বিভক্ত বাঙ্গালী, আর খোশ মেজাজে হানাদারের দোসররা

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশের মানুষ কতভাগে বিভক্ত হয়েছে একটু দেখি। এই শ্রেণিবিন্যাসের সাথে আপনি নিজের অবস্থানটাও বুঝতে পারবেন আবার, নিজের ভুল বুঝাবুঝির অবসানও করতে পারবেন। একটু সচেতনভাবে তাকালেই বুঝবেন জামাত-শিবির এই বাঙ্গালীকে বিভ্রান্ত করতে কতটা সফল হয়েছে এইবার। আমাদের সাধারণকে কতভাবে বিভক্ত করেছে একটু লক্ষ্য করুনঃ

০১) আদর্শ ছাগু শ্রেণীঃ এরা হচ্ছে ‘মাস্টারমাইন্ড’! এরাই ফেবু সহ সর্বত্র বিদ্বেষ ছরানো ৭১ এর রাজাকার-হায়েনাদের দোসর। এদের নির্দেশেই ধ্বংসযজ্ঞই চলছে ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে। এদের নির্মূলে সরকারকে অপারেশান-এ যৌথ বাহিনী নামানো উচিৎ। এক ঢিলে ২ না, ৩ পাখি-ই মরবে। “Sometimes you have to pick the gun up to put the Gun down.”– Malcolm X!!

০২) ছাগু শ্রেণীঃ এই শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে সাইদিকে চান্দে দেখা বিপথগামীরা। আবার কিছু আছে যারা জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসীদের-জঙ্গিদের আকাশে ভেসে হাঁটতে দেখেন। বড় আজব শ্রেণীর মানুষ এরা। এরা মায়ের গল্প দাদা-দাদী-নানা-নানী বা, মামা-খালাদের কাছে না শুনে মায়ের ধর্ষকদের কাছে শুনে বড় হয়েছে। এরা অঙ্কুরে নষ্ট হওয়া শ্রেণী, এদের মূলধারার জনগণের সাথে আনতে হলে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন সাধন করতে হবে।

০৩) ছাগ বান্দব বুদ্ধিজীবী শ্রেণীঃ এরাও বাংলার অতি দুর্ভাগা এক শ্রেণীর মানুষ। কারণ এরা শুধু মায়ের গল্প দাদা-দাদী-নানা-নানী বা, মামা-খালাদের কাছে না শুনে মায়ের ধর্ষকদের কাছে শুনে বড় হয়নি। এরা নিজ মায়ের দুর্নামে আর, অপপ্রচারে নেমেছে। এই ছাগ বান্দব বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর মানুষরূপী হায়েনারা অতি সুন্দরভাবে মিথ্যাচার করে আপনাকে বিভ্রান্ত করতে সর্বদা সচেষ্ট থাকে। এরা আসলে বিবেক প্রতিবন্ধী শ্রেণীর, এদেরকে মানসিক চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করতে হবে।

০৪) ছদ্ধ ছাগু শ্রেণীঃ এরা হচ্ছে সেই শ্রেণীর ছাগু যারা নিজেদের ছাগু পরিচয় গোপন করতে চাই। এরা কিন্তু, তবে, যদি এমন বিভিন্ন জুজুতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান, বা করে যাচ্ছেন। এই শ্রেণীর জনগণও নিজের মায়ের ধর্ষকদের বাবা বলতে স্বচ্ছন্দবোধ করেন। এরা কোথাও সুযোগ পেলে গণজাগরণ মঞ্চের ১৪ গোষ্ঠী উদ্ধার করতে ব্যস্ত থাকেন। কারণ, এরা তাদের পছন্দের ধর্ষকদের যেকোন মুল্যে বাঁচাতে সচেষ্ট!!

০৫) নব্য ছাগু শ্রেণীঃ এদেরকেও এত দিন সবাই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মনে করত। আর এরা আজ বিভিন্ন আজব আজব ইস্যুতে বিভ্রান্ত। এরা আমজনতার তলানি, এরা আসলে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য মূল্যবোধ অর্জনে সফলভাবে ব্যর্থ। এরা নিজেরায় বুজতে পারেনা তারা ছাগুতে পরিণত হচ্ছে দিন দিন। এদের একটা মূল সমস্যা হচ্ছে এদের ধর্মানুভুতি লজ্জাবতী পাতা থেকেও সংবেদনশীল। ধর্ম-কর্মে তেমন না থাকলেও তারা খুব প্রতিক্রিয়াশীল এই ইস্যুতে। আজব একধরণের প্রতারক শ্রেণী আসলে এরা।

০৬) দলাবেগে বিভ্রান্ত আমজনতাঃ এরা হচ্ছে বিএনপি’র মধ্যে থাকা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি। যারা সেক্টর কমান্ডার বা, ঘোষক হিসেবে জিয়ার ভক্ত, আর তার ধারাবাহিকতায় বিএনপি’র রাজনীতির সমর্থক ও আওয়ামীলীগের কট্টর সমালোচক। বিএনপি’র সফলতায় নয় আওয়ামীলীগের ব্যর্থতায় এদের তর্কের মূল হাতিয়ার। যা হোক, এরা অন্তত মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী যদিও বঙ্গবন্ধুকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে হানাদারের সুরে কথা বলতেও এরা দ্বিধাবোধ করে না। এরা অতি ভীত এই জন্যেই যে শাহ্‌বাগ এর সফলতার ফল শেষ পর্যন্ত আওয়ামীলীগের ঝুলিতে যাবে। কিন্তু, এরা তাদের নেত্রীর বা, দলের শাহ্‌বাগ নিয়ে ধনাত্মক না হওয়াটার সমালোচনা করবে না উল্টা নিজেরাই তাই আজ গণজাগরণ মঞ্চের বিরোধিতা করে। এরা আসলে একধরনের দলদাস, নতুন একটা দাস প্রথার উদ্ভব ঘটল বোধহয়!!

০৭) নাস্তিকতায় বিভ্রান্ত আমজনতাঃ এই শ্রেণীর মত দুর্ভাগা আর নাই। এরা খুব সহজে সমীকরণ মিলায় ফেলে এইভাবে যে সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতেছে আর, শাহ্‌বাগ তার পক্ষে আন্দোলন করছে; সুতরাং শাহ্‌বাগ সরাকারের সাজানো নাটক। এরাই আবার তর্কের মারপ্যাঁচে বলবে সরকার আসলে বিচার করতে চাই না, সরকার রাজনীতি করতে চাই। আজব তাদের যুক্তি, আর আজব তাদের স্ববিরোধী নৈতিক অবস্থান। এরাই আবার এইটা বুঝতে ব্যর্থ যে শাহ্‌বাগ চাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, আর হিফাজতে ইসলাম চাই শাহ্‌বাগের পতন ও বিচার, সুতরাং হিফাজতে ইসলামই জামাত-শিবিরের প্ল্যান-বি এর বি টিম! নিজের সমীকরণে সন্তুষ্ট হলেও এরা এই সমীকরণ তারা সচেতনভাবেই বুঝতে পারে না! আর,এই শ্রেণীর ধর্মানুভুতি এতটাই সংবেদনশীল যে বৃষ্টির পানিতেই সংবেদিত হয়। আর ঘোমটা বা, ছাতা টেনে ধর্মের ও মানুষত্বের বিশালতা অনুভবে এরা ব্যর্থ। আফসোস লাগত না যদি এই শ্রেণীর লোকেরা শিক্ষিত না হত!! এরা শিক্ষিত আবার প্রচণ্ড বিভ্রান্ত এক আজব ধরনের নৈতিকতার অধিকারী।

০৮) গণজাগরণের সমালোচক বুদ্ধিজীবী শ্রেণীঃ এই শ্রেণীর পাবলিক হচ্ছে বিয়ে খেতে গিয়ে খাবারের রন্ধন প্রক্রিয়ার খুঁৎ ধরা পাবলিকের মত। এরা বলবে কেন এত মোমবাতি জলাতে হবে? ইমরান কে? তার কথায় কেন আমরা সবাই নিরব থাকব? বা বাচ্চু ভাই কেন ইমরান কে ডিকটেট করবে? এমন হাজারো সমালোচনায় সর্বদা ব্যস্ত। এদের উদ্দেশ্য বুঝা খুবই মুশকিল। তবে, আমি আপাতত যা বুঝছি ত্তা হল এরা হচ্ছে তথাকথিত নিরপেক্ষতার জন্যে লালায়িত বিবেক-বুদ্ধিহীন বুদ্ধিজীবী শ্রেণী! এরা কি আসলেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই কিনা বোঝা যাই না!! এরা আসলে হয়ত নিজেদেরকেই বুঝতে পারে না। বিতর্ক সৃষ্টি করায় এদের লক্ষ্য।।

০৯) ২য় মুক্তিযুদ্ধ বলায় আহত আবেগ আপ্লুত শ্রেণীঃ জাফার ইকবাল স্যার, বা নাসির উদ্দিন ইয়ুসুফ বাচ্চুরা কেন একে ২য় মুক্তিযুদ্ধ বলছেন তাতেই এদের মুক্তিযুদ্ধানুভুতি চরমভাবে আক্রান্ত। কিন্তু, এরাই তারা, যারা আজ নানাবিদ ব্যবসা করে টাকার পাহাড় করেছে। এরা ১৯৭৫-১৯৯১ এ চাটুকারী করে গেছে অন্ধকার যুগের সামরিক শাসকদের। এরা হচ্ছে ধর্ষকের সাথে ধর্ষিতার বিয়ে দিয়ে সুখ খোজা অন্ধরা। অথচ এরা আজ কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়ে সংক্ষুব্ধ সেই সব মহান মুক্তিযুদ্ধাদের অবস্থানকে ছোট করছেন। নিজেরা তো সাক্ষী দেয়ার সাহস রাখেন না, উল্টা যারা আজ তাদের প্রাপ্য ন্যায় বিচারের জন্যে আন্দোলনরত তাদের-ই আঘাত করছেন অবিরত। তাই আবার বলতে হয়ঃ “একদিনের রাজাকার চিরকালই রাজাকার, কিন্তু একবারের মুক্তিযুদ্ধা চিরকাল মুক্তিযুদ্ধা নই!!”

১০) দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন অব্যহত থাকায় সমালোচনায় মুখর আমজনতাঃ এদের ব্যাখ্যা করার তেমন প্রয়োজন নাই। এরা হচ্ছে আমজনতার স্বল্পবুদ্ধির বিশাল অংশ। এরা আবহমানকালের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। আন্দোলনের শুরুতে খুব আশাবাদী হয়ে বর্তমান নোংরা রাজনীতির এমন প্যাঁচ খেয়ে যাওয়ায় বিরক্ত শ্রেণীর মানুষ। এদের তেমন দোষ দেয়া যায় না। সরকারের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থতায় এদের সৃষ্টি করেছে। এদের ভুল অচিরেই এরা বুঝতে পারবে।

১১) অহিংস আন্দোলন অব্যহত থাকায় আহত সদ্য কৈশোর পেরুনো তরুণ শ্রেণীঃ এরা হচ্ছে জামাত-শিবিরের তাণ্ডবে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ সদ্য কৈশোর উত্তীর্ণ তরুণ। এরা আজকেই রুমি স্কোয়াড এর মত কঠোর আন্দোলনে যেতে চাই, অথবা সশস্র বিপ্লব চাই। এদের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি আমরা রক্তপাত চাই না। আমি আজো আশা করি, মনেকরি এদেশেই রাজাকারদের বিচার হবেই হবে। তবে তার জন্যে ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে যে গণজাগরণ শুরু হইছে তাতে আপনাদের সম্পূর্ণ আস্থা আর, সমর্থন রাখতে হবে। কোন অবস্থাতেই আমাদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টিকে মেনে নেয়া যাবে না। আপনাদের জন্যে এইচ জি ওয়ালস এর একটা উক্তি “আমরা যদি যুদ্ধ শেষ না করি, তবে যুদ্ধই আমাদের শেষ করে দিবে”! আজ আমাদের যুদ্ধ আদর্শের যুদ্ধ। সত্য- আধুনিকতার জয় হবেই, অন্ধ-কুপমন্ডুকতার পরাজয় অনিবার্য। তবে এই যুদ্ধ হবে রক্তপাতহীন অহিংস যুদ্ধ!!

১২) শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যে পোঁছাইতে আন্দোলন চালিয়ে যেতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ তরুণ সমাজঃ এরাই আজও রাজপথে সোচ্চার, অথবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আন্দোলনরত। এরা এদের লক্ষে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ থেকেই মাঠে আছে আশা করি শেষ পর্যন্তই থাকবে। আজ আমাদের সব দ্বন্দ্ব আর বিবেধ ভুলে গিয়ে ৬ দফায় একাত্ম হতে হবে। আমাদের লক্ষ্য যদি হয় এক তবে আমাদের মাঝে বিবেধ কেন? কেনইবা ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্ব? আমাদের জয় হলে তখন অনেক আলোচনা-সমালোচনা করা যাবে। সব বিতর্ক ভুলে গিয়ে এক উদ্দেশ্য ৬ দফায় আন্দোলনরত গণজাগরণের মূল শক্তি এরা।

“All war is a symptom of man’s failure as a thinking animal.” ― John Steinbeck!!
অর্থাৎ, সব যুদ্ধই চিন্তাশীল প্রাণী হিসেবে মানুষের ব্যর্থতার ফসল। কেননা আমরা যদি মানুষ হিসেবে মানুষের মত আচারন করতে পারতাম আজ এমন সহিংসতা এড়াতে পারতাম! আমরা আজ আধুনিক যুগ পেরিয়ে উত্তরাধুনিক সভ্যতার দোরগোড়ায়। আমি সবাইকে তাই সহিংস না হতে অনুরোধ করব। আমাদের অনেক বেশী সৃষ্টিশীল হতে হবে। জাগরণ মঞ্চের আন্দোলনগুলো চমৎকার উদার গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্যে দিক নির্দেশক হয়ে থাকবে। কীভাবে মাসের পর মাস কোন সহিংসতা ছাড়াই ক্রমাগত আন্দোলন করা যায় তার একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করল গণজাগরণ মঞ্চ। এই যুগের মানুষ বলেই আমরা মধ্যযুগীয় আদর্শিক হায়েনাদের মধ্যযুগীয় স্টাইলে নয় উত্তরাধুনিক স্টাইলেই দমন করতে হবে।

আমাদেরকে বুঝতে হবে জামাত-শিবির আজ বাঙ্গালীকে, বাঙ্গালী মুসলমানদেরকে সফলভাবে বিভক্ত করে কতটা সুবিধা নিচ্ছে। আপনি আমি তর্ক করব আর তারা তাদের মিশন অর্জনে এগুতে থাকবে। আসুন সব বিতর্ক আর, তর্কের বাইরে রেখে গণজাগরণের ৬ দফা সফল করি। এইবারের সংগ্রাম দেশকে রাজাকার মুক্ত করার সংগ্রাম, এইবারের সংগ্রাম সত্যকে জয় করার সংগ্রাম।

জয় বাংলা… জয় বঙ্গবন্ধু… জয় শাহ্‌বাগ… জয় তারুণ্য…

০০) রাজনীতি ঘৃণা করে যারাঃ এই শ্রেণীর মানুষরা হচ্ছে এমন যারা নর্দমায় হাবুডুবু খাবে কিন্তু তার জন্যে কে বা, কি দায়ী তা খুঁজতে ও জানতে চাইবে না। অথচ চরম বিরক্তি নিয়ে নর্দমায় পড়ে থাকবে। এরা আসলে আমাদের সমাজের সৃষ্ট প্রতিবন্ধী শ্রেণী। এদের বেশীর ভাগই নারী। এদের কোন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নাই, মা-বাবা বা, স্বামী দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ভোট দিবে, আর সারা বছর বলবে, আর ফেবুতে লিখে বেড়াবে “I hate politics”! তাই এদেরকে ১২ টা শ্রেণীর মাঝে না রেখে আলাদা রাখলাম। এরা এমনই নির্লিপ্ত যে আজও তাদের আলচনার বিষয় হয় হিন্দি সিরিয়াল-সিনেমা বা, ফ্যাশন। এদের মধ্যে বাপের টাকায় সীসা বা, ইয়াবা সেবিরাও আছে। রাজনীতি-সমাজ নিয়ে কোন মাথা ব্যথা নেই মনে করে চরম হতাশায় নিমজ্জিত শ্রেণী আসলেই বুঝতে পারে না কিসে তাদের মুক্তি।

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৪ thoughts on “বিভক্ত বাঙ্গালী, আর খোশ মেজাজে হানাদারের দোসররা

  1. খুব ভাল লিখেছেন। বাস্তব সম্মত
    খুব ভাল লিখেছেন। বাস্তব সম্মত যুক্তি সংগত সময়োপযোগি পোস্ট। আপনাকে পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ.. তবে আপনি অনেক শব্দে ‘য়’ এর স্থলে ‘ই’ লিখেছেন… ভবিষ্যতে বিষয়টিতে মনোযোগ দিলে ভাল হয়…

  2. চমৎকার লেখা। ক্লাসিফিকেশন
    চমৎকার লেখা। ক্লাসিফিকেশন করাটাও দূর্দান্ত হয়েছে। শেষোক্ত শ্রেনী যাদের উপরেই শেষ ভরসা আমাদের এই যুদ্ধে জয়ী হওয়ার তাদের অনলাইন ছেড়ে রাস্তায় আরো বেশী সোচ্চার হবার বিকল্প নেই।
    মুকুল বলেছেনঃ

    তবে আপনি অনেক শব্দে ‘য়’ এর স্থলে ‘ই’ লিখেছেন… ভবিষ্যতে বিষয়টিতে মনোযোগ দিলে ভাল হয়…

  3. সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ!!
    আজই

    সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ!!
    আজই ইস্টিশনে টিকেট কাটলাম…
    আর, এইটা আমার প্রথম লিখা।
    অভ্রতে শুদ্ধ বানানে লিখাটা বিশাল জটিল!
    দুঃখিত এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্যে, আগামীতে আরও যত্নবান হব।।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

80 − 77 =