গোপন নথিতে নেতাজীকে গুম ও কংগ্রেসী চক্রান্তের ইঙ্গিত!

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা সুভাষ চন্দ্র বসু ও তাঁর আজাদ হিন্দ ফৌজ সংক্রান্ত ৬৪টি গোপন নথি গতকাল ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ তারিখে প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ৬৪টি নথিতে বারো হাজারের বেশি পাতা রয়েছে। সাংবাদিক-গবেষকরা ইতিহাস ঘাঁটতে শুরু করে দিয়েছেন। অনেকে আশঙ্কা করছেন, এতদিন মানিকতলার পুলিশ মিউজিয়ামে বন্দি থাকা এসব নথি থেকেই নেতাজীর অন্তর্ধান রহস্যের নতুন কোনও অধ্যায় উন্মোচিত হতে পারে। সবার মধ্যে জল্পনা কল্পনা চলছে এই নথি নিয়ে। এখনও নথিগুলোর বিশ্লেষণ চলছে। তবে এর মধ্যেই ইতিহাসকে নাড়িয়ে দেয়ার মতো কিছু তথ্য চলে এসেছে!

নেতাজী সুভাষ বসুর পরিবারের এক সদস্য অভিজিত রায় বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে বলেছেন, ”এই ফাইলগুলির মধ্যে একটি নথিতে জানা যাচ্ছে যে সুভাষচন্দ্র তাইহোকুতে কথিত বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হননি এবং তিনি যে ১৯৬৪ সালেও জীবিত ছিলেন, সেটারও একটা প্রামাণ্য নথি রয়েছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি জওহরলাল নেহরু, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায় এবং আরেক মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় নষ্ট করে ফেলেছেন রাজনৈতিক কারণে। এর ফলে সুভাষচন্দ্র সম্পর্কিত অনেক তথ্যই হারিয়ে গেছে।


গোপন নথি প্রকাশ অনুষ্ঠানে নেতাজীর পরিবারের সদস্যরা

এদিকে ভারতের প্রখ্যাত সংবাদ সংস্থা জি নিউজ এ বিষয়ে প্রকাশিত এক খবরে বিষ্ময়কর তথ্য জানিয়েছে। যা কিনা নির্দেশ করে ভারত স্বাধীন অবধি নেতাজী বেঁচে ছিলেন। কোনো কোনো গবেষকের আশঙ্কা, নেহেরু-গান্ধী, তথা কংগ্রেস একেবারেই তখন চায়নি যে, নেতাজী দেশে ফিরুক। এজন্যই তারা ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু হয়েছিল বলে প্রচারণা চালিয়েছিল। প্রশ্ন উঠতে পারে, নেতাজী কেন এর প্রতীবাদ করলেন না? আশঙ্কা করা যায় যে, তিনি বন্দি বা গুম হয়েছিলেন!

উল্লেখ্য যে, ভারতের স্বাধীনতার আগে ফিগেস কমিশন, স্বাধীনতার পর শাহনওয়াজ কমিটি ও খোসলা কমিশনও একই কথা বললেও গবেষকদের অনেকেই তা মানতে চাননি। মুখার্জি কমিশনও বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যুর তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েছে। আর সেই আশঙ্কাই সত্যি হলো। গতকাল নথি প্রকাশ অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ১৯৪৫ তথা যে তারিখে নেতাজীর মৃত্যু হয়েছে বলা হয়, তার পরেও ওনার বেঁচে থাকার কথা উল্লেখ রয়েছে প্রকাশিত ফাইলে।

নেতাজির শেষ পরিণতি কী হয়েছিল তা নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতুহলের যেমন শেষ নেই তেমনই গবেষকরাও দ্বিমত। ১৯৬৪ সালের মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার অফিস অফ স্ট্র্যাটেজিক সার্ভিসের নথি বলছে, নেতাজি দেশে ফিরলে নেহরু সরকারের ওপর তার প্রভাব কী হবে তা নিয়ে তারা চিন্তিত। ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট কোনও বিমান দুর্ঘটনা হয়নি বলে মনোজ মুখার্জি কমিশনকে জানায় তাইওয়ান প্রশাসন। ১৯৪৯ সালে নেতাজির দাদা শরত্‍ বসু নেশন পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাত্‍কারে জানিয়েছিলেন, নেতাজি চীনে আছেন।

এই তথ্যগুলো থেকে অনেকে আশঙ্কা করছেন যে, নেহেরু-গান্ধী সরকার নেতাজীর জনপ্রিয়তার ভয়ে আচ্ছন্ন ছিল। তিনি দেশে ফিরলে তাদের ক্ষমতা ছাড়তে হতে পেরে ভেবে তারা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী চক্রের মাধ্যমে নেতাজিকে নিকেশ বা গুম করে দিতে পারেন, এমন আশঙ্কা একেবারে উঁড়িয়ে দেয়া যায় না। প্রকাশিত নথিগুলো এমন আশঙ্কাকে আরও দৃঢ় করছে।


৬৪টি গোপন নথিতে পাতা আছে ১২ হাজারেরও বেশি!

গতকাল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার যে নথিগুলি প্রকাশ করেছে তার একটিতে দেখা যাচ্ছে, ১৯৪৯ সালের ৯ ডিসেম্বর, জুরিখ থেকে ডক্টর এল অ্যাবেগ শরত্‍ বসুকে চিঠি দিচ্ছেন। নেশন পত্রিকায় শরত্‍ বসুর ওই সাক্ষাত্‍কারের কথা চিঠিতে উল্লেখ করছেন তিনি। একইসঙ্গে ডক্টর অ্যাবেগ বলছেন, জাপানি সূত্র থেকে ১৯৪৬-এ নেতাজির বেঁচে থাকার খবর পান তিনি।

স্বাধীনতার পরও নেতাজির পরিবারের ওপর নজরদারি চলত। রাজ্য সরকারের হেফাজতে থাকা এসব নথিতেও তার প্রমাণ মিলেছে। কংগ্রেস আমলে কলকাতায় নেতাজির পরিবারের ওপর নজরদারি দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার এই বক্তব্যের ফলে অনেকের মধ্যে এই আশঙ্কা বাসা বাঁধছে যে, মমতা সরকার কংগ্রেসকে চাপে ফেলতেই এসব নথি প্রকাশে আগ্রহী হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারও এই নথি প্রকাশে অনুমোদন দিয়েছে। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে থাকা আম-আদমি পার্টিও মমতাকে এসব নথি প্রকাশের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে। বোঝাই যাচ্ছে, কংগ্রেসবিরোধী পক্ষগুলো একজোট!

সে যাই হোক, ঐতিহাসিক সত্য কী সেদিকেই সবার নজর। নথিগুলো জানান দিচ্ছে, ১৯৪৮ থেকে ১৯৬৮ পর্যন্ত নেতাজির পরিবারের ওপর নিয়মিত নজরদারি চলেছিল। নেতাজির দুই ভাইপো অমিয়নাথ বসু এবং শিশিরকুমার বসুর ওপর নজরদারি চালাত রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা শাখা। উডবার্ন পার্ক এবং এলগিন রোডে বসু পরিবারের দুটি বাড়িতে নজরদারি চালিয়ে পাওয়া তথ্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানো হতো।


নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু- জন্ম ১৮৯৭ হলেও মৃত্যু তারিখ নিয়ে চলছে জল্পনা!

১৯৬৪ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জওহরলাল নেহরু। তারপরও কেন্দ্রে কংগ্রেসের সরকার ছিল। ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গেও একটানা ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস। কংগ্রেস আমলে নেতাজি সংক্রান্ত নথি নষ্ট করে ফেলার মতো গুরুতর অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। তবে কি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রাণপুরুষ ও বাঙালীর এই মহানায়ক কংগ্রেসী নেতাদেরই হাতে বলি হলেন? তিনি কি দীর্ঘকাল বন্দি বা গুম অবস্থায় ছিলেন?

এই আশঙ্কাকে আরও দৃঢ় করে কংগ্রেসের জন্ম ইতিহাস। কংগ্রেস তৈরী হয়েছে ও বেড়ে উঠেছে ব্রিটিশের আনুকূল্যে। কংগ্রেস নেতারা বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশের পক্ষে লড়াইও করেছিল। সেই ব্রিটিশরা ভারত ত্যাগের সময় কংগ্রেসের হাতেই দিয়ে যায় ভারতের কর্তৃত্ব। অন্যদিকে নেতাজী ছিলেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের আতঙ্ক। তিনি ব্রিটিশকে হঠানোর জন্য আজীবন লড়েছেন। সেক্ষেত্রে বিদেশে নেতাজীকে গুম করার পেছনে ব্রিটিশ ও কংগ্রেসীদের যৌথ আঁতাতের আশঙ্কা উঁড়িয়ে দেয়া যায় কি?

তথ্যসূত্র :
১) বিবিসি
২) জি নিউজ
৩) কলকাতা ২৪x৭

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৩ thoughts on “গোপন নথিতে নেতাজীকে গুম ও কংগ্রেসী চক্রান্তের ইঙ্গিত!

  1. দারুণ খবর! দুর্দান্ত সব তথ্য
    দারুণ খবর! দুর্দান্ত সব তথ্য উঠে আসছে। খেল শুরু হয়ে গেছে দেখা যাচ্ছে। কংগ্রেসীরা এ কাজ করতেই পারে। গান্ধীর কারণেই তো ভগৎ সিংয়ের ফাঁসি দিতে পারে ব্রিটিশ সরকার। বাংলাদেশ সরকারকেও বাধ্য করা দরকার সরকারি গোপন নথি প্রকাশ করার জন্য।

  2. সত্য কখনো চাপা থাকেনা। এটা
    সত্য কখনো চাপা থাকেনা। এটা আবারও প্রমাণিত হল। দারুণ একটা সংবাদ শেয়ার করলেন। নথি প্রকাশ করার সংবাদ গতকাল দুই দেশের বিভিন্ন মিডিয়াতে আসলেও নেতাজীকে তখনকার কংগ্রেস সরকার গায়েব করা নিয়ে এটাই সম্ভবত প্রথম সংবাদ। ধন্যবাদ আপনাকে।

    এই ধরনের গোপন নথি আমাদের দেশেও প্রকাশ করা উচিত। প্রকাশ করার ট্রেন্ড যেহেতু চালু হয়েছে, আমাদের দেশেও এই রকম গোপন নথি জনগণের পক্ষের কেউ না কেউ ভবিষ্যতে প্রকাশ করবে।

  3. নেতাজীর বিমান দুর্ঘটনায়
    নেতাজীর বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু সাজানো ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে অনেকের গবেষণায় বিষয়টি উঠে এসেছে। ইতিহাসে সত্য কথা বলা শুরু করেছে।

  4. পশ্চিমবঙ্গ সরকার হঠ্যাত্ করে
    পশ্চিমবঙ্গ সরকার হঠ্যাত্ করে নেতাজীর অপ্রকাশিত নথি প্রকাশ করে রাজনৈতিক ভাবে কী ধরণের উপকৃত হবে বলে মনে করছেন?

  5. কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকার জন্য
    কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকার জন্য অনেক বিরোধী মতকে হত্যা করেছে। চারুমজুমদার ও তার অনুসারীদের কথা বাদই দিলাম। সফদর হাশমীর মত নাট্যবক্তিত্বকে পথ নাটক প্রদর্শন করা অবস্থায় গুলি করে হত্যা করেছে। নেতাজী বেঁচে থাকলে স্বাধীনতার পর কংগ্রেসের ক্ষমতায় থাকা এত সহজ হত না। এজন্যই গুম করে হত্যা করা হয়েছে।

  6. প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী
    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যু – রহস্যের ‘ গোপন ’ ফাইলও আর দেরি না করে প্রকাশ করার দাবি উঠল তাঁর পুত্র , কংগ্রেস নেতা অনিল শাস্ত্রী আজ এই দাবি জানিয়ে বলেন , ‘ মৃত্যুর পর আমার বাবার দেহে নীলচে চিহ্ন আর সাদা – সাদা দাগ দেখতে পাওয়া গিয়েছিল কেন ওই সব দাগ ছিল বাবার দেহে , তা আজও আমরা জানতে পারিনি আমার ব্যক্তিগত ধারণা , বাবার মুত্যুটা খুব স্বাভাবিক ছিল না পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে বলতে পারছি না ঠিকই , তবে আমার মনে হয় , অবহেলার কারণেই বাবার মৃত্যু হয়েছিল আর , তার পরেও সকলেই সন্দেহের ঊর্দ্ধে রয়ে গেলেন ! কারও কোনও শাস্তিও হল না ! সকলকে এখন এই সব কিছু জানানো হোক গোপন ফাইলগুলি প্রকাশ করা হোক ’ সম্প্রতি , পশ্চিমবঙ্গ সরকার নেতাজির অন্তর্ধান – সংক্রান্ত ৬৪টি ‘ গোপন ’ ফাইল প্রকাশ করে গত সাত দশক ধরে যে ফাইলগুলিকে অন্ধকারে রাখা হয়েছিল এর পর কেন্দ্রও যাতে এ বার নেতাজি – সংক্রান্ত ‘ গোপন ’ ফাইলগুলি প্রকাশ করে , নেতাজির পরিবারের তরফে সেই দাবিও জানানো হয়
    লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যুতে ‘ রহস্য ’ টা কোথায় , তাঁর সন্দেহ কেন , তা খোলসা করতে গিয়ে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুর পরের ঘটনাগুলির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন অনিল তাঁর কথায় , ‘ ওই ঘটনার পর তাসখন্দের হোটেলে বাবার যে খানসামা ছিল , তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল সে ছাড়াও পেয়ে যায় পরে আমার মা তাসখন্দে গিয়ে সেই খানসামার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কিন্তু , আমার মাকে জানানো হয় , ওই খানসামাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না হোটেলে বাবা যে – ঘরে ছিলেন , সেই ঘরে বাবার খাটের পাশেই একটা ছোট্ট টেবিলে সেই রাতে রাখা ছিল একটা থার্মোফ্লাস্কও বাবার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডাক্তার আর এন চুঘ রাতে বাবাকে দেখতে গিয়ে টেবিলে ওই থার্মোফ্লাস্কটি দেখেছিলেন বাবার রাতে গরম দুধ খেয়ে ঘুমোনোর অভ্যাস ছিল হয়তো সেই জন্যই ওই থার্মোফ্লাস্কটি রাখা হয়েছিল কিন্তু , ওই থার্মোফ্লাস্কটিরও আর হদিশ পাওয়া যায়নি তাই , ওই থার্মোফ্লাস্কে দুধই ছিল নাকি অন্য কিছু , এখনও পর্যন্ত আমরা তা জানতে পারিনি আমার তো মনে হয় , বাবার মৃত্যু – রহস্যের কারণ লুকিয়ে রয়েছে ওই থার্মোফ্লাস্কেই ! ’ নিয়মিত ডায়েরি লেখারও অভ্যাস ছিল প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর অনিল বলেছেন , ‘ বাবার সেই ডায়েরিও পরে আর পাওয়া যায়নি ওই দিনই সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের বড় একটি চুক্তি হয়েছিল বাবা হয়তো সেই চুক্তির কথা তাঁর ডায়েরিতে লিখেও রেখেছিলেন কিন্তু , কী লিখেছিলেন , তা আজও আমরা কেউ জানতে পারিনি ’
    প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় পুত্র , বিজেপি নেতা সুনীল শাস্ত্রীও এ দিন জানিয়েছেন , লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যু – রহস্যের জট যাতে খোলে , তার জন্য তিনি ব্যক্তিগত ভাবে একাধিক বার চেষ্টা করেছেন বাবার মুত্যু – সংক্রান্ত ‘ গোপন ’ সরকারি ফাইলগুলি যাতে প্রকাশ্যে আনা হয় , তার জন্য তিনি অন্তত তিন জন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে বেশ কয়েক বার অনুরোধ জানিয়েছিলেন চন্দ্র শেখর , আই কে গুজরাল ও মনমোহন সিং কিন্তু , কেউই তাঁকে এ ব্যাপারে কোনও আশ্বাস দিতে পারেননি বলে জানিয়েছেন সুনীল
    প্রায় সাড়ে পাঁচ দশক পর শাস্ত্রীজির মৃত্যু – সংক্রান্ত ‘ গোপন ’ ফাইলগুলি কি এ বার আসবে প্রকাশ্যে ? লালবাহাদুরের পরিবারেরই আরেক সদস্য , বিজেপি নেতা সিদ্ধার্থনাথ সিং অবশ্য এ ব্যাপারে যথেষ্টই আশাবাদী তাঁর কথায় , ‘ এ বার একটা কিছু হবে বলেই আমার মনে হচ্ছে কারণ , শাস্ত্রীজির মতো বড় নেতাদের অত্যন্ত শ্রদ্ধা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী ’।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

27 − = 22