সাজেক ভ্যালি : যেখানে মেঘের ভাঁজে কান্না জমে!

‘সিবিদি হেইনেই জিল ঘা অহলে দোই পিলে দ্যালেও দর গরে’! চাকমা ভাষার আলোচিত একটি প্রবাদ! বাংলা প্রবাদে রূপান্তর করলে দাঁড়াবে, ‘ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়’। আর অনুবাদ করলে অর্থটা হয়, চুন খেয়ে জিহ্বায় ঘা হলে সামনে দইয়ের বাটি রাখলেও ভয় করে!

সাজেক ভ্যালি! যেখানে এখন আমরা বাঙালীরা মেঘ ছুঁয়ে দেখতে ছুটে চলেছি অবসরে! ইন্সটাগ্রামে, ফ্লিকারে, ফেসবুকে প্রতিদিন আমাদের মুগ্ধতাগুলো পরস্পর (শেয়ার) করছি! সাজেকের অপূর্ব সৌন্দর্য মন্থনের ঘটনা বলছি একে অপরকে ডেকে! আহা! কী সুন্দর, কী বিচিত্র! কেউ বলি প্রকৃতির লীলা, কারও কাছে খোদার দান!

আমাদের কাছে সাজেক এত আনন্দের হলেও পাহাড়িদের কাছে কিন্তু তা হাড় কাঁপানিয়া এক আতঙ্কের নাম! শুরুতেই বলেছিলাম, পাহাড়িদের মধ্যে ঘরপোড়া গরুর ভীতি কিভাবে প্রবাদে রূপ নিয়েছে। অথচ এই সাজেকই এক সময় হয়েছিল তাদের আশ্রয়স্থল। ১৯৫৮ থেকে ৬২ সালের মধ্যে গড়ে ওঠে কাপ্তাই বাঁধ, যা কিনা আমাদের কাছে সাধের জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র- তার ফলেই বাস্তুচ্যুত হয়েছিল পাহাড়িরা। তৎকালীন পাকিস্তান রাষ্ট্র পাহাড়িদের উৎখাত করতে দ্বিধা করেনি, আমরাও তাতে বাধ সাধিনি! যা হবার তাই হয়েছে, ওরা আজো গাইছে ‘কর্ণফুলীর কান্না!’

রুইলুই ও কংলাক নামে পাহাড়িদের কাছে পরিচিত সাজেক ভ্যালীর অধিকাংশই সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। উঁচু উপত্যকা হওয়ায় কাপ্তাইয়ের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কোপে বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষগুলোর একাংশ এখানেই ছুটে এসেছিল! সেদিন সাজেক তাদের আশ্রয় হলেও অবশেষে কর্ণফুলির কান্না এঁকেবেঁকে বয়ে গেছে অনেক পথ! এখন তারা মেঘ হয়ে উঁড়ছে সাজেক ভ্যালির পর্যটক কুঠুরিগুলোর জানালা ধরে!

সাজেকে গিয়ে ‘সাজেক’ নামে কোন গ্রাম বা লোকালয় পাবেন না। পাবেন তিন পার্বত্য জেলার সর্ব উত্তরের শেষ বিজিবি এবং আর্মি ক্যাম্প! পাহাড়ের উপরিভাগ পরিষ্কার করে আর্মি এবং বিজিবি’র ক্যাম্প দু’টি পাশাপাশি গড়া হয়েছে। মূল সাজেক বলতে যে স্থানকে বুঝায় সেটি হলো ‘রুইলুই’ এবং ‘কংলাক’ নামের দুটি বসতি, স্থানীয় ভাষায় ‘পাড়া’। রুইলুই’র উচ্চতা কিছুটা কম- প্রায় ১৭৮০ ফুট; সবচেয়ে উঁচু হলো কংলাক পাড়া- প্রায় ১৮০০ ফুট। বছর কয়েক হলো সাজেক যাওয়ার এই রাস্তা বানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী (ইসিবি-১৯)। এর আগে সাজেক যাওয়া বাঙালী ও অন্য পর্যটকদের কাছে রীতিমতো দুঃস্বপ্নের মতোই ছিল।

সেই দুঃস্বপ্নের রাতগুলোকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছে সেনাবাহিনী! দেশের পত্রিকা-টিভিওয়ালা আর ক্ষমতাধররা তাদের নিয়ে গর্ব করতে শেখায়! আসুন ভুক্তভোগী এক পাহাড়ির কাছে শুনি, কিভাবে সাজেকে রাস্তা হলো, কিভাবে সেখান থেকে অন্ধকার দূর হলো-

”গত জানুয়ারীতে আমার বাড়ী দখল করে নেয় সেটলাররা, ‘সম-অধিকার আন্দোলন’-এর নেতা গোলাম মওলার নেতৃত্বে। কাউন্সিল অফিসে মিটিং হলে আমরা কথা বলার সুযোগ পাই না, রাজা (দেবাশীষ রায়) আসলে ক্যাম্প থেকে হুমকি দেয়া হয় কোনো কথা না বলার। ২০ এপ্রিল রাতে অনেক গরম ছিলো। নতুন বাড়ী তুলছি, তার বাইরে বসা ছিলাম। হঠাৎ কয়েকজন বাঙালী ‘নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবর’ বলে চিৎকার করতে থাকে। আমি আমার বাড়ী থেকে কিছু দূরে আগুন দেখতে পাই। পাহাড়ীরা চিৎকার করতে থাকে ‘উজো উজো’ (অগ্রসর হও)। এ সময় আর্মী গাড়ী দেখতে পাই। আমার বাড়ীসহ আশেপাশের বাড়ী পুড়তে শুরু করে ততোক্ষণে। একদিকে আমাদের বাড়ী পুড়ছে আরেকদিকে সেটলাররা লুটপাট চালাচ্ছে।”

 

সাজেকে ২০ এপ্রিল ২০০৮ তারিখে রাতে এবং দ্বিতীয় দফায় ২৯ এপ্রিল ২০০৮ তারিখ রাতে পাহাড়িদের আবাসস্থলগুলোতে আগুন দেয়া হয়। কারা আগুন লাগালো সে বিষয়ে বাঘাইহাট জৌনের সেকেণ্ড ইন কমাণ্ড মেজর কবীর একটি পর্যবেক্ষক দলের কাছে বলেন, ‘সাজেকের বাইরে থেকে আসা কিছু ‘সন্ত্রাসী’ এ-আগুন লাগিয়েছে। এখানে কিন্তু পাহাড়ী-বাঙালীর নিজেদের ভিতর কোনো ঝামেলা নেই। আগুন লাগিয়েছে যারা, তারা চায় না বাঙালী-পাহাড়ীর মধ্যে বর্তমানের যে ‘কমিউনাল হারমনী’ তা বিরাজ করুক। এ-এলাকাকে সন্ত্রাসের আখড়া করে রাখতে চায় বলেই তারা সবসময় দুইপক্ষে অস্থিরতা তৈরী করে।’

দ্বিতীয় দফায় ২৮ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১০টায় এক সেটলারের বাড়ীতে আগুন লাগে। তখন ওই এলাকায় সেনা টহল চলছিলো। খবর পেয়ে কয়েকজন পাহাড়ী ঘটনাস্থালে গেলে তাদের চার জনকে সেনারা তুলে নিয়ে যায়। আটককৃতরা হলেন, রবীন্দ্র চাকমা (২২), পিতা শশীমোহন চাকমা; সুশীল চাকমা (২৬), পিতা লক্ষীচন্দ্র চাকমা; রত্নবিকাশ চাকমা (২২), পিতা গুণবীর চাকমা; সংগ্রাম চাকমা (২২), পিতা অশোক কুমার চাকমা। পরের দিন জাতীয় দৈনিকে তিনজনের গ্রেফতারের খবর আসে।

সাজেকে পাহাড়িদের ওপর হামলার সেই ঘটনা তদন্ত করতে গিয়েছিলেন যারা, তাদের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে ভয়ঙ্কর এক চিত্র! তারা লিখেছেন, ”পাহাড়ীদের ভূমি যখন বেদখল হচ্ছে, তখন আমাদের পরিদর্শক দলের কাছে একেক বাঙালীর দু’ জায়গায় বাড়ীর সন্ধান মিলেছে। দীঘিনালা থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে লিচুবাগান এলাকায় গেলে রাস্তার দুপাশে বাঙালী ছাড়া কিছু নজরে আসে না। রাস্তার দুপাশে তিনটি মাদ্রাসা, একাধিক মসজিদ, বাঙালীদের দোকান। সেখানে সেটলাররা আমাদের বলেন, ৫ একর জমির ৪ একর ৭০ শতাংশ জমি লিচুবাগানে আর বাকী ৩০ শতাংশ বেতছড়িতে পেয়েছেন। ফলে দুই জায়গাতেই তাদের বাড়ী আছে। এ-এলাকায় গত দুই মাসে যে ১৬টি নতুন ঘর উঠেছে সকলেরই দুটি বাড়ীর সন্ধান মেলে।”

পাঠকেরা কি পাহাড়িদের আতঙ্কের সূত্র ধরতে পারছেন? পাহাড়িরা বারবার নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদ হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই নিজস্ব সমাজ-সংস্কৃতি ও প্রথার মধ্যে বাস করেন। ফলে আমাদের দুনিয়ার আইন, কানুন, দলিলপত্র দ্বারা তারা চলেন না। নিজস্ব সভার সিদ্ধান্তেই জীবন কাটে তাদের! এতে হয়তো আমাদের মতো তারা আধুনিকতার চর্চ্চা করতে পারেন না ঠিকই, কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই অনাধুনিকদের মধ্যে অনেককে পাবেন, যারা চোর বা ধর্ষণ শব্দগুলো কোনোদিন শোনেনি, তাদের ভাষায় ওসব শব্দ নেই, কারণ ওগুলো তারা কখনও দেখেনি! তাহলে কাকে সভ্য বলবেন, সেটা না হয় আপনার ভাবনার জন্যই তোলা থাক!

সাজেক এখন সেনাবাহিনী ও বিজিবির ক্যাম্প দিয়ে ঘেরাও। এখানকার পর্যটকরা ঘেরাও! পাহাড়িরা ঘেরাও! সেটেলাররা ঘেরাও! যেমন আমাদের শহরগুলোর এমাথা বা ওমাথায় থাকে ব্যারাক! আর মিছিলের শব্দ শুরুর আগেই সেখানে পাগলা ঘণ্টা বাজে! তেমনি, বাঙালী সশস্ত্র বাহিনী দ্বারা ঘেরাও সাজেকের সব আনন্দ উদযাপনই পাহাড়িদের শঙ্কা আরও বাড়িয়ে দেয়! তাদের মনে হয়, আর যে বিঘা দুই আছে, না জানি তা আবার কবে ছেড়ে যেতে হয়!

সাজেকে আজকের যে শান বাঁধানো পথ-ঘাট, আজকে উপত্যকার চূড়ায় যেসব রিসোর্ট! যার জানলায় পাখির কাকলী, মেঘের ভেলা- তার পূর্বশর্ত ছিল ওই পাহাড়িদের উৎখাত করা! একটু কান পেতে দেখুন তো, মেঘের ভাঁজে জমা কান্নাগুলো শুনতে পান কিনা! যদি না পান, তাহলে যেকোনো পাহাড়ি বালকের চোখের দিকে তাকান, সাহস করে তাকে জিজ্ঞেস করুন নিরীহ পর্যটকদের সম্পর্কে! আমার ধারণা সে একটাই উত্তর দেবে- ‘ছ্যাটেলার’!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬ thoughts on “সাজেক ভ্যালি : যেখানে মেঘের ভাঁজে কান্না জমে!

  1. এই সাজেক ভ্যালী নিয়ে আজকের
    এই সাজেক ভ্যালী নিয়ে আজকের প্রজন্মের মধ্যে যে মাতামাতি চলছে, তারা জানেনা এর পেছনের ইতিহাস কতটা বেদনাদায়ক। আরো একটু বিস্তারিত আসলে ভাল হত। তারপরও লেখককে ধন্যবাদ।

  2. আমি জানি, আমাদের বন্ধুরা
    আমি জানি, আমাদের বন্ধুরা সাজেকে গিয়ে অনেকে রুইলুই শব্দটাও শুনতে পাবে না! আর মেঘের ভাঁজের কান্না দেখতে পাওয়াটা তো অনেক দূরের কথা! তারা বাঙালী! মানুষ পরিচয়টাকে লুকিয়ে কেউ যখন ধর্ম বা জাতি পরিচয়কে কেন্দ্রে নিয়ে আসে, তখন বুঝতে মোটেও অসুবিধা হয় না যে, সে কোনো সুবিধা হাসিল করতেই এমন কাজ করছে। বাঙালীরা এখন পাহাড়িদের সম্পদ ও অধিকার হরিলুট করছে! অনেক কিছুই তাদের এখন চোখে পড়বে না! চোখে তাদের জাতীয়তাবাদের ঠুসি আঁটা তো আছেই!

  3. রাজ্যে উৎসব হবে, রাজার মূর্তি
    রাজ্যে উৎসব হবে, রাজার মূর্তি উন্মোচন হবে। বিভিন্ন রাজ্য থেকে পর্যটক আসবে।
    তাই সবার আগে রাজপথ সাজাতে হবে(রাজ্য নয় কিন্তু)। রাজপথের আশেপাশে যত গরিব প্রজা আছে সবাইকে অন্যত্র সরিয়ে দিতে হবে। গরিব প্রজাদের কুঁড়ে ঘরবাড়ি সব ভেঙে রাজপথ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এবং সাজানো গোছানো করতে হবে।

    যেমন রাজার আদেশ, তার চেয়েও বেশি ভৃত্যের কর্তব্য। নির্বিচারে ভেঙে দেয়া হল রাজপথে থাকা সব প্রজার কুঁড়েঘর। গরিব প্রজাদের মেরেকেটে বন্দি করে রাখা হল একটি ঘরে। সাজানো হল রাজপথ। শুধুুমাত্র ভিনরাজ্য থেকে আগত পর্যটক মনোরঞ্জনের জন্য।

    “হীরক রাজার দেশে” চলচ্চিত্রের একটি চুম্বকাংশের কাহিনী এটি।

    ধরুন, একটি বড় আন্তর্জাতিক ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের কথাই ধরা যাক।
    যেসব শহরে খেলা অনুষ্ঠিত হবে সেই শহরের প্রধান এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কের যত হকার, চা দোকান আছে সবাইকে উঠিয়ে দিতে হবে। কোন ভিক্ষুককে ঐসব সড়কের বা এলাকার ত্রিসীমানায় থাকতে দেয়া যাবেনা। ভিক্ষুকদের একটি দৈনিক প্যাকেজ ঘোষনা করে যদিও একটু সিম্প্যাথি দেখানো হয়, কিন্তু হকাররা, টং এর চাওয়ালারা অবিবেচিতই থেকে যায়। এসব শুধুমাত্র বিদেশী পর্যটকদের দেখানোর জন্য।

    বাংলাদেশের চিরাচরিত কাহিনী এটি।

    এলাকাটা পর্যটন কেন্দ্র বানানো হবে কিংবা সামরিক বা আধাসামরিক বাহিনীর দপ্তর বা সদরদপ্তর বানানো হবে। সামরিক বা আধাসামরিক বাহিনীর ক্যাম্প বা এলাকাগুলোও এখন পর্যটন কেন্দ্র বলা যায়। কারণ, ওখানেও পর্যটকদের সাময়িক মনোরঞ্জনের জন্য সবরকম বন্দোবস্ত থাকে।
    এলাকাটা যেহেতু পর্যটন কেন্দ্র বানানো হবে সেহেতু মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী এলাকায় কোন কুঁড়েঘর থাকতে পারবেনা। কিন্তু ঐ এলাকায় বসবাসরত মানুষদের সর্বোচ্চ চেষ্টাসাধ্য সেই কুঁড়েঘর পর্যন্ত।
    তাই এলাকার যত ঘরবাড়ি আছে সব ভেঙে ফেলতে হবে। বাসিন্দারা যেখানেই যাবে যাক। যেকোনো উপায়ে, এলাকার মানুষদের খেঁদিয়ে পর্যটন কেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে।
    এটাও শুধুমাত্র দেশী বিদেশী পর্যটকদের মনোরঞ্জনের জন্য।

    পার্বত্য চট্টগ্রামের আবহমান কাহিনী এটি।

    আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস। এবছরের এই দিবসের প্রতিপাদ্য কী জানিনা। হবে শ্রবণরোচক কিছু একটা।
    এই দেশের এবং আমাদের পাহাড়ের প্রেক্ষাপটে এই দিবসটাকে আমার অন্যতম অভিশপ্ত দিবস মনে হয়।

    আমাদের দেশের পর্যটন ব্যবসায়ীমহল যেমন অবিবেচক, তেমনি পর্যটকরাও অবিবেচক। সবাই খুব অর্ডিনারি এবং টিপিক্যাল পর্যটক। যাদেরকে পর্যটক বললে পর্যটক এর অর্থটাকেই বিকৃত করা হয়। আজকাল অবশ্য একটা ক্যামেরা হাতে নিয়ে এদিক সেদিক ইয়ো ইয়ো ঘুরে বেড়ানোকেই পর্যটন বলা হয়।

  4. আমি কি বাঙ্গালি না সন্ত্রাসী
    আমি কি বাঙ্গালি না সন্ত্রাসী বুঝতে পারছি না?
    অামরা বাঙালীরা ধার্মিক,নাস্তিক, সেকুলার সব হতে পারলাম কিন্তু শালার মানুষ হতে পারলাম না।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

71 − = 61