রাজাকারের বিচারকেও দমনযন্ত্রে পরিণত করেছে সরকার!

রাজাকারের বিচার নিয়ে দেশের সাধারণ মানুষ ও তরুণদের মধ্যে আগ্রহের কমতি ছিল না। কিন্তু বর্তমান সরকার রাজাকারের বিচারকে কেন্দ্র করে এমন সব কর্মকান্ড করেছে যে সাধারণ মানুষের জন্য এ বিচার হয়ে উঠেছে দমনস্বরূপ। শুধু সরকারি দলই নয়, রাজাকারের দল জামায়াত আর তাদের মিত্র বিএনপিও এই বিচারকে কেন্দ্র করে দেশবাসীর ওপর চাপিয়েছে কঠিন নিপীড়ন ও ভোগান্তি। দুই পক্ষের হাতেই এই বিচারকে কেন্দ্র করে নাজেহাল হয়েছে মানুষ। এর ধারাবাহিকতায় এবার এই বিচারের মুলাকে সামনে রেখে সরকার বন্ধ করে দিল অনলাইনভিত্তিক যোগাযোগের নানা মাধ্যম।

আজ বুধবার বেলা সোয়া ১টা থেকে বেলা পৌনে ৩টা পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়া হয় ইন্টারনেট। এসময় দেশের কোথায় ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়নি। একইসঙ্গে বন্ধ করা হয়েছে ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ভাইবার। সরকারপক্ষ থেকে ইতোমধ্যে বলা হয়েছে, জননিরাপত্তার জন্য ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়েছিল এবং একই উদ্দেশ্যে অনলাইন কিছু পরিষেবা এখনও বন্ধ রয়েছে। দেখা যাচ্ছে, ডিজিটাল সরকার রাজাকারের বিচারের ইস্যুকে ব্যবহার করে তাদের দীর্ঘদিনের আকাঙ্খিত এই পদক্ষেপটি নিতে সমর্থ হলো।

সরকার রাজাকারের বিচারের ইস্যুকে ব্যবহার করে এই কাজ করেছে, এমন দাবীর শক্ত যৌক্তিক ভিত্তি রয়েছে। কারণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার সীমিত বা বন্ধ করার বিষয়ে চলতি মাসের শুরুর দিকে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নেদারল্যান্ডস থেকে ফিরে গত ৮ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলনে জঙ্গি অর্থায়নে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধরতে জটিলতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ডিজিটাল করেছি। এর শুভ ফলও যেমন আছে, খারাপ ফলও আছে। আমরা থ্রি-জি ও ফোর-জিতে চলে গেছি। এ কারণে জঙ্গিরা ইন্টারনেট, ভাইবার থেকে শুরু করে নানা ধরনের অ্যাপস ব্যবহার করে জঙ্গি কার্যক্রম চালাচ্ছে। সে জন্য আমাদের চিন্তাভাবনা আছে, যদি খুব বেশি ব্যবহার করে হয়তো একটা সময়ের জন্য বা কিছুদিনের জন্য বন্ধ করে দেব। এই লিংকগুলো (জঙ্গি অর্থায়নের সূত্র) যাতে ধরা যায়।’

এরপর আবার তিনি একই কথা বলেন গত ১১ নভেম্বর জাতীয় সংসদে। প্রধানমন্ত্রী সেদিন বলেন, “সব ভালো জিনিসের মধ্যে কিছু খারাপ জিনিস চলে আসে। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা ব্যবহার করে কিছু লোক অপরাধ করছে। এসব দুষ্কৃতকারী, সন্ত্রাসীদের ধরিয়ে দিতে হবে।” সন্ত্রাসীরা ভাইবার-হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহার করে অপরাধ করায় তা বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান হাজি সেলিম, যিনি আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর কমিটির নেতা। তার বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই প্রধানমন্ত্রী সেদিন এ তথ্য জানান।

এ বিষয়ে শেখ হাসিনা আরও বলেন, “জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের কোনোভাবে সহ্য করা হবে না। কিছুদিনের জন্য হলেও এটা বন্ধ করে সন্ত্রাসীদের যাতে ধরা যায় সে পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের জন্য এটা বন্ধ করে সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে ধরা হবে।” জনগণের জানমালের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশ্বস্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। এ থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া যায় যে, আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকার ইন্টারনেট পরিষেবাগুলো বন্ধ করেছে। যদিও তারা প্রমাণের চেষ্টা করছে যে, রাজাকারের বিচারের প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত।

অথচ সরকারের দায়িত্ব ছিল দেশবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তা তারা করতে পারেনি, এই ব্যররথতার দায় এখন জনতার অধিকার হরণ করে শোধ দিতে চাইছে তারা। এটা কার না জানা যে, এই সরকারের বিরুদ্ধে আপাতঃ পরিস্থিতিতে অনলাইনই বড় বিরোধী দল। সরকারি দলের নানা অপকর্মের বিরুদ্ধে সমালোচনার ক্ষেত্র হিসেবে তরুণরা অনলাইনকে ব্যবহার করছিল। কারণ সরকারের কোনো ভূমিকা নিয়ে মাঠ পর্যায়ে আন্দোলনের কোনো পরিস্থিতি দেশে নেই। এমনকি গণমাধ্যমগুলোও ভয়ঙ্করভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে কথা বলতে গেলে সরকারি দলের হামলা, হুমকি ও পুলিশি দমন নিপীড়নের মুখে পড়তে হয়েছে ভ্যাটবিরোধী আন্দোলন, মেডিকেল ভর্তিচ্ছুদের আন্দোলনকেও!

রাজাকারের বিচার নিয়ে তরুণদের সমর্থনের ওপর ভর করে ২০০৯ সালে এই সরকার ক্ষমতায় আসলেও ইস্যুটাকে তারা গদিরক্ষার জন্য শুরু থেকেই ব্যবহার করে আসছে এমন অভিযোগ বহুল আলোচিত। এ কারণেই বিচার শুরুর পর প্রায় সাত বছর পার হতে চললেও শির্ষ যুদ্ধাপরাধী নিজামীর মতো খুনিরা এখনও জেলে বসে দেশের অন্ন ধ্বংস করার সুযোগ পাচ্ছে। একই কারণে গোলাম আযমের ফাঁসি হয়নি এবং সাঈদীর মতো রাজাকার এখনও এদেশের মানুষের রাজস্বের টাকায় জেলে বসে আরাম করছে। এমনকি ২০১৩ সালে এই বিচার নিয়ে সরকারের টালবাহানার বিরোধিতা করতে গিয়ে গড়ে ওঠে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন। যদিও পরবর্তীতে সরকার এই আন্দোলন পকেটে পুরতে সমর্থ হয়।

এখন এই বিচারের ইস্যুকে ব্যবহার করে সরকার আবারও ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে। ইন্টারনেটে তরুণদের প্রতিবাদী ভূমিকাকে স্তব্ধ করে দিতে তারা ব্যবহার করল বাঙালীর আবেগের সঙ্গে যুক্ত এই বিষয়টিকে। দলীয় স্বার্থ রক্ষায় তারা বরাবরই যুদ্ধাপরাধের বিচারের ইস্যুকে ব্যবহার করেছে। এবারও তার ব্যত্য্য় ঘটল না। মানুষের মুখ বন্ধ রাখার এ এক অভিনব কায়দা! চেতনাজীবীদের এই ধাপ্পাবাজিকে তরুণদের আমলে নিতে হবে। অবিলম্বে অনলাইন পরিষেবাগুলো চালু করা এবং কোনো ইস্যুতেই তথ্য অধিকারে হস্তক্ষেপ করা যাবে না, এই দাবি নিয়ে সোচ্চার হতে হবে। নইলে এভাবে একের পর এক আমাদের আদরের পাখিগুলো যেতে থাকবে কুমিরের পেটে!

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৯ thoughts on “রাজাকারের বিচারকেও দমনযন্ত্রে পরিণত করেছে সরকার!

  1. বিষয়টা ফেসবুক চালানো বা
    বিষয়টা ফেসবুক চালানো বা না-চালানো নিয়ে নয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের বাস্তবিক-প্রত্যক্ষ জীবনেরই একটি প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। আমরা বাস্তব জীবনে যে যেমন অনলাইনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও আমাদের সে প্রতিচ্ছবি-স্বভাব ফুটে উঠে। এভাবে অনলাইন যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করে দেয়া মানে হলো আমাদের সেই প্রতিচ্ছবির চাল-চলনের উপর শর্ত আরোপ করা। যাই হোক এটা আমার আবেগের কথা। এখন কিছু যুক্তির কথা বলি,

    দুই ধরণের সামাজিক শক্তি পৃথিবীকে পরিচালনা করে। এই দুই ধরণের শক্তি নিঃসন্দেহে একটি-অপরটির বিপরীত। কোনটা সঠিক, কোনটি ভুল তা আসলে বলা মুশকিল। কেননা দুই ধরণের শক্তিরই জয়-পরাজয়ের বিস্তর ইতিহাস আছে। কালে কালে অথবা সমাজভেদে এদের বিভিন্ন নামে নামাঙ্কিত করা হয়েছে। তবে আমার এই কথাগুলো বলার উদ্দেশ্য সেটা নয়। বলা বাহুল্য এ যুগেও এই দুই শক্তির দ্বন্দ বিদ্যমান আর বিভিন্ন চলমান রাজনৈতিক বিষয়গুলোতে যে ধরণের সমস্যা তৈরি হয় তার মূলে রয়েছে এই দুই শক্তির মধ্যকার দ্বন্দ। এখন কথা হচ্ছে যে পর্যায়ে যে অন্যটির থেকে দূর্বল হয়ে পড়ে সে পর্যায়েই দূর্বল শক্তিটা সবল শক্তিটাকে পিছিয়ে আনার জন্য পেছন থেকে খামচে ধরতে চায়। খামচে ধরে ঠিক সেই বিন্দুতে নিয়ে যায় যেখানে তাদের মধ্যে আপাত-চূড়ান্ত যুদ্ধ হয়েছিল এবং সে যুদ্ধে আপাত-ফলফাওল হিসেবে সে হেরে গিয়েছিল। এখন মোটামুটি একটা খেয়াল করে দেখলে পৃথিবীর সব সমাজ ব্যবস্থার মধ্যে এ জিনিষটিই দেখা যাবে। আমাদের দেশও যেহেতু পৃথিবীর বাইরে না; তাই বলা বাহুল্য এমনটি আমাদের দেশে; আমাদের সমাজেও চালু আছে। যে শক্তি এখন সবল সে চাচ্ছে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে আর যেটি আপাতত দুর্বল সেটি চাচ্ছে তাকে খামচে ধরে পিছিয়ে টেনে এনে ঠিক সে জায়গাতেই নিয়ে যেতে যেখানে তাদের শেষ চূড়ান্ত যুদ্ধ হয়েছিল এবং সে যুদ্ধে সে পরাজিত হয়েছিল।

    ফেসবুক বন্ধ করে দেয়াটা হয়তো আপাত দৃষ্টিতে তেমন কোন বড় সমস্যা না। কেননা উদাহরণ হিসেবে বিশ্বের অনেক দেশের কথাই বলা যেতে পারে যারা ফেসবুক সুবিধা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত (যাওদিও তাদের নিজস্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আছে)। এখন ধরে নিন আপনি সেই পরাজিত শক্তি এবং আপনারাও সে পরাজিত শক্তির মতোই বৈশিষ্ট্যগুলো আছে। তাহলে আপনি যদি আপনার প্রতিপক্ষকে পেছনের দিকে টেনে নিয়ে আসতে চান তাহলে আপনি কি করবেন?

    অবশ্যই আপনি আগে সেই পথটিই বন্ধ করবেন যেটি দিয়ে আপনার প্রতিপক্ষ সামনে এগিয়ে যাবে। এর জন্য আপনি বিভিন্ন পাঁয়তারা করবেন, চলার পথে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবেন… তাই তো? এখানে কি তাই ঘটছে না? ধরুণ যদি ফেসবুক আপনার প্রতিপক্ষের বাস্তব-প্রত্যক্ষ-সামাজিক জীবনের ভার্চ্যুয়াল প্রতিচ্ছবি হয়- ভার্চ্যুয়াল জীবনের সামাজিক যোগাযোগ রক্ষার একমাত্র মাধ্যম হয় তাহলে আপনার প্রথম করণীয় কি? বাস্তব জীবনের যুদ্ধ তো আছেই পাশাপাশি আপনি এটাও চাইবেন যে আপনার প্রতিপক্ষের ভার্চ্যুয়াল অস্তিত্বটিও বিলীন হয়ে যাক। এর ফলে সে সামনে এগুনোর সুযোগ পাবে না এবং পথ না পেয়ে পিছিয়ে আসতে বাধ্য হবে ঠিক সে লাইনে যেখান থেকে তার সাথে আপনার যুদ্ধ শুরু হয়েছিল।
    এই এতো কথার বলার উদ্দেশ্য কিন্তু এটা না যে বর্তমান সরকার সেই পিছিয়ে যাওয়া শক্তিরই অংশ। বর্তমান সরকার হয়তো বিজয়ী শক্তির একটি ক্ষুদ্র অংশ। কিন্তু তার এই পদক্ষেপ নেয়াটা ছিল সেই পিছিয়ে যাওয়া শক্তির একটা ট্র্যাপ যা সে তৈরি করেছে সামনে এগুনোর পথ বন্ধ করার জন্য। এবং সামনে এগুনোর পথ না পেয়ে অন্ধের মতো এই সরকার সেই ট্র্যাপে পা দিয়ে পিছিয়ে যেতে শুরু করেছে। এখান থেকে বলা যায় তারা- সেই পিছিয়ে যাওয়া শক্তি (যে নামেই ডাকা হোক) সফল!!! কেননা তারা এটাই চাচ্ছিল আর এটাই করে দেখালো …।

  2. কিন্তু অতিতে দেখা গিয়েছে,
    কিন্তু অতিতে দেখা গিয়েছে, প্রত্যেকটা রায়ের পর ফেসবুক সহ বিভিন্ন অনলাইনভিত্তিক প্রটোকলের মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে নাশোকতা চালানো হয়েছে, ফেসবুক সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করা অবশ্যই বাক স্বাধীনতা পরিপন্থি, কিন্তু আমাদের দেশের ছাগু সম্প্রদায় গুজবে নাচতে পছন্দ করে, তাই এই সময় যেসব প্রটকলের উপর সরকারের এডমিনিস্ট্রেশন নাই, সেগুলো বন্ধ রাখাই সমীচিন বলে আমার মনে হয়।

  3. ফেসবুক বাংলাদেশসহ সমগ্র
    ফেসবুক বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের মানুষের মত প্রকাশ করার সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দোহাই দিয়ে ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া মানুষের বাক-স্বাধীনতার উপর সরাসরি হস্তক্ষেপ; আমাদের সংবিধানও এই ধরনের বাক-স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করাকে সমর্থন করেনা।

    নিরাপত্তার অজুহাতে সব রকমের সোস্যাল মিডিয়া সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া যেন কোনভাবেই দীর্ঘায়িত না হয়। মুক্তচিন্তা চর্চায় সরকার আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে সোস্যাল মিডিয়া বন্ধ করে দেওয়ার ফাঁয়তারা করলে বুমেরাং হয়ে যাবে। অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমসহ ও ফেসবুকের মত জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া বন্ধ করাকে- ‘মাথা ব্যাথার প্রতিষেধক না নিয়ে মাথা কেটে ফেলার মত সিদ্ধান্ত ‘ বলেই মনে করছি।

    অবিলম্বে ফেসবুক খুলে দেওয়া হোক। মুক্তচিন্তার জয় হোক।

  4. জংগি সদস্য যারা ইতিপূর্বে আটক
    জংগি সদস্য যারা ইতিপূর্বে আটক হয়েছে তারা হাইলি এডুকেটেড এবং প্রতিবারই ল্যাপ্টপ,স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।প্রক্সি ব্যবহার করে সহজেই বন্ধ সাইট এ ঢোকা যায়-এইটা কি সরকারের আইসিটি সংশ্লিষ্ট কেউ জানেন না??নাকি নাশকতা কারী হাইলি এডুকেটেড জংগিরা জানেনা??

  5. দরকার কি এত কিছুর ? হাম্বালীগ
    দরকার কি এত কিছুর ? হাম্বালীগ রাজাকারদের বিচারের মত ভাল কাজ করেছে, তাতে তার সব কিছু মাফ। মাফ তাদের সব পৈশাচিক বেশ্যাবৃত্তি। হাম্বালীগ তাই সবার চেয়ে বেটার ! পুরো বাংলাদেশ আর বাংলাদেশের মানুষকে নিয়ে ছিনিমিনি খেললেও সেটা মাফ !

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

− 1 = 4