হেফাজতে ইসলাম সম্পর্কে জানেন কি?

সময়ের আলোচিত সংগঠন হেফাজতে ইসলাম। কেউ হেফাজতের পক্ষে কথা বলছে তো কেউ বিপক্ষে চলে যাচ্ছে। আসলে হেফাজতে ইসলাম সম্পর্কে আমরা কতোটুকু জানি। আসুন একটু সময় ব্যয় করে জেনে নেই হেফাজতে ইসলামের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, লক্ষ্য উদ্দেশ্য এবং কর্মনীতি।
হেফাজতে ইসলাম কে হেফাজতে জামায়াত বলে ম্যাতকার দিলে কি হবে। প্রমাণ দেয়া লাগবে না কেন হেফাজতে ইসলাম হেফাজতে জামায়াত হবে? কওমি মাদরাসার সাথে জামায়াতের আদর্শগত বিরোধ। আওয়ামীলীগ কখনো জামায়াতের সাথে জোট করতে পারে। বিএনপি জামায়াত এক হয়ে যেতে পারে। কিন্তু কওমি ওয়ালারা জামায়াতের সাথে মিশবে না। তাঁরা জানে এই একটা কাজ তাঁদের শাশ্বত সুন্দর ঐতিহ্যেকে ধুলোয় মিশিয়ে দেবে। অতএব যারা যুক্তিবিহীন হেফাজতকে হেফাজতে জামায়াত বলে এদের বিদ্যার বহর কতোটুকু সেটা তাদের কথা থেকে বুঝা যায়। এখন আর মানুষ চেহারা দেখে কথা বিশ্বাস করবে না। যুক্তি,প্রমান দেখাও। নইলে দালাল/মূর্খ হিসেবে নিজেকে উপাধী দাও।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি >
মহান আল্লাহ পাক আমাকে আপনাকে ইহজগতে মানুষ হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। এর পাশাপাশি মানব জাতিকে সকল সৃষ্টি জগতের উপরে সর্বোত্তম মর্যাদা দান (আশরাফুল মাখলুকাত) করেছেন। মানুষের বৈশিষ্ট্যই হল প্রতিপালকের নির্দেশনা মতে নিজের জীবন গড়ে তোলা। আজ বিংশ শতাব্দিতে এসে মানুষ চন্দ্রজয় করেছে, গ্রহ নক্ষত্রের আবিস্কার করেছে, রকেট বুয়িং থেকে শুরু করে এটম হাইড্রোজেন, পরমাণু শক্তি অর্জন ও কম্পিউটার আবিস্কারসহ মানুষ সভ্যতার চরম শিখরে পদার্পনের কল্পনা করলেও বাস্তবে মানুষ নৈতিক অবক্ষয়ের শেষপ্রান্তে এসে পৌঁচেছে। আজ মানুষ থেকে মনুষ্যত্ববোধ বিদায় নিয়েছে। মানুষ হিংস্র দানবে রূপান্তরিত হয়েছে। নিজের প্রতিপালকের পবিত্র বাণী ও নির্দেশনা প্রতিনিয়ত উপেক্ষিত। আজ মানবতা ও নৈতিকতার আর্তনাদে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে গেছে। চারিদিকে শুধু মজলুম নিষ্পেসিত শোষিতদের চিৎকার, শাসকদের শোষন, জালেমদের জুলুম, বিত্তশালীদের অত্যাচারে যেন জমিন ফেটে যাবে। এই শোষন এবং নিষ্পেশনের যাতাকল থেকে বিপন্ন মানবতাকে মুক্তির দিশারী দিতে যুগযুগ ধরে প্রতিক্ষার পর মুসলিম জনসাধরণের ঈমান-আকীদা, তাহযীব-তামাদ্দুন হেফাজতের লক্ষ্যে এদেশের সম্মানিত উলামায়ে কেরাম নিজেদের উপর আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাললাম কর্তৃক অর্পিত ঈমানী দায়িত্ব পূরণের লক্ষ্যে ২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারী এশিয়ার বিখ্যাত ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী’র সম্মানিত পরিচালক সর্বজন শ্রদ্ধেয় বুজুর্গ, আলেমেদ্বীন, হযরত মাদানী রহ.-এর সুযোগ্য খলীফা শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী সাহেব (দামাত বারাকাতুহুম) এর নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ গঠন করেন।
উল্লেখ্য যে, দেশের মুসলিম জনসাধারণের মাঝে ইসলামের শিক্ষা-সংস্কৃতি ইত্যাদি সংরক্ষণ ও চর্চার মহান মাকসাদ নিয়ে একটি অরাজনৈতি সংগঠন হিসেবে ‘হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ’ এর পথচলা শুরু হয়। ধর্মীয় আন্তরিকতা এবং দেশ ও জাতির প্রতি পূর্ণ দায়িত্ববোধ সর্বোপরি নিষ্কলুষ দেশ প্রেম এর সুমহান প্রত্যয় ঘোষণার মধ্য দিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ আজ বর্তমান পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ বিশ্বাস করে- ইসলামের নির্ভেজাল মৌলনীতি, আক্বীদা-বিশ্বাস, শিরক, বিদআত ও কুফরী তৎপরতামুক্ত মুসলিম সমাজ গঠন ও সংরক্ষণে যেমন- তার অপরিহার্য দায়িত্ব রয়েছে, তেমনি যে কোন রাষ্ট্রীয় সংকটে ও প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও সহযোগিতা দানের মধ্য দিয়ে এই সংগঠন তার গুরু দায়িত্ব পালন করে যাবে। বিশেষ করে ইসলাম ও মুসলিম বিরোধী যে কোন অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠ উপস্থাপন ও সার্বিক প্রতিবাদ প্রতিরোধের ধারা এই সংগঠন যে কোন মূল্যে অব্যাহত রাখবে।
আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, বর্তমানে বাংলাদেশে ইসলাম বিরোধী আক্বীদা-বিশ্বাস, শিক্ষা-সংস্কৃতি প্রচারের মধ্য দিয়ে মুসলমানদের স্বাতন্ত্র মূল্যবোধ, স্বকীয়তার ঐতিহ্যগত অনুভূত ধ্বংস করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সমূহ ষড়যন্ত্র চলছে। বিশেষ করে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংবিধান থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের প্রাণের স্পন্দন “সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস” তুলে দিয়ে রাষ্ট্রীয় অন্যতম মূলনীতি হিসেবে কুফরী মতবাদ ‘ধর্ম নিরপেক্ষতা’কে প্রতিস্থাপন করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে একটি তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে পরিণত করার ঘৃণ্য চক্রান্ত শুরু হয়। শুধু তাই নয়, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নামে ইসলাম বিদ্বেষীরা প্রশাসনের পূর্ণ সহযোগিতায় ও ছত্রছায়ায় দেশে কুফরী মতবাদ, একমূখী শিক্ষার নামে ধর্মহীন শিক্ষানীতি, কওমী মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচার, কুরআন বিরোধী নারীনীতিমালা ও সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার অপতৎপরতা পূর্ণোদ্যমে শুরু করা হয়। এতে করে এ দেশের মুসলমান বিশেষতঃ মুসলিম শিশু-কিশোর ও যুবক শ্রেণী চরম ধর্মীয় ও নৈতিক অধঃপতনের দিকে অগ্রসর হতে শুরু করে। উল্লেখ্য যে, উক্ত ধর্ম নিরপেক্ষতার দোহাই দিয়ে এদেশের উচ্চ আদালতের একজন বিচারক একজন বিচারপ্রার্থীর টুপি খুলে ফেলতে বাধ্য করেন। সর্বোপরি নারীর ক্ষমতায়নের ধোঁয়ায় আমাদের মুসলিম রমনিদেরকে বেহায়াপনা-বেলেল্লাপনার এক মহোৎসবে মাতাল করে পশ্চিমা সংস্কৃতির ছোবলে আগ্রাসনের মধ্য দিয়ে দেশে ইভটিজিং ও নারী নির্যাতনের প্রবণতা আশংকাজনক হারে বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করেছে। এসব সর্বাগ্রাসী আগ্রাসনের মহাসাগর থেকে নিমজ্জিত মানবতাকে উত্তোলনের জন্য আপনাদের সকলের প্রতি হেফাজতের পতাকায় সমবেত হওয়ার আকুল আবেদন জানাচ্ছি। আল্লাহ তা’আলাই একমাত্র সাহায্যকারী।
মূলনীতি:
* আল্লাহ তা’আলার একত্ববাদ
* খতবে নবুয়াতের প্রতি পূর্ণ আস্থা
* কুরআন ও সুন্নাহ, খোলাফায়ে রাশেদীন, সাহাবায়ে কেরাম (রাজিআল্লাহু তা’য়ালা আনহুম) অনুসরণে তথা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ্ এর নির্ধারিত পথ অনুসরণ
* আমর বিল মা’রুফ নাহী আনিল্ মুনকারের মাধ্যমে ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে তৎপরতা সৃষ্টি, সমাজ গঠন ও সংরক্ষণ এবং শিরক, বিদআত ও কুফরী তৎপরতার বিরুদ্ধে সংশোধন ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।
* আত্মশুদ্ধিমূলক মুসলিম ভ্রাতৃত্বই হেফাজতের অন্যতম মূলনীতি।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. মহান আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি অর্জন।
২. কুরআন-হাদীস অনুসারে জীবন যাপনের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা।
৩. আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে একটি আদর্শ ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ।
কর্মসূচি:
১. দাওয়াত ও তাবলীগ: মুসলিম সমাজে ইসলাম তথা কুরআন-হাদীস ও উলামায়ে কেরামের ঐতিহ্যবাহী অনুঃসৃত পথে নির্ভেজাল ইসলাম চর্চার পথে দা’ওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনা।
২. আত্মশুদ্ধি বা তাযকিয়ায়ে নফ্স: ইসলামী আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে আত্মশুদ্ধি বা তাযকিয়ায়ে নফসের শর্ত পূরণে কার্যক্রম গ্রহণ।
৩. খিদমাতে খালক্ বা আল্লাহর সৃষ্টির সেবা: সমাজে পরার্থে আত্মত্যাগের মহান রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এবং মানবতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৪. ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুন চর্চা: সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে প্রতিটি সমাজ সদস্যের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিবেক সৃষ্টি করতঃ চর্চার রীতি প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৫. আমর বিল মা’রুফ ওয়া নাহী আনিল্ মুন্কার: সৎকাজে আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ একটি আদর্শ সমাজ ব্যবস্থার পূর্বশর্ত। পবিত্র কুরআন নির্দেশিত এই দায়িত্ব বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা।
কার্যক্রম:
১. দা’ওয়াত: ব্যক্তিগত দাওয়াত, লিফলেট-ইস্তিহার বিতরণ, চিঠিপত্র লেখা, মাহফিল-সম্মেলন ও সেমিনারের আয়োজন, বই-পুস্তক, পত্রিকা ও সাময়িকী প্রকাশ, বক্তৃতা ও লেখনী প্রকাশ।
২. সংগঠন: * কেন্দ্রীয় পরিষদ * জেলা ও মহানগর পরিষদ * উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ।
পরিষদের ধরণ: সভাপতি ১ জন, সহ-সভাপতি অনুর্ধ ১০ জন, সাধারণ সম্পাদক ১ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৩ জন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ১০ জন, অর্থ সম্পাদক ১ জন, সহ অর্থ সম্পাদক ৩ জন, সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ৫ জন, প্রচার সম্পাদক ১ জন, সহ প্রচার সম্পাদক ৫ জন, দপ্তর সম্পাদক ১ জন, সহ দপ্তর সম্পাদক ৩ জন, সাহিত্য সম্পাদক ১ জন, সহ সাহিত্য সম্পাদক ৩ জন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ১ জন, সহ সমাজকল্যাণ সম্পাদক ৩ জন, সম্মানিত সদস্য ১৫ জন। কেন্দ্রীয় পরিষদে ভিন্নতা বাঞ্চনীয়।
৩. আন্দোলন: শিরক ও বিদআতমুক্ত সমাজ গঠনে, ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপ প্রতিরোধে, মুসলমানের বিপক্ষে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রোধে, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে, সামাজিক নির্যাতন, সুদ-ঘুষ ও যৌতুক প্রতিরোধে জনমত সৃষ্টির মাধ্যমে আন্দোলন গড়ে তোলা।
নিবেদন
আসুন, আমরা সকল মতভেদ পরিহার করে ‘হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ’এর ছায়াতলে সমবেত হয়ে একটি আদর্শ ইসলামী সমাজ বিনির্মাণোত্তর আল্লাহর মহান নির্দেশ ‘আমর বিল মা’রুফ ওয়া নাহী আনিল্ মুনকার” বাস্তাবায়ন করে ইসলামের ঐক্যের সুতোয় আবদ্ধ হয়ে কাল কিয়ামতের কঠিন দিনে নিজেদের নাজাতের ওসীলা তালাশ করি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং আযাব থেকে মুক্তি দিয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন। আমীন

ফেসবুক মন্তব্য
শেয়ার করুনঃ

৬ thoughts on “হেফাজতে ইসলাম সম্পর্কে জানেন কি?

    1. হেফাজতে ইসলামের কাম কি সেটা
      হেফাজতে ইসলামের কাম কি সেটা আপনি জানেন না!
      তাঁরা কি একবারও বলেছে যে,সাইদীকে মুক্তি দিন? নিজামিকে মুক্তি দিন? যুদ্ধাপরাধীর বিচার বন্ধ করুন? প্রহসনের বিচার মানি না? একটা প্রমাণ দিতে পারবেন? তবে কোন যুক্তিতে বলবেন তাঁরা হেফাজতে জামাত!
      একথা বলবেন কি তাঁরা জামায়াতের শাস্তি চায় না এজন্য তাঁরা হেফাজতে জামাত? যদি শুধু এই যুক্তি দেন তবে সেটা চরম মূর্খের মতো হয়ে যাবে। জামায়াতের সাথে বাংলাদেশের বিরোধ ৭১ থেকে। আর কওমি ওয়ালারা জামাতের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে বিরোধিতা করে আসছে। যৌক্তিকতার বিচারে তো বলতে হয় হেফাজতে ইসলাম জামাতের সবচেয়ে বড় শত্রু। তবুও যদি আপনি হেফাজতকে জামাতের বন্ধু মনে করেন তবে কিছু প্রমাণ দেন। অপেক্ষায় রইলাম। দেখি কলসি খালি নাকি কিছু আছে।

  1. মাত্রকিছুদিন আগেই তো
    মাত্রকিছুদিন আগেই তো আলেমেদ্বীন, হযরত মাদানী রহ.-এর সুযোগ্য খলীফা শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী সাহেব (দামাত বারাকাতুহুম) বলেছেন- আলেম উলামদের বিরুদ্ধতা করা আল্লার সাথে যুদ্ধ করার শামিল”(নাওজুবিল্লা কন)
    নয়াদিগন্ত এর পেপার কাটিং টাও ফেবু তে আছে, চাইলে দেখাইতে পারি।
    এর পরও কি বলবেন? ??? বিশ্বাস করতে।
    এর পরও কিভাবে বলেন,

  2. বাংলাদেশ ধর্মনিরপেখ্য
    বাংলাদেশ ধর্মনিরপেখ্য রাষ্ট্র, এইখানে হেফাজতে ইসলাম এর কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই, ইসলাম একটি জীবনব্যবস্থা, কোনো রাষ্ট্রীয় বা সমাজব্যবস্থা নয়। যার যার ধর্ম তার তার পালন করার অধিকার আছে। হেফাজতে ইসলাম এর নামে যেই স্বংগঠন আপনারা করেছেন তার অন্তর্নীহিত ঊদ্দেশ্য জামাত এ ইসলাম থেকেও খারাপ। মক্কা মদীনা তে গিয়ে হেফাজতি কামকাজ শুরু করেন, বাংলাদেশের মাটিতে এইগুলা চলবে না।

    শালারা ইয়াজিদ এর বংশধর, মানুষের মৌলিক অধিকার যেইখানে পুরন হয়্না, সেইখানে আরছে ইসলাম এর হেফাজত মারাইতে, তোগো ইসলাম তোরা ঘরে আর মসজিদ এ হেফাজত কর।

    আমরা প্রকৃত বাঙ্গালী, আমরা বেদুঈন না, আমাদের বাঙ্গালী কালচার আমাদের রাষ্ট্রীয় সমাজ ব্যবস্থা।

    1. প্রথমে ধর্ম নিরপেক্ষ শব্দটা
      প্রথমে ধর্ম নিরপেক্ষ শব্দটা শুদ্ধ করে লেখা শিখেন। আর ধর্ম নিরেপেক্ষতার অর্থ কি বুঝেন? ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে কি ধর্মহীনতা? দেশের ৯০% মানুষ মুসলমান। গনতন্ত্রের দাবী অনুযায়ী জনগণের চাহিদার প্রেক্ষিতে দেশ চলবে। সংবিধানে আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস কি ধর্ম নিরপেক্ষতার বিরোধী?
      আপনার কথাবার্তা মূর্খের মতো। সম্ভবত জানেন না,তাই বলছি; ইসলামী রাষ্ট্রে বিধর্মীরা থাকতে গেলে ট্যাক্স দিতে হয়। বাংলাদেশ যেহেতু ইসলামী রাষ্ট্র নয়; সুতরাং এখানে আমরা মুসল্মান,হিন্দু,বৌদ্ধ,খৃষ্টান সবাই মিলে থাকবো। এটাই ধর্ম নিরপেক্ষতার অর্থ।
      হেফাজত জামাতের চেয়ে খারাপ? বাহ। পাগল আজকাল ব্লগেও পাওয়া যায়? হেফাজত কেন খারাপ যুক্তি দেন। নইলে রাস্থা দেখেন। এখানে বালছাল চিল্লাইতে আইসেন না।
      (ইসলাম একটি জীবনব্যবস্থা, কোনো রাষ্ট্রীয় বা সমাজব্যবস্থা নয়। যার যার ধর্ম তার তার পালন করার অধিকার আছে।) ইসলাম সম্পর্কে না জেনে কথা বলেন কেন? ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। যেখানে রাষ্ট্র,সমাজ সবকিছু আছে। এখানে সময় না দিয়ে ইসলামের ইতিহাস পড়েন। কাজে লাগবে। আজেবাজে কথা বলে এভাবে নিজের অজ্ঞতাকে প্রকাশ করে ল্যাংটা হচ্ছে ন কেন?
      আর হেফাজত কি বলেছে মুসলমান ছাড়া কেউ থাকতে পারবে না। ইসলাম একথা বলেনি। হেফাজত ও এমন দাবী করেনি। অবশ্য আপনি নাস্তিকতাকে একটা ধর্ম মনে করলে আপনার সাথে আমার কথা নাই। আপনি পাবনায় গেলেই ভালো করবেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

+ 15 = 19