পর্নোগ্রাফি বিতর্ক কি ভারতে পর্ন ইন্ডাস্ট্রি প্রতিষ্ঠার আয়োজন?

?oh=358ef8f660ee057d3340457f41aa1c6b&oe=5657DB27″ width=”400″ />

ভারতে গত ১ আগস্ট রাত থেকে অধিকাংশ পর্ন সাইট খুলছে না। সকলেই ভেবে নিয়েছিলেন নেটওয়ার্কের সমস্যা। কিন্তু ক্রমশ জানা গেল মোট ৮৫৭টি পর্ন সাইট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। নির্দেশ পেয়ে বেশ কিছু টেলিকম ও ইন্টারনেট সেবাদাতা সংস্থা ইতিমধ্যেই পর্নোগ্রাফিক সাইটগুলি বন্ধ করতে শুরু করেছে।

সেদেশের ধনী ও মধ্যবিত্তশ্রেণীর একাংশ ইন্টারনেটে এর বিরোধিতা করে প্রচার চালাচ্ছেন। সম্প্রতি এ বিষয়ে গুগল এক সমীক্ষা প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, সানি লিওন, মিয়া খালিফা, লিসা অ্যান নামক পর্ন তারকাদের নাম ইন্টারনেটে বেশি সার্চ করা হয়। শহুরে মানুষ পর্ন বেশি দেখেন। এদের বেশিরভাগই ২৮-৪৮ বছর বয়সী। পুরুষ এবং মহিলাদের মধ্যে পর্ন দেখার হারে এগিয়ে পুরুষরাই। তবে এক-চতুর্থাংশ মহিলাও পর্ন দেখেন। পুরুষ ইউজারদের মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ‘ফিজিক্যাল অ্যাক্ট অফ সেক্স’।

পর্নোজগতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত তারকা সানি লিওন বেশ খ্যাতনামা। আছেন মিয়া খলিফা, নাদিয়া নীসের মতো দেখতে ভারতীয় এমন তারকাদের আধিপত্য। আরো আছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রিয়া রায়। ফলে পশ্চিমা ব্যাপার হলেও এই শিল্পের সঙ্গে ভারতের একটা সম্পর্ক তৈরী হয়েছে। ইন্টারনেটের পর্ন দর্শকও ভারত-পাকিস্তানে অনেক। বিশ্লেষকরা অভিযোগ করছেন, ভারত সরকার পর্ন ইন্ডাস্ট্রির বিকাশ ঘটাতে চায়। আর এজন্যই ইন্টারনেটের পর্ন সাইটগুলো বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।

এ অভিযোগ আরো মূর্ত হয়, পর্ন সাইট বন্ধ হওয়া নিয়ে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলোর খবর প্রচারের ধরণ থেকে। আনন্দবাজার তো ছবিসহ ছেপেছে শীর্ষ পর্ন তারকাদের নাম। পত্রিকার পাতায় যৌনতার মূর্ত রূপায়ণ ঘটাতে পেরে তারা যে সন্তুষ্ট তা খবরের বহর দেখলেই বোঝা যায়। অনেকের মতে, এর ভিত্তিটা তৈরী হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে।

কিছুদিন আগে বলিউডের টপ স্টারদের নিয়ে তৈরি ‘AIB’ বা ‘All India Bakchod’ নামের একটি অ্যাপিসোড দর্শকদের মধ্যে ব্যপক সাড়া ফেলেছিল। যারা ভিডিওগুলি দেখেছেন এবং ভাল ইংরেজি ও হিন্দি বোঝেন তারা সহজেই বুঝতে পেরেছেন এই অ্যাপিসোডে অংশগ্রহণকারীদের ভাষা ও অঙ্গভঙ্গিতে কতটা আরোপিত যৌনতা রয়েছে।

প্রথম সারির শিল্পীরা যারা হাজারো মানুষের সামনে এ ধরনের অভিনয় করতে পারেন, তারা পর্ন মুভিতে অভিনয় না করলেও পর্নকে যে স্বীকৃতি দিতে দ্বিধা করবেন না, সেটা ধরেই নেয়া যায়। ইতোমধ্যে শাহরুখের মতো বিরাট তারকা ‘এক সময় পর্নস্টার হতে চেয়েছিলাম’ বলে স্বীকারোক্তিও দিয়েছেন সংবাদ মাধ্যমের কাছে।

এরই ধারাবাহিকতায় বন্ধ হলো অনেক পর্ন সাইট। লক্ষ্য হলো, বিদেশি সাইটগুলো বন্ধ থাকলে এর একটা চাহিদা বাজারে অনুভূত হবে। যদিও প্রকাশ্যে বলিউড তারকারা এসব সাইট বন্ধের সমালোচনা করছেন। এর মাধ্যমে তারা পর্ন দেখার অধিকার সম্পর্কে একটা নৈতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন। যা তাদের পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য খুবই জরুরী। চিত্রনির্মাতা রাম গোপাল ভার্মা বলছেন, প্রাপ্তবয়স্কদের পর্নগ্রাফি দেখতে বাধা দেওয়া, তালিবান ও আইএসআইএস যা করছে তার থেকে আলাদা কিছু নয়। আগামীতে এই ব্যবসায় তার সহকর্মীরা এগিয়ে আসবেন, সুতরাং তার পক্ষে এর চেয়েও ডেসপারেট বক্তব্য দেয়া অস্বাভাবিক নয়।

এই দাবি ও এর সঙ্গে ইন্টারনেটে পর্ন বন্ধ, এর ফলাফল কী হবে! ১৫/২০ বছর আগে যেভাবে সিডির দোকানে পর্ন বিক্রির ব্যবসা চলত, তা আবার শক্ত পায়ে দাঁড়িয়ে যাবে। ক্রমে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর আবির্ভাব হবে যারা ভারতের মাটিতেই পোপনে পর্ন শুটিং শুরু করে লুকিয়ে ব্যবসা শুরু করবে। এভাবে চলতে চলতে এক সময় বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসবে।

এরপর অর্থমূল্যের হিসাব তুলে একদল ভাড়াটে বিশেষজ্ঞ এই খাতকে নিরাপত্তা দেয়ার দাবিও তুলবে। এদের সফলতা এবং এর থেকে প্রচুর মানুষের কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা হওয়ায় একসময় ভারতের মাটিতেই স্লোগান উঠবে এদের ব্যবসার ডিসিপ্লিন রক্ষার্থে এবং যত্রতত্র যেন এই কাজ না হয় সেজন্য সরকারের উচিত মনিটোরিং কমিটি তৈরী করে এর দেখভাল করা। এসব আশঙ্কা একেবারে অমূলক নয়!

অথচ দীর্ঘদিন ধরেই যৌনমনোবিদরা দাবি করছেন, পর্নোগ্রাফির বিস্তার রোধ করা গেলে যৌন সহিংসতাকে কমিয়ে আনা যাবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, পর্নোগ্রাফি ব্যাক্তিগত কল্পনার জগতে অ্যাংগার ও ভায়োলেন্স জন্ম দেয়। এর মাধ্যমে ফিল্মড প্রস্টিটিউশনের একটা চাহিদা তৈরিতে অংশ নেয় দর্শক।

গ্রীক শব্দ ‘পর্নি’ মানে ‘প্রস্টিটিউট’ এবং ‘গ্রাফিয়া’ মানে ‘ডকুমেন্টেশন বা ভিডিও আকারে ক্যামেরায় ধারন করা’। প্রস্টিটিউশন কখোনই কারোরই ছোটবেলার স্বপ্ন নয়। বিভিন্ন সমস্যা আর চাপের কারনেই এটাতে আসতে মানুষ বাধ্য হয়। কিন্তু এখন এটাকে স্বাভাবিক হিসেবে হাজিরের চেষ্টা চলছে বাণিজ্যবৃদ্ধির জন্য।

পর্নোগ্রাফি ব্যবসার এটা ধরন মাত্র। এটা আসলে যৌনতা সম্পর্কিত সাহিত্য অথবা স্বাস্থ্যসম্মত যৌন কর্জকলাপও নয়। পর্নোগ্রাফির অধিকাংশই মূলত নারীর উপর পুরুষের কর্তৃত্ব করা, নারীকে অধীনস্ত করার সাথে সম্পর্কযুক্ত। পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে যৌনচর্চ্চায় লৈঙ্গিক আধিপত্যের মাত্রা বিস্তৃত হচ্ছে।

পর্নোগ্রাফিতে যৌনবিকৃতিকে স্বাভাবিক আচার হিসেবে তুলে ধরা হয়। নারীর শ্বাস রোধ করে রাখা কি পুরুষের যৌনতা উষ্কে দেয়? কোনো আদরের সম্পর্ক ছাড়া বর্বরভাবে যৌনতা উপভোগ করার ব্যাপারটা যদি কামোদ্রেক করে তাহলে এটা বিকৃতি, কিন্তু পর্নোগ্রাফি বলবে এটা যৌনতা!

পর্নোগ্রাফিতে মানুষের ইন্দ্রিয়সুখ সম্পর্কিত স্বাভাবিক আচরণ যেমন, সস্নেহ আলিঙ্গন, প্রণয়স্পর্শ, চুমু ইত্যাদি আন্তরিক ব্যাপারগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া হয়। পর্নোগ্রাফি ক্যামেরা শুধুমাত্র যেটাকে ফোকাস করে তা হলো নারীর যৌনাঙ্গের ভিতর পুরুষের যৌনাঙ্গের প্রবেশ । যৌনসুখের চেয়ে ক্যামেরার সামনে পরিপাটি হয়ে এক্সপ্রেশন দেয়াটা বেশি প্রাধান্য পায়। হঠাৎ করে দুজন যৌনসঙ্গী নিরিবিলি একটা যায়গায় একা হয়ে যাওয়ার পর কি পরিস্থিতি হবে! কিভাবে দুজনের মধ্যকার শারিরিক চাওয়াটা ধাপে ধাপে উঠে আসবে? আগে এগুলো মানুষের কাছে অতীব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু পর্নোগ্রাফি বলছে, জামা ছিঁড়ে ফেল, ঢুকে যাও!

পর্নোগ্রাফির বিকৃত যৌনতা ও তারকাদের অবাধ যৌনক্ষমতা দর্শকের মনে নানা ধরণের নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দর্শক মৈথুনে অভ্যস্ত হন এবং দেখেন যে, তার বীর্য ধরে রাখার স্তায়ীত্বকাল অনেক কম। ফলে তিনি বাস্তব নারী সম্পর্কে যতে ভয় পান এবং আরো বেশি পর্ন আসক্ত হয়ে পড়েন।

?oh=e3910088d8fbfcf4be8c7bc890623429&oe=56455695″ width=”350″ />
পর্নোগ্রাফি আপনার এহেন মনোছবি ও ভালো লাগাগুলো কেড়ে নিবে

পর্নোগ্রাফিতে দেখানো হয়, সবাই যৌনক্রিয়ায় উন্মত্ত। চলছে লাগাতার। কিন্তু বাস্তব জীবনে দর্শক দেখেন, প্রায়শই তার সঙ্গী যৌনক্রিয়ায় আগ্রহ দেখায় না। এটা ওই দর্শককে ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশনের মধ্যে ফেলে। তার জীবন যাপন, এমনকি খাওয়া দাওয়ায়ও সমস্যা হয়। সে নিজেকে অসুখী ভাবতে থাকে। তারপর সে সাংসারিক গণ্ডি ভেঙে অবৈধ যৌন সম্পর্ক করতে চায়।

অন্যদিকে পর্নোগ্রাফিতে অংশ নেয়া অধিকাংশের জীবনই খুব কঠিন। খোঁজ নিলে দেখা যাবে, হাতে গোণা কয়েকজন বাদে অধিকাংশই মাফিয়া ও গডফাদারদের বিকৃতি চরিতার্থ করতে গিয়ে জীবন দেন, নইলে নেশায় শেষ হয়ে যান, অথবা পর্ন গডোফাদারদের হাতে নিগৃহীত হয়ে মারা যান। পঞ্চাশের মধ্যে তাদের জীবন শেষ হয়ে যায়। সমাজে তাদের কোনো গ্রহণযোগ্যতা থাকে না।

খেয়াল করলে দেখবেন, আমরা সবাই এমন মানুষের সঙ্গে কমবেশি চলাফেরা করি, যারা দু’ চারবার বেশ্যালয়ে গিয়েছেন। কিন্তু আমরা কখনোই একটা প্রস্টিটিউটের সাথে একই টেবিলে বসি না। আত্মগোপনে থাকা কারো সাথেও না। এটা সামাজিক মৃত্যু। এটা মোটেও মোহনীয় কিছু নয়, কখনো হতেই পারে না। কারণ মানুষ সামাজিক জীব।

পর্নোগ্রাফি ব্যবসার জন্য ইউরোপে নারী পাচার চক্র আছে। এরা প্রস্টিটিউট সাপ্লাই দেয়া ও তাদের ভিডিও বানানোর কাজ করে। এজন্য বিভিন্ন দেশ থেকে অপহরণ ও নানা কায়দায় নারীদের তারা ধরে এনে এ কাজ করতে বাধ্য করায়। ভয়ঙ্কর এই অপরাধীরা সারা বিশ্বে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং শিশু ও নারীদের যেকোনো উপায়ে ক্যামেরার সামনে ও বাইরে প্রস্টিটিউশনে নিয়ে আসছে।

পর্নোগ্রাফি ছাড়তে হবে নিজের ও সমাজের জন্য। কারণ এটা না ছাড়লে আপনার ব্যক্তি জীবন সুখের ও পরিচ্ছন্ন হবে না। আবার এই পর্ন দেখে দেখে আপনি এর চাহিদা বাড়াচ্ছেন, যেজন্য কিডনাপ হতে পারে আপনারই কণ্যা, বোন বা স্ত্রী। এটা দেখা না থামালে, এর বিরুদ্ধে না দাঁড়ালে সমাজে এই আপদ বাড়তেই থাকবে। যা আপনাকেও গ্রাস করতে পারে।

যৌনতাকে ব্যবসার উপকরণ বানানো হয়েছে। এটা আধুনিক যুগের সবচেয়ে নোংরা কাজ। এই আধুনিক যুগ ও তার পরিচালক ধনীকেরা কিন্তু পৃথিবীতে হেন অপরাধ নেই করছে না। তারা সাম্প্রদায়িক ও জাতিগত দাঙা ছড়িয়ে দিয়েছে। যৌনতা ও চিকিৎসাকে ব্যবসার উপকরণ বানিয়েছে। দুজন নারী-পুরুষের অন্তরঙ্গ মুহূর্তকে ফাঁস করে তাদের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে নিজেরা অর্থ হাতাচ্ছে। এর বিরুদ্ধে আপনাকে ভূমিকা রাখতেই হবে। চেনা সমাজটাকে বাঁচাতে, এমনকি নিজেকেও।

নোট : টেডএক্সে দেয়া র‍্যান গ্যাব্রিয়েল্লি’র বক্তৃতা থেকে নেয়া অনেক মতামত এখানে সংযোজিত হয়েছে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৮ thoughts on “পর্নোগ্রাফি বিতর্ক কি ভারতে পর্ন ইন্ডাস্ট্রি প্রতিষ্ঠার আয়োজন?

  1. একটানে পড়ে ফেললাম। দুর্দান্ত
    একটানে পড়ে ফেললাম। দুর্দান্ত লেখা। র‍্যানের এই ব্যাখ্যাগুলো আগেও ইন্টারনেটে পড়েছি। কিন্তু আপনি যেভাবে বাস্তব সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত করে উপস্থাপন করলেন, তা অসাধারণ। ভারতে পর্ন ইন্ডাস্ট্রির বিকাশের পদধ্বনি আমরা শুনতে পাচ্ছি তাহলে। কত মা-বোন-কণ্যা হারিয়ে যাবে! তাদের কোনো খোঁজ মিলবে না। বরং ভিডিও বের হওয়ার পর তার পরিবার একঘরে হবে। আমাদের সমাজে এ ব্যাধি বিকশিত হলে পরিণাম হবে ভয়াবহ।

  2. অসাধারণ লিখেছেন। পর্ণোগ্রাফি
    অসাধারণ লিখেছেন। পর্ণোগ্রাফি মানুষের স্বাভাবিকতা নষ্ট করে দেয় দ্রুত, বিষন্নতায় মুড়ে দেয় অনেক সময়। এটি কখনই স্বাভাবিক সামাজিক ক্রিয়া হতে পারে না। এর বিরুদ্ধে সবাই কথা বলা উচিত।

  3. অসাধারন একটি লেখা। বিপুল
    অসাধারন একটি লেখা। বিপুল জনসংখ্যা আর রক্ষণশীল সমাজ ব্যবস্থার কারনে ভারত এখন পর্ণ ব্যাবসায়ীদের প্রধান টার্গেট। সানি লিওনের মত পর্ণষ্টার অভিনয়ের অ ও না জেনে মূল ধারার বলিউডি সিনেমা গুলোয় অভিনয় করছে। এখানে প্রযোজকের মূল উদ্দেশ্য সানি লিওনের পর্ণষ্টার ভাব মূর্তিকে কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জন। কাজেই ভারতের উচিত আগে পর্ণ শিল্পের সঙ্গে জড়িত দেশীয় সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।

    1. ভারত ব্যবস্থা নিবে না। কারণ
      ভারত ব্যবস্থা নিবে না। কারণ ভারত পর্ণোইন্ড্রাস্ট্রিতে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে চায়।

  4. খাজুরাহো মন্দির দেখলাম ১৯৮২র
    খাজুরাহো মন্দির দেখলাম ১৯৮২র এপ্রিলে । তার আগে আমরা আরো বিষদ শিল্পকলা যাতে তীব্র যৌনতা নিহিত তা দেখলাম মাস জুড়ে । ৭৯ সালে প্রথম পর্ণ যা তখন ব্লু ফিল্ম বলা হত দেখলাম অতি গোপনে মহসিন হলে। খাজুরাহোর সামনে দাড়িয়ে এক লুকিয়ে থাকা পৃথিবী সামনে চলে এলো। তাহলে বাৎস্যায়নের কামসূত্র হচ্ছে পৃথিবীর আদিতম পর্ণ এবং পশ্চিমাদের পর্ণের উৎস । মানুষ এখন অনলাইনে দেখে আর যারা সাক্ষাত মন্দিরে দেখেছে তারা ফ্রন্ট লাইনে দেখছে এবং দেখবে। আশ্চর্য হয়েছি তখন এইসব আসন, কামলীলার প্রকরণ সেই হাজার বছর আগে ভারতীয় ঋষি আর শিল্পীরা কোথায় পেয়েছিল ? পশ্চিম নয় ভারত হচ্ছে পর্ণর সূতিকাগার আর এই বিষয় লাইন কেটে / বন্ধ করে ঠেকানো মুশকিল হবে । ছোট ছোট ডিভাইসে ছড়িয়ে পড়বে সর্বত্র । পাকিস্তান হচ্ছে পর্ণর সবচে বড় গোপন বাজার । আর ওইসবের প্রস্তুতকারক মেক ইন ইন্ডিয়া ।

  5. পর্নোগ্রাফি বন্ধ হোক। তবে
    পর্নোগ্রাফি বন্ধ হোক। তবে আমার মনে হয় ভারত নতুন পর্নের সাইটের বাজার নিজেদের করে নিতে চাইটে। এই বিশাল বাজার তাদের আধিপত্য বাড়াতে চায়। ৮৫০ টি পর্নো সাইট মানে বিশাল বাজার। তারা নিজেরা পর্নো বানিয়ে সেগুলো বাজারে ছাড়বো। আপনি যেমন বললেন সিডির আকারে। এতে করে ভারতে অবাধ যৌনাচার, ধর্ষন, অপ্রাপ্য বয়স্ক সেক্স, মূল্যবোধের ক্ষয় সামাজিক বিপর্যয় দেখা যাবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 + 5 =