আ.লীগ খারাপ, আপনার বিপ্লবী কর্মসূচী কোথায়

বাংলাদেশের বিপ্লবী রাজনীতির অনুপস্থিতির সুযোগে শাসক আ.লীগ জনগনের ওপর ভয়ঙ্কর এক হীরকরাজার শাসন চাপিয়ে দিয়েছে। এই অপশাসন নিয়ে যদি আপনি দীর্ঘ আলাপ করতে চান, তাহলে তা করাই যায় কিন্তু এতে লাভ কী? যাদের উদ্দেশ্যে করবেন সেই সাধারণ মানুষ কি জানেন না আ.লীগের ঘুষ দুনীতি আর মানুষ হত্যার কথা?

যে কৃষককে মনে করছেন প্যাকে নেমে শষ্য ফলায় নেই কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি, যে মার্কস বা দেরিদা কিম্বা ডার উইনের নাম শোনেনি সে কি বোঝে, যে শ্রমিক মার্কস এঙ্গেলসের নাম জানে না সে শ্রমদাসত্বের কি বোঝে? কিম্বা ঘরে ফেরত একলা একা কেরানি সে কি আপন সত্বা থেকে মোহমুক্ত হবে? এরকম নানান কথা ভাবতেই ভাবতে এখানকার প্রগতিশীল এবং নিজের কাছে এগিয়ে থাকা মানুষগুলো প্রচলিত সমাজ, ধর্ম, সমাজ, রাজনীতি, মূল ধারার মানুষ বা আ.লীঘ বিএনপি থেকে কখন যে অপার বা পর হয়ে যায় সে নিজেও জানে না। কারণ প্রত্যক মানুষেরই একটি বোঝাশোনা্ থাকে পৃথিবীর সব কিছুর ব্যাপারে। হতে পারে সে সব বিষয়ে আপনার আমার সাথে মিলবে না। কিন্তু আল্লাহ খোদা ভগবান বা গাছের জন্ম থেকে মরে যাওয়ার ব্যাপারে তার একটি দার্শনিক মনও আছে। যার খোজ আমি আপনি রাখি না। ঘরে বসে নিজের মত করে তাকে খুজতে যাই বুঝতে চাই। আর তখন মূলস্রোত থেকে হারিয়ে নিজের একটি সংখ্যালঘু সমাজ তৈরী করি। আর সেখান থেকে অন্যদের গালমন্দ করি। এই এলিট বুদ্ধিজীবীরা প্রান্তিক চিন্তার মানুষ।

এদের সাথে সমাজের মূল স্রোতের মানুষের কোন সম্পর্ক নেই। যে মানুষ ৫ টাকা ফাকি দেবার জন্য নানান কায়দা কানুন করে। যে মানুষটি সকাল বিকেল মিথ্যা বলেও জুম্মার নামাজে নিজের কর্মের জন্য শুকরিয়া আদায় করে। এরকম বাস্তবের মানুষ থেকে শুরু করতে না পারার কারণেই নীঝ ভূবনের প্রগতিশীলরা প্রান্তিক মানুষে পরিণত হচ্ছেন।

নিজের স্লোগান নিজের কর্মসূচী চাই
বাংলাদেশের রাজনীতির মূল কনটেক্সট হোল কে ৭১ চেতনার বাঙালী। একে ঘিরে মূল ধারার রাজনীতি আ.লীগ ও এর এন্টি থিসিস বিএনপি জামাতসহ সমমনা দলগুলোর গড়ে উঠা বলয়। অথচ এর মধ্যে দেশের ১৬ কোটি মানুষের অর্থনীতি, ভাষা, সংস্কৃতি ও বেচে থাকার কোন লড়াই নেই। কিন্তু আ.লীগের এ রাজনীতি অতি সফলভাবে সমাজের শক্তিশালী মধ্যবিত্তের ভেতর শক্তি গড়ে তুলতে পারায় এটাই এখন প্রধান রাজনীতি হয়ে গেছে।

এ পরিস্থিতি দেশের বামপন্থিদের অন্যতম দলগুলো আ.লীগকে সমালোচনা করাই তাদের রাজনীতি হয়ে দাড়িয়েছে। এ ধারার রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কেউ কেউ শেখ মুজিবের চেয়ে মওলানা ভাসানিকে বড় নেতা বানাতে ব্যস্ত। এখানে মুজিবের মহিয়ান হয়ে উঠাকে তারা চ্যালেঞ্জ করতে করতে এও বলেন যে ৭০ নির্বাচনে শেখ মুজিব কিভাবে ঘুষ দিয়ে জোর করে নির্বাচনে জয় পেয়েছেন। আর ৬৯ গণঅভ্যুত্থানে কিভাবে পাকিস্তান শাসকগোষ্টির সাথে আপোষ করতে চেয়েছিলো। অর্থ্যাৎ মুজিব কোনভাবেই স্বাধীনতা চাইনি। প্রকৃত স্বাধীনতা চেয়েছিলো মওলানা ভাসানি, সিরাজ সিকদার, আলাউদ্দিন মতিন বা টিপু বিশ্বাসরা। এই আরেকপক্ষ নিজেদের বামপন্থি রাজনীতির শ্রেণি ও সাধারণ মানুষের আশা আকাঙ্খা বাদ দিয়ে শেখ মুজিবের পায়ের দলে অর্ঘ দিয়ে নিজের রাজনীতির সব ফসল তুলে দেন নৌকায়। এই ধারার রাজনীতির মধ্যে কিছুটা সত্য থাকলেও সামগ্রিকতাকে ধারণ করার মত সত্য নেই। কেন নেই? কারণ হোল, ৭০ নির্বাচন এবং ৭১ যুদ্ধ হোল একটি মহাসন্ধিক্ষণ। এখানে যারা নেতৃত্ব দিতে পারেনি। ইতিহাস তাদের পক্ষ কথা বলবে না। আপনি যতই চেষ্টা করেন। আপনি যতই ইতিহাসের রেফারেন্স ঘাটেন লাই নেই। এ কারণে মুক্তিযুদ্ধ শব্দটি উচ্চারণ করার পরই যতই কথাই বলেন না কেন, এরপরের লাইনগুলো মানুষ আ.লীগের রাজনীতি হিসেবে মালুম করে। আমি আপনার মত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে আসা বিজ্ঞজনদের কথা বলছি না, কোটি মানুষের কথা বলছি। তারা এভাবেই ভাবে।
ঠিক এ কারণে আপনার নিজের অর্জন কই? আপনার নিজের কথা কোথায়? আপনি নিজের ইশতেহারের কথা বলেন। বলেন, কোনপথে হাটবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশে প্রতিক্রিয়ার রাজনীতি হয়

এই দেশে প্রতিক্রিয়ার রাজনীতি হয়। এ কারণে এখানে রাজনীতি পথ না দেখিয়ে তা প্রতিক্রিয়াশীলতায় পূর্ণ হয়। তা প্রগতিশীল ও প্রতিক্রিয়াশীল উয়ভ শক্তির ক্ষেত্রেই তা সত্য। অনেক হয়েছে বিরোধীতা। সরকারি দল কত নিচে নামতে পারে এটা আপনার কাছ থেকে আর জানার দরকার নেই। আপনার আর্দশ কি? আপনার ইশতেহার কি সেটা বলুন। প্রতিক্রিয়ার রাজনীতি থেকে প্রথমে বাইরে আসা হোল রাজনীতির প্রধান এবং প্রথম শর্ত। অথচ আ.লীগের রাজনীতির প্রতিক্রিয়ার বাইরে কি দেশে আর কোন রাজনীতি আছে? তা হোক বাম, ডান বা মৌলবাদী বলে ইসলামী রাজনীতির ক্ষেত্রে। আপনি যা বলতে চাচ্ছেন আসলে আ.লীঘ তাই। এটা সবাই জানে। এবার আপনার কথা বলেন।


ইশতেহারের এখনি সময়

গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন শুরু হয়েছিলো যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে। অথচ মাত্র ৩ মাসের মাথায় গণজাগরণের এন্টি থিসিস হিসেবে বিশাল মহিরুহ নিয়ে শাপলা চত্বরে উঠে দাড়ালো হেফাজত ইসলাম। ন্যায় বিচার আর ইনসাফের দাবি ঢাকা পড়ে গেলো আস্তিক-নাস্তিক নামে এক অপ্রয়োজনীয় বির্তকে। বাংলাদেশের রাজনীতির মূলকেন্দ্র এভাবে ঘুরে যাওয়াতে সব থেকে লাভবান হয়েছে ক্ষমতাসীন আ.লীগ। তারা নির্বিঘ্নে ৫ জানুয়ারির মত কলঙ্কজনক নির্বাচনের মাধ্যমে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসেছে। ক্ষতি হয়েছে সাধারণ মানুষের, তারা অরক্ষিত হয়ে গেছে।
সব থেকে ক্ষতি হয়েছে মধ্যবিত্ত সেক্যুলারপন্থিদের। কারণ তারা আ.লীগের এই ভয়ঙ্কর ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠাকে সমর্থন দিতে পারছে না। এ জন্য তারা আ.লীগের সমালোচক। আবার তারা বিএনপি ও জামাতের সমর্থন দিতে পারছে না কারণ সেক্যুলার প্রশ্নে বিএনপি জামাতকে সমর্থন দেবার সুযোগ নেই। কিন্তু এরকম সেক্যুলারের সংখ্যা এখন দেশের ভোটপন্থিদের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা।

গণজাগরণ মঞ্চ না এলে ফরহাদ মজহার ওরফে প্রিয় কবি ফরহাদ ভাইয়ের এরকম উগ্র দক্ষিণ হেলা বা হেফাজতকে সাথে নিয়ে বিপ্লব করার চরিত্র জাতী দেখতে পেতো না। আবার ফরহাদ ভাইয়ের অন্যতম সাহাবা সলিমুল্লাহ খান জাসদ সর্বহারা ভেজে চরম আওয়ামী লীগার হওয়াটাও দেখা হোত না।

গণজাগরণ ও এর এন্টি থিসিস হেফাজত ইসলাম দেশের মূল রাজনীতিকে আড়াল করে মানুষের রাজনীতির বাইরে রাজনীতি করছে। গত কয়েকদিন ধরে লক্ষ্য করলাম ইমরান এইচ সরকার অনেক পরিণত হয়েছে। তিনি কথাবার্তা ও বক্তব্যে বেশ মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন।
হেফাজত ইসলামের কওমি মাদ্রাসার লাখ লাখ শিক্ষার্থী যখন শহর ঘিরে ফেলতে চায় আপনাদের জীবন ও সংগ্রাম দখল করতে চায় তখন কি ভেবে দেখেছেন-এটা নিছক আস্তিক নাস্তিকের সংগ্রাম? নাকি আরো গভীরে, ভিন্ন কিছ? আস্তিক নাস্তিকের এই ঘোর লড়াইয়ের নামে কওমির এই শিক্ষার্থীদের রক্তাত্ব শ্রেনি সংগ্রাম কি আপনার চোখে পড়েনি। কোনদিন মনে হয়নি, সভ্যতা, শহর, ভোগ, প্রেম ভালোবাসা থেকে তাকে পর করে দিয়ে বহুদিন আপনি একা বেশ ভালোই ছিলেন?

গ্রাম থেকে আসা হাটুর গোড়ালির উপর পরা পায়জামা, নিম ডালে মাজা অপরিস্কার মুখ গন্ধ, থুথুনির উপর অল্প দাড়ি-যাদের দেখলে কখনো ফিরেও তাকায় না শহরের রুপবতীরা। যদি কখনোই তাকায় তাহলে সেখানে থাকে তাচ্ছিলো। ভিষণ ক্রোধে জ্বলে উঠা এইসব শিক্ষার্থীরাই রাষ্ট্রকে পরোয়া না করে যদি শাপলা চত্বরে থেকে যেতে চায়, বহুকালে আপনাদের আরাম আয়েশকে চ্যালেঞ্জ করে তবে আপনি আপনার সেক্যুলারিজমকে দিয়ে তা মোকাবেলা করে রাষ্ট্র দিয়ে তাদের তাড়িয়ে দিলেই কিন্তু শেষ হয় না।
তার আল্লাহ রাসুল তার অস্তিত্ব, তার অর্থনৈতিক জীবন কেড়ে নিলে সে চাপাতি নিয়ে দৌড়াবে। আর এর মধ্যে ক্রমাগতভাবে অন্যসব ঘোলাপানির শিকারীরা যুক্ত হলে খেলা আপনার হাত থেকে আরো বড় খেলোয়াড়দের হাতে চলে যাবে-এটাই নিয়ম। ফলে ঘৃণার উৎস না জেনে ঘৃণা করলে তা বরং বোমেরাং হয়ে ফিরবে।

বাংলাদেশে আস্তিক নাস্তিক ইস্যু কোন ইস্যু না। এটা মূলত দরিদ্র মেহনতী মানুষের মধ্যে দ্বিধা তৈরীতে, বিভক্ত রাখতেই এটাকে উশকে দেয়া হয়েছে। হাল আমলের নাস্তিকের চেয়ে ফকির লালন বড় ‘নাস্তিক’ ছিলেন, সমস্যা হয়নি। বিপুল উদ্যেমে কাজ করে গেছেন।
বাংলাদেশের বড় সমস্যা হোল এর টেরটোরিয়াল এক্সিসটেন্স বা এই ভূমি আদৌ বাংলাদেশ নামে থাকবে কিনা। এর পেছনে বিশ্বাস করেন আর না করেন মোশাদ আছে, সিআইএ আছে, র আছে, আইএসআই আছে।
গণজাগরণ মঞ্চের তারকা নেতাদের যেমন প্রত্যেকের একটি গোপন অভিলাষ আছে, ছিলো এইসব ক্ষমতাবান দেশেরও বাংলাদেশ নিয়ে গোপন অভিলাষ আছে।

ইতিহাস সাক্ষ দিচ্ছে এরকম ঘোর অন্ধকারেই উঠে দাড়িয়েছিলো শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের কৃষক প্রজা পার্টি, স্লোগান উঠেছিলো ‘লাঙ্গল যার জমি তার’। জারতন্ত্রের ঘোর বিরোধীকালে ছোট দল ছিলো লেনিনদের বলশেভিক পার্টি। আর শ্রী চৈতন্যরা এই নদীয়া অঞ্চলেই তিন পাগলের ক্ষ্যাপা মিংশ্রনে জাতীকূল ব্রাক্ষনদের গজদন্ত সোজা করে দিয়েছিলো। কিম্বা মনে করেন, ফকির সন্ন্যাসদের কথা। ফকির মজনু শাহ কিভাবে ব্রিটিশ সৈন্যদের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা করেছিলো। অথবা ভাবুন আমাদের ক্ষুদে ক্ষুদে মুক্তিযোদ্ধার কথা। এসবইতো মানুষের ইতিহাস।

এথন দরকার উঠে দাড়াবার। এইসব ভাবনার সাথে কৃষক শ্রমিক বেকার যুবক আদিবাসী সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় এর ব্যাপারে নীতি নিতী নিন।
এসব প্রশ্ন সমাধান করে উঠে দাড়ান। ইশতেহার দেন। জনগণ লুফে নিবে। কে আস্তিক আর কে নাস্তিক এ ভেদ থাকুক পর্যালোচনার জন্য। তর্কে মাতি, তর্কে বাচি কিন্তু তর্কে খুন না করি। এই খুন আপনার জন্য বেহেশতের দরজা একটু এগিয়ে আসবে না নিশ্চিত থাকুন। কারণ এ বিচারের ভার আপনাকে দেয়া হয়নি।
বরং আপনার ঈশ্বরে আল্লা গপে বা ভগবনে বিশ্বাস না রেখেও আপনারা এক অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌছাতে পারেন সেটা হোল স্বৈরাচার মুক্ত জালেম মুক্ত ন্যায় বিচারের একটি রাষ্ট্র। যেখানে আপনার আল্লার নাম আপনি নিতে পারবেন আরেকজন তার অবিশ্বাসের কথা বলতে পারবে।

আ.লীগের বহু সমালোচা হয়েছে। সমালোচনা বিকল্প হতে পারে না। এর চেয়ে বরং একটি বহুধা বিভক্ত চিন্তা ও মতাদর্শেন গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য আপনার লড়াই কতখানি হবে তা নির্ধারণের এখনি সময়।
আর যদি এসব না করে পরস্পরের দিকে ছুড়ে দেন ঘৃণার বোমা তাহলে আপনারা ভাইয়ের রক্ত পান করবেন। এবং অতপর ধ্বংস হবেন। দেশটার পুরোটাই নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে উপনিবেশিক বেনিয়াদের। ইসলাম বলেন সমাজতন্ত্র বলেন তখন আর কিছুই কায়েমের জন্য অবশিষ্ট থাকবে না।

 

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬ thoughts on “আ.লীগ খারাপ, আপনার বিপ্লবী কর্মসূচী কোথায়

  1. এখানে মুজিবের মহিয়ান হয়ে

    এখানে মুজিবের মহিয়ান হয়ে উঠাকে তারা চ্যালেঞ্জ করতে করতে এও বলেন যে ৭০ নির্বাচনে শেখ মুজিব কিভাবে ঘুষ দিয়ে জোর করে নির্বাচনে জয় পেয়েছেন। আর ৬৯ গণঅভ্যুত্থানে কিভাবে পাকিস্তান শাসকগোষ্টির সাথে আপোষ করতে চেয়েছিলো। অর্থ্যাৎ মুজিব কোনভাবেই স্বাধীনতা চাইনি। প্রকৃত স্বাধীনতা চেয়েছিলো মওলানা ভাসানি, সিরাজ সিকদার, আলাউদ্দিন মতিন বা টিপু বিশ্বাসরা।

    এই ইতিহাসগুলো মানুষের কাছে তুলে ধরার যৌক্তিকতা কিন্তু সব সময়ই বিদ্যমান।

    পোস্ট ভালো হইছে। তবে আমার মনে হয়, পুরনো প্র্যাকটিসে অভ্যস্থ পার্টিগুলো নয়া ইশতেহার দিতে সক্ষম নয়। তাদেরকে নয়া লাইনে শিক্ষিত হতে হবে। তরুণদেরও। ধন্যবাদ কর্তব্য স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য। ইশতেহার রচনার লড়াইয়ে একত্রেই থাকতে চাই। 🙂

    1. ইতিহাসগুলো অবশ্যই
      ইতিহাসগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ্ । যখন লড়াই থাকে না থাকে শুধু বাড়োয়ারি কায়দায় ইতিহাস চর্চা তখন ইতিহাস চর্চা আলাদা কোন অর্থ তৈরী করে না, এমন কি ইতিহাস চর্চাও।
      ভারতে মাওবাদিদের আলাদা ইতিহাস মূল্যায়ন আছে তবে তার আগে আছে লড়াই। এখানেতো একাডেমিকভাবেও কোন চর্চা নেই বামদের। ফলে মেঠো এসব কথাবার্তা বরঞ্চ ক্ষতিই ডেকে আনে।

  2. দারুণ বাস্তবিক রাজনৈতিক
    দারুণ বাস্তবিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ওঠে এসেছে, ওঠেছে বঙ্গবন্ধু বিদ্বেষীদের উপযুক্ত জবাব, জনগণের স্বার্থকতা, ও ধর্মান্ধ স্বার্থান্বেষী ভন্ডদের- প্রতি সুপরামর্শ, সব মিলিয়ে যুগোপযোগী সমসাময়িক। সাথেই থাকবো ভাই…

  3. অনেক সুন্দর এবং গুরুত্বপুর্ন
    অনেক সুন্দর এবং গুরুত্বপুর্ন লেখা।বর্তমান বাস্তবতা সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন।এখান থেকে উত্তরনের জন্য প্রকৃত একটা কমিউনিষ্ট পার্টি দরকার যা বাংলাদেশে অনুপস্থিত।প্রচলিত কমিউনিষ্ট দলগুলো শুধো টকশোতে সরকার বা বিরোধীদের সমালোচনায় ব্যাস্ত।কিন্তু নিজের দল গঠনে এতটা আগ্রহী বা যোগ্য নয়।

  4. আ.লীগ খারাপ, আপনার বিপ্লবী

    আ.লীগ খারাপ, আপনার বিপ্লবী কর্মসূচী কোথায়

    বাম রাজনৈতিক আর বাম রাজনীতির সমর্থকরা যেমন ঘুরেফিরে আওয়ামী লীগের দিকেই ঝুকে, তাতে বিপ্লবী কর্মসূচি কেমনে আশা করা যায়? তারা এটা বুঝতে পারেনা যে, আওয়ামী লীগের থেকে বাংলাদেশে আর কিছুই কখনো বেশী খারাপ আর নিকৃষ্ট হতে পারেনা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

82 − = 73