায় ভাল মন্দ সব বিষয় যদি আসে তবে দেখতে ভাল লাগে। অন্য থায় সেই গতানোগতিক সমালোচনা অন্ধের হাতি দেখার মতোই।

      1. শিবের গীত মনে হল তাই বলে
        শিবের গীত মনে হল তাই বলে নেই:আজকে একজনের সাথে কথা প্রসঙ্গে উঠে এসেছে যে বমপন্থিরা কেন তাদের জনবান্ধব চিন্তা মানুষের কাছে পৌছুতে পারেনা। তো আমাদের কথায় উঠে এসেছে ” যদি তিনজন লোকের সাথে একজন বামকর্মী সাক্ষাত করতে যায়,তখন প্রথমেই লীগ,বিএনপির সমালোচনা দিয়ে শুরু হয়। অথচ ঐ তিনজন লোকই এই দলের প্রতি কিছুটা অনুরক্ত। একন প্রথমেই তার প্রিয় নেতৃর সমালোচনা শুনে প্রথমেই বামকর্মীটির প্রতি একটা বিরুপ মনোভাব তৈরি হয়। তার পর সে যাই বলে তাকে পাত্তা দেবার কিছু থাকে না। আসলে মানুষের পাল্স বোঝার ব্যপারে নতুন করে চিন্তা করা উচিত।

  4. ভোট যত এগিয়ে আসছে আওামী
    ভোট যত এগিয়ে আসছে আওামী ছাগুদের ল্যাঞ্জা তত প্রকাশ্য হচ্ছে। এরা এখন দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে হলেও যে কোনোভাবে ক্ষমতায় যাওয়াটাকেই ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছে।

    1. ভোট যত এগিয়ে আসছে আওামী

      ভোট যত এগিয়ে আসছে আওামী ছাগুদের ল্যাঞ্জা তত প্রকাশ্য হচ্ছে

      আনিস ভাই, এটা কিন্তু একটু বেশী হয়ে গেলো। আপনি এর মাধ্যমে কি বোঝাতে চাচ্ছেন?? যতদূর জানি “ছাগু” বলতে আমরা পাকিবীর্যের ফলনে তৈরি এক প্রজাতিকে বুঝে থাকি। আজ কত সহজে আপনি মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেয়া একটা দলকে এই ট্যাগ দিয়ে দিলেন!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! :মানেকি: :মানেকি: কারনটা কি?? কারনটা হল সত্যভাষণ। চুরি হোক আর যাই হোক গত ৫ বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন যে দ্বিগুণ হয়েছে, তা বিম্পি পর্যন্ত অস্বীকার করতে পারবে না। অথচ আপনি অন্ধ হয়ে আওয়ামীলীগের চুরির ফিরিস্তি দিলেন। জনাবের কাছে জানার খুব ইচ্ছা ছিল, আগের ৫ বছর(২০০১-২০০৬) আপনার ইঙ্গিতমত দুধে ধোয়া তুলসী পাতা বিম্পি’র আমলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ঠিক কতটুকু বেড়েছিল??? তারেক ঝিয়া ১০% আর “লুকিং ফর শত্রুজ” বাবর মিয়ারে ১০% কমিশন প্রদানের পরও কতটুকু বিদ্যুৎ যোগ হয়েছিল জাতীয় গ্রিডে… :এখানেআয়: :এখানেআয়:

      এক আওয়ামি ছাগু হিসেবেই প্রশ্ন রেখে গেলাম… :ভাবতেছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

      1. আওয়ামী ছাগুর ল্যাঞ্জা বের
        আওয়ামী ছাগুর ল্যাঞ্জা বের হলে, বিচিহীন খাসির ল্যাঞ্জাও কিন্তু কম বের হচ্ছেনা। :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

    2. আচ্ছা, আনিস ভাই, আপনি আওয়ামী
      আচ্ছা, আনিস ভাই, আপনি আওয়ামী ছাগু বলে কি বুঝাইতে চাইলেন? সহজ কথা হচ্ছে আপনি আপনার যুক্তি দিয়েছেন আর তারিক ভাই তার যুক্তি দিয়েছে। তো, এখানে যুক্তি তর্কের প্রতিউত্তর না দিয়ে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত আক্রমন কেন? আপনার পোস্ট আপনি লিখেছেন, কিন্তু আপনার মতের বিরুদ্ধে গেলেই ট্যাগ খেতে হবে কেন? তারিক ভাই আপনাকে বিন্দুমাত্র আক্রমণ করেনি। তো, আপনারা যদি বিপরীত মত সহ্য করতে না পারেন তাহলে কিভাবে বাংলা ব্লগের বিকাশ হবে? আপনার মতাদর্শের বিরোধীতা করলেই কি তারা অন্ধ? তাহলে কি নির্বোধ চাটুকাররাই যুগে যুগে প্রশংসিত? আপনি বিদ্যুৎখাতে আওয়ামি দূর্নীতি নিয়ে পোস্ট করেছেন। এখানে আপনি বিশেষজ্ঞের বরাত দিয়েছেন। তারিক ভাই বিশেষজ্ঞের নাম জিজ্ঞেস করেছেন। তো, একজন বিশেষজ্ঞের নাম বলে দিলেই তো হয়! কোন না কোন বিশেষজ্ঞকে ধরাই দিলেন, হয়তো দেখা যাচ্ছে বেচারা আদুল গায়ে মুড়ি চিবাচ্ছে কিন্তু আমরা অকারনে বেচারার ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছি এইটা! আপনি রেফারেন্স দেখান! কোন বিশেষজ্ঞ বলেছে দূর্নীতির জন্য এমন হয়েছে? সমালোচনা হবে গঠনমূলক। নিরপেক্ষতা হচ্ছে উপযুক্ত সমালোচনার পূর্বশর্ত। নয়তো সেটা আর সমালোচনা থাকেনা, সেটা হয়ে যায় অকারণ বৃথা আস্ফালন। বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের কোনো পথ আপনি দেখাননি। জাস্ট বলে গেলেন যে আওয়ামী লীগ বিদ্যুৎখাতে দূর্নীতি করে দেশ ধ্বংস করে দিছে! আমরা রেফারেন্স চাইলাম। আপনি বললেন গুগলে সার্চ দিতে! হ্যাঁ, আমিও আপনাকে গ্যারান্টি দিলাম গুগলে সার্চ দিন বিদ্যুৎখাতে আওয়ামী লীগের সাফল্য। আমি চ্যালেঞ্জ করতে পারি, সাফল্যের রেফারেন্স আপনি কম পাবেননা।

      সমস্যা হল, সবাই দেশের কান্ডারি হতে চায়। কেউ চায় দেশ সামনে যাবে, কেউ চায় পিছন দিক দিয়ে কুদ্দুস আলীর উঠান ঘুরে যাবে, কেউ চায় ডান দিক দিয়ে কদম আলীর বাড়ি ঘুরে গেলে মন্দ হত না, কেউ আবার চায় বাম দিক দিয়ে বদর উদ্দিনের মুদি দোকান ঘুরে যেতে। কিন্তু অভাগা দেশের আর যাওয়া হয়না। মাঝখান থেকে ছাগুরা এগিয়ে যায়। আর এভাবেই ইন্টারনেট ধীরে ধীরে ছাগুদের বিশ্বকোষ হয়ে উঠছে। আর এর জন্য দায়ী হল একতরফা অন্ধ সমালোচনা। কে জানে এই কানাগলি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারবো কিনা? প্রজন্মকে কেউ ধ্বংস করতেছেনা, বরং প্রজন্মই নিজে নিজের বিষ মেরে দিচ্ছে। এই বিষের এতই জ্বালা যে সেটা পরোক্ষভাবে গুলাপি কে শাড়ি উপহার দিচ্ছে, জামাতিদের দিচ্ছে চাপাতি, কিরিচ আর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে দিচ্ছে আছোলা বাঁশ।

      1. সমালোচনা হবে গঠনমূলক।

        সমালোচনা হবে গঠনমূলক। নিরপেক্ষতা হচ্ছে উপযুক্ত সমালোচনার পূর্বশর্ত। নয়তো সেটা আর সমালোচনা থাকেনা, সেটা হয়ে যায় অকারণ বৃথা আস্ফালন।

        স্পষ্টকথনের জন্য অজস্র :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :বুখেআয়বাবুল:

      2. ছাগলামিকে যুক্তি বলাও
        ছাগলামিকে যুক্তি বলাও ছাগলামি। অনলাইনের ছাগলামি মাত্রা ছাড়াচ্ছে। একদল তো খাঙ্কির পোলা না কইয়া মুজিববাদ প্রচার করতে পারতেছে না… ছাগলামি সীমাহীন

      3. ছাগলামিকে যুক্তি বলাও
        ছাগলামিকে যুক্তি বলাও ছাগলামি। অনলাইনের ছাগলামি মাত্রা ছাড়াচ্ছে। একদল তো খাঙ্কির পোলা না কইয়া মুজিববাদ প্রচার করতে পারতেছে না… ছাগলামি সীমাহীন

  5. সরকার ২ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট

    সরকার ২ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৬টি বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা যোগাড় করতে পারছে না। এজন্যই বড়পুকুরিয়া ২৫০ মেগাওয়াট, ঘোড়াশাল ৩০০-৪৫০ মেগাওয়াট, বিবিয়ানা ৪৫০ মেগাওয়াট, শাহজীবাজার ৩০০ মেগাওয়াট, আশুগঞ্জ ৪৫০ মেগাওয়াট এবং সিরাজগঞ্জ ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালকে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে নির্ধারণ করলেও এখনও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কিন্তু বছর বছর হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে এই খাতে।

    টাকা যাচ্ছে কোথায়? এ বছর প্রথম প্রান্তিকে সরকার পিডিবিকে ভর্তুকির যে টাকা দিয়েছিল সরকার তার পুরোটা রেন্টালে দিতে নির্দেশ দিয়ে দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়কে। ৫০৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ছাড়ের শর্ত ছিল, ১৫টি রেন্টাল ও ১৭টি কুইক রেন্টালের বিল পরিশোধ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে এ অর্থ ব্যবহার করা যাবে না।

    এই ব্যাপারে কেউ কিছু বলছেন না দেখছি। এক সরকারের দুই নাম্বারি দিয়ে আরেক সরকারের দুই নাম্বারি জায়েজ করার সেই পুরাতন ফর্মুলাই চলমান থাকবে মনে হয়। এই আমাদের ভাগ্য লিখন। মেনে নেন। না মানলে মুড়ি খান।

    1. আতিক ভাই..লাল সালাম!
      অনেক দিন

      আতিক ভাই..লাল সালাম!
      অনেক দিন পর তর্ক করছি;
      একটা কথায় বলব, ‘আমি এক লাফে গাছের চূড়ায় চড়তে গিয়ে কোমর ভাঙ্গতে চাই না কিন্তু একটু একটু করে চূড়ায় উঠার স্বপ্ন দেখি…’
      আমার আফসোস কি জানেন আতিক ভাই, ১৯৭৩ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রধান বিরোধীদল ছিল বামেরা এখন? আওয়ামীলীগের প্রধান বিরোধীদল হচ্ছে বিএনপি-জামাত! সাধের সমাজতন্ত্রও এখন চাষার সমস্ত স্বপ্ন আস্তাকুড়ে ছুড়ে এখন নষ্টদের অধিকারে…
      এদিকে প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর উপস্থিতিতে কখনই বাম রাজনীতির বিকাশ হবে না বাঙলার রাজনীতিতে, এই গোষ্ঠীর উত্থান হয়েছে ১৯৭৫ এ আর এখন পতনের সময়, আদর্শের লড়াইয়ে থাকতে চাইলে আগে আদর্শহীনদের মাঠ থেকে সরিয়ে দিতে হবে, তারজন্য কি করা অত্যাবশ্যক তা আমার থেকে আপনারাই ভাল বুঝেন কেননা বিশেষজ্ঞদের সাথে আপনাদেরই উঠাবসা বেশী, আমি ভাই নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ায়…
      যখন এই বাকস্বাধীনতাটুকুও থাকবেনা তখন আপনাদের সাথে এমন তর্কও করা হবে না!
      মুড়ি না আমাদের সকলকেই তখন অনেক কিছুই খাইতে হবে…
      ভাল থাকবেন!! শুভ রাত্রি…

      1. আমি এক লাফে গাছের চূড়ায় চড়তে

        আমি এক লাফে গাছের চূড়ায় চড়তে গিয়ে কোমর ভাঙ্গতে চাই না কিন্তু একটু একটু করে চূড়ায় উঠার স্বপ্ন দেখি…’

        :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল:

      2. সোজা কথায় আসি। যদিও তা এই
        সোজা কথায় আসি। যদিও তা এই পোস্টের বাইরের আলোচনায় চলে যাচ্ছে। আপনার কি মনে হয় না সুযোগ থাকা স্বত্বেও জামাতকে এই সরকার নিষিদ্ধ করে নাই শুধুমাত্র রাজনৈতিক ট্রাম কার্ড হাতে রাখার জন্য। প্রতিক্রিয়াশীলতার দিকে আওয়ামী লীগ নিজেই কি ধাবিত হচ্ছে না। আজকে ওলামা লীগ ফতওয়া দিয়েছে, একাত্তরের হিন্দু শহীদদের নাকি শহীদ বলা যাবে না। তাতে নাকি শহীদ শব্দের অবমাননা হয়। বুঝেন অবস্থা।

        1. সুযোগ থাকা স্বত্বেও জামাতকে

          সুযোগ থাকা স্বত্বেও জামাতকে এই সরকার নিষিদ্ধ করে নাই শুধুমাত্র রাজনৈতিক ট্রাম কার্ড হাতে রাখার জন্য। প্রতিক্রিয়াশীলতার দিকে আওয়ামী লীগ নিজেই কি ধাবিত হচ্ছে না। আজকে ওলামা লীগ ফতওয়া দিয়েছে, একাত্তরের হিন্দু শহীদদের নাকি শহীদ বলা যাবে না। তাতে নাকি শহীদ শব্দের অবমাননা হয়। বুঝেন অবস্থা। –

          এর চেয়ে বিশি কিছু কি আওয়ামীলীগের কাছে প্রত্যাশা করেন?

  6. সবাইকে অনুরোধ জানাব ব্যক্তিগত
    সবাইকে অনুরোধ জানাব ব্যক্তিগত আক্রমন পরিহার করে যুক্তিশীল আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য। সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বললে সবাইকে হামলে পড়তে হবে ক্যানো? আবার কেউ ব্লগীয় আচরণবিধি অনুযায়ী যুক্তিশীল আলোচনা করলে তাকে ব্যক্তিগত আক্রমনইবা করতে হবে ক্যানো? বিদ্যুৎখাতে অতীতের সরকারগুলোর মত বর্তমান সরকারের দুর্নীতি যেমন আছে, সাফল্যও আছে। কেউ একজন যদি দুর্নীতিগুলো তুলে ধরেন, তাহলে অন্য কেউ বিদ্যুৎ সেক্টরে সাফল্য তুলে ধরতে পারেন। এটাই হওয়া উচিত। ইস্টিশনের একজন সহ-ব্লগার হিসাবে সবাইকে অনুরোধ জানাব ব্লগীয় শিষ্টাচার বজায় রেখে সবাই ব্লগিং করুন। আলোচনা-সমালোচনার মাধ্যমেই মুক্তির পথের সন্ধান পাওয়া যায়। কোন কিছুতেই এক রোখা মনোভাব শোভনীয় নয়।

    বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি নিয়ে এর আগেও আনিস ভাইয়ের বেশ কয়েকটি তথ্য সমৃদ্ধ পোস্ট আছে। সেখানে যথেষ্ঠ রেফারেন্স আছে। তারপরও সম্ভব হলে আনিস ভাইকে বলব স্বেচ্ছায় অন্ধত্ব বরন করাদের রেফারেন্স দিয়ে একটু স্মরণ করিয়ে দেন। তাছাড়া আপনার মত সু-ব্লগার থেকে আমরা সহনীয় মাত্রায় প্রতিক্রিয়া আশা করি।

    সময় করতে পারলে আমি কিছু রেফারেন্স এখানে দেওয়ার চেষ্টা করব। সবচেয়ে বড় কথা- ইস্টিশন একটি পরিবারের মত; আমরা এখানে আলোচনা-সমালোচনা করেই “প্রাণে প্রাণ মিলাব…………”।

    1. দুলাল ভাই, সকালে অফিসে এসে
      দুলাল ভাই, সকালে অফিসে এসে আপনার প্রানে প্রানে মিলানোর আহ্বান দেখে ভালই লাগল…
      তবে কিছু কথা থেকে গেল দুলাল ভাই।। ধরেন যেদিন সত্যের তলোয়ার “বাঙালী”-কে ‘ভেঙালি’ বলে কটাক্ষ করল ওইদিন আমরা সবাই মিলে তার বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছি, শেষতক তাকে ব্যান করতে সবাই একমত হয়েছিলাম। এখন দেখুন আবার যখন উগ্র-নাস্তিকতা নিয়ে আপনার সাথে সহমত ছিলাম / মিতু’র নারীদের নিয়ে তেঁতুল সম্পর্কিত বিষয়ে বেশীরভাগই আমরা একমত হতে পেরেছিলাম। এখন আপনিই বলেন এই পোস্টে এমন কি দুর্বলতা বা পক্ষপাতদুষ্টতা আছে যাতে আমরা সবাই বিরোধিতা করলাম? এইটা একজন মননশীল লিখক হিসেবে পোস্টকর্তারই বের করা উচিৎ; নয় কি?
      দুলাল ভাই আপনি/আপনারা সবাই আমাদের একজোট হয়ে হামলা করার অভিযোগ করছেন, কিন্তু আপনি নিজেও যে একই অভিযোগে অভিযুক্ত হতে পারেন তার খেয়াল করেন নাই? অনেকেই রামপাল নিয়ে ভিন্ন মত পোষণ করে, করাটাই স্বাভাবিক!! তবে এইখানে তাদের অনেকেই তাদের নিজেদের মত করে পোস্টটির বিরোধিতা করল, এর পরও যখন আপনি/আপনারা/কেউ যদি আমাদের আলোচনাকে দালালী/জোটবদ্ধ হামলা বলতে চান!! আর পরক্ষনেই প্রান প্রান মিলাতে চান তবে তা কেমন হবে আপনিই বলুন…
      ধন্যবাদ… ভাল থাকবেন… শুভ কামনা রইল…

      1. আমার মন্তব্যটি ভালভাবে পড়েন,
        আমার মন্তব্যটি ভালভাবে পড়েন, তারপর সিদ্ধান্তে আসেন আমি কি বলতে চেয়েছি। পুর্ব সিদ্ধান্তে অটল থেকেই যদি মন্তব্য করতে বসেন তাহলে জোটবদ্ধ মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক। আর দয়া করে আমাকে ‘আমি/আমরা’ সম্বোধন করবেন না। কারণ অনলাইনে বিগত ছয়/সাত বছর জোটবদ্ধ হয়ে অনৈতিক কোন কাজে আমাকে কেউ দেখেছে বলতে পারবে না।

        আমার উপরের মন্তব্যে আমি সবার উদ্দেশ্যই বলেছি। এখন আপনি যদি আমার মন্তব্য থেকে ত্রুটি খুঁজে বের করেন, করতে পারেন। দালালী-ফালালী এসব শব্দ আমি আমার মন্তব্যে ব্যবহার করি নাই। আমার উপরের মন্তব্যে আমি কাউকে ডিফেন্ড করি নাই। এই বিষয়টা নিয়ে আর কথা বলার ইচ্ছেও নেই। সোজা কথা- সবাইকে সব ধরনের ট্যাগিং বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়েছি। কার ভাল লাগল, কার খারাপ লাগল এটা আমি চিন্তা করি না।

        সবাই ভাল থাকুন। দেশকে ভালবাসুন, দেশের জন্য কিছু করুন।

    1. তো এখন কি চান? সাপ থেকে
      তো এখন কি চান? সাপ থেকে মুক্তি চান? ক্যামনে? একটা রূপরেখা দিন…
      :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি: :চিন্তায়আছি:

  7. পোস্টে বিদ্যুৎখাতে কোন কোন
    পোস্টে বিদ্যুৎখাতে কোন কোন সিস্টেমে দুর্নীতি করা হয়েছে সেটা স্পষ্টভাবেই পোস্টদাতা উল্লেখ করেছেন। খাতওয়ারী এই দুর্নীতি নিয়ে কেউ কথা না বলে বিদ্যুতের মুল্য কেন বাড়ানো হয়েছে সেই যুক্তি খোঁজার চেষ্টা করেছেন অনেকেই। মুলার দাম বেড়েছে, তাই বিদ্যুতের দাম বাড়বে। মুলা ব্যক্তিগত উদ্যোগে উৎপাদন করা হয় এবং এটার সরবরাহ হয় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে। রাষ্ট্র কোন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান না। সেবামুলক প্রতিষ্ঠান। জনগনের প্রয়োজনেই রাষ্ট্র ভুতর্কি দেবে। এটাই নিয়ম। আলু-মুলার দাম বাড়ার সাথে সাথে রাষ্ট্রীয় সেবাখাতের মুল্য তরতর করে বাড়াবে আর সেখানে জবাবদিহীতা থাকবেনা, এটা কি মানা যায়? কুইক রেন্টালের নামে রাষ্ট্রের টাকা দলীয় সমর্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে বিলি-বন্টন করা নিশ্চয় দুর্নীতির পর্যায়ে পড়ে। সাফল্য তখনই মুল্যায়িত হয়, যখন সাফল্যের সুফল জনগন ভোগ করে। রাস্ট্র বিজ্ঞান এমনই বলে। বিদ্যুৎখাতে সরকারের সাফল্য তখনই মুল্যায়িত হত, যখন এই দুর্নীতিগুলো না হত।

    এটা বুঝা উচিত, আওয়ামীলীগের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশী। আগের সরকার একদম কিছু করে নাই, এই সরকার কিছুটা হলেও করেছে, এই ধরনের কথাবার্তা কতটুকু গ্রহনযোগ্য? আগের সরকার করে নাই বলেই জনগণ সম্মিলিতভাবে বিপুল আসনে বর্তমান সরকারকে নির্বাচিত করেছে। তাই জনগণের প্রত্যাশার মুল্যটাও দিতে হবে। সরকারের সমালোচনা করা মানে সরকারের বিরোধীতা করা না। সমালোচকরা সমালোচনা করবে সংশোধনের জন্য। আবার যারা সরকারের পক্ষের শক্তি তারা সরকারের সাফল্যকে তুলে ধরবে। গনতান্ত্রিক চর্চায় এটাই নিয়ম। এখন সমালোচনা সহ্য করতে না পারলে কিছুই করার নাই।

    1. “সরকারের সমালোচনা করা মানে
      “সরকারের সমালোচনা করা মানে সরকারের বিরোধীতা করা না।”—
      শুধু এই লাইনটুকুই বিশ্লেষণ করি! আবারও এক স্কুল শিক্ষকের উদাহরণ দিয়ে বলি।
      শিক্ষক ছাত্রের উত্তরপত্র মুল্যায়ন করবে অথচ ১০০ মার্কের উত্তরপত্রের শুরুতে তিনি এতটাই রাগান্বিত হয়ে গেলেন যে ১০ মার্কের রোষানলে পরে ছাত্রটি বাকি ৯০ মার্কের ৭৫+ উত্তর দিয়েও শুন্য পেল! তবে আপনার উক্তিটি কি হাস্যকর আর তর্কের হাতিয়ার বলে মনে হচ্ছে না… পোস্টটি কোন অবস্থাতেই গত ৪ বছর ৮ মাসের সরকারের ন্যায়সঙ্গত বিশ্লেষণ হয় নি, এইটাই আমি বলতে চেয়েছি!! ধন্যবাদ দুলাল ভাই…
      ভাল শিক্ষক ফেল করা একদল ছাত্রের মধ্যে যে ৬০-৭০% মার্ক পাই তাঁকে ঘষে-মেজে সোনা বানায়, বাদবাকি ৪০-৩০% মার্কের জন্য তাকে নিরুৎসাহিত করে না… আপনি বোধ হয় ১৯৭৫-১৯৯৬ আবার, ২০০১-২০০৮ এর সকল কিছু ভুলে গেছেন বা যাচ্ছেন!!

  8. বুঝতেছিনা কথা কমু কিনা।
    বুঝতেছিনা কথা কমু কিনা।

    বিচ্ছেদ ঘটল অনন্ত-বর্ষার – Bangla News 24

    যায় যায় দিন :: :: গৌরী বনাম শাহরুখ-প্রিয়াঙ্কা

    এক ঘুঁসিতে নাক ফাটিয়ে দিলেন সাইফ আলি খান,অতঃপর মামলা | প্রথম বাংলা …

    এইগুলা কিন্তু ভাল কাজের জিনিস।

    1. (No subject)
      :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: 😀 😀 😀 😀 :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:

  9. এখানে এক চেটিয়াভাবে আপনি
    এখানে এক চেটিয়াভাবে আপনি সরকারকে ( সরকার পরিচালনাকারী দল ) দায় করে যাচ্ছেন । অবশ্যই তাদের দায় আছে ; তবে আমার মনে হচ্ছে এখানে সরকারের তুলনায় প্রশাসন আর প্রশাসন যন্ত্রের আমলারা বেশি দায়ী । আরেকটা বিষয় হলো যেকোন বিষয়ই কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছানোর পূর্বেই তার সমাধান হয়ে যায় কোন এক অদৃশ্য ক্ষমতার বলে । আমি বলতে চাচ্ছি কেন্দ্র অনেক ব্যাপারই সঠিক তথ্য পায় না ।

    বিনপির খাম্বা আর আওয়ামীলীগের বিদ্যুৎ অনেক পূর্ব থেকেই বিতর্কিত । এ ব্যাপারে নতুন কিছু বলার নাই । তবে আমার কাছে ‘ সিলি ‘ একটা প্রশ্ন আছে – আপনি যেসব বিশেষজ্ঞদের কথা বলছেন তাদের নাম এবং কর্ম পরিধি বিষয়ে স্পষ্ট নয় । এ প্রশ্ন আসতো না যদি আপনি একাধিকবার এনাদের প্রসঙ্গটি না আনতেন । তবে আমার মনে হয় পর্দার আড়ালে লুকিয়ে থাকা এনারাও দায়ী । কারন অন্যায় যে করে আর যে বোঝে , তারা উভয়ই সম অপরাধী । তারা জানতেন অথচ বিষয়টি জনসমক্ষে এতোদিন কেন আনেন নাই ??

    1. উদ্ভট কথা বার্তা। একজন
      উদ্ভট কথা বার্তা। একজন বিশেষজ্ঞ কি করতে পারে! শুধু মতামত দেয়া ছাড়া। তারা গোড়া থেকেই লিখে যাচ্ছেন, আমরা দেখছি। আপনারা খোঁজ রাখেন না, তাই জানেন না। আর সরকারের দুর্নীতিবাজরা সেসব কথা কানে নেয়নি। আমি এখানে একজনের নামই দিয়েছি। যাকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসি পরামর্শক মানে। তিনি শামসুল আলম স্যার। নিচে তার একটি লেখার লিঙ্ক দিলাম।

  10. রেফারেন্স চায় মানুষ! কিন্তু
    রেফারেন্স চায় মানুষ! কিন্তু খুঁজে দেখার পরিশ্রমটা করতে পারে না! অদ্ভুত সব যুক্তির সমাহার! গ্যাসের দাম, বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয়, বেসরকারিকরণ, মূল্যবৃদ্ধির কারসাজি নিয়ে অনেক তথ্য পাবেন, আজ কালের কণ্ঠে প্রকাশিত এই লেখাটি থেকে। লিখেছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম শামসুল আলম।

      1. সমালোচনার উৎসটা যদি হয় আওয়ামী
        সমালোচনার উৎসটা যদি হয় আওয়ামী মুখ, তাহলে থোড়াই কেয়ার করি! আর যদি মানুষের পক্ষে দাঁড়ান, তাহলে আসুন মুখোমুখি বসি। বলুন, আপনি যা বলতে চান। আমিও আমার মতামত দেই। এভাবে দু একটা মন্তব্যে সমাধান আসবে না। মুখোমুখি আলাপে ফল আসবে বলে আশা করি।

  11. বিশাল বাল ফালাইন্যা গবেষনা
    বিশাল বাল ফালাইন্যা গবেষনা দেখি এই পোস্টে। এই সেক্টরে দুর্নীতি খাম্বা সরকারও করেছে এবং আম্বা সরকারও করেছে। বিদ্যুৎখাতের সমস্যা সমাধানে সরকার সঠিক পথে হাটে নাই। তবে চেষ্টা ছিল। সরকার গাছেরটা খাইতে চাইছে, তলারটাও খাইতে চাইছে।

    আর এখানে যারা সরকারের পক্ষে সাফাই গাইতেছে- তারা জেনেশুনেই গাইতেছে। তাদের যুক্তি আরো হাস্যকর। তারা ভাল চায় না। মন্দের ভাল নিয়ে পড়ে থাকতে চাইছে। মন্দের ভাল হইল আবুল চোরের দল, সুরঞ্জিতের কালো বিড়ালের দল।

    1. জনাব বৃত্তবন্দী চন্দ, আপনে
      জনাব বৃত্তবন্দী চন্দ, আপনে দয়া কইরা আর বৃত্তের মধ্যে ঘুরপাক না খায়া জাতির সামনে আপ্নের অতি মূল্যবান “”

      ভালো

      “” দল/মত/পথ/গোষ্ঠী/মানুষ কে উপস্থাপন করে জাতিরে ধন্য করেন… :এখানেআয়: :এখানেআয়: :এখানেআয়: জাতির এই ক্রান্তিকালে আপ্নের মত পথপ্রদর্শকের খুবই দরকার… নির্বাচনের আগে আপনাদের এইরকম একচোখা অনুসন্ধানী হিসাবনিকাশ কিন্তু অন্যকিছুর ইঙ্গিত দেয় জনাব… :-B :চিন্তায়আছি: :এখানেআয়:

      1. ডন ভাই অফ যান। পোস্ট হিট
        ডন ভাই অফ যান। পোস্ট হিট খাওয়ানোর জন্য চারদিন পর আইসা এইসব কথা বলল আর আপনিও না বুঝে ক্ষেপে গেলেন। তার চেয়ে ঘুমাই। :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে:

        1. অন্তত আপ্নের মত কথাবার্তায়
          অন্তত আপ্নের মত কথাবার্তায় আজাইরা অশ্লীলতা প্রদর্শন করতেছে না, এইটাই যথেষ্ট… :ভাবতেছি: :-B :থাম্বসডাউন:

  12. নিচের রিপোর্টটি দেখ হে
    নিচের রিপোর্টটি দেখ হে আলোকপ্রাপ্ত দলকানার দল। যেখানে বিদ্যুত বিভাগের এক কাজ থেকে ৪৮ কোটি টাকা ঘুষের লেনদেনের প্রমাণ হাতে নাতে দেয়া হয়েছে।
    তোমরা আর কত অস্বীকার করবা। আরো শুনে রাখো, হাতে নাতে প্রমান দেবার পরও অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনের কিছুই হয় নি। কারণ কি জানো, তিনি ছাত্রলীগের বুয়েটের সভাপতি ছিলেন।
    বোঝা গেলো এবার?
    এবার তোমাদের বিশ্রি দেতো হাসি থামাও হে
    http://www.kalerkantho.com/print-edition/first-page/2015/05/25/225852

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

33 − 28 =