চটিবাজ হাসনাত আব্দুল হাইয়ের গল্প অবলম্বনে

হাসান আব্দুল হাইয়ের ২২ বছর বয়সী মেয়ের হঠাত বুমি হওয়া শুরু হল, ভদ্র লোক এই সময় ভাষায় নেই, উনি আছেন প্রথম আলো কার্যালয়ে মতিউর রহমানের সাথে আলাপচারিতায়, মূলত সৃজনশীল লেখক হিসেবে উনার বেশ পরিচিতি আর মতি ভাই এ বি এম মুসা ও মাহমুদুর রহমান ভাইয়ের সাথে আলোচনা করেই উনি লিখার বিষয় বস্তু ঠিক করেন ও বেশ জমিয়ে লিখেন। সমাজের ধনী শ্রেনীর লোক থেকে পতিতা শ্রেনীর লোক পর্যন্ত তার লেখার বেশ কদর আছে। আর উনার লিখা বই কিংবা লিখা চাপিয়ে দুষ্ট দেবর ভাবীকে গিফট করে কিছু পেতে। উনার সৃজনশীল লিখা মানুষের কাম ভাব কে সৃজন্শীল ভাবে জাগিয়ে তোলে। তো উনাকে বাসার কর্মচারীরা ফোন করে ঘটনা জানালে উনি তাদের বলেন প্রেমা কে যেনো তারা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায় উনি আসছেন ঘন্টা ১০ মিনিটের মধ্যেই। কাজের লোকেরাই সুন্দরী প্রেমাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলো। ঘন্টা দেড়েক পর তিনি হাসপাতালে ছুটে এলেন চেহারায় ভয়ার্ত হতাশার চাহনী মনে হচ্ছে প্রেমার একটা কিছু হয়ে গেলে উনি এই পৃথিবীতে উনার শ্রেষ্ঠ সম্পদ টি হারাবেন। উনার আগেই উনার দু বছর বয়সী ছেলেটাকে হাসপাতালে নিয়ে এলেন কাজের মেয়ে পিতু।না এটি কিন্তু প্রেমার প্রথম হাসপাতালে আসা নয় আগেও এসেছিলো তল পেটে ব্যাথা বা ঋতু স্রাবের কারনে যদি ও সে সময় সে অনেক ছোত ছিলো এসব একেবারেই বুঝতনা। প্রেমাকে হাসপাতালের এমের্জেন্সি বা জুরুরি বিভাগে ভর্তি করা হল, যেই বিভাগে সর্ব সাধারনের প্রবেশে নিষেধ আছে। ডাক্তার অনেক পরিক্ষা নিরীক্ষা করে করে প্রেমা কে বললেন তোমার সুখবর আছে মা তুমি মা হতে চলেছো, খবর শুনেতো হাসনাত সাহেব খুসিতে আত্মহারা, হঠাত তার মনে পড়ে গেলো হায়রে তার মেয়ের বয়সী অনেক মেয়েকে দিয়েইতো উনি দৈহিক প্রশান্তি মিটিয়েছেন পত্রিকায় তাদের লিখা ছাপিয়ে দিবেন বলে কত মেয়ে যে তার ক্ষুদার স্বীকার হয়েছেন, বিনিময়ে সামান্য টাকা পয়সা ধরিয়ে দিয়েছেন, মেয়ে গুলার ও আর কোন পথ নেই সেই দূর অজো পাড়া গা থেকে তারা এসেছে এই ঢাকার ইট বালুর শরে কেউ তাদের এই টুকু ঠাই দেয়নি, কিন্তু এই মহা মানবিক লোকটা তাদের দেহ ভোগ করলেও অন্তত কিছু টাকা পয়সা দেয় যা দিয়ে তাদের মাস চলে যায়। নীলার কথাই দরুন হাসনাত সাহেব নীলার বাবার বাল্য বন্ধু। সেই ছোট কাল থেকেই তাদের বেড়ে উঠা একই গ্রামে পড়া লেখা হাসনাত অনেক দূর করলেও শিকদার মানে নীলার বাবার পরিবারের অভাবের কারনে তেমন একটা করা হয়ে উঠেনি। নীলার বাবা বছর তিনেক হবে প্যারালাইজড হয়ে বিচানায় শোয়া। এরি মাঝে নীলা এস এস সি পাশ করে পেলেছে, খুব অধীর আগ্রহে স্বপ্ন দেখছে প্রেমা আপুর মত শহরের নামী দামী স্কুলে ভর্তি হয়ে পড়া লেখা শেষ করে পরিবারের হাল ধরে সমাজ কে দেখাবে মেয়েরা বোঝা নয় সম্পদ, কিন্তু চাইলে কি আর স্বপ্ন পূরন হয়?

হাসনাত তার বাল্য বন্ধু শিকদার কে তার বাড়িতে দেখতে গেলেন। সকল কুশলাদি বিনিময়ের পর পরিবারের দুর্বল আর্থিক অবস্থা দেখে তিনি শিকদার কে বললেন তুই নীলা কে আমার হাতে দিয়ে দেয় আমি ওকে শহরে নিয়ে উচ্চ শিক্ষিত করে গড়ে তুলে তোর ছেলের অভাব পূরন করাবো। শিকদার আরে যাহ এ হয়নাকি মেয়ে আমার ভাত পাকানো ছাড়া তরকারি টাও ঠিকমত বানাতে পারেনা ও কিভাবে কোন কাজ করে ওর পড়া লেখার খরচ চালাবে? তুই বরং একটা ভালো পাত্র দেখে আমার নীলা মায়ের একটা বিহিত করে দে। বিয়ে!!! বলিশ কি শিকদার তোর কি মাথা খারাফ হয়েছে এইটুকুন মেয়েকে এই বয়সে বিয়ে দিতে? তারপর উনি নীলার দিকে তাকালেন সদ্য যৌবন প্রাপ্ত মেয়ে দেখলেই বুঝা যায়, মাত্র স্তন গজাচ্ছে ওড়নাটাও ঠিক মত পরতে জানেনা লক্ষ্য করলেন তিনি। এ দৃশ্য দেখে নীলার প্রতি তার শিহরন তৈরি হল। শিকদার কে হাসনাত বুঝালেন দেখ আমি লেখক মানুষ পত্রিকায় প্রতিদিন আমার লেখা চাপে অনেক পত্রিকাওয়ালা আমার বসে তাদের বলে নীলার একটা চাকরী ম্যানেজ করা আমার জন্য কোন ব্যাপার না। তাছাড়া আমাদের মিডিয়া এখন শীর্ষে আমরা যা লিখি মানুষ তাই গিলতেছে বিশ্বাস করতেছে। ফলে মিডিয়া পাড়ায় আমাদের আলাদা প্রভাব আমাদের দাপটে মন্ত্রী এম পি পর্যন্ত বেশামাল আর নীলার চাকরি হবেনা এটা হয়না। ওর হাতের লিখা অনেক সুন্দর জাস্ট সম্পাদক সাহেবের সম্পাদকীয় টা লিখে দিবে মেশিন দিয়ে। এখানে নীলাকে কিছুই করতে হবেনা সম্পাদকের লিখাটা একটা পাতায় লিখা থাকবে সে শুধু এটা দেখে মেশিন দিয়ে লিখবে। ভয়ের কিছু নেই অন্য মেয়েরা তাকে মেশিন চালানো শিখিয়ে দিবে।

ব্যাস শিকদার রাজি হয়ে গেল। মিলা!!!! সেতো মেঘ না চাইতে তূফান পেলো। পত্রিকা অফিসে চাকরি হয়ে গেল। অন্য মেয়েরা টুকটাক কম্পিউটার চালানো শিখিয়ে পেলেছে তাকে যদিও অত এক্সপার্ট হয়নি এখনো। হাসনাত প্রায় ই নীলার খোজ খবর নিত। নীলার টাইপিং মিস্টেকের অভিযোগ প্রায় ই তার কাছে যেত, সে নীলার ভূল শুধরান জন্য নীলার পাসে বসে তার টাইপিং দেখতো নানা চলে মাউস ধরার অজুহাতে কতবার যে নীলার কোমল হাতের চোয়া নিয়েছে সেই ভালো জানে। ধীরে ধীরে নীলার সুনাম চড়িয়ে পড়লো মিডিয়া পাড়া থেকে দেশ বিদেশে। মেয়ের এহেন সাফল্য দেখে শিকদারের গর্বে বুক ফুলে উঠে অজো পাড়া গায়ে। নীলা কে আজ সম্পাদক ডিনারে ডাকে তো কাল সহ সম্পাদক। তার মহা সুখের দিন এখন। সময় অনেক হয়েছে এখন মিডিয়া পাড়ায় টিকে থাকা এতো সহজ নয় এখানে খুব দ্রুত উঠে গেলেও অবস্থান ধরে রাখতে অনেকের চাহিদা পূরন করতে হয়। অনেকের কথা মত চলতে হয়। তো নীলার এহেন সাফল্যে বেজায় খুশী হয়ে হাসনাত নীলাকে তার বন্ধুর বাংলোতে ডিনার অফার করলো বাপের বয়সি লোক যার দরুন আজ নীলা এই অবস্থানে কোন ভাবেই নীলা না করতে পারলোনা বরং পিতার কাদের ন্যায় ভর করেই হাসনাত সাহেবের গাড়িতে চড়ে ছুটে গেলো গাজিপুরের কোন এক বাংলোয়। কি সুন্দর বাংলো দুঃষন মুক্ত নিরিবিলি এলাকা বেশ ভালো লাগলো নীলার ডিনার শুরুর আগেই হাসনাত নীলার দিকে মদের গ্লাস এগিয়ে দিলেন নীলা কোল্ড ড্রিংকস ভেবেই গিলে ফেললো পুরাটা আবারো আর এক গ্লাস দিলেন হাসনাত নীলা গোরে আচ্ছন্ন হয়ে গিলে ফেললো এই গ্লাস ও দুঝনে বেশ ঝমিয়ে ডিনার করলো। গোরে আচ্ছন্ন নীলাকে তিনি অফার করলেন বাংলোয় থেকে যেতে একি বিছানায় তারা রাত কাটাবে, নীলাও রাজি হতে চাইলোনা হাসনাত বললেন তাহলেতো তোমার চাকরী থাকবেনা। নীলা কিছুটা গোর আচ্ছন্ন হয়ে ভাবলো চাকুরী গেলেতো তার অবস্থান ই শেষ যা সে তীলে তীলে গড়ে তুলেছে চাকুরি যাওয়া মানে আকাশ থেকে মাটিতে পড়া। অনেক ভেবে সে রাজী হয়ে গেলো। হাসনাত সাহেব বিচানায় যেনো হরিনের মাংশ পেলেন এতো খুশীভাবে কোন দিন তিনি তার বিচানার ক্ষুদা মিটাতে পারেননি। আহ সে কি নরম শরীর কিছুতেই ভূলা যায়না।

এসব ভাবনায় তিনি যখন মগ্ন হঠাত কাজের মেয়ে পিতু বলে উঠল স্যার প্রেমা আপা কেমনে মা হবে তার তো বিয়েই হয়নি। হাসনাতের চিন্তায় ভাটা পড়লো আরে হ্যা তাইতো প্রেমা কিভাবে মা হবে সে যে অবিবাহিত। তিনি পিতু ডেকে বললেন আরে আমি ভূল বলেছি প্রেমা মা হবেনা ওর মাসিক হবে। পিতু ওওও তাই কন স্যার। এ দিকে মহা চিন্তায় পড়ে গেলেন হাসনাত তার বঊ তাকে ডিভোর্স দেয়ার পর প্রেমাকে অনেকটা বাধ্য করেই উনি যৌন ক্ষুদা মিটাতেন কিন্তু সেখানেতো উনি পটকা কর্ম সুচী পালন করতেন, প্রেমা জন্য ছিলো পিল সুচী। তারপর ও প্রেমার এই হাল হল কিভাবে? এ নিয়ে হাসনাত চিন্তিত আচ্ছা পটকায় ভেজাল ছিলোনাতো নাকি পিলে ভেজাল ছিলো এসব নিয়েই তার মাথা খারাফ কিভাবে সমাজে মুখ দেখাবে। হঠাত তার মাথায় এক বুদ্ধি এলো উনি খাতা কলম নিয়ে লিখে পেললেন শাহবাগের কোন এক নেতা তার মেয়ের সর্বনাশ করেছে এর বিশাল পান্ডুলিপি তিনি পত্রিকায় চাপানোর উদ্যোগ নিলেন। হাসপাতাল থেকে যেই উনি বের হতে যাবেন অমনি তার ছেলেটা বলে দিলো পাপ্পা আপ্পির বালিশের নীচে অনেকগুলা পটকা আছে ওইগুলা এখানে নিয়ে আসবা আসার সময়। হায় হায় কয় কি ছেলে হাসনাতের তো মাথায় হাত ছেলে কে জিঙ্গেস করলেন তুমি কিভাবে জানলে ঐখানে পটকা আছে? ছেলে কেনো জানোনা আমি সুই দিয়ে ওগুলা ফুটা করে খেলি আবার বালিশের নীচে রেখে দেই। হায় হায় হাসনাতের মাথা পুরাই খারাফ কয় কি পোলায়। হাসনাত আচ্ছা ওখানে যে ঔষধ ছিলো সেটা কি করেছো ছেলে ঔষধ কই সেখানেতো আমি পেয়েছি লাল সাদা জেম। ঐ গুলাতো আমি খেয়ে পেকেছি। হায় হায় এই পোলাই সব শেষ করেছে কয় কি। এই পোলাইতো পটকা ফুটা করে পিল খেয়ে পেলে আমার মেয়ে কে গর্ভবতী করেছে। হায় হায় আল্লাহ আমার এখন কি হবে। নানান ভাবনা ভাবতে ভাবতে উনি ছুটে গেলেন ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার ডাক্তার ও ডাক্তার আপনি প্রেমার এভোর্শান করান যত দ্রুত সম্ভব।

ডাক্তার প্রেমা কে বললেন আপনার স্বামী চাচ্ছেন আপনার এভোর্শান করাতে আপনি কি রাজী? প্রেমা একটা দীর্ঘ শ্বাস পেলে ডাক্তার কে বলল আপনি আমার একটা অনুরোধ রাখ্বেন শুধু একটা অনুরোধ। নাহয় এই অনাগত সন্তান নিয়ে আমি আত্মহত্যা করব। ডাক্তার তো পড়লেন মহা ঝামেলায়। তিনি বললেন বল কি তোমার অনুরোধ। প্রেমা বলল দেখুন আপনার কাছে কি লুকাবো ওই লোকটা আমার স্বামী নয় আমার বাপ। উনার স্ত্রীর যখন সন্তান হচ্ছিলোনা তখন তিনি আমাকে দত্তক নেন তার পর অনেক ঘটনা উনার বউ উনাকে ছেরে চলে যান। উনি আমাকে বাধ্য করেই দেহের ক্ষুদা মিটাতেন। জানেন আমি মানুষের খুব যত্ন নিতে পারি সেবা করতে জানি আমাকে আপনার হাসপাতালে একটা নার্সের চাকরী দেন শুধু একটা নার্সের চাকরী; বিশ্বাস করুন আমি উনার সাথে এমনটা ইচ্ছা করে করিনি পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে করেছি এই ঢাকা শহরেই অনেকেই তো পেটের দায়ে যেখানে সেখানে দেহ প্রসারের কাজ করতেছে, আমিতো যেখানে সেখানে করিনি বিশ্বাস করুন আমি ইচ্ছা করে এসব করিনি পেটের দায়েই করেছি আমি এক অভাগা না হয় দেখুন জন্ম দাত্রি মা ই আমার সর্বনাশী খিদা মিটাতে না পেরে আমাকে দত্তক দিয়ে দেন যৌন খুদার্ত এক লোকের কাছে আমার এই পেট চালাতেই আমি এই টাকে মেনে নিয়েছি বিধাতা এটাই রেখেছিলো আমার কোপালে। আপনি আমার এভর্শান করিয়ে একটা চাকরী দেন কথা দিচ্ছি আমি আর ওই লোকের সাথে যাবোনা হালাল উপার্জন করে পেট চালাবো যদিও আমি আর হালাল নেই হারাম হয়ে গেছি। ডাক্তার ও ডাক্তার বলেন একটা চাকরী দিবেন কি? ডাক্তার রাজি মানবিক কারনে রাজী হয়ে গেলেন। এভাবেই লোক চক্ষূর অন্তরালে আড়ালে থেকে যায় হাসনাতদের কর্মকান্ড যা জানে না এই সমাজ।
জানি অনেকেই এই লিখা পড়ে ক্ষোভে ফেটে পরবেন মেয়েরা হয়তো আরো বেশী ক্ষোভ জানাবেন কিন্তু বিশ্বাস করুন প্রথম আলোতে হাসনাত আব্দুল হাইর লিখাটা পড়ে আমার মেজাজ পুরাই খারাফ হয়ে গেছে সে শিক্ষিত নারী গুলা কৌশলে অপমান করেছে আমিও তাকে কৌশলে অপমান করে লিখেছি যদিও এখানেও নারী কে জড়ানো হয়েছে, আমি চাই এই লিখাটা ওই বদমাইশ টার চোখে পড়ুক যাতে তার বিবেকে ধাক্কা লাগে। ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি সকল নারীর কাছে, আঘাত কে পাল্টা আঘাত দিতে নারী কেই জড়ানো হয়েছে বলে। কেউ যদি পারেন লিখাটা সামহ্যোয়ার ইন ব্লগে পোষ্ট করে দিন কারন আমাকে সামু তে স্থায়ী ব্যান করা হয়েছে।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৮ thoughts on “চটিবাজ হাসনাত আব্দুল হাইয়ের গল্প অবলম্বনে

  1. এদের পরিবারে এরা নারীকে
    এদের পরিবারে এরা নারীকে এভাবেই দেখেছে,
    এদের কাছে নারী কোন্দিন মানুষ হতে পারেনা, বড়োজোর একটা রক্তমাংসের স্তুপ।

    1. শাহবাগীরা এখনও তোদের শিক্ষা
      শাহবাগীরা এখনও তোদের শিক্ষা হইল না,তোদের নেত্রী অগ্নি কন্যা কি এখন রাজাকার হইয়া গেল নাকি?টাকা দিয়া আওয়ামীলীগ শাহবাগ গণজাগরণলীগ তৈরি করছে এইডা তো আমরা আগেই কইতাম,আমাদের ছাগু,রাজাকার কইতি এখন মনে হয় লাকি রাজাকার হইয়াগেল।
      যার হয়না নয়ে তার নব্বইয়ে হয়না।
      তোরা আর কত দালালি করবি”শাহবাগিরা”।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

88 − 80 =