ইসলামে নারীর সুমহান র্মযাদা- সূরা আন নিসা’য় দুটি শব্দের জায়গা পরির্বতন ও তার ফলাফল

ইসলাম নারীকে সুমহান র্মযাদায় অধিষ্ঠিত করেছে।নারী ও পুরুষকে দিয়েছে সমান অধিকার। যা অন্য কোন র্ধমে দেয়নি। বিশেষ করে সেই সুমহান ইসলামে সূরা আন নিসায় র্বননা করা হয়েছে নারীর র্পূন অধিকারের কথা। এটা আমাদের সকলেরই জানা।ইসলামে তো নারী পুরুষ সমান সমান,তাই না? আসুন সূরা আন নিসার কিছু আয়াতে নারীর জায়গায় পুরুষ এবং স্ত্রীর জায়গার স্বামীকে বসিয়ে যদি একবার চোখ বুলাই,তাহলে অধিকার বিষয়টা স্পষ্ট হয়ে উঠবে। নিশচয়ই আল্লাহ নারী পুরুষকে সমান র্মযাদায় অধিষ্ঠিত করেছেন।

আয়াত(৩) আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম ছেলেদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে পারবে না, তবে সেসব ছেলেদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না, তবে, একটিই অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসদেরকে; এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা।

(নিশ্চয়ই এভাবে দেখতে কারো চোখ কপালে উঠে যায়নি,কারন আল্লাহ নিরপেক্ষ)

আয়াত(৪) আর তোমরা স্বামীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে। তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।

আয়াত(১১) আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেনঃ একজন নারীর অংশ দু?জন পুরুষের অংশের সমান। অতঃপর যদি শুধু পুরুষই হয় দু’ এর অধিক, তবে তাদের জন্যে ঐ মালের তিন ভাগের দুই ভাগ যা ত্যাগ করে মরে এবং যদি একজনই হয়, তবে তার জন্যে অর্ধেক। মৃতের পিতা-মাতার মধ্য থেকে প্রত্যেকের জন্যে ত্যাজ্য সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ, যদি মৃতের কন্যা থাকে। যদি কন্যা না থাকে এবং পিতা-মাতাই ওয়ারিস হয়, তবে পিতা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ। অতঃপর যদি মৃতের কয়েকজন বোন থাকে, তবে তার পিতা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ ওছিয়্যতের পর, যা করে মরেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পর। তোমাদের মাতা ও কন্যর মধ্যে কে তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী তোমরা জান না। এটা আল্লাহ কতৃক নির্ধারিত অংশ নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, রহস্যবিদ।

(সিওর সিওর,আল্লাহ সর্বজ্ঞ ও রহস্যবিদ)

আয়াত (১৫) আর তোমাদের পুরুষের মধ্যে যারা ব্যভিচারি তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের মধ্য থেকে চার জন নারীকে সাক্ষী হিসেবে তলব কর। অতঃপর যদি তারা সাক্ষ্য প্রদান করে তবে সংশ্লিষ্টদেরকে গৃহে আবদ্ধ রাখ, যে পর্যন্ত মৃত্যু তাদেরকে তুলে না নেয় অথবা আল্লাহ তাদের জন্য অন্য কোন পথ নির্দেশ না করেন।

(ইশ,নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের জন্য অন্য কোন পথের র্নিদেশ করবেন)

(আয়াত ২০) যদি তোমরা এক স্বামীর স্থলে অন্য স্বামী পরিবর্তন করতে ইচ্ছা কর এবং তাদের একজনকে প্রচুর ধন-সম্পদ প্রদান করে থাক, তবে তা থেকে কিছুই ফেরত গ্রহণ করো না। তোমরা কি তা অন্যায়ভাবে ও প্রকাশ্য গোনাহর মাধ্যমে গ্রহণ করবে?

(আস্তাকফিরুল্লাহ কি হে নারীকুল, এমন প্রকাশ্য গোনাহর মাধ্যমে গ্রহন করবে?)

(আয়াত ৩৪)নারীরা পুরুষদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্বামীগন হয় অনুগতা এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে। আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ।

(নারীরা পুরুষদের উপর কৃর্তত্বশীল? এইটা কি কইলো আল্লাহ?)

(আয়াত ১২৯)তোমরা কখনওপুরুষদেরকে সমান রাখতে পারবে না, যদিও এর আকাঙ্ক্ষী হও। অতএব, সম্পূর্ণ ঝুঁকেও পড়ো না যে, একজনকে ফেলে রাখ দোদুল্যমান অবস্থায়। যদি সংশোধন কর এবং খোদাভীরু হও, তবে আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।

আয়াত(১৩০) যদি উভয়েই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে আল্লাহ স্বীয় প্রশস্ততা দ্বারা প্রত্যেককে অমুখাপেক্ষী করে দিবেন। আল্লাহ সুপ্রশস্ত, প্রজ্ঞাময়।

(আল্লাহ ১৭৬) মানুষ আপনার নিকট ফতোয়া জানতে চায় অতএব, আপনি বলে দিন, আল্লাহ তোমাদিগকে কালালাহ এর মীরাস সংক্রান্ত সুস্পষ্ট নির্দেশ বাতলে দিচ্ছেন, যদি কোন পুরুষ মারা যায় এবং তার কোন সন্তানাদি না থাকে এবং এক বোন থাকে, তবে সে পাবে তার পরিত্যাক্ত সম্পত্তির অর্ধেক অংশ এবং সে যদি নিঃসন্তান হয়, তবে তার ভাই তার উত্তরাধিকারী হবে। তা দুই বোন থাকলে তাদের জন্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির দুই তৃতীয়াংশ। পক্ষান্তরে যদি ভাই ও বোন উভয়ই থাকে, তবে একজন নারীর অংশ দুজন পুরুষের সমান। তোমরা বিভ্রান্ত হবে আল্লাহ তোমাদিগকে সুস্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিচ্ছেন। আর আল্লাহ হচ্ছেন সর্ব বিষয়ে পরিজ্ঞাত।

যারা দাবী করেন ইসলামে নারী পুরুষ সমান,তাদের কারো কাছে এই নারী এবং পুরুষের জায়গা পরির্বতন করায় যদি অনুভুতিতে আঘাত লেগে তাকে,তাহলে নিজেকে প্রশ্ন করুন। যদি প্রশ্ন করার পরেও উত্তর মেলে ইসলামে নারী পুরষ সমান,তাহলে এই মুর্হুত থেকে উপরে বরনিত ধারয় নারীকে অধিষ্ঠিত করুন। আর যদি না পারেন তাহলে এই র্ববর র্ধম সেকল থেকে এক্ষুনি বেড়িয়ে আসুন। নিশ্চয়ই একদল র্ধুত বলবে,মানে…ইয়ে মানে…কিন্তু…আসলে…বলতে চাচ্ছি যে অন্য সকল র্ধমরে তুলনায় ইসলামে নারীর অধিকার বেশি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩ thoughts on “ইসলামে নারীর সুমহান র্মযাদা- সূরা আন নিসা’য় দুটি শব্দের জায়গা পরির্বতন ও তার ফলাফল

  1. ইসলামে বিভিন্ন বিষয়ে প্রায়
    ইসলামে বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় ক্ষেত্রে একজন পুরুষ = 2 জন নারী। ধরুন ধর্ষনের সাক্ষির ক্ষেত্রে একজন পুরুষের পরিবর্তে নারী হলে দুই জন লাগব। তাহলে কয়জন হিজড়া=একজন নারী/একজন পুুরুষ হবে?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

73 − = 68