দেওয়ানবাগী হুজুরঃ ভন্ডের সর্দার!

ছবিতে পেট মোটা এই লোকটিকে কি চিনতে পারছেন? ইনি হচ্ছেন ঢাকার আরামবাগে দেওয়ানবাগী হুজুর নামে পরিচিত। অনেকেই এই বিশাল বপুর হুজুরকে আদর করে খোদার খাঁসি নামে ডাকেন। আশেকে রসুলদের দান-দক্ষিনায় এই খাঁসি দিন দিন গন্ডারে পরিণত হচ্ছেন। অনেক শিক্ষিত আবালের পকেটের টাকায় ঢাকার আরামবাগ ও মতিঝিল এলাকায় কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। প্রায় তিনি নাকি নবীজির সাথে দেখা সাক্ষাত করেন। মাঝে মধ্যে আল্লাহ্‌র সাথেও তার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাৎচিত হয়।

তার দেওয়ানবাগ শরীফ থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন বই পড়লে এই ধর্মীয় ভন্ডকে একজন অসুস্থ মানুষ ছাড়া কিছুই মনে হবেনা। এর ভন্ডামীর নমুনা হিসাবে ‌এই ভন্ডের নিজের হাতে লিখিত তার খানকা কর্তৃক প্রকাশিত বিভিন্ন বই ও প্রকাশনা থেকে কিছু ভন্ডামী এখানে কোড করা হলঃ

১. “‘দেওয়ানবাগী স্বপ্নে দেখেন ঢাকা এবং ফরিদপুরের মধ্যবর্তী স্থানে এক বিশাল বাগানে ময়লার স্তূপের উপর বিবস্ত্র অবস্থায় নবীজীর প্রাণহীন দেহ পড়ে আছে। মাথা দক্ষিন দিকে, পা উত্তর দিকে প্রসারিত। বাম পা হাঁটুতে ভাঁজ হয়ে খাড়া আছে। আমি উদ্ধারের জন্য পেরেশান হয়ে গেলাম। তাঁর বাম পায়ের হাঁটুতে আমার ডান হাত দিয়ে স্পর্শ করার সাথে সাথে দেহে প্রাণ ফিরে এল। এবং তিনি আমাকে বললেন, ”হে ধর্মের পুনর্জীবনদানকারী, ইতিপূর্বে আমার ধর্ম পাঁচবার পুনর্জীবন লাভ করেছে।” [ সূত্র: রাসূল কি সত্যিই গরিব ছিলেন-দেওয়ানবাগ থেকে প্রকাশিত]

২. “একদিন ফজরের পর মোরাকাবারত অবস্থায় আমার তন্দ্রা এসে যায়। আমি তখন নিজেকে লুঙ্গি-গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় রওজা শরীফের নিকট দেখতে পাই। দেখি রওজা শরীফের উপর শুকনা পাতা এবং আগাছা জমে প্রায় এক ফুট পুরু হয়ে আছে। আমি আরো লক্ষ্য করলাম, রওজা শরীফে শায়িত মহামানবের মাথা মোবারক পূর্ব দিকে এবং মুখমণ্ডল দণি দিকে ফিরানো। এ অবস্থা দেখে আমি আফসোস করতে লাগলাম। এমন সময় পাতার নীচ থেকে উঠে এসে এ মহামানব বসলেন। তার বুক পর্যন্ত পাতার উপর বের হয়ে পড়ে। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, আপনি দয়া করে আমার রওজা পরিষ্কার করে দেবেন না ? আমি বললাম, জী, দেব। তিনি বললেন, তাহলে দিন না। এভাবে বারবার তিনবার বলায় আমি এক একটা করে পাতা পরিষ্কার করে দেই। এরপর আমার তন্দ্রা ভেঙে যায়।” [সূত্র: রাসূল কি সত্যিই গরিব ছিলেন-দেওয়ানবাগ থেকে প্রকাশিত]

৩. “দেওয়ানবাগী এবং তার মুরীদদের মাহফিলে স্বয়ং আল্লাহ্, সমস্ত নবী, রাসূল (সা), ফেরেস্তা, দেওয়ানবাগী ও তার মুর্শিদ চন্দ্রপাড়ার মৃত আবুল ফজলসহ সমস্ত ওলি আওলিয়া, এক বিশাল ময়দানে সমবেত হয়ে সর্বসম্মতিক্রমে দেওয়ানবাগীকে মোহাম্মাদী ইসলামের প্রচারক নির্বাচিত করা হয়।
অত:পর আল্লাহ সবাইকে নিয়ে এক মিছিল বের করে। মোহাম্মাদী ইসলামের চারটি পতাকা চারজনের, যথাক্রমে আল্লাহ, রাসূল (সা), দেওয়ানবাগী এবং তার পীরের হাতে ছিল। আল্লাহ, দেওয়ানবাগী ও তার পীর প্রথম সারিতে ছিলেন। বাকিরা সবাই পিছনের সারিতে। আল্লাহ নিজেই স্লোগান দিয়েছিলেন_ ”মোহাম্মাদী ইসলামের আলো, ঘরে ঘরে জ্বালো।”
[সূত্র: সাপ্তাহিক দেওয়ানবাগী পত্রিকা- ১২/০৩/৯৯]

৪. “অন্তর্দৃষ্টি খোলা এক আশেক দেখতে ছিলেন এই অনুষ্ঠান রাহমাতুলি্লল আলামীন তাশরীফ নিয়েছেন। এবং রাব্বুল আলামীন দয়া করে তাশরীফ নিয়েছেন। রাব্বুল আলামীন এসে একটা নির্দেশ করেছেন যে, এ বিশ্ব আশেকে রাসূল সম্মেলনে যত আশেকে রাসূল অংশগ্রহণ করেছেন রাব্বুল আলামীন ফেরেস্তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন সমস্ত আশেকে রাসূলদের তালিকা তৈরী করতে। এই তালিকা অনুযায়ী তারা বেহেস্তে চলে যাবে। এটা কি আমাদের জন্য বুলন্দ নসীব নয় কি ? যারা গত বিশ্ব আশেকে রাসূল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন তাদের জন্য কি এটা চরম পাওয়া নয় ?”
[সুত্র: মাসিক আত্মার বাণী, নভেম্বর : ১৯৯৯]

৫. দেওয়ানবাগীর একজন খাদেম (নাম মাওলানা আহমাদুল্লাহ যুক্তিবাদী) এক আশেকে রাসুল সম্মেলনে বলেন- “আমি স্বপ্নে দেখলাম হযরত ইব্রাহীম (আ) নির্মিত মক্কার কাবা ঘর এবং স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সা) বাবে রহমতে হাজির হয়েছেন। আমাকে উদ্দেশ্য করে নবী করীম (সা) বলছেন ”তুমি যে ধারণা করছ যে, শাহ্ দেওয়ানবাগী হজ্জ করেননি আসলে এটা ভুল। আমি স্বয়ং আল্লাহর নবী মোহাম্মাদ (সাঃ) তার সাথে আছি এবং সর্বক্ষণ থাকি। আর কাবা ঘরও তার সামনে উপস্থিত আছে। আমার মোহাম্মাদী ইসলাম শাহ্ দেওয়ানবাগী প্রচার করতেছেন।”

এখন আপনারাই বলেন, এই খোদার খাসিকে সুস্থ, নাকি অসুস্থ বলবেন? মুমিন্সদের প্রতিক্রিয়া জানার অপেক্ষা থাকলাম।

ভন্ড দেওয়ানবাগী হুজুরের কিচ্ছা কাহিনী বড়ই রসময়। ইসলাম ধর্ম এদের হাতে কি পরিমাণ প্রতিনিয়ত ধর্ষিত হচ্ছে, অথচ ধর্মবাদী ও ধর্মব্যবসায়ীদের মুখে ‘টু’ শব্দটিও নাই। এরা সরকারের পৃষ্টপোষকতায় লালিত পালিত। মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পিছনে তার এক বিশাল উঠের খামার আছে। সেই উঠের দুধ আর মুত বিক্রি করে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করে। আবাল বাঙালী উটের দুধ আর মুত’কে শরবতে তহুরা (বেহেস্তী শরবত) মনে প্রতিদিন পান করছে। মতিঝিলের ঐ জায়গাটাও তার দখলকৃত সম্পত্তি। এত বিত্তশালী ধর্ম ব্যবসায়ীর কোটি কোটি টাকার সন্ধান কি ‘দুদক’ পায় না? সরকারের নজরে কি আসেনা? এসব ধর্মীয় ভন্ডামীর অবসান চাই। এদেশের নির্বোধ ধর্মপ্রাণ মানুষকে প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব।

[পুর্বে ফেসবুকে স্ট্যাটাস আকারে প্রকাশিত]

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৩৮ thoughts on “দেওয়ানবাগী হুজুরঃ ভন্ডের সর্দার!

  1. হা হা হা , কি একটা
    হা হা হা , কি একটা অবস্থা।

    নুর নবী দুলাল ভাইকে ধন্যবাদ এক ভণ্ডের ভণ্ডামির কাহিনী জানানোর জন্য।

    নটরডেম কলেজে পড়ার সময়কার একটা ঘটনা মনে পরে গেল। সেবার ঘটনা চক্রে এক মুরিদের সাথে পরিচয় হয়ে গিয়েছিল। তার সাথে বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছিও। অনেক চেষ্টা করেছি এই ভণ্ড পীরের কিছু মুরিদদের সাথে এই লোকের ভন্ডামির কথা বলার। ভাই, বিশ্বাস করবেন না। শুধু মাইরটা খাওয়া বাকি ছিল।

    তারপর যেটা বুঝলাম একা একা এই রোগের বিরুদ্ধে কিছু বলতে যাওয়া আর আহাম্মকি একই কথা। রোগের চিকিৎসা করতে হলে রোগের সরূপ জানতে হবে, সেই রোগের চিকিৎসা কিভাবে করতে হবে সেটা জানতে হবে।

  2. এ ব্যাটা ড্রাগ এর ব্যবসা করে
    এ ব্যাটা ড্রাগ এর ব্যবসা করে আড়ালে এইটা জানেন? এই ব্যাটার প্রকাশিত স্পেশাল ক্যালেন্ডার আমাদের পাড়ার দর্জির দোকানে টাঙানো ছিল​। প​ড়ার পর আমার হাসি দেখে মানুষজন ভেবেছে পাগল​, তাইলে বুঝেন।

    1. বিভিন্ন ধরনের চোরাকারবারীর
      বিভিন্ন ধরনের চোরাকারবারীর সাথে সে জড়িত এটা আমি জানি। কিন্তু সেটা যে ড্রাগ! এটা জানতাম না। আমি টানা পাঁচ বছর এই ভন্ডের খানকা শরীফের লাগানো তারই মালিকাধীন ফ্লাটে ভাড়া ছিলাম। তার ভন্ডামীর অনেক কিছুরই আমি চাক্ষুস স্বাক্ষী।

      1. ভাই ব্যায়াফুক আপসুসের ব্যাপার
        ভাই ব্যায়াফুক আপসুসের ব্যাপার পাঁচ বছরেও আপনারে তার শিষ্যত্ব গ্রহণ করাইতে পারে নাই :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

  3. মুরিদকে আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম
    মুরিদকে আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম “হুজুর কোন গুদামের চাল খান?”

    হা হা হা

    কি যে ক্ষেপছিল ওই ব্যাটারা…

  4. আমি কদ্দুর জানি। এর স্পেশাল
    আমি কদ্দুর জানি। এর স্পেশাল মুরিদদের জন্য এই ড্রাগ প্র​য়োজন হ​য়, তাই সে ড্রাগ আমদানি ও রপ্তানি করিয়া থাকেন। হালাকু খানের মত অবস্থা। পুলিশের একদিন জ্ঞান হইলে যদি এরে সার্চ করে দেখা যাবে এর ভুড়ির তলাতেই কতকেজি ড্রাগ আছে, ঘরের কথা বাদ দিলাম। বাট শালার পুলিশগুলাও মুরিদ। আমার এক খালু ছিল এর মুরিদ উনার কাছ থেকে বহু আচানক তথ্য পেয়েছিলাম।

    1. শুধু পুলিশ না, অনেক বড় বড়
      শুধু পুলিশ না, অনেক বড় বড় আর্মি অফিসার, সচিব, বড় সরকারী কর্মকর্তাদের এই ভন্ড টাকা দিয়ে মুরিদ বানিয়ে রেখেছে।

  5. পুরাই মাননীয় স্পীকার হইয়া
    পুরাই মাননীয় স্পীকার হইয়া গেলাম… :হাহাপগে: :হাহাপগে: :মানেকি: :মানেকি: :মানেকি: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: 😀 😀 :হাসি: :হাসি: :দেখুমনা: :দেখুমনা: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :ভাবতেছি: :ভাবতেছি:

  6. আমি হাসমু না কাঁন্দুম বুইঝা
    আমি হাসমু না কাঁন্দুম বুইঝা উঠতে পারতেছিনা।পুরাটা পড়ার পর আমি এখন অনুভুতি শুন্য।তেঁতুল শফির তেঁতুল তত্ব সম্পর্কে তসলিমা নাসরিন খুব সুন্দর একটি কলাম লিখেছিলেন।আজ মনে পড়ে গেল।দুলালভাই আপনার সাহসী পোস্টটির জন্য আপনাকে :salute: :salute: :salute:
    ভন্ড দেওয়ানবাগীর একটা ভিডিও শেয়ার করলাম।আমার কাছে বেশ মজার মনে হল।

  7. সত্যি বলতে কি এর চিজের পিকচার
    সত্যি বলতে কি এর চিজের পিকচার প্রথমবার দেখে ভাবছিলাম কোন মুসলিম সুমো কুস্তীগির। এই চিজ দেখে মানুষের ভক্তি কি করে আসে আল্লাই জানে। :অসুস্থ:

  8. কিছুই বলার নেই। যতদিন এই
    কিছুই বলার নেই। যতদিন এই সমাজে রাজীবেরা খুন হবে আর এমন আপাদমস্তক লম্পটেরা উদরফুর্তি করবে ততদিন এইসব দেখতেই থাকব!! এইখানে যারা অনেকে পোস্টটি পড়েছেন বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেছেন সবাই যদি যা মুখে বলে তা বিশ্বাস করত তবে এই দেশ চেঞ্জ হইয়া যাইত!

    “আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না;
    আড়ম্বর করি,কাজ করি না;
    যাহা অনুষ্ঠান করি তাহা বিশ্বাস করি না;
    যাহা বিশ্বাস করি তাহা পালন করি না;
    ভূরিপরিমাণ বাক্যরচনা করিতে পারি,
    তিলপরিমাণ আত্মত্যাগ করিতে পারি না;
    আমরা অহংকার দেখাইয়া পরিতৃপ্ত থাকি,
    যোগ্যতালাভের চেষ্টা করি না;
    আমরা সকল কাজেই পরের প্রত্যাশা করি,
    অথচ পরের ত্রুটি লইয়া আকাশ বিদীর্ণ করিতে থাকি;
    পরের অনুকরণে আমাদের গর্ব,
    পরের অনুগ্রহে আমাদের সমমান,
    পরের চক্ষে ধুলিনিক্ষেপ করিয়া আমাদের পলিটিক্স;
    এবং নিজের বাকচাতুর্যে নিজের প্রতি ভক্তিবহুল
    হইয়া উঠাই আমাদের জীবনের প্রধান উদ্দেশ্য।”

    – চারিত্রপূজা। (বিদ্যাসাগর-চরিত, রবীন্দ্রগদ্যের উদ্ধৃতি সংগ্রহ ১৯৪)

    1. ঠকবাজ আর নির্বোধ…
      ঠকবাজ আর নির্বোধ… দুর্দান্ত!! :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: স্যালুট প্রিয় মার্ক টোয়েনকে— :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

  9. এই লোকের অনেক ফানি কাহিনী
    এই লোকের অনেক ফানি কাহিনী শুনছি । এখনো তিনি কিভাবে ধর্ম বিক্রি করে ব্যবসা করছেন এইটাই আশ্চর্য তাও ঢাকার অন্যতম সেন্টার পয়েন্ট এ !! দিনের পর দিন !!

    1. আমারও একই কথা, মতিঝিলের মত
      আমারও একই কথা, মতিঝিলের মত জায়গায় প্রশাসনের নাকের উপর বসে এ ব্যাটা এত কু-কর্ম করে যাচ্ছে কার শক্তিতে? ইন্ধনদাতা কারা?

  10. কবে দেওয়ানবাগীর মতন
    :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: কবে দেওয়ানবাগীর মতন সু-স্বাস্থের অধিকারী হব :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

    নিজেরে শুকনা পাতলা খরকুটা মনে হইতাছে :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

      1. এইরাম প্যাট আর ট্যাকা থাকলে
        এইরাম প্যাট আর ট্যাকা থাকলে চলাফিরার কি দরকার :শয়তান: হুকুম করুম সব সামনে আইসা পরবো :শয়তান: আর মুরিদ নামক আন্ধা প্রাণী রা তো আছেই।

        বাই দ্যা ওয়ে, আমি কইলাম আপ্নের পুষ্ট শেয়ার মাইরা ৩-৪ টা হুমকি খাইয়া গেছি ফেবুকে, যার মাঝে একটা মোটামোটি কাছের এক বন্ধু। :হাহাপগে: :হাহাপগে:

        1. এই অবস্থা? করছেন কি আপনি?
          :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট:
          এই অবস্থা? করছেন কি আপনি?

        2. আমি ইনবক্সে অসংখ্য হুমকি
          আমি ইনবক্সে অসংখ্য হুমকি অতীতে খেয়েছি, এখনো খাচ্ছি। যতই হুমকি আসুক, ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আমি কথা বলেই যাব।

  11. এই ভন্ডের লিখা কয়েকটি বই আমি
    এই ভন্ডের লিখা কয়েকটি বই আমি পড়েছি ।শালা ঈবলিশকেও হার মানিয়েছে ।

    দুলাল ভাই বলেছেন এর বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেয় না কেন?
    ভাইরে, আমরা একে ভন্ড জানলেও দেশের ধর্মভিত্তিক যত রাজনৈতিক দল ও সংগঠন রয়েছে তারা কিন্তু ভন্ড বলে এর কোন কর্মের প্রতিবাদ করে না ।তাছাড়া তার অনেক ভক্ত আশেকান(গর্ধব) আছে যারা তার জন্য জীবনও দিয়ে দিতে পারে ।
    এরকম পাবলিক সেন্টিমেন্টযুক্ত ব্যাক্তির বিরুদ্ধে শুধুমাত্র পুলিশ দিয়ে ব্যবস্থাগ্রহণের পদক্ষেপ সরকারের জন্য দূরহ বটে ।
    এমনিতেই লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ধর্ম নাশের তকমা অনেক আগেই লাগিয়ে দেয়া হয়েছে ।এখন যদি এই সরকার এই ভন্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যায় তবে ধর্ম গেল ধর্ম গেল বলে ধর্মান্ধ রাজনৈতিক দল ও সংগঠনগুলি তেড়ে আসবে ।

    তবে আপনার মত সবাই যদি এই ঈবলিশের কুকর্ম ও মিথ্যাপ্রচার সবাইকে জানিয়ে দেবার উদ্যেগ নেয়, ফলাও করে প্রচার করে তাহলে হয়তো কিছু একটা হয়ে যেতে পারে ।

    1. সরকারের সীমাবদ্ধতা একেবারে
      সরকারের সীমাবদ্ধতা একেবারে বুঝি না, তা কিন্তু নয়। আমি সরকারের দায়িত্ব সম্পর্কে অবহিত করলাম। এসব ভন্ডের ভন্ডামী সম্পর্কে মানুষকে যত বেশী জানানো যাবে ততই মঙ্গল। সরকার অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা দরকার। এদের দ্বারা ধর্মের অবমাননা হচ্ছে, ধর্মের অপব্যবহার হচ্ছে, ধর্মকে বাণিজ্যিকরণ করা হচ্ছে, এই তথ্যগুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো খতিয়ে দেখে জনগণকে অবহিত করে তারপর ব্যবস্থা নিতে পারে। আমি বুঝি- ‘ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়’।

  12. এই ধরণের ধর্ম ব্যবসায়ীদেরর অপ
    এই ধরণের ধর্ম ব্যবসায়ীদেরর অপ প্রয়াসের বিরুধ্যে দেশের মানুষকে রুট লেভেল থেকে সচেতন করতে হবে। আর মাদ্রাসা শিক্ষাকে মূল ধারায় নিয়ে আসতে হবে…!

  13. কেউ আমারে মার
    ওরে কেউ

    কেউ আমারে মার :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:
    ওরে কেউ ধর আমারে :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
    শীতকালে ঘাম দিলো পোস্ট আর ভিডিও মিইল্ল্যা।

  14. এসব ভন্ড ধর্মের নামে এত বড়বড়
    এসব ভন্ড ধর্মের নামে এত বড়বড় অনৈতিক কাজ করছে, অথচ ধর্মবাজদের চেতনায় আঘাত লাগে না। ধর্মের অবমাননা হচ্ছে বলে তারা মনে করে না। এই ভন্ড মতিঝিলের মত জায়গায় থেকে এতসব করছে, মদিনা সনদের সরকারের ধর্মের প্রতি কোন ধরনের আঘাত লাগছে না।

    এদেশে ধর্মীয় অসঙ্গতির সমালোচনা করলে কল্লা যায়। আর ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করলে সম্মান পাওয়া যায়। আজব দেশের নাগরিক আমরা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

52 + = 56