মৌলবাদীদের বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে আমরা মিলবো পহেলা বৈশাখে


কালের আবর্তে একটি বছর হারিয়ে যায়, আসে আরেকটি। পহেলা বৈশাখের পরিচিত সেই রূপটি আবার আসছে বাঙালির ঘরে নব আনন্দে,নবরূপে। ঢাকের তালে,পান্তা-ইলিশ খাওয়া,রঙ-বেরঙের মুখোশ আর মঙ্গল শোভাযাত্রায় বরণ করে নেওয়া হবে নতুন বছরকে। নতুন বছরের শুভ কামনায় নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। এভাবেই নতুন বছরকে স্বাগত জানায় আমরা।
আর মাত্র কয়েক ঘন্টা পরেই আমরা আবারো মিলবো আমাদের প্রানের উৎসব পহেলা বৈশাখে। যুগ যুগ ধরে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাঙ্গালী এই দিনটি উদযাপন করছেন পরম আন্তরিকতায়। এ বছরও তার ব্যাতিক্রম হবে না।
যদিও এবারের পহেলা বৈশাখ এমন সময়ে উদযাপিত হচ্ছে যখন দেশ এক চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের মাথার উপর জামাত শিবির হেফাজতীরা শকুনের মতো উড়ছে। অন্য দিকে দেশপ্রেম বুকে নিয়ে গনজাগরনের ডাক দিয়ে সোচ্চার আমাদের নতুন প্রজন্ম। রাজনীতির শিকার হয়ে কারাবরন করতে হয়েছে আমাদের ব্লগার ভাই ও বন্ধুদের।

মুক্তিযুদ্ধের এই বাংলায় জঙ্গীবাদ মৌলবাদের ঠাই কখনোই হয়নি, হবেও না। তাদের নখ উপড়ে ফেলে নতুন সুর্যোদয়ের আগমনে তাই জেগে আছি আমরা প্রজন্মের যোদ্ধারা। সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা।

বাংলা নববর্ষ শুরুর ইতিহাস
হিন্দুদের সৌর পঞ্জিকা অনুযায়ী বাংলা বারটি মাস প্রাচীনকাল থেকেই পালিত হয়ে আসছে । এই সৌর পঞ্জিকার শুরু হত গ্রেগরীয় পঞ্জিকায় এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে। হিন্দুদের সৌর বছরের প্রথম দিন বঙ্গ, ত্রিপুরা,মনিপুর,উড়িষ্যা,আসাম, নেপাল, কেরলাএবং পাঞ্জাবের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অনেক আগে থেকেই এই পালিত হয়। নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ এই উৎসব এক সময় ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে পালিত হত।

তখন এর মূল উদ্দ্যেশ্য ছিল কৃষিকাজ। প্রাযুক্তিক প্রয়োগের যুগ শুরু না হওয়ায় কৃষকদের ঋতুর উপরই নির্ভর করতে হত। আর এর জন্যই এটি মূলত ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে পালিত হত।আর এখন পহেলা বৈশাখ নতুন বছরের সূচনার নিমিত্তে সর্বজনীন একটি উৎসব।ভারতবর্ষে মুঘল সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর সম্রাটরা হিজরী পঞ্জিকা অনুসারে কৃষি পণ্যের খাজনা আদায় করত কিন্তু হিজরি সন চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় তা কৃষি ফলনের সাথে মিলত না। এতে করে কৃষকদেরকে অসময়ে খাজনা পরিশোধ করতে বাধ্য করতে হত।

মুঘল সম্রাট আকবর খাজনা আদায় সুন্দরভাবে করার লক্ষ্যে বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। তিনিই মূলত প্রাচীন বর্ষপুঞ্জিটি সংস্কার আনার আদেশ দেন। তার আদেশ মতেই তৎকালীন বাংলার বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ ফতেহউল্লাহ সিরাজি আরবি হিজরী সন ও সৌর সনের ওপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সনের নিয়ম তৈরি করেন। ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ই মার্চ বা ১১ই মার্চ থেকেই বাংলা সন গণনা শুরু করা হয়। তবে এই গণনা পদ্ধতি ১৫৫৬ সালের ৫ই নভেম্বর আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় থেকে কার্যকর করা হয়। সর্বপ্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন, পরে এটি বাংলা বর্ষ বা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত লাভ করে।

আধুনিক নববর্ষ উদযাপনের প্রথম খবর ১৯১৭ সালে পাওয়া যায় । তখন প্রথম মহাযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় কামনা করে সে বছর পহেলা বৈশাখে হোম কীর্ত্তণ ও পূজার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এরপর ১৯৩৮ সালেও একইরূপ কর্মকান্ডের উল্লেখ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ১৯৬৭ সনের আগে ঘটা করে আমাদের দেশে পহেলা বৈশাখ পালনের রীতি তেমন একটা জনপ্রিয় হয়ে উঠে নি ।১৯৬৭ সাল থেকে ছায়ানট রমনা বটমূলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এর পুনঃজাগরন করে। এভাবেই বাঙালির আধুনিক নববর্ষ উদযাপনের শুরু হয়।

মঙ্গল শোভাযাত্রায় মঙ্গল কামনা
ঢাকার বৈশাখী উৎসবের একটি আবশ্যিক অঙ্গ মঙ্গল শোভাযাত্রা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখে সকালে এই শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় চারুকলা ইনস্টিটিউটে এসে শেষ হয়। এই শোভাযাত্রায় গ্রামীণ জীবণ এবং আবহমান বাংলাকে ফুটিয়ে তোলা হয়। শোভাযাত্রায় সকল শ্রেণী-পেশার বিভিন্ন বয়সের মানুষ অংশগ্রহণ করে। শোভাযাত্রার জন্য বানানো নয় রং-বেরঙের মুখোশ ও বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিলিপি। ১৯৮৯ সাল থেকে এই মঙ্গল শোভাযাত্রা পহেলা বৈশাখের উৎসবের একটি অন্যতম আকর্ষণ।

বৈশাখি মেলা
বৈশাখ মানেই যেন মেলা। বৈশাখের প্রথম দিন থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় মেলা শুরু হয়ে যায়। শহর কিংবা গ্রাম, পাড়া-মহল্লাতে বৈশাখের প্রথম দিন থেকেই মেলা শুরু হয়।কোন কোন জায়গায় এই বৈশাখী মেলা মাসব্যাপি হয়। এই মেলাতে নানা প্রকারের দেশীয় মিষ্টান্ন, নারিকেল মুড়কিসহ আরও অনেক সুস্বাদু খাদ্যের দেখা মেলে। প্রতি বছর বাংলাদেশের চট্রগ্রামের লালদিঘির ময়দানে বসে ঐতেহাসিক জব্বারের বলি খেলা। এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লাঠি খেলা, নৌকাবাইচ প্রভৃতি খেলা হয়।

সোনারগাঁয়ের বউমেলা
ঈশা খাঁর সোনারগাঁয় ব্যতিক্রমী এক মেলা বসে, যার নাম ‘বউমেলা’। জয়রামপুর গ্রামের মানুষের ধারণা, প্রায় ১০০ বছর ধরে পয়লা বৈশাখে শুরু হওয়া এই মেলা পাঁচ দিনব্যাপী চলে। প্রাচীন একটি বটবৃক্ষের নিচে এই মেলা বসে, যদিও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সিদ্ধেশ্বরী দেবীর পুজো হিসেবে এখানে সমবেত হয়। বিশেষ করে কুমারী, নববধূ, এমনকি জননীরা পর্যন্ত তাঁদের মনস্কামনা পূরণের আশায় এই মেলায় এসে পূজা-অর্চনা করেন। সন্দেশ-মিষ্টি-ধান দূর্বার সঙ্গে মৌসুমি ফলমূল নিবেদন করে ভক্তরা। পাঁঠাবলির রেওয়াজও পুরনো। বদলে যাচ্ছে পুরনো অর্চনার পালা। এখন কপোত-কপোতি উড়িয়ে শান্তির বার্তা পেতে চায় ভক্তরা দেবীর কাছ থেকে।

ঘোড়ামেলা
সোনারগাঁ থানার পেরাব গ্রামের পাশে আরেকটি মেলার আয়োজন করা হয়। এটির নাম ঘোড়ামেলা। লোকমুখে প্রচলিত জামিনী সাধক নামের এক ব্যক্তি ঘোড়ায় করে এসে নববর্ষের এই দিনে সবাইকে প্রসাদ দিতেন এবং তিনি মারা যাওয়ার পর ওই স্থানেই তাঁর স্মৃতিস্তম্ভ বানানো হয়। প্রতিবছর পহেলা বৈশাখে স্মৃতিস্তম্ভে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা একটি করে মাটির ঘোড়া রাখে এবং এখানে মেলার আয়োজন করা হয়। এ কারণে লোকমুখে প্রচলিত মেলাটির নাম ঘোড়ামেলা। এ মেলার অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে নৌকায় খিচুড়ি রান্না করে রাখা হয় এবং আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সবাই কলাপাতায় আনন্দের সঙ্গে তা ভোজন করে।

বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বৈশাখ
বৈশাখের প্রথম দিনটিকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন জনগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন আচার।
চট্টগ্রামের আদি জনগোষ্ঠী বর্তমানে পহেলা বৈশাখের উৎসবকে ‘বৈসাবি’ বলে। তঞ্চংগ্যা ও ত্রিপুরা গোষ্ঠীর আদিবাসী বৈশাখী উৎসবকে তাদের সংস্কৃতি অনুযায়ী বলে বৈসু, মারমারা বলে সাংগ্রাই এবং চাকমারা বিঝু বলে। তাদের এই তিনটি গোষ্ঠীর প্রধানরা সম্মিলিতভাবে বসে নামকরণ করেছেন’বৈসাবি’। বর্তমানে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জব্বারের বলী খেলা বৈশাখের অন্যতম
বিঝু উৎসব
এটি চাকমাদের উৎসব। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিভাগে যে ১৩টি আদিবাসী গোষ্ঠী রয়েছে, তাদের মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা বেশি। চাকমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। বৈশাখী উৎসবকে তারা ‘বিঝু’ বলে ডাকে। বাংলা পঞ্জিকানুসারে বিদায়ী বছরের শেষ দু’দিন (২৯ ও ৩০ চৈত্র) ও আগত বছরের প্রথম দিন (১ বৈশাখ) মিলিয়ে তিন দিন তারা এ উৎসব পালন করে।

তাদের মতে, ২৯ চৈত্র ফুল বিঝু, ৩০ চৈত্র মূল বিঝু এবং ১ বৈশাখ। চাকমাদের ভাষায় পহেলা বৈশাখকে ‘গর্যাপর্যা’ বলে। যার অর্থ গড়াগড়ি খাওয়া। এ দিনটিতে সবাই সবচেয়ে ভালো খাবার-দাবারের আয়োজন করে। তাদের বিশ্বাস, বছরের প্রথম দিন ভালো খেলে সারা বছর ভালো খেতে পারবে। পরে তারা আনন্দ করে সারা বছর আনন্দে এবং সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি আনার বিশ্বাসে। তারা মুরব্বিদের আশীর্বাদ নেয় এবং যত্নে তাদের গোসল করিয়ে দেয়।

সাংগ্রাই
সাংগ্রাইং পোয়ে মারমা আদিবাসীদের উৎসব। মারমারা তাদের নিজস্ব পঞ্জিকা (বর্মীপঞ্জি) অনুসরণ করে তাদের উৎসব করে। আমাদের বাংলা সালের ১ বৈশাখেই তারা সাংগ্রাইং উৎসবটি পালন করে। মারমারা চার দিন উৎসবটি পালন করে।
ভোরে উঠে ফুল সংগ্রহ করে ঘর সাজায়। গৃহিণীরা ঘরের সব আসবাবপত্র ধুয়ে-মুছে চকচকে করে রাখে। বৃদ্ধরা বৌদ্ধ মন্দিরে উপোস করে পূজা অর্চনা করে। পূজার পর বোমাং রাজার নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের করে। তবে, গোয়াইন বুদ্ধমূর্তিকে গোসল করানোর মধ্য দিয়ে মূল উৎসব শুরু হয়। এ দিনটিতে সবাই দুঃখ-কষ্ট ও ভেদাভেদ ভুলে আনন্দে মাতে।

মারমাদের উৎসবের মূল আনন্দ মৈত্রী পানি উৎসব। মূর্তিকে গোসল করানোর পর তাদের পানি ছোড়াছুড়ি উৎসবটি হয়। কারণ পানি ছোড়ার মধ্য দিয়ে ফেলে আসা বছরের সব পাপ, দুঃখ-কষ্ট, বেদনা, ব্যর্থতা পানির সঙ্গে ধুয়ে-মুছে দূর হয়। পরে সন্ধ্যায় তারা মোমবাতি জ্বালিয়ে নতুন বছরের জন্য সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে পূজা করে।
বৈসু উৎসব
এটি ত্রিপুরাদের বৈশাখী উৎসব। তিন পার্বত্য জেলায় (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) বসবাসকারী ত্রিপুরারা এ উৎসবটি চাকমাদের মতো তিন দিনব্যাপী পালন করে। তবে, উৎসবের প্রথম দিনকে হারিবৈসু, দ্বিতীয় দিনকে বৈসুম্মা এবং তৃতীয় দিনকে (পহেলা বৈশাখ) বৈসুভিম বলে। পুরনো দিনের সব কষ্ট, গ্লানি, দুঃখ, ব্যর্থতাকে ভুলে নতুন করে সংসারের মঙ্গল কামনায় তারা উৎসবটি পালন করে। রঙ দিলে জীবন রঙিন হয়ে উঠবে এমন বিশ্বাসে ছোট-বড় সবাই একে অপরকে রঙ দিয়ে রাঙিয়ে দেয়।

চাংক্রান উৎসব
ম্রো বা মুরাংদের বৈশাখী উৎসবের নাম চাংক্রান। এই আদিবাসীদের বান্দরবান জেলায় দেখা যায়। এই জনগোষ্ঠী আরাকান পঞ্জিকা (ম্রাইমান্দ) অনুসরণ করে বৈশাখ পালন করে। এরাও তিন দিনব্যাপী উৎসবটি পালন করে। চাংক্রানের আগের দিন মেয়েরা ফুল সংগ্রহ করে প্রত্যেকে খোঁপায় পরে।

তাদের উপাসনালয় বৌদ্ধ মন্দিরকে ভালো করে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে এবং বিভিন্ন রঙে সাজায়। আবার উৎসবের দিন নারী-পুরুষ সবাই মিলে ফুল সংগ্রহ করে। মেয়েরা রাতে পিঠা বানায় পালা দিয়ে। তারা বাঁশি বাজিয়ে ফুল হাতে নিয়ে নাচতে নাচতে মন্দিরে ঢোকে। ম্রো আদিবাসীদের কাছে লাঠি খেলা খুবই জনপ্রিয়। তাই সবাই লাঠি খেলা উপভোগ করে। লাঠি খেলাকে ঘিরে আবার বিভিন্নঅনুষ্ঠানেরও আয়োজন হয়।

পান্তা ইলিশ খাইয়া যাইয়েন কিন্তু……

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

১৭ thoughts on “মৌলবাদীদের বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে আমরা মিলবো পহেলা বৈশাখে

  1. অন্তত একটি দিনের জন্য হলেও
    অন্তত একটি দিনের জন্য হলেও সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতাকে ভুলে থাকতে পারব।বেশ কয়েক সপ্তাহ টিভি,ব্লগ,ফেসবুক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা নিয়েই উত্তপ্ত ছিল বেশী যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সকলের মধ্যেই।তাই এই নতুন দিনটাকে কেন্দ্র করে জন্ম নিয়েছে অনেক প্রশান্তির সপ্ন।
    পোস্টের ছবিগুলোর মতনই আনন্দে কাটুক আমাদের বছরের বাকি দিনগুলো।
    সুন্দর ছবি সংবলিত পোস্টটি দেবার জন্য পোস্ট দাতাকে অসংখ্য ধন্যবাদ!!

  2. অশ্রু বাষ্প সুদূরে
    অশ্রু বাষ্প সুদূরে মিলাক…
    শুভ নববর্ষ।

    চমৎকার পোস্ট। আমাদের নববর্ষ উৎসবের আলাদা একটা রঙিন শুভ্রতা আছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

  3. বর্ষ বরণ এখন সার্বজনীন একটা
    বর্ষ বরণ এখন সার্বজনীন একটা উৎসব। এখন আর কারও পক্ষেই ফতোয়া জারি করে বাঙ্গালীর এই প্রাণের উৎসব উদযাপনে বিঘ্ন সৃষ্টি করা সম্ভব নয়। লেখাটার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

    সব্বাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ ১৪২০।

  4. বঙ্গ,ত্রিপুরা,মনিপুর,উড়িষ্যা
    বঙ্গ,ত্রিপুরা,মনিপুর,উড়িষ্যা,আসাম,নেপাল,কেরলা এবং পাঞ্জাবের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অনেক আগে থেকেই নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ এই উৎসব এক সময় ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে পালিত হত । আর মাত্র কয়েক ঘন্টা পরেই আমরা আবারো মিলবো আমাদের প্রানের উৎসব পহেলা বৈশাখে। যুগ যুগ ধরে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাঙ্গালী এই দিনটি উদযাপন করছেন পরম আন্তরিকতায়। এ বছরও তার ব্যাতিক্রম হবে না।
    যদিও এবারের পহেলা বৈশাখ এমন সময়ে উদযাপিত হচ্ছে যখন দেশ এক চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের মাথার উপর জামাত শিবির হেফাজতীরা শকুনের মতো উড়ছে। অন্য দিকে দেশপ্রেম বুকে নিয়ে গনজাগরনের ডাক দিয়ে সোচ্চার আমাদের নতুন প্রজন্ম। রাজনীতির শিকার হয়ে কারাবরন করতে হয়েছে আমাদের ব্লগার ভাই ও বন্ধুদের।
    মুক্তিযুদ্ধের এই বাংলায় জঙ্গীবাদ মৌলবাদের ঠাই কখনোই হয়নি, হবেও না। তাদের নখ উপড়ে ফেলে নতুন সুর্যোদয়ের আগমনে তাই জেগে আছি আমরা প্রজন্মের যোদ্ধারা। সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা। চমৎকার তথ্যবহুল লেখা ।

  5. প্রাণে প্রাণ মিলুক
    নব আনন্দে

    প্রাণে প্রাণ মিলুক
    নব আনন্দে জেগে উঠুক বাঙালি
    প্রাণে সঞ্চার হোক বীরের ধারা
    এই কামনায়……………………

    “শুভ নববর্ষ” মিতু আপু সহ ইস্টিসনের সকল যাত্রীদের…..

  6. বাংলা নববর্ষে এদেশের
    বাংলা নববর্ষে এদেশের অসাম্প্রদায়িক মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষ পালন করে বুঝিয়ে দিয়েছে হেফাজতের ১৩ দফার বেইল এই দেশে নাই। হেফাজতিরা মাদ্রাসার চৌহদ্দিতে ১৩ দফা বাস্তবায়ন করে মুড়ি খাক। আমরা অসাম্প্রদায়িক মানুষগুলো মিলেমিশে ধর্মান্ধতার বাইরে থেকে যার যার ধর্ম সে সে নিজের মত করেই পালন করবে।

  7. YOU always treated
    YOU always treated “Fundalentalists” as your prime rival force, how far this is correct? We are fed up listening this thesis since movement of liberation in Bangladesh.
    Try to identify your 1st opponent (!), then petty-bourgeoisie, then reactionists in order.
    Now, coming to celebration of Baishak, is this the highest priority in your order to show your diligence to fundamentalists. Who are participating here, and where are the working people in shadow? If this is your platform to celebrate for working class of people, then you are really holding another ‘brand’ of reactionists or fraustrationist, rahter than marxists view for Bengali working class!!!

    1. প্রধান শত্রু কে সেটাই এখনো
      প্রধান শত্রু কে সেটাই এখনো আমরা সঠিকভাবে নির্ধারন করতে পারিনি।যার ফলাফল শত্রুর ঘরেই যাচ্ছে।তারা জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে নিজেদের স্বার্থকে আরও সুসংহত করতে পরিকল্পিতভাবে কখনো মৌলবাদকে উস্কে দিচ্ছে আবার কখনো মৌলবাদের সাথে আপোষ করছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

85 − = 83